All posts by jitu

৬৪ জেলার ভাষা ও একুশে ফেব্রুয়ারির থিমে কুমিল্লার দত্ত বাড়ির সরস্বতী পূজা উদযাপন

স্টাফ রিপোর্টার:

সরস্বতী  পূজা হিন্দু ধর্মালম্বীদের বিদ্যার দেবী। শিক্ষার্থীদের কাছে এই পূজার মাহাত্ম্য অনেক বেশি। বাংলাদেশ ভারতে বাড়িতে বাড়িতে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেশ জাকজমকপূর্ণভাবে এ পূজা পালিত হয়।

তবে কুমিল্লা নগরীর দত্ত বাড়ির সরস্বতী পূজা উদযাপনে থাকে বিভিন্ন ভিন্নতা। প্রতি বছর ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে এ পূজার আয়োজন করা হয়। যা বেশ আকর্ষণীয়, মনোমুগ্ধকর ও শিক্ষনীয়। তারই ধারাবাহিকতায় দত্ত বাড়ির পুজোর ১৭ বছরে এবারের আয়োজন ৬৪ এর ভিন্নতায় আমরা এক। এই থিমে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার আঞ্চলিক ভাষা এবং ভাষা আন্দোলনের ইতিকথা খুব সুন্দরভাবে দূলর্ভ কিছুর ছবির কোলাজে ফুটানো হয়েছে।

পূজা উদযাপনের পাশাপাশি বিভিন্ন থিমকে সবার সামনে ছবির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা দত্ত বাড়ির পূজা উদযাপনের আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

ডাক্তার অঙ্কুর দত্তের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা দুলাল কৃষ্ণ দত্ত ওই বাড়িতে স্থাপিত শহীদ মিনারে ও বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুল দিয়ে পূজার উদ্বোধন করেন।

দত্ত বাড়ির পুজোর আয়োজকদের পক্ষ থেকে ডা: অংকুর দত্ত বলেন, তরুণ প্রজন্মের কাছে মা সরস্বতীর আরাধনার পাশাপাশি নিজ ভাষা ও ঐতিহ্য, আঞ্চলিক ভাষাকে পরিচয় করাটাই এই পুজোর লক্ষ্য।

পূজা দেখতে আসা দর্শনার্থীদের বেশ আনন্দিত দেখা যায়। তারা মনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করে জানান, এ পূজা শিক্ষার্থীদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে আরো অলংকিত ও পূর্ণতা দিয়েছে ৬৪ জেলার সাংস্কৃতিক এবং মহান একুশে ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য তুলে ধরে। এর জন্য ডা: অংকুর দত্ত প্রশংসা পাওয়ার দাবি রাখে।

এ পুজোর ভাবনায় ছিলেন ডা: অংকুর দত্ত, সৃজনে ডা: স্বস্তি সেনগুপ্তা, শিল্পে সহায়তা করেছেন ভারতের প্রখ্যাত শিল্পী অনুপম ধর, সহযোগিতায় ছিলেন পৃথুল দত্ত,নিরনজন দাস, অর্না,অর্পা,পার্থিব,জয়, জয়ন্ত, সুজয়,প্রত্যয়,কৃপা। ইভেন্টে ছিল নকশা।

কুমিল্লায় দিনমজুর হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, অপরজনের যাবজ্জীবন

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দিনমজুর জাহাঙ্গীর হত্যার দায়ে এক আসামির মৃত্যুদণ্ড ও অপরজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত দায়রা ও জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক ফরিদা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত লিটন (২৮) জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগণ্ডা শালুকিয়া গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুস সোবহান তুফান (৩০) একই উপজেলার ঘোলপাশা গ্রামের মৃত হেলাল মিয়া ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবদুস সোবহান তুফান উপস্থিত থাকলেও লিটন পলাতক ছিলেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি জানান, ২০১২ সালের ৩১ জুলাই দিনের বেলায় আসামি লিটনের সঙ্গে জাহাঙ্গীরের বাগবিতণ্ডা হয়। রমজান মাস হওয়াতে একসঙ্গে ইফতার করে কর্মস্থল চৌদ্দগ্রামের আমানগণ্ডা মৎস্য প্রকল্পের টিনশেড ঘরে ঘুমাতে আসেন। সঙ্গে আনেন সেহেরির খাবার। কিন্তু সকালে জাহাঙ্গীরের লাশ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। এসময় তার শরীরে কোদাল ও ধারালো অস্ত্রের চিহ্ন দেখা যায়। এ ঘটনায় নিহত জাহাঙ্গীর হোসেনের ভগ্নিপতি ফুল মিয়া বাদী হয়ে লিটনকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুলতান উদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ২৩ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ৩ মার্চ চার্জশিট দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ৯ জনের সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ রায় দেন।

অসাধু ব্যবসায়ীদের কোনো ছাড় নেই: প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, অসাধু ব্যবসায়ীদের কোনো ছাড় নেই। প্রচলিত আইনকানুন ও নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী থাকবেই যারা ব্যক্তি স্বার্থে কাজ করে, যারা মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে পুঁজি করে ব্যবসা করতে চায়, আমরা সেসব মুখোশধারীদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান ঘোষণা করছি।

বৃহস্পতিবার নগরীর সদরঘাট এলাকা হাসনি ওয়েল মিলসংলগ্ন ৩০ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এমএ লতিফ, টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আতাউল্লাহ, টিসিবি চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক শফিকুল ইসলাসহ চট্টগ্রামের টিসিবির ডিলাররা।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, কোনোভাবেই যেন অসাধু ব্যবসায়ীরা খাদ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি না করতে পারে সেজন্য সচেষ্ট আছি। আমি ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করব এই রমজান মাসে সবাই একটু উদার হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান। তাহলে কিছুটা হলেও সাধারণ মানুষের কষ্ট দূর হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণকে একটা বিষয়ে আশ্বস্ত করতে চাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৭ তারিখের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার পরে ১১ তারিখ মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন দ্রব্যমূল্য যেন মানুষের বিশেষ করে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে। সেই লক্ষ্যে উদ্দেশ্য নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় টিসিবির মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রম আমরা করছি। শুধুমাত্র খাদ্য সহায়তা নয়, খাদ্য যেন সহজলভ্য হয়, ভোক্তারা যাতে তার অধিকার ন্যায্য মূল্যে খাদ্য সামগ্রী ক্রয় করতে পারে আমাদের ভোক্তা অধিদপ্তর ডিসি সাহেবের নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশে কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে।

রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার আশ্বাস প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন রমজান মাসে প্রাণিজ আমিষ পণ্য মাংস, দুধ, ডিম, ড্রেসড ব্রয়লার ইত্যাদির সরবরাহ বাড়িয়ে এসব পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আবদুর রহমান।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের করণীয় হিসেবে বিভিন্ন এজেন্ডার ওপর আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিগত রমজানে প্রাণিজ পণ্যের নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ করে নিম্নআয়ের মানুষকে স্বস্তি প্রদানের লক্ষ্যে ঢাকা শহরের ২০টি স্থানে ড্রেসড ব্রয়লার, গরু ও খাসির মাংস, দুধ ও ডিম সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করা হয়।

আসন্ন রমজানে ঢাকা শহরে আরও নতুন পাঁচটি স্পটসহ এ বছর মোট ২৫টি স্থানে এসব পণ্য সুলভমূল্যে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হবে। ফলে, এসব পণ্যের বাজারদর সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

সঠিক মূল্যে পশুখাদ্য উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার জন্য মন্ত্রী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ট্যারিফ কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

এছাড়া রমজানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

পবিত্র রমজান মাসে কম লাভে ও ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে পুণ্য লাভের উদ্দেশে এসব পণ্য বিক্রি করার আহ্বান জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীদের ভোগান্তিতে ফেলা সরকারের উদ্দেশ্য নয়; বরং ব্যবসায়ীরা যাতে স্বাচ্ছন্দে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে সে বিষয়টিও সরকার সবসময় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। জনগণ যাতে রমজানে সুলভ মূল্যে প্রাণিজ পণ্য কিনতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানাই।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব জনাব এ টি এম মোস্তফা কামাল, কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শাহীন আখতার, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. এমদাদুল হক তালুকদার, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন সভায় উপস্থিত ছিলেন।

‌বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী ভারত : এলজিআরডি মন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, সেতু, কালভার্ট ও সড়ক উন্নয়নসহ বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এ কথা বলেন।

হাইকমিশনারের সঙ্গে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের সাধারণ মানুষের উন্নতি নিয়ে আলোচনা করেছি। স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন বিষয়ও নিয়ে কথা হয়েছে। আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ আছে, তাদের ওখানে পঞ্চায়েত আছে। আমাদের উপজেলা পরিষদের মতো তাদেরও উপজেলা পরিষদ আছে। এগুলো কীভাবে আরও কার্যকর করা যায়, তারা কীভাবে কাজ করছে, আমরা কীভাবে করছি, আলোচনায় তা ওঠে এসেছে।

তিনি বলেন, কেবল ভারত থেকেই আমরা শিখব না, তাদেরও আমাদের কাছ থেকে শেখার আছে। আমাদের আলোচনায় এসব বিষয়ও উঠে এসেছে। আলোচনা করলে আমরা হয়ত আরও কার্যকরী পদ্ধতি চিহ্নিত করতে সক্ষম হব। এছাড়াও আমাদের পরস্পরের দেশের জনবলকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে কথা বলেছি।

বিনিয়োগ নিয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশে অনেক বিনিয়োগ করতে চায়। এখানে অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছে। যেমন, আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনা ও কৃষি খামার নিয়ে তাদের আগ্রহ আছে। এ ক্ষেত্রে তাদের সফলতা ও আমাদের সফলতা চিহ্নিত করে সে অনুসারে আমরা অভিজ্ঞতা বিনিময় করব।

মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকারের সেতু, কালভার্ট ও সড়ক উন্নয়নে তারা নিজেদের আগ্রহের কথা জানিয়েছে। এ ক্ষেত্রে তারা অর্থনৈতিক সহায়তা করবে। এছাড়া ডেঙ্গু নিয়ে আমরা কাজ করি। তাদের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এডিস মশার প্রাদুর্ভাব আছে। সে জন্য এই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আমরা যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ জানিয়েছে।

তিনি বলেন, আজ যে আলোচনা হয়েছে, তাতে আমরা আমাদের তরফ থেকে কী কী উন্নয়ন প্রকল্প নিতে পারি, সেটা পর্যালোচনা করে তাদের জানাব। তাতে অর্থায়ন করতে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এসএসসির প্রথম দিনে কুমিল্লা বোর্ডে অনুপস্থিত ১ হাজার ৩৭০

ডেস্ক রিপোর্ট:

আজ শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। প্রথমদিনে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৩৫৩ পরীক্ষার্থী। একজন কক্ষ পরিদর্শকসহ বহিষ্কৃত হয়েছেন মোট ২৫ জন।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় কন্ট্রোল রুম এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে প্রথম দিনে আজ বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিলে কুরআন মজিদ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সারা দেশে সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ হাজার ২৬৪টি কেন্দ্রে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৪ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ জন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২ হাজার ২৬৪টি কেন্দ্রে ১৪ লাখ ৮ হাজার ৫৬১ জন পরীক্ষার্থী বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অংশ নেন। অনুপস্থিত ছিলেন ৯ হাজার ৭৩১ জন পরীক্ষার্থী।

এদিন বরিশাল বোর্ডের ২ ও ময়মনসিংহ বোর্ডের ৪ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। আর কুমিল্লা বোর্ডে একজন কক্ষ পরিদর্শককে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডের ২ হাজার ৩৪৫ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৮০৯, রাজশাহী বোর্ডে ১ হাজার ১৮১, বরিশাল বোর্ডে ৬৮২, সিলেট বোর্ডের ৫৬৪, দিনাজপুর বোর্ডে ১ হাজার ৪৩, কুমিল্লা বোর্ডের ১ হাজার ৩৭০, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৬০৪ ও যশোর বোর্ডে ১ হাজার ১৩৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭ হাজার ৬৬০‌ অনুপস্থিত ছিলেন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৭ জন‌ বহিষ্কার হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ৯৬৮ অনুপস্থিত ছিলেন, আর বহিষ্কার হয়েছেন ১১জন।

সাড়ে তিন মাস পর কারাগার থেকে বের হয়েই যা বললেন ফখরুল-খসরু

ডেস্ক রিপোর্ট:

সাড়ে তিন মাস কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়েই ‘ভোটাধিকার ফেরানোর আন্দোলন’ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঢাকায় বিএনপির গত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামিনে কারামুক্ত হন মির্জা ফখরুল। কারাফটকে নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর সময় তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান।

এদিন বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষের মামলায় কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে একসঙ্গে জামিনে মুক্তি পান মির্জা ফখরুল ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এসময় নেতাকর্মীরা দলের শীর্ষস্থানীয় এ দুই নেতাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ফখরুল বলেন, নেতাকর্মীদের হতাশার কিছু নেই। বাংলাদেশের জনগণ সবসময় গণতন্ত্রের জন্য, ভোটের অধিকারের জন্য, ভাতের অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছে, লড়াই করেছে। ইনশাল্লাহ্ এই সংগ্রামে তারা জয়ী হবে।

গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফেরানোর চলমান আন্দোলনে চূড়ান্ত বিজয় না আসা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার কথাও দৃঢ়তার সঙ্গে উচ্চারণ করেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের আন্দোলনের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন। ৭ জানুয়ারির একপাক্ষিক নির্বাচন করে সরকারই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিএনপির কোনো ক্ষতি হয়নি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ওরা (আওয়ামী লীগ) রাষ্ট্রশক্তিকে কবজা করে ক্ষমতা দখল করেছে, বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্র্রত্যাখ্যান করেছে। তারা নির্বাচনে নৈতিকভাবে জনগণের কাছে পরাজিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা বলতে চাই, গণতন্ত্রের আন্দোলন অটুট থাকবে। যতদিন দেশে গণতন্ত্র ফেরত না আসবে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার না আসবে ততদিন এই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

এসময় কারাফটকে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে তাইফুল ইসলাম টিপু, শামীমুর রহমান শামীম, নিপুণ রায় চৌধুরী, ফরহাদ হোসেন আজাদ, সাবেক সাংসদ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, ইসরাফিল খসরু চৌধুরী, শায়রুল কবির খানসহ অঙ্গসংগঠনের কয়েকশো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া কারামুক্তির সময় বিএনপি মহাসচিবকে শুভেচ্ছা জানাতে তার সহধর্মিনী রাহাত আরা বেগম ও একান্ত সহকারী ইউনুস আলী প্রমুখও উপস্থিত ছিলেন।

পরে মির্জা ফখরুলের গাড়িকে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল শোডাউন করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

গত ২৮ অক্টোবর এবং এর পরের সংঘর্ষ ও সহিংসতাকে কেন্দ্র করে মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে মোট ১১টি মামলা হয়। এর আগে ১০ মামলায় তিনি জামিন পান।

সবশেষ গতকাল বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সাল আতিক বিন কাদেরের আদালত প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় ফখরুলের জামিন মঞ্জুর করেন।

২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষ-সহিংসতার ঘটনায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধেও ১০টি মামলা হয়। পরে একে একে ৯টি মামলায় তিনি জামিন পান।

সবশেষ গতকাল বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সাল আতিক বিন কাদেরের আদালত প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় ফখরুলের জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২৯ অক্টোবর ফখরুল ও ২ নভেম্বর গ্রেফতার হন আমীর খসরু। এরপর থেকেই তারা কারাগারে ছিলেন।

গতকালই তাদের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ জানিয়েছিলেন, ফখরুল-খসরুর বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় কারামুক্তিতে বাধা নেই।

বিএনপিকে নিষিদ্ধ করার চিন্তা আওয়ামী লীগ এখনো করেনি : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে অনেকেই চিহ্নিত করেছে, তবে তাদের নিষিদ্ধ করার চিন্তা এখনো দলগতভাবে আওয়ামী লীগ করেনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি সন্ত্রাসী দল- এটা কানাডার ফেডারেল আদালত এ রায় দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে তারেক রহমানের প্রবেশ নিষিদ্ধ। আমেরিকার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এটা দিয়েছে। বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে অনেকেই চিহ্নিত করেছে। তবে তাদের নিষিদ্ধ করার চিন্তা দলগতভাবে আওয়ামী লীগ এখনো করেনি। এখানে আদালতের বিষয় আছে। আইন-আদালত তো মানতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করছেন। আদালত জামিন দিয়েছেন। কাউকে জামিন দেওয়ার অর্থ এই নয়, তিনি অপরাধ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। মামলা তো আছে, মামলা চলবে।

বিএনপি মহাসচিবের জামিনে মুক্ত হওয়ার পর দলটির আন্দোলন বেগবান হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির আন্দোলন বেগবান হতে হতে পতন হয়ে যাবে। এখন পতনের গভীর খাদ থেকে কে উদ্ধার করবে? আমরা তো প্রস্তুত, রাস্তায় সদাজাগ্রত প্রহরী শেখ হাসিনার জন্য।

ডামি নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা যাকে ডামি নির্বাচন বলছে, তারা প্রমাণ হয়ে গেছে তারাই ডামি বিরোধীদল। তারা নিজেরাই ডামি। নির্বাচনে অংশগ্রহণই করেনি।

সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড যাচাই-বাছাই করে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করেছে।

আর একজন মিয়ানমার নাগরিককেও অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না : বিজিবি মহাপরিচালক

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধৈর্য ধারণ করে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রেখে বিজিবিকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে বিজিবির তত্ত্বাবধানে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী সদস্যদের সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্রীকরণ করে এবং তাদের নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করে। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় আগত ৯ বিজিপি সদস্যকে বিজিবির তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রাণভয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যসহ (বিজিপি) ৩৩০ জনকে দেশটির বর্ডার গার্ড পুলিশের কাছে হস্তান্তর শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিজিবি প্রধান।

বিজিবি মহাপরিচালক আরও বলেন, গত ১১ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিজিপিসহ ৩৩০ জন সদস্যকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য বিজিবিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিজিবির রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মেহেদী হোসাইন কবীরের নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও পুলিশের প্রতিনিধির সমন্বয়ে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রত্যাবাসন কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি মিয়ানমারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ ও সমন্বয় করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিজিপিসহ অন্যান্য সদস্যদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এখন শুধু মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে নিয়ে অস্ত্রগুলো পৃথক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফেরত পাঠানো হবে।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জাহাজে করে মিয়ানমারের ৫ সদস্য বিশিষ্ট বিজিপি প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের ইনানীর নৌবাহিনীর জেটিঘাটে আসে এবং বিজিবির কাছ থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩৩০ জন নাগরিককে গ্রহণ করেছে মিয়ানমার। ইতোমধ্যে ১৬৫ জনকে জাহাজে তোলা হয়েছে। বিকেলের মধ্যে সব শেষ হবে।

বিজিবি মহাপরিচালক আরও বলেন, সীমান্তবর্তী জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তায় সীমান্তে বিজিবির টহল ও জনবল বাড়ানো হয়েছে। তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে বিজিবি সীমান্তের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরিস্থিতি যাই হোক সীমান্ত দিয়ে আর একজন মিয়ানমার নাগরিককেও বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

এর আগে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে স্পিডবোটযোগে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুলিশ কর্নেল মিউ থুরা নাঙয়ের নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট বিজিপি প্রতিনিধি দল কক্সবাজারের ইনানী নৌ-বাহিনী জেটিঘাটে এসে পৌঁছেছে।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু, ঘুমধুম ও বাইশফাঁড়ী সীমান্তের বিপরীতে বিজিপির তুমব্রু রাইট ও লেফট ক্যাম্পে আক্রমণ করে। কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী, পালংখালী এবং টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা ও শাহপরীরদ্বীপ সীমান্তের বিপরীতে ওপারে কাইচিং রং, মইদু, গদুদ্ধজ্য ও মংডু এলাকায়ও গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ফলে মিয়ানমারের বিজিপি, সেনা, পুলিশ, ইমিগ্রেশন ও বেসামরিক সদস্যরা প্রাণভয়ে পালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে অস্ত্রসহ বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণ করে।

যুক্তরাষ্ট্রে সুপার বোল প্যারেডে গুলি, নিহত ১

ডেস্ক রিপোর্ট:

যুক্তরাষ্ট্রে এবারের সুপার বোলেও জয় পেয়েছে জনপ্রিয় ফুটবল দল কানসাস সিটি চিফস। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এ উপলক্ষে বিজয় মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই মিছিলে এলোপাতাড়ি গুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত একজন নিহত এবং ২১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও রয়েছে।

জানা যায়, এনএফএল সুপার বোল প্রতিযোগিতায় জয়ের আনন্দ উপভোগ করার জন্য কানসাসে কয়েক হাজার মানুষ সমবেত হয়েছিলেন। মিসৌরি ও কানসাসের গভর্নরদের পাশাপাশি এতে অংশ নিয়েছিলেন বিজয়ী দলের সদস্যরাও। সেখানেই গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে।

বিজয় মিছিলের একেবারে শেষের দিকে গুলি চালায় বন্দুকধারী। এরপরই প্রবল বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। মানুষ ভয় পেয়ে ছোটাছুটি করতে থাকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মানুষজন নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে উদ্‌ভ্রান্তের মতো ছোটাছুটি করছে।

তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পুরো এলাকা খালি হয়ে যায়। পুলিশ ও দমকল কর্মীরা ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। পুলিশ হলুদ টেপ দিয়ে পুরো জায়গা ঘিরে দেয়।

পুলিশ প্রধান গ্রেভস জানিয়েছেন, গুলির ঘটনায় প্রথমে দুজনকে আটক করা হয়েছিল। পরে আরও একজনকে ধরেছে পুলিশ। হামলাকারীদের উদ্দেশ্য এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

কানসাস সিটির চিলড্রেন মার্সি হসপিটাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা ১২ জনের চিকিৎসা করছে, যাদের মধ্যে ১১ জনই শিশু। নয়জন বন্দুকের গুলিতে জখম হয়েছে।

কানসাস সিটি ফায়ার ডিপার্টমেন্টের প্রধান রস গ্রান্ডিসন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আহতদের অনেকের আঘাত গুরুতর।

বিজয় মিছিলে গুলির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কানসাস সিটি চিফস। এক বিবৃতিতে দলটি বলেছে, আজকের মিছিল ও সমাবেশের শেষভাগে ইউনিয়ন স্টেশনের বাইরে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তাতে আমরা সত্যিই দুঃখিত।