All posts by jitu

অপ্রতিমকে হত্যা—ছিনতাই নাকি মায়ের ওপর প্রতিশোধ? উঠছে নানা প্রশ্ন

হাবিবুর রহমান মুন্না:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইফোন ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যের বাইরে অন্য কোনো কারণ ছিল কি না এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষ করে ২০২৫ সালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরের দায়িত্ব পালনকালে ড. নাহিদা বেগমের নেতৃত্বে কয়েকজন কিশোরকে মাদকসেবনের অভিযোগে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার ঘটনার সঙ্গে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তার সহকর্মীরা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আব্দুল কাইয়ুম চত্বরে শিক্ষক সমিতির আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার (শীলা)।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্যাম্পাসে মাদকবিরোধী অভিযানে তৎকালীন প্রক্টরিয়াল বডি সাতজন কিশোরকে আটক করে। পরে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়। ওই সময় ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরের দায়িত্বে ছিলেন ড. নাহিদা বেগম। ক্যাম্পাসে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টরা জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, সন্ধ্যার পর ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আড্ডা ও মাদকসেবনের ঘটনায় বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ এবং মাদকসংক্রান্ত তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে ড. নাহিদা বেগম সক্রিয় ছিলেন বলেও জানা গেছে।

এদিকে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের তদন্তে কয়েকটি বিষয় সামনে এসেছে। অপ্রতিমের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পূর্বপরিচয় বা কোনো ধরনের সম্পর্ক ছিল কি না, ২০২৫ সালের মাদকবিরোধী অভিযানে আটক কিশোরদের সঙ্গে গ্রেপ্তারদের কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না এবং আইফোন ছিনিয়ে নেওয়াই হত্যাকাণ্ডের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

মানববন্ধনে ড. কামরুন নাহার (শীলা) বলেন, তিনি ড. নাহিদা বেগমের সঙ্গে কথা বলেছেন। নাহিদা বেগম চান, তার সন্তানের হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা হোক।

ড. কামরুন নাহার বলেন, ২০২৫ সালে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরের দায়িত্ব পালনকালে ড. নাহিদা বেগম কয়েকজন কিশোরকে মাদকসেবনের অভিযোগে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন। অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওই ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আইন সংস্কারের মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

তবে ২০২৫ সালের ওই মাদকবিরোধী অভিযানের সঙ্গে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে এমন কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি আপাতত সম্ভাব্য যোগসূত্র হিসেবে তদন্তের দাবি হিসেবেই রয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

নিখোঁজের প্রায় ২০ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটসংলগ্ন ম্যাজিক প্যারাডাইসের পাশে দক্ষিণ সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলটি অপ্রতিমের বাসা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে।

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত সামনে আসা তথ্যের পাশাপাশি তার নিখোঁজ হওয়ার সময়কার গতিবিধি, কার সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল এবং হত্যার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

লাকসামে নারীকে কুপিয়ে জখমের মামলায় দিদার গ্রেপ্তার

রিয়াদ হোসাইন, লাকসাম:

কুমিল্লার লাকসামে গভীর রাতে বসতঘরে ঢুকে এক নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার মামলার আসামি দিদার হোসেন (৩০) গ্রেপ্তার হয়েছেন। পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে লাকসাম পৌরসভার বাইপাস এলাকা থেকে দিদারকে গ্রেপ্তার করে লাকসাম থানা পুলিশ। তিনি উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সাতঘর ইছাপুরা গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে।

পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর মাঈন উদ্দিন আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, গত ২৯ আগস্ট ভোরে ওই নারীর ঘরে ঢুকে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক আঘাত করা হয়। এতে তাঁর মুখ, গলা, বুক, পেট, পিঠ ও পায়ে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তাঁর সাত বছর বয়সী মেয়েকেও লাথি মেরে আহত করার অভিযোগ রয়েছে। পরে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় দিদারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লাকসাম থানায় মামলা হয়। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে আরেকটি মামলাও রয়েছে।

ওই মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৩১ মে ইছাপুরা হাইস্কুলের সামনে এক ব্যক্তির পথরোধ করে মারধর করা হয়। পরে তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়। একই রাতে তাঁর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে।

পুলিশের নথি অনুযায়ী, দিদারের বিরুদ্ধে ২০২১ ও ২০২৪ সালের আরও দুটি মামলা রয়েছে।

লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামরুন নাহার লাইলী বলেন, মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে। পরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোও যাচাই করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মা ও ৮ মাসের ভাতিজি খুন, আহত ভাবী; ঘাতক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লার দেবিদ্বারে এক যুবকের ধারালো অস্ত্রের হামলায় মা ও আট মাস বয়সী ভাতিজি খুন হয়েছেন। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে গুরুতর জখম হয়েছেন ওই যুবকের ভাবী।

​সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

​ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত যুবক ইমনকে (২৪) হাতেনাতে আটক করে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে। আটক ইমন ওই বাড়ির মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে।

​নিহতরা হলেন ইমনের মা পেয়ারা বেগম এবং তার আট মাস বয়সী ভাতিজি। হামলায় গুরুতর আহত ভাবীর নাম রাবেয়া বেগম।
​
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে আটটার দিকে ইমন কোনো এক কারণে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে দা দিয়ে তার নিজ মা পেয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর তার আট মাস বয়সী ভাতিজিকে আছড়ে মেরে ফেলে। এ সময় তাকে বাধা দিতে এগিয়ে এলে ভাবী রাবেয়া বেগমকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা এসে আহত রাবেয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায় এবং ঘাতক ইমনকে পাশের একটি ঘরে আটকে রাখে।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে অভিযুক্ত ইমন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তবে ঠিক কী কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বীরচন্দ্রনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন ইসরাত

বীরচন্দ্রনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন ইসরাত

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বীরচন্দ্রনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা কাজী আফরোজা ইসরাত।

সম্প্রতি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।

কাজী আফরোজা ইসরাত চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন রামরায় গ্রামের কাজী বাড়ির মরহুম কাজী আব্দুল মালেকের কন্যা। তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের উদ্যোক্তা এবং চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার বীরচন্দ্রনগর গ্রামের কৃতী সন্তান মোস্তফা কামালের সহধর্মিণী।

শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই কাজী আফরোজা ইসরাত ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প এবং নারী উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখে আসছেন। গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করার পর তিনি স্বামীর সঙ্গে পিউর গ্রুপ লিমিটেড-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাদের উদ্যোগে ধোড়করা বাজার ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং, কাদৈর বাজার ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংসহ কয়েকটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। ব্যবসা ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি নারী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নেও কাজ করে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, বীরচন্দ্রনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কাজী আফরোজা ইসরাতের শ্বশুর, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও মদিনা বাসের স্বত্বাধিকারী মরহুম ধনু মিয়া গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেন এবং প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

এমন একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে কাজী আফরোজা ইসরাতের নিয়োগকে স্থানীয়ভাবে ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

বুড়িচংয়ে সেচ পাম্পের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একজনের মৃত্যু

বুড়িচংয়ে সেচ পাম্পের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একজনের মৃত্যু

 

মুহাম্মদ রকিবুল হাসান (রনি):

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সেচ পাম্পের বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাবুল (৫১) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের শিকারপুর-মনঘাটা এলাকার নাগিনীর জলাশয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বাবুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চিনাইর এলাকার ছয়ঘর ভূঁইয়া বাড়ির জালাল উদ্দীনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শিকারপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের নাগিনীর জলাশয়ে জমিতে পানি সেচের জন্য একটি পাম্প স্থাপন করা হয়। শনিবার গভীর রাতে ওই সেচ পাম্পের বিদ্যুতের তার চুরি করার চেষ্টা করছিলেন বাবুল। এ সময় তার কাটতে গেলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

রবিবার সকালে স্থানীয় শ্রমিকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে বাবুলকে বিদ্যুতের তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।

দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আলমগীর হোসেন বলেন, শিকারপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের জমিতে পানি সেচের জন্য স্থাপিত পাম্পের বিদ্যুতের তার কাটার সময় ওই ব্যক্তি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। সকালে শ্রমিকরা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তার স্ত্রী শিল্পী আক্তার মরদেহ শনাক্ত করেন।

দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরেচিত বড়ুয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রোববার রাত ২টার পর সেচ পাম্পের বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাবুলের মৃত্যু হয়। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বুড়িচং থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মুরাদনগরে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ৩ জন গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ৩ জন গ্রেপ্তার

 

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগরঃ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে শনিবার দিবাগত রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের জয়নগর পাঁচকিত্তা গ্ৰামের হুমায়ন কবিরের ছেলে মোঃ ফাহাদ ভূইয়া(৩২), ধামঘর ইউনিয়নের মুগসাইর গ্রামের মৃত আলী আকবরের ছেলে মোঃ কামাল উদ্দিন(৫৪) ও ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের বোড়ারচর গ্রামের হাজী মোঃ সাহাজ উদ্দিনের ছেলে অহিদ (৪৫)।

পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের জয়নগর পাঁচকিত্তা গ্ৰামে, ধামঘর ইউনিয়নের মুগসাইর গ্রামে ও ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের বোড়ারচর গ্রামে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মুরাদনগর থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে রবিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ভাইয়ের বিয়ের কেনাকাটা করতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় বোনের মৃত্যু

ভাইয়ের বিয়ের কেনাকাটা করতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় বোনের মৃত্যু

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

চাঁদপুরে দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহিনুর বেগম (৩৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার অন্য ভাই-বোন আহত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের দেবপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত মাহিনুর বেগম চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচণ্ডি এলাকার তফদার বাড়ির নাসির তফদারের স্ত্রী। তিনি এক সন্তানের জননী ছিলেন। প্রবাস ফেরত ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে তিনি হাজীগঞ্জের বাকিলা থেকে চাঁদপুর শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মাহিনুরের ভাই হাজীগঞ্জ উপজেলার বাকিলা ইউনিয়নের রাধাসার গ্রামের বড় বাড়ির মৃত মনু মিয়ার ছেলে মো. ইউনুছ (২৮)। অপর আহত বোনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। আহত দুজনকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

নিহত মাহিনুরের চাচা বুলু তফদার কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) মাহিনুরের প্রবাস ফেরত ছোট ভাইয়ের বিয়ে। ভাইয়ের বিয়ের কেনাকাটা করার জন্য রোববার দুপুরে বাবার বাড়ি থেকে অটোরিকশায় চাঁদপুর শহরে যাচ্ছিলো সে। কিন্তু পথিমধ্যে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবপুর এলাকায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সব শেষ হয়ে গেলো।

স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি বাকিলা থেকে চাঁদপুরের দিকে যাচ্ছিল। দেবপুর এলাকায় পৌঁছে একটি (চাঁদপুর-থ ১১- ৭১৭৮) নম্বরের সিএনজি অতিক্রম করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী (নারায়ণগঞ্জ- ট ১১-০৫৯৪) নম্বরের ট্রাকের সঙ্গে এর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়ে মাহিনুর বেগম সড়কে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এবং অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে সড়কের পাশের জমিতে পড়ে যায়।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও অটোরিকশা পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে। তবে অটোরিকশার চালককে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। ওসি আরও বলেন, নিহত নারীর মরদেহ উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সীমান্তে কাঁটাতারের পাশ থেকে বাংলাদেশি কিশোরের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

সীমান্তে কাঁটাতারের পাশ থেকে বাংলাদেশি কিশোরের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত থেকে নিখোঁজ শাকিল (১৪) নামে এক বাংলাদেশি কিশোরের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ২টার দিকে ত্রিপুরা রাজ্যের লঙ্কামুড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা সানমুড়া সীমান্ত এলাকার কাঁটাতারের পাশে পড়ে থাকা অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

নিহত শাকিল আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মালু মিয়ার ছেলে। পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় সে। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি ও মাইকিং করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

শাকিলের বাবা মালু মিয়া জানান, বুধবার রাতে তার মেয়ের বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান ছিল। রাত সাড়ে ১২টার দিকে অনুষ্ঠান শেষে সে ঘরে ফিরে মায়ের সঙ্গে ঘুমাতে যায়। কিছুক্ষণ পর আবার ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এরপর আর ঘরে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন।

তিনি বলেন, ‘অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। মাইকিং করে প্রচার করেছি। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান পাইনি। শনিবার সন্ধ্যায় বিজিবির মাধ্যমে খবর পেয়ে সীমান্তে গিয়ে ছেলের মরদেহ দেখতে পাই। পরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কথা হয়। বিএসএফ মরদেহ নিয়ে গেছে। ছেলের লাশ কবে ফেরত পাব, জানি না।’

মালু মিয়া আরও জানান, শাকিল মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিল। কীভাবে সে বাড়ি থেকে সীমান্ত এলাকায় পৌঁছেছে, তা তিনি জানেন না।

বিজিবি ফকিরমুড়া ক্যাম্পের কমান্ডার নিরাময় চাকমা বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের আখাউড়া-ত্রিপুরা অংশের ২০২২-৯এস সীমান্ত পিলারের কাছে সানমুড়া কাঁটাতারের বেড়ার পাশে কিশোরের লাশ পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি বিএসএফের নজরে আসে।

শনিবার সন্ধ্যার পর ভারতীয় বিএসএফের মাধ্যমে খবর পেয়ে ফকিরমুড়া বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ নেন। খবর পেয়ে আখাউড়া থানার ওসি জাবেদ উল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন।

বিজিবি ও বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করেন। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত ও উদ্ধারের প্রক্রিয়া শেষ করতে গভীর রাত হয়ে যাওয়ায় রাত ২টার দিকে ত্রিপুরা রাজ্যের লঙ্কামুড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা লাশটি তাদের হেফাজতে নেন।

এ বিষয়ে ২৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, কিশোরটি কীভাবে সীমান্ত এলাকায় গেল এবং তার মৃত্যুর কারণ কী—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সীমান্তের কাঁটাতারের পাশে মরদেহ পাওয়ায় বিএসএফ সেটি নিয়ে গেছে। ময়নাতদন্ত শেষে রোববার বিকেলে মরদেহ ফেরত দেওয়ার কথা রয়েছে।

অপ্রতিম হত্যার দিন তুহিনের গতিবিধি কেমন ছিল, জানালেন মা

আজকের কুমিল্লা ডেস্ক:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষকের সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আটক প্রধান অভিযুক্ত তুহিন হোসেনের ঘরের বিছানার নিচ থেকে নিহতের মায়ের খোয়া যাওয়া আইফোনটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে ঘটনার দিন তুহিন কখন কোথায় ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন তার মা।

তিনি জানান, ঘটনার দিন শুক্রবার জুমার পর থেকে রাত ৯টার মধ্যে তুহিন দফায় দফায় বাসা থেকে বের হওয়া ও ফিরে আসার ঘটনা ঘটায়।

অভিযান ও পারিবারিক বিবরণ অনুযায়ী, সাদা পোশাকের একদল পুলিশ সদস্য তুহিনকে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যান। এ সময় তুহিনের শয়নকক্ষের বিছানার নিচে লুকানো একটি কালো শপিং ব্যাগের ভেতর থেকে অপ্রতিমের মায়ের ব্যবহৃত আইফোনটি উদ্ধার করা হয়।

ছেলের গতিবিধি সম্পর্কে তুহিনের মা জানান, গত শুক্রবার জুমার নামাজ ও দুপুরের খাবার শেষে তুহিন বাড়ি থেকে বের হয়। বিকেলে একবার ঘরে ফিরে এলেও সন্ধ্যার কিছুক্ষণ পর সে আবারও বাইরে চলে যায়। এরপর রাত ৯টার দিকে ফিরে এসে রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়ে।

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আরো একজন গ্রেপ্তার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লায় ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় আরো একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এ নিয়ে মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা এই হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের বয়স ১৮ বছরের বেশি এবং একজনের বয়স ১৮ বছরের কম হতে পারে। তবে সবার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই করা হচ্ছে।

ঘটনাটি মর্মান্তিক উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায় এবং ডেড বডি উদ্ধার করা হয়।

তার ১২ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেহভাজন সব আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বলেন, সর্বশেষ হিসাবমতে, আগে তিনজন, আজ একজনসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা অপরাধ স্বীকার করেছেন। এখন বাকি আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সব আলামত পাওয়া গেছে।

তারা ঘটনা স্বীকার করেছেন। এখন পুলিশ অন্যান্য আইনানুগ কার্যক্রম বা ১৬৪ করানো যায় কি না, এগুলো নিয়ে কাজ করছে।’
রামিসা হত্যার মতো অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচারের জন্য পুলিশ সহযোগিতা করবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিচার করবেন আদালত, আমরা সব সহযোগিতা করব।’

কুমিল্লায় ১৩ বছরের কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন কোটবাড়ী এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থী। গতকাল শনিবার দুপুরে অপ্রতিমের রক্তাক্ত মরদেহ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পর সন্দেহভাজন হিসেবে বিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে গতকাল আটক করে পুলিশ। তবে আজ রবিবার এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ আরো একজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।