All posts by jitu

‘শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা পেলেন জাহাঙ্গীর আলম’

‘শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা পেলেন জাহাঙ্গীর আলম’

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বহিষ্কৃত মেয়র এবং গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমকে শর্তসাপেক্ষে সাংগঠনিকভাবে ক্ষমা করা হয়েছে।

শনিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের তথ্য জানানো হয়।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে জানানো হয়, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বার্থ, আদর্শ, শৃঙ্খলা তথা গঠনতন্ত্র ও ঘোষণাপত্র পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার জন্য ইতোপূর্বে আপনাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থি কর্মকাণ্ড ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করার শর্তে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে। সেই সূত্রে আপনার প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করা হলো।’

ভবিষ্যতে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয় চিঠিতে।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে জাহাঙ্গীর আলমের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই অডিওতে তাকে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ লোক শহীদ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করতে শোনা যায়। এ ঘটনায় ওই বছরের ১৯ নভেম্বর তাকে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

পরে বেশ কিছু অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ নভেম্বর তাকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ২০২২ সালের ১৭ ডিসেম্বর গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির বৈঠকে দলীয় বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হয়।

তবে কেন্দ্রের নির্দেশ অমান্য করে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোটে প্রার্থী হওয়ায় চলতি বছরের ১৫ মে তাকে পুনরায় আওয়ামী লীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়। পাঁচ মাস পর দ্বিতীয় দফায় তাকে ক্ষমা করল আওয়ামী লীগ।

স্মার্ট দেশ গড়তে স্মার্ট নাগরিক লাগবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী

স্মার্ট দেশ গড়তে স্মার্ট নাগরিক লাগবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি প্রতিনিধি:

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ চাই স্মার্ট নাগরিক লাগবে, স্মার্ট সমাজ চাই তাহলেই স্মার্ট নাগরিক লাগবে। যদি আমি স্মার্ট সরকার পরিচালনা করতে চাই তাহলেও আমার স্মার্ট নাগরিক লাগবে। আমার অর্থনীতিকে যদি স্মার্ট করতে চাই, প্রচলিত যে কর্মকান্ড আছে তার বাইরে আমাদের স্মার্ট কর্মকাণ্ড করতে হবে। সামগ্রিকভাবে আমাদের এই কর্মকান্ড ২০০৯ থেকে আজকে পর্যন্ত বর্তমান সরকারের প্রায় সকল নাগরিক সেবাকে ডিজিটালে রূপান্তরিত করা হয়েছে। জমির নামজারি থেকে শুরু করে ই-পাসপোর্টসহ এমন কোন সেবা নেই, যে সেবাকে ডিজিটাল করা হয়নি।

শনিবার (২১অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসদরে আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মোস্তফা জব্বার বলেন, স্মার্ট মানুষ তৈরি করার জন্য প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর হাতে ডিজিটাল ডিভাইস না দিয়ে আমরা কোনোভাবেই স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরির লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো না। আমাদের শিক্ষার্থীদের যদি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, তাহলে বিশ্বের যেকোনও মানদণ্ডকে তারা অতিক্রম করতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সালে এক এমবিপিএস ইন্টারনেটের মূল্য ছিলো ২৭হাজার টাকা, আজ ১৭বছরে এসে সেই একই পরিমানের ইন্টারনেটের দাম ৬০টাকা। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০০৮ এ যেখানে সাড়ে ৭ লক্ষ ছিল, সেখানে আজ ১৩ কোটি লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এর মধ্যে মোবাইল ব্যবহারেও অগ্রগতি হয়েছে। আমাদের ১৭ কোটি মানুষের দেশে ১৮ কোটি মোবাইল সংযোগ আছে। পুরোদেশ এখন ফোর-জি নেটওয়ার্কের আওতায় আছে। আর এগুলো সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায়।

বঙ্গবন্ধুর প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশকে টেলিফোন ও ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করার জন্য বেতবুনিয়াতে উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। তারই কন্যা শেখ হাসিনা ৯৭ সালে এদেশে টু-জি মোবাইল ফোন, ২০১৩ সালে থ্রী-জি, ২০১৮ সালে ফোর-জি এবং ২০২১ সালে ফাইভ-জি মোবাইল ফোন চালু করেন।

আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের প্রতিষ্টাতা মোস্তফা জব্বার বলেন, আমার কাজই হলো কানেক্টিভিটি, এই কানেক্টিভিটি যদি না দেওয়া হয়, যতসব স্তম্ভের কথা বলেছি তার কোনটিই বাস্তবায়িত হবেনা।

আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এর সভাপতিত্বে বিশেস অতিথির বক্তব্য রাখেন দেশ সেরা উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর অবঃ মোহাম্মদ আলী সুমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা ফেরদৌস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশপাকুজ্জামান, দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিনুল হাসান, পৌর মেয়র নাইম ইউসুফ সেইন। এছাড়া সম্মানিত অতিথি ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার ( দাউদকান্দি সার্কেল) এনায়েত কবির সোয়েব, দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি ও প্যানেল মেয়র রকিব উদ্দিন রকিব প্রমূখ।

বিএনপির গায়েবি মামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপির গায়েবি মামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, গায়েবি মামলা বলে কিছু নেই, ঘটনা ঘটলে মামলা হয়; না ঘটলে মামলা হয় না। এখানে কে বিরোধী দল, কে অন্য দল- এটা পুলিশ দেখে না। এটা পুলিশের নিয়মিত কর্মকাণ্ড।

শনিবার লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতিবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, সরকার বিএনপির লাখ লাখ নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলা দিচ্ছে।

এই অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ঘটনা যেখানেই ঘটে সেখানেই মামলা হয়। বিএনপির গায়েবি মামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন। ঘটনায় ভুক্তভোগীরা মামলাগুলো দায়ের করেন। বিএনপি এটাকে গায়েবি মামলা বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। যেগুলো গায়েবি মামলা বলা হচ্ছে, সেসব ঘটনা ঘটেছে বলেই মামলাগুলো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ষড়যন্ত্র করে আসছে। সবাই দেখেছে তারা কিভাবে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে, মানুষকে পুড়িয়েছে। কাজেই এদেশের মানুষ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।বিএনপি যদি সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের মধ্য দিয়ে কিছু করতে চায়, এদেশের মানুষই তার জবাব দিয়ে দেবে।

বেগম রহিমারোশন মাদরাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ

বেগম রহিমারোশন মাদরাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বিটেস্বর ইউনিয়নের কাদিয়ারভাঙ্গা বেগম রহিমারোশন গার্লস মাদরাসার বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার সকালে মাদরাসা মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে মাদরাসার সভাপতি মো. নূরআলম ভূঁইয়া (আলম)এর সভাপতিত্বে মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক শরীফ প্রধানের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, মাদরাসার চেয়ারম্যান মাওলানা মজিবুর রহমান সিকদার।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফেরদৌস রহমান, মো. কামাল উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন শিকদার, মো. মফিজুর রহমান, ডা: আলাউদ্দিন, মাওলানা আমির হোসেন, ডা: নাঈম প্রধান।

অবশেষে রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গাজায় ঢুকল ত্রাণবাহী ট্রাক

অবশেষে রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গাজায় ঢুকল ত্রাণবাহী ট্রাক

ডেস্ক রিপোর্ট:

টানা দু’সপ্তাহের অবরোধে আটকে থাকার পর অবশেষে রাফাহ ক্রসিং দিয়ে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় প্রবেশ করেছে ত্রাণ পণ্যবাহী ট্রাক। রাফাহ ক্রসিং থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

রাফাহ ক্রসিং থেকে আলজাজিরার প্রতিনিধি তার নিউজ স্টেশনকে জানিয়েছেন, ‘আমরা ক্রসিং দিয়ে ত্রাণ সামগ্রীবাহী প্রথম ট্রাকটিকে গাজায় প্রবেশ করতে দেখেছি।’

আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান রেড ক্রস অ্যান্ড রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির মিসর শাখার বরাত দিয়ে একই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপিও।

গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের জনসংযোগ বিভাগ থেকে দেওয়া এক বার্তায় এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘আজ রাফাহ ক্রসিং দিয়ে ত্রাণ পণ্যবাহী ২০টি ট্রাক প্রবেশের কথা রয়েছে। এসব ট্রাকে ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী ও সীমিত পরিমাণে ক্যানজাত খাবার রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত মিশরের সিনাই মরুভূমি থেকে গাজা উপত্যকাকে পৃথক করা এই সীমান্তপথটি উপত্যকার সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত। গাজা থেকে বের হওয়ার আরও দু’টি সীমান্তপথ রয়েছে, কিন্তু সেগুলো ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে এবং ইসরায়েলের ইচ্ছে অনুযায়ী সেগুলো খোলা বা বন্ধ থাকে।

৩৬৫ কিলোমিটার আয়তনের ভূখণ্ড গাজায় বসবাস করেন প্রায় ২৩ লাখ ফিলিস্তিনি, যাদের এক তৃীতিয়াংশেরও বেশি সরাসরি জাতিসংঘ ও অন্যান্য দাতা দেশ ও সংস্থার ত্রাণ এবং আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। অপর দুই সীমান্ত প্রায় সময়েই বন্ধ থাকায় এই রাফাহ ক্রসিং দিয়েই গাজা ভূখণ্ডে প্রবেশ করে ত্রাণের সরবরাহ। এ কারণে এই ক্রসিংটি গাজার ফিলিস্তিনিদের ‘লাইফ লাইন’ নামেও পরিচিত।

গত ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকার উত্তর দিকের সীমান্ত ইরেজ দিয়ে ইসরায়েলে অতর্কিতে হামলা চালায় উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস। হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ওই দিনই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী (আইএএফ), যা এখনও চলছে।

প্রায় একই সঙ্গে রাফাহ ক্রসিং এলাকায়ও আইএএফ বোমা বর্ষণ শুরু করলে মিসর ওই সীমান্তপথ বন্ধ করে দেয়।

ফলে একদিকে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর টানা অভিযান এবং অন্যদিকে খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রীর সরবহা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত দু’ সপ্তাহের যুদ্ধে মানবিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যান গাজায় বসবাসরত ফিলিস্তিনিরা।

এ পরিস্থিতিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার ইসরায়েল সফরে যান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সেই সফরে এই ক্রসিং খুলে দিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল সিসিকে আহ্বান জানান তিনি। নেতানিয়াহু এবং সিসি সেই আহ্বানে সাড়াও দেন।

সফর শেষে সেদিনই ওয়াশিংটনে ফিরে আসেন বাইডেন। ফেরার আগে ইসরায়েলের বিমানবন্দরে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘মিসর রাফাহ ক্রসিং খুলে দিতে রাজি হয়েছে। আশা করছি, শুক্র বা শনিবারের মধ্যেই এই ক্রসিং খুলে যাবে।’

আন্দোলনের নামে দুর্বৃত্তপনা করলে ছেড়ে দেবো না: প্রধানমন্ত্রী

আন্দোলনের নামে দুর্বৃত্তপনা করলে ছেড়ে দেবো না: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আন্দোলনের নামে দুর্বৃত্তপনা করলে কিন্তু ছেড়ে দেবো না, বলে বিএনপিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন ও আইনজীবী মহাসমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা আন্দোলন করছে, করুক। আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু আন্দোলনের নামে দুর্বৃত্তপনা করলে কিন্তু ছেড়ে দেবো না।

তিনি জানান, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। কেউ কারো ধর্মের ওপর আঘাত হানবে না। বাংলাদেশে যাতে এ ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটে, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা যত বেশি স্বাবলম্বী হবো, ততবেশি আইনজীবী থেকে শুরু করে সবার জন্য সুযোগ অবারিত করে দিতে পারবো। আসুন সবাই মিলে সেই বাংলাদেশ গঠনে কাজ করি। আপনারা মানুষের পাশে থাকবেন। যেখানেই অন্যায় দেখবেন, অন্যায়কারী যেন সাজা পায় সে জন্য কাজ করবেন।

সরকার প্রধান জানায়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যেন কোনো রকম প্রতিবন্ধকতা না হয়। মানুষের কল্যাণে আমরা কাজ করে যাই। আইনজীবীদের জন্য প্রতিটি জেলায় বিশেষ প্লটের ব্যবস্থা করে দেবো। সাথে সাথে আমার একটি অনুরোধ থাকবে আপনারা সার্বজনীন পেনশন স্কিম গ্রহণ করবেন। পাশাপাশি আপনাদের ফান্ড, যেটা জাতির পিতা করে দিয়েছেন, সেটাতে আমি ৩০ কোটি টাকা দেবো। আপনারাও সাধারণ আইনজীবীরা এতে কন্ট্রিবিউট করবেন।

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে আমাকে আগেই গ্রেফতার করেছে। আমি কৃজ্ঞতা জানাই, যখন গ্রেফতার করেছে, আপনারা আইনজীবীরা পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রতিনিয়ত একটার পর একটা মামলা দিয়েছে। আমাকে হয়রানি করেছে। আমি কিন্তু টলিনি। নিম্ন আদালতের পাাঁপাশি উচ্চ আদালতের আইনজীবীরাও পাশে ছিলেন।

শেখ হাসিনা জানান, পদ্মাসেতু নিজস্ব অর্থায়েনে করেছি। দুর্নীতির অভিযোগ এসেছিল, আমি চ্যালেঞ্জ করেছিলাম, দুর্নীতি করতে তো আসিনি। পরে এটা আদালতে মিথ্যা প্রমাণ হয়েছে।

তিনি বলেন, স্মার্ট জুডিসিয়ারি করার উদ্যোগ হিসেবে ই-জুডিসিয়ারি চালু করেছি। জেলে ভার্চুয়াল কোর্ট বসানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছি আইনগুলো সংশোধন করে যুগোপযোগী করে দিয়েছি।

শেখ হাসিনা জানায়, আমি জানি একটি দাবি আছে, আইনজীবী ভবন করে দেওয়ার। আর্থিকভাবে যত স্বচ্ছলতা আসবে, ধীরে ধীরে সব জেলায় এটা করে দিতে পারবো। তবে এখানে একটা শর্ত আছে, সেখানে আইনজীবীদের পক্ষ থেকেও ফান্ড থাকতে হবে। আপনারা একটা ফাণ্ড গঠন করেন, সেখান থেকে কিছু দেন আমিও কিছু দিবো।

এ সময় ২০১৩-১৪ সালে বিএনপির জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনে দায়ের করা মামলার দ্রুত বিচার নিষ্পিত্তির দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই বিএনপি ক্ষমতায় এসে আমাদের কত নেতা হত্যা করেছে। ২০১৩ সালে অগ্নি সন্ত্রাস করে আরো ভয়াবহ পরিবেশ তৈরি করেছে। এই অগ্নি সন্ত্রাসের সঙ্গে যারা জড়িত, সেই মামলাগুলো দ্রুত শেষ করতে হবে, এটাই আমার অনুরোধ। তাদের শাস্তি কেনো দেরি হবে। আগে আন্ডারগ্রাউন্ডে ছিল, এখন আন্দোলনের সুযোগে সামনে এসেছে। তাদের মামলায় যেন তারা সাজা পায়। এটা আপনাদের কাছে আমার দাবি।

সরকারপ্রধান বলেন, ২০০১ এ বাংলাদেশের গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে বিএনপি-জামায়াত এসেছে ক্ষমতায়। তারা দেশের অর্থপাচার করেছে। দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের দেশ বানিয়েছে। সারাদেশে বোমা হামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করেছে। বেঁচে গেছি, এটা ঠিক। কিন্তু তারা দেশে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য করেছে।

তিনি বলেন, খুনিদের জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় বসিয়েছেন। সে সময় আমি দেশে ফিরে আসি। দেখি, ক্ষমতাসীনরা উচ্ছ্বিষ্ট বিলিয়ে কিছু লোকের ভাগ্য উন্নয়ন করেছেন কিন্তু জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়নি। আমি গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে বেড়াই। মানুষের কষ্ট দুর্দশা দেখি। পরে ২১ বছর পর আমরা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করি। বিচার বিভাগের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিই।

শেখ হাসিনা জানান, বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে জিয়াউর রহমানের সহায়তায় বেঈমান মোস্তাক ক্ষমতা দখল করে। টিকতে পারেনি। আসল চেহারা নিয়ে বেরিয়ে আসে জিয়া। ক্ষমতা দখল করে। ইনডেমনিটি জারি করে আমাদের বিচার থেকে বঞ্চিত করে। নির্বাচন প্রক্রিয়া ধ্বংস করে। নিজেই দল গঠন করে কারচুপি করে ২/৩ শতাংশ মেজোরিটি দিয়ে সংবিধান ক্ষত-বিক্ষত করে।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজও তিনি শুরু করেছিলেন। তার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করে দিয়ে যান। বিচার কাজে নারীদের যাওয়ার পথ সুগম করেন জাতির পিতা। তার হাত ধরে আমরা সেটা আরও সহজ করে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সদ্য স্বাধীন দেশে স্বাধীনতার সুফল যেমন মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ শুরু করেন। পাশাপাশি তিনি সাড়ে সাত কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আত্মনিয়োগ করেন। বাংলাদেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বিচার বিভাগের দিকেও নজর দিয়েছেন। মাত্র ১০ মাসে একটা সংবিধান উপহার দেন। যেটা বিশ্বের কোনো দেশ দিতে পারে নাই। তিনি আইনের শাসনে বিশ্বাস করতেন। তার হাত দিয়েই বাংলাদেশের বিচার কাঠামোর গোড়াপত্তন। তিনি ৭২ সালে বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করেন। ৭৩ সালে তাদের ৪৪ শতাংশ জমি বরাদ্দ দেন এবং আইনজীবীদের জন্য ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ফাণ্ড গঠন করে দিয়ে যান।

তিনি বলেন, জাতির পিতা এদেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের লক্ষে ৬ দফা দিয়েছেন। যতবার তিনি এদেশের মানুষের জন্য কথা বলেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, বন্দি হয়েছেন, জেল খেটেছেন। সাজাও দেওয়া হয়েছে, কিন্তু থেমে যাননি। আন্দোলনের মধ্য দিয়েই্ আমাদের পথচলা।

মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। আরো বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সদস্য সচিব ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এ এম আমিন উদ্দিন, বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান, আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক কাজী নজিবুল্লাহ হিরু ও আইন সচিব গোলাম সরওয়ার।

সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধুর আইনী দর্শন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

২৮ অক্টোবর কর্মসূচির আড়ালে সহিংসতা করলে কঠোর হস্তে দমন : ডিএমপি কমিশনার

২৮ অক্টোবর কর্মসূচির আড়ালে সহিংসতা করলে কঠোর হস্তে দমন : ডিএমপি কমিশনার

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, ‘২৮ অক্টোবর বিএনপির ডাকা কর্মসূচির আড়ালে যদি কেউ সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে, ঢাকার সোয়া ২ কোটি মানুষের জানমালের নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি করে, তবে ডিএমপির পক্ষ থেকে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

শনিবার মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পাওয়া এমআরটি পুলিশের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে দুপুর ১২টায় রাজধানীর উত্তরা উত্তর মেট্রো স্টেশনে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আগামী ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ। এ কর্মসূচিকে ঘিরে ইতোমধ্যে একটি নিরাপত্তা শঙ্কা ও জনমনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যদি কোনো উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে কিভাবে সামাল দেবে পুলিশ? জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী যে কোনো রাজনৈতিক দল শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক আন্দোলন, মিছিল-মিটিং সমাবেশ করার অধিকার রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে পুলিশ নিরাপত্তাও দিয়ে থাকে। তবে সহিংসতা করলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড ফিরিয়ে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ

ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড ফিরিয়ে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ

ডেস্ক রিপোর্ট:

১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী, ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড ফিরিয়ে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।

শুক্রবার গালফ কো–অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) ও অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনসের (আসিয়ান) যৌথ সম্মেলনে এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি।

মোহাম্মদ বিন সালমান জানান, গাজায় স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরাতে এবং ফিলিস্তিন সমস্যা ১৯৬৭ সালের সীমানায় ফিরে যাওয়া ছাড়া সমাধান হবে না। খবর সৌদি গেজেটের

সৌদি যুবরাজ জানায়, গাজায় এ পরিস্থিতির মধ্যে সবাই বৈঠকে বসলাম। একের পর এক হামলায় সেখানে নিরীহ মানুষ মারা যাচ্ছে। এভাবে নিরীহ মানুষের ওপর হামলা সৌদি আরব কখনই সমর্থন করে না।

তিনি বলেন, এ হামলায় আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হচ্ছে। হামলা বন্ধ করতে হবে। এই সংঘাতে শান্তি আনতে হলে ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড ফিরিয়ে দিতে হবে।

এদিকে শুক্রবার মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে কথা বলেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এ সময় তিনি, গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার বিষয়টি আবারও প্রত্যাখ্যান করেছেন।

সৌদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার সময় বিন সালমান গাজার পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য এবং সহিংসতা যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তা নিশ্চিত করার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচেষ্টা করতে উৎসাহিত করেছেন।

তিনি গাজার ওপর অবরোধ তুলে নেওয়া এবং অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চিকিৎসা ও ত্রাণ সহায়তার অনুমতি দেওয়ার দাবি জানান।

ট্রুডোর অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই নেতা গাজা ও ইসরাইলের পরিস্থিতি এবং সংঘাতের আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তারা গাজা সংঘাতের মানবিক প্রভাব সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সব পক্ষের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মানবিক অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে।

ট্রুডো দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান এবং ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিদের শান্তি ও নিরাপত্তায় বসবাসের অধিকারের প্রতি কানাডার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। এর পর ফিলিস্তিনে ইসরাইলের হামলায় এখন পর্যন্ত চার হাজার ৩০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন হাজার মানুষ। অবরুদ্ধ গাজায় নির্বিচারে হামলা করছে ইসরাইল। হাসপাতাল, স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্রও হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

অপরদিকে হামাসের হামলায় ইসরাইলে প্রায় এক হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া হামাসের হাতে আটক রয়েছে দুই শতাধিক মানুষকে ইসরাইল থেকে জিম্মি করেছে। তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছে।

আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসের বাবা হলে বিএনপি সন্ত্রাসের দাদা: শাজাহান খান

আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসের বাবা হলে বিএনপি সন্ত্রাসের দাদা: শাজাহান খান

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লী‌গের সভাপ‌তিমণ্ডলীয় সদস্য ও সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসের বাবা হলে বিএনপি সন্ত্রাসের দাদা। বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সন্ত্রাস করেছে, ক্ষমতার বাইরে এসেও সন্ত্রাস করছে। আওয়ামী লীগ ধ্বংসে না উন্নয়নে বিশ্বাস করে। তাই আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই।

শুক্রবার রাতে মাদারীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ মাদারীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মাদারীপুর সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে তিনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে এসব কথা বলেন।

শাজাহান খান জানান, যত হরতাল হয়েছে প্রতিটা হত্যাযজ্ঞের মাস্টারমাইন্ড ছিল বিএনপি। এদের রাজনৈতিক মূল লক্ষ্য হলো মানুষকে গুম করা। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন দেখলে তাদের এখন মাথা ঘোরে। তাই তারা মাঝে মাঝে আবোল-তাবোল কথা বলে।

এ সময় মাদারীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান দর্জির সভাপতিত্বে ও পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চুন্নুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আবুল বাসার, স্থানীয় সংসদ প্রতিনিধি আজিজুর রহমান শিবু খান, মাদারীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান খান, মাদারীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ শাখাওয়াত হোসেন সেলিম, সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এজাজুর রহমান আকন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিবুর রহমান খানসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

গাজায় জিম্মি মার্কিনি মা ও মেয়েকে মুক্তি দিল হামাস

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজায় জিম্মি করে রাখা মার্কিনি নারী এবং তার মেয়েকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। মূলত হামাসকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের ফ্যাসিবাদী মন্তব্যকে ভুল প্রমাণ করতে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

শুক্রবার মুক্তি পাওয়ার পর মার্কিনি নারী ও তার মেয়ে ইসরায়েলে পৌঁছান। এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েল, আইডিএফ ও সমগ্র নিরাপত্তা সংস্থা নিখোঁজ ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে এবং জিম্মিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং শুক্রবার গভীর রাতে ইসরায়েলে পৌঁছেছেন।

এদিকে, মার্কিনি নারী ও তার মেয়েকে মুক্তি দেওয়ার আগে টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক বিবৃতি দিয়েছে হামাস। এতে বলা হয়েছে, কাতারের প্রচেষ্টায় আল-কাসাম ব্রিগেডস মানবিক কারণে দুই মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দিয়েছে। এর মাধ্যমে আমেরিকার জনগণ এবং বিশ্বকে প্রমাণ করতে যে, বাইডেন এবং তার ফ্যাসিবাদী প্রশাসনের দাবিগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনেক দিনের মধ্যস্থতার ফলে এই মুক্তি মিলেছে। কাতার আশা করে যে, সংলাপের মাধ্যমে সকল বেসামরিক জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে।

দুই আমেরিকান-ইসরায়েলি জিম্মি হলেন ইহুদিত ও নাটালি শোশানা রানান। গত ৭ অক্টোবর থেকে তারা হামাসের হাতে বন্দি ছিলেন।

নাটালির বয়স ১৭, সবেমাত্র হাই স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেছেন। তিনি ইসরায়েলে ছুটি কাটাচ্ছিলেন। আর তার মা ইহুদিত একজন শিল্পী এবং শিকাগো এলাকার বেশ কয়েকটি হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতেন।

সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট