Tag Archives: আন্দোলন

বিএনপি কখনোই জনগণতান্ত্রিক দল হয়ে উঠতে পারেনি: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

যারা গণতান্ত্রিক পন্থার ব্যত্যয় ঘটাতে সন্ত্রাস-সহিংসতাকে উস্কে দেওয়ার পাঁয়তারা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মিথ্যাচার ও অপপ্রচার বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। এগুলো জনগণের সামনে প্রকাশিত হওয়ায় বিএনপি বার বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়েও তারা মিথ্যাচার করছে। তিনি চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরে গেছেন। তার মুক্তি কোনো রাজনৈতিক বিষয় না বরং আইনগত বিষয়। এ বিষয়ে বিএনপি আইনি প্রক্রিয়ায় মোকাবিলা না করে রাজনৈতিক ইস্যু বানানোর অপচেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে বিএনপি খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন করছে। কিন্তু সেই আন্দোলনে জনগণের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বিএনপি জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুকে প্রাধান্য না দিয়ে একটি অরাজনৈতিক বিষয়কে রাজনৈতিক ইস্যু করার অপচেষ্টা করছে। আর বিএনপি যখনই তাদের তথাকথিত আন্দোলন নিয়ে মাঠে নামে তখন তারা তাদের সন্ত্রাসী ও ক্যাডারবাহিনীকে সক্রিয় করে। বিএনপি আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী ও ক্যাডারবাহিনীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অপচেষ্টা করে। আর এ সকল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বিএনপি নেতৃবৃন্দ মিথ্যাচার-অপপ্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ায়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় যায়নি। আওয়ামী লীগ সবসময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য বিএনপি এবং তার দোসররা সর্বদা তৎপর থেকেছে। এটা বিএনপির জন্মগত রাজনৈতিক লিগ্যাসি। কারণ অবৈধ ও অসাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকারী সামরিক স্বৈরাচারের হাতে প্রতিষ্ঠিত দল কখনো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি যদি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আন্দোলন করতে সক্ষম হতো বা তাদের আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করতে পারতো তাহলে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সৎ সাহস দেখাতে পারত। সেটা না থাকার কারণে বরাবরই বিএনপি সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, যারা গণতান্ত্রিক পন্থার ব্যত্যয় ঘটাতে সন্ত্রাস-সহিংসতাকে উস্কে দেওয়ার পাঁয়তারা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

ব্যর্থতার পর বিএনপি আবারও আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা করছে: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি ভোটারদের ভয় পায়, তাই নির্বাচনে আসে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথ সভার শুরুতে এ মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলন ও নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থতা, এই ব্যর্থতার পর বিএনপি আবারও আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। অনেকে বলেন পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করছি। আজ কিন্তু আমরা কোনো সমাবেশ করিনি। সমাবেশ আমরা করব, কারণ বিএনপির সমাবেশ মানেই অগ্নিসন্ত্রাস, বিশৃঙ্খলা, রক্তপাত। বিএনপির কাছে গোটা রাজধানীকে যদি ছেড়ে দিই, তাহলে জনগণের জানমাল সুরক্ষায় সমস্যাও হতে পারে। এ কারণে আমাদের থাকতে হয়।

তিনি বলেন, আমরা নাম দিয়েছি শান্তি সমাবেশ, আমরা সেভাবেই শুরু ও শেষ করেছি। আমরা যদি মাঠে না থাকি তাহলে অতীতের অভিজ্ঞতা বলে বিএনপির সমাবেশ মানেই নৈরাজ্য, পুলিশ হত্যা, সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন ও হাসপাতালে হামলা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামীকাল (শনিবার) মোহাম্মদপুরে আমরা শান্তি উন্নয়ন সমাবেশ করব। সেটি বিকেল সাড়ে ৩টা শুরু হবে।

এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুবউল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাশ, আইন বিষয়ক সম্পাদক নাজিবুল্লাহ হিরু প্রমুখ।

আবারও গ্রেপ্তার নির্যাতন শুরু করেছে সরকার: রিজভী

ডেস্ক রিপোর্ট:

অজানা আতঙ্কে আবারও ‘গ্রেপ্তার নির্যাতন’ শুরু করেছে সরকার বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘এই আওয়ামী দখলদার সরকার একটি ডামি নির্বাচন করার জন্য বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতাকর্মীদের আটক করে রেখেছে। আন্দোলনের ভয়ে তারা এ কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে। তারা আবার নতুন করে গ্রেপ্তার শুরু করেছে, নির্যাতন শুরু করেছে।’

বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কৃষক দলের যুগ্ম-সম্পাদক কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশসহ কারামুক্ত নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে দেখা করতে যান। নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের একথা বলেন রিজভী।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘নেতাকর্মীদের কারা সেলে ২৪ ঘণ্টা বন্দী করে, লকআপে রেখে নির্যাতন করা হয়েছে। জেলের মধ্যে তারা নির্যাতন করেছে এই কারণে যে, যারা বাইরে আছে তারা যেন ভয় পায়। কিন্তু এক ভাই নির্যাতনের শিকার হলে অন্য ভাইয়ের ভেতরে যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয় প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। এটা সরকার বুঝতে পারেনি।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, কৃষক দল নেতা পলাশ, ছাত্রদল নেতা রানা এবং আরও বেশ কয়েকজন মুক্ত হলেও তারা আরও বড় বন্দিশালায় আবদ্ধ হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে তাদেরকে আবার গ্রেপ্তার করতে পারে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মুনির হোসেন, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, যুবদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহবুব মাসুম শান্ত, পল্টন থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আলম পাটোয়ারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক মাসুদ রানা, যুগ্ম-সম্পাদক রাজু আহমেদ প্রমুখ।

বিএনপির আন্দোলন বাস্তবে না হলেও মুখে আছে: কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপি সাংবাদিকসহ বিভিন্ন মহলে হামলা করে পালিয়েছে। এসব অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে। অপরাধ করেছে বলেই তারা তখন পালিয়েছে। বিএনপির আন্দোলন বাস্তবে না হলেও মুখে আছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার ( ২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে বিরোধী দলের রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হচ্ছে সব দোষ সরকারের ওপর দেওয়া। আর যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে গিয়ে মানবাধিকার আর গণতন্ত্র নিয়ে নালিশ করা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির ৫৪ দলীয় ঐক্যজোটের হদিস নেই। পাগলের প্রলাপ বকে বিএনপি। অংশগ্রহণ না করেও নির্বাচনে জয় পায় তারা।

বর্তমান সংসদে বিরোধী দলের অবস্থান জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, সংখ্যার দিক দিয়ে সংসদে বিরোধী দল দুর্বল।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের লাগাম কবে টানা হবে–এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় দলের বিভিন্ন স্তরের সম্মেলন সফল করতে খুব শিগগিরই প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

রাজপথে ফ্রি স্টাইলে কর্মসূচি দিলে সরকার চুপচাপ বসে থাকবে না: সেতুমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির কালো পতাকা কর্মসূচি অবৈধ। অনুমতি না নিয়ে রাজপথে ফ্রি স্টাইলে কর্মসূচি দিলে সরকার চুপচাপ বসে থাকবে না।

তিনি বলেন, ‘পুলিশ অনুমতি দেয়নি। অনুমতি ছাড়া ফ্রিস্টাইল কর্মসূচি দেওয়ার সুযোগ নেই। অনুমতি নেবে না, আর রাস্তায় ফ্রিস্টাইল কর্মসূচি করবে আর আমরা সেটা মেনে নিব- তা মনে করার কোনো কারণ নেই।’
ওবায়দুল কাদের আজ বুধবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির কালো পতাকা কর্মসূচির পক্ষে দেশের জনগণের কোনো সমর্থন নেই। বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে হতাশায় নিমজ্জিত। তারা এখন পথহারা পথিক হয়ে দিগবিদিক হাঁটছে।

‘বর্তমান সংসদের ভারসাম্য রক্ষা হয়নি’ জিএম কাদেরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সংসদ ফাংশনাল না হলে জি এম কাদের কেন আসলেন?’
তিনি বলেন, ‘কথা তো যা বলার উনি একাই বললেন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে দেশের প্রধানমন্ত্রীও কথা বলেননি। আমরা শুধু আনুষ্ঠানিকতা করেছি। স্পিকারকে ধন্যবাদ জানানোর নামে ফ্লোর নিয়ে তিনি যেসব কথা বলেছেন তা ঠিক হয়নি।’

তিনি বলেন, সামনে আরো সময় ছিল তখন অনেক কথাই বলতে পারতেন। তিনি শুরুটাই এমনভাবে করলেন যে তুলকালাম কান্ড ঘটিয়ে ফেললেন, লম্বা একটা বক্তৃতা দিলেন। বিষয়টা হলো ধন্যবাদ জানানোর। এত লম্বা ভাষণের জন্য ওনাকে আহ্বান করা হয়নি। উনি নিয়ম লঙ্ঘন করে কথা বলেছেন। ওনার কথা বলার সামনে যথেষ্ট সুযোগ আছে। স্বাধীনতার পর এদেশে একজন বিরোধীদলীয় নেতা ছিল, এখন তো তারাই ১১ জন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেউ ত্রুটিপূর্ণ বলেনি। খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও নয়। নির্বাচনের ফলাফলের পর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এর মানে কি দাঁড়ায়?’ আমাদের নির্বাচন ত্রুটিপূর্ণ বলেনি, সবাই একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তিনি বলেন, সরকার শুধু কথায় নয়, কাজও করে যাচ্ছে। সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যত পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দিয়েছেন। সে অনুসারে কাজ শুরু করে দিয়েছে। রাতারাতি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ হয়ে যাবে না। সরকার শুধু কথা বলছে এমন নয়। সরকার অ্যাকশনে আছে। যারা আইন ভঙ্গ করবে তারা যেই হোক বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রসঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দেবে আওয়ামী লীগ।’

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন ও সুজিত রায় নন্দী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী ও মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি ফাউল করে ফাইনাল খেলার আগেই পালিয়েছে: কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি ফাউল করে ফাইনাল খেলার (৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন) আগেই পালিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, খেলা শুরু হয়েছে। ৭ তারিখ ফাইনাল। বিএনপি কই? বিএনপি কোথায়? ফাউল করে লাল কার্ড পেয়ে পালিয়েছে। ফাইনাল খেলার আগেই পালিয়েছে।

সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের ইসদাইর এলাকার শামসুজ্জোহা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে তারেক রহমানের মতো সন্ত্রাসীকে দেখতে চাই না। আগামী ৭ জানুয়ারি লুটপাটের বিরুদ্ধে খেলা হবে। উন্নয়নের পক্ষে খেলা হবে। বিএনপির আন্দোলন ভুয়া। বিএনপি ভুয়া। বিএনপির সব আন্দোলন ভুয়া।’

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাইয়ের সভাপতিত্বে সমাবেশে জেলার নৌকার প্রার্থীরাসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দেশে ফিরে আন্দোলনের ঘোষণা অভিনেতা ডিপজলের

ডেস্ক রিপোর্ট:

চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খল-অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) চিকিৎসা গ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন তিনি। এক ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই অভিনেতা নিজেই।

এদিকে দেশে ফিরেই বিদেশি সিনেমার বিরুদ্ধে আন্দোলনের নামার ঘোষণা দিয়েছেন ডিপজল। সম্প্রতি বলিউডের বেশ কিছু সিনেমা মুক্তি পেয়েছে দেশের প্রেক্ষাগৃহে। যার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন জনপ্রিয় এই খল-অভিনেতা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের চলচ্চিত্রকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য একটি চক্র উঠেপড়ে লেগেছে। আমরা দেখেছি, হিন্দি সিনেমা মুক্তি দেওয়ার ফলে নেপালের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি কীভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশটির সমৃদ্ধ সিনেমা হিন্দি সিনেমার কবলে পড়ে বিলীন হয়ে গেছে। আমাদের দেশে যদি একের পর এক হিন্দি সিনেমা চালানো হয়, তাহলে দেশের চলচ্চিত্রও ধ্বংস হয়ে যাবে। আমাদের নিজস্ব ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলে কিছু থাকবে না।’

শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’ সিনেমা দেশের প্রেক্ষাগৃহে ভালো ব্যবসা করার পর এই অভিনেতার ‘ডানকি’ সিনেমা মুক্তিরও প্রস্তুতি চলছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একইদিনে বাংলাদেশেও মুক্তি পাবে এই সিনেমা।

এ বিষয়ে ডিপজল বলেন, ‘আমি শুরু থেকে বলে আসছি, বিদেশি সিনেমা আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে ধ্বংস করবে। আমাদের সিনেমা নির্মাণের প্রবণতা কমে যাবে; তাই হচ্ছে। এভাবে চলতে দেওয়া যাবে না। এর বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনে যেতে হবে। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন; এখন সবাই নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত। নির্বাচনের পর বিদেশি সিনেমার বিষয়টি নিয়ে আমরা আন্দোলনের ডাক দেব। আমি মনে করি, এর একটি সুরাহা হওয়া খুব জরুরি।’

প্রসঙ্গত, ডিপজল ১৯৯৩ সালে ‘টাকার পাহাড়’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। ডিপজলের উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে হাবিলদার, যেমন জামাই তেমন বউ, জিম্মি, ঘরভাঙ্গা সংসার, আক্রোশ, অমানুষ হলো মানুষ, বাংলার হারকিউলিস প্রভৃতি। বর্তমানে তিনি সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি নিয়মিত প্রযোজনাও করছেন।

ঘোষিত মজুরি প্রত্যাখ্যান করে ফের আন্দোলনে শ্রমিকরা, উত্তপ্ত গাজীপুর

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঘোষিত মজুরি প্রত্যাখ্যান করে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নাওজোড় এলাকায় আন্দোলনরত কারখানা শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। শ্রমিকরা মহাসড়কে কাঠ, গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করলে পুলিশ টিয়ারশেল ছুড়ে তাদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সকাল থেকেই শ্রমিকরা গাজীপুর মহানগরের নাওজোড় ও চান্দনা চৌরাস্তা-শিববাড়ি সড়কে আন্দোলন শুরু করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা গেছে, কারখানা শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন ২৩ হাজার টাকা করার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা আন্দোলন করে আসছেন। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন। সকাল ৮টার দিকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা-শিববাড়ি সড়কে শ্রমিকরা সড়ক বন্ধ করে আন্দোলন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

এর কিছু সময় পর গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বিক্ষোভ শুরু করে শ্রমিকরা। এসময় আন্দোলনরত শ্রমিকরা মিছিল নিয়ে মহাসড়কে কাঠ, গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করলে পুলিশ টিয়ার শেল ছুঁড়ে তাদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। পরে জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আহম্মেদ বলেন, সকালে চান্দনা এলাকায় একটি কারখানায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করলে তাদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তবে এরপরই নাওজোর এলাকাসহ আশপাশের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা ভাঙচুর করে এবং সড়কে কাঠ ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।

গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ-২ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম বলেন, সকালে নাওজোড় এলাকায় শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেছিল। পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে। আমরা কোনো অ্যাকশনে যেতে চাচ্ছি না শ্রমিকরাও চাচ্ছে না। আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বিএনপির আন্দোলনে পুলিশকে বাধা না দেওয়ার আহ্বান ফখরুলের

বিএনপির আন্দোলনে পুলিশকে বাধা না দেওয়ার আহ্বান ফখরুলের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির চলমান শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা না দিতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দà¦