All posts by jitu

অবরোধের শেষ দিনে দেবিদ্বারে আ.লীগ নেতা রোশন আলীর বিশাল মহড়া

দেবিদ্বার প্রতিনিধি :

বিএনপি-জামায়াতের ডাকা অবরোধের শেষ দিনে নৈরাজ্য ঠেকাতে কুমিল্লার দেবিদ্বারে সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে রাজপথে মহড়া দিয়েছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব রোশন আলী মাষ্টার।

বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মাহসড়কের দেবিদ্বার অংশসহ উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করেন শেষে দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা।

সমাবেশে রোশন আলী বলেন, বিএনপির-জামায়াতের নৈরাজ্য, অবৈধ হরতাল-অবরোধের প্রতিবাদে আমি দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনকে নিয়ে সব সময় মাঠে আছি। তাদের এই হরতাল-অবরোধ বাংলাদেশের জনগন মানে না। আগুণসন্ত্রাসী বিএনপি কর্মসূচির নামে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা করেছে। হাসপাতালে অগ্নিসংযোগ করেছে। পুলিশ বক্সএ আগুণ দিয়েছে। গত তিন-চার দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু গাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িছে। এতে বেশ কয়েকজন নিহত ও বহু মানুষ হতাহত হয়েছে। গত ২৮অক্টোবর সমাবেশের দিন তারা হামলা কওে অনেক পুলিশকে আহত করেছে। এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে। একই ভাবে অনেক সাংবাদিক ভাইদের নির্মম ভাবে আহত করেছে। তাই মানুষের জান-মাল রক্ষায় আমরা এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রাজপথে অবস্থান নিয়েছি।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এটিএম মেহেদী হাসান ভিপি, উপ-দপ্তর সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম সফিউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিন ভুইয়া মানিক, দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান প্রমূখ।

শুক্রবার শুরু হচ্ছে ১৫-তম মিডিয়া চ্যাম্পিয়ন্স কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট -২০২৩

 

স্টাফ রিপোর্টার:

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে শুরু হচ্ছে ১৫-তম মিডিয়া চ্যাম্পিয়ন্স কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট -২০২৩। এই টুর্ণামেন্টে চারটি দল অংশগ্রহণ করছে ।

প্রথম দিনে মুখোমুখি হচ্ছে ইয়ুথ মিডিয়া টিম ও মিক্সড মিডিয়া টিম। পরদিন ৪ নভেম্বর মুখোমুখি হবে স্থানীয় মিডিয়া টিম বনাম জাতীয় মিডিয়া টিম।

কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়ন,কুমিল্লা স্পোর্টস জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন ও হিউম্যান বিয়িং ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে শুরু হবে এ মিডিয়া টুর্ণামেন্ট।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান রুমেন ফারুক । কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফুর রহমানসহ কুমিল্লার কর্মরত প্রবীণ সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

কুমিল্লা ইয়ুথ মিডিয়া টিম: উপদেষ্টা: রফিকুল ইসলাম ( দৈনিক বাংলার আলোড়ন)
ম্যানেজার: জসিম উদ্দিন কনক ( দৈনিক কুমিল্লার আলো)ও কোচ: আব্দুল জলিল(দৈনিক যায় যায় দিন)

মূল স্কোয়াড: দলে অধিনায়ক হিসেবে রয়েছেন তানভীর খন্দকার দীপু (ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি)। এছাড়া আরো আছেন সৈয়দ রাজীব(ডেইলি সিটিজেন টাইমস), কাজী খোরশেদ আলম ( দৈনিক নয়া দিগন্ত), বিপ্লব চক্রবর্তী (কুমিল্লা টোয়েন্টি ফোর টিভি), ফেরদৌস মাহমুদ মিঠু (দৈনিক কুমিল্লার কাগজ/দেশের কন্ঠ), মো: আলাউদ্দিন (দৈনিক পূর্বাশা), জুয়েল রানা মজুমদার (দৈনিক একুশে সংবাদ), রুবেল মজুমদার (রাইজিং বিডি/আমাদের কুমিল্লা), সালাহউদ্দিন সোহেল (দৈনিক পূর্বাশা), আব্দুল্লাহ আল মারুফ (বাংলা ট্রিবিউন/আমোদ), মহিউদ্দিন ভূইয়া (দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন), জহিরুল হক রাসেল ( দ্য ডেইলি এশিয়ান এইজ), জিহাদুল ইসলাম সাকিব (ভিডিও ক্যামেরাপার্সন- এসএ টিভি), গাজী কুদ্দুসুর রহমান (কুমিল্লা টোয়েন্টি ফোর টিভি), তৌহিদ খন্দকার তপু (ভিডিও ক্যামেরাপার্সন- দেশ টিভি), গাজী রুবেল (দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ), মো: মাইন উদ্দিন (দৈনিক জবাবদিহী), রুবেল আহমেদ (ভিডিও ক্যামেরাপার্সন- চ্যানেল বাংলাদেশ)ও রাফি ( ক্যামেরাপার্সন)

মিক্সড মিডিয়া টিম:
এ টিমে ম্যানেজার হিসেবে রয়েছেন মীর শাহলম (দৈনিক জনকন্ঠ)। কোচ হিসেবে রয়েছেন
সহিদ উল্লাহ (দৈনিক পূর্বাশা)ও সহকারি কোচ এম ফিরোজ (ভোরের কাগজ)।

মূল স্কোয়াড: দলটিতে অধিনায়ক হিসেবে রয়েছেন আনোয়ার হোসেন (ভোরের কাগজ), মো: রবিউল বাশার খান (দৈনিক আজকের দর্পণ), আবরার আল দাইয়ান ( আজকের কুমিল্লা)
মো: সাইদুর রহমান ( কুমিল্লা টোয়েন্টি ফোর টিভি/বর্তমান প্রতিদিন), সোহান (চ্যানেল বাংলাদেশ), আবুল কালাম আজাদ ( দৈনিক রুপসী বাংলা), নাজমুল ইসলাম (ক্যামেরাপার্সন -জাগরনী টিভি), রাজিব সাহা (চ্যানেল এস টিভি), মো: হাবিবুর রহমান মুন্না (স্বদেশ জার্নাল), সৈয়দ সহিদুল ইসলাম সাকিব (আনন্দ টিভি/বিবেক), মজিবুর রহমান রনি (ভিডিও ক্যামেরাপার্সন-৭১ টিভি), ফজলুল হক জয় (ডেইলি নবচেতনা), মো: মহিউদ্দিন আকাশ – (দৈনিক গণমুক্তি/আকাশটিভি টোয়েন্টি ফোর ডট কম), মো: ইয়াছিন মিয়া (মেঘনা টিভি)
সাইফুল ইসলাম (দৈনিক তরুণ কন্ঠ), মো: সাফি (দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার), রায়হান ( মেঘনা টিভি), সুমন চিশতী (অননিউজ টোয়েন্টি ফোর) ও মো: হাসান ( দৈনিক আমাদের কুমিল্লা)।

নোয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় যুবলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলি বিদ্ধসহ আহত ৬ জন

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

এতে গুলি বিদ্ধসহ ৬ জন আহত হয়েছে। গুরুত্বর আহতদের প্রথমে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ও যুবলীগ নেতা আশরাফুল করিম বাবু (৩৮), গুলি বিদ্ধ মো.মাসুম (২৩) ও মো.রিপন (৩৮) কে উন্নত চিচিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার বাঁধেরহাট কলেজ গেইট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন থেকে এলাকার আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেতা আশরাফুল করিম বাবু ও মো. রিপনের সাথে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ গেইটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে দশ থেকে পনেরো রাউন্ড গোলাগুলি হয়। গুলি বিদ্ধ মাসুম সহ ৭ থেকে ৮ জন আহত হয়। আশঙ্কা জনক অবস্থায় মাসুম ও বাবু সহ তিন জনকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। এলাকায় থমথমে অবস্থায় বিরাজ করেছে। এ দিকে বাবুর সমর্থকরা এ ঘটনার জন্য রিপনের লোকজনকে দায়ী করছে।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আব্দুল আজিম বলেন, আহত ৬জনকে হাসপাতালে আনা হয়। গুলিবিদ্ধ মাসুমসহ আহত ৪জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ২জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, গত ইউপি নির্বাচনের বিরোধকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে। আমি গুলির বিষয় নিশ্চিত না। তবে হাসপাতালে গিয়ে আমি দেখে এসেছি। ৩জনকে আহত অবস্থায় দেখেছি। এর মধ্যে এক গ্রুপের ১জন আরেক গ্রুপের ২জন ছিল। আহত ৩জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সৌদি আরবে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কুমিল্লার কিশোরের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার:

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার মো. শাহাবুদ্দিন (২২) নামক এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শাহাবুদ্দিন উপজেলার মুদাফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের চিকুনিয়া গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির মোহাম্মদ রুস্তম আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার দুপুর ১টায় মদিনার আলমাঝের বেদানা সড়কে দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান। শাহাবুদ্দিন মদিনা শহরে একটি হার্ডওয়্যার ব্যবসার পাশাপাশি নিজ দোকানের মালামাল আনা-নেওয়ার জন্য পিক-আপ ভ্যান চালাতেন।
নিহতের পরিবার জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দিকে শাহাবুদ্দিন মদিনা শহর থেকে একটি পিকআপ ভ্যান চালিয়ে নিজ দোকানের জন্য মালামাল আনতে যায়। মদিনা শহরের আলমাঝের বেদানা সড়ক এলাকায় শাহাবুদ্দিন গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এ সময় সড়কের পাশে পাথরের সাথে ধাক্কা খেয়ে ১ শত হাত দুরে পড়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

নিহতের চাচাতো ভাই মাসুদ পাটোয়ারী বলেন, দুইভাই দুইবোনের মধ্যে শাহাবুদ্দিন সবার ছোট। তার বড় ভাই সৌদি আরবে আছেন। শাহাবুদ্দিন ১৫ বছর বয়সে প্রবাসে যান প্রায় ৭ বছর ধরে সৌদি আরব মদিনা শহরের হার্ডওয়্যারের ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। কিছুদিনের মধ্যে দেশে আসার কথা ছিল তার।

তিনি আরও জানান, শাহাবুদ্দিনের মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার।

পুলিশের পিস্তল ছিনতাই: আমিনুলসহ বিএনপি নেতা তিনজন রিমান্ডে

ডেস্ক রিপোর্ট:

পিস্তল, শটগান ও রাইফেল ছিনতাই, ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় পল্টন থানার নাশকতার একটি মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ তিনজনের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

অপর দুইজন হলেন- ঢাকা মহনগর উত্তর যুবদলের সদস্যসচিব সাজ্জাদুল মিরাজ ও গোলাম কিবরিয়া।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু-তদন্তের জন্য তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পল্টন থানার পুলিশের এসআই ইউসুফ। অপরদিকে, তাদের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা চৌধুরীর আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে বুধবার মধ্যরাতে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আজ পিস্তল, শটগান ও রাইফেল ছিনতাই, ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন মামলা খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক মাহবুবুর রহমান মুন্সি।

এ মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ অনেক নেতা উপস্থিত হয়ে সরকারবিরোধী ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। তারা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা করে মনোবল ভেঙে দেওয়ার ইঙ্গিত দেন। উসকানিমূলক বক্তব্যে প্ররোচিত ও উৎসাহিত হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আক্রমণ করে। পুলিশ দুষ্কৃতকারীদের ধাওয়া দিলে তারা কাকরাইল মোড়ের দিকে আসে এবং সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করতে থাকে।

এরপর নাইটিঙ্গেল মোড়েও বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ অব্যাহত রাখে। বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা কাকরাইল, নয়াপল্টন ও বিজয়নগরে ত্রিমুখীভাবে ইটপাটকেলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ অব্যাহত রাখে এবং বিজয়নগর হোটেলের নিচে থাকা মোটরসাইকেলসহ স্থাপনা ও রাস্তার বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ করে ভীতি সৃষ্টি করে। এতে কয়েকজন পুলিশ অফিসার ও ফোর্স আহত হন। আসামিরা পুলিশের ওপর আক্রমণ করে একটি পিস্তল, দুটি শটগান, একটি চায়নিজ রাইফেল, একটি গ্যাসগান, গুলি ও সরকারি অন্য মালামাল নিয়ে যায়।

যার বিরুদ্ধে যেই তথ্য সেই মামলায় গ্রেপ্তার : আইজিপি

ডেস্ক রিপোর্ট:

যার বিরুদ্ধে যেই তথ্য সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে ‌‘বঙ্গবন্ধু ২য় দক্ষিণ এশিয়া স্যাম্বো-কুরাশ প্রতিযোগিতা ২০২৩’ উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপির শীর্ষ তিন নেতার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা থাকার পরও নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হত্যা ও নাশকতার মামলার বিষয়গুলো তদন্তনাধীন রয়েছে। তদন্তে যে তথ্য আসবে, যার বিরুদ্ধে যে তথ্য পাওয়া গেছে সেই মামলা আমরা দিচ্ছি। তাদেরকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যদি হত্যা মামলার তথ্য পাওয়া যায় তাহলে ওই মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

হামলা ও নাশকতায় পুলিশ সদস্য নিহত-আহত হওয়ার ফলে আগামীতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এতে পুলিশের মনোবলে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দেড়শ বছরের একটি পুরোনো প্রতিষ্ঠান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা গর্বের সঙ্গে সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এদেশের মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে আসছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আগামী দিনেও আমরা আমাদের দায়িত্ব থেকে পিছপা হব না। যেকোনো উসকানির মুখে আমরা আমাদের দায়িত্ব আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করব। আমাদের যেই প্রশিক্ষণ ও সামর্থ্য আছে সেটি দিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্যের মনোবল অটুট এবং চাঙ্গা আছে।

তিনি বলেন, আমরা যখন এই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হই, আমাদের কেউ আক্রান্ত হয় তাদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করে থাকি সেটা দেশে কিংবা বিদেশে হোক। আমাদের যারা আহত হয়েছে তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আমাদের মনোবলও অটুট আছে।

আইজিপি বলেন, আমরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পেশাদারিত্বের সাথে যেভাবে দায়িত্ব পালন করি। গত ২৮ অক্টোবরও আমরা সেভাবেই দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত ছিলাম। আমরা নিরাপত্তা দিচ্ছিলাম হঠাৎ করেই দেখি কিছু বাসে আগুন দেওয়া শুরু হলো। পথচারীদের ওপর আক্রমণ, কিছু রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর আক্রমণ শুরু হয়। এটা যখন শুরু হয় একজন মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশের কর্তব্য। এই জন্যই আমরা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দেখেছি, যারা আক্রমণকারী দুষ্কৃতিকারীরা প্রধান বিচারপতির বাসভবনে ঢুকে পড়েছে। বিচারপতিদের বাসভবনে আক্রমণ করেছে। এসব জায়গায় যখন আক্রমণ শুরু করে তখন আমাদের কি করা উচিত ছিল, আমাদের পেশাদারিত্বের সাথে যেটুকু শক্তি প্রয়োগ করার প্রয়োজন ছিল সেটুকু শক্তিই আমরা প্রয়োগ করেছি এবং পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে এনেছি।

তিনি বলেন, অনেকেই বলতে চেষ্টা করেছেন আমরা নাকি ‘প্রেস’ লাগানো পোশাক লাগিয়ে রাজনৈতিক কর্মীদেরকে পুলিশের সঙ্গে সংযুক্ত করেছি। এরা নাকি বিভিন্ন অগ্নিসংযোগ করেছেন। কারা এই অগ্নিকাণ্ড করেছে এটা আপনারা জানেন এবং আপনারা দেখেছেন এবং বুঝতে পেরেছেন। আমি আশা করি দেশবাসীও বুঝতে পেরেছেন।

কথিত জো বাইডেনের উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির নীতিনির্ধারণীর দেশে ও বিদেশের কেউ জড়িত কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, একটা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার জন্য যে ধরনের পরিবেশ রাখা প্রয়োজন সেটা যখন আমরা নিশ্চিত করেছিলাম তখন বিতর্কিতভাবে মানুষের জানমালের ও পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ হয়েছে। আমরা সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছিলাম। সে সময় আমরা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম কিন্তু কেউ উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। আমরা তদন্ত করে দেখছি এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা তাদেরকে গ্রেপ্তার করছি।

 বিএনপির অবরোধের প্রতিবাদে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আ’লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

বিএনপির ডাকা তিন দিনের অবরোধে তৃতীয় দিনে মহাসড়কে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর ) সকাল থেকে ঢাকা – চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে শান্তি সমাবেশের ব্যানারে অবস্থান করেছে আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।

মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মহাসড়ক পাহাড়া দিচ্ছেন তারা।এছাড়া আতংকিত যানবাহনকে মোটর সাইকেল মহড়া দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পাড় করে দেয়ারও চিত্র দেখা গেছে।ঢাকা – চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী বাজার এলাকায় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান,কুমিল্লা – ৫ (বুড়িচং – ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব সাজ্জাদ হোসেন।

শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠানটি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস মিয়া,যুগ্ম সম্পাদক পার্থ সারথি দত্ত,এম এ করিম মজুমদার,সাংগঠনিক সম্পাদক রুপম মজুমদার,দপ্তর সম্পাদক মোঃ সহিদ উল্লাহ,তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ফরহাদুল মিজান,শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো: শহিদ উল্লাহ,শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মানিক খন্দকার,লালমাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামরুল হাছান শাহীন,অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সোবহান খন্দকার সেলিম,দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাইফ উদ্দিন পাপ্পু,সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন রহমান,দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সদস্য জাহিদুল হাসান পলাশ,মো: শাহ আলম,যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান সোহাগ,সাংবাদিক মাঈনুল হাসান,দক্ষিণ জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আবু মুছা,সাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাদুল হাসান রাফি,ছাত্র লীগ নেতা রাশেদুল ইসলাম সুমন,শাহ আলম,বুড়িচং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক কামরুজ্জামান মিঠু,কামাল হোসেন,মোকাম ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান সোহেল,সাবেক ছাত্র লীগ নেতা বাবুল আলম,তোফায়েল আহমেদ,বুড়িচং উপজেলা ছাত্র লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সোহেল আহমেদ,হাবিবুর রহমান হাসান,আসিফ আকবর,রাজিব।এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ,ছাত্র লীগ,অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

 

অবরোধে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের কাজে স্থবিরতা, অনেক অফিসে ঝুলছে তালা

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

অবরোধে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের কাজে স্থবিরতা নেমে এসেছে। উপজেলা পরিষদ এলাকায় লোক সমাগম নেই বললেই চলে। জনশূণ্যতা আর সুনশান নিরবতা বিরাজ করছে পরিষদ এলাকায়। কয়েকটি দফতরের কর্মকর্তা যথাসময়ে অফিসে আসলেও অনেক অফিসে সকাল সাড়ে দশটায়ও তালা ঝুলতে দেখা গেছে।

কোনো কোনো অফিস আবার খোলা থাকলেও নেই সেই অফিসের বড় কর্মকর্তা। কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে সেবা প্রত্যাশীরা কাজ না সেরেই মনখারাপ করে ফিরে যাচ্ছেন বাড়ী। এভাবেই ঢিলেঢালাভাবে চলছে উপজেলা প্রশাসনের দাপ্তরিক কাজকর্ম।

বিএনপি-জামায়াতের ডাকা টানা ৭২ ঘন্টা (৩১ অক্টোবর-২ নভেম্বর পর্যন্ত) অবরোধের আজ তৃতীয় ও শেষ দিনে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের অধিকাংশ কর্মকর্তা নিজ নিজ অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। নিজ কর্মস্থল এলাকায় রাত্রিযাপনের নিয়ম থাকলেও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বেশিরভাগ কর্মকর্তা থাকেন জেলা শহরে। যারফলে অবরোধ চলাকালে রাস্তায় ঝামেলায় পড়ার সম্ভাবনায় কেউ কেউ অফিস করছেন না। অবরোধে ঝুঁকি নিয়ে দুয়েকজন কর্মকর্তা অফিসে আসলেও বেশিরভাগ কর্মকর্তা জেলা সদরে কাজের অজুহাত দেখিয়ে কৌশলে নিজ কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর সুত্রে জানা গেছে। আবার যারা আসছেন তারাও যথাসময়ে আসছেন না বলেই অভিযোগ রয়েছে। সরকারী বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়েও সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিত না থাকায় দুর দুরান্ত থেকে আসা সেবা গ্রহিতারা পড়ছেন নানান ভোগান্তিতে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর তিনি না আসায় সেবা গ্রহণ করতে না পেরে অনেককেই বাড়ী ফিরে যেতে দেখা গেছে।

 

বৃহস্পতিবার (০২ নভেম্বর) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতর সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, এদিন সকাল সাড়ে দশটায়ও অনেক কর্মকর্তা নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত হননি। যারা উপজেলা পরিষদের ভেতরে সরকারী বাসভবনেই থাকেন, তাদের মধ্যেও কেউ কেউ যথাসময়ে নিজ অফিসে উপস্থিত হতে পারেননি।

বৃহস্পতিবার সাড়ে দশটার মধ্যেও যেসকল কর্মকর্তা নিজ অফিসে উপস্থিত হতে পারেননি, তারা হলেন: উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জোবায়ের হাসান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাকিনা বেগম, নির্বাচন কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাহনাজ আক্তার, সমবায় অফিসার ভূঁইয়া মোহাম্মদ শাহীনুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার সাহিদুর রহমান, হিসাব রক্ষণ অফিসার মো: আল এমরান, তথ্য কর্মকর্তা ফাতেমা আক্তার, বিএডিসি’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সেচ)শাহাজালাল মিয়া, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের সহকারী প্রোগ্রামার অপূর্ব সাহা।

এদিকে সকাল সাড়ে দশটায় উপজেলা নির্বাহী প্রকোশলী মো: নুরুজ্জামান এর অফিস খোলা থাকলেও তার চেয়ারটি খালি পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই অফà¦