All posts by jitu

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে খুব দ্রুতই সিদ্ধান্ত: উপদেষ্টা আসিফ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে খুব দ্রুতই সিদ্ধান্ত: উপদেষ্টা আসিফ

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কি না, সে বিষয়ে খুব দ্রুতই সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় ও শেষ দিনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছেন তিনি। স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাথে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কি না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে আসিফ মাহমুদ বলেন, “এটা (স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে জনপ্রতিনিধি না থাকা) আমাদের প্রতিদিনের সমস্যা। আমাদের অফিসাররা অধিকাংশই অতিরিক্ত দায়িত্বে বিভিন্ন স্থানীয় সরকার সংস্থায় কাজ করছেন। তাদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত শুনতে হচ্ছে, ‘স্যার, প্রশাসক দেন, নির্বাচন দেন।'”

তিনি আরও বলেন, “আজকে যারা বিভাগীয় কমিশনার এসেছেন, তারা কোনো না কোনো সিটি করপোরেশনের দায়িত্বে রয়েছেন। জেলা প্রশাসকদের জেলা পরিষদের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। একজন অফিসার যখন দুই-তিনটি দায়িত্ব পালন করেন, সবগুলো দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করা একজন মানুষের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এই জায়গা থেকে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে সেখানে প্রকৃত জনপ্রতিনিধি নিয়ে আসা উচিত। সর্বশেষ যে ঐকমত্যের মিটিং হয়েছিল, সেখানেও এই বিষয়টি আলোচনা হয়েছে।”

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আরও বলেন, “এ বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো হয়নি। তবে খুব দ্রুতই কোনো একটি সিদ্ধান্ত আসবে। হয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচন হবে, অথবা আমরা প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলো পরিচালনা করব।”

জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে ভালো হয় কি না, এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, অবশ্যই ভালো হয়। উই হ্যাভ টু রান কান্ট্রি। দেখা যায়, একটি ভালো জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে স্থানীয় নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে পালন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে পারে। তবে আমার ব্যক্তিগত চিন্তা দিয়ে তো সিদ্ধান্ত হবে না। সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে আসবে।”

সংস্কারের নামে কোন তালবাহানা চলবে না: চাঁদপুরে আব্দুল আউয়াল মিন্টু

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, আমরা অচিরেই একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। সংস্কারের নামে কোন তালবাহানা চলবে না। আমরা এই সরকারকে সমর্থন দিয়েছিলাম এখনো দিচ্ছি। কিন্তু এই সরকারের সময় যেভাবে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে। তার থেকে উত্তোলনের একটি পথ। তা হচ্ছে দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুর শহরের হাসান আলী হাইস্কুল মাঠে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের নিয়ন্ত্রণ, অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, পতিত ফ্যাসিবাদের অপচেষ্টা মোকাবেলা সহ বিভিন্ন জনদাবীতে চাঁদপুর জেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য আন্দোলন করেছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে।এখন আমাদের ছোট ছোট ভাই বোনেরা মনে করে তাদের আন্দোলনেই বিগত সরকার বিদায় নিচ্ছে এটা কি ঠিক? এটা ঠিক না। আমরা চাই একটি নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা হোক। অন্যথায় এদেশের জনগণ যদি আন্দোলন সংগ্রামে নামে তাহলে আপনাদের অবস্থাও কিন্তু নড়বড়ে হয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, এই সরকার সংস্কারের কথা বলছে। আমরাও সংস্কার চাই, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। কিন্তু সংস্কারের নামে তাল বাহানা চলবেনা। জনগণ যদি চায় তাহলে আশা করছি আগামীতে আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করবো। তিনি বলেন, যারা আজকে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন চায়। আমরা মনে করি এটিও একটি ষড়যন্ত্র। পাশাপাশি একটি কথা বলবো। আমাদের নিজেদের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখতে হবে। নিজেদের মধ্যে বিভেদ করা যাবে না। অদূর ভবিষ্যতে যখন নির্বাচন হবে তখন যেই মনোনয়ন পাক তাকে নির্বাচিত করতে হবে।

চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটি (কুমিল্লা বিভাগীয়) সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোস্তাক মিয়া, এলডিপি কেন্দ্রীয় নেতা আবু তাহের, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক লায়ন হারুনুর রশীদ, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরা ।

চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সলিম উল্যাহ সেলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন মাঝি, অ্যাড. হারুনুর রশীদ, শাহজালাল মিশন, অ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোশারফ হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মাহবুবুর আনোয়ার বাবলু, জসিম উদ্দিন খান বাবুল, আব্দুস শুক্কুর পাটওয়ারী, দেওয়ান মোঃ সফিকুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সেলিমউস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাড. জহির উদ্দিন বাবর, আফজাল হোসেন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাড. মুনিরা চৌধুরী, জেলা কৃষক দলের সভাপতি এনায়েত উল্যাহ খোকন, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা মুক্তা, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাদল, জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক অ্যাড. নূরুল আমিন খান আকাশ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদ মাঝি, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমাম হোসেন গাজী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশ শুরুর আগে বিভিন্ন উপজেলা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে নেতৃবৃন্দ খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে এসে জনসমাবেশ স্থলে উপস্থিত হয়। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এক সময় মাঠ পেরিয়ে আশেপাশের রাস্তাও কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পর এ ধরনের একটি সমাবেশ হওয়ায় নেতাকর্মীরা অনেকটাই উৎফুল্ল।

‘দেশের শত্রুকে’ দিল্লিতে রাজার হালে

‘দেশের শত্রুকে’ দিল্লিতে রাজার হালে রেখেছে ভারত: ফখরুল

‘দেশের শত্রুকে’ দিল্লিতে রাজার হালে রেখেছে ভারত: ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ ১৫ বছরে বাংলাদেশকে বিক্রি করে দিয়েছে, কিন্তু তিস্তার এক ফোঁটা পানি আনতে পারেনি। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪টি নদী রয়েছে, প্রতিটি নদীতেই তারা বাঁধ নির্মাণ করে রেখেছে। একদিকে ভারত আমাদের পানি দেয় না, অন্যদিকে বাংলাদেশের শত্রু শেখ হাসিনাকে তারা দিল্লিতে রাজার মতো সম্মান দিয়ে রেখেছে।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রংপুর ও লালমনিরহাট জেলার তিস্তা রেলওয়ে সেতু সংলগ্ন চর পয়েন্টে তিস্তা রক্ষা ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে টানা ৪৮ ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দিল্লি থেকে বসে শেখ হাসিনা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছেন। আজ যে সংগ্রাম শুরু হয়েছে, এটা আমাদের বাঁচা-মরার সংগ্রাম। আজ যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, এটাকে আমরা শেষ পর্যন্ত নিয়ে যাব।

ভারতের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভারতকে পরিষ্কার করে বলতে চাই। যদি বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চান, তাহলে আগে তিস্তার পানি দিন। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করুন। আর আমাদের সঙ্গে বড় ভাইয়ের মতো যে আচরণ করেন, সেটা বন্ধ করুন। আমরা আমাদের পায়ের ওপর দাঁড়াতে চাই, আমাদের ন্যায্য হিস্যা বুঝে নিতে চাই। আমরা ভারতকে বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই, কিন্তু সেই বন্ধুত্ব হবে সম্মানের সঙ্গে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা নিজেদের নিরপেক্ষ বলেন। কিন্তু এই জায়গায় নিরপেক্ষ থাকলে চলবে না। এই জায়গায় আপনাদের মুখ খুলতে হবে, ভারতকে বলতে হবে, আমাদের পানির ন্যায্য হিস্যা আমরা চাই। আপনি যেহেতু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, তাই দ্রুত নির্বাচন দিন। জনগণ চায় ভোট দিয়ে নিজের প্রতিনিধিকে সংসদে পাঠিয়ে, তাদের দ্বারা তাদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করাতে। অনেকে বলে, আমরা নাকি ভোট ভোট করি, ভোট হলে দেশে যে অস্থিতিশীলতা চলছে, তা বন্ধ হবে।

এর আগে এ কর্মসূচি ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে বাস, ট্রাক, মিনিট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে আসতে শুরু করে হাজারো মানুষ। কেউ কেউ আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন পায়ে হেঁটে। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষকে এ আন্দোলনে যোগ দিতে দেখা গেছে। পাল্লা দিয়ে যুক্ত হয়েছেন নারীরাও।

এসময় তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তরের ১১টি স্থানে অভিনব প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বিএনপির ঘোষিত এই কর্মসূচিতে ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ স্লোগানে মুখর হয়ে উঠে তিস্তার দুই পাড়। সোমবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হওয়া এ কর্মসূচি চলবে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত। আন্দোলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের কর্মীরাও যুক্ত হয়েছেন।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ভারত উজানে বাঁধ নির্মাণ করায় তিস্তার পানির প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, আর এর ফলে বাংলাদেশের কৃষি ও পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা না পেয়ে হাজার হাজার কৃষক ও সাধারণ মানুষ ক্ষতির মুখে পড়ছেন। ভারত একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করে লাখ লাখ মানুষকে দুর্দশার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ও তার স্ত্রীর নামে দুদকের মামলা

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ও তার স্ত্রীর নামে দুদকের মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে। তাদের বিরুদ্ধে সাড়ে ১০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কুমিল্লা-১১ আসনের সাবেক এমপি মো. মুজিবুল হক ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন ৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪১ হাজার ৩৫১ টাকা নিজের ভোগদখলে রেখেছেন। এই অভিযোগে প্রথম মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় মামলায় তার স্ত্রী হনুফা আক্তার রিক্তা ও মো. মুজিবুল হককে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় তাদের বিরুদ্ধে পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৪৩ হাজার ৯৭৩ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সাবেক রেলমন্ত্রী ও কুমিল্লা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।

‘কী আর বলবো, যেই লাউ সেই কদু’

‘কী আর বলবো, যেই লাউ সেই কদু’: আদালতে হাসানুল হক ইনু

‘কী আর বলবো, যেই লাউ সেই কদু’: আদালতে হাসানুল হক ইনু

ডেস্ক রিপোর্ট:

আদালতে তোলার সময় সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, “কী আর বলবো, যেই লাউ সেই কদু।” সোমবার ঢাকার মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণে তিনি এ কথা বলেন। পরে তাকে কোন পক্ষে থাকেন জানতে চাইলে তিনি উত্তরে বলেন, “আমি লাউ, কদু দুটির বিপক্ষে।”

সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে ইনুসহ তিনজনকে আদালতে তোলা হয়। কাঠগড়ায় উঠানোর পর ইনু ও রাশেদ খান মেনন তাদের আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেন। তবে যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এক পাশে চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে ১১টা ১০ মিনিটে বিচারক এজলাসে উঠেন। প্রথমে আবুল হাসানকে গ্রেফতার দেখানোর শুনানি হয়। এরপর মিরপুর থানার আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী হত্যা মামলায় ইনু ও মেননের রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। তখন কাঠগড়ায় দুজন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর ইনু মেননের কাছে এগিয়ে যান। ইনুর কথা শুনে মেনন হাসতে থাকেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের এ মামলায় তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর পুলিশ প্রহরায় তাদের আদালত থেকে নিচে নামানো হয়।

জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন মিরপুর গোল চত্বর এলাকায় গুলিতে নিহত হন আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী। এ ঘটনায় গত ৬ নভেম্বর তার বাবা আল আমিন পাটোয়ারী মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

কুমিল্লার সিনিয়র ফটো সাংবাদিক এম সাদেক

কুমিল্লার সিনিয়র ফটো সাংবাদিক এম সাদেক  আর নেই

কুমিল্লার সিনিয়র ফটো সাংবাদিক এম সাদেক  আর নেই

হাবিবুর রহমান মুন্না:

দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র ফটো সাংবাদিক ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য এম সাদেক আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ।

আজ (১৭ ফ্রেরুয়ারি) সোমবার বেলা ১২ টায় কুমিল্লা গোমতী নদীতে মাছ ধরার উৎসবের ছবি তুলতে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে সহকর্মীরা তাকে কুমিল্লা সিডিপ্যাথ হাসপাতাল এ নিয়ে আসলে বেলা ১ টা ৫৭ মিনিটে ইন্তেকাল করেন।

সোমবার বাদ মাগরিব কুমিল্লা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় নামাজের জানাজা বাদ এশার অশোকতলা জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। জানাযার শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েক বছর  তিনি  বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।  তিনি প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি একজন ছেলে, স্ত্রী, নাতি-নাতনী সহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার এই মৃত্যুতে গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, কুমিল্লার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক বলেন, সাহেক ভাই একজন গুনী মানুষ ছিলেন। দীর্ঘদিন কুমিল্লা সাংবাদিকতা করেন, ওনার মত মানুষ  চলে যাওয়া কুমিল্লার সাংবাদিকদের জন্য ক্ষতি হয়ে গেল। মহান আল্লাহতালা ওনাকে জান্নাতবাসী করুন।

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পক্ষে ভারতীয়রা

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পক্ষে ভারতীয়রা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারী একটি জনমত জরিপে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। জরিপে দেখা গেছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সেভেন সিস্টার্স রাজ্য ও সিকিমের ৫৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো হলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নত হবে। সারাদেশের জরিপে এই মত প্রকাশ করেছেন ২১.১ শতাংশ উত্তরদাতা। অন্যদিকে, দক্ষিণ-পূর্ব ভারতের ৮ রাজ্যের ১৬ শতাংশ এবং পুরো ভারতের ২৯.১ শতাংশ অংশগ্রহণকারী শেখ হাসিনাকে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছেন।

ভারতের জনপ্রিয় ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিয়া টুডে শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এই জনমত জরিপ চালায়। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের কাছে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া ভারতের সিদ্ধান্ত ঠিক ছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। উত্তর-পূর্ব ভারতের ২৩ শতাংশ এবং পুরো ভারতের ৩৭.৬ শতাংশ উত্তরদাতা এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। তারা মনে করেন, শেখ হাসিনার মতো মিত্রকে আশ্রয় দেওয়া ভারতের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে অনেকেই এখন তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছেন।

গত বছরের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা দেশ ছাড়েন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি দিল্লির একটি নিরাপদ স্থানে অবস্থান করছেন। তবে ভারত সরকার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

এদিকে, বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের কাছে কূটনৈতিক নোট পাঠিয়েছে। তবে এখনো ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি।

দুর্নীতি কমলেই সব সমস্যার সমাধান হবে

দুর্নীতি কমলেই সব সমস্যার সমাধান হবে: উপদেষ্টা

দুর্নীতি কমলেই সব সমস্যার সমাধান হবে: উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে দুর্নীতি অনেকটা কমলেও তা এখনও সহনীয় পর্যায়ে আসেনি। তবে দুর্নীতি কমলেই সব সমস্যার সমাধান হবে।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা জানান।

উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মবের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। কোন জনতা কীসের জন্য মব করছে, সেটা দেখতে হবে। তবে দুর্নীতি কমানো গেলেই সব সেক্টরের উন্নতি সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, গত ৫৩ বছরে পুলিশকে এভাবে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি, যা অন্তর্বর্তী সরকার করেছে। চ্যানেল-২৪সহ যেসব মিডিয়া দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করছে, তাদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৫ দিনে

ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৫ দিনে যে ১১ ব্যাংকে আসেনি কোনো রেমিট্যান্স

ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৫ দিনে যে ১১ ব্যাংকে আসেনি কোনো রেমিট্যান্স

ডেস্ক রিপোর্ট:

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৫ দিনে দেশে প্রায় ১৬ হাজার ১৪০ কোটি টাকা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। তবে এই সময়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকসহ মোট ১১টি ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিন থেকে রোববার পর্যন্ত ১১টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স প্রবেশ করেনি। এর মধ্যে একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, একটি বিশেষায়িত ব্যাংক, ৫টি বেসরকারি ব্যাংক এবং ৪টি বিদেশি ব্যাংক রয়েছে।

যেসব ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স আসেনি, সেগুলো হলো— রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসরকারি খাতের কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি, পদ্মা ব্যাংক পিএলসি, সিটিজেন্স ব্যাংক পিএলসি এবং আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। এছাড়াও বিদেশি খাতের হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং উরি ব্যাংকের মাধ্যমেও ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৫ দিনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি।

আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন

আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন

আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন

ডেস্ক রিপোর্ট:

দক্ষিণ আমেরিকান অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে আর্জেন্টিনার শুরুটা ছিল স্বপ্নের মতো। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে প্রতিযোগিতার সূচনা করেছিল আলবিসেলেস্তেরা। তবে সময় যত গড়িয়েছে, আর্জেন্টিনার সেই জয়রথের গতি মন্থর হয়ে এসেছে। অন্যদিকে, শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে উঠে শেষ পর্যন্ত দাপুটে জয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলেছে ব্রাজিল।

প্রথম রাউন্ডের এক ম্যাচেই মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনার সামনে শিরোপার সমীকরণ মেলানোর সুযোগ ছিল, কিন্তু ব্রাজিল সেটি হতে দেয়নি। ১-১ গোলে ড্র করে ব্রাজিল আর্জেন্টিনাকে রুখে দেয়। ফলে শিরোপা নির্ধারণের লড়াই চলে যায় শেষ ম্যাচে। সেখানে আর্জেন্টিনাকে শুধু জয়ই নয়, ব্রাজিলের চেয়ে গোল ব্যবধানও বাড়িয়ে নিতে হতো। কিন্তু সেটি সম্ভব হয়নি, বরং আর্জেন্টিনা শেষ ম্যাচে হেরে বসে।

ব্রাজিল চিলির বিপক্ষে ৩-০ গোলে দাপুটে জয় পায়, অন্যদিকে আর্জেন্টিনা প্যারাগুয়ের কাছে ২-৩ গোলে পরাজিত হয়। এই ফলাফলের মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে যায়। অন্যদিকে, ব্রাজিল টানা দ্বিতীয়বার এবং মোট ১৩তমবার দক্ষিণ আমেরিকার অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতে নেয়।

ভেনেজুয়েলার জোসে অ্যান্তনিও স্টেডিয়ামে রোববার রাতে প্রথমে ব্রাজিল চিলির মুখোমুখি হয়। ম্যাচের ৭২ মিনিট পর্যন্ত ব্রাজিল চাপে থাকলেও শেষ ১৭ মিনিটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। ৭৩ থেকে ৮৮ মিনিটের মধ্যে তিন গোল করে ব্রাজিল ম্যাচটি ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেয়। ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন ডেভিড ওয়াশিংটন, পেদ্রো এবং রিকার্ডো ম্যাথিয়াস। এই জয়ের মাধ্যমে ব্রাজিল আর্জেন্টিনার চেয়ে তিন পয়েন্ট এবং (+৪) গোল ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

এর কিছুক্ষণ পর একই মাঠে আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ের মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। শিরোপা জিততে আর্জেন্টিনার জয়ের পাশাপাশি অন্তত ৪ গোলের ব্যবধান নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেই কঠিন সমীকরণ মেলাতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনা। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ২-৩ গোলে হেরে তারা শিরোপা লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে।