All posts by jitu

 বিএনপির অবরোধের প্রতিবাদে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আ’লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

বিএনপির ডাকা তিন দিনের অবরোধে তৃতীয় দিনে মহাসড়কে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর ) সকাল থেকে ঢাকা – চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে শান্তি সমাবেশের ব্যানারে অবস্থান করেছে আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।

মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মহাসড়ক পাহাড়া দিচ্ছেন তারা।এছাড়া আতংকিত যানবাহনকে মোটর সাইকেল মহড়া দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পাড় করে দেয়ারও চিত্র দেখা গেছে।ঢাকা – চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী বাজার এলাকায় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান,কুমিল্লা – ৫ (বুড়িচং – ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব সাজ্জাদ হোসেন।

শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠানটি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস মিয়া,যুগ্ম সম্পাদক পার্থ সারথি দত্ত,এম এ করিম মজুমদার,সাংগঠনিক সম্পাদক রুপম মজুমদার,দপ্তর সম্পাদক মোঃ সহিদ উল্লাহ,তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ফরহাদুল মিজান,শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো: শহিদ উল্লাহ,শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মানিক খন্দকার,লালমাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামরুল হাছান শাহীন,অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সোবহান খন্দকার সেলিম,দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাইফ উদ্দিন পাপ্পু,সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন রহমান,দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সদস্য জাহিদুল হাসান পলাশ,মো: শাহ আলম,যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান সোহাগ,সাংবাদিক মাঈনুল হাসান,দক্ষিণ জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আবু মুছা,সাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাদুল হাসান রাফি,ছাত্র লীগ নেতা রাশেদুল ইসলাম সুমন,শাহ আলম,বুড়িচং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক কামরুজ্জামান মিঠু,কামাল হোসেন,মোকাম ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান সোহেল,সাবেক ছাত্র লীগ নেতা বাবুল আলম,তোফায়েল আহমেদ,বুড়িচং উপজেলা ছাত্র লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সোহেল আহমেদ,হাবিবুর রহমান হাসান,আসিফ আকবর,রাজিব।এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ,ছাত্র লীগ,অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

 

অবরোধে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের কাজে স্থবিরতা, অনেক অফিসে ঝুলছে তালা

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

অবরোধে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের কাজে স্থবিরতা নেমে এসেছে। উপজেলা পরিষদ এলাকায় লোক সমাগম নেই বললেই চলে। জনশূণ্যতা আর সুনশান নিরবতা বিরাজ করছে পরিষদ এলাকায়। কয়েকটি দফতরের কর্মকর্তা যথাসময়ে অফিসে আসলেও অনেক অফিসে সকাল সাড়ে দশটায়ও তালা ঝুলতে দেখা গেছে।

কোনো কোনো অফিস আবার খোলা থাকলেও নেই সেই অফিসের বড় কর্মকর্তা। কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে সেবা প্রত্যাশীরা কাজ না সেরেই মনখারাপ করে ফিরে যাচ্ছেন বাড়ী। এভাবেই ঢিলেঢালাভাবে চলছে উপজেলা প্রশাসনের দাপ্তরিক কাজকর্ম।

বিএনপি-জামায়াতের ডাকা টানা ৭২ ঘন্টা (৩১ অক্টোবর-২ নভেম্বর পর্যন্ত) অবরোধের আজ তৃতীয় ও শেষ দিনে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের অধিকাংশ কর্মকর্তা নিজ নিজ অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। নিজ কর্মস্থল এলাকায় রাত্রিযাপনের নিয়ম থাকলেও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বেশিরভাগ কর্মকর্তা থাকেন জেলা শহরে। যারফলে অবরোধ চলাকালে রাস্তায় ঝামেলায় পড়ার সম্ভাবনায় কেউ কেউ অফিস করছেন না। অবরোধে ঝুঁকি নিয়ে দুয়েকজন কর্মকর্তা অফিসে আসলেও বেশিরভাগ কর্মকর্তা জেলা সদরে কাজের অজুহাত দেখিয়ে কৌশলে নিজ কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর সুত্রে জানা গেছে। আবার যারা আসছেন তারাও যথাসময়ে আসছেন না বলেই অভিযোগ রয়েছে। সরকারী বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়েও সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিত না থাকায় দুর দুরান্ত থেকে আসা সেবা গ্রহিতারা পড়ছেন নানান ভোগান্তিতে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর তিনি না আসায় সেবা গ্রহণ করতে না পেরে অনেককেই বাড়ী ফিরে যেতে দেখা গেছে।

 

বৃহস্পতিবার (০২ নভেম্বর) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতর সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, এদিন সকাল সাড়ে দশটায়ও অনেক কর্মকর্তা নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত হননি। যারা উপজেলা পরিষদের ভেতরে সরকারী বাসভবনেই থাকেন, তাদের মধ্যেও কেউ কেউ যথাসময়ে নিজ অফিসে উপস্থিত হতে পারেননি।

বৃহস্পতিবার সাড়ে দশটার মধ্যেও যেসকল কর্মকর্তা নিজ অফিসে উপস্থিত হতে পারেননি, তারা হলেন: উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জোবায়ের হাসান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাকিনা বেগম, নির্বাচন কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাহনাজ আক্তার, সমবায় অফিসার ভূঁইয়া মোহাম্মদ শাহীনুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার সাহিদুর রহমান, হিসাব রক্ষণ অফিসার মো: আল এমরান, তথ্য কর্মকর্তা ফাতেমা আক্তার, বিএডিসি’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সেচ)শাহাজালাল মিয়া, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের সহকারী প্রোগ্রামার অপূর্ব সাহা।

এদিকে সকাল সাড়ে দশটায় উপজেলা নির্বাহী প্রকোশলী মো: নুরুজ্জামান এর অফিস খোলা থাকলেও তার চেয়ারটি খালি পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী সকালে দক্ষিণ চৌদ্দগ্রামে একটি প্রকল্প পরিদর্শনে গিয়েছেন। তবে সকাল ঠিক সাড়ে নয়টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর হোসেন তার অফিসে প্রবেশ করেন। বড় কর্তার সাথে তালমিলিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: জুবায়ের আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সুব্রত রায়, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: আতাউর রহমান মজুমদার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: কামাল উদ্দিন ভূঁঞাকে নিজ নিজ অফিসে যথাসময়ে উপস্থিত থেকে দাপ্তরিক কাজকর্ম করতে দেখা গেছে। কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি ও বিলম্বে আসার কারণে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সেবা প্রত্যাশী সাধারণ মানুষকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও তাদের নিজ নিজ কাজ সারতে না পেরে ভাঙ্গা মন নিয়ে বাড়ী ফিরে যেতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর হোসেন বলেন, ‘চলমান অবরোধ কর্মসূচীতে অনেকদিন ব্যক্তিগতভাবে আমি রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছি। এরপরও পরদিন সকালে যথাসময়ে (সকাল ১০টার আগেই) অফিসে উপস্থিত থাকি। উপজেলা প্রশাসনের অন্য কেউ যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত না থাকার বিষয়টি খবর নিয়ে দেখবো।’

নোয়াখালীতে গ্রেপ্তার ২৫, ছাড়েনি দূরপাল্লার বাস

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীতে তৃতীয় দিনের মতো বিএনপির ডাকা অবরোধ কর্মসূচি চলছে। টানা অবরোধের শেষ দিনে আজ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক গুলোতে ছোট যানবাহনের চলাচল আগের দুইদিনের তুলনায় বেড়েছে। তবে দূর পাল্লার যাত্রীবাহী বাস ও পন্যবাহী ট্রাকসহ অন্য গাড়ির চলাচল বন্ধ রয়েছে।

অবরোধের সমর্থনে সকালে বেগমগঞ্জের চৌমুহনী শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ ছাড়া চলমান গ্রেপ্তার অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল রাতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি ও জামায়াতের আরও ২৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত ২৮ অক্টোবর থেকে গতকাল বুধবার পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি ও জামায়াতের ১৭৬ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল শহরের নোয়াখালী গেইট থেকে দত্তেরহাট এলাকা ঘুরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কোন তৎপরতা চোখে পড়েনি। তবে এ সময় সড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের চলাচল আগের ‍দুইদিনের অবরোধকালীন সময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি দেখা গেছে। চলতে দেখা যায়নি দূর পাল্লার বাস, পন্যবাহী ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন। শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার সবকয়টি যাত্রীবাহী বাসের কাউন্টার বন্ধ রয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সকাল থেকে কোথায়ও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

সকাল সাতটার দিকে জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাশের নেতৃত্বে অবরোধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। মিছিলটি চৌমুহনী পূর্ব বাজার থেকে শুরু হয়ে রেল গেইট এলাকা পর্যন্ত এলাকা প্রদক্ষিণ করে। তবে এ সময় পুলিশের উপস্থিতি না থাকায় কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা পূর্ব বাজারে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সমাবেশে বক্তারা সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

এদিকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, গতকাল রাতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চলমান গ্রেপ্তার অভিযানের অংশ হিসেবে বিএনপি ও জামায়াত এবং তাদের সহযোগী সংগঠনের ২৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে বেগমগঞ্জ একজন, সুধারাম তিনজন, কোম্পানীগঞ্জে ছয়জন, সোনাইমুড়ীতে তিনজন, সেনবাগ দশজন, চাটখিলে একজন এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম নতুন করে আরও ২৫ জনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা সকলে বিভিন্ন মামলার আসামি।

কবিতা: নীল পদ্যের কষ্ট

রাহুল রাজ:

বিধুমুখী,

অমন করে বারেবারে
ভালোবাসার ডাক দিও না।
তোমার সুপ্ত হাতে অমন করে
শান্ত হৃদয় আর ভেঙো না।
তুমি ছাড়া কে আর বলো
এমন ভালোবাসতে পারে?
কার পড়েছে দায় আমার সঙ্গী হয়
ঠোঁটের উপর ঠোঁটের ছাপ
ভালোবাসার মিষ্টি পাপ।
তুমি ছাড়া কে আর বলো
এমন ভালোবাসতে পারে?
কার পড়েছে দায়, আমার সঙ্গী হয়।
ভালোবাসার নীল পদ্য
তোমার জন্যে এঁকে যাব
হাজার থেকে হাজারবার
তবু তুমি বধূ
অমন করে ভালোবাসার ডাক দিয়ো না।
হৃদয় কাঁদে হৃদয় পোড়ে
যখন ভাবি,
ভোরের শিশির সেজে তুমি পালিয়ে যাবে
ভরা যৌবনের ঘোর ভালোবাসা
তখন আমার বিফল হবে।
নাইবা পেলাম একটি রাত
নাই বা পেলাম তোমার হাত
কি আসে যায় ?
এখন জ্বলি এক আগুনে
তখন হব নি:স্ব-
তাইতো বলি বিধুমুখী,
অমন করে আর ডেকো না।
একা আছি একা থেকে লিখে যাব
নীল পদ্য।
ভালোবেসে দূরে থেকে
নাম দিয়ো তার-
নীল পদ্যের কষ্ট।

 

বাস্তবে জাতিসংঘের কোনো কার্যকারিতা নেই: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাস্তবে জাতিসংঘের কোনো কার্যকারিতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

গত ২৮ অক্টোবরের রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া বিবৃতি প্রসঙ্গে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতিসংঘ তো নামকাওয়াস্তে। তাদের কোনো কার্যকারিতা নেই বাস্তবে।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের জানান, জাতিসংঘের বিবৃতিতে দে হ্যাভ বিন মিসলেড। আমরা বলতে চাই জাতিসংঘের আসলে বাংলাদেশ নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় এটা নয়।

তিনি জানায়, সুদান দুই ভাগ হয়ে যাচ্ছে। আজ ফিলিস্তিনে কী হচ্ছে? জাতিসংঘের কথা কেউ শোনে? আজ গাজায় যা হচ্ছে জাতিসংঘের একটি কথা কেউ শুনছে? জাতিসংঘ তো নামকাওয়াস্তে। জাতিসংঘের কোনো কার্যকারিতা তো বাস্তবে নেই। বাংলাদেশের ইলেকশন নিয়ে এখানে একটা ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন রকম ইনফরমেশন যেতে পারে, এটাতে তো তাদের (জাতিসংঘ) কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। তারা তো আসল দায়িত্বটাই পালন করতে পারছে না।

ভালো কিছু কথা বলা ছাড়া বিশ্বে জাতিসংঘের আর কোনো ভূমিকা নেই উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইউক্রেনে তারা কিছু শব্দচয়ন করে সুন্দর সুন্দর কথা বলেছে। ক্লাইমেট চেঞ্জের অবনতি ঘটছে। জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল মাঝে মধ্যে সুন্দর ভাষায় আপন মনে মাধুরী মিশিয়ে ভালো ভালো কথা বলেন। ভালো ভালো কিছু কথা বলা ছাড়া তাদের আর কোনো ভূমিকা আছে বলে আমাদের জানা নেই। বাংলাদেশ নিয়ে তারা মাথা ঘামাচ্ছে, আমরা অনেক ভালো আছি।

বিএনপি ছাড়া আরেকটি নির্বাচনের দিকে দেশ এগোচ্ছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আই ডোন্ট নো। বিএনপির অধিকার ইলেকশন করার। তারা ইলেকশন না করলে করবে না। আমার কথা হলো বাংলাদেশের সংবিধান পরিবর্তন হচ্ছে না। সংবিধান যেভাবে বলছে আমাদের ইলেকশন, আমাদের গণতন্ত্র ঠিক সেভাবে চলবে, এতে কে এলো বা কে এলো না দ্যাট ডাজেন্ট ম্যাটার।

বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচন হলে দেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্পেস দেন, সময় আসুক।

তিনি বলেন, বিএনপি না এলে আমরা কি তাদের জোর করে আনবো? বিএনপি না এলে সংবিধান অবজ্ঞা করে নির্বাচন করবো না। এটিকে প্রশ্নবিদ্ধ যারা বলেন তারা বলতে পারেন।

সারা দেশে আরও ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ দিলো বিএনপি

ডেস্ক রিপোর্ট:

রোববার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৬টা পর্যন্ত ৪৮ ঘণ্টা সারা দেশে সর্বাত্মক অবরোধ ডেকেছে বিএনপি। এর আগে যারা নিহত হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় শুক্রবার সারা দেশের মসজিদে মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত কর্মসূচি পালন করবে। তবে শনিবার কোনো কর্মসূচি নেই দলটির।

বৃহস্পতিবার জুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। কর্মসূচি সফলে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে চিঠি পাঠানোর বিষয়ে কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘আজ নির্বাচন কমিশনের চিঠি নিয়ে এসেছে। কিসের সংলাপ, কার জন্য সংলাপ। মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতাদের বন্দি করে, ঘরবাড়িতে আক্রমণ করে, গণহারে গ্রেফতার করে কিসের সংলাপ। কেন্দ্রীয় কার্যালয় পর্যন্ত আটকে রাখা হয়েছে। সুতরাং সংলাপ হচ্ছে লোক দেখানো। সরকারের নির্দেশনায় এই তামাশা করা হচ্ছে। ইসি কী করবে তা আমরা জানি। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে যে তালিকা দেওয়া হবে তাদেরকেই নির্বাচিত বলে ঘোষণা করবে ইসি। এ ছাড়া আর কিছুই করাই নেই নির্বাচন কমিশনের।’

তিনি বলেন, ‘যতই গ্রেফতার-হত্যা-নির্যাতন করুন না কেন, জনগণের মাঝে প্রতিবাদী শক্তি জেগে উঠছে। জনগণের বিজয় অনিবার্য।’

অবরোধ কর্মসূচি সফলের জন্য ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান বিএনপির এই নেতা। এছাড়াও ন্যায্য দাবিতে শ্রমিক আন্দোলকে সমর্থনের কথাও জানান রিজভী।

গ্রেফতার ও মামলার চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) রাত থেরে আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ২৭২ জনের অধিক নেতাকর্মী। মিথ্যা মামলা হয়েছে ১৬টি।’

বিভিন্ন সেক্টরের অনিয়ম নির্ভীক চিত্তে তুলে ধরে আজকের জীবন: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তারা

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

আগামির পথ চলায় দৈনিক আজকের জীবন সৎ, সাহসী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, স্বাধীনতার পক্ষে দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা বলবে- এ আশাবাদ ব্যক্ত করে পত্রিকাটির ২৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কুমিল্লার অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, সত্য প্রকাশে আপোষহীন- এ শ্লোগানকে ধারণ করে দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকাটি নিরপেক্ষ খবর পরিবেশনের মাধ্যমে দেশের সচেতন মহলের কাছে একটি গ্রহণযোগ্য সংবাদমাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ বছরে এটি দেশের অবহেলিত মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন সেক্টরের অনিয়মকে নির্ভীক চিত্তে তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের সার্বিক এগিয়ে যাওয়ার চিত্রও ব্যাপকভাবে ফুটিয়ে তুলছে দৈনিক আজকের জীবন। পত্রিকাটির সম্পাদক সফিকুর রহমান পত্রিকাটির ২৪ বছর পার করে ২৫ বছরে পদার্পণের মাইলফলকে আসতে অনেক বন্ধুর পথ অতিক্রম করেছেন।

বুধবার (১ নভেম্বর) সকাল ১১টায় কুমিল্লা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকার ২৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ লুৎফুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. মাহবুবুর রহমান।কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি নেকবর হোসেন।

অনুষ্ঠানে দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকার সফলতা ও শুভ কামনা করে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইয়্যেদ মাহমুদ পারভেজ,জনকন্ঠের কুমিল্লা প্রতিনিধি মীর শাহ আলম,দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার ষ্টাফ রিপোর্টার সিনিয়র সাংবাদিক সাদেক মামুন,দৈনিক কুমিল্লার আলো পত্রিকার সম্পাদক জসিম উদ্দিন কনক,দৈনিক শিরোনামের স্টাফ রিপোর্টার মোতাহের হোসেন মাহবুব,আজকের কুমিল্লার সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু,সময় টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বাহার রায়হান, কালেরকন্ঠের কুমিল্লা প্রতিনিধি আবদুর রহমান, কুমিল্লা নিউজের সম্পাদক জহিরুল হক বাবু,দৈনিক একুশে সংবাদ পত্রিকার কুমিল্লা প্রতিনিধি জুয়েল রানা।

অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও সিটিভি নিউজ টুয়েন্টিফোর এর সম্পাদক ওমর ফারুকী তাপস।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন অনুষ্ঠান শুরুতে পবিত্র কোরাআন থেকে তেলোয়াত করেন সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন।

আলোচনা শেষে অতিথি ও আমন্ত্রিত সাংবাদিকরা মিলে দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকার ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে মুভকামনা জানায়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,ডেইলি স্টারের কুমিল্লা প্রতিনিধি খালিদ বিন নজরুল,দৈনিক সুর্যদয়ের ব্যুরো চিফ তাপস চন্দ্র সরকার, সামাজিক সংগঠন নবাব ফয়জুন্নেছা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আজাদ সরকার লিটন,দেশ টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি সুমন কবীর ভূইয়া, এসএ টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, দৈনিক আজকের কুমিল্লার সিনিয়র রিপোর্টার বিএম মহিউদ্দিন মন্টি, ফটো সাংবাদিক এন কে রিপন,নাগরিক টিভি ক্যামেরা পারসন আলমগীর হোসেন,ঢাকা ক্যানপ্যাস কুমিল্লা প্রতিনিধি মোঃ মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ, দৈনিক নতুন কাগজের জেলা প্রতিনিধি ও চেতনায় একাত্তর নিউজের সম্পাদক মাইনুল হক স্বপন, দৈনিক ডাক প্রতিধিনের বার্তা সম্পাদক নুরুল ইসলাম, দৈনিক মানবজমিন সদর দক্ষিণ প্রতিনিধি সোহিবুল ইসলাম সোহাগ, জাগো কুমিল্লার সম্পাদক অমিত মজুমদার, আমাদের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার মোস্তাফিজুর রহমান, দৈনিক সমাজকণ্ঠ পত্রিকার রিপোর্টার স্টাফ মোতালেব হোসেন, সংবাদ বিচিত্রার প্রতিনিধি প্রদিপ মজুমদার, দৈনিক আমাদের কন্ঠের কুমিল্লা প্রতিনিধি ফেরদৌস মিঠু, দৈনিক আজকের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার শাহ ইমরান,দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার সালাউদ্দিন সোহেল, সাংবাদিক রাজিব সাহা, ফটো সাংবাদিক মোঃ শাফি, দৈনিক আজকের আজকের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার উজ্জল, দৈনিক ভোরের কলামের মহানগর প্রতিনিধি আয়েশা আক্তার, আজকের দর্পনের প্রতিনিধি রবিউল বাশার, দৈনিক পূর্বাশার প্রতিনিধি মো: আলাউদ্দিন,
দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের জেলা প্রতিনিধি মো: গাজী রুবেল,দৈনিক মাতৃভূমির প্রতিনিধি মাহ্ফুজ আনোয়ার সৌরভ,সাংবাদিক নারায়ন কুন্ড, সাংবাদিক শাহিন আলম, দৈনিক ভোরের কলামের হাবিবুর রহমান মুন্না,কুমিল্লার আলোর স্টাফ রিপোর্টার নুরুল হক রনি,আজকের জীবনের মহানগর প্রতিনিধি মজিবুর রহমান চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আনোয়ার হোসেন, কুমিল্লা প্রতিদিনের সম্পাদক ইকরাম হোসেন, বেঙ্গল টাইমসের প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন ,সাংবাদিক নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

কুমিল্লায় ৫ সাংবাদিককে সম্মাননা প্রদান করেছে সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক নির্যাতিত সাংবাদিক দিবসে ৫ সাংবাদিককে সম্মাননা প্রদান করেছে সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ।

২রা নভেম্বর জাতিসংঘ স্বীকৃত ‘সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের দায়মুক্তি অবসানের আন্তর্জাতিক দিবস’। কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক নির্যাতিত সাংবাদিক দিবস হিসেবে সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ,কুমিল্লা আলোচনা সভা ও নির্যাতিত সাংবাদিকদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান করেছে ।

নগরীর হিলটন টাওয়ারের ৬ষ্ঠ তলায় চাটার্ড লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানীর মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি মোঃ লুৎফুর রহমান।

সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ,কুমিল্লার সভাপতি ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য ওমর ফারুকী তাপসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের সময় ও বাংলাভিশন টিভির প্রতিনিধি সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ, দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি অধ্যাপক মীর শাহালম, চাটার্ড লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানীর ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তফা কামাল, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার ষ্টাফ রিপোর্টার সাদিক মামুন, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কুমিল্লা জেলা সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের কুমিল্লার ব্যবস্থপনা সম্পাদক শাহাজাদা এমরান, সাংবাদিক ইউনিয়ন কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আজকের কুমিল্লার সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, দৈনিক ভোরের কাগজের প্রতিনিধি এম ফিরোজ মিয়া, লেখক কলামিষ্ট ও সাংবাদিক মোতাহের হোসেন মাহাবুব, দৈনিক সমাজকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক জসিম উদ্দিন চাষী, সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ,কুমিল্লার অর্থ সম্পাদক জুয়েল রানা মজুমদার, সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ,কুমিল্লার যুগ্ন সাধারণ সম্পাপদক রবিউল বাশার খান,লেখক ও কলামিষ্ট সাংবাদিক ডাঃ আবদুল আউয়াল।

দিবসটি উপলক্ষে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ,কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে কুমিল্লায় সাংবাদিকতা পেশায় দায়িত্ব পালনকালে হামলাও নির্যাতনের শিকার এবং কারা নির্যাতিত হয়েছেন এমন ৫ জন সাংবাদিককে ফুলের মালা পড়িয়ে এবং সম্মাননা ক্রেষ্ট দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সম্মাননা প্রাপ্ত নির্যাতিত সাংবাদিকরা হচ্ছেন ,দৈনিক কুমিল্লার আলো পত্রিকার সম্পাদক জসিম উদ্দিন কনক, সময় টিভির ভিডিও ক্যামেরাপার্সন বাহার রায়হান,কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি আবদুর রহমান, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক বাবু, ও জাগো কুমিল্লা অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক অমিত মজুমদার। তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলেদেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ লুৎফুর রহমান। সম্মাননা প্রাপ্ত নির্যাতিত সাংবাদিকদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সহ সাধারণ সম্পাদক বাহার রায়হান।

অনুষ্ঠানে  বক্তারা বলেন, হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত হলে অপরাধিরা সাংবাদিকদের হামলার সাহস পাবেনা। এই ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের মধ্যে একতা ও ঐক্য সৃষ্টি করতে হবে এবং রাজনৈতিক দলীয় লেজুরবৃত্তি বন্ধ করতে হবে।

খরচ কমলো হজের

ডেস্ক রিপোর্ট:

আগামী বছর হজে যেতে সরকারিভাবে দুটি প্যাকেজ চূড়ান্ত করা হয়েছে। ঘোষিত সাধারণ প্যাকেজ অনুযায়ী, এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রায় প্রত্যেক হজযাত্রীর গত বছরের চেয়ে ৯২ হাজার ৪৫০ টাকা কম খরচ হবে। একই সঙ্গে থাকছে বিশেষ প্যাকেজ।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ‘হজ প্যাকেজ-২০২৪’ ঘোষণা করেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

তিনি জানান, সরকারিভাবে হজে যেতে সাধারণ প্যাকেজে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। বিশেষ হজ প্যাকেজের মূল্য ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা।

চলতি বছর সরকারিভাবে একটি প্যাকেজের মাধ্যমে হজ পালনে খরচ নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬ লাখ ৭১ হাজার ২৯০ টাকা। অন্যদিকে বেসরকারিভাবে এজেন্সির মাধ্যমে হজ পালনে সর্বনিম্ন খরচ ধরা হয়েছিল ৬ লাখ ৬০ হাজার ৮৯০ টাকা।

চলতি বছরের মতো আগামী বছরও (২০২৪ সাল) বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন বলে ইতোমধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

আজ আপনাদের মাঝে আসতে পেরেছি, সেজন্য শুকরিয়া: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

২১ বছর পর ক্ষমতায় আসার পর প্রতিটি ক্ষেত্রকে বেসরকারির জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ’৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আমরা সরকারে ছিলাম। সরকারে আসার পর মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই আমাদের লক্ষ্য ছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রকে বেসরকারির জন্য উন্মুক্ত করে দিই।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টসের (বিএফইউজে) প্রতিনিধি সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। বিএফইউজে মহাসচিব দীপ আজাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ এই অনুষ্ঠানে আসতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। করোনা শুরু হওয়ার পর বাইরে যাওয়া একবারে বন্ধ ছিল। সাক্ষাৎকার বন্ধ ছিল। মনে হতো একটা বড় জেলে বন্দি। আজ আপনাদের মাঝে আসতে পেরেছি, সেজন্য শুকরিয়া।

তিনি বলেন, বাঙালি জাতি যেন যুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছে। বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে যেন দাঁড়াতে পারে, এটাই ছিল তার (বঙ্গবন্ধু) লক্ষ্য। জাতির পিতার সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করার লক্ষ্য নিয়ে আমি দেশে ফিরে আসি। তিন বছর সাত মাস তিনি সময় পেয়েছিলেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে তিনি স্বল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে চেয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশের সাংবাদিক এবং কলাকৌশলীসহ মানুষের কর্মসংস্থান যাতে ব্যাপকহারে হয় তার জন্য বেসরকারি খাত উন্মুক্ত করে দিই। আমাদের একটি মাত্র টেলিভিশন ছিল। যারা সরকারের থাকত তাদেরই অধীন ছিল। কে আমার গুণগান গাইল, কে আমার গুণগান গাইল না, সেটা আমি দেখি না। আমি সব কিছু মুক্ত করে দিই। ২০০৯ সালে যখন আমরা সরকারে আসি তখন তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করি। তথ্য কমিশন গঠন করি, অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা প্রণয়ন করি।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে মানুষ যত বেশি, সংবাদপত্রও তত বেশি। অনেক উন্নত দেশ কিংবা ধনী দেশেও এত সংবাদপত্র নেই। বর্তমানে আমাদের পত্রিকার সংখ্যা ৩২৪১টি। অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল রয়েছে ৩৮৭টি। বাংলাদেশ টেলিভিশনের পাশাপাশি ৩৩টি টেলিভিশন সম্প্রচারে রয়েছে।

টেলিভিশন মালিকদের উদ্দেশ করে সরকারপ্রধান কলেন, টেলিভিশনের মালিকরা কিন্তু টেলিভিশন চালাচ্ছে। এত সহজ করে দিলাম মালিকরা কেন কল্যাণ ট্রাস্টে অনুদান দেয় না, সেটাই আমার প্রশ্ন। কয়েকজন দিয়েছে কিন্তু বেশির ভাগ মালিকই দেয়নি। সেটা হিসাব করা যায়– কারা দিল, কারা দেয়নি। না দিলে বন্ধ করে দিতে পারি, সেটা করতে চাই না। বন্ধ করার ব্যবস্থা কিন্তু আছে। কে কে দিয়েছে সেই হিসাবটা আমাকে দিয়েন, কল্যাণ ট্রাস্টে ফান্ড দেবে তারপর চলবে। এখানে মালিক আছে, তাই একটু বললাম, দেখি ভয় পেয়ে কিছু দেয় নাকি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের দ্বিতীয়টা উৎক্ষেপণের ব্যবস্থা নিয়েছি।