All posts by jitu

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের যৌক্তিক কারণ দেখছি না : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, আমাদের নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। সুতরাং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের যৌক্তিক কারণ দেখছি না। যারা নির্বাচনের বিরুদ্ধে নাশকতা করছে, তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন আইন করেছেন। বর্তমানে দেশে মানবাধিকার কমিশন স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারছে। জন্ম থেকে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধানমন্ত্রী সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি মানবাধিকার নিয়ে কথা বলে, জেলের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সারির চারজন সংগঠককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। মানবাধিকার নিয়ে কথা বলেন অনেকেই কিন্তু ২১ আগস্টের সমাবেশে শেখ হাসিনাকে প্রাইম টার্গেট করে যে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে। আইভি রহমানসহ ২৩ জনকে হত্যা করা হয়েছে। মানবাধিকার নিয়ে যারা কথা বলেন, তারা এ নিয়ে কথা বলেন না।

নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন— বিভিন্ন রকম চাপ আসতে পারে, বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব মোকাবিলা করার জন্য রাজনৈতিক ও মানসিক শক্তি আমাদের আছে। আওয়ামী লীগ বারবার ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই আজকের এই অবস্থানে রয়েছে। ষড়যন্ত্র মোকবিলা করেই আমরা গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিয়ে এসেছি। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ায় যত বাধায় আসুক আমরা এই লড়াইয়ে অবিচল।

এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, আনোয়ার হোসেন, মেরিনা জাহান কবিতা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুই বছর এক চোখে খেলেছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স

ডেস্ক রিপোর্ট:

বছরপাঁচেক আগে তিনি যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন, তখন অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। কেন ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স? দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি সাবেক ব্যাটসম্যান এতদিন পর জানিয়েছেন তার সরে দাঁড়ানোর কারণ। যা রীতিমতো চমকে ওঠার মতো।

ডি ভিলিয়ার্স জানিয়েছেন, তার ডান চোখের রেটিনা সরে গিয়েছিল। যে কারণে তার দৃষ্টিশক্তিও কমে গিয়েছিল।

একটি পত্রিকায় ডি ভিলিয়ার্স বলেছেন, আমার বাচ্চা হঠাৎ আমার ডান চোখে লাথি মেরে বসেছিল। এরপরই দৃষ্টিশক্তি কমতে থাকে। আমার চোখের অস্ত্রোপচার হওয়ার পর ডাক্তার জানতে চান, কীভাবে ওই অবস্থায় আমি ক্রিকেট খেলা চালিয়ে গিয়েছিলাম? আমার ভাগ্য ভালো, শেষ দুবছর আমার বাঁ চোখটা কাজ চালিয়ে দিয়েছিল।

২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে গিয়েছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। তবে আইপিএল খেলছিলেন তিনি। ২০২১ সালে সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানান।

দাউদকান্দিতে যাত্রীবাহী বাস খাদে; আহত ৩০

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দিতে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেছে। শুক্রবার(৮ডিসেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭ টায় মহাসড়কের রায়পুর দিঘির পাড়ে এ দূর্ঘটনায় ওই বাসের অন্তত ৩০ যাত্রী আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাযায়, ঢাকা থেকে কুমিল্লাগামী মিয়ামী পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব- ১১-৮৮২৬) একটি যাত্রীবাহী বাস মহাসড়কের রায়পুর বাসস্ট্যান্ডের পূর্বপাশে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে খাদে পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক
ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুই জনকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিনুর ইসলাম জানান, বাস দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক দূর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ২৪ জন আহত যাত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গৌরীপুরে পাঠানো হয় । তবে কেউ মারা গেছে কিনা এখনো জানিনা। বাসটি উদ্ধার তৎপরতা চলছে।

এদিকে বাস উদ্ধার তৎপরতা চালাতে গিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২ ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

চাঁদপুর মুক্ত দিবসে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেদওয়ান খান বোরহানের উদ্যোগে দোয়া

চাঁদপুর প্রতিনিধি:

১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় চাঁদপুর। দিবসটি উপলক্ষে চাঁদপুরে বিশেষ মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎসজীবি লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ রেদওয়ান খান বোরহান।

জানা যায়, তৎকালীন চাঁদপুর মহকুমা জেলায় সর্বশেষ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ৭ ডিসেম্বর লাকসাম ও মুদাফ্ফরগঞ্জ মুক্ত হওয়ার পর। যৌথ বাহিনী হাজীগঞ্জ দিয়ে ৬ ডিসেম্বর চাঁদপুর আসতে থাকলে মুক্তিসেনারা হানাদার বাহিনীর প্রতিরোধের মুখে পড়েন। এ সময় ভারতের মাউন্ট্নে ব্রিগেড ও ইস্টার্ন সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধারা যৌথ আক্রমণ চালায়। দিশা না পেয়ে পাকিস্তান ৩৯ অস্থায়ী ডিভিশনের কমান্ডিং অফিসার মেজর জেনারেল রহিম খান চাঁদপুর থেকে পলায়ন করেন। প্রায় ৩৬ ঘণ্টা তীব্র লড়াইয়ের পর ৮ ডিসেম্বর জেলার হাজীগঞ্জ এবং বিনা প্রতিরোধেই চাঁদপুর হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের সেই মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরণে চাঁদপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) চাঁদপুর পৌরসভার ১৩নং ওয়ার্ডের খালিশাডুলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বাদ জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করেন আলহাজ্ব রেদওয়ান খান বোরহান। এসময় তিনি উপস্থিত মুসল্লীদের কাছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্যেও দোয়া কামনা করেন।

কুমিল্লা সেনানিবাসে ২য় এসকিউ গ্রুপ বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট সম্পন্ন

 

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থিত ময়নামতি গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবে “২য় এসকিউ গ্রুপ বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট – ২০২৩” অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত এ টুর্ণামেন্টে সর্বমোট শতাধিক গলফার অংশগ্রহণ করেন ।

উদ্বোধন এবং টুর্ণামেন্ট শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন ময়নামতি গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট এবং জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন মেজর জেনারেল মোঃ মাইনুর রহমান, এসইউপি, এডব্লিউসি, পিএসসি । পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের সাথে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস কিউ গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর মোহাম্মদ শফি উদ্দিন।

ক্লিনিকের বিল দিতে না পেরে সন্তানকে বিক্রি করলেন মা

ডেস্ক রিপোর্ট:

গর্ভবতী থাকা অবস্থায় স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্য হয় কোকিলা খাতুনের। এরপর চলে যান মায়ের বাড়িতে। কোকিলা খাতুনের মা ঝিনাইদহ শহরে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এরমধ্যে কোকিলা খাতুনের প্রসব বেদনা উঠলে কালীগঞ্জ শহরের ডক্টরস ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করেন আনোয়ারা খাতুন। গত ২৮ নভেম্বর একটি ছেলে শিশু সন্তানের জন্ম দেন কোকিলা।

পরে সেই ক্লিনিকের বিল পরিশোধ করতে না পেরে ক্লিনিকের বিল পরিশোধ ও নগদ ৩০ হাজার টাকায় সন্তানকে বিক্রি করে দেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের হেলাই গ্রামের সোহাগ হোসেনের কাছে।

এ ঘটনা জানতে পেরে সন্তানকে ফেরত পেতে বৃহস্পতিবার সকালে থানায় এসে অভিযোগ করেন কোকিলা খাতুনের স্বামী আকাশ হোসেন। এরপর পুলিশ গিয়ে কালীগঞ্জ উপজেলার হেলাই গ্রাম থেকে নবজাতককে উদ্ধার করেন। বিকেলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কালীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু আজিফ।

উদ্ধার হওয়া নবজাতকের মা কোকিলা খাতুন বলেন, অভাবের তাড়নায় ও খোঁজখবর না নেওয়ায় স্বামীর ওপর অভিমান করে ৭ দিন বয়সী শিশু ছেলেকে বিক্রি করে দেই। স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করার কারণে সে আমার কোনো খোঁজ খবর নেয় না। ক্লিনিকের সব খরচ মেটাতে এ ছাড়া আমার আর কিছুই করার ছিল না।

শিশুটিকে দত্তক নেওয়া সোহাগ আলী বলেন, আমি নিঃসন্তান। শিশুটিকে লালন-পালনের জন্য তার মায়ের কাছ থেকে কিনে নেই। শিশুর মা ও নানি আনোয়ারা খাতুনসহ এলাকার স্থানীয় কয়েকজনের উপস্থিতিতে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে শিশুটির ক্লিনিকের খরচ ও তার মাকে নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৫৫ হাজার টাকায় কিনে নেই। পরে পুলিশের নির্দেশেই শিশুটিকে তার মাসহ পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছি।

ওসি আবু আজিফ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি অভিযোগ করেন আকাশ হোসেন। গত ২৮ নভেম্বর তার স্ত্রী সিজারের মাধ্যমে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। আকাশ হোসেনকে না জানিয়ে তার স্ত্রী ও শাশুড়ি সন্তানকে দত্তক দেয়। পরে তার স্ত্রী কোকিলা খাতুন ভুল বুঝতে পারে এবং স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সন্তানকে উদ্ধার করে আনতে বলে।

যেকোনো উন্নত দেশের তুলনায় আমরা অনেক স্বস্তিতে রয়েছি : শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক যে চাপ যাচ্ছে, তার ধাক্কা সব দেশেই পড়েছে। তারপরও পৃথিবীর যেকোনো উন্নত দেশের তুলনায় আমরা অনেক স্বস্তিতে আছি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা সঠিক নেতৃত্ব পেয়েছি বলেই আমরা এখনো ভালো আছি। আর স্বস্তিতে আছি বলেই আবারও জনগণ শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দিবে।

দীপু মনি বলেন, ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য তরুণদের উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। এখন তিনি ঘোষণা দিয়েছেন ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ। আর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কারিগর আজকের তরুণ প্রজন্ম। আজকে যারা প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে পড়াশোনা করছে সেই শিক্ষার্থীদের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হিসাবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ওসমান গনি পাটওয়ারী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আবুল খায়ের পাটওয়ারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এএইচএম আহসান উল্লাহসহ চাঁদপুরের মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

হামাসের হামলায় ইসরায়েলি সেনা হতাহত

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরই বলছে, প্রতিদিন হামাসের হামলায় গাজা উপত্যকায় কয়েক জন ইসরাইলি সেনা প্রাণ হারাচ্ছে। ইসরায়েলি সরকারি হিসেব মতেই হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চারশ’ ইসরায়েলি সেনা প্রাণ হারিয়েছে। হামাসের দাবি অনুযায়ী, এই সংখ্যা আরো অনেক বেশি।

এবার ইসরাইলের শীর্ষ দুই সেনা কর্মকর্তা গাজায় হামাসের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন। ফার্স্ট সার্জেন্ট কোবি ডাভিশ ও একই পদের ইয়াল বেরকোভিচ নামের দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তাকে ঘায়েল করেছে হামাস।

হামাসের আল কাসাম ব্রিগেড জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলি সেনাদের জিম্মি মুক্তির চেষ্টাকেও রুখে দিয়েছে। ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর অভিযান আটকে দেওয়া হামাসের দাবি, এসময় বেশ কয়েকজন ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছে। সেই সাথে তাদের হাতে জিম্মি থাকা এক ইসরাইলি জিম্মিও নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজায় হামাসের হাতে জিম্মি থাকা সেনাদের মুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। হিসাব মতে, এখনো হামাসের হাতে ১৩৮ ইসরায়েলি নাগরকি জিম্মি রয়েছে। হামাসের দাবি, এরা সবাই বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য। যুদ্ধবিরতির সময় হামাস ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের মুক্তি দিলেও কোনো সেনা সদস্যকে মুক্তি দেয়নি। হামাসের এই হামলায় নাস্তানাবুদ হওয়ার বিষয়ে ইসরায়েলি সেনারা কোনো বিবৃতি দেয়নি।
এক বিবৃতিতে টেলিগ্রামে হামাসের কাসাম ব্রিগেড জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা দেখতে পায় চোরা পথে ইসরায়েলি সেনারা জিম্মিদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছে। আর সেসময় ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলে পড়ে হামাস যোদ্ধারা। হামাসের হামলায় বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়। আহত হয়েছে আরো অনেকে। তবে কোথায় কোন সময় এই হামলা চালানো হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি হামাস। কাসাম ব্রিগেড আরো জানিয়েছে, এসময় সা’র বারুচ নামে জিম্মি দশায় থাকা এক ২৫ বছর বয়সী ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে। ৭ অক্টোবর হামলার সময় বারুচকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে এসেছিল হামাস যোদ্ধারা।

এবার বাইডেনের ছেলের বিরুদ্ধে করফাঁকির মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের নামে আরও একটি মামলা করেছেন কেন্দ্রীয় প্রসিকিউটররা। তার বিরুদ্ধে এবার করফাঁকির অভিযোগ আনা হয়েছে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার মামলার মুখে পড়লেন প্রেসিডেন্টপুত্র।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে অন্তত ১৪ লাখ মার্কিন ডলার কর ফাঁকি দিয়েছেন হান্টার বাইডেন। অভিযোগপত্রে তিনটি অপরাধ এবং ছয়টি অপকর্মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কর দাখিল ও পরিশোধে ব্যর্থতা, ভুয়া ট্যাক্স রিটার্ন এবং মূল্যায়ন ফাঁকি।

এর আগে, গত সেপ্টেম্বরে আগ্নেয়াস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন ৫৩ বছর বয়সী হান্টার বাইডেন।

নতুন অভিযোগপত্রে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নাম উল্লেখ নেই এবং হোয়াইট হাউজ এখনো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে হান্টারের আইনজীবী দাবি করেছেন, তার মক্কেলের বিরুদ্ধে তোলা নতুন অভিযোগগুলো ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।

ক্যালিফোর্নিয়ায় ৫৬ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে প্রসিকিউটররা দাবি করেছেন, হান্টার বাইডেন মাদক, সঙ্গী, প্রেমিকা, বিলাসবহুল হোটেল, ভাড়ার সম্পত্তি, ব্যয়বহুল গাড়ি, পোশাকসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত অনুষঙ্গের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছেন। কিন্তু কর দেননি।

প্রসিকিউটরা বলেছেন, হান্টার বাইডেন ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ৭০ লাখ ডলারের বেশি আয় করেছিলেন। কিন্তু ‘ইচ্ছাকৃতভাবে’ ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালের কর সময়মতো পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

যুক্তরাষ্ট্রে আইন অনুসারে, করফাঁকির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে ১৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বাইডেনের ছেলের।

দেশে দুর্ভিক্ষ ঘটানো বিএনপির পরবর্তী পরিকল্পনা : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি কীভাবে নির্বাচন করবে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির নেতা কে? তাদের কোনো নেতা নেই। সামনে নির্বাচন। বিএনপি চিন্তা করেছিল নির্বাচন হবে না। এখন নির্বাচন হয়ে যাচ্ছে। এক সময় বলেছিল নির্বাচন হতে দেবে না। উসকানি আছে যে নির্বাচন ঠেকাও। নির্বাচনের সিডিউল হয়ে গেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এখন তারা মনে করছে নির্বাচন হয়েই যাবে। তাই তারা মার্চ মাসের দিকে দেশের এমন অবস্থা করবে, দুর্ভিক্ষ ঘটাবে। এটা হচ্ছে তাদের পরবর্তী পরিকল্পনা। এটা শুধু দেশের নয়, বাইরের দেশেরও পরিকল্পনা আছে। যেভাবেই হোক দুর্ভিক্ষ ঘটাতে হবে।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) দুই দিনের গোপালগঞ্জ সফরের দ্বিতীয় দিনে নিজ নির্বাচনী এলাকা কোটালীপাড়ায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তারা কে? যে ভোটারদের অধিকার কাড়বে, ভোটারদের অধিকার কাড়ার ক্ষমতা তাদের নেই। নির্বাচনে যাতে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। যারা আগুন দিতে যাবে, তাদেরকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করতে হবে। প্রত্যন্ত এলাকায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। যদি আগুন সন্ত্রাসী বেশি হয়, তাহলে তাদের আগুনেই ফেলে দিতে হবে।

কোটালীপাড়াবাসীর উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, আমি মা, বাবা, ভাই-বোন সবাইকে হারিয়েছি। আপনাদের ভালোবাসা, আপনাদের আস্থা, বিশ্বাস সবচেয়ে বড় পাওয়া। যাদের নমিনেশন দিয়েছি তারা আসন পায় একটি। আমার হলো ৩০০ আসনের দায়িত্ব। তাই আমি বলতে পারি আমার মতো সৌভাগ্য কারো নেই যে আমার মতো এলাকা নিয়ে ভাবতে হয় না, চিন্তাও করতে হয় না, যেটা আপনারা করেন। আমি জানি না আর কোনো প্রার্থী সৌভাগ্যবান কিনা, যতটা আমি। একটা দায়মুক্ত করে রেখেছেন। আমি স্বাধীনভাবে সারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য চিন্তা করতে পারি, কাজ করতে পারি। যার সুফলটা সবাই পায়।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখনো তারা জ্বালাও পোড়াও করছে। এদের শিক্ষাটা বোধ হয় ইজরাইলের কাছ থেকে, যারা প্যালেস্টাইনের ওপর আক্রমণ করছে। নিজেরা ক্ষমতায় থেকে সমানে অর্থ কামিয়েছে। অর্থ সম্পদের পাহাড় গড়েছে। কিন্তু এরা মানুষকে কোনো দিন শান্তিতে থাকতে দেবে না, এটাই তাদের চরিত্র। এখন তারা নির্বাচন করবে না। ২০১৪ সালে একই কথা বলেছিল। আসলে তারা নির্বাচন করবে কীভাবে? বাস্তব কথাটা কি? বাস্তব হলো ২০০৮ সালের নির্বাচন। এ নির্বাচন নিয়ে তো কেউ কোনো প্রশ্ন তোলে না। কারণ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়েছিল।

শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে কোটালীপাড়া পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রায় দুই ঘন্টা ধরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে সেখানে থেকে ফিরে যান টুঙ্গিপাড়ায়।

সভায় আগামী নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের দিক-নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন প্রতিনিধি শহীদ উল্লা খোন্দকার, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এমপি, শেখ সারহান নাসেন তন্ময় এমপিসহ কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে দোয়া ও মোনাজাত করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি নিজ বাসভবনে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।