All posts by jitu

ইসরায়েলিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে চায় কানাডা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করে অধিকৃত পশ্চিম তীরের চরমপন্থি ও সংঘাতে উসকানিদাতা ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চায় কানাডা।

স্থানীয় সময় শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো। জেরুজালেম পোস্ট

অন্টারিও প্রদেশের ওয়াটারলু শহরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাস্টিন ট্রুডো বলেন, কানাডা পশ্চিম তীর অঞ্চলে সহিংসতার অবসান চায়। এজন্য এ পদক্ষেপটি আমাদের বিবেচনাধীনে রয়েছে।

মূলত জর্ডান নদীর পশ্চিমাংশের ৫ হাজার ৬৫৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ভূখণ্ডটি ‘পশ্চিম তীর’ নামে পরিচিত।

নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে গত ৭৫ বছর ধরে ফিলিস্তিনের জনগণ যে আন্দোলন সংগ্রাম করছেন, সেই রাষ্ট্রের রূপরেখার মূল অংশে রয়েছে এই ভূখণ্ডটি। তবে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে ১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর দখল করে ইসরাইল। পরে সেখানকার বিভিন্ন শহর-গ্রামে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের পাঠানো শুরু করে দেশটি।

দখলকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলার অভিযোগে সেখানকার অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারী চার ইসরাইলির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টিতে অনুমোদন দিয়ে এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, পশ্চিম তীরে সহিংসতা ‘অসহনীয় পর্যায়ে’ পৌঁছেছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় ওই চার ইসরাইলি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাদের সম্পত্তি ও দেশটির আর্থিক ব্যবস্থা ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। তবে যে চার ইসরাইলি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

জাতীয় পার্টির বিষয়ে মানুষের ধারণা ভালো নয়: জি এম কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের) বলেছেন, অনেকে বলেছে আমাদের দল ভাগ হয়ে যাবে। দল ভাগ হওয়ার সম্ভাবনা আমি এই মুহূর্তে, এই প্রেক্ষিতে দেখছি না। এরশাদ সাহেবের নাম ও আদর্শ দিয়ে আরও ১০টি দল যে কেউ গঠন করতে পারে। কিন্তু, আমাদের দল থেকে ভেঙে নিয়ে আরেকটি দল গঠন করার পরিবেশ পরিস্থিতি এই মুহূর্তে দেখছি না। তবে, একটা জিনিস আমি বলতে চাই, আমাদের দলের ব্যাপারে মানুষের পারসেপশন (উপলব্ধি) কিন্তু ভালো নয়।

শনিবার বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জি এম কাদের এ কথা বলেন।
জি এম কাদের বলেন, আমরা অন্য দলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়েছি, সেটা পার্শিয়ালি কারেক্ট। আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি। আমাদের দলের মধ্যে ব্যাপকভাবে সংশোধন হওয়ার দরকার আছে। আমরা যদি সেটা না করতে পারি তবে সামনের দিকে দল ভাঙবে না, তবে দলের অস্তিত্ব থাকবে না। দলকে মানুষ ভালোবাসবে না, দলের প্রতি মানুষের আস্থা থাকবে না।

জি এম কাদের বলেন, সরকারি দলের মন্ত্রীদের বক্তব্যে মনে হয় আমরা মধ্যযুগীয় ব্যবস্থায় চলে যাচ্ছে কিনা। হয়তো সাধারণ মানুষ এটি খেয়াল করে না। শ্রদ্ধেয় আইনমন্ত্রী সেদিন একটি কথা বললেন, সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ১০৭ বার সময় নেওয়া হয়েছে, ১২ বছর চলে গেছে। তারপর উনি বলেছেন আরও ৫০ বছর লাগলে দিতে হবে। এটাকে আমি দেখেছি মধ্যযুগীয় ব্যবস্থার মতো। মধ্যযুগে পেশিশক্তির মাধ্যমে সবকিছু নির্ণয় করা হতো। অর্থাৎ জোর যার মুল্লুক তার। বিচারব্যবস্থা যদি বিলম্ব হয় তার মানে হচ্ছে, সে বিচার আর পাওয়া যাবে না। এই বিচার যদি আরও ৫০ বছর বিলম্ব হয় তাহলে এটি তো বিচারহীনতা হলো। তাহলে আমরা কি দেশকে বিচারাধীনতা উপহার দিতে যাচ্ছি?

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, এই নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ বিভ্রান্তিকর একটি স্টেটমেন্ট দিয়েছে। তারা বলেছে আওয়ামী লীগের ২৬টা সিট ছেড়ে দিলাম জাতীয় পার্টির ফেভারে। কিন্তু তারা সেসব ছাড়ে নাই, সব জায়গায় তাদের লোক দিয়ে রেখেছে। আমাদের অনেক প্রার্থী বিভ্রান্ত হয়েছে। অনেকে এটাকে মহাজোট বলেছেন, আবার অনেকে এটাকে সিট ভাগাভাগির কথা বলেছেন। আমি প্রথম দিন থেকে বলেছি, এটা মহাজোট হয়নি। সিট ভাগাভাগিও হয়নি। এটা বিভ্রান্তিকর, আওয়ামী লীগ ইচ্ছাকৃতভাবে করেছে। এটি না হলে আমাদের ফলাফল এর চেয়ে আরও ভালো হতো।

জি এম কাদের দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দলকে টেকাতে হলে সবাইকে একলাইনে থাকতে হবে। আমরা যদি ব্যর্থ হই তবে দল মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। আমরা ভাঙন নিয়ে চিন্তিত নই। কিন্তু, আমাদের নিজেদের মধ্যে যে ত্রুটি আছে, সেগুলো সারিয়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মুজিবুল হক চুন্নু। উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেরীফা কাদের, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বা‌য়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তৈয়বুর রহমান, সদস্য সচিব মো. সুলতান আহমেদ সেলিম প্রমুখ।

খেলাধুলার প্রসারের মাধ্যমে সন্ত্রাস, মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে চাই: আবদুস সবুর এমপি

দাউদকান্দি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেছেন, শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় আরো বেশি উদ্বুদ্ধ করতে হবে। খেলাধুলা মানুষের মনকে যে ভালো রাখে স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। খেলাধুলার প্রসার ঘটানোর মাধ্যমে সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজ মুক্ত সমাজ গড়তে চাই।

শনিবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) তিতাস উপজেলার লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লেঃ জেনারেল মো. মাইনুল ইসলাম।

কুমিল্লা-১ আসনের সংসদ সদস্য বলেন,
বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর খেলাধুলার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে তরুণ প্রতিভাবান ছেলে-মেয়েরা যাতে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায়, সেজন্য দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, কর্মসূচি, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এমনকি উপজেলা পর্যায়েও শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মান করেছেন।

ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, নিরাপদ দাউদকান্দি, নিরাপদ তিতাস, উন্নত দাউদকান্দি, উন্নত তিতাস, স্মার্ট দাউদকান্দি, স্মার্ট তিতাস গড়তে চাই। আমরা চাই সবাইতে নিয়ে দাউদকান্দি-তিতাসকে সারা দেশের মধ্যে মডেল উপজেলা গড়তে চাই। এজন্য তরুণদের কাজ করতে হবে।

পিআইবির সাথে কুবি সাংবাদিক সমিতির মতবিনিময়

চাঁদনী আক্তার,কুবি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (কুবিসাস) এর সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) কুবিসাসের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় কুবিসাস’র সাধারণ সম্পাদক আহমেদ ইউসুফ আকাশের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রভাষক লাজিনা আক্তার জ্যাসলিন, নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও যুগান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার মতিন আবদুল্লাহ, কালেরকণ্ঠ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার দেলোয়ার হোসেন , কালবেলার মফস্বল সম্পাদক নাজমুস সাকিবসহ মোট ১২ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা, অনুসন্ধানী, বস্তুনিষ্ঠতা, ডিজিটাল সাংবাদিকতার গুরুত্ব, সময়ের সাথে তালমিলিয়ে চলা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়াও ক্যাম্পাস সাংবাদিতার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও অধ্যায়নের প্রতি গুরুত্বরোপ করেন। পরে উভয়ের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পিআইবির মাস্টার্স প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, নূরে আলম, মোহাম্মদ লুকমান হোসেন, মোহাম্মদ পারভেজসহ কুবিতে কর্মরত ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সদস্যরা।

কুমিল্লা আইএইচটি এন্ড ম্যাট্স এর ১২তম ব্যাচের বিদায়ী সংবর্ধনা

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ কর্তৃক অধিভুক্ত কুমিল্লা ইন্সটিটিউট অব হেলথ্ টেকনোলজি (আইএইচটি) এন্ড মেডিকেল এসিস্টেন্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) এর ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের ১২তম ব্যাচের বিদায় উপলক্ষে দোযা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিঃ) বেলা সাড়ে ১১ টায় কুমিল্লা নগরীর রামমালা রোড ঠাকুরপাড়ায় প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, ডাঃ সৈয়দ আশরাফ হোসেন,ডাঃ সাইফুল ইসলাম,
সহকারী অধ্যাপক আলী আহসান টিটু,শিক্ষক মোঃ আবদুল আউয়াল সরকার প্রমূখ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রতিষ্ঠানের হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা মোহাইমিন রাফি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ তাজুল ইসলাম,অফিস সহকারি তপন, রাজেশ প্রমুখ।
উক্ত অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ মেহেদী হাসান।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের অতিথিবৃন্দ সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ ও নীতিবান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার পরামর্শ দেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা আরো বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাত বিশ্বব্যাপী প্রশংসনীয় সফলতা অর্জন করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম খরচে মৌলিক চিকিৎসা চাহিদা পূরণ, সংক্রামক রোগ-প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল, অসংক্রামক রোগগুলোর ব্যবস্থাপনা ও প্রতিরোধে ব্যাপক উদ্যোগ, পুষ্টি উন্নয়ন, স্বাস্থ্য সূচকগুলোর ব্যাপক অগ্রগতিতে স্বাস্থ্য অবকাঠামো খাতে অভূতপূর্ব অর্জন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়েছে বহুদূর।

চিকিৎসা বিদ্যা একটি মহান ও মহৎ পেশা। একজন রোগী সৃষ্টিকর্তার পর একজন ডাক্তার তথা চিকিৎসকে বিশ্বাস করে সবকিছু তার ওপর ছেড়ে দেন।

পেশাগত জীবনে চিকিৎসা সেবা এক মহান পেশা এবং জনসেবার এক উত্তম আদর্শ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলোয়াত করেন হাফেজ তামিম আহমেদ।

কক্সবাজারের বীচ পার্ক হোটেল চলছে নানা অফার

স্টাফ রিপোর্টার :

কক্সবাজার যাচ্ছেন, পছন্দের শীর্ষে থাকতে পারে হোটেল ‘বিচ পার্ক’। কক্সবাজারকে বলা হয় দেশের পর্যটন রাজধানী। সারি সারি ঝাউবন, বালুর নরম বিছানা, সামনে বিশাল সমুদ্র। কক্সবাজার গেলে সকাল-বিকেল সমুদ্রতীরে বেড়াতে মন চাইবে। সাগরের বিশালতার টানেই হোক কিংবা অবকাশ যাপন, জেলাটি সবসময় মুখর থাকে পর্যটকদের অভিবাদনের ব্যস্ততায়। বিপুল পর্যটকদের রাত্রিযাপন নিশ্চিত করতে সমুদ্র সৈকতের কাছে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য আবাসিক হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ।

ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকরা রুম পর্যন্ত পান না। অনেক হোটেলে আছে নানা সমস্যা-সুবিধা। এসবের ভিড়ে হোটেল ‘বিচ পার্ক’ থাকবে আপনার পছন্দের শীর্ষে।

প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ‘বিচ পার্ক’ কক্সবাজারে তিন তারকা মানের হোটেল। নিরাপত্তা, সার্ভিস সু্যােগ-সুবিধাসহ তাদের আছে নানা আয়োজন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে গড়ে তোলা হয়েছে হোটেলটি। সেখানে তাঁরা ভেলেন্টাইন ডে উপলক্ষে ১১ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারী তাঁরা দিয়েছেন বিশেষ অফার কাপল প্রতি রাত ৩৯০০ টাকায় পাবেন বুফে ব্রেকফাস্ট, সেট লাঞ্চ ও সেট ডিনার।

এছাড়া ও পুরো ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে থাকবে নানা অফার,থাকছে ৩০% ডিসকাউন্ট। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, হোটেল বিচ পার্ক কক্সবাজারের প্রাইম লোকেশনে অবস্থিত। সুগন্ধা ও কলাতলী বিচ থেকে ৫ মিনিট হাঁটার পথ। কলাতলী মেইন রোডে হওয়ার কারণে হোটেল থেকে সহজে যে কোনো গন্তব্যতে যাওয়া সহজ ও সুলভ। দুজনের জন্য কাপল রুম, চার জনের জন্য কানেক্টিভ রুম আছে। আবার কিছু রুম থেকে সমুদ্র দেখার সুযোগ তো আছেই। আছে নিজস্ব রেস্টুরেন্ট ও হলরুম সুবিধা। রুম বুকিং ও যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সবসময় ২৪ ঘণ্টা ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে। রুম ভাড়া ৩ হাজার থেকে শুরু করে মানভেদে ৭ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। রুমের সাথে রুম অ্যামিনিটিস, বুফে ব্রেকফাস্ট, ফ্রুট বাস্কেট কমপ্লিমেন্টারি থাকে।

এ ছাড়াও, কমপ্লিমেন্টারি সার্ভিসসমূহের মধ্যে রয়েছে- ওয়েলকাম ড্রিংকস, ব্রেকফাস্ট (বুফে), এসি ও গিজার ফ্যাসিলিটি, আনলিমিটেড ওয়াই-ফাই, ইন রুম মিনারেল ওয়াটার এবং অন্যান্য সুবিধা, সন্তোষজনক নিরাপত্তা ব্যবস্থা (প্রশিক্ষিত নিরাপত্তাকর্মী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত), পার্কিং সুবিধা, রেস্টুরেন্ট সার্ভিস ও রুম সার্ভিস ২৪ ঘণ্টাসহ অন্যান্য সুবিধা; যা আপনি-আপনার ভ্রমণকে করবে নিরাপদ, আনন্দদায়ক ও আরও মনোমুগ্ধকর। যোগাযোগ: ০১৩ ১৮ ২৫ ৯৭ ৬৭

 মুরাদনগরে গ্রামে গ্রামে কৃষি জমির বুকে এই ভাবেই চলছে ভেকুর কাটার তান্ডব

কুমিল্লা সংবাদদাতা:

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার তিন ফসলি জমির বুক চিরে ছুটছে ট্রাক্টরের পর ট্রাক্টর। লক্ষ্য ফসলি জমি থেকে কাটা মাটি ইট ভাটায় নিয়ে আসা। সামান্য অদূরেই চলছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমির মাঝ খান থেকে অত্যাধুনিক ভেকু মেশিন দিয়ে জমির মাটি কাটার কর্মযজ্ঞ। সে মাটি সংগ্রহে ব্যস্ত অসংখ্য ইটভাটার
শ্রমিক। যেই জমির উপরিভাগে ধান বোনা হতো সে জমিতে এখন বিশাল আকারের র্গত। এভাবেই মুরাদনগর উপজেলার বিপুল পরিমাণ ফসলি জমির মাটি যাচ্ছ ইটভাটার পেটে। এতে করে ওই জমিগুলো যেমন উর্বরতা হারাচ্ছে তেমনি ধ্বংস হচ্ছে এসব ফসলি জমি।

এদিকে উপজেলার ৫৪টি ইটভাটা জমির টপ সযয়েল কেটে নিলেও রহস্য জনক কারনে এসব দেখেও না দেখার ভান করছে স্থানীয় প্রশাসন। অভিযোগ রয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়সহ সকল সেক্টরকে ম্যানেজ করেই ইটভাটা মালিক সিন্ডিকেট মিলে উর্বর ফসলি জমির মাটি কেটে নিচ্ছে। এতে সচেতন মহলে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, এভাবে মাটি কেটে নিলে ফসলি জমির উর্বরতা শক্তি কমে গিয়ে ফসল উৎপাদনে বিপর্যয় দেখা দিবে। পতিত জমি, খাল, বিল, নদ-নদী, হাওর-বাঁওড় বা চরাঞ্চল থেকে মাটি কেটে নেওয়া যাবে না ইট তৈরীর জন্য। ইট প্রত ও ভাটা ¯’াপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩-এর ৫নম্বর ধারায় উল্লেখ থাকলে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না মুরাদনগর উপজেলায়। দিনের পর দিন স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উপজেলায় গড়ে ওঠা ৫৪টি ইটভাটায় মুরাদনগর সদর, যাত্রাপুর, বাখরাবাদ, পায়র, সুবিলারচর, রানীমুহূরী,শুশুন্ডা, দারোরা, বড় আলীরচর, সোনাপুর, চাপিতলা, কোড়াখাল, বাবুটিপাড়া, ছালিয়াকান্দি, বোরারচর, চন্দনাইল, রোয়াচালা, শ্রীকাইল বিলের কৃষিজমি, গোচারণ ভূমি, জলাশয় ও গোমতী নদের পাড়ের গুঞ্জুর, ত্রিশ, দক্ষিণ ত্রিশ ও ধামঘর
এলাকার মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে ইট ভাটায়। আইন লঙ্ঘনকারী ইটভাটার বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থানেওয়ায় বাস্তবে ফসলি জমি ধ্বংসের মহোৎসব চলছে এই উপজেলায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার প্রায় ৫৪টি ইট ভাটার মালিক ফসলি জমি থেকে অবাদে মাটি কেটে ইট তৈরির কাজে ব্যবহার করছে। এর মধ্যে নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের বখরনগর মৌজায় ১৭টি ইট ভাটা থাকায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পরছে সেই ইউনিয়নে।

কৃষি জমি থেকে মাটি খননের কারণে দিন দিন কমে যাচ্ছে কৃষি জমি। ঠিক তেমনি নষ্ট হচ্ছে জমির উর্বর শক্তি আর জীববৈচিত্র। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিবছর একেকটি ভাটায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ ইট উৎপাদন (পোড়ানো) হয়। উপজেলায় থাকা ৪৬টি ইটভাটার মাটি কাটার জন্য ফসলি জমির মাঠে কাজ করছে ২৭ টি খননযন্ত্র ও প্রায় ৩২২টি ট্রাক্টর। প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাটিভর্তি ট্রাক্টরগুলো ফসলি জমির উপর দিয়ে জোর পূর্বক রাস্তা তৈরি করে চলাচল করছে। এতে ধুলাবালুতে দুই পাশের জমির ফসল বিনষ্ট হচ্ছে।

এর বিরুদ্ধে কিছু বলতেও পারছেন না নিরীহ কৃষকেরা। আবার কেউ কেউ লিখিত অভিযোগ দিয়েও পাচ্ছে না প্রতিকার। কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ২২টি ইউনিয়নে নদী-নালা খাল-বিল বাদে প্রায় সাড়ে ২৪ হাজার ২৮ হেক্টর ফসলী জমি রয়েছে। শ্রেণী ভেদে প্রায় সকল জমিতেই সারা বছর কোনো না কোনো ধরণের ফসল চাষ করে কৃষকরা। এক শ্রেণীর কৃষকরা ভাটা মালিকদের লোভে পড়ে প্রতি গাড়ি (ট্রাক্টর) মাটি পাঁচ’শ থেকে ছয়’শ টাকায় বিক্রয় করছেন। যে কারণে ওইসব জমিতে না হচ্ছে ধান না হচ্ছে মাছের চাষ। জমি গুলো দেখে মনে হচ্ছে এ যেন উম্মুক্ত জলাশয়। নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে নির্বিচারে আবাদি কৃষি
জমি থেকে মাটি খনন করায় দিনদিন কমে যাচ্ছে ফসলী জমি। অন্য দিকে উর্বর শক্তি কমে
গিয়ে ফসল উৎপাদনে হ্রাস পাচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খাঁন পাপ্পু জানান, কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে গর্ত করার কারণে ফসলী জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়। মাটির উর্বর শক্তি কমে যাওয়ার কারণে এই
জমিতে আর তেমন ফলন হয় না। এক পর্যায়ে এই জমিগুলোতে ফসল কম হওয়ার কারণে চাষিদেরও আগ্রহ কমে যায়। এই ধরনের কর্মকান্ডে বন্ধ করতে না পারলে আগামীতে উৎপাদনে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটবে। মাটি কাটা সিন্ডিকেটের সদস্য শাকিল, আলা, আমির হোসেন বলেন, আমরা কৃষকদেরকে ন্যায্য মূল্য দিয়েই তাদের জমির মাটি ক্রয় করি। কাউকে জোর জবরদস্তি করা হয় না। তাছাড়াা সব সেক্টর ম্যানেজ করেই আমরা মাটি ক্রয় বিক্রয়ের কাজ করতে হয়।

এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ বলেন, কোন মাটি সিন্ডিকেট কিংবা ভাটা মালিকের সাথে আমার পরিচয় নেই। প্রশাসনের সঙ্গে তাদের যোগশাজসের কথাটি সঠিক নয়। মাটি কাটার বিষয়ে আমরা কোনভাবেই কোন ধরনের সম্মতি দেই না। এসব মাটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমরা প্রায়ই অভিযান পরিচালনা করছি। সামনের দিকেও তা অব্যাহত থাকবে।

ভারতকে দুটি বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিল বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট:

বন্দর ব্যবহারে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ভারতীয়দের অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল বলেছেন, এটি নতুন কোনো খবর নয়। প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছিল সাত-আট বছর আগে। তাদের (ভারতকে) বন্দর ব্যবহারের সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে আমরাও কলকাতা বন্দর ব্যবহার করছি।

বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া টুডের বরাতে ‘বাংলাদেশ বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে: ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়। পরে এ বিষয়ে সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামালের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার মুম্বাইয়ে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের (আইআইএম) শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহারের বিষয়ে কথা বলেন।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান কানেক্টিভিটির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘ভারতীয়দের প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ তার বন্দরগুলো (চট্টগ্রাম ও মোংলা) ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনীতি বদলে যাবে।

এস জয়শঙ্কর বলেন, আপনি যদি আজ বাংলাদেশে যান, তাহলে দেখবেন দুই দেশের মধ্যে ট্রেন চলছে, বাস চলছে…। প্রথমবারের মতো ভারতীয়দের বাংলাদেশের বন্দরগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ায় এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (অর্থনীতিতে) বিশাল প্রভাব ফেলবে।

জয়শঙ্কর বলেন, এটি (বাংলাদেশের অনুমতি) না হলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষকে শিলিগুড়ি দিয়ে এসে তারপর ভারতের পূর্বাঞ্চলের বন্দরগুলোতে যেতে হতো। তারা এখন চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবে।

তিনি বলেন, আগরতলা-আখাউড়া রেললাইনের ফলে বাংলাদেশ এবং ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর মধ্যে ভ্রমণের সময় ও দূরত্ব কমে যাবে। বৃহত্তর বাজারে প্রবেশাধিকার, পণ্য পরিবহন ও দুই দেশের মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়বে।  ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক সংযোগ এবং সাহিত্য, সংগীত ও শিল্পের প্রতি একই অনুরাগ ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মুম্বাইয়ে জয়শঙ্করের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, মালদ্বীপের পর বাংলাদেশেও ‘ভারত খেদাও’ আন্দোলন শুরু হয়েছে। এটা কী ভারতের পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতা?

জবাবে ব্যর্থতার অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেন, চীন একটি বড় অর্থনীতির দেশ। তারাও তাদের প্রতিবেশীদের (মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ) প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার এ যুগে আমাদের আরও ভালো করতে হবে।

সূত্র: যুগান্তর।

কনসার্ট শেষে কুবির কেন্দ্রীয় মাঠ পরিষ্কার করলো প্লাটফর্মের সদস্যরা

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) নিউ ইয়ার কনসার্ট শেষে মাঠ, শহীদ মিনার, অনুষ্ঠান স্থল নিজেরাই পরিষ্কার করেছে প্লাটফর্মের সদস্যরা।

গত বুধবার (৩১ জানুয়ারি) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে নিউ ইয়ার কনসার্টের আয়োজন করে প্ল্যাটফর্ম। কনসার্টে অনেক দর্শক অংশ নেওয়ার ফলে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সহ আশেপাশের স্থান নোংরা হয়ে যায়। পরবর্তীতে কনসার্ট শেষ হওয়ার পরপরই সংগঠনের সদস্যরা বিলম্ব না করে শুরু করে দেন শহীদ মিনার চত্বরসহ পুরো মাঠজুড়ে পরিষ্কার অভিযান। সদস্যরা মাঠ ঘুরে ঘুরে ময়লা একত্রিত করে বস্তায় ভরে ফেলে দেন নির্ধারিত স্থানে। এটি দেখে অনেকেই মন্তব্য করেছেন এমন দায়িত্বশীল ও পরিচ্ছন্নতা সম্পন্ন মানুষ হতো তাহলে কোথাও কোনো ময়লা আবর্জনা থাকতো না। এতে অংশ নেন সংগঠনের সাধারণ সদস্য সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীরা।

এবিষয়ে জিলান আল সাদ ইহসান বলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কনসার্ট শেষে মাঠের উচ্ছিষ্ট পরিষ্কার করেছে ‘প্ল্যাটফর্ম’। আমরা প্রশাসনের দিকে না থাকিয়ে আমরা নিজেরাই ক্যাম্পাস আমাদের পরিষ্কার করার দায়িত্ব।

এবিষয়ে প্লাটফর্মের সভাপতি মাসুম বলেন, ‘প্রথমত আমরাই কনসার্টটি আয়োজন করেছি। এছাড়াও সচেতন নাগরিক হিসেবেও এই কাজ করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি। প্ল্যাটফর্মের সদস্যদের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা পরিষ্কার কাজে অংশগ্রহন করেছে।

ভাবির ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে ব্ল্যাকমেইল: দেবর গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কবিরহাটে এক গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইল করে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি ও অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগে দেবরকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় ভিডিওসহ একটি মোবাইল জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার মোশারফ হোসেন টিটু (২২) কবিরহাট থানার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের লাতু সওদাগর বাড়ির মৃত মিয়াধনের ছেলে। সে পেশায় একজন মোবাইল মেকানিক।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। এর আগে, গতকাল বিকেলের দিকে জেলা শহর মাইজদী সুপার মার্কেটের ফুড ফিয়েস্তা চাইনিজ রেস্টুরেন্ট সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযোগকারীনি একজন গৃহিনী। তার স্বামী ওমান প্রবাসী। তার প্রতিবেশী মোশারফ হোসেন টিটু একজন মোবাইল মেকানিক এবং সম্পর্কে ভুক্তভোগী নারীর দেবর হয়। অনুমান দেড় বছর পূর্বে অভিযোগকারীনির মোবাইল ফোনে সমস্যা দেখা দিলে অভিযোগকারীনি তার মোবাইল ফোনটি ঠিক করে দেয়ার জন্য দিলে টিটু ফোনটি ঠিক করে দেয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অভিযোগকারীনির স্বামী প্রবাসী হওয়ায় তিনি তার স্বামীর অনুরোধে নিজে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও তৈরী করে তার স্বামীকে পাঠান এবং পরবর্তীতে ভিডিওটি ডিলিট করে দেন। কিন্তু ভিডিওটি মোবাইলের রিসাইকেল বিনে গিয়ে জমা হয়, সেটা অভিযোগকারিনীর জানা ছিল না। টিটু মোবাইল ঠিক করার সময় ভাবির মোবাইল সেটের রিসাইকেল বিন চেক করে ভিডিওটা পেয়ে তার মোবাইলে নিয়ে যায়। গত ৮ জানুয়ারি রাতে টিটু ভাবির মোবাইলে কল দিয়ে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করার ভয় দেখিয়ে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। ভুক্তভোগী এত টাকা দিতে পারবেনা বললে সে তাকে তারে সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দিন আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত যুবক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এরপর ভুক্তভোগী গৃহববধূ তার স্বামীর পরামর্শে পুলিশ সুপারের বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।