All posts by jitu

১৭ মার্চ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, আবারও ক্ষমতায় আসবেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ১৭ মার্চ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার ভোটের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়ার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ। ফেডারেশন কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে ১৬২ ভোটে পাস হয়েছে সিদ্ধান্তটি।

এরমাধ্যমে পঞ্চমবারের মতো প্রেসিডেন্ট হয়ে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে যাচ্ছেন ভ্লাদিমির পুতিন।

রাশিয়ার নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর প্রেসিডেন্ট পুতিনের শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ফলে পুতিন আবারও ক্ষমতায় আসছেন এ বিষয়টি মোটামুটি নিশ্চিত। দেশটিতে যেসব বিরোধী দলীয় নেতা রয়েছেন তাদের বেশিরভাগই জেলে অথবা বিদেশে পালিয়ে আছেন এবং রাশিয়ার সবচেয়ে স্বাধীন গণমাধ্যমটিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

৭১ বছর বয়সী পুতিন এখনো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেননি। তবে বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, নির্বাচনের তারিখ ঠিক হওয়ায় আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এ ঘোষণা দেবেন তিনি।

সংবিধানে আমূল পরিবর্তন আনার কারণে, এবারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুতিন চাইলে আরও দুইবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে পারবেন। অর্থাৎ তিনি চাইলে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারবেন।

রাশিয়ার ফেডারেশন কাউন্সিলের প্রধান ভ্যালেন্টিনা মাতভিয়েনকো বলেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করা হবে।

মাতভিয়েনকো আরও বলেন, প্রথমবারের মতো ইউক্রেনের দনেস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চলের বাসিন্দারা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবেন। তিনি বলেন, আমরা একত্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করার মাধ্যমে আমাদের পিতৃভূমির অভিন্ন দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নিতে পারবো।

বিএনপি-জামায়াত এখন মরণ কামড় দিতে চাইছে: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, সেটি বানচালের জন্য বিএনপি ততই মরিয়া হয়ে উঠছে। মরণ কামড় দিতে চাইছে। সে কারণেই আজকে নির্বাচনমুখী যে রাজনৈতিক দল আছে, যাদের সঙ্গে আমাদের আগে জোট ছিল, মহাজোট ছিল, তাদের সঙ্গে আমরা আমাদের সহযোগিতা, তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরো জোরদার করার তাগিদ অনুভব করছি। আমরা ১৪ দলের সঙ্গে বৈঠক করেছি, জাতীয় পার্টির সঙ্গেও আলোচনা করেছি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। কাদের বলেন, গতকাল পর্যন্ত পায় ৬০০ যানবাহন পোড়ানো হয়েছে। দশটি ট্রেনে আগুন দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির আন্দোলন-অগ্নিসন্ত্রাসে পুলিশবাহিনী সদস্য, পরিবহন শ্রমিক, রাজনৈতিক কর্মীসহ কয়েকজন মারা যাওয়ার পাশাপাশি ২৫০ জন মানুষ মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সিরাজগঞ্জে মুরগির বাচ্চা বহনকারী একটি কার্ভাডভ্যান পোড়ানো হয়েছে। এতে সাত হাজার মুরগির বাচ্চা পুড়ে গেছে। এখন মুরগির বাচ্চাও তাদের (বিএনপি) শত্রু। মুরগির বাচ্চাও তাদের টার্গেট। নাশকতা, গুপ্ত হামলার আজকের যে ভয়াবহ চিত্র, সেটা নতুন নতুন রেকর্ড স্থাপন করছে তারা।

এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তৃতীয় দিনে ইসিতে ১৫৩ জন প্রার্থীর আপিল আবেদন

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মনোনয়ন ফিরে পেতে তৃতীয় দিনে ১৫৩ জন আপিল আবেদন করেছেন নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। এ নিয়ে মোট আপিলকারীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩৬৬ জনে। এর মধ্যে মোট ছয়জন প্রার্থিতা বাতিলের আবেদনও করেছেন।

বৃহস্পতিবার (০৭ ডিসেম্বর) ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঢাকা অঞ্চলে ২৬ জন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১১ জন, ফরিদপুরে ৪ জন, সিলেটে ৯ জন, ময়মনসিংহে ৮ জন, বরিশালে ৪ জন , খুলনায় ১৭ জন, রাজশাহীতে ১৭ জন, কুমিল্লায় ৩৩ জন ও রংপুর ২৪ জন আপিল আবেদন করেছেন।

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছিল ২ হাজার ৭১৬টি। এর মধ্যে বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেছেন ৭৩১টি, যা মোট দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের ২৬ দশমিক ৯২ শতাংশ বা ২৭ শতাংশ। আর বৈধ হয়েছে ১ হাজার ৯৮৫টি মনোনয়নপত্র, যা দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের ৭৩ দশমিক ০৮ শতাংশ বা ৭৩ শতাংশ।

আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। আর ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর আপিল নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রোববার)।

নির্বাচনে বিদেশি কোনো চাপ নেই: ইসি আলমগীর

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশি কোনো চাপ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর

তিনি বলেন, বিদেশিরা কখনোই আমাদের চাপ দেয়নি। আমাদের এ ধরনের চাপ দেওয়ার রাইট নেই। শান্তিপূর্ণ অবাধ নির্বাচনের জন্য উল্টো কমিশন সংশ্লিষ্টদের চাপ দিয়ে বেড়াচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার আলমগীর বলেন, এখন পর্যন্ত বিএনপির নির্বাচনে আসার সুযোগ নেই। তবে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে। যেহেতু মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব তাই এ বিষয়ে নিরীক্ষার সুযোগ আছে। আমরা যা কিছু করি না কেন তা সংবিধানের আলোকে করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে এখনো সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যদি পরে সিদ্ধান্ত হয় তাহলে সেনাবাহিনী মোতায়েন হলেও ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে কাজ করবে।

পর্যবেক্ষকের বিষয়ে ইসি আলমগীর বলেন, আসছে নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের ৮২ জন পর্যবেক্ষক ও ৪৬ জন সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষকের জন্য আবেদন করেছেন। নির্বাচনে একটি নীতিমালা আছে। সে নীতিমালা সব সাংবাদিককে অনুসরণ করতে হবে।

ইউএনও এবং ওসিদের বদলির বিষয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা আমাদের সঙ্গে সংলাপ করেছেন। সেখানে তাদের অভিযোগ ছিল সরকার প্রশাসনকে সাজিয়ে গুছিয়ে তাদের মতো করে নিয়েছে। এ অবস্থায় প্রশাসনে পরিবর্তন করতে হবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অভিমত ছিল।

জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মতিয়ুর রহমান ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা।

৪১তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে সুপারিশ পেলেন ৩১৬৪ জন

ডেস্ক রিপোর্ট:

৪১তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে ৩ হাজার ১৬৪ জনকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। নবম থেকে ১২তম গ্রেডের বিভিন্ন শূন্যপদে তারা নিয়োগ পাবেন।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) যুগ্ম-সচিব আনন্দ কুমার বিশ্বাসের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা-২০২৩-এর বিধান অনুযায়ী এ সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা, মেধাক্রম ও সংশ্লিষ্ট পদের নিয়োগবিধির শর্ত অনুসরণ করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রামে ৫২ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ফখরুদ্দীন ইমন:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজা সহ মো: রনি (২৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। সে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার বল্লভপুরের শামবকসি গ্রামের মো: জামাল উদ্দিনের ছেলে। বৃহস্পতিবার (০৭ ডিসেম্বর) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক সুজন কুমার চক্রবর্তীর নেতৃত্বে সহকারী উপ-পরিদর্শক নজরুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক ছয়টায় উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের ধর্মপুর মোড়ের হাজীগ্রাম রাস্তার মাথা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫২ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী মো: রনিকে আটক করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আটককৃত আসামী মো: রনির বিরুদ্ধে এর আগেও ২টি মাদক মামলা ও ১টি করে ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা এবং অপহরণ মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা বলেন, ‘থানা পুলিশের অভিযানে ঘোলপাশার ধর্মপুর এলাকা থেকে ৫২ কেজি গাঁজা সহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে মাদক ও প্রতারণার মামলা সহ ৪টি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

কুমিল্লা-১ দলীয় বিভাজন ভুলে আব্দুস সবুরের পক্ষে একাট্টা সবাই

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-তিতাস ) আসনে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দলের সবাই এক হয়ে কাজ করছেন। এ আসনে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর সর্বস্তরে গ্রহনযোগ্য হওয়ায় উচ্ছাসপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে এলাকায়। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা তুলে ধরে নৌকা প্রতিকের পক্ষে প্রচারে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে সবাই। আর এতে প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত বলে দাবি করছেন কর্মীরা।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, বিগত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে নির্বাচিত মেজর জেনারেল অবঃ সুবিদ আলী ভুইয়ার অনুসারীরা নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। নির্বাচনের পর পরীক্ষিত নেতাদের বাদ দিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে দলে বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেন। সেখানে দলের জন্য ত্যাগী নেতাদের পাশে ছায়া হয়ে থেকেছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর । তাকে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে এবার আশায় বুক বেধেছে এলাকার মানুষ। সবাই মিলে নৌকাকে জয়ী করতে বদ্ধপরিকর।

সরেজমিন দাউদকান্দি ও তিতাস উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এখানকার আওয়ামী লীগের মধ্যে আগের যে বিভাজনের রাজনীতি ছিল , তা ভুলে সবাই ইঞ্জিনিয়ার সবুরের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে।

এ আসনে ১২জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তার মধ্যে ছয়জনের মনোনয়ন বাতিল এবং একজনের স্থগিত করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা । এখন প্রতিদ্বন্ধিতায় রয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, জাতীয় পার্টি থেকে আমির হোসেন ভূঁইয়া, জাকের পার্টি মাওলানা ওবায়দুল হক, তৃণমূল বিএনপির সুলতান জিসান আহমেদ, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক গণমুক্তি জোটের মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ভূইয়া।

তবে নির্বাচনী মাঠ ঘুরে জানা গেছে, প্রতিদ্বন্দ্বি যিনিই হোন না কেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষেই জনজোয়ার তৈরি হয়েছে। এবার নৌকার মনোনয়ন চেয়েছিলেন বর্তমান সাংসদ মেজর জেনারেল অবঃ সুবিদ আলী ভুইয়া, তাঁর ছেলে উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর অবঃ মোহাম্মদ আলী সুমন, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ব্যারিষ্টার মহিউদ্দিন আহমেদ।

ব্যারিষ্টার মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, একটি দল থেকে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকতেই পারে। তবে আমরা সবাই সব অভিমান ভুলে নৌকাকে বিজয়ী করার লক্ষে কাজ করছি।

আর দাউদকান্দি তিতাসের জনগনের কাছে ইঞ্জিঃ আব্দুস সবুর সাবেক মন্ত্রী মরহুম আব্দুর রশিদ ইঞ্জিনিয়ারে প্রতিচ্ছবি হয়ে থাকবেন বলে এলাকায় মানুষের মুখে মুখে। আব্দুর রশিদ ইঞ্জিনিয়ার দাউদকান্দিতে যখন মন্ত্রী ছিলেন, উন্নয়ন যাই করেছে, কিন্তু কোন মানুষের ক্ষতি করেছে এমন নজির নেই।

দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সম্পাদক মোঃ শাহজালাল ও ভিপি সালাউদ্দিন রিপন বলেন, ইঞ্জিঃ আব্দুস সবুর নৌকা প্রতিক পাওয়ায় এই আসনের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সাধারন মানুষ উজ্জিবিত হয়েছে। সবাই তার পক্ষে একাত্মতা প্রকাশ করে ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি করেছেন। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ এবং ৭ জানুয়ারী ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে নৌকাকে বিজয়ী করতে আমরা সবাই নিরলস কাজ করব।

মনোনয়ন ঘোষনার পর দলের সবাই একাট্টা হয়ে কাজ করছে জানিয়ে তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুন্সি মজিবুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইফুল আলম মুরাদ বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বৃহৎ দল ও পরিবার। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী যাকেই মনোনয়ন দিয়েছেন সব দ্বিধাদ্বন্দ ভুলে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর বলেন, সংগঠনের ভেতর কোনো গ্রুপিং নেই। আমি দাউদকান্দি তিতাসের নেতা-কর্মী ও সাধারন মানুষের সমর্থন ও ভালবাসা পেয়েছি। নেতা-কর্মী ও সাধারন ভোটাররা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

আল্লাহ সহায় হলে এবং নেতা-কর্মীদের ভালবাসায় আগামী নির্বাচনে বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত ইনশাআল্লাহ । তিনি আরও বলেন, আচরনবিধি যাতে লঙ্ঘিত না হয় সে ব্যাপারে সকলকে সচেতন থেকেই প্রতিক বরাদ্দের পর আমাদেরকে নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে হবে।

নোয়াখালীতে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সেনবাগে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সেনবাগ পৌরসভার ৫নম্বর ওয়ার্ডের কাদরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোসাম্মৎ রাইসা আক্তার উপজেলার সেনবাগ পৌরসভার ৫নম্বর ওয়ার্ডের প্রবাসী আনোয়ারুল আজিম সোহেলের মেয়ে ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুর মা বাড়িতে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় শিশু রাইসা ঘরের বাহিরে খেলছিল। কিছুক্ষণ পর সন্তানকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন মা। কোথাও না পেয়ে ঘরের পাশে পুকুরের পানিতে দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নাজিম উদ্দিন জানান, নিহতের পরিবার বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেনি।

১৯৭১ এর এই দিনে শত্রুমুক্ত হয়েছিলো নোয়াখালী

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

আজ সাত ডিসেম্বর নোয়াখালী মুক্ত দিবস। একাত্তরের এদিন ভোরে বৃহত্তর নোয়াখালীর মুজিব বাহিনীর প্রধান মাহমুদুর রহমান বেলায়েত এবং সি-জোনের কমান্ডার মোশারেফ হোসেনের নেতৃত্বে জেলা শহর মাইজদী আক্রমন করে মুক্তিযোদ্ধারা। একযোগে তারা তিনটি রাজাকার ক্যাম্প দখল করে। আত্মসমর্পণ করে পাকিস্থানীদের এদেশীয় দালাল রাজাকাররা। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সন্মুখ যুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধের মুখে অবস্থা বেগতিক দেখে নোয়াখালী পিটিআই’র ট্রেনিং সেন্টার থেকে তড়িঘড়ি করে পালিয়ে যায় পাকিস্থানী সেনারা, শত্রুমুক্ত হয় নোয়াখালী।

৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল। সি-জোনের গুপ্তচরের মাধ্যমে জানতে পারে জেলা শহর মাইজদীতে পাক হানাদার বাহিনীর তৎপরতা বেড়ে গেছে। তাৎক্ষনিক জোন এর রাজনৈতিক প্রধান আলী আহম্মদ চৌধুরী সহ অন্যান্য কমান্ডারবৃন্দ জরুরী বৈঠকে বসে এবং নোয়াখালী শহরে অবস্থিত পাক বাহিনী ও রাজাকারদের উপর আক্রমন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

৭ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে মুজিব বাহিনীর প্রধান মাহমুদুর রহমান বেলায়েত এবং ডি-জোনের কমান্ডার রফিক উল্যাহ্’র বাহিনী সহ মুক্তিযোদ্ধারা সবাই মিলে যৌথ অভিযান চালিয়ে মাইজদী ভোকেশনাল, নাহার মঞ্জিল, কোর্ট ষ্টেশন, রৌশন বাণী সিনেমা হল, দত্তের হাট, কোল্ড ষ্টোরিজ সহ সব রাজাকার ক্যাম্প মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে নিয়ে আসে। বাকি ছিলো শুধু পাকিস্থানি বাহিনীর মূল ক্যাম্প মাইজদী পিটিআই। অন্য সবগুলো ক্যাম্প দখল নেওয়ায় একা হয়ে যায় পিটিআই।

একদিকে সাধারণ মানুষের আনন্দ মিছিল, অন্যদিকে আক্রমন করতে হবে পিটিআই। পিটিআই হোস্টেল দিঘির উত্তর পাড়ে ৩ তলা বিল্ডিং এ রাজাকারদের হেড কোয়াটার ছিল। কিন্তু এ বিল্ডিং ভাঙার মতো কোন বিধংসি অস্ত্র ছিলোনা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে। তাই ফেনী থেকে একটা ২ ইঞ্চি মোটার এনে তা থেকে তিন তিনটা মোটার সেলের দ্বারা পিটিআই হোস্টেলে আক্রমনের মাধ্যমে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা দিকে মাইজদী শহরে সর্বশেষ রাজাকার ক্যাম্প এর পতন ঘটিয়ে নোয়াখালীর শহর মাইজদীর হেড কোয়ার্টার হানাদার মুক্ত করা হয়। জেলা শহরের চারিদিকে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তি পাগল মানুষের আনন্দ জোয়ারের ঢল উঠে।

নতুন প্রজন্মের কাছে ৭ ডিসেম্বরের স্মৃতিকে পরিচয় করিয়ে দিতে ১৯৯৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর পাক-বাহিনীর ক্যাম্প হিসেবে পরিচিত নোয়াখালী পিটিআই সম্মুখে স্থাপন করা হয় স্মরণিকা স্তম্ভ ‘‘মুক্ত নোয়াখালী’’। আর বর্তমান সরকার মতায় আসার পর একই স্থানে বর্ধিত পরিসরে স্থাপন করা হয় নোয়াখালী মুক্ত মঞ্চ।

প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালো রাত্রিতে পাকিস্থানী বাহিনীর নৃশংস হত্যাযজ্ঞের পর মুক্তিকামী ছাত্রজনতা পুলিশ ও ইপিআর ফেরত জওয়ানদের সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত নোয়াখালী ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে। পরবর্তীতে পাকবাহিনীর হামলার মুখে মুক্তিযোদ্ধারা টিকতে না পেরে পিছু হটলে নোয়াখালীর নিয়ন্ত্রণ নেয় পাকিস্থানীরা। নোয়াখালী পিটিআই এবং বেগমগঞ্জ সরকারি কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ে শক্তিশালী ঘাটি গাড়ে পাকিস্থানী সেনাবাহিনী। তাদের সাথে এদেশীয় রাজাকাররা মিলে শুরু করে লুটপাট। এরই মধ্যে নোয়াখালীর অসংখ্য ছাত্র জনতা প্রশিক্ষণ নিয়ে ভারত থেকে এসে পাকিস্থানীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জাপিয়ে পড়ে। কোম্পানীগঞ্জের বামনীর যুদ্ধ, বেগমগঞ্জের বগাদিয়াসহ অসংখ্য যুদ্ধ হয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে। শহীদ হয় শত শত মুক্তিযোদ্ধা। শুধুমাত্র সোনাপুরের শ্রীপুরে তারা হত্যা করেছিলো শতাধিক ব্যক্তিকে।

ডিসেম্বরের শুরুতেই নোয়াখালীর প্রত্যন্ত প্রান্তরে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্থানিদের পিছু হটিয়ে দেয়। ৬ ডিসেম্বর দেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা বেগমগঞ্জ মুক্ত করে মুক্তিযোদ্ধারা। আর ৭ ডিসেম্বর মুক্ত হয় গোটা নোয়াখালী।

নোয়াখালীতে তেল কম দেওয়ায় ফিলিং স্টেশন সিলগালা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে তেল কম দেওয়ায় মেসার্স আমিন সিএনজি ফিলিং স্টেশনকে সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বজরা ইউনিয়নের দিঘীরজান এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদà