All posts by jitu

মিয়ানমারের ভূমিকম্প, কাঁপলো দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট:

মিয়ানমারের পশ্চিমাংশে ৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা গণমাধ্যমকে জানান, রোববার বেলা ২ টা ৪৪ মিনিটে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ দপ্তর ইউএসজিএস এর তথ্য অনুযায়ী, এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪.৮।

এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের সাগাইনের মাওলাইক থেকে ৯২.৬ কিলোমিটার দক্ষিণে, ভারতের মিজোরামের শিহা থেকে ১৬৮.৫ কিলোমিটার পূর্ব দক্ষিণ-পূর্বে এবং ঢাকা থেকে ৪৪২ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্ব দিকে। কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০৭.২ কিলোমিটার গভীরে।

এ ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

এর আগে বুধবার (২৯ মে) মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে তিনবার ভূমিকম্পে কেঁপেছিল বাংলাদেশের দুই সীমান্তবর্তী দেশ ভারত ও মিয়ানমার। এর মধ্যে মিয়ানমারে আঘাত হানে দুটি ভূকম্পন, আর ভারতে একটি।

এনসিএসের তথ্যমতে, ২৯ মে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৩২ মিনিটে প্রথমবার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ২। বাংলাদেশের সিলেট সীমান্ত থেকে এই অঞ্চলটি খুব বেশি দূরে নয়।

এর কয়েক মিনিট পরেই ভূকম্পন অনুভূত হয় ভারতের হিমাচল প্রদেশে। লাহৌল ও স্পিতি অঞ্চলে আঘাত হানা ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ১।

১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১১।

শনিবার (১ জুন) রাতে উপজেলার মিরওয়ারিশপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আবুল কাশেম বাবুল (২৭) উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামের আরিফুর রহমানের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, আসামি বাবুল একজন অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন যাবত সে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলা এলাকায় অস্ত্র এবং মাদক ব্যবসা করে আসছিল।

২০১৯ সালের ৩০ মে তাকে আমানউল্যাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ ১টি দেশীয় তৈরি পাইপগান, ২টি কার্তুজ ও ৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে বেগমগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র ও একটি মাদক মামলা রুজু হয়। ওই অস্ত্র মামলায় আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে আসামি বাবুলকে ১৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন। মামলার রায়ে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকে সে গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যায়।

র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাজাপাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নোয়াখালীতে লুঙ্গিতে রক্তের দাগে ধরা পড়ল খুনি, অতঃপর

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে জেলে রিপন হত্যার রহস্য উদঘাটন ও মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১।

গ্রেপ্তার মো.জামাল উদ্দিন (৪০) উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের চরমাকছুমুল গ্রামের মো.মোস্তফা সওদাগরের ছেলে।

শনিবার (১ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ। এর আগে, গতকাল শুক্রবার ৩১ মে জেলার বেগমগঞ্জের চৌরাস্তা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত মঙ্গলবার ২৮ মে রাতে উপজেলার চরমাকছুমুল গ্রামের মেঘনা নদী সংলগ্ন এলাকায় এই হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত মো.রিপন (৫২) উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের চরমাকছুমুল গ্রামের মৃত মো.হাবিব উল্ল্যার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মে নিজ বাড়ি থেকে রিপন ও তার ভগ্নিপতি জামাল পৃথক সময়ে মেঘনা নদীতে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর ২৯ মে দুপুর ২টার দিকে নিহত রিপনের বোনের স্বামী জামালবাড়িতে ফিরে আসে। বাড়িতে ফেরার পর তার স্ত্রী স্বামীর লুঙ্গিতে রক্ত লেগে থাকতে দেখে। এরপর জামাল ভোর বেলায় চট্টগ্রাম যাচ্ছে বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে ফিরে আসেনি।

নিহতের ছেলে আরমান হোসেন অভিযোগ করে বলেন, গত কিছু দিন আগে আমার ফুফা জামাল উদ্দিন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরাসহ একটি মাছ ধরার ফিশিংবোট চুরি করে নিয়ে আসে। পরে বোটটি আমার বাবা স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় বোটটি মালিকের কেছে ফিরিয়ে দেয়। গত উপজেলা নির্বাচন শেষ হলে এলাকায় আমার ফুফা কয়েটি চুরির ঘটনা ঘটায়। বিষয়টি আমার বাবা স্থানীয়দের জানালে তারা তাকে পুলিশে সোপর্দ করে। এরপর ফুফা দুদিন জেল খেটে বেরিয়ে এসে আমার বাবাকে তার সহযোগী একই এলাকার দিদার, রবি, সোহাগ ও নিজামের সহযোগিতায় কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ মেঘনা নদীতে ফেলে দেয়।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তার আসামি জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করে বলেন, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার স্ত্রী এবং স্ত্রীর বড় ভাই ভিকটিম রিপনের সাথে তার বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে হত্যার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ২৮ মে রাত ১১টার দিকে একটি লোহার রড নিয়ে উপজেলার শিউলী একরাম বাজার থেকে দক্ষিণে বেলাল কোম্পানী মসজিদের পাশে অন্ধকারে আড়ালে ওঁৎ পেতে থাকে। একপর্যায়ে ভিকটিম ঘটনাস্থলে পৌঁছল জামাল তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে ভিকটিমের মাথায় আঘাত করলে ভিকটিম রাস্তায় পড়ে যায়। তখন বাজার থেকে কিছু পথচারী ঘটনাস্থলের রাস্তা দিয়ে আসতে দেখে ভিকটিমকে টেনে রাস্তার পাশে ডোবার পানিতে ফেলে দিয়ে আসামি জামাল বাড়িতে চলে যায়।

বাড়িতে এসে তার পরিহিত জামা কাপড় পরিবর্তন করে রাত দেড়টার দিকে পুনারায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে রিপনের মৃত্যু নিশ্চিত দেখে লাশটি কাঁধে নিয়ে মেঘনা নদীর কিনারায় ফেলে দেয়। পরে তার স্ত্রীকে বিশেষ প্রয়োজনে চট্টগ্রামে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ বলেন, এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আরমান হোসেন বাদী হয়ে চরজব্বর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। হত্যা মামলায় ধৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চরজব্বর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর বৈরিতা অত্যন্ত প্রকট : সিইসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনো কোনো আলাপ-আলোচনা দেখছি না। তাদের মধ্যে বৈরিতা অত্যন্ত প্রকট। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এত প্রকট বৈরিতা নিয়ে সামনে এগোনো খুব কঠিন হবে। এই বৈরিতা পরিহার করে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে।

রোববার (২ জুন) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন কমিশন, তথা ব্যক্তির ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। টিআইবির প্রতিনিধি দলও বলেছে, আনুপাতিক হারে সংসদে প্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে। যেটা বর্তমানে আমাদের সংসদে নারী আসনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আছে। আমরা বলেছি, এগুলো নিয়ে আপানারা (টিআইবি) গবেষণা করতে পারেন। আমরা মনে করি, জাতীয় নির্বাচনটা যদি ধাপে ধাপে করা যায়, তাহলে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা অনেক সহজ হয়ে যাবে। ভোটকেন্দ্রে অধিক সংখ্যক ফোর্স মোতায়েন সহজ হবে। মনিটরিংটা সহজ হবে।

সিইসি আরও বলেন, আমরা সব অ্যাকশন নেই না। কিছু অ্যাকশন রিটার্নিং কর্মকর্তা নেন। হলফনামা বাছাই করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা, সে-ই নির্বাচন কমিশন। এর বিরুদ্ধে শত-শত আপিল হয়। এখানে বাতিল হলে প্রার্থীরা কোর্টে যান। আমাদের যে অনন্ত সক্ষমতা আছে, সেটা মোটেই না। নির্বাচন কমিশন কখনো একা অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে না। যদি না রাষ্ট্র এবং সরকারের রাজনৈতিক পক্ষ সাথে না থাকে। রাষ্ট্রের যদি পলিটিক্যাল উইল সপক্ষে থাকে তাহলে প্রশাসন, পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে বাধ্য।

টিআইবিকে আমরা বলেছি, আপনাদের মতো আরো সিভিল সোসাইটি যারা আছে, তারাও এসব বিষয়ে ভূমিকা পালন করতে পারেন।

এর আগে, বেলা সাড়ে এগারোটায় আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাকক্ষে (কক্ষ নং ৩১৪) নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠকে বসে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর একটি প্রতিনিধি দল।

এতে টিআইবির পক্ষ থেকে নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানসহ মোট পাঁচজন অংশ নেন। আর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.), নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা, নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান, নির্বাচন কমিশন সচিব শফিউল আজিম অংশ নিয়েছেন।

কুমিল্লা ইজি ও ইজি জুনিয়র ফ্যাশনের ৮৭ ও ৮৮তম শাখার উদ্বোধন

 

শাহ ইমরান:

কুমিল্লায় পুলিশ লাইন ও কান্দিরপাড় সংলগ্ন রুপায়ন দেলোয়ার টাওয়ারের রুপায়ন কুমিল্লা ও জুনিয়র শাখার ইজি ফ্যাশন লিমিটেড এর ৮৭ ও ৮৮তম শাখার শুভ উদ্বোধন করা হয়।

রোববার দুপুরে শুভ উদ্বোধনে উপলক্ষে দোয়া মিলাদের আয়োজন করা হয় ।

উক্ত অনুষ্ঠানে পরিচালক তৌহিদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা৬ আসনের সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আ ক ম বাহার উদ্দিন বাহার, ইজি ফ্যাশনের চেয়ারম্যান আসাদ চৌধুরী , ইজি ফ্যাশনের এমডি ইসাদ চৌধুরী এবং ইজি ফ্যাশনের জিএম আমজাদ চৌধুরীসহ ইজি ফ্যাশন লিমিটেড এর কুমিল্লা শাখার সকল কর্মচারী ও অন্যান্যগণ।

গরমে প্রস্রাবের সংক্রমণ: লক্ষণ ও প্রতিরোধে করণীয়

ডেস্ক রিপোর্ট:

দেশজুড়ে চলছে ভ্যাপসা গরম। এ সময় শরীর ঘেমে পানি ও লবণ বের হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই শরীরে পর্যাপ্ত পানি দরকার, তাঁর সঙ্গে লবণের ঘাটতিও পূরণ করা চাই। পানিশূন্যতার কারণে শরীর দুর্বল হওয়াসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর এসব সমস্যার একটি হচ্ছে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া। এমন পরিস্থিতে ইউরিন ইনফেকশন বা প্রস্রাবে সংক্রমণ দেখা দিতে পারে।

মূত্রনালিতে সংক্রমণ আচমকাই ধরা পড়লেও এর লক্ষণগুলো এক দিনে তৈরি হয় না। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বা সঠিক চিকিৎসা না হলে কিডনিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর পরিণাম হতে পারে ভয়াবহ। সাধারণত নারীরা প্রস্রাবের সংক্রমণে বেশি ভুগে থাকেন। পানি কম খাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম ও ঘরের বাইরে বেশি কাজ করার কারণে এটি বেশি হয়।

এ সমস্যায় আক্রান্ত হলে অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ফার্মেসি থেকে কিছু ওষুধ ব্যবহার করেন, যা একেবারেই উচিত নয়।

প্রস্রাবের সংক্রমণের লক্ষণ

  • প্রস্রাবে সংক্রমণের কারণে জ্বর হলে তার সঙ্গে সর্দি-কাশি বা গলাব্যথার মতো উপসর্গ দেখা যায় না।
  • প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, ঘনঘন প্রস্রাবের বেগ, প্রস্রাবের রং হলুদ বা লালচে, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত, দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব, নারীদের গোপনাঙ্গে ব্যথা, পুরুষদের মলদ্বারে ব্যথা ইত্যাদি।
  • বেশি সংকটাপন্ন হলে পেট ও কোমরের মাঝামাঝিতে ব্যথা অনুভব করা, শীত লাগা, জ্বর, বমি বমি ভাব, বমি ইত্যাদি হতে পারে।

প্রস্রাবের সংক্রমণে করণীয়

  • ইউরিন ইনফেকশন হলে অবশ্যই পানি খাওয়ার বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। প্রস্রাবে হলুদ ভাব দেখা দিলে দেরি না করে দিনে অন্তত আড়াই লিটার পানি খেতে হবে। সাধারণত প্রতি চার-পাঁচ ঘণ্টা পর পর প্রস্রাব হওয়া উচিত।
  • এর চেয়ে প্রস্রাব বেশি দেরিতে হলে পানির পরিমাণ আরও বাড়াতে হতে পারে। প্রস্রাব চেপে রাখা যাবে না। এতে সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
  • রোগীরা খাদ্যতালিকায় অবশ্যই ভিটামিন সি রাখবেন। এতে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমবে। এছাড়া ভিটামিন সি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতেও সাহায্য করে।
  • ভিটামিন সির চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি আনারস খেলেও উপকারিতা মিলবে। কারণ, এই ফলে আছে ব্রোমেলাইন নামক একটি উপকারী এনজাইম বা উৎসেচক।
  • এ সময় প্রোবায়োটিক-জাতীয় খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত। কারণ এই খাবার অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বাড়ায়। ফলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয় ও সংক্রমণ কমায়। টকদই প্রোবায়োটিকের ভালো উৎস।

বেনজীর বিদেশে থাকলেও তার বিচার চলবে: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ বিদেশে থাকলেও তার বিচার চলবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে দেশে ফিরতেই হবে। সরকার কোনো ছাড় দেবে না।

রোববার (২ জুন) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বেনজীর আহমেদের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছে। তদন্ত, মামলা, গ্রেফতার সবকিছু একটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। সরকার এখানে দুদককে এড়িয়ে আগ বাড়িয়ে কেন ব্যবস্থা নেবে? সরকারের দুর্নীতিবিরোধী যেসব সংস্থা আছে তাদের কোনো ব্যর্থতা থাকলে তারও বিচার হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, এদেশে ৭৫ পরবর্তীকালে কোনো শাসক ও সরকার দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সৎসাহস দেখাতে পারেনি। শেখ হাসিনার সরকার সেটা দেখিয়েছে। ব্যক্তি দুর্নীতি করতে পারে। দুর্নীতি করার পর সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কী সেটা দেখতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

সরকারের সহায়তায় বেনজীর আহমেদ বিদেশে পালিয়েছে- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রশ্ন রেখে বলেন, সরকারের কারা গিয়ে তাকে বিমানে তুলে দিয়েছে? কোন অথরিটি গিয়ে তাকে তুলে দিয়েছে? অন্ধকারে ঢিল ছুড়বেন না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দেশ থেকে টাকা পাচারের সংস্কৃতি ও অর্থনীতি শুরু হয়েছে বিএনপির আমল থেকে। ক্ষমতায় এলে বিএনপি নেতারা অবৈধভাবে টাকা উপার্জনের মহোৎসবে মেতে ওঠে। এটা দেশে ও বিদেশে প্রতিষ্ঠিত সত্য। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে বিএনপির দণ্ডিত পলাতক নেতা তারেক রহমান বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন করছে।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, দুর্নীতি কোন দেশে হয় না এই দাবি কেউ করতে পারে না। আমাদের দেশে যিনি প্রধানমন্ত্রী, সরকারপ্রধান তিনি কোনো প্রকার দুর্নীতি করেন বা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন এমন অভিযোগ তার বিরুদ্ধে দেশে-বিদেশে কেউ দিতে পারেনি। শেখ হাসিনা আপাদমস্তক সৎ রাজনীতিক, এটা বিশ্বের স্বীকৃত। তার জনপ্রিয়তার মূলে তিনি অত্যন্ত পরিশ্রম ও সৎ জীবনযাপন করেন।

তিনি বলেন, বিএনপির প্রধান নেতাই দণ্ডিত পলাতক তারেক রহমান চিহ্নিত অপরাধী। এমন লোক যে দলে নেতৃত্ব দেয় সেই দল জনগণের কল্যাণে কাজ করতে পারে না। জনগণের বিশ্বাসও রাখতে পারে না। তারা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পরপর পাঁচবার তারা দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। দুর্নীতিবাজদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতেই বিএনপির গঠনতন্ত্র থেকে হঠাৎ করেই ৭ ধারা বাদ দিয়েছে।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, চোরের রাজা মহারাজা হচ্ছে বিএনপি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, উপ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট সায়েম খানসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।

উন্নয়নে যারা সহযোগিতা করবে তাদের নিয়েই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোন দেশের সঙ্গে কার ঝগড়া তা বাংলাদেশের দেখার প্রয়োজন নাই। যারা উন্নয়নের সহযোগী হবে তাদের নিয়েই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

রোববার (২ জুন) ‘আমার চোখে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক এক মিনিটব্যাপী ভিডিওচিত্র প্রতিযোগিতায় নির্বাচিতদের সম্মাননা, ক্রেস্ট ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সবসময় শান্তি চাই, যুদ্ধ চাই না। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই এবং সেই বন্ধুত্ব রেখেই কিন্তু আমি এগিয়ে যাচ্ছি।

সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি, এ বাংলাদেশকে আর কেউ পেছনে টানতে পারবে না। ১৫ আগস্টের পর আমাদের যেভাবে ভিক্ষুক জাতিতে পরিণত করেছে আর যেন এটা না করতে পারে কেউ সেজন্য আমাদের সবসময় সজাগ থাকতে হবে। দেশটাকে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের একটি পক্ষ সব উন্নয়ন প্রকল্পেরই বিরোধিতা করে। যদিও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে খুশি মনেই তা ব্যবহার করে।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার সুফল যাতে সাধারণ মানুষের কাছে না পৌঁছায় সেজন্যই ‘৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। সেই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ইতিহাসের বিকৃতি শুরু হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রচেষ্টায় ইতিহাস বিকৃতির সে কলঙ্ক আস্তে আস্তে মুছে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭ই মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ হয়ে যায়। যে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় এদেশের মানুষ বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছে, সেই জয় বাংলা স্লোগানটাও বাংলাদেশ থেকে মুছে ফেলা হয়।’

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত দেশ’ গড়তে নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের হাল ধরার আহ্বান জানান তিনি।

ভারতে শেষ দফার ভোটের দিন হিটস্ট্রোকে নিহত ৩৩ পোলিং স্টাফ

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভারতে লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফার ভোটের দিন এক রাজ্যেই হিটস্ট্রোকের কারণে কমপক্ষে ৩৩ জন পোলিং স্টাফ নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার নির্বাচন কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ভারতের বেশিরভাগ রাজ্যেই এখন তীব্র তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে।

তীব্র তাপপ্রবাহে বিভিন্ন রাজ্যেই মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অনেক জায়গায় তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (১১৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট) বেশি রেকর্ড হয়েছে। তবে একদিনেই এত কর্মীর মৃত্যুর বিষয়টা বেশ ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এদিকে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, উত্তর প্রদেশের ঝাঁনসিতে তাপমাত্রা ৪৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১১৬ ফারেনহাইট) রেকর্ড হয়েছে।

উত্তর প্রদেশের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা নভদীপ রিনওয়া জানিয়েছেন, সেখানে ৩৩ জন পোলিং স্টাফ প্রচণ্ড গরমের কারণে মারা গেছেন। শনিবার ওই রাজ্যে সপ্তম দফা অর্থাৎ চূড়ান্ত পর্যায়ের ভোট শেষ হয়েছে।

নভদীপ রিনওয়া জানান, নিহতদের পরিবারকে ১৫ লাখ রুপি সহায়তা প্রদান করা হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন কোনো ব্যক্তির পানিশূণ্যতা দেখা দেয় তখন প্রচণ্ড তাপ রক্তকে ঘন করে ফেলে এবং দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এতে মারাত্মক স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তৈরি হয়।

এদিকে তীব্র গরমে বালিয়া শহরে ভোট দেওয়ার সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে তাকে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

ভারতে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেশি থাকার ঘটনা নতুন কিছু নয়। তবে চলতি বছর আগের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে। শুধু ভারত নয়, এশিয়ার বেশিরভাগ দেশেই এখন তাপমাত্রা আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহ দীর্ঘ, আরও ঘন ঘন এবং তীব্রতর হয়ে উঠছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টানা তৃতীয়বারের মতো ভূমিধস জয়ের পথে রয়েছেন বলেই আশা করা হচ্ছে।

বিভিন্ন বুথফেরত জরিপ বলছে, বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের চেয়ে বেশি আসন পেতে যাচ্ছে মোদীর এনডিএ জোট। যদিও লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হবে ৪ জুন। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষের এক্সিট পোল বা বুথফেরত জরিপ বলছে, ২০১৪ ও ২০১৯-এর মতোই অনেকটাই পিছনে বিরোধী জোট। রিপাà¦