All posts by jitu

বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও পাকিস্তান অনেক পিছিয়ে আছে : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের আগে পাকিস্তানের অংশ ছিল বাংলাদেশ। ওই সময় বাংলাদেশ ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু পাকিস্তানের অংশ থাকা অবস্থায় পশ্চিম পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের শিকার হতেন এ অঞ্চলের মানুষ। শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তি পেতে মুক্তিকামী মানুষ পাক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। টানা ৯ মাস যুদ্ধ করে ৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ বলেছেন, যে সময় বাংলাদেশ পাকিস্তানের অংশ ছিল তখন তাদেরকে বলা হতো, এই অংশটি ‘পাকিস্তানের ওপর একটি বোঝা’। কিন্তু ওই ‘বোঝাই’ এখন অর্থনৈতিক দিক দিয়ে ব্যাপক উন্নতি করেছে। ফলে এখন বাংলাদেশের দিকে তাকালে তিনি লজ্জিত হন। কারণ বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও পাকিস্তান এখনো অনেক পিছিয়ে আছে।

পাকিস্তানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গতকাল বুধবার (২৪ এপ্রিল) একটি মতবিনিময় সভা করেন শেহবাজ শরীফ। ওই সময় তাদের তিনি বলেন, “আমি খুবই তরুণ ছিলাম। আমাদের বলা হতো বাংলাদেশ আমাদের ওপর একটি বোঝা। আজ সবাই জানেন অর্থনৈতিক দিক দিয়ে ওই বোঝা কোথায় পৌঁছে গেছে।” তিনি আরও বলেছেন, “আমরা এখন যখন বাংলাদেশের দিকে তাকাই লজ্জিত হই।”

শেহবাজ শরীফের সঙ্গে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশের ব্যবসায়ী নেতারা গতকাল বুধবার সিন্ধ সিএম হাউজে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি ভারতের সঙ্গেও ব্যবসা বিষয়ক আলোচনা শুরুর তাগিদ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের নির্বাচন হয়। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন শেহবাজ শরীফ।

গত কয়েক বছর ধরে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য শেহবাজ শরীফের ওপর চাপ রয়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

দেবীদ্বারের ফতেহবাদে অবাধে কাটা হচ্ছে সড়কের গাছ!

 

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার খলিলপুর-নোয়াবগঞ্জ-সুলতানপুর এলাকার আড়াই কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের সাড়ি সাড়ি সবুজ গাছ কেটে উজার করে দেয়া হচ্ছে। বর্তমান সময়ে হিটওয়েব ও প্রচন্ড গরমে জনজীবন যখন হাঁসফাঁস অবস্থা ঠিক তখনই এভাবে গাছ কাটাকে কেন্দ্র এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাছাড়া সড়কের পাশে লাগানো বিভিন্ন ব্যক্তিমালিকানাধীন ফলজ ও কাঠ গাছও কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

সচেতন নাগরিকেরা বলছেন, এই গরম বিপর্যস্ত আবহাওয়াতে গাছ কাটার অনুমতি দেয়াটা ঠিক হয়নি। এই গরম ও তীব্র রোদে সড়কে চলাচলে জনসাধারনের কষ্ট বেড়ে যাবে। তারা আরো দুর্ভোগে পরবেন।

জেলার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোসাব্বের হোসেন মুহাম্মদ রাজীব বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপট চিন্তা করে গাছকাটা ঠিক হয়নি। তবে এ বিষয়টি সামাজিক বনবিভাগের। তারা ভালো বলতে পারবেন।

দেবীদ্বার উপজেলার ফরেস্টার মো: আবদুল মতিন বলেন, খলিলপুর বাজার থেকে সুলতানপুর সড়কের দুপাশে ১৯৯৬-১৯৯৭ অর্থ বছরে সামাজিক বনবিভাগ ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে গাছ রোপন করা হয়। গাছগুলো ম্যাচুরিটি হওয়াতে বিক্রির জন্য কুমিল্লা বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে চারটি লটে দরপত্র আহবান করা হয়। সেই দরপত্রের ভিত্তিতে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দিয়ে দুজন ঠিকাদার গাছগুলো কাটছেন। ব্যক্তি মালিকানাধীন গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আরো দেড় বছর আগে আমরা গাছ চিহ্নিত করেছিলাম। সেময় ব্যক্তি মালিকানাধীন ও ফলজ গাছ বাদ দিয়েই গণণার কাজ করেছিলাম।

দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিগার সুলতানা  জানান, এই গাছগুলো সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে রোপন করা হয়েছিল। মেয়াদ শেষ হওয়ার কারনে বনবিভাগ দরপত্রের ভিত্তিতে বিক্রি করেছেন।

চৌদ্দগ্রামে জামায়াতের সুপেয় পানি ও শরবত বিতরণ

ষ্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রকাশ্যে পিপাসার্ত মানুষের মাঝে সুপেয় পানি ও শরবত বিতরণ করেছে জামায়াত।

বৃহস্পতিবার (২৫শে এপ্রিল) সকালে চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকার পৌরসভা জামায়াতের উদ্যোগে বেশ কয়েকটি স্পটে প্রকাশ্যেই সামাজিক এ কার্যক্রম চালায় দলটি। এসময় চৌদ্দগ্রাম বাজার সাধারন জনগণ, সিএনজি অটোরিক্সা চালকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের মাঝে শরবত ও বোতলজাত পানি বিতরণ করে দলটির নেতাকর্মীরা। এতে নেতৃত্ব দেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা অধ্যাপক শফিকুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারী মোশারফ হোসেন ওপেল, জামায়াত নেতা জামাল উদ্দিন, লিয়াকত আলী শিকদার, ইঞ্জিঃ আবু মুসা, মহিন উদ্দিন প্রমুখ।

উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান বলেন, সারাদেশে গত কয়েকদিন ধরে তীব্র তাপদাহ চলছে। এসময় মানবিক দৃষ্টিকোন ও সামাজিক কর্মসূচীর অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় জামায়াতের আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান পিপাসার্ত মানুষের পাশে দাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সব সময় জনগণের কল্যানে কাজ থাকে। দূর্যোগ, অসহায় ও আত্নমানবতার সেবায় জামায়াত কর্মীরা সদা ততপর। বর্তমান চলমান প্রচন্ড খরতাপে মানুষ খুব কষ্ট পাচ্ছে। তাই জামায়াতে ইসলামী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কর্মীরা এই দূর্যোগে মানুষের পাশে থেকে পানি, শরবত ও খাবার স্যালাইন বিতরন করছে

 

নোয়াখালীতে বৃষ্টির প্রার্থনায় ইসতিসকার নামাজ আদায়

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীতে তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি ও বৃষ্টির কামনায় সালাতুল ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছে জেলার ধর্মপ্রাণ মানুষ। নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতে বৃষ্টি চেয়ে দোয়া করেছেন তারা। এ সময় দুটি উপজেলায় নামাজে অংশ নেন ৫শতাধিক মুসল্লি।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে জেলার কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা ও চাটখিল কামিল মাদরাসা মাঠে এবং বেগমগঞ্জের চৌমুহনী সেনের পোল পৌরসভা গেইট ঈদগাহে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ইমামতি ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বসুরহাট ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার আরবি বিভাগের অধ্যাপক মাওলানা মাকসুদুর রহমান ও চাটখিল আলিম মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর জব্বার।

নামাজে অংশ নেওয়া স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অনাবৃষ্টির কারণে মানুষ, পশুপাখিসহ সবাই খুব কষ্টে আছে। এজন্য তারা বৃষ্টির আশায় নামাজ পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মো.কামাল উদ্দিন বলেন, অনাবৃষ্টির কারণে মানুষ হাহাকার করছে। মহান আল্লাহ কোনও কারণে আমাদের ওপরে নারাজ হয়েছেন। এ কারণে বৃষ্টিবর্ষণ বন্ধ রেখেছেন। আজকে মহান আল্লাহর কাছে বৃষ্টি বর্ষণের জন্য মুসল্লিদের নিয়ে নামাজ আদায় করেছি। নামাজ শেষে অনাবৃষ্টি এবং গরম থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর রহমত কামনা করে মোনাজাত করেছি।

বসুরহাট পৌরসভা ওলামা মাশায়েখ এর উদ্যোগে আয়োজিত ইসতিসকার নামাজে অংশ নেন, বসুরহাট পৌরসভা জামায়াতের আমির মাওলানা মোশারেফ হোসেন, সেক্রেটারী মাওলানা হেলাল উদ্দিন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ওলামা সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দিন, চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.কাজী হানিফ আনসারী, উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম মাওলানা এমদাদ উল্যাহ।

বেগমগঞ্জের ইসতিসকার নামাজে উপস্থিত ছিলেন, ঈদগাহের খতিব সায়েদ আলমগীর হোসেন, ঈদগাহ মাঠের সাধারণ সম্পাদক নাছিমুল গনি চৌধুরী মহল,ওলাম পরিষদের সাবেক জেলা আমীর মাওলানা আলাউদ্দিন, বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা বোরান উদ্দিন, ওলাম পরিষদের বেগমগঞ্জ আমীর আবু জাহেদ।

অপরদিকে, চাটখিলের নামাজে অংশ নেন মাওলানা ছাইফ উল্লাহ, মাওলানা মনিরুজ্জামান, মাওলানা ওমর ফারুক, মাওলানা রাকিব উদ্দিন, মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, মাওলানা আবুল কালাম আহমাদি, মাওলানা আবু সাদেক প্রমূখ।

চৌদ্দগ্রামে বৃষ্টির প্রার্থনায় একাধিক স্থানে ইসতিসকার নামাজ আদায়

ষ্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে তীব্র তাপদাহ থেকে রক্ষা ও বৃষ্টির প্রার্থনায় উপজেলার একাধিক স্থানে ইসতিসকার নামায অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার চৌদ্দগ্রাম নজমিয়া কামিল মাদরাসা মাঠে, বাতিসা হাইস্কুল মাঠে ও চিওড়ার হান্ডা মদিনাতুল মাদ্রাসা মাঠে পৃথক তিনটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। তীব্র রোদ উপেক্ষা করেও তিনটি জামায়াতে মুসল্লিদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়। এ সময় মোনাজাতে মুসল্লিগণ আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

চৌদ্দগ্রাম নজমিয়া কামিল মাদরাসা মাঠে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল হক। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একেএম সামছুদ্দিন, মাহফুজুর রহমান, নিজাম উদ্দিন, আরিফুল ইসলাম, শফিকুর রহমান।

এদিকে সকাল সাড়ে ১০টায় বাতিসা হাইস্কুল মাঠে পৃথক আরও একটি ইসতিসকার নামাযের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়। নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মুহাদ্দিস মাওলানা জাকারিয়া। মোনাজাত চলাকালিন মুসল্লিগণ বৃষ্টির প্রার্থনা করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে মাঠ ময়দান। একই সময়ে উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের হান্ডা মদিনাতুল মাদ্রাসা মাঠে পৃথক আরেকটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।

উত্তর আফ্রিকার তিউনিসিয়া উপকূল থেকে ১৪ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট:

উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার উপকূল থেকে ১৪ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে তারা প্রাণ হারিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) দেশটির জেরবা উপকূল থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। এতে করে গত দুই দিনে তিউনিসিয়ার উপকূলে মৃত অভিবাসীর সংখ্যা আরও বেড়েছে। বুধবার রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিউনিসিয়ার উপকূলরক্ষীরা জেরবার উপকূল থেকে ১৪ অভিবাসীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বলে দেশটির একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা বুধবার রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

এতে করে ইতালির দিকে যাওয়া অভিবাসীবাহী নৌকাগুলোর সংখ্যায় তীব্র বৃদ্ধির মধ্যেই গত দুই দিনে তিউনিসিয়ার উপকূলে মৃত অভিবাসীর সংখ্যা আরও বাড়ল।

এর আগে গত মঙ্গলবার তিউনিসিয়ার উপকূলরক্ষীরা স্ফ্যাক্সের উপকূল থেকে ২২ জনের মৃতদেহ এবং গেবসের উপকূলে আরও সাতটি মৃতদেহ উদ্ধার করে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে, তিউনিসিয়ার উপকূলে কয়েক ডজন মানুষ সমুদ্রে ডুবে গেছে। একইসঙ্গে তিউনিসিয়া ও লিবিয়া থেকে ইতালির দিকে যাওয়ার চেষ্টাও অনেক বেড়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাজার হাজার মানুষ বিপজ্জনক ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়েছে।

মূলত যারা ইউরোপে যেতে ইচ্ছুক তিউনিসিয়া সেসব অভিবাসীদের জন্য একটি কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। আর বিপজ্জনকভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে বাড়ছে প্রাণহানির সংখ্যাও।

উল্লেখ্য, সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলোর বহু মানুষ দারিদ্য ও সংঘাতময় জীবন থেকে পালিয়ে ইউরোপে উন্নত জীবনের আশায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং তাদের এই কাজে লিবিয়াকে ছাপিয়ে তিউনিসিয়ার উপকূলরেখা অভিবাসীদের কাছে প্রধান এক্সিট পয়েন্ট হয়ে উঠেছে।

শিক্ষকের সাথে ‘ঔদ্ধত্যপূর্ণ’ আচরণের বিচারের দাবিতে কুবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মিডিয়া ল্যাবে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ ও বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক কাজী এম. আনিছুল ইসলামের সাথে ‘ঔদ্ধত্যপূর্ণ’ আচরণের অভিযোগ এনে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন তারা।

এসময় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের কমিউনিকেশন ক্লাবের ভিপি বিশ্বজিত সরকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠার কারণেই আজ জুনিয়র শিক্ষকেরা এধরণের ঘৃণ্য আচরণের সুযোগ পেয়েছে। আমাদের বিভাগীয় প্রধানের সাথে যেই ধরনের খারাপ আচরণ করা হয়েছে এইটার বিচার হওয়া দরকার। আমরা যদি এর সুষ্ঠু বিচার না পাই। তাহলে পরবর্তীতে আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে বড় পরিসরে আন্দোলন শুরু করবো।

তবে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ল্যাবে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বিষয়ে অস্বীকার করেন গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আসণবিন্যাস কমিটির সদস্য সচিব ও সহকারী প্রক্টর আবু ওবায়দা রাহিদ। তিনি বলেন, জার্নালিজমের ল্যাবে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা গত ২৮শে মার্চ সকল বিভাগীয় প্রধানকে আসন সংক্রান্ত বিষয়ে মেইল করি। কিন্তু তিনি (কাজী এম. আনিছ) কোনো রিপ্লাই দেননি। পরবর্তীতে আমি এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইদুল আল-আমিন স্যার ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান রাহাত স্যারসহ ডিন অফিসের দুইজন কর্মকর্তাকে নিয়ে ওই ল্যাবে যাই এবং ল্যাব খালি থাকা সাপেক্ষে সেখানে ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাসের জন্য অন্তর্ভুক্ত করি।

কিন্তু আনিছ স্যার পুরো বিষয়টির জন্য আমাকে দায়ী করছেন। যা দুঃখজনক। তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের যে কথাটি বলছেন সেটিও সত্য নয়। এবিষয়কে কেন্দ্র করে আমাদের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়েছে এটা ঠিক। কিন্তু বর্তমানে একপার্শ্বিকভাবে আমার নামে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এ ঘটনার জের ধরে পদত্যাগ করেছেন সহকারী প্রক্টর কাজী এম. আনিছুল ইসলাম। সিনিয়র হওয়া সত্ত্বেও জুনিয়র শিক্ষক কর্তৃক হেনস্তার যথাযথ বিচার পাননি দাবি করে তিনি পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন।

আবারও ঢাকাই সিনেমায় পাওলি

ডেস্ক রিপোর্ট:

সরকারী অনুদানপ্রাপ্ত ‘নীল জোছনা’ সিনেমা নির্মাণ করবেন ফাখরুল আরেফীন খান। মোশতাক আহমেদের প্যারাসাইকোলজি বিষয়ক উপন্যাস ‘নীল জোছনার জীবন’ অবলম্বনে তৈরি এই সিনেমায় অভিনয় করবেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পাওলি দাম। সিনেমার প্রধান নারী চরিত্র লায়লার ভূমিকায় অভিনয় করবেন তিনি।

গত বুধবার কলকাতার ডিকালগ ম্যানেজমেন্ট সেন্টারে পাওলির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করেন নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন খান। ঢাকাই সিনেমায় আবারও কাজ করার বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী নিজেও।

সিনেমায় পাওলির বিপরীতে কে থাকছেন তা এখনো চুড়ান্ত হয়নি। তবে নির্মাতা জানিয়েছেন, পাওলির বিপরীতে দেশের একজন অভিনয়শিল্পীকে তিনি নির্বাচিত করবেন। খুব শিগগিরি তা চুড়ান্ত করে জানাবেন তিনি।

আবারও বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে পাওলি বলেন, ‘গত বছর নির্মাতা ফাখরুল আরেফিন খান আমার সঙ্গে এই সিনেমা নিয়ে যোগাযোগ করেন। প্রথমে তার কাছ থেকে গল্পটি শুনেছি, যেহেতু তখনও মোশতাক আহমেদের সেই বইটি আমার পড়া ছিল না, এরপর যখন বইটি পড়লাম, তখন দারুণ লাগল। বলা যায়, এই সিনেমার সঙ্গে সেদিন থেকেই জড়িয়ে আছি। যার আনুষ্ঠানিকতা গত বুধবার হয়েছে।’

নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন খান বলেন, ‘নীল জোছনা’ সিনেমার কাজ শুরু করেছিলাম প্রায় ৬ বছর আগে। সেই ২০১৮ সালের শেষের দিকে। প্যারাসাইকোলজি নিয়ে আমার ধারণা এর আগে বাংলাদেশে কোনো কাজ হয়নি। আর সে কারণেই যখন আমি মোশতাক আহমেদের উপন্যাসটি পড়ি, তখনই চিন্তা করি সিনেমা বানানোর। এরপর ২০১৯ সালে করোনা এবং আমার ‘জেকে ১৯৭১’ সিনেমার কারণে কাজটি বন্ধ ছিল। এরপর আবারও গত বছরের শুরু থেকে কাজটি শুরু করি।’

নতুন এই সিনেমায় পাওলি দাম প্রসঙ্গে এই নির্মাতা বলেন, ‘আমাদের গল্পের অন্যতম নারী চরিত্র লায়লা, যা পাওলি দামের সঙ্গে অনেক বেশি যায়, যার কারণে আমরা তাকে এই চরিত্রের জন্য প্রথমে নির্বাচিত করি। এরপর পাওলির সঙ্গে যোগাযোগ হয়, তাকে চিত্রনাট্য পাঠানো হলে তিনিও আমাদের সিনেমায় অভিনয়ের জন্য রাজি হন। আশা করছি, আমরা পাওলিকে নিয়ে কাজটি খুব ভালোভাবে শেষ করতে পারব।’

নির্মাতা জানান, ‘নীল জোছনা’ সিনেমার দৃশ্যধারণ শুরু হবে আগামী মাসের শেষদিকে, একটানা জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে।

বিএনপি যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় আসতে মরিয়া : কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় আসার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাদের নেতারা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে সরকারবিরোধী তথাকথিত আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস-সহিংসতার পথ বেছে নেয়। বিএনপি ও তার দোসরদের সন্ত্রাসী ও ক্যাডার বাহিনী সরকারের পথচলা এবং দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের মাধ্যমে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু দেশের জনগণ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের কাতারে দাঁড়িয়ে রাজনীতি করে, জনকল্যাণে পরিকল্পনা গ্রহণ ও কর্মসূচি নির্ধারণ করে। আমরা সর্বদা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।’

বিএনপি গণবিরোধী রাজনীতি করে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালে বিএনপি জনগণকে শত্রুজ্ঞান করে শাসন-শোষণ ও অত্যাচারের স্টিম রোলার চালিয়েছিল। সন্ত্রাস ও উগ্র-জঙ্গিবাদকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে সারা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। আর এখন সাংবিধানিকভাবে বৈধ ও গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করে জনগণকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ক্ষমতায় যাওয়ার অপচেষ্টা করছে।’

কাদের দাবি করেন, আগের ধারাবাহিকতায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের নামেও বিএনপি অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে। আর দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আদালত জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বিএনপি নেতৃবৃন্দ সেটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালায়। বিএনপি প্রকৃতপক্ষে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন, সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া তাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত। বিএনপি ক্ষমতায় থেকে নিজেদের সন্ত্রাসী ও ক্যাডার বাহিনীর পাশাপাশি বাংলা ভাইয়ের মতো দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীর সৃষ্টি করেছিল এবং তাকে রক্ষা করার জন্য ‘বাংলা ভাই মিডিয়ার সৃষ্টি’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিল।’