All posts by jitu

প্রথম ফুটবলার হিসেবে যে নজির গড়লেন লিওনেল মেসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

পিএসজি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়ে অবিশ্বাস্য প্রভাব ফেলেন লিওনেল মেসি। আমেরিকার ক্লাবটিতে যোগ দেওয়ার পর মেসি ১৪ ম্যাচ খেলে ১১টি গোল করেন।

আর্জেন্টিনার এই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের নৈপুণ্যে লীগস কাপ শিরোপা জেতে মায়ামি। ইউএস ওপেন কাপে হয় রানার্সআপ। মেসির কারণে মায়ামির দর্শকও বেড়ে যায়। এসব কারণে ২০২৩ সালের সেরা অ্যাথলেট হিসেবে মেসিকে বেছে নিয়েছে দেশটির বিখ্যাত সাময়িকী টাইম।

২০১৯ সাল থেকে ‘অ্যাথলেট অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার দিয়ে আসছে টাইম। সে বছর সম্মানসূচক এই পুরস্কার পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের নারী ফুটবল দল।

পরের বছর খেতাবটি পান বাস্কেটবল তারকা লেব্রন জেমস। ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জিমন্যাস্ট সিমোন বাইলস জেতেন অ্যাথলেট অব দ্য ইয়ারের পুরস্কার।

সবশেষ ২০২২ সালে নিউইয়র্ক ইয়াঙ্কির বেসবল তারকা অ্যারন জাজ জেতেন টাইমের বর্ষসেরার পুরস্কার। আর এবার প্রথম ফুটবলার হিসেবে সম্মানটি অর্জন করলেন মেসি।

নির্বাচনের পর শ্রম আইনের ত্রুটি সংশোধন করা হবে

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্বাচনের পর যখন নতুন সংসদ বসবে, তখন শ্রম আইনের ত্রুটি সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, শ্রম আইন সংশোধনী টাইপিংয়ে এমন ত্রুটি ছিল যে, এতে শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে।

এতে রাষ্ট্রপতি আইনটিতে সই না করে ফেরত পাঠিয়েছেন। শ্রমিকদের অধিকারের প্রতি সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন হিসেবেই এমনটি হয়েছে।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, কথা হচ্ছে, শ্রম আইনটা যখন সংসদে পাস হয়, পাস করার আগে এটি যখন সংসদে যায়, তখন একটা ত্রুটি ছিল। দেখা গেছে, এটা অন্য কোনো ত্রুটি না, এটা টাইপিংয়ের ত্রুটি। সেটা হচ্ছে, একজায়গায় শ্রমিকদের সাথে যদি মালিকরা বেআইনি আচরণ করেন, তাহলে তাদের জন্য একটি সাজার কথা আইনের মধ্যে আছে। সেটা একটু মিসপ্লেস হয়ে গিয়েছিল। যেটা ২৯৪-এর এক হওয়ার কথা ছিল, সেটা সেরকম না হয়ে অন্যরকম হয়েছে।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন, অনেকগুলো বিল খুব তাড়াতাড়ি পাস হয়েছিল গত সংসদে। সে কারণে এ ভুলটা পরে ধরা পড়েছে। যে কারণে শ্রম মন্ত্রণালয় জিনিসটা রাষ্ট্রপতির কাছে সইয়ের জন্য গেছে, তখন এটা যেহেতু পরিলক্ষিত হয়েছে যে, শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়ে যেতে পারে, সে জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে ভুলের বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে। তখন আইন অনুসারে বিলটিতে সই না করে আবার জাতীয় সংসদে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

আনিসুল হক বলেন, যেহেতু এটি সংসদে পাস হয়ে গেছে এবং এই জায়গাটুকু সংশোধন করতে হবে। এই সংশোধনের জন্য আইনটি আবার সংসদে যেতে হবে। তার মানে হচ্ছে, যেহেতু এখন তফসিল ঘোষণা হয়ে গেছে এবং বর্তমান সংসদে আর অধিবেশন হবে না, সেহেতু নির্বাচনের পর যে নতুন সংসদ বসবে, সেখানে এটা উপস্থাপন করা হবে এবং ভুল সংশোধন করে শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা করা হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার যখন দেখতে পেল যে, শ্রমিকদের যে অধিকার দেওয়া হয়েছিল, তাতে কিছু ত্রুটি হয়ে গেছে এবং সেটা শ্রমিকদের অধিকার খর্ব করবে, এ জন্য সরকার এটা রাষ্ট্রপতির কার্যালয়কে জানিয়েছে। রাষ্ট্রপতি তার আইনি বিচারে সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন এটা জাতীয় সংসদে পাঠানোর জন্য যেটা করা হবে, সেটা হচ্ছে আবার সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

আইনটি কী দ্বাদশ সংসদে আবার উঠবে, নাকি মন্ত্রিসভায় পুনর্বিবেচনা করা হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইনটি এখন সংসদে আছে। যে ত্রুটিটা হয়েছে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের সময় ত্রুটিটি সঠিক ছিল, ভুলটা পরে হয়েছে। যে কারণে এটি মন্ত্রিসভায় যাওয়ার দরকার পড়বে না। যে কারণে নতুন সংসদে সংশোধনী হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, আইনটিতে মালিকদের কিছু আচরণের ব্যাখ্যা করে দেওয়া আছে। বলা আছে, কোনো মালিক কোনো বেআইনি লকআউট শুরু করলে কিংবা চালিয়ে গেলে অথবা তা এগিয়ে নেওয়ার জন্য কোনো কাজ করলে তিনি ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এই সাজাটা ছিল পাঁচ হাজার টাকা, কিন্তু এটা ২০ হাজার টাকা করেছি। এখানেই ত্রুটিটা হয়ে গেছে। এই ত্রুটি যখন শ্রম মন্ত্রণালয় ধরতে পেরেছে, তখন এটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখন রাষ্ট্রপতি এটিকে ফেরত দিয়েছেন।

 কবিতা: বালুতে তার পায়ের ছাপ

রাহুল রাজ:

নীল নীলিমার ছায়
জলের নূপুর তার পায়।

দূরন্ত বাতাসে উড়ন্ত চুল।
পড়ন্ত বিকেলে দিগন্ত পরে
ফুটন্ত এক জলপরি।

নীল জলের কোল ধরে
বালুতে তার পায়ের ছাপ।
নিঃস্ব পাপমুখে
অভিমানের অনুতাপ।

চোখে ভেসে শোকে ভরা
না বলা সব কথা
শূন্যতায় পূণ্যতা পায়
মনের ভিতর নীরবতা।

অবুঝ ঠোঁট অকপটে
বলতে চায় বারেবারে-
মনের মানুষ আনমনে
কাছে আসুক-
ভালোবাসুক-
খুব যতনে-খুব গোপনে।

চৌদ্দগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল

ফখরুদ্দীন ইমন:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রকাশ্যে এক যুবকের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই যুবকের নাম মো: পিন্টু (৩০)। সে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের জামপুর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মৃত আবদুল মজিদের ছেলে। তাকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিকাপুর ইউনিয়নের জামপুর পূর্বপাড়ার মোস্তফা মিয়ার মুদি দোকানের সামনে গত সোমবার দুপুরে পিন্টু নামের এক যুবক প্রকাশ্যে মাদক (ভারতীয় ফেনসিডিল) সেবন করে। এ সময় অজ্ঞাতনামা অপর এক ব্যক্তি মোবাইলে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের দৃশ্যটি ভিডিও আকারে ধারণ করে। পরে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়া হলে মুহুর্তের মধ্যেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘পৃথিবী তোমার আমার’ নামক একটি আইডি থেকে এ ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে।

কালিকাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জামাল আহমেদ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমিও মাদক সেবনের ভিডিওটি দেখতে পেয়েছি। প্রকাশ্যে মাদক সেবনের কারণে যুব সমাজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। আমি এর প্রতিকারে প্রশাসনের নিকট জোরদাবি জানাচ্ছি’।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি মাত্রই জেনেছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভিডিওটি দেখে প্রকাশ্যে মাদকসেবনকৃত যুবককে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতারের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’।

নির্বাচনকে অস্থিতিশীল করার জন্য একটি পক্ষ সচেষ্ট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্বাচনকে অস্থিতিশীল করার জন্য সব সময়ই একটি পক্ষ সচেষ্ট থাকে। সেসব যেন না হয়, এরজন্যই নির্বাচন কমিশন থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশকে ভারতের স্বীকৃতির ৫২ বছর পূর্তি’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, প্রতিনিয়তই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নিরাপত্তা বাহিনী দ্বারা আটক করা হচ্ছে। আমরা সব সময়ই তাদের চিহ্নিত করে আসছি, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এদের বেশির ভাগই এখন জেলখানায়, না হয় দেশত্যাগ করেছে। বিদেশে যারা আত্মগোপন করেছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করছি। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে আনাও হয়েছে।

সীমান্তে অস্থিরতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে হত্যার সংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। এ নিয়ে মন্ত্রী পর্যায়েও মিটিং হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি, সীমান্তে নন লিথ্যাল অস্ত্র ব্যবহার করার।

নির্বাচন উপলক্ষে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তারা প্রশাসনিক পর্যায়ে কিছু পরিবর্তনের কথা বলেছেন। নিরাপত্তা বাহিনী সব সময়ই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের কাজে রয়েছে। যাদের কাছে অস্ত্র রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।

প্রার্থিতা ফেরত পেতে প্রয়োজনে হাইকোর্টে যাব: হিরো আলম

ডেস্ক রিপোর্ট:

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যাওয়া আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম বলেছেন, প্রার্থিতা ফেরত পেতে প্রয়োজনে হাইকোর্টে যাব।

বুধবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তিনি রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এসব কথা বলেন।

মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফিরে পেতে আপিল করেছেন হিরো আলম।

সেখানে তিনি বলেন, আপিলে মনোনয়ন ফেরত না পেলে হাইকোর্টে যাব।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন হিরো আলম। ফরম যথাযথভাবে পূরণ না করার কারণে কমিশন তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করে।

গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে হিরো আলম বলেন, ‘এখানে প্রার্থিতা যদি ফিরে না পাই, আপনারা সবাই জানেন, সর্বোচ্চ দৌড় হাইকোর্ট পর্যন্ত থাকে—আমরা হাইকোর্টে যাব। আমি জানি এখান থেকে পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ আমার যে ভুলটা, ছোটখাটো ভুল। এটা ইচ্ছা করলে তারা এখান থেকে দিতে পারে।’

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত ভালো। নির্বাচন এবার সুষ্ঠু হবে কিনা তা জানি না। কারণ আমি যেখানে নির্বাচন করছি সেখানে সবগুলো দলই আছে এবার; আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, আরও যেসব দল—সবগুলো দলই অংশ নিচ্ছে।

হিরো আলম মনে করেন এবার সংঘাত হবে আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগে। ‘আপনারা জানেন, আমার তো প্রতিবারই আওয়ামী লীগের লোকের সঙ্গে মারামারি হয়। এবারও আওয়ামী লীগ ওখানে আছে। এবারও মারামারি হবে না কি আমি জানি না সঠিক। প্রতিবারই তারা আমার এজেন্টদের বের করে দেয়। ভোট সুষ্ঠু হলেও তারা ফলাফল সুষ্ঠু ঘোষণা করে না।’

হিরো আলম আরও বলেন, ‘আমি বলেছিলাম নির্বাচন আর করব না। এবার নির্বাচন করার কোনো ইচ্ছাই ছিল না। এলাকার লোক সবাই বলছে, না, নির্বাচন করেন। আপনি এত সংগ্রাম-লড়াই করে এতদূর এসেছেন, হাল কেন ছাড়বেন! জনগণের সমর্থনে, সবার সমর্থনে নির্বাচনে আসা। এখন ভোট কতটা সুষ্ঠু হবে আমি জানি না, নির্বাচনের দিন দেখার পালা। প্রতিবারই আমরা বলি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিন্তু ভোটের দিন আমরা পরিবেশ উল্টো দেখি।’

এই নির্বাচনে আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘প্রতিবারই, আমি যে কয়বার নির্বাচন করেছি, সেই কয়বারই আমার সঙ্গে মারামারি হয়েছে। এবার যে হবে না…কারণ জনগণ তো আমাকে ভালোবাসে, ভোট দেয়। এখন ভোট যদি আমাকে দেয়, আর প্রার্থীদের যদি না দেয় ওরা তো জোর করে ছিনিয়ে নিতে চাইবে। এবারও হয়তো ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে।’

তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু একটি নির্বাচন হবে সেই আশায় আবারও আমরা নির্বাচনে এসেছি। বাকিটা নির্বাচনের মাঠে আপনারা সবাই দেখবেন।’

প্রসঙ্গত, হিরো আলম এবার বাংলাদেশ কংগ্রেস জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এর আগে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফেরত না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে রিট করেছিলেন।

হাইকোর্টের আদেশে নির্বাচনে ফিরে আসেন হিরো আলম। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বগুড়া-৪ আসনে একতারা প্রতীকে ৮৩৪ ভোট কম পেয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত জাসদের প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিমের কাছে পরাজিত হন আলম।

এর পর ঢাকা-১৭ আসনে উপনির্বাচনে অংশ নেন হিরো আলম। সেখানে ভোটের দিন মারধরের শিকার হন তিনি।

এক পর্যায়ে বিএনপি হবে জামায়াতের বি-টিম : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি ভুলের রাজনীতি করছে অভিযোগ তুলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এক পর্যায়ে জামায়াতই বিএনপিতে মূল নেতৃত্ব দেবে। বিএনপি হবে জামায়াতের বি-টিম।

তিনি বলেছেন, মানবাধিকার দিবসে সারাদেশে বিশৃঙ্খলা করার ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি-জামায়াত। জনসম্পৃক্ততার অভাবে আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে তারা এখন নাশকতা করে সেই আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে চায়।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন ৷

তিনি বলেন, বিএনপি এমন একটা দল যারা ভুলের রাজনীতি করছে এবং জামায়াতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সূত্রে যেভাবে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে তাতে এক পর্যায়ে দেখা যাবে জামায়াতই বিএনপিতে মূল নেতৃত্ব দেবে। বিএনপি হবে জামায়াতের বি-টিম।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তালা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নিজেরাই তালা লাগিয়েছে। সাহস থাকলে বের হয়ে আসুক।

১৪ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের আসন বণ্টন নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বৈঠকের আগে বলব কেমন করে? আগে বৈঠক করি, তাদের বক্তব্য আগে শুনব, আগামী দিনে কীভাবে চলব- দলীয় বক্তব্যটা আগে শুনব।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিরোধী দল বিষয়ে ওবায়দুল কাদের জানান, বিরোধী দল দাঁড়িয়ে যাবে। তৃণমূল বিএনপি- তারা তো বৃহৎ জোট। সুপ্রিম পার্টি। আরও অনেকে আছে যারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

এবার জাতীয় পার্টির শক্তিশালী বিরোধী দল হওয়ার মোক্ষম সময় নিয়ে নিজের বক্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এটা ছিল আমার ব্যক্তিগত মতামত। তারা আমার মতের সঙ্গে একমত নাও হতে পারে। এটাও গণতন্ত্র। যারাই নির্বাচন করবে তারাই পরস্পরের প্রতিপক্ষ হবে।

তিনি জানান, ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আসন বণ্টন ২/১ দিনের মধ্যে হবে।

আজ ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, পৃথিবীতে বিশুদ্ধ গণতন্ত্র বিরল। এর পরও শত বাধা-বিপত্তি-প্রতিবন্ধকতার মুখেও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ’৭৫ পরবর্তী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সেই গণতন্ত্রের হাল ধরেছেন। সে কারণে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতির পরও আমরা গণতন্ত্র বিকাশের পথে এগিয়ে যাচ্ছি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

ডিবিতে ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরের সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট:

সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগ নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে গেছেন ঝালকাঠি-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর (বীর উত্তম)।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিবি কার্যালয়ে যান।

শাহজাহান ওমরের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, আমাদের এখানে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ আসেন। খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষ বিভিন্ন সমস্যা নিয়র আসেন। তেমনি একটি সমস্যা নিয়ে একজন এসেছেন।

তিনি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ দিতে এসেছেন। তিনি আমাদের কাছে যে নামগুলো দেবেন, সে অনুযায়ী তদন্ত করে আমরা ব্যবস্থা নেব।

এর আগে বুধবার (৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সুপ্রিম কোর্টে যান তিনি। এসময় বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের তোপের মুখে সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গন ত্যাগ করে শাহজাহান ওমর। বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা তাকে বেইমান, রাজাকার বলে গালাগাল করেন।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় নির্বাচন কমিশন ভবনে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শাহজাহান ওমর। সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন তিনি।

কারাগার থেকে জামিন পেয়েই নৌকার টিকিট নিয়ে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়া ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর।

প্রেমের টানে পাকিস্তানি তরুণী ভারতে

ডেস্ক রিপোর্ট:

কলকাতার প্রেমিকের টানে কাঁটাতার পেরিয়ে পাকিস্তান থেকে ভারতে এসেছেন এক তরুণী। পাঁচ বছর ধরে সমীর খানের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন জাভেরিয়া খান্নুম। অবশেষে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা হলো তার। শিগগিরই বাজবে বিয়ের সানাই।

আটারি-ওয়াগা বর্ডার থেকে ভারতে প্রবেশ করেছেন জাভেরিয়া খান্নুম। কীভাবে তিনি ভারতের আসার অনুমতি পেলেন? এ বিষয়ে পাকিস্তানি তরুণী বলেন, আমি অত্যন্ত খুশি। ভারতের সরকারকে মন থেকে ধন্যবাদ জানাব। তাদের সহযোগিতা ছাড়া এটা সম্ভব হতো না। আমি এ দেশে আসতেই পারতাম না। ৪৫ দিনের জন্য ভিসা দেওয়া হয়েছে আমাকে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

পাঁচ বছর ধরে কলকাতার যুবক সমীর খানের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। জাভেরিয়া খান্নুম বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে আমাদের প্রেম। আমরা দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছিলাম। কিছুতেই ভিসা পাচ্ছিলাম না। অবশেষে ভারতের ভিসা পেয়েছি আমি। তাই আজ এ দেশে পা রাখতে পেরেছি। আগামী ৪৫ দিনের জন্য ভিসা দেওয়া হয়েছে আমাকে।

আটারি-ওয়াগা বর্ডারে ঢাকঢোল বাজিয়ে স্বাগত জানানো হয় জাভেরিয়া খান্নুমকে। তাকে নিতে পৌঁছে যান প্রেমিক সমীর খানও। ফুলের তোড়া দিয়ে তাদের অভিনন্দন জানানো হয়। এ ঘটনায় আপ্লুত পাক তরুণী জাভেরিয়া।

প্রেমের টানে করাচি থেকে কলকাতা পৌঁছলেও এই পর্যন্ত আসা সহজ ছিল না। করোনা মহামারির সময় থেকে ভিসার জন্য চেষ্টা করছিলেন পাক তরুণী। সেটি পেতে তাকে দুই বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের দুই পরিবারকে মানিয়ে নেওয়াও তাদের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল।

সৌদি আরবকে আমরা অন্তরে ধারণ করি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সৌদিকে আমরা অন্তরে ধারণ করি। দেশটি বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। আমাদের জনগণের প্রতি রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা ও আস্থা। আমরা সৌদি আরবকে সবসময় আমাদের হৃদয়ের কাছাকাছি পেয়েছি।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল’পরিচালনার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) ও রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনালের (আরএসজিটিআই) মধ্যে কনসেশন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সৌদি বিনিয়োগমন্ত্রী খালিদ আল ফালির উপস্থিতিতে এ চুক্তি সই হয়। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল ও রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল (আরএসজিটিআই) এর সিইও জেনস ও ফ্লো চুক্তি সই করেন।

চুক্তি সইয়ের আগের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সরকারি-বেসরকারি আংশীদারত্ব ও জি-টু-জি ভিত্তিতে সৌদি সরকার মনোনীত বেসরকারি গ্লোবাল অপারেটর আরএসজিটিআই এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার জন্য কনসেশন চুক্তি সই করছি।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে একটি শক্তিশালী এবং টেকসই অংশীদারত্বের দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এই কনসেশন চুক্তি অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সমৃদ্ধির জন্য আমাদের দুই দেশের যৌথ দৃষ্টিভঙ্গি এবং অটল অঙ্গীকারের উদাহরণ। এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্র আরও জোরদার করবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের আশার বাতিঘর। স্বয়ংসম্পূর্ণ এই আধুনিক টার্মিনালটি আমাদের বন্দরের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করবে এবং নিরবচ্ছিন্ন বাণিজ্য সহজতর করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির পথও সুগম করবে। এটি বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করবে এবং আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিশ্বের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের নতুন সুযোগ উন্মুক্ত করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল সৌদি সরকার মনোনীত একটি স্বনামধন্য গ্লোবাল টার্মিনাল অপারেটর। এই টার্মিনাল অপারেটরকে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় মনোনীত করার জন্য আমি সৌদি সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই। সৌদি সরকারের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার স্বীকৃতি। আরএসজিটিআই আগামী ২২ বছরের জন্য পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালটি পরিচালনা করবে।

তিনি বলেন, আরএসজিটিআই যে সুনামের সঙ্গে জেদ্দা পোর্ট টার্মিনালসহ অন্যান্য টার্মিনাল পরিচালনা করছে, সেই দক্ষতা ও প্রযুক্তিজ্ঞান কাজে লাগিয়ে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালটি পরিচালনা করবে বলে আমি আশা করি। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত হবে। ফলে দেশের আমদানি-রপ্তানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাসের মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতি লাভবান হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা আজ এই কনসেশন চুক্তি সই প্রত্যক্ষ করছি। আমরা এমন একটি ভবিষ্যতের অপেক্ষায় আছি যেখানে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির একটি চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে। বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি আস্থা ও সহযোগিতার জন্য আমি সৌদি সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে চাই, বিশেষ করে সৌদি বাদশা সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ এবং যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান-এর প্রতি।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি বিনিয়োগমন্ত্রী ও তার প্রতিনিধিদলের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আপনাদের সবার অঙ্গীকার আমরা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। পাশাপাশি, আমি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পিপিপি কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানাই- যাদের নিরলস প্রচেষ্টায় এই যুগান্তকারী চুক্তি সম্পাদন পর্যায়ে আনা সম্ভব হয়েছে। আমি আশা করি, এই চুক্তি বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ উত্তরোত্তর বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, সৌদি আরবের এই বিনিয়োগে বিশ্বে আমাদের ভাবমূতি উজ্জ্বল করবে। আজকের দিনটি আমাদের আনন্দের।

অনুষ্ঠানের আরও অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলান, সৌদিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারী।

পাশাপাশি প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সিইও আহসান খান চৌধুরীসহ বাংলাদেশের বেসরকারি বিনিয়োগকারী ও সৌদি বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের একটি বড় টিম এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।