All posts by jitu

সীমান্তে বিজিবির সাথে কাজ করছে পুলিশ : আইজিপি

ডেস্ক রিপোর্ট:

মিয়ানমারে সীমান্তবর্তী এলাকায় চলমান সহিংসতায় সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশের (বিজিবি) পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

রোববার সকালে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার জুলধা ইউনিয়নের ডাঙ্গারচর এলাকায় ‘ডাঙ্গারচর নৌ তদন্ত কেন্দ্র’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপি এসব বলেন।

সীমান্তে চলমান সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, এ ব্যাপারে বিজিবি কাজ করছে। আমরা বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। আমাদের কাছে আইনানুগভাবে যে সহযোগিতা পাবে আমরা বিজিবিকে সেটা দেব।

নৌ-তদন্ত কেন্দ্র প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক বলেন, চট্টগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ নগরী, এখানে দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর রয়েছে। এ কেন্দ্র চালুর মাধ্যমে এ এলাকার পাশাপাশি নৌ-এলাকার নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে আমাদের সদস্যরা কাজ করবেন। এতে করে বন্দরের কার্যক্রমের গতিশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। পর্যায়ক্রমে কর্ণফুলীর রাঙাদিয়া, চাক্তাই ও গুপ্তখাল এলাকায় আরও তিনটি নৌ-তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। দুই লাখ সদস্যের এ বিশাল বাহিনী সরকারের বিধিবিধান মেনে আমরা শৃঙ্খলা বজায় রাখি। শৃঙ্খলার বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্সের নীতি গ্রহণ করি। আমাদের সদস্যরা যথাযতভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছে এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে আমরা ঈর্ষণীয় একটা পর্যায়ে অবস্থান করছি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা, অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) এএসএম মাহাতাব উদ্দিন, বন্দর ডিসি শাকিলা শারমিন, নৌ-পুলিশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সুপার (এসপি) আ ফ ম নিজাম উদ্দিন, কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ভারপ্রাপ্ত) ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পিযুষ কুমার চৌধুরী, এসি আরিফ হোসেন, ওসি জহির হোসেন প্রমুখ।

উল্লেখ্য চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলের নিরাপত্তা জোরদার করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ২০০২ সালের দিকে নৌ-তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানায়। পরে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে কর্ণফুলী উপজেলার ডাঙ্গারচর, রাঙাদিয়া, নগরীর চাক্তাই ও গুপ্তখাল এলাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের জায়গায় দুটি করে চারটি নৌ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়।

এখনকার সময়ে পরকীয়া বেড়ে গেছে : অপু বিশ্বাস

ডেস্ক রিপোর্ট:

বর্তমান সময়ে আমাদের সমাজে পরকীয়া বেড়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ভালোবাসা দিবসে মুক্তি পেতে যাওয়া নতুন সিনেমা ‘ট্র্যাপ’ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমনটা বলেন তিনি।

অপু বলেন, ‘এখনকার সময়ে আমাদের সমাজে পরকীয়া বেড়ে গেছে। স্বামী আছে জেনেও অনেক মেয়ে দেখবেন অন্যের স্বামীর সাথে পরকীয়ায় যুক্ত হয়। এসব ঘটনা অহরহ ঘটছে।’

পরকীয়ার পেছনে একটা বিশেষ কারণ রয়েছে উল্লেখ করে এই নায়িকা বলেন, ‘আমরা পত্রিকা, খবরে বিভিন্ন জায়গাতে দেখি নারী প্রলোভিত হয়েছে। সেটা ফেসবুকে, মেসেজে, যোগাযোগে সামাজিক মাধ্যমের বিপদজনক ব্যবহারও দেখছি।’

অপু বিশ্বাসের নতুন সিনেমা ‘ট্র্যাপ’-এ উঠে আসবে পরকীয়ারই এক গল্প। সেটা উল্লেখ করে এই তারকা বলেন, ‘একজন নারী ফাঁদে পড়লে বা পরকীয়ার মতো সম্পর্কে জড়িয়ে গেলে এর পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা এই ছবির মুখ্য বিষয়। এই সিনেমায় জয় চৌধুরী আমার সঙ্গে অভিনয় করেছেন। সহশিল্পী হিসেবে দারুণ কাজ করেছেন তিনি। ছবিতে আমাদের রসায়ন অনেকের ব্যক্তিগত জীবনেও উপকারে আসবে।’

অপু আরও বলেন, ‘যারা যুগল তাদের অবশ্যই এই সিনেমা দেখা উচিত। কেননা যুগল কিংবা প্রেমিক-প্রেমিকা নানা ধরনের ঝামেলাতেই পড়তে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের ফাঁদ রয়েছে। এই ফাঁদ সম্পর্কে সচেতন হওয়ার সুযোগ থাকবে। যারা সম্পর্কে থাকেন না, তারা কি এই সিনেমা দেখবে না এই প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, হ্যাঁ, যারা একা তাদের দ্বারা ভুল আরও বেশি হতে পারে। অবশ্যই একা যারা তাদেরও সিনেমা দেখতে হবে।

আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে মুক্তি পাচ্ছে দ্বীন ইসলাম পরিচালিত অপু বিশ্বাসের ‘ট্র্যাপ’। যেখানে এই নায়িকার সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন জয় চৌধুরী। এই সিনেমায় আরও রয়েছেন মিশা সওদাগর, আমান রেজা, তাহমিনা মৌ, এল আর খান সীমান্ত, হারুন কিসিঞ্জার, হায়দার আলী, জাদু আজাদসহ অনেকে।

নির্বাচনে গণমাধ্যমের অনেক সহযোগিতা পেয়েছি : প্রধান নির্বাচন কমিশনার

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচনে গণমাধ্যমের অনেক সহযোগিতা পেয়েছি।

রোববার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) নির্বাচন ও জাকির বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অনুষ্ঠানে সিইসি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, গণমাধ্যমের গুরুত্ব অনেক, এটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। যখন সংসদ অকার্যকর থাকে তখন গণমাধ্যম কথা বলে। নির্বাচনে গণমাধ্যমের অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। গণমাধ্যম যে স্বচ্ছতা প্রকাশ করে তা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ঝুঁকি নিতে হয় গণমাধ্যমকর্মীদের। তাদের পেশার প্রতি শ্রদ্ধা সবসময়। বিগত নির্বাচনে গণমাধ্যম ভালো ভূমিকা পালন করেছে। নানা চ্যানেল থেকে আমরা তথ্য পেয়েছি এবং সেই মোতাবেক কাজ করেছি।

ইসি মো. আনিছুর রহমান বলেন, গত নির্বাচনে নানা কারণে আমরা চাহিদা মোতাবেক কথা বলতে পারি নাই। তারপরও সাংবাদিকদের কাছ থেকে যে সহায়তা পেয়েছি তা অভূতপূর্ব। গত নির্বাচনের রিপোর্টিং ভালো হয়েছে, নেতিবাচক ছিল না বরং এনকারেজিং ছিল।

নির্বাচন ও গণতন্ত্র বিষয়ে পত্রিকা ক্যাটাগরিতে দৈনিক যুগান্তরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কাজী জেবেল এবং টেলিভিশন ক্যাটাগরিতে ডিবিসি নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার কাওসারা চৌধুরী কুমু ও বাংলানিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট ইকরাম-উদ দৌলা পুরস্কার পেয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) প্রয়াত সাংবাদিক হুসাইন জাকিরের নামে পুরস্কারটি এ বছর চালু করে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, মো. আনিছুর রহমান, ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম, জুরি বোর্ডের সদস্য সাংবাদিক শেখ নজরুল ইসলাম, আশিষ সৈকত ও মহিউদ্দিন জুয়েল, আরএফইডি’র সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মুকিমুল আহসান হিমেলসহ সংগঠনটির অন্য সদস্যরা।

বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে বিশ্বের সব দেশ আগ্রহী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি বিশ্বকে চমকে দিয়েছে এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশকে মর্যাদার আসনে আসীন করেছেন বলেই বিশ্বের সব দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

ব্রাসেলসের স্থানীয় সময় শ‌নিবার ইউরোপিয়ান ইনস্টিটিউট অব কালচার মিলনায়তনে বাংলাদেশ কমিউনিটি বেলজিয়াম এবং বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, উন্নয়নের সব সূচকে বাংলাদেশ আজ অনেক দূর এগিয়েছে এবং বিএনপি-জামায়াতের ‘পলিটিক্স অব ডিনায়াল’ এবং ‘পলিটিক্স অব কনফ্রন্টেশন’ অর্থাৎ সবকিছুতে না বলার অপসংস্কৃতি ও সাংঘর্ষিক রাজনীতি যদি না থাকতো, তাদের জ্বালাও-পোড়াও যদি না থাকতো, দেশ আরও বহুদূর এগিয়ে যেত।

রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে বড় ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রশংসা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবাসীদের সবসময় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানো অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠা‌নে ব্রাসেলসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব হাসান সালেহ ও সাবেক রাষ্ট্রদূত ইসমত জাহান সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন।

প্রবাসী বক্তারা বাংলাদেশ কমিউনিটি বেলজিয়ামের পক্ষ থেকে মন্ত্রী হাছান মাহমুদকে ফুল ও সংবর্ধনা স্মারক দিয়ে অভিষিক্ত করেন।

লিওনেল মেসিকে বেঞ্চে রেখেই অধরা জয় পেল ইন্টার মায়ামি

ডেস্ক রিপোর্ট:

লিওনেল মেসির সঙ্গে তার সাবেক বার্সা সতীর্থদের নিয়ে শক্ত এক দল গঠন করতে চেয়েছিল ইন্টার মায়ামি। ২০১৫ সালের ট্রেবলজয়ী বার্সার চার তারকার মিলনমেলা হয়ে উঠেছে আগামী মৌসুমের ইন্টার মায়ামি। কিন্তু ইন্টার মায়ামির মাঠের খেলাটা যেন এক দলে অতি সন্ন্যাসীর মতোই। প্রাক-মৌসুমে একটা ম্যাচও জেতা হয়নি দ্য হর্নেটসদের।

সৌদি আরবে গিয়ে আল-নাসরের কাছে তো ৬-০ গোলে রীতিমত বিধ্বস্ত হতে হয়েছিল তাদের। শেষ পর্যন্ত অবশ্য মেসিকে বেঞ্চে রেখেই জয়ের মুখ দেখেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটি। হংকং একাদশের বিপক্ষে ম্যাচে ৪-১ গোলের বড় জয়ই পেয়েছে তারা।

আগের ম্যাচে মেসি যখন মাঠে নেমেছেন, ততক্ষণে আল-নাসর বিধ্বস্ত করে দিয়েছিল মায়ামিকে। এই ম্যাচে মাঠেই নামেননি মেসি। তাতে অবশ্য মায়ামির বড় ব্যবধানের জয়টাও আটকেনি। ম্যাচের ৪০তম মিনিটে রবার্ট টেলরের অসাধারণ গোলে এগিয়ে যায় তারা। বক্সের ঠিক শেষপ্রান্ত থেকে তার বাঁকানো শট চলে যায় হংকং একাদশের জালে। তিন মিনিটের ভেতরই অবশ্য সেই গোল শোধ দেয় হেনরি আনিয়ের।

সমতায় থেকে বিরতিতে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে দাপট দেখায় মায়ামি। ৫০তম মিনিটে লসন সাদারল্যান্ডের গোলে এগিয়ে যায় তারা। নিজেদের দেয়া নেওয়ায় ফাঁকা পোস্টে গোল করেন তিনি। ছয় মিনিট পর ব্যবধান বাড়ান লিওনার্দো কাম্পানা। গত মৌসুমে ছন্দে থাকা এই স্ট্রাইকার এই মৌসুমে পেলেন প্রথম গোল। আর ৮৫তম মিনিটে চতুর্থ গোলটি করেন রায়ান সেইলর।

তবে এমন ম্যাচেও মেসির খেলা দেখতে না পেয়ে হতাশায় মাঠ ছাড়তে হয়েছে দর্শকদের। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেননি মেসি। তাকে নিয়ে ঝুঁকিও নেয়নি মায়ামি কর্তৃপক্ষ।

মৌসুম শুরুর আগে আর দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ বাকি আছে মেসিদের। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি তাদের প্রতিপক্ষ জাপানের ক্লাব ভিসেল কোবে। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি ঘরের মাঠে মেসির শৈশবের ক্লাব নিউওয়েল’স ওল্ড বয়েজের মুখোমুখি হবে তারা।

বইমেলায় এসেছে সরোজ মেহেদীর ‘চেনা নগরে অচিন সময়ে’

স্টাফ রিপোর্টার:

এবারের অমর একুশে বইমেলায় এসেছে সাহিত্যিক ও গবেষক সরোজ মেহেদীর লেখা বই ‘চেনা নগরে অচিন সময়ে’। কোভিড-১৯ মহামারিকালে ভারতে যাপিত জীবন এবং সেখান থেকে দেশে ফেরার পথে দেখা নানা ঘটনা ও এসবের ওপর নিজের পর্যবেক্ষণ নিয়ে বইটির পাণ্ডুলিপি সাজিয়েছেন লেখক।

মোস্তাফিজ কারিগরের নজরকাড়া প্রচ্ছদে বইটি প্রকাশ করেছে রাজধানীর শাহবাগের উৎস প্রকাশন। এটি বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৬০, ৩৬১, ৩৬২ নম্বর স্টলে মিলবে। এছাড়া শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে উৎস প্রকাশনে, রকমারিসহ অনলাইন বিপণন প্ল্যাটফর্মগুলোতেও পাওয়া যাবে বইটি।

পেশায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হলেও সরোজ মেহেদীর মন-মনন সাহিত্যেই আবিষ্ট। এ প্রসঙ্গে তার বক্তব্য, ‘আমি লিখি লেখার প্রতি টান অনুভব করি বলে। তবে নিজের লেখা নিয়ে কোনো দাবি নেই। কেউ পড়লে খুশি, না পড়লেও খুশি। খুব ভালো লেখার প্রতিভা নিয়ে জন্মেছি বলে কখনো মনে হয় না। বাংলা ভাষাটাও ঠিকঠাক জানি তা না। তবে নিজে যা বুঝি, যা অনুভব করি, যা দেখি তা নিজের মতো করে বলার জন্য হলেও লিখতে চাই-এই হলো কথা। আমার কাঁচা হাতের বাংলা তাই আর বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। ভেতর থেকে কে যেন বলে- রাখো তোমার দুর্বলতা। লেখো, লেখো। তোমার দুর্বল লেখা থেকে উপাদান নিয়েই হয়ত কেউ একজন মারাত্মক সব সবল লেখা লিখবে। সেই লেখায় তুমি ছায়া হয়ে জাজ্বল্যমান থাকবে।’

‘চেনা নগরে অচিন সময়ে’ প্রসঙ্গে সরোজ মেহেদী বলেন, “শিক্ষার টানে ২০১৯ সালে ভারতের চন্ডিগড়ে যেতে হয়েছিল। সেখানে যাপিত জীবন, এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ মহামারির হানা, ওই দুঃসময়ে দেশে ফেরার সময় নানা সুখকর-অসুখকর ঘটনার অভিজ্ঞতা লিখতে শুরু করি। সেসব ঘটনা, নিজের কিছু পর্যবেক্ষণ নিয়ে দাঁড়িয়েছে ‘চেনা নগরে অচিন সময়ে’ বইটি।”

এই সাহিত্যিক বলেন, “প্রতিটা পাতায় পাতায় যেন মাতৃত্বের মমতা জড়ানো। যে লেখে কেবল সেই বুঝে ‘লেখক জীবন’ তার ‘ব্যক্তিজীবন’র কতটা শত্রু। লেখার নেশা একজন মানুষকে নানাভাবে তার চারপাশের বিত্ত-বৈভব, বৈষয়িকতায় যোজন যোজন পিছিয়ে দেয়। তবু বেঁচে থাকলে কেবল লিখে যেতে চাই। জীবন নিয়ে এর চেয়ে বেশি আর কোনো উচ্চাশা নেই।”

সাহিত্যিক সরোজ মেহেদী বর্তমানে গ্রিন ইউনিভার্সিটির জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া কমিউনিকেশন বিভাগের শিক্ষক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর।

গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেওয়ার আগে সরোজ মেহেদী সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। শিক্ষকতার অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের তুর্কি ভাষা বিভাগে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসেও (বিউপি) খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন তিনি।

সাংবাদিকতা ছেড়ে শিক্ষকতাকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়া সরোজ মেহেদী এখনো বিভিন্ন পত্রিকায় কলাম লেখেন। দেশে-বিদেশে নানা কাজের সঙ্গেও যুক্ত তিনি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সংবাদিকতায় স্নাতক করা মেহেদী তুরস্ক সরকারের স্কলারশিপ নিয়ে ২০১৪ সালে দেশটিতে পাড়ি জমান। তিনি ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘মাস্টার্স রিসার্চ প্রোগ্রাম ইন ব্যাসিক জার্নালিজমে’ প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। ২০১৮ সালে দেশে ফিরে এসে শিক্ষকতা শুরু করেন।

এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে পেপার প্রেজেন্ট করেছেন মেহেদী। যোগ দিয়েছেন বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সামার স্কুল, ট্রেনিং প্রোগ্রাম, ইয়ুথ ক্যাম্প প্রভৃতিতে। আমন্ত্রিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, সুইজারল্যান্ডসহ ২০টিরও বেশি দেশ থেকে। জার্মানি, বেলজিয়াম, হাঙ্গেরি, ইউক্রেন, মলদোবা, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, মালয়েশিয়াসহ বেশ কিছু দেশ ভ্রমণ করেছেন এ তরুণ।

২০১৯ সালে জার্মানি থেকে তুর্কি ভাষায় সরোজ মেহেদীর গবেষণা গ্রন্থ ‘পলিটিক্যাল ইউজ অব মিডিয়া ইন সাউথ এশিয়া: বাংলাদেশ অ্যান্ড ইন্ডিয়া পারসপেকটিভ’ প্রকাশিত হয়। আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা ইনস্টিটিউটের প্রকল্পের আওতায় ‘বাংলা-ইংরেজি-তুর্কি’ ভাষায় একটি পকেট অভিধান লিখেছেন তিনি।

সীমান্ত ক্রস করে কাউকে আসতে দেব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মিয়ানমারে যে যুদ্ধ চলছে তা কতদিন চলবে আমরা জানি না। আমাদের সীমান্ত ক্রস করে কাউকে আসতে দেব না। আমাদের বিজিবিকে আমরা সেই নির্দেশনা দিয়েছি।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে মিয়ানমার ইস্যুতে বিজিবি মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সীমান্তে শক্তি বৃদ্ধি করেছি উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে বলে দিয়েছি এবং কোস্ট গার্ডকেও নির্দেশনা দিয়েছি যাতে কোনোভাবেই আমাদের সীমানায় কেউ অনুপ্রবেশ করতে না পারে। সে ব্যাপারে আমরা খুব সতর্ক রয়েছি।

তিনি বলেন, আমরা কোনো যুদ্ধে জড়াতে চাই না, যুদ্ধ চাইও না। এটা প্রধানমন্ত্রী সবসময় আমাদের নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন। তার মানে এই নয় যে আমাদের গায়ে এসে পড়বে আর আমরা ছেড়ে দেব। সেটার জন্য আমরা সবসময় তৈরি আছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমার বর্ডার পুলিশের ১৪জন আত্মরক্ষার্থে বাংলাদেশে ঢুকেছে। তাদের আটক রেখেছি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে। শিগগিরই ফেরত যাবে।

রোহিঙ্গাদের আর প্রবেশ করতে দেওয়া হবে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত একটিই, সীমান্তে এখন যুদ্ধ চলছে, এখানে এখন কারো আসা উচিত হবে না। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যদি মনে করে, তাদের ওখানে যুদ্ধ হচ্ছে, তারা অন্য কোথাও যাবে। এই মুহূর্তে আর কাউকে আমরা ঢুকতে দেব না।

কুমিল্লায় ট্রান্সফরমার চোরাই মালামাল সহ গ্রেফতার ৫

শাহ ইমরান:

গত জানুয়ারি মাসের ২৪ তারিখ বুড়িচং থানাধীন কালাকচুয়া হাইওয়ে পুলিশ সুপার সিসি ক্যামেরার মিটারের জন্য স্থাপিত পোল হতে একটি ১০ কেভি ট্রান্সফরমার চুরির মামলা রুজু করা হয়।

উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলার কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্স এর সহায়তায় আন্তঃজেলা ট্রান্সফরমার চোর চক্রকে সনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়।

রোববার ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুল মান্নান।

কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুল মান্নান বলেন, কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এই ঘটনায় জড়িত আসামী মোঃ মনির হোসেন(৩২) কে তার বাড়ি চান্দিনা হতে গ্রেফতার করা হয়। মোঃ মনির হোসেনের দেওয়া তথ্য মতে কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা থেকে সক্রিয় চোর চক্রের সদস্য মোঃ সোহেল (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়।

 

পুলিশ সুপার মো. আব্দুল মান্নান আরো বলেন, আসামীদের দেওয়া তথ্য মতে উক্ত চুরির জড়িত আসামী কামরুল হাসান (৩২), মাঈন উদ্দিন (২৮) ও রুবেল আহমেদ মিন্টু (২৯), মাঈন উদ্দিন (২৮) এর মা-বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজ নামক দোকান হতে পূর্বে চুরিকৃত মালামাল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানায়, তাঁরা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় ট্রান্সফরমারের তামার তার চুরি করে শাকতলার রুবেলের মাধ্যমে নোয়াগাঁও চৌমোহনী এলাকায় মা-বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজ নামক ভাঙ্গারীর দোকানের ম্যানেজার মাঈন উদ্দিন ও তাঁর দোকানের মালিক আক্তারের কাছে বিক্রি
করে।

উল্লেখ্য, আসামী রুবেল ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ রেখে চোরাই মাল বিক্রিতে মূল ভূমিকা রাখে।
আসামী মাঈন উদ্দিন ও পলাতক আসামী আক্তার চোরাইমাল ক্রয় ও ঢাকায় বিক্রির মূল হোতা।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানায় যে, তাঁরা ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাঁরা ৩/৪ বছর যাবৎ কুমিল্লা জেলার বুড়িচং, চান্দিনা, দাউদকান্দি, দেবিদ্বার, সদর দক্ষিণ ও বিভিন্ন থানা এলাকায় এবং পার্শ্ববর্তী জেলা চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী ও ফেনী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় ট্রান্সফরমারের তামার তার চুরি করে আসছে।

তাঁরা দিনের বেলায় টার্গেট ট্রান্সফরমারের স্থানে রেকি করে এবং রাতের বেলা গিয়ে ট্রান্সফরমারের ঢাকনা খুলে তামার তার নিয়ে চলে আসে। ট্রান্সফরমার থেকে তামার তার চুরি করতে তাদের মাত্র ২০ থেতে ২৫ মিনিট সময় লাগে। চুরি করার পরে ট্রান্সফরমারের খালি খোলস (বক্স) সাধারণত ঘটনাস্থলেই ফেলে দেয়। অত্র মামলার তদন্ত ও অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানের জন্য বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, আসামী মোঃ মনির হোসেন এর বিরুদ্ধে পূর্বে ০১ টি চুরি মামলা ও ০১টি ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা রয়েছে। আসামী মোঃসোহেল (৩০) এর বিরুদ্ধে পূর্বে ০১ টি চুরি মামলা, ০১টি মাদক মামলা, ০১টি ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা ও ০১টি মারামারির মামলা রয়েছে।

আসামী রুবেল আহমেদ মিন্টু (২৯) এর বিরুদ্ধে পূর্বে ০৬টি মাদক মামলা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশফাকুজ্জামান, নাজমুল হাসান রাফি, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাজেশ বড়ুয়া ও জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।