All posts by jitu

হলি আর্টিজান মামলা: ৭ জনের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড

হলি আর্টিজান মামলা: ৭ জনের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট:

আলোচিত গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলা মামলায় ৭ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো.মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া আসা‌মিরা হলেন- জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজীব গান্ধী, আসলাম হোসেন ওরফে র‌্যাশ, আব্দুস সবুর খান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাদিসুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশিদ।

রায়ে আদালত বলেছেন, আসামিরা স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া কারাগারেই থাকবেন।

এর আগে বেলা ১১টা ২৮ মিনিটে রায় পড়া শুরু হয়। রায়ের সংক্ষিপ্ত অংশ পাঠ করেন বেঞ্চের জুনিয়র বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

রায় ঘোষণার সময় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ, সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল নির্মুল কুমার দাশ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট আমিমুল এহসান জুবায়ের উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১১ অক্টোবর আলোচিত এ মামলায় সাতজনের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন) ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষ হয়।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির (আত্মঘাতী) সদস্যরা। তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। পরে কমান্ডো অভিযানে নিহত হন পাঁচ জঙ্গি।

এ ঘটনার মামলায় ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান একজনকে খালাস দিয়ে সাতজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।

ফৌজদারি মামলায় বিচারিক আদালত যখন আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দেন তখন ওই দণ্ড কার্যকরের জন্য হাইকোর্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক মামলার সব নথি হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেন। যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। ওই নথি আসার পর হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করে।

সে অনুযায়ী ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়।

দে‌শের ই‌তিহা‌সে অন্যতম নৃশংস এ হামলায় ৯ জন ইতালীয়, ৭ জন জাপানি, একজন ভারতীয়, একজন বাংলাদেশি-আমেরিকান দ্বৈত নাগরিক ও দুজন বাংলাদেশিসহ মোট ২০ জনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের গ্রেনেডের আঘাতে প্রাণ হারান বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহমেদ ও সহকারী পুলিশ কমিশনার রবিউল ইসলাম।

হামলার পর জিম্মি অবস্থার অবসানে সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে নিহত হয়েছিলেন পাঁচ জঙ্গি। তারা হলেন- মীর সামেহ মোবাশ্বের, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ ওরফে মামুন, নিবরাস ইসলাম, খায়রুল ইসলাম পায়েল ও শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল।

এছাড়া বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে নিহত হয়েছেন নব্য জেএমবির আরও ৮ সদস্য। তাদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবুল হাসনাত রেজা করিমও অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পান।

ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা করেন ওই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিপন কুমার দাস। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবির মামলাটি তদন্ত করে ২০১৮ সালের ১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

আলু আমদানির সিদ্ধান্ত সরকারের

ডেস্ক রিপোর্ট:

লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সরকার। ডিমের পর এবার আলু আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশ থেকে আলু আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন থেকে আলু আমদানি করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা।

সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আগ্রহী আমদানিকারকদের মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার অনুরোধ জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগেও অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে আলু আমদানির পরিকল্পনা করেছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। পরে গত ৭ অক্টোবর এর বিরোধিতা করে মতামত দিয়েছিল কৃষি মন্ত্রণালয়। ফলে তখন ব্যবসায়ীদের আলু আমদানির অনুমতি দিতে পারেনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এর তিন সপ্তাহ কেটে গেলেও বাজারে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বরং আরও বেড়েছে। এমতাবস্থায় ডিমের পর আলুও আমদানি করতে যাচ্ছে সরকার।

গত মাসের মাঝামাঝি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আলু, দেশি পেঁয়াজ ও ডিম- এই তিন পণ্যের দাম বেঁধে দিয়েছিল। তবে নির্ধারিত সেই দাম সরকার কখনোই কার্যকর করতে পারেনি। দেড় মাস ধরে বাড়তি দামেই এসব পণ্য কিনেছেন ক্রেতারা।

সম্প্রতি আলুর বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক প্রতিবেদন পাঠিয়েছে ভোক্তা অধিদপ্তর। সেখানে আমদানির সুপারিশ করা হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. হায়দার আলী জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজারে আলু সরবরাহ বৃদ্ধি ও বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগ্রহী আমদানিকারদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার অনুরোধ জানানো হলো।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার বেলা ১১ টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসির সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়েছে। নির্বাচন সফল করতে আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি দল এতে অংশ নিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। তার সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা এতে অংশ নিচ্ছেন।

বৈঠকে পুলিশ মহাপরিদর্শক, র‍্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড, এসবির অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবরা উপস্থিত রয়েছেন।

সংসদ নির্বাচনের উপকরণ প্রায় কেনা শেষের পথে। বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে পাঠানোর প্রক্রিয়াও শুরু করেছে ইসি। সরকারি মুদ্রণালয়কে ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য উপকরণ ছাপানোর নির্দেশনাও দিয়েছে ইসি।

আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি তফশিল ঘোষণা করা হবে। আর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা নিয়ে শঙ্কা কাজ করছে। এ নিয়ে বাহিনীগুলোর সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করছে নির্বাচন কমিশন।

নাইকো দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে কানাডার দুই পুলিশ

ডেস্ক রিপোর্ট:

নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হয়েছেন কানাডা অ্যান্ড রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের সদস্য কেবিন দুগ্গান ও লয়েড শোয়েপ।

সোমবার (৩০ অক্টোবর) সকালে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯ নম্বর (অস্থায়ী) বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে হাজির হন তারা। চলছে সাক্ষ্যগ্রহণ।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯ নম্বর (অস্থায়ী) বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান ৩০ অক্টোবর তাদের আদালতে এসে তাদের সাক্ষ্য দিতে এ সমন জারি করেন। এদিন মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তৎকালীন সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলমকে জেরা করার দিন ধার্য ছিল। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী হাজিরা দাখিল করেন।

এরপর খালেদা জিয়াসহ অপর আসামির পক্ষে বাদীকে জেরা করেন তাদের আইনজীবীরা। জেরা শেষ হওয়ায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৩০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আদালত।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) একজন এবং কানাডিয়ান রয়েল মাউন্টেড পুলিশের দুজনকে অনুমতি দেন আদালত। তারা হলেন- যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যরো অব ইনভেস্টিগেশনের অবসরপ্রাপ্ত সুপারভাইসরি স্পেশাল এজেন্ট ডেবরা লাপরিবট্ট গ্রিফিথ, কানাডা অ্যান্ড রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের সদস্য কেবিন দুগ্গান ও লয়েড শোয়েপ।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া ও হান্নান ভুইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করা হয়।

এরপর ২০১৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এতে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়। ২০২৩ সালে ১৯ মার্চ কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯ নম্বর (অস্থায়ী) বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ গঠন করেন।

মামলার অন্য সাত আসামি হলেন- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল করপোরেশনের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

অন্যদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন ও বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান মারা যাওয়ায় মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মসজিদে নববী ইমামের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক রিপোর্ট:

সফররত সৌদি আরবের মদিনায় পবিত্র মসজিদে নববী ইমাম শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আল-বুয়াজান বাংলাদেশকে তার দ্বিতীয় দেশ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের ভৌগোলিক দূরত্ব সত্ত্বেও বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের জনগণ ধর্মীয় বন্ধনের কারণে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

রোববার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে শেখ ড. আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-বুয়াজান এসব কথা বলেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জানান, মদিনায় পবিত্র মসজিদে নববীর ইমাম বলেছেন বাংলাদেশ তার দ্বিতীয় দেশ। শেখ ড. আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-বুয়াজান বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের জনগণের মঙ্গল ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছেন।

প্রেস সচিব বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং তাকে পবিত্র ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর খেদমত করার তৌফিক দান করার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

শেখ ড. আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-বুয়াজান প্রধানমন্ত্রীকে জানান, মসজিদে নববীতে কর্মরত খাদেমদের অধিকাংশই বাংলাদেশি নাগরিক।

সারাদেশে নির্মিত মডেল মসজিদ প্রসঙ্গে পবিত্র মসজিদে নববীর ইমাম বলেন, যারা মসজিদ নির্মাণ করে মহান আল্লাহ তাদের অনেক নেয়ামত দান করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় মসজিদে নববীর ইমামকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ২০২৩ সালের জাতীয় ইমাম সম্মেলনে তার উপস্থিতি বাংলাদেশের মানুষকে ইসলামের প্রকৃত মর্মের প্রতি উৎসাহিত করবে। তিনি বলেন, তাকে বেশ কয়েকবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং তিনি সর্বশক্তিমান আল্লাহর রহমতে বেঁচে গেছেন।

হজ পালনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ১৯৮৪ সালে প্রথম হজ করেন এবং পরে তিনি তার পিতা বঙ্গবন্ধু ও মা বঙ্গমাতার পক্ষ থেকেও হজ করেন।

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, তিনি জেদ্দায় অনুষ্ঠিতব্য ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং মহানবি হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র রওজা মোবারকের জিয়ারত করবেন।

জবাবে শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আল-বুয়াজান বলেন, তিনি মদিনার পবিত্র মসজিদে নববীতে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানোর প্রতীক্ষায় থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি, ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, অ্যাম্বাসেডর-এ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, ধর্মবিষয়ক সচিব মো. এ হামিদ জমাদ্দার এবং সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসুফ ইসা আল দুহাইল উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপশন (জিসিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অথ্যাপক ড. প্যাট্রিক ভি ভারকুইজেন একই স্থানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রেসসচিব জানান, প্যাট্রিক ভি ভারকুইজেন আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে জলবায়ু ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় তিনি ভাসমান পানির গাড়ির মতো দেখতে নেদারল্যান্ডস হেড কোয়ার্টার অফিসের মডেল দেখান এবং প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে একটি কনভেনশন সেন্টার নির্মাণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

জিসিএ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে এ পর্যন্ত প্রায় ৩২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করা হয়েছে।

জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেল্ট তৈরি করতে কাজ করছে, অন্যদিকে, তার দল আওয়ামী লীগ ১৯৮৫ সাল থেকে বনায়নের জন্য চারা রোপণ করে আসছে।

অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, ক্লাইমেট ভালরারেবল ফোরামের প্রেসিডেন্সির বিশেষ দূত আবুল কালাম আজাদ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ ও হরতালে হামলা ভাঙচুর আগুনে ৮৮ লাখ টাকার ক্ষতি: বিআরটিসি

সমাবেশ ও হরতালে হামলা ভাঙচুর আগুনে ৮৮ লাখ টাকার ক্ষতি: বিআরটিসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

সমাবেশ ও হরতালের দুই দিনে বাস ডিপোতে হামলা, বাসে ভাঙচুর-আগুনের ঘটনায় ৮৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে সরকারি পরিবহন সংস্থা বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিসি)।

রোববার (২৯ অক্টোবর) সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো বিআরটিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৮ অক্টোবর আনুমানিক বিকেল ৪টায় বিএনপি-জামায়াতের সমাবেশে অংশগ্রহণকারী প্রায় ৩০০ জন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী বিআরটিসি মতিঝিল আন্তর্জাতিক বাস ডিপোতে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। ডিপোর গেট টপকে ডিপোর অভ্যন্তরে প্রবেশ করে প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় আন্তর্জাতিক সার্ভিসের কাউন্টার ও বিশ্রামাগার এবং ট্রাফিক শাখায় ভাঙচুরসহ তাণ্ডব চালায়। একপর্যায়ে দুষ্কৃতকারীরা নিচতলায় আন্তর্জাতিক সার্ভিসের কাউন্টারে অগ্নিসংযোগ করে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে। হামলায় ঢাকা-আগরতলা, ঢাকা-কলকাতা, আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক কাউন্টারের অভ্যন্তরে কম্পিউটার, টেবিল, চেয়ার, সোফা, রুমের জানালার গ্লাস সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে আনুমানিক ২৫ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ডিপোর নিরাপত্তার দায়িত্বে ১০ জন আনসার সদস্য ও ১০০ জন নিজস্ব জনবল দিয়ে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ না হওয়ায় ডিপোর জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে আনসার সদস্য কর্তৃক ১৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। ঘটনার একপর্যায়ে বাংলাদেশ পুলিশের প্রায় ৫০ জন সদস্য ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। সবার যৌথ প্রচেষ্টায় দুষ্কৃতকারীরা পিছু হটে।

গত ২৮ অক্টোবর আনুমানিক বিকেল ৪টার দিকে বিএনপি-জামায়াতের সমাবেশে অংশগ্রহণকারী অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা শাহাজাহানপুরে ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৬২৫৭ রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বাসে অগ্নিসংযোগ করে। এতে বাসটির সম্পূর্ণ অংশ পুড়ে যায়। ফলে বিআরটিসির ৬০ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়। দুষ্কৃতকারীর হামলায় বাসে নিয়োজিত চালক গুরুতর আহত হয়। এ বিষয়ে ২৮ অক্টোবর মতিঝিল থানায় এবং ২৯ অক্টোবর শাহজাহানপুর থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।

২৯ অক্টোবর আনুমানিক সকাল সাড়ে ৮টায় উত্তরার জসিমউদ্দিন এলাকায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সার্ভিসের চারটি বাস ভাঙচুর করা হয়। বাসের জানালার গ্লাস ও উইন্ডশিল্ডের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে প্রায় ২ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। এছাড়া দুষ্কৃতকারীরা বেলা ১১টার দিকে জোয়ারসাহারা বাস ডিপোর নিয়ন্ত্রণাধীন ঢাকা মেট্রো-ব-৫০৯৮ নম্বর বাসে টঙ্গী চেরাগ আলী নামক স্থানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বাসের তিনটি সিট পুড়ে যায়। এ ঘটনায় এক লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। উভয় ঘটনায় দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় জাতিসংঘের ৫৯ কর্মী নিহত

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নিহত হয়েছেন জাতিসংঘের ৫৯ কর্মী। গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের অবিরাম বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন তারা। অন্যদিকে একই সময়সীমায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা আট হাজার ছাড়িয়েছে।

নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই প্রায় সাড়ে ৫ হাজার। রোববার (২৯ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলার কারণে গাজায় ইউএন রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সির (ইউএনডব্লিউআরএ) ৫৯ জন কর্মী নিহত হয়েছেন বলে রোববার জানিয়েছে জাতিসংঘ।

ইউএনআরডব্লিউএ-এর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এক্সে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গাজায় হামলায় প্রাণ হারানো ইউএনআরডব্লিউএ কর্মীদের সম্মান জানাতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমাদের সহকর্মীদের নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় জাতিসংঘ এবং ইউএনআরডব্লিউএর জন্য প্রতিটি দিন এক একটি অন্ধকার দিন হয়ে উঠছে।’

প্রসঙ্গত, মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র ধর্মীয় স্থান আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন এবং অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের অত্যাচারের জবাব দিতে গত ৭ অক্টোবর ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ নামে একটি অভিযান চালায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।

হামাসের এই হামলায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৪০০ ইসরায়েলি। নিহতদের মধ্যে ২৮৬ জন সেনাসদস্য রয়েছে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। হামাসের হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি। এছাড়া আরও ২২৯ জনকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে গেছে হামাস।

এই ঘটনার জের ধরে গত ৭ অক্টোবর থেকেই গাজায় বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূখণ্ডটিতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫ জনে। নিহতদের মধ্যে ৩ হাজার ৩৪২ শিশু, ২ হাজার ৬২ জন নারী এবং ৪৬০ জন বয়স্ক মানুষ।

এছাড়া ইসরায়েলের এই বিমান হামলা থেকে বাদ যাচ্ছে না গাজার কোনও অবকাঠামো। তারা মসজিদ, গির্জা, স্কুল, হাসপাতাল ও বেসামরিক মানুষের বাড়ি-ঘর সব জায়গায় হামলা চালিয়ে আসছে। একইসঙ্গে গত ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় সর্বাত্মক অবরোধও আরোপ করে রেখেছে ইসরায়েল।

উল্লেখ্য, প্রথম আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পরে ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইউএনডব্লিউআরএ। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্থটি গাজা, পশ্চিম তীর, জর্ডান, সিরিয়া এবং লেবাননে স্কুলিং (শিক্ষা), প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং মানবিক সহায়তাসহ অন্যান্য মানবিক সেবা প্রদান করে আসছে।

বিএনপি আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেছে নিয়েছে: কাদের

বিএনপি আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেছে নিয়েছে: কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি ঐতিহ্যগতভাবে সন্ত্রাসী সংগঠন। কানাডার আদালত ৬ বার সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে রায় দিয়েছে। ২০১৩- ১৪ সালে শত শত মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। আজকে বিএনপি একইভাবে আসন্ন নির্বাচনকে ভণ্ডুল করতে আবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে বেছে নিয়েছে।

রোববার (২৯অক্টোবর) বিকেলে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি জামায়াত আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ফিরে এসেছে। বিএনপি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী নয় বলে তারা রাজনৈতিক পরিবেশকে বিনষ্ট করছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা কারও সঙ্গে সংঘাতে যাব না। গায়ে পড়ে কেন সংঘাতে যাব? আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। তবে আমাদের ওপর হামলে পড়লে পরিস্থিতি যা বলবে তাই করব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের হাতে নিরাপদ নয়। আমরা এখনো বলব, এই সহিংসতা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফিরে আসুন। ক্ষমতা পরিবর্তনে নির্বাচনে বিকল্প নেই। আমরা একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

তিনি বলেন, শনিবার ও রোববারের হামলা বিএনপির পূর্ব পরিকল্পিত। বিএনপি অনেক দিন ধরেই হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কথা বলে তারা তাদের রাজনীতির যে সন্ত্রাসী ধারা সেই ধারা বাস্তবায়নে গোপনে প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তারা তাদের ভয়ংকর রাজনীতির ধারা, পুরনো চেহারায় ফিরে আসার জন্য সময় নিচ্ছিল। সময় মতোই তারা তাদের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের পথ বেছে নিয়েছে।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তারা চ্যালেঞ্জ করেছে। প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা মানে দেশের বিচার ব্যবস্থাকে তারা অপমান করেছে। গত দুই দিন তারা কী করেনি? বিএনপি যেকোনো উপায়ে ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। অত্যন্ত ক্ষোভ ও বেদনার সঙ্গে জানাতে হচ্ছে, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে বিএনপি জামায়াত জোট আবারও নৃশংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হলো।

কাদের বলেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক আদর্শে বিশ্বাসী নয়। সুষ্ঠু স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশকে তারা বিনষ্ট করছে। গতকাল নৃশংস হামলা চালিয়ে একজন পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে হত্যা করেছে। প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা, হাসপাতালে আগুন এগুলোই ছিল তারেক রহমানের টেকব্যাক।

এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুস রাজ্জাক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, শাহজাহান খান, লে. কর্নেল (অব) মো. ফারুক খান, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক ইঞ্জি. আব্দুস সবুর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, দেলোয়ার হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক নাজিবুল্লাহ হিরু, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম, উপ-দপ্তর সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, আনোয়ার হোসেন, সানজিদা খানম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন

কুমিল্লায় বিএনপির মিছিলে লাঠিচার্জ-টিয়ারশেল নিক্ষেপ, আটক ৮

স্টাফ রিপোর্টার:

বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতালে কুমিল্লায় বিএনপির মিছিলে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এ সময় বিএনপির অন্তত ৮ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।

রোববার (২৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী ইয়াছিনের নেতৃত্বে নগরীর কান্দিরপাড় থেকে একটি মিছিল বের হয়ে চকবাজারে গেলে পুলিশ বাধা দেয়।

বিএনপি নেতাদের দাবি তারা শান্তিপূর্ণ হরতাল সমর্থনে নগরীতে মিছিল করছেন। পুলিশ বিনা উস্কানিতে তাদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়াশেল নিক্ষেপ করে। এতে তাদের বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিক আহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি তারা।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী আমিন উর-রশিদ ইয়াছিন জানান, পুলিশ বিনা উস্কানিতে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সরদ সার্কেল) কামরান হোসেন জানান, বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ করতে বলেন। পুলিশ তাদের বাধা দিলে তারা উত্তেজিত হয়ে ককটেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেন।

চান্দিনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের হরতাল বিরোধী মিছিল ও শান্তি সমাবেশ

চান্দিনা প্রতিনিধি:

সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত এর ডাকা হরতালের প্রতিবাদে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার চান্দিনা অংশে হরতাল বিরোধী মিছিল ও শান্তি সমাবেশ করে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

রবিবার (২৯ জুন) সকালে চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মুনতাকিম আশরাফ টিটু সিআইপি’র নেতৃত্বে ওই মিছিল ও শান্তি সমাবেশ করে তারা। মিছিলটি মহাসড়কের কাঠেরপুল থেকে শুরু হয়ে উপজেলা গেইট হয়ে চান্দিনা উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চান্দিনা মহিলা কলেজের সামনের সড়কে শান্তি সমাবেশ এর মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

এতে অন্যদের বক্তৃতা করেন- চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মহিউদ্দিন আহমেদ আলম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান দুলু মাস্টার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম মুন্সি, চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ ভূইয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামান, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা এবি ছিদ্দিক, কোষাধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক বশির আহম্মেদ সরকার, পৌর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি কাউন্সিলর আক্তার আহমেদ নাদিম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুরুজ ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর আবদুস ছালাম, মো. মোজাম্মেল হক, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মাসুমুর রহমান মাসুদ, পৌর যুবলীগ সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার, ॥বাড়েরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি সেলিম ভুঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম, মাইজখার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ইমাম হোসেন ফরিদ, পৌর কাউন্সিলর মো. নজরুল ইসলাম, কাজী তোফায়েল আহমেদ জনি, উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি কাজী ইয়াসিন আহমেদ অভি, সাবেক সহ-সভাপতি সাকিব মাহমুদ ভূইয়া তানিন প্রমুখ।