All posts by jitu

মমতা ব্যানার্জীর বক্তব্য

মমতা ব্যানার্জীর বক্তব্য তার জন্য সঠিক পদক্ষেপ নয়: উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন

মমতা ব্যানার্জীর বক্তব্য তার জন্য সঠিক পদক্ষেপ নয়: উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী পাঠানোর জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে উদ্যোগী হতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী যে আহ্বান জানিয়েছেন, তা তার জন্য ‘সঠিক পদক্ষেপ নয়’ বলে মনে করেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনীতিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি মমতার বক্তব্য নিয়ে সরকারের অবস্থান জানাতে গিয়ে বলেন, মমতা ব্যানার্জীর বক্তব্যকে তিনি ‘মমতা ব্যানার্জী ধরনের বক্তব্য’ হিসেবেই দেখেন। তিনি বলেন, “উনি কেন এই বক্তব্য দিলেন, সেটা আমি বুঝতে পারছি না।”

তৌহিদ হোসেন বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমি তার সঙ্গে পরিচিত। তার বাসায় আমার যাতায়াত ছিল। আমি মনে করি এটি তার জন্য সঠিক পদক্ষেপ নয়।”

তিনি আরও বলেন, “রাজনীতিকরা তো রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেই বক্তব্য দিয়ে থাকেন। আমি মনে করি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এটি (বক্তব্যটি) হয়তো তাকে সহায়তা করবে। এটি আমার মত।”

চলতি মাসে বাংলাদেশ-ভারত ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) হওয়ার কথা ছিল, সেটি হবে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এফওসি হওয়ার কথা। আমি মনে করি হবে। দুপক্ষই সেটি দেখবে।”

চৌদ্দগ্রামে বিজিবির অভিযানে

চৌদ্দগ্রামে বিজিবির অভিযানে ৬৯০ পিস ভারতীয় শাড়ি আটক

চৌদ্দগ্রামে বিজিবির অভিযানে ৬৯০ পিস ভারতীয় শাড়ি আটক

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অভিযান পরিচালনা করে ৬৯০ পিস ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার শাড়ী আটক করেছে। এ সময় চোরাচালানের সাথে জড়িত কেউ আটক হয়নি।

সোমবার ( ০২ ডিসেম্বর) ভোরে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ কটকবাজার পোস্ট এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত মেইন পিলার ২১০০/এম হতে ০৫ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চৌদ্দগ্রামের মিয়া বাজার নামক স্থান হতে ৬৯০ পিস ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার শাড়ী আটক করে।

আটককৃত চোরাচালানী পণ্যের সর্বমোট মূল্য ৪৯ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা।

৯ পুলিশ কর্মকর্তাকে

৯ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো

৯ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো

ডেস্ক রিপোর্ট:

সরকার একযোগে ৯ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে। সোমবার (২ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নম্বর আইন) এর ৪৫ ধারার আওতায় জনস্বার্থে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের উক্ত সদস্যদের বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান করা হয়েছে। তবে বিধি অনুযায়ী তারা অবসরকালীন সকল সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন:

র‍্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিন
এসএএফের সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনায়েত হোসেন
সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. সেলিম হোসেন
এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মতিউর রহমান
র‍্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান
র‍্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নাসির উদ্দিন ভুয়া
এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার জোবাইরুল হক
শিল্পাঞ্চল পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মোশাররফ হোসেন
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার এম আর শওকত আনোয়ার ইসলাম।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত জনস্বার্থে নেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরকারি চাকরি থেকে অবসরকালীন সুবিধা পাবেন।

‘দেশের ১০ শতাংশ মানুষ

‘দেশের ১০ শতাংশ মানুষ ৮৫ শতাংশ সম্পদ ভোগ করছেন’

‘দেশের ১০ শতাংশ মানুষ ৮৫ শতাংশ সম্পদ ভোগ করছেন’

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশে উন্নয়ন বাজেটের ৪০ শতাংশ অর্থ তছরুপ হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের ১০ শতাংশ মানুষ ৮৫ শতাংশ সম্পদ ভোগ করছেন বলে জানিয়েছেন শ্বেতপত্র কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

তিনি আরও বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা না গেলে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম করা যাবে না। পরবর্তী জাতীয় বাজেট আসার আগে দেশের অর্থনৈতিক সংস্কারে বর্তমান সরকার কি কি উদ্যোগ নেবে সেগুলোকে স্পষ্ট করতে হবে। আরও দায়বদ্ধতা আনতে হবে। আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে এ সরকার পাঁচ বছর দায়িত্বে থাকবে না। তবে অন্তত আগামী দুই বছরের কর্মপরিকল্পনা সামনে থাকতে হবে।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে শ্বেতপত্র কমিটির সংবাদ সম্মেলনে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে কমিটির সব সদস্য সংক্ষেপে প্রতিক্রিয়া জানান।

রোববার (১ ডিসেম্বর) অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি তিন মাসের অনুসন্ধান শেষে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে হস্তান্তর করেছে। এর আগে দেশের অর্থনীতির সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে অন্তর্বর্তী সরকার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠন করে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী সরকারের সময়ে গড়ে প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে। শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে প্রতিটি খাতে লুটপাট ও দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, চামচা পুঁজিবাদ থেকে চোরতন্ত্রে পরিণত হয়েছিল পুরো কাঠামো। এর উৎস ২০১৮ এর নির্বাচন। পরবর্তী সময়ে যে ভোট হয়েছে সেখানে স্বচ্ছতার জায়গা নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকারের জবাবদিহিতা নষ্ট করা হয়েছে। জাতিসংঘ এখনো মনে করছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পথে কোনো বাধা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে ড. এ কে এনামুল হক বলেন, দেশের উন্নয়ন প্রকল্পে মোট ব্যয়ের ৪০ শতাংশ ব্যয় তছরুপ বা লুটপাট করা হয়েছে।

কমিটির সদস্য ড. আবু ইউসুফ বলেন, রাজস্ব বোর্ড যে পরিমাণ টিন সার্টিফিকেট থাকার দাবি করে, সে পরিমাণ রাজস্ব আহরণ হয় না। এমনকি কেউ মারা গেলে সেই সার্টিফিকেট বা নম্বর কী হবে, সেটির কোনো কার্যকর প্রক্রিয়া নেই। রাজস্ব বোর্ড সেটা কমিটিকে দিতে পারেনি। কীভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা খাতকে কর ছাড় দেওয়া হয়েছে তার কোনো সঠিক কাঠামো নেই।

কমিটির সদস্য ড. তাসনীম সিদ্দিকী বলেন, অভিবাসনের জন্য মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে। অভিবাসনের মাধ্যমেও অর্থপাচার হয়েছে।

কমিটির আরেক সদস্য ড. সেলিম রায়হান বলেন, যেসব খাতে সংস্কার দরকার সেখানে শক্তিশালী উদ্যোগ নিতে হবে।

সদস্য ড. ইমরান মতিন বলেন, ১০ শতাংশ মানুষের কাছে ৮৫ ভাগ সম্পদ।

কমিটির সদস্য ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে যেসব টাকা লোপাট করা হয়েছে পরবর্তী প্রজন্মের ঘাড়ে সেই বোঝা থেকে গেলো।

ড. জাহিদ হোসেন বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে। জবাবদিহিমূলক প্রশাসন নিশ্চিত করতে হবে।

তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, সরকারি তথ্য-উপাত্তে বড় গলদ আছে।

কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে

কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে মাদক পরিবহনকালে ২ জন আটক

কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে মাদক পরিবহনকালে ২ জন আটক

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে মাদক পরিবহনকালে ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‍্যাব-১১ সিপিসি-২।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লার আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে

এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে ৪২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কালিকাপুর গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে আলী করিম রিয়াদ (৩৩) এবং চৌদ্দগ্রামের ছাঁন্দকরা গ্রামের মৃত. দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মোঃ জাকির হোসেন রানা (৩৭)।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

 

চৌদ্দগ্রামে জামায়াত কর্মীকে

চৌদ্দগ্রামে জামায়াত কর্মীকে যুবদল নেতা বানিয়ে ফেস্টুন

চৌদ্দগ্রামে জামায়াত কর্মীকে যুবদল নেতা বানিয়ে ফেস্টুন

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াত কর্মীকে যুবদল নেতা উল্লেখ করে পৌর সদরের বিভিন্ন স্থানে ফেস্টুন টাঙ্গানো হয়েছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ফেসবুকে’ পোষ্ট করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন পৌরসদরের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জামায়াত কর্মী গাজী হাসান জাহিদ।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ, হাস্যরস এবং চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিজের ফেসবুক পোষ্টে গাজী হাসান উল্লেখ করেন, ফেসবুক থেকে ছবি নিয়ে একটি দলের ফেস্টুনে বসিয়ে রাতের অন্ধকারে টাঙ্গিয়ে দিলেই আমি ঐ দলের নেতা হয়ে যাই না। আমার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য মহান রবের গোলামী এবং সন্তুষ্টি অর্জন করা। কোন ব্যক্তি বা পরিবারের তাবেদারী করা নয়।

পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী মোশারফ হোসেন ওপেল বলেন, গাজী হাসান সক্রিয় জামায়াতের কর্মী। এর আগে ছাত্রজীবনে সে কুমিল্লা সরকারী কলেজের সক্রিয় দায়িত্বশীল ছিল কে বা কাহারা তাকে যুবদল নেতা বানিয়ে দিল তা জানিনা।

পৌর বিএনপি’র সদস্য ও ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাকির হোসেন জানান, গাজী হাসান জামায়াত কর্মী। যারা তার ছবি দিয়ে ফেস্টুন করেছে তারাও দলীয় কোন পদ-পদবীতে নাই। দলের এবং নেতার সুমান ক্ষুন্ন করার জন্যই তারা গাজী হাসানের ছবি দিয়ে ফেস্টুন বানিয়েছে।

মেটার পক্ষ থেকে ফেসবুক

মেটার পক্ষ থেকে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর

মেটার পক্ষ থেকে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর

ডেস্ক রিপোর্ট:

সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট মেটা তার ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আরও উন্নত সেবা দিতে একটি বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। মেটা তার পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে এবং বিশ্বজুড়ে ডেটা ট্রাফিকের বিস্তার বাড়ানোর জন্য সমুদ্রে প্রায় ৪০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ একটি কেবল স্থাপন করার পরিকল্পনা করেছে।

এই প্রকল্পে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার (৮৪ হাজার কোটি টাকা) খরচ হবে বলে জানা গেছে।

মেটা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কোম্পানি। এর প্ল্যাটফর্মটি সব ধরনের ইন্টারনেটের ১০ শতাংশ এবং মোবাইল ইন্টারনেট ট্রাফিকের ২২ শতাংশ পায়। এখন যেহেতু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, তাই মেটা তার ডেটা ট্রাফিককে আরও শক্তিশালী করতে নেটওয়ার্কে কাজ করার পরিকল্পনা করেছে।

এ প্রযুক্তি সংস্থাটি সমুদ্রে ডাটা ক্যাবল স্থাপনের পরিকল্পনা শুরু করেছে। মেটা টেকক্রাঞ্চকে জানিয়েছে, সাব-সি ক্যাবল স্থাপনের পরিকল্পনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো কাজ শুরু হয়নি বা এর বাজেট এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

তবে আশা করা যাচ্ছে যে, সংস্থাটি ২০২৫ সালের প্রথম দিকে এই প্রকল্পটি ঘোষণা করতে পারে। এতে কেবল স্থাপনের রুট, ধারণক্ষমতা এবং বাজেট প্রকাশ করা হবে। তবে প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এ প্রকল্পে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে।

ঐশ্বরিয়ার নতুন অধ্যায় শুরু

ঐশ্বরিয়ার নতুন অধ্যায় শুরু

ঐশ্বরিয়ার নতুন অধ্যায় শুরু

ডেস্ক রিপোর্ট:

বলিউডের জনপ্রিয় দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা জল্পনা-কল্পনার যেন শেষ নেই। তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বারবার সমালোচনার শিকার হচ্ছেন এই তারকা যুগল। তবে নিজেদের সম্পর্কের বিষয়ে বরাবরই নীরব থেকেছেন তারা। তা সত্ত্বেও নেটিজেনদের আলোচনা থামছেই না।

সম্প্রতি, বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মধ্যে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন নিন্দুকদের জবাব দিয়ে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেছেন। বলিউডের এই অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী শুটিং সেটে ফিরে আবারও প্রমাণ করেছেন যে গুজবে কান না দিয়ে পেশাদার জীবনে মনোনিবেশ করাই তার লক্ষ্য।

আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বিচ্ছেদের জল্পনা তুঙ্গে। গত কয়েক মাস ধরেই শোনা যাচ্ছে— বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন এ তারকা দম্পতি। যদিও এখনো সেই জল্পনা নিয়ে নীরব দম্পতি। বরং তারা যেন এই জল্পনায় কানই দিচ্ছেন না।

বহু দিন ধরেই অনুরাগীদের প্রশ্ন— কবে কাজে ফিরছেন ঐশ্বরিয়া? অবশেষে সেই প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। রূপটানশিল্পী অ্যাড্রিয়ান জ্যাকবের পোস্ট করা ছবি তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে শুটিং সেট থেকেই একটি ছবি পোস্ট করেন জ্যাকব। সঙ্গে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন—কাজের জায়গায় ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে একটা ভালো দিন কাটল। তবে কী কাজ, সে বিষয়ে বিশদ কিছু জানাননি তিনি। এ ছবি দেখে নেটপাড়ায় ঐশ্বরিয়ার অনুরাগীরা শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন।

আম্বানিপুত্র অনন্তের বিয়ের আসর থেকে শুরু হয় ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনা। তবে এ জল্পনার মধ্যে এ-ও শোনা যাচ্ছে, দম্পতি নাকি ফের পর্দায় জুটি বাঁধছেন। মণি রত্নমের ছবিতে নাকি তাদের ফের একসঙ্গে দেখা যাবে। এই গুঞ্জন নতুন করে তাদের বিচ্ছেদ-জল্পনার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ঠিক বিয়ের আগে মণি রত্নমের ছবি ‘গুরু’-তে জুটি বেঁধেছিলেন ঐশ্বরিয়া-অভিষেক। দুজনের রসায়নে মুগ্ধ হয়েছিলেন দর্শকরা। এর পরে ফের পরিচালকের ছবি ‘রাবণ’-এও একসঙ্গে অভিনয় করেন বচ্চন-দম্পতি। ২০১০ সালে মুক্তি পায় সেই ছবি। ১৪ বছর পর ফের বচ্চন দম্পতির জন্য একটি চিত্রনাট্য খুঁজে পেয়েছেন মণি রত্নম। তবে এখনো এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি ঐশ্বরিয়া কিংবা অভিষেক কেউ-ই।

আরও একটি বিষয় চোখে পড়েছে নেটিজেনদের মাঝে। আরাধ্যার জন্মদিনে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গেই ছিলেন অভিষেক। জন্মদিনের অনুষ্ঠান আয়োজনকারী সংস্থার প্রকাশ করা ভিডিওতে প্রকাশ্যে এসেছে এ তথ্য।

প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাবলে

প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাবলে ছেলের সাজা মওকুফ করলেন জো বাইডেন

প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাবলে ছেলের সাজা মওকুফ করলেন জো বাইডেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি তার ছেলে হান্টার বাইডেনকে ক্ষমা করেছেন, যিনি বেআইনি অস্ত্র রাখা এবং কর ফাঁকি দেওয়ার মামলায় দোষী প্রমাণিত হয়েছিলেন। প্রেসিডেন্টের ক্ষমা পাওয়ার ফলে হান্টার বাইডেনের আর জেলে যেতে হবে না। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

জানুয়ারি ২০ তারিখে নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে প্রবেশের পূর্বে বাইডেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন। হান্টারের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র রাখা এবং কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলেও বাইডেন তার ক্ষমতা প্রয়োগ করে ছেলেকে মুক্তি দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি এই ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন।

এ বিষয়ে হান্টার বাইডেন সংবাদ সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক ইমেলে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের এই ক্ষমা তার কাছে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি প্রতিজ্ঞা করেছেন, অসুস্থ এবং অসহায় মানুষদের সেবায় বাকি জীবন উৎসর্গ করবেন। একই সঙ্গে তিনি নিজের কৃতকর্মের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, “ওই অন্ধকার দিনগুলোতে আমি নেশাগ্রস্ত ছিলাম। সেই সময়ে করা ভুলের জন্য আমি লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। আমার কাজের জন্য পরিবার এবং বাবার রাজনৈতিক জীবনে প্রভাব পড়েছে, যা আমাকে দুঃখিত করে।”

অন্যদিকে, বাইডেন তার বিবৃতিতে দাবি করেছেন, হান্টারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, “আমার ছেলে বলেই তাকে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। এটি তার বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। একজন বাবা এবং একজন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমাকে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে।”

তবে এই ক্ষমা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। রিপাবলিকান নেতারা বাইডেনের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক শিষ্টাচার ভঙ্গ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার বলে অভিহিত করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে বাইডেন বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি পরিবারের কারো জন্য প্রেসিডেন্টের ক্ষমা ব্যবহার করবেন না।

এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, যা বাইডেন প্রশাসনের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।