All posts by jitu

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে কুমিল্লায়

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে কুমিল্লায় সাংবাদিকদের উদ্যোগে চিত্রাংকন-রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

 

উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল:

কুমিল্লা ইয়ুথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ও কুমিল্লা স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংবাদিকদের ছেলে মেয়েদের নিয়ে চিত্রাংকন-রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লার প্রেসক্লাব মিলনায়তনে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পুরস্কার বিতরণ করা হয় ।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুকের সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক শিরোনামের সম্পাদক ও কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক আহবায়ক নীতিশ সাহা, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মহিবুবুল হক ছোটন, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিনুল ইসলাম, কুমিল্লা সদরের সরকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক, বর্তমানে যুগ্ম আহবায়ক শওকত আলী বকুল, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম,

সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাঈয়িদ মাহমুদ পারভেজ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাদিক মামুন, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মাহবুব আলম বাবু, দৈনিক রূপসী বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার অশোক বড়ুয়া, সিটিভির সম্পাদক ওমর ফারুকী তাপস, কুমিল্লা জুয়েলারি মালিক সমিতির যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান, কুমিল্লা ইউথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম রেজা মুন্সী, দৈনিক কাল বেলার কুমিল্লা চীফ দিলীপ মজুমদার, দৈনিক ভোরের সূর্যোদয়ের প্রধান সম্পাদক এম ফিরোজ মিয়া, দৈনিক পূর্বাশা সিনিয়র রিপোর্টার মামশাদ কবির, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক বাহার রায়হান, দৈনিক আমাদের দেশের দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি শাহ আলম শফি, গ্লোবাল টিভির প্রতিনিধি সাইফ উদ্দিন রনি, বাসস ও নাগরিক টিভির প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন আকাঈদ, মাই টিভির প্রতিনিধি আবু মুসা, ইয়ুথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ ইমরান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ জুয়েল খন্দকার, কুমিল্লা নিউজ এর সম্পাদক জহিরুল হক বাবু, এশিয়ান টিভির কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি মাহফুজ আনোয়ার, মেগোতীর সম্পাদক আসিফ মান্না, দৈনিক আজকের কুমিল্লার বার্তা সম্পাদক নাসরিন আক্তার হীরা, দৈনিক পূর্বাশার ডেস্ক ইনচার্জ সাদিয়া সুলতানা বর্ষা, দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার ম্যাক রানা, কুমিল্লার বার্তা সম্পাদক শামসুল আলম রাজন, আনন্দ টিভির আহসান হাবীব পাখি, বাংলাদেশ সমাচারের সাফি, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার, জাগো নিউজের সম্পাদক অমিত মজুমদার, জিটিভির উত্তর প্রতিনিধি মাইনুদ্দিন, বাংলাদেশ কন্ঠের ইয়াসিন, দৈনিক আজকের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল, দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান মুন্না, মোহনা টিভির আব্দুল মোতালেব নিখিল, যমুনা টিভির ক্যামেরা পার্সন সাকিব প্রমুখ।

চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র জীবনানন্দ দে কাব্য, দ্বিতীয় হয়েছেন তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র কাফি ( সাংবাদিক জহিরুল হক বাবুর ছেলে) ও তৃতীয় হয়েছেন তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী মারসিয়া মাহফুজ সাবরিন ( সাংবাদিক মাহফুজ আনোয়ার সৌরভের মেয়ে) । এছাড়া বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের ছেলে অরণ্য সরকার প্রিন্স, সাংবাদিক তাওহীদ হোসেন মিঠুর ভাগ্নি লিবা, সাংবাদিক আব্দুল মোতালেব নিখিলের মেয়ে জান্নাতুল হাফসা নিহা, রাসেল সোহেলের ছেলে সাহির আহমেদ সাকাফ, সৈয়দ রাজিবের ছেলে আব্দুল্লাহ ওমায়ের, মাইনুদ্দীনের ছেলে ওয়াফি ও সাংবাদিক নুর আলমের মেয়ে নুসরাত সুলতানা আলিফা।

রচনা প্রতিযোগিতায় যৌথভাবে প্রথম হয়েছেন সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী নূর সামিরা পুষ্প ( সাংবাদিক আলাউদ্দিনের ভাগ্নি) ও অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মীম ( সাংবাদিক নুর আলমের মেয়ে) ।

দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মাইনুদ্দিন ও রানারআপ হয়েছেন মাইনুল হক স্বপন, ক্যারাম বোর্ড প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল ও রানার আপ হয়েছেন মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ, ব্যাডমিন্টন পুরুষ এককে ( গ্রুপ -ক) চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আসিফ মান্না ও রানার আপ হয়েছেন রাসেল সোহেল, ব্যাডমিন্টন পুরুষ এককে ( গ্রুপ- খ) চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ ও রানার আপ হয়েছেন সেলিম রেজা মুন্সী, ব্যাডমিন্টন দ্বৈত ( পুরুষ- মহিলা) প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মোঃ আলাউদ্দিন ও নাসরিন আক্তার হীরা এবং রানার আপ হয়েছেন শাহ ইমরান ও আমেনা বেগম শিউলি, ব্যাডমিন্টন মহিলা এককে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন নাসরিন আক্তার হীরা ও রানার আপ হয়েছেন আমেনা বেগম শিউলি, ব্যাডমিন্টন দ্বৈত ( পুরুষ জুটি) প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন সেলিম রেজা মুন্সি ও ইসতিয়াক আহাম্মেদ এবং রানারআপ হয়েছেন মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ ও উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল।

এছাড়া ফেয়ার প্লে পুরস্কার পেয়েছেন জহিরুল হক বাবু, সাদিয়া সুলতানা বর্ষা, মোহাম্মদ শাফি, আহসান হাবীব পাখি, হাবিবুর রহমান মুন্না, আব্দুল মোতালেব নিখিল, অমিত মজুমদার, ম্যাক রানা, সাকিব ও ইয়াসিন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মহান একুশে থেকে শুরু করে বাঙালি জাতির জীবনে যতগুলো তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা বহমান সবগুলো সঠিক ইতিহাস জাতির সামনে সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে এতে করে একটি জাতি প্রতিটি ইতিহাস সম্পর্কে অবগত হতে পারবে।

এছাড়াও বক্তারা বলেন, শহীদ রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলা ভাষা আমাদের সকলে আপন করে নিতে পারলে শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে। আমাদের সকলকে বাংলা ভাষার প্রতি প্রাধান্য দেওয়া বাড়াতে হবে।

ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে কুমিল্লা ইয়ুথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন

ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে কুমিল্লা ইয়ুথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন

হাবিবুর রহমান মুন্না:

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে কুমিল্লা ইয়ুথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন।

২১ ফেব্রুয়ারি( শুক্রবার) প্রথম প্রহরে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংগঠনটি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ইয়ুথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, সংগঠনটির সভাপতি সেলিম রেজা মুন্সি , সাধারণ সম্পাদক শাহ ইমরান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো.আলাউদ্দিন,কোষাধ্যক্ষ জুয়েল খন্দকার, দপ্তর সম্পাদক মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ, আইটি বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম (ম্যাক রানা),সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মুন্না, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল,সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নাছরিন আক্তার হীরা,সহ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাবিয়া সুলতানা বর্ষা। সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এইচ এম মহিউদ্দিন, আমেনা বেগম শিউলি, সৈয়দ রাজীব,আবদুল মোতালেব নিখিল,মাইনউদ্দিন,ইয়াছিন মিয়াসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের পুষ্প স্তবক অর্পণ

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের পুষ্প স্তবক অর্পণ

হাবিবুর রহমান মুন্না:

যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৫ পালিত হয়েছে।

ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একুশের প্রথম প্রহরে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এ সময় কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক আহবায়ক নীতিশ সাহা,সাবেক
সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সদস্য অশোক বড়ুয়া,সহ সভাপতি মাহবুব আলম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু,
দপ্তর সম্পাদক সেলিম রেজা মুন্সি, পাঠাগার সম্পাদক জামাল উদ্দিন দামালসহ কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

নাঙ্গলকোটে ট্রেনের ধাক্কায়

নাঙ্গলকোটে ট্রেনের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু

নাঙ্গলকোটে ট্রেনের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ঢাকাগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় এক অজ্ঞাত নারী (৫০) নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নাঙ্গলকোট বাজার রেলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায়, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন আসার সময় রেলগেটে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। ওই নারী ব্যারিকেডের নিচ দিয়ে পারাপার হওয়ার চেষ্টা করলে উপস্থিত লোকজন তাকে বাধা দেয়। কিন্তু তিনি বাধা উপেক্ষা করে পারাপার করতে গেলে ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নাঙ্গলকোট রেলস্টেশনের স্টেশন মাষ্টার জামাল হোসেন বলেন, “সকালে সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই নারীর বাড়ি উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের নারায়ণ ভাতুয়া গ্রামে। দুর্ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা তার লাশ উদ্ধার করে নিয়ে গেছেন।”

লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরান হোসেন বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।”

দাউদকান্দিতে সাংবাদিকের উপর বখাটের হামলা

দাউদকান্দিতে সাংবাদিকের উপর বখাটের হামলা

 

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে প্রথম আলোর সাংবাদিক আব্দুর রহমান ঢালীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ দিকে উপজেলার গৌরীপুর বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিক আব্দুর রহমান ঢালী প্রথম আলোর স্থানীয় প্রতিনিধি এবং গৌরীপুর সুবল আফতাব উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের দফতর সম্পাদক।

জানা যায়, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গৌরীপুর সুবল আফতাব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রভাতফেরী শেষে ছাত্রীরা বাড়ী ফেরার পথে হাটচান্দিনা গ্রামের কিশোর রনি মেয়েদের ইভটিজিং করে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আব্দুর রহমান ঢালী বলেন, প্রতিদিন ছাত্রীদের বিরক্ত করা বিষয়টি জেনে আজ আমি দাড়িয়ে থেকে ছাত্রীদের অটোরিকশায় উঠিয়ে দেই। কেন ছাত্রীদের অটোরিকশায় তুলে দিয়েছই এই বলে বখাটে কিশোর রনি আমার গায়ে হাত তুলে। স্থানীয় লোকজন দেখো এগিয়ে আসলে সে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ জুনায়েত চৌধুরী বলেন, সাংবাদিক আব্দুর রহমান ঢালীকে উপর হামলা বা হেনস্তার বিষয়টি নিয়ে পুলিশ মাঠে কাজ শুরু করেছে।

এদিকে, সাংবাদিক আব্দুর রহমান ঢালীর উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দাউদকান্দি ও তিতাস প্রেস ক্লাবসহ উপজেলার সকল সাংবাদিক সংগঠনের সদস্য ও নেতৃবৃন্দ।

 

‘ভাষা শহীদদের পরিবারকে পরিপূর্ণ

‘ভাষা শহীদদের পরিবারকে পরিপূর্ণ সম্মান দিতে ব্যর্থ রাষ্ট্র’

ডেস্ক রিপোর্ট:

১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের পরিবারকে পরিপূর্ণ সম্মান দিতে রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে জামায়াত আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

জামায়াত আমির বলেন, ‘৫২-এর ভাষা শহীদদের পরিবারকে পরিপূর্ণ সম্মান দিতে রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে। এসব শহীদদের নিয়ে রাজনীতি করা হলেও তাদের পরিবারকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। বিগত দিনে যারা ক্ষমতায় ছিল, এ দায় তাদের।’

তিনি আরও বলেন, ‘একাত্তরে যারা শহীদ হয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর ও ২৬ মার্চ এই জাতি মোটামুটি তাদের স্মরণ করে। কতটা মর্যাদা দিতে পারে, তা আলোচনার বিষয়। অনুরূপভাবে যারা ভাষা আন্দোলনের জন্য জীবন দিয়েছেন, অন্তত একুশে ফেব্রুয়ারি সেই দিনটির কথা স্মরণ করুন, তাদের পরিবারকে বুকে টানুন আর সম্মান জানান। তাহলে তারা কিছুটা হলেও প্রশান্তি পাবেন। আর বর্তমান প্রজন্ম এখান থেকে শিক্ষা নেবে।’

আফসোস করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ইতিহাসের নায়কদের সম্মান দিতে জানি না। উল্টো ইতিহাস বিকৃত করি। কিন্তু ইতিহাস নির্মম, কাউকে ছাড় দেয় না। তবে ইতিহাস বিকৃতকারীরা সবসময়ই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে পড়ে গিয়েছে।’

আওয়ামী লীগ সরকার সাড়ে ১৫ বছর জাতিকে বড় জ্বালাতন করেছে বলে অভিযোগ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘ইতিহাসকে কেটে টুকরো টুকরো করেছে দলটি। সব জায়গায় অন্যায্যভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছিল। প্রত্যেক জাতির যুবসমাজ সাধারণত অন্যায়ের বিরুদ্ধে থাকে, বৈষম্যের বিরুদ্ধে থাকে। আমাদের যুবকরাও সেই গৌরব ধারণ করে চলেছে।’

জোর করে যে ইতিহাস তৈরি করা হয়, তা প্রচণ্ড চাপে বিলুপ্ত হয়ে যায় উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এটি কারো জন্য সুখকর নয়। বরং ইতিহাসে যার যেখানে জায়গা, তাকে অবশ্যই সেখানে দিতে হবে। যদি ভালো লাগার মানুষকে ইতিহাসের সামনে নিয়ে আসেন, আর ভালো না লাগার মানুষকে যদি ফেলে দেন, সেটা ইতিহাস নয় হবে গল্প। তাই ইতিহাসের নামে আমরা কোনো গল্প দেখতে চাই না।’

ভাষা আন্দোলনে তমুদ্দিন মজলিশ, অধ্যাপক গোলাম আযমসহ সংশ্লিষ্ট সবার অবদান সরকারিভাবে সামনে আনার উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান জামায়াত আমির।

লড়াকু সেঞ্চুরি করেও হারের দায়টা

লড়াকু সেঞ্চুরি করেও হারের দায়টা নিজ কাঁধে নিলেন তাওহীদ হৃদয়

লড়াকু সেঞ্চুরি করেও হারের দায়টা নিজ কাঁধে নিলেন তাওহীদ হৃদয়

ডেস্ক রিপোর্ট:

দুবাইয়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে লড়াকু সেঞ্চুরি করেও দলের ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে নিলেন তাওহীদ হৃদয়। ম্যাচের শেষ পর্যায়ে ক্র্যাম্পের কারণে রান তুলতে না পারার বিষয়টি স্বীকার করেছেন এই তরুণ ব্যাটার।

বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুতেই বড় ধস নামে। মাত্র ৯ ওভারের মধ্যে স্কোর দাঁড়ায় ৩৫-৫। এরপর হৃদয় ও জাকের আলী মিলে ষষ্ঠ উইকেটে ২০৬ বলে ১৫৪ রানের রেকর্ড জুটি গড়ে দলের হাল ধরেন। সে জুটি নিয়ে হৃদয় বলেন, ‘জাকের আর আমি কেবল একটি পার্টনারশিপ গড়তে চেয়েছিলাম, এর বেশি কিছু না।’

জাকের ১১৪ বলে ৬৮ রান করে বিদায় নেন। এরপরই ক্র্যাম্পে কাবু হতে থাকেন হৃদয়। ৮৬ রানে পৌঁছানোর পর থেকেই ব্যথায় কাতরালেও ব্যাটিং চালিয়ে যান তিনি। টেলএন্ডারদের সঙ্গে জুটি গড়ে নিজের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নেন, তবে ইনিংসের শেষদিকে গতি আনতে ব্যর্থ হন, ফলে বাংলাদেশও বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি।

হৃদয় বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি এখন ভালো আছি। আমার মনে হয়, ক্র্যাম্পটাই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। যদি আমি ঠিক থাকতাম, তাহলে আরও ২০-৩০ রান করতে পারতাম।’

বাংলাদেশের পরিকল্পনা ছিল টস জিতলে ব্যাটিং নেওয়ার। হৃদয়ের ভাষ্য, ‘আমাদের স্পষ্ট ধারণা ছিল, যদি টস জিতি তবে ব্যাটিং নেব। আমরা শুধু কয়েকটা উইকেট দ্রুত হারিয়ে ফেলেছি। তবে এরপরও আমি আর জাকের যে ব্যাটিং করেছি, যদি আমাদের কেউ শেষ পর্যন্ত থাকতে পারত, তাহলে হয়তো ২৬০-২৭০ রান করতে পারতাম।’

তবে ২২৮ রান নিয়েও জয় সম্ভব ছিল বলে মনে করেন হৃদয়। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, আমি ভেবেছিলাম আমরা জিততে পারবো। এই স্কোর নিয়েও লড়াই করা সম্ভব ছিল, আর আমরা করেছি। আমাদের বোলিং ভালো ছিল, যদিও শুরুতে কিছু বাড়তি বাউন্ডারি দিয়ে ফেলেছি। কিন্তু যদি আরও কয়েকটা উইকেট নিতে পারতাম, তাহলে ফলাফল ভিন্ন হতে পারতো।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনেও অনুপ্রেরণা

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনেও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে একুশের চেতনা: রিজভী

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনেও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে একুশের চেতনা: রিজভী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনে একুশের ভূমিকা রয়েছে। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনেও একুশের চেতনা অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিএনপির পক্ষ থেকে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভাষার জন্য বিশ্বের কোনো দেশের মানুষ জীবন দেয়নি। বাঙালিরা মুখের ভাষা বাংলায় কথা বলতে জীবন বিলিয়ে দিয়েছে। যা সারা বিশ্বের কাছে বিস্ময়। ছাত্ররা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে নিজের মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায় করেছে। একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের কাছে প্রেরণার উৎস।

তিনি গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন সম্ভব নয়।

বিএনপির এ মুখপাত্র বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারিকে এদেশের জনগণ একদিকে যেমন দুঃখের দিন মনে করে, অন্যদিকে প্রেরণা ও গৌরবের দিন হিসেবেও মনে করে। কারণ, একুশের পথ ধরেই ছাত্র আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং চূড়ান্ত স্বাধীনতা আমরা অর্জন করেছি। এই পথ ধরেই নব্বইয়ের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটেছে।

একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতিকে যুগে যুগে প্রেরণা দিয়েছে এবং উদ্বুদ্ধ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

ভাষাসৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে

ভাষাসৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানুষের ঢল

ভাষাসৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানুষের ঢল

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হাজারো মানুষ জড়ো হয়েছেন। শুক্রবার ভোর থেকেই শহীদ মিনারের দিকে মানুষের ঢল নামে। কণ্ঠে ভাইহারা গান, হাতে ফুল নিয়ে তারা ভাষা শহীদদের স্মরণ করছেন।

এই দিনের প্রভাত ফেরিতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নিয়েছেন। শিশুরাও বাবা-মায়ের হাত ধরে শহীদ মিনারে আসছে। সবাই ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। সবার কণ্ঠে ভাষা নিয়ে নানা আবেগময় কথা। সবার প্রত্যাশা, বৈষম্যহীন দেশ গড়তে একুশের চেতনা যেন প্রেরণা হয়ে থাকে। মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক।

একইসঙ্গে তারা শুদ্ধ বাংলা ভাষার প্রচলন ও চর্চার তাগিদ দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পলাশী মোড় দিয়ে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করছেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে চাঁনখারপুল ও কার্জন হল এলাকা দিয়ে তারা বের হচ্ছেন।

এর আগে, অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

রাষ্ট্রপতির পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শহিদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

এরপর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও অন্যান্য বিচারকবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রধান বিচারপতির পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাবৃন্দ একসঙ্গে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। তাদের পর বাংলাদেশে নিয়োজিত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক মিশনের সদস্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

তিন বাহিনী প্রধান একসঙ্গে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ, এম, এম, নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে অন্যান্য কমিশনারবৃন্দ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, আনসার মহাপরিচালক, ডিজিএফআই মহাপরিচালক, বিজিবি মহাপরিচালক, র‌্যাব মহাপরিচালক, এনএসআই মহাপরিচালকও ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. নিয়াজ আহমদ খানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও অমর একুশে উদযাপন কমিটির সদস্যরা শহিদ বেদীতে ফুল দেন। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এলাকা ত্যাগ করলে সর্বস্তরের জনগণের জন্য শহীদ মিনার খুলে দেওয়া হয়। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও সাধারণ মানুষ পুষ্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের স্মরণ করেন।

নতুন প্রজন্মের হাত ধরে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে- হাসনাত আব্দুল্লাহ

স্টাফ রিপোর্টার:

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের আহবায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গত ১৬ বছরের সব ঝড়-ঝঞ্ঝার আর গ্লানি মুছে দিয়ে এই নতুন প্রজন্মের হাত ধরে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমরা থামবো না, আমাদের প্রত্যাশা পূরণ অব্যহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত ‘দেবিদ্বার স্টুডেন্ট ফেস্ট’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

হাসনাত আরো বলেন, আমাদের সবচেয়ে দুভ্যার্গের একটি বিষয় হলো, অনেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে এসএসসি পাস করার পর বিদেশে চলে যায়, আর মেয়ে শিক্ষার্থীদের বিয়ে দিয়ে দেয়, এটি খুবই দু:খজনক। আমি বলব আপনারা স্বপ্নটাকে বড় করে দেখুন, ওই স্বপ্নে পৌছে দেয়া পর্যন্ত আমরা তোমাদের সহযোগিতা করব।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য হাসনাত বলেন, তোমাদের স্বপ্ন দেখতে হবে, স্বপ্ন দেখতে হবে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন। যে স্বপ্নে তোমাকে ঘুমাতে দিবে না। অভিভাবকদের বলছি, আপনরা আপনাদের সন্তানদের এ মেলায় নিয়ে আসুন সবগুলো স্টল ঘুরিয়ে দেখান। এবং মেলা থেকে বের হওয়ার পর জিজ্ঞাসা করুন আপনারা সন্তান এই ফেস্ট থেকে কি শেখতে পেরেছে।

দেবিদ্বার স্টুডেন্ট ফেস্ট আরও বক্তব্য রাখেন, ফ্রিল্যান্স ইনভেস্টগেটিভ সাংবাদিক সাইদ আবদুল্লাহ, এসিএস ফাউন্ডার নুমেরী সাত্তার অপার। ফেস্টের উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও) আবুল হাসনাত খাঁন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন দেবিদ্বার উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম, দেবিদ্বার (সার্কেল) সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মো. শাহীন, দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সামদুদ্দীন মোহাম্মদ ইলিয়াস। এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে মেলার বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রদর্শনী বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। দেবিদ্বার স্টুডেন্ট ফেস্ট মোট ৩৯ টি স্টল রয়েছে।

এ দিকে মেলায় বিকালে এসেছেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। খালি গলায় মঞ্চমাটিয়েছেন তিনি। পরে শিক্ষার্থীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী শেষে মেলার স্টল গুলো পরিদর্শন করেন। এবং আভাস ব্যান্ডের শিল্পীদের নিয়ে কনসার্ট আয়োজন হয় রাতে।