Tag Archives: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা মন্ত্রীর ভিডিও নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ,গুজব হতে সতর্ক থাকার আহ্বান শিক্ষা মন্ত্রীর

শিক্ষা মন্ত্রীর ভিডিও নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ,গুজব হতে সতর্ক থাকার আহ্বান শিক্ষা মন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার:

শিক্ষা মন্ত্রী ড আ ন ম এহসানুল হক মিলনের একটি পুরনো ভিডিওকে কেন্দ্র করে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

শিক্ষা মন্ত্রী ড. মিলনের একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে “”বিশেষ দ্রষ্টব্য শিরোনামে” উল্লেখ করা হয় যে, ড. মিলনের এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার ভিডিওকে কেন্দ্র করে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে প্রপাগাণ্ডা।

প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি ছিল শিক্ষার্থীদের সাথে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতি নিয়ে তাঁর একটি আলাপ চারিতার অংশ। যা এখনকার প্রেক্ষাপটে নতুন করে প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। গত বুধবার, ১৫ এপ্রিল সিলেটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং সকলকে সত্যতা যাচাই না করে কোন তথ্য শেয়ার না করার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি আর-ও বলেন, তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী সকলকে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দিতে এবং গুজব প্রতিরোধে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভূয়া ফটোকার্ড ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । তাতে বলা হয়, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। তিনি এ ধরনের কোনো বক্তব্য কোথাও দেননি। তাই এ ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য বিশ্বাস না করা এবং প্রচার ও শেয়ার থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে মন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে।

উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারের লক্ষে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ বৈঠক 

নিজস্ব প্রতিনিধি:
উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ
দ্বি পাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, পুত্রাজায়ায় মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দেশটির উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জাম্ব্রি আবদুল কাদিরের সাথে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। বৈঠকে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মশক্তির গতিশীলতার ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। যেখানে বৃত্তির সুযোগ সম্প্রসারণ এবং মালয়েশীয় সমাজে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের একীভূতকরণ উন্নত করার উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী।
মালয়েশিয়া বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারের ম্যান্ডেটকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং নতুন নীতিমালার অধীনে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততাকে আরও দৃঢ় করার অঙ্গীকার প্রকাশ করেছে।

উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের কথা বলেছেন ফলে যার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানব সম্পদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির অগ্রাধিকারের ওপর আলোকপাত করেছেন বলে জানা যায়। তিনি বহুমুখী ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য মালয়েশিয়া থেকে বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন।

তিনি এমন সুসংগঠিত বৃত্তি ব্যবস্থার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন, যা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষকেই সমর্থন করে না, বরং মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, নিরাপত্তা এবং সামাজিক একীকরণও নিশ্চিত করে।

উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন পুনরায় নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের উপর গুরুত্ব দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় অংশীদারিত্ব জোরদার করা, একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা এবং মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় যৌথ শিক্ষা প্রকল্প গড়ে তোলার গুরুত্বের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন বলে জানা যায়।

মন্ত্রী জাম্ব্রি আবদুল কাদির এই প্রস্তাবগুলোকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বিদ্যমান ও ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা কর্মসূচির অধীনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি বরাদ্দ সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনা করার বিষয়ে মালয়েশিয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।

মালয়েশিয়ায় বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক—১১,০০০-এরও বেশি—বাংলাদেশী শিক্ষার্থী রয়েছে, যাদের অনেকেই বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছে। উভয় পক্ষই একাডেমিক বিনিময় ও আর্থ-সামাজিক সংযোগে এই শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক অবদান এবং বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে তারা যে ভূমিকা রাখে করে, তা স্বীকার করেছে।

উভয় পক্ষ পারস্পরিকভাবে স্বীকৃত যোগ্যতা, যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, দূরশিক্ষণ এবং সহজ শিক্ষা পদ্ধতির সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেছে। তারা উভয় দেশের শ্রম বাজারের চাহিদা এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতের সঙ্গে একাডেমিক প্রোগ্রামগুলোকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার গুরুত্বের বিষয়ে একমত হয়েছে।

আলোচনায় স্নাতকদের গতিশীলতা এবং দক্ষতা উন্নয়নও অন্তর্ভুক্ত ছিল। উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থী ও স্নাতকদের জন্য পেশাগত অভিজ্ঞতা ও উন্নয়নের পর্যাপ্ত সুযোগ নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। মন্ত্রী জাম্ব্রি প্রস্তাবটি স্বীকার করেন এবং মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক শিক্ষা নীতির সাথে সঙ্গতি রেখে সহায়ক কাঠামো খুঁজে বের করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

কাঠামোগত বৃত্তি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা, শিক্ষার্থী সহায়তা ব্যবস্থা উন্নত করা এবং বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী শিক্ষাগত, সামাজিক ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক গভীর করার বিষয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে আলোচনাটি সমাপ্ত হয়, যা একটি টেকসই অর্থনৈতিক ও জ্ঞানভিত্তিক অংশীদারিত্বে অবদান রাখবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অফলাইনে ও ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী মিলন

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাস নেওয়া হবে। এর তিনদিন হবে অনলাইনে, আর বাকি তিনদিন ক্লাস হবে অফলাইন বা সশরীরে। শিক্ষার্থীদের শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এনে ক্লাস করাতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে ক্ষেত্রে রোববার অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলবে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, শনি-সোম-বুধবার অফলাইনে বা সশরীরে ক্লাস চলবে। আর বাকি দিনগুলো চলবে অনলাইন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর দনিয়া কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ এবং ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে এক অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানিয়েছেন। কোন কোন বারে অনলাইনে এবং কোন বারে অফলাইনে ক্লাস হবে, তাও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এনে ক্লাস করাতে চায় সরকার। সপ্তাহের শনি, সোম ও বুধবার অফলাইনে বা সশরীরে ক্লাস চলবে। আর রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস হবে। শিক্ষকরা স্কুলে এসে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেবেন।

শিক্ষার্থীরা যেন পিছিয়ে না থাকে তা আমরা নিশ্চিত করতে চাই: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্বের যে কোনো শিক্ষার্থীর চেয়ে এক বিন্দু পিছিয়ে না থাকে তা আমরা নিশ্চিত করতে চাই।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর শহরের বিষ্ণুদী ফাজিল মাদ্রাসায় শিক্ষার আধুনিকায়নে চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয় শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকের বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষা যে জায়গায় পৌঁছেছে, সেটির জন্য আমরা মুগ্ধ। শিক্ষকরা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিষয়ে যেমন গড়ে তুলছেন। একইভাবে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাসহ অন্যান্য সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে প্রযুক্তিতে দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলছেন।

দীপু মনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর আপনারা আমাকে সুযোগ দিয়েছেন আপনাদের সেবা করার। আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। আল্লাহর রহমতে আগামীতে সুযোগ পেলেও আপনাদের সেবা করে যাব। আর মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন এবং আধুনিকায়নের বিষয়ে শিক্ষকরাই সবচাইতে ভালো জানেন। কারণ শিক্ষকরাই সেটি বাস্তবায়ন করে আসছেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা নীতি প্রণয়ন করেন এবং যারা সিদ্ধান্ত নেন তারা অভিজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নেন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। কিন্তু সেটি কতটুকু এবং কীভাবে বাস্তবায়িত হলো, তার ফলাফল কতটা ইতিবাচক, কোনো সমস্যা আছে কিনা, কি কি চ্যালেঞ্জ আছে, সেগুলো থেকে উত্তরণের জন্য কি করণীয় আছে সেগুলোর জন্য পরামর্শ দেওয়ার কাজগুলো শিক্ষকরা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাবিবুর রহমান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ফরহাদুল ইসলাম, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি এএইচএম আহসান উল্লাহসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ।

যেকোনো উন্নত দেশের তুলনায় আমরা অনেক স্বস্তিতে রয়েছি : শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক যে চাপ যাচ্ছে, তার ধাক্কা সব দেশেই পড়েছে। তারপরও পৃথিবীর যেকোনো উন্নত দেশের তুলনায় আমরা অনেক স্বস্তিতে আছি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা সঠিক নেতৃত্ব পেয়েছি বলেই আমরা এখনো ভালো আছি। আর স্বস্তিতে আছি বলেই আবারও জনগণ শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দিবে।

দীপু মনি বলেন, ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য তরুণদের উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। এখন তিনি ঘোষণা দিয়েছেন ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ। আর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কারিগর আজকের তরুণ প্রজন্ম। আজকে যারা প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে পড়াশোনা করছে সেই শিক্ষার্থীদের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হিসাবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ওসমান গনি পাটওয়ারী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আবুল খায়ের পাটওয়ারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এএইচএম আহসান উল্লাহসহ চাঁদপুরের মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নৌকা আমাদের ভাষার অধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র দিয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, জনগণ নৌকা ছাড়া আর কাকে ভোট দেবে। নৌকা আমাদের ভাষার অধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র দিয়েছে।

তিনি বলেন, আজকের যে বাংলাদেশ সেই বাংলাদেশে পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, কর্ণফুলী টানেল, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ও শুধু যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হয়েছে তা নয়। শিক্ষা-স্বাস্থ্য জীবন উন্নয়নে মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছে। এতে মানুষের জীবন মান উন্নত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল হাসানের কাছে চাঁদপুর-৩ আসনের জন্য দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জাতিকে একটা মর্যাদাপূর্ণ জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করেছে। সেই মার্কা (নৌকা) ছাড়া জনগণ কাকে ভোট দেবে। যারা সন্ত্রাস করে আগুনে পুড়িয়ে মানুষ মারে, নিশ্চয়ই তাদের নয়। দলের শৃঙ্খলা-ঐক্য মাথায় রেখে সবাইকে নির্বাচনের জন্য কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনী আমেজ এখন সারা দেশে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকবে। ভোটাররা তাদের পছন্দের পাঠ থেকে বেছে নেবেন। সবারই রাজনীতি করার ইচ্ছা থাকে। তাই অনেকেই নির্বাচন করবেন। বিভিন্ন দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। নির্বাচন নিয়ে দলীয় নির্দেশনা কি আসবে সেটার জন্য সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন এসডু পাটোয়ারী, পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নাজিম দেওয়ান প্রমুখ।

নৌকার প্রার্থীর পক্ষে সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করবে: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, মনোনয়ন বোর্ড যাকেই মনোনয়ন দেবে, দেশের যে এলাকায় দেবে, সেই নৌকার প্রার্থীর পক্ষে আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করবে। তারা নৌকার বিজয়কে যেমন নিশ্চিত করবে এবং দলীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে প্রত্যাশা করি।

বুধবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর শহরের কদমতলায় নিজ বাসবভনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের প্রাচীন বড় রাজনৈতিক দল। এ দলে যারা কাজ করেন তাদেরকে সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেই একটা পর্যায়ে আসতে হয়। কাজেই প্রতিটি সংসদীয় আসনেই অনেক যোগ্য প্রার্থী থাকে। তারা এমপি হতে সকলেই চান। গণতন্ত্রে তাদের মনোনয়ন চাইবার অধিকারও আছে। মনোনয়ন কাকে দেওয়া হবে সেটা মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত। কিন্তু মনোনয়ন চাইবার অধিকার সকলের আছে। এবার অনেক নারী ও তরুণরা মনোনয়ন চেয়েছেন। এটিকে আমি মনে করি একটা ভালো লক্ষণ। তারা সকলে জনপ্রতিনিধি হওয়ায় ইচ্ছুক। তাদের এই ইচ্ছা শক্তিকে ভালো লক্ষণ হিসেবে দেখছি।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ নীতি-আদর্শ নিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব সময় নির্বাচন করেছে এবং করবে। যখন প্রয়োজন হয়েছে জোটবদ্ধ নির্বাচন করেছে। আমাদের জোট সব সময় আদর্শিক জোট হয়েছে। কখনো কখনো আমরা নির্বাচনী জোট করেছি। আমাদের মনোনয়ন নির্ধারণ করার কাজ শেষে হলে বুঝা যাবে আমরা জোটবদ্ধ নাকি জোট ছাড়া নির্বাচন করবো। কারণ তখন বুঝা যাবে কোন দল বেশী শক্তিশালী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাই সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক এবং উৎসবমুখর পরিবেশে একটি নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। যাতে করে ভোটাররা আগামী দিনে তাদের দেশ পরিচালনার জন্য দল পছন্দ করে নিতে পারে।

এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী এবং জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে আন্দোলনকারীরা কোচিং ব্যবসায় জড়িত : শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে যারা তথাকথিত আন্দোলন করছেন, তাদের বেশির ভাগই কোচিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কেউ কেউ নোট-গাইড স্কুলপর্যায়ে নিয়ে কমিশনের মাধ্যমে বিক্রি করেন। দুঃখজনক হলেও সত্য এর সঙ্গে কিছু সংখ্যক শিক্ষকও জড়িত। তারা যে দাবিগুলো করছেন সেগুলো একেবারেই অযোক্তিক।

শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন ।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, তারা সংস্কার, বাতিল কিংবা অন্তত পক্ষে ৫০-৬০ নম্বরের পরীক্ষা চায়। তার মানে আমরা যদি বলি ঠিক আছে ৫০-৬০ নম্বরের পরীক্ষা দেব তাহলে তাদের আর বাতিল ও সংস্কারের দরকার নেই। ৫০-৬০ নম্বরের পরীক্ষা কেন? তাহলে বাচ্চাদের পরীক্ষার প্রস্তুতির নামে কোচিংয়ে যেতে হবে। কাজেই তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কোচিং ব্যবসাকে বাঁচিয়ে রাখা।

তিনি আরও জানায়, আমাদের নতুন শিক্ষাব্যবস্থা একেবারে রূপান্তর। এক সময় আমরা সকলে একটা মুখস্থ বিদ্যা জগত পার হয়ে আসছি। আমাদের সময়ে ১০,১২,১৫ বছরের বিরতিতে এক একটা নতুন প্রযুক্তি আসতো। এখন ১০-১৫ মিনিটে নতুন নতুন প্রযুক্তি আসছে। এখন কিন্তু আমাদের শিক্ষার্থীরা যে জগতে বড় হবে সেখানে তাদেরকে প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে নতুন নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে এবং তারপর নিজেকে নেতৃত্বের জায়গায় নিয়ে এসে সেই জগতে টিকে থাকতে হবে। ভালো করতে হবে। আমরা কি সারাজীবন পিছিয়ে থাকবো? নিশ্চয়ই না। আমরা ২০৪১ সালে একটা উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখছি। সেই স্বপ্ন বাস্à¦