All posts by jitu

ইঞ্জিঃ আবদুস সবুর এমপির নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লা -১(দাউদকান্দি -তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিঃ আবদুস সবুর বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজনের সাথে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে দাউদকান্দি বাজারের শ্রী শ্রী গোপনাথ জীউড় আখরায় সনাতন ধর্মালম্বীদের বাসন্তী পূঁজায় এবং বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ।

পরে আলোচনা সভায় কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বশিরুল আলম মিয়াজী, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি সালেহ মোহাম্মদ টুটুল, দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাডঃ আহসান হাবীব চৌধুরী লীল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ মহিউদ্দিন শিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজালাল, বিল্লালুর রশিদ দোলন, ভিপি সালাউদ্দিন রিপন, কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি জিএস সুমন সরকারসহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দাউদকান্দি আদর্শ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহন করেন ।

ঈদ উপহার হিসেবে গ্রামের শিশুদের বই দিলো “সাংবাদিক শরীফ প্রধান পাঠাগার”

স্টাফ রিপোর্টার:

পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে ঈদগাহে আসা শিশুদেরকে’ ঈদ উপহার হিসেবে নতুন বই দিলো, সাংবাদিক শরীফ প্রধান পাঠাগার। পাঠাগারটি দাউদকান্দি উপজেলার কাদিয়ারভাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত। ”

এই বছরই প্রথম বারের মতো এই অনন্য উদ্যোগটি গ্রহন করেছে পাঠাগারটি। শিশু-কিশোরদের বই মূখী করতে এবং পাঠ্য পুস্তকের বাহিরে বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ঈদের দিনে বই উপহার দেয়া হয়ছে। দাউদকান্দি উপজেলার কাদিয়ারভাঙ্গা আরফানুননেছা ঈদগাহ মাঠে ঈদ-উল ফিতরের নামাজ শেষে নানান বিষয়ের বই শিশু-কিশোরদের হাতে তুলে দেন পাঠাগার প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক শরীফ প্রধান।

সাংবাদিক শরীফ প্রধান বলেন, ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে “গ্রামের শিশু-কিশোরদের ঈদ সালামি হিসেবে নতুন বই দেয়ার একটি পরিকল্পনা করি। কারন, ঈদে অনেকেই নতুন জামা ও নতুন টাকা দেয়। কিন্তু নতুন বই কেউ দেয় না।

সমাজের শিশু-কিশোরদের বই মূখী করতে এবং বই পড়ার আগ্রহ গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ নেই এবং তাদের হাতে বই তুলে দেই। শিশুরাও বই পেয়ে আনন্দিত হয়েছে। আমি প্রথম বারের মতো এটি করছি। বইয়ের প্রতি শিশুদের আগ্রহ দেখেছি। আমি আগামীতে আরো বেশি বই দিবো। সে লক্ষ্যে বই সংগ্রহ করবো।

কোপা আমেরিকার আর্জেন্টিনার দলে যারা থাকছেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

কোপা আমেরিকা, কনমেবল অঞ্চলের মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট। তবে সব সময়ই কনকাকাফের বেশ কিছু দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয় এ আসরে। এবারের আসরটি হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তবে তার জন্য বাকি এখনও দুই মাস। সূচি বলছে জুন মাসের শেষ সপ্তাহ বা তার আগে মাঠে গড়াতে পারে এবারের কোপা।

কিন্তু ১৬ দলের এ আসরে সবার আগ্রহের কেন্দ্র বিন্দুতে কেবলই দুটো দল। ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা। তবে সেলেসাওদের নিয়ে এবার যতটা না উৎসাহ তার চেয়ে অনেক বেশি বিশ্বজয়ী আর্জেন্টিনার জন্য। লিওনেল মেসিকে আবারো কোনো বড় টুর্নামেন্ট জিততে দেখতে মরিয়া হয়ে আছে আলবিসেলেস্তে সমর্থকরা। তাই তো কোপার দুই মাস আগেই নিজেদের স্কোয়াড চূড়ান্ত করে বসে আছে এএফএ। না, বিষয়টা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন।

তবে দেশটির প্রথিতযশা ক্রীড়া সাংবাদিক গ্যাস্তন এদুল কথা বলেছেন আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি এবং ফেডারেশনের বড় কর্তাদের সঙ্গে। তার বরাত দিয়েই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মুন্ডো আলবিসেলেস্তে। সেখানে ২৩ সদস্যের একটি দলও দিয়েছে তারা। মুন্ডোর দাবি, এরাই থাকছে যুক্তরাষ্ট্রের কোপায়।

তিন গোলরক্ষকের মাঝে দুজনের নাম চূড়ান্ত করে ফেলেছে এএফএ। একজন অবধারিতভাবে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ এবং আরেকজন ফ্রাঙ্কো আরমানি। ওয়াল্টার বেনিটেজ ও জেরোনিমো রুলির মধ্যে একজন হবেন তৃতীয় গোলরক্ষক।

রক্ষণে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, জের্মান পেজ্জেলা, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো এবং নাহুয়েল মোলিনার জায়গা নিশ্চিত। গঞ্জালো মন্টিয়েল, মার্কোস অ্যাকুনা ও নেহুয়েন পেরেজের মধ্যে সুযোগ পাবেন কেবল একজন।

মধ্যভাগে এনজো ফের্নান্দেজ, অ্যালেক্সি ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো ডি পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও জিওভানি লো সেলসো সুযোগ পাচ্ছেন কোপা আমেরিকার দলে। ইনজুরিতে থাকা গিদো রদ্রিগেজ ও এক্সেকিয়েল প্যালাসিওস থেকে সুযোগ পাবেন একজন।

এদুলের মতে ফরোয়ার্ডে নিশ্চিত লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্টিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, পাওলো দিবালা ও নিকোলাস গঞ্জালেজ। আলেহান্দ্রো গারনাচো আর ফাকুন্দো থেকে ২৩ জনের স্কোয়াডে জায়গা পাবেন একজন।

মুন্ডো আলবিসেলেস্তের দাবি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার স্কোয়াড

গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফ্রাঙ্কো আরমানি, ওয়াল্টার বেনিটেজ/জেরোনিমো রুলি

ডিফেন্ডার: ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, জের্মান পেজ্জেলা, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, নাহুয়েল মোলিনা, গঞ্জালো মন্টিয়েল/মার্কোস অ্যাকুনা/নেহুয়েন পেরেজ

মিডফিল্ডার: এনজো ফের্নান্দেজ, অ্যালেক্সি ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো ডি পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, জিওভানি লো সেলসো, গিদো রদ্রিগেজ/এক্সেকিয়েল প্যালাসিওস

ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্টিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, পাওলো দিবালা, নিকোলাস গঞ্জালেজ, আলেহান্দ্রো গারনাচো/ফাকুন্দো।

’স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গ্রামীণফোনের আইকনিক ক্যাম্পেইন ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ শুধু একটি গান এবং টেলিভিশন বিজ্ঞাপন থেকে কোটি মানুষের আবেগে পরিণত হয়েছে। প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের ঘরে ফেরার গভীর আবেগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে এ গানটি। এবার এ ক্যাম্পেইনটি দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের কাছে।

লক্ষ লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশি বিদেশে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, যাদের কাছে পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন একটি দুর্লভ স্বপ্নে পরিণত হয়েছে। তাদের দেশে ফেরার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছেন তাদের পরিবার-পরিজনরা। এই অম্ল -মধুর বাস্তবতাকে সামনে রেখে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে প্রবাসীদের কাছে তাদের পরিবারের ভালোবাসা ও আবেগ পৌঁছে দিতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে গ্রামীণফোন। মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের পরিবারের দেশে থাকা সদস্যদের না বলা কথা ও আবেগ সংগ্রহ করে ঈদের আনন্দময় উৎসবে মালয়েশিয়ায় প্রিয়জনদের কাছে তাদের ওই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে গ্রামীণফোন। ভালোবাসা, আবেগ, হৃদ্যতা ও স্নেহপূর্ণ ঈদ শুভেচ্ছার এই বার্তাগুলো একটি ভিডিও সংকলনের মাধ্যমে একটি বড় এলইডি স্ক্রিনে সজ্জিত ভ্যানে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় দেখানো হয়েছে। বিদেশের মাটিতে দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের বড় পর্দায় দেখার অভাবিত আশাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ ক্যাম্পেইন।

গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হাসিব বলেন, “’যদিও ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ ক্যাম্পেইন হিসেবে শুরু হিয়েছিল, এর বার্তা দেশের সীমানা পেরিয়ে সর্বত্র সর্বজনীনভাবে পৌঁছে গিয়েছে।“ তিনি আরও বলেন, “আমরা এমন একটি বিশ্বে আছি যেখানে লক্ষ লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশি স্বদেশে ফেরার আকুল আগ্রহে আছেন। তাদের ত্যাগ ও স্বপ্নের প্রতি শ্রদ্ধাশীল গ্রামীণফোন। ঈদে তাদের পরিবারকে আরও কাছাকাছি এনে একত্রিত হওয়ার অনুভূতি দিতে আমাদের এই প্রচেষ্টা। এ পদক্ষেপ ব্র্যান্ড হিসেবে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি, সেরা গ্রাহক অভিজ্ঞতা প্রদান এবং দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশিদের জীবনে একটি অর্থবহ পরিবর্তন আনতে আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। দূরত্ব কমিয়ে মানুষের সাথে মানুষকে সংযুক্ত করতে এবং তাদের মাঝে ভাললাগা ছড়িয়ে দিতে আমাদের প্রচেষ্টার একটি বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে স্বপ্ন যাবে বাড়ি ক্যাম্পেইন’র এবারের উদ্যোগ।“ ‍

এই অসাধারণ উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণফোনের লক্ষ্য হল শারীরিক দূরত্বে থাকা সত্ত্বেও ঈদের এই বিশেষ সময়ে প্রবাসী ও তাদের পরিবারকে কাছাকাছি থাকার অনুভূতি উপহার দেয়া।

ইউনিটি অফ কুমিল্লা-২০০১ গ্রুপের জমকালো ঈদ পুনর্মিলনী

স্টাফ রিপোর্টার:

ইউনিটি অফ কুমিল্লা এসএসসি ২০০১ গ্রুপের উদ্যোগে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আয়োজনে সারাদিন ব্যাপি জমকালো এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শনিবার ব্রাহ্মণপাড়া সাহেবাবাদ অবস্থিত গ্রাম বাংলা রিসোর্টে এ পুর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে কুমিল্লার জেলার এসএসসি ২০০১ এর প্রায় ৩০০ জন বন্ধু উপস্থিত ছিল।

সকাল ১০ টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতে শুরু হয়ে বিকেল ৫ টায় সাংস্কৃতিক প্রোগ্রামের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। সারাদিনব্যাপী নানা আয়োজনে বন্ধুরা প্রাণবন্ত হয়ে উঠে। ব্রাহ্মণপাড়া বন্ধু মোশারফ হোসেন অনিকের উদ্ধোধনী ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব। জাতীয় সঙ্গীত ও গ্রুপের মৃত বন্ধু বান্ধবীদের রুহের মাগফিরাত এর জন্য এক মিনিট নীরবতা ও  দোয়া করা হয়।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি ইউনিভার্সিটির ডেপুটি ডিরেক্টর বন্ধু বশিরুল আলম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দেবিদ্বারের বন্ধু কাউসার হায়দার, শেখ আবদুল্লাহ, সদর দক্ষিণে বন্ধু ছোটন, মামুন আব্দুল্লাহ, কাওসার হামিদ, সাইফুল খান,সুপ্রিয়া টুম্পাসহ আরো অনেকে। তারপর থানা ভিত্তিক বন্ধুদের পরিচয় পর্বে সকল বন্ধুরা নিজেদের স্কুল ,থানার ও পেশার পরিচয় দেয়। তারপর সবাই মিলে কেক কেটে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয় ।

পুলিশ বন্ধু শেখ আবদুল্লাহ গ্রুপের পিছিয়ে পড়া বন্ধুদের জন্য গঠিত ” ইউনিটি ফাউন্ডেশন” নিয়ে গঠনমূলক বক্তব্য রাখে। এতে বন্ধুদের সবাইকে রেজিঃ বাবদ ২০০ টাকা ও প্রতি মাসে ১০০ টাকা করে ফাউন্ডেশনে জমা দেয়ার কথা বলা হয় এবং এই জমাকৃত অর্থ দিয়ে বন্ধুদের কল্যাণে ব্যয় করার ঘোষণা দেয়া হয়।
তারপর দুপুরের বাঙালিয়ানা ভোজে মেজবানী গরুর গোশত, মাছ, ভর্তা ও মাশকলাই ডাল,দধি দিয়ে সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়।

দ্বিতীয় পর্বে শুরুতে গ্রুপের সার্বিক বিষয় নিয়ে গ্রুপের এডমিন মামুন আব্দুল্লাহ ,কাজী সাইফুল ও মডারেটর প্যানেলের কাওসার হায়দার ,কার্তিক, আনিস , সাংবাদিক আলমগীর, ছোটন, মামুন, সুপ্রিয়া টুম্পা, কাওসার হামিদ, এস মাসুদ ,আল আমিন রাকিব ,নাঈম বাহার, ডা: সুমন, ডা: সাইফুল, অপূর্ব দত্তসহ আরো অনেক বন্ধুরা বক্তব্য রাখেন ।

সেইসময় প্রোগ্রামের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করার জন্য বন্ধু মামুন, রুহুল আমিন নাঈম, শফিক শাওন, মজিবর রহমান খান, ওমর ফারুক, ডা: জামাল, রাশেদকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

তারপর বন্ধুদের গান গেয়ে নাচে গানে মাতোয়ারা করেন গ্রুপের বন্ধু শফিক শাওন, বাউল শিল্পী দেওয়ান মান্নান, কাউসার ,মোশারফ মাস্টারসহ আরো অনেকে। গানের ফাঁকে ফাঁকে র‌্যাফেল ড্র পুরস্কার ঘোষণা করে প্রোগ্রামকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলে। বিকেলে শিল্পীদের গানে সকল বন্ধুদের একসাথে গলা মিলিয়ে গান ও নাচে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো হলরুম। আনন্দ উদ্দীপনায় সবাই হারিয়ে যায় সেই স্কুল জীবনের হারানো দিনের গল্পে।

 

বন্ধু আবু মুছা জীবন, মোশারফ মাস্টার ও মামুন আবদুল্লাহ প্রাণবন্ত উপস্থাপনার মাধ্যমে পুরোটা সময় সবাইকে মাতিয়ে রাখেন।বিকেল ৫ টায় বন্ধু মামুনের সমাপনী বক্তব্যে আজকের এই সফল ঈদ পুনর্মিলনী প্রোগ্রামের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

এডমিন জাপান প্রবাসী বন্ধু ওমর ফারুক ভিডিও কলে উপস্থিত সকল বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আয়োজক বন্ধুদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। সব সময় যেন ইউনিটির এই বন্ধন অটুট থাকে সেই প্রত্যাশা করেন সকল বন্ধুদের কাছে। বুড়িচং- ব্রাহ্মণপাড়ার প্রোগ্রামের আয়োজক বন্ধু জিয়াউল খান, মামুন, অনিক, আলমগীর, পুলিশ মিজান, পুলিশ সাইফুল, আবু মুছা জীবন ও কাজী সাইফুল মূল আয়োজকের দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২৫

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে খাস জমিতে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কামাল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন ২০-২৫ জন। শনিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার শাহজাদাপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

কামাল উদ্দিন শাহজাদাপুর গ্রামের মৃত সাদাত আলীর ছেলে। সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সরাইল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরানুল ইসলাম।

ঘটনার বরাত দিয়ে ওসি জানান, উপজেলার শাহজাদাপুর গ্রামের একটি খাস কৃষি জমি নিয়ে স্থানীয় জুয়েল মেম্বার ও রিপন মিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। সেই সূত্র ধরে শুক্রবার দুপুরে জুয়েল মেম্বার ও তার লোকজন বিরোধপূর্ণ কৃষি জমির ধান কেটে নেয়। এরপর পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে সেই ধানগুলো তাদের কাছ থেকে জব্দ করে অপর পক্ষকে দেয়। এরই জেরে দুইপক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে কামাল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। দুইপক্ষের ২০ থেকে ২৫ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এখন এলাকার পরিস্থিতি শান্ত আছে।

যে কারণে ঢাকায় নামল ইসরাইলি বিমান

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইসরায়েলের অর্থনীতিক নগরী তেল আবিব থেকে সম্প্রতি সরাসরি একটি ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণ করেছে। ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনীতিক কোনও সম্পর্ক না থাকলেও সেখান থেকে সরাসরি বাংলাদেশে ফ্লাইট অবতরণ করার বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র জানায়, ১১ এপ্রিল ইসরায়েলের তেল আবিব থেকে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় রওনা হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলাদেশে অবতরণ করে ফ্লাইটটি। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের এনসিআর-৮০৬ নম্বর ফ্লাইটটি বোয়িং ৭৪৭-৪০০ মডেলের এয়ারক্রাফট দিয়ে পরিচালিত হচ্ছিল। এটি একটি কার্গো উড়োজাহাজ যা একসঙ্গে ১০৮ টন মালামাল নিতে সক্ষম।

বিমানবন্দর জানায়, ফ্লাইটটি অবৈধভাবে দেশে অবতরণ করেনি। সব ধরনের নিয়ম মেনেই একে অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ফ্লাইটটিতে কোনও যাত্রী বা মালামাল ছিল না।

ইসরায়েল থেকে আসা সরাসরি ফ্লাইটের বিষয়ে জানতে চাইলে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, ইসরায়েল থেকে ফ্লাইট আসার তথ্যটি সঠিক। তবে ফ্লাইটটি ফাঁকা ছিল। বাংলাদেশে নামানোর মতো কিছু ছিল না।

তিনি বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। এয়ারক্রাফটিও যুক্তরাষ্ট্রের নিবন্ধন নেওয়া। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার সার্ভিস অ্যাগ্রিমেন্ট (এএসএ) রয়েছে। তাদের ফ্লাইট অবতরণে কোনও বাধা নেই। মূলত ন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি বাংলাদেশ থেকে রেডি মেড গার্মেন্টস (আরএমজি) পণ্য নিয়েছে। এয়ারলাইন্সটি এই পণ্য শারজাহ এবং ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছে দেবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ইসরায়েলে ভ্রমণেও নিষেধাজ্ঞা আছে। জাতিসংঘভুক্ত যে ২৮টি দেশ ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়নি, তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি। বাংলাদেশি হাতে লেখা ও মেশিন রিডেবল পাসপোর্টে স্পষ্টভাবে ছাপানো ছিল যে, ‘দিস পাসপোর্ট ইজ ভ্যালিড ফর অল কান্ট্রিজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড এক্সসেপ্ট ইসরায়েল’।

গুগল এআই ফিচার ফ্রিতে ব্যবহার করা যাবে

ডেস্ক রিপোর্ট:

জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের রয়েছে অসংখ্য ফিচার। প্রতিনিয়ত ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন নতুন ফিচার নিয়ে হাজির হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সেই সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট এবার সুখবর নিয়ে এসেছে। গুগল সম্প্রতি তাদের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ভিত্তিক ছবি এডিটিং টুলগুলো খুব শীঘ্রই গুগল ফটো ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে।

যদিও এই সিদ্ধান্তের ফলে ম্যাজিক এডিটর, ম্যাজিক ইরেজার, ফটো আনব্লার, পোর্ট্রেট লাইটের মতো এআই এডিটিং টুলগুলো এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র পিক্সেল এবং গুগল ওয়ান হ্যান্ডসেটের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। তবে এখন সবাই ব্যবহারের সুবিধা পাবে। যদি কেউ এই ফটো স্টোরেজ এবং শেয়ারিং পরিষেবার গ্রাহক হয়ে থাকেন তবে এই টুলসহ একাধিক উল্লেখযোগ্য এআই এডিটিং বিষয়ের অ্যাক্সেস আগামী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পাবেন।

কবে থেকে বিনামূল্যে এই ফিচার ব্যবহার করা যাবে
সম্প্রতি টুইটারে (বর্তমানে এক্স) একটি পোস্ট শেয়ার করে গুগল। এতে নিশ্চিত করা হয়, গুগল ফটোস অ্যাপ ব্যবহারকারীরা আগামী ১৫ মে থেকে এআই ফটো এডিটিং ফিচারের সুবিধা বিনামূল্যে পাবে। যা ম্যাজিক ইরেজার (অবাঞ্ছিত বস্তু অপসারণ করার জন্য), ফটো আনব্লার (অস্পষ্টতা কমাতে সাহায্য করবে) এবং পোর্ট্রেট লাইট (বোকেহ এফেক্ট যোগ করবে) এডিটিং টুলগুলো ব্যবহার করতে সক্ষম হবেন।

এআই এডিটিং ফিচার ব্যবহারে ডিভাইসে যা লাগবে
এআই ফটো এডিটিং ফিচারের জন্য অ্যান্ড্রয়েড অথবা আইওএস ডিভাইসে কিছু হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার প্রয়োজন হবে।

অ্যান্ড্রয়েড ফোন
৬৪ বিট প্রসেসর
৩ জিবি র‌্যাম
অ্যান্ড্রয়েড ওরিও বা উচ্চতর ওএস সংস্করণ
আইওএস
৬৪ বিট প্রসেসর
৩ জিবি র‌্যাম
আইওএস ১৫ বা উচ্চতর ওএস সংস্করণ
তবে স্মার্টফোনের পাশাপাশি পিক্সেল সিরিজের ট্যাবলেট, ক্রোমবুক এবং আইপ্যাডের জন্যও বিনামূল্যে এআই ফটো এডিটিং ফিচার রোলআউট করবে গুগল। এক্ষেত্রে আগামী ১৫ মে থেকে ফিচারটি উম্মুক্তের কাজ শুরু করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি অঞ্চলের ডিভাইসের জন্য চালু করা হবে।

দাউদকান্দিতে মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

জাকির হোসেন হাজারী , দাউদকান্দি:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এলাকায় মাদকসেবন, বিক্রি ও চুরির প্রতিবাদে এবং যুব সমাজকে মাদক থেকে মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের নারান্দিয়া এলাকায় ব্যানার হাতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার কয়েক শতাধিক মানুষ এ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ গ্রহণ করেন।

মিছিল শেষে দক্ষিণ নারান্দিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রতিবদ সভায় বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী রুহুল আমিন শিকদার, দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির নেওয়াজ সোহেল, কাউয়াদি সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল আউয়াল প্রধান, দৌলতপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ সভাপতি মহসিন শিকদার, দৌলতপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান বেপারী, দৌলতপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য বিল্লাল হোসেন মেম্বার , ব্যবসায়ী শামীম মোল্লা, ব্যবসায়ী মফিজ উদ্দিন বেপারী, চিকিৎসক আমিরুল ইসলাম টিটু ও দোকানদার দীন ইসলাম প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, গত কয়েকমাস যাবত আমাদের এলাকায় গাঁজা, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন ও ব্যবসার আস্তানা গড়ে উঠেছে। প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে প্ররোচনা শিকার হয়ে এলাকার তরুন যুবসমাজ দিনের পর দিন মাদকে আসক্ত হচ্ছে। এতে এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটছে।

তাই মাদক মাদক সেবন ও বিক্রি বন্ধ করে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং সমাজকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণরীরা।

কুমিল্লা জিলাস্কুল-২০০১ ব্যাচের রি-ইউনিয়ন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা জিলাস্কুল-২০০১ ব্যাচের রি-ইউনিয়ন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ওই ব্যাচের ১৯৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সকাল ৮ টায় জিলা স্কুল প্রাঙ্গণে বন্ধুর আগমন শুরু হয়। সেখানে বন্ধুদের মাঝে টি-শার্ট, স্যুভেনির বিতরণ করা হয়। বন্ধুরা তখন সবার কুপন সংগ্রহ করে নেয়। এরপর ঈদ কোলাকুলি, বেশ খোশগল্প শুরু হয়।

সকাল সাড়ে ৯টায় জিলাস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবদুল হাফিজের উপস্থিতিতে কেক কেটে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় এবং পরে বন্ধুদের সরব অংশগ্রহনে বর্ণাঢ্য র্যা লি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সকল বন্ধুরা অংশগ্রহণ করে। এ পুর্ণমিলনীতে অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিন, শিক্ষক শাহজাহান, সুদিপ্তা ম্যাডাম, শিক্ষক নুরুল হক, শিক্ষক আব্দুল ওহাব ও আসমা ম্যাডাম।

বেলা ১১ টায় স্কুল মাঠে খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। বন্ধুরা ক্রিকেট খেলায় মত্ত হয়, যা ছিল উপভোগ্য। বন্ধুদের আড্ডা ও হৈচৈ-তে মুখরিত হয়ে উঠে কুমিল্লা জিলা প্রাঙ্গণ।

দুপুরে জুম্মার নামাজ শেষে প্রয়াত শিক্ষক ও বন্ধুদের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়। দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিক্ষক সম্মাননা, স্মৃতিচারণ ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ধ্যা ৬ টায় কনসার্ট শুরু হয়। রাত ৮ টায় কনসার্ট শেষ হয়। জ্বালা জ্বালা মনজুড়েসহ ৯০ দশকের অসংখ্য গানে বন্ধুরা হারিয়ে যায় শৈশবস্মৃতিতে। রাত ৮ টায় আতশবাজির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

এ প্রাণের মেলায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার ইলিয়াস আহমেদ ইমন, মোশাররফ হোসেন, প্রকৌশলী রাজিব, মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আজিজ সিহানুক, চিকিৎসক তৌহিদুর রহমান সজীব, চিকিৎসক  হাসিব, হেলাল, ইবনে সিনা, একম রউফ আসিফ, মাহাদি হাসান, ব্যাংকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, চিকিৎসক রিয়াজ, চিকিৎসক কাউছার, মুজাহিদ, নাভিন, সৌরভ, ফুয়াদ, রুবেল, কাওছার, দীপন, ওপেল, জামশেদ, জসিমসহ ওই ব্যাচের বন্ধুরা।