All posts by jitu

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের আব্দুল মজিদ (৭০) নামে এক হাজতি মারা গেছেন। রোববার (০১ অক্টোবর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আব্দুল মজিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরের শিবপুর ইউনিয়নের জুলাইপাড়ার মৃত হরন আলীর ছেলে। তিনি একটি হত্যা মামলায় জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে ছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের সুপার মো. ইকবাল হোসাইল জানান, চলতি বছরের ২৩ জুন হওয়া একটি হত্যা মামলায় আব্দুল মজিদ কারাগারে হাজতি হিসেবে ছিলেন। রোববার সকালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। পরে বিকেলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানায়, তার মরদেহ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের খবর পাঠানো হয়েছে।

এক রাতের মধ্যে লিঙ্গ পরিবর্তন হয়ে কিশোরী থেকে কিশোর!

এক রাতের মধ্যে লিঙ্গ পরিবর্তন হয়ে কিশোরী থেকে কিশোর!

ডেস্ক রিপোর্ট:

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় এক রাতেই কিশোরীর লিঙ্গ পরিবর্তন হয়ে কিশোরে পরিণত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবর্তিত কিশোরের বাবা-মা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের কসবা সাগরপুর গ্রামের কমর আলীর এক মেয়ে ও এক ছেলে। মেয়ে নাইমা আক্তার লিমা স্থানীয় চতুরপুর মাদ্রাসায় ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। গত বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠে লিমা তার লিঙ্গ পরিবর্তনের কথা তার দাদি ও মাকে জানায়।

লিমার দাদি রহিমা বিবি ও মা পিয়ারা খাতুন লিমার লিঙ্গ পরিবর্তনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে পরিবারের মাঝে খুশির আমেজ বিরাজ করছে।

জোতবানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক জানান, আমি লিমার মা-বাবার মুখে ঘটনাটি শুনে নিশ্চিত হয়েছি। লিমাকে দেখতে অনেক মানুষ ভিড় করছেন।

তিনি আরও জানায়, লিমার নাম পরিবর্তন করে এবং ছেলের পোশাক পরিয়ে আগামী শুক্রবার গ্রামের মসজিদে তুলে নিয়ে দোয়া খায়ের করা হবে।

এবিএফ ইন্টারকন্টিনেন্টাল চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নিলেন বাংলাদেশের সুরো কৃষ্ণ চাকমা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
আন্তর্জাতিক পেশাদার বক্সিং টুর্নামেন্ট, “বেক্সিমকো এক্সসেল বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ ২.০ ফাইট নাইট” শনিবার ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন বিভাগে ৮টি ম্যাচে মোট ১৬ জন বক্সার রিংয়ে লড়াই করে। এই বিভাগ বা ক্যাটাগরিগুলো ছিল সুপার মিডলওয়েট, ফ্লাইওয়েট, ব্যান্টামওয়েট, সুপার লাইটওয়েট, ওয়েল্টারওয়েট এবং লাইট হেভিওয়েট।

বাংলাদেশ বক্সিং ফাউন্ডেশনের আয়োজিত এই টুর্নামেন্টটি শুরু হয় দুই বাংলাদেশি বক্সার, আমিনুল এবং আল সানির মধ্যে দিয়ে। ব্যান্টামওয়েট ক্যাটাগরিতে মোট চার রাউন্ডে লড়াইটি হয়।দুর্দান্ত খেলার মধ্য দিয়ে আল সানি অবশেষে জয় লাভ করেন।

এবারের ফাইট নাইটের প্রথম আন্তর্জাতিক বাউটটি শুরু হয় ভারতের যুগন্ধর তাম্বাট এবং বাংলাদেশের জুয়েল আহমেদ জনির মধ্যে দিয়ে। এই বাউটটি ছিল সুপার মিডলওয়েট বিভাগের।তাম্বাট পুরো ম্যাচ জুড়ে খুবই শক্তভাবে খেললেও জনি তার অসামান্য লড়াইয়ের ক্ষমতা দিয়ে জিতে যান।

এবারের নারীদের বক্সিং লড়াইয়ে মুখোমুখি হন প্রতিভাবান তানজিলা এবং আফরা খন্দকার। ছয় রাউন্ডের এই বাউটে তানজিলার দুর্দান্ত লড়াই এবং আফরার দ্রুত আক্রমণ পুরো ম্যাচটিকে দর্শকদের কাছে করে তোলে উত্তেজনাপূর্ণ। অবশেষে প্রাক্তন ডব্লিউবিইউ ইন্টারকন্টিনেন্টাল টাইটেল চ্যালেঞ্জার, তানজিলা বিজয়ী হন।

রাতের চতুর্থ বাউটে, মুখোমুখি হন প্রাক্তন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন জাহিদুল ইসলাম এবং তুর্কি চ্যাম্পিয়ন বাতুহান বোরাল। যেটি ছিল আরেকটি আন্তর্জাতিক লড়াই। প্রথম রাউন্ড থেকেই দুই বক্সারের লড়াই ছিল রোমাঞ্চকর। বাউটটি ছয় রাউন্ডের হলেও টেকনিক্যাল নক আউটের কারণে চার রাউন্ডে খেলা শেষ হয়ে যায়, যেখানে জাহিদুলকে হারিয়ে দেন বোরাল।

ওয়েল্টারওয়েট বিভাগে ৪ রাউন্ডের খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বী করেন বাংলাদেশের আল আমিন এবং রাশিয়ার রুদনেকো। আন্তর্জাতিক এই খেলায় অসাধারন পারফরম্যান্স করে জয়ী হয়ে বাংলাদেশি দর্শকদের মাতিয়ে রাখে আল আমিন।

অপরাজয়ের রেকর্ডের অধিকারী উৎসব আহমেদ প্রতিযোগিতা করেন ভারতের ব্যান্টামওয়েটে বিজয়ী পবন কুমার আর্যের সাথে। ব্যান্টামওয়েট ক্যাটাগরিতে লড়াইটি ছিল ছয় রাউন্ডের। পাল্টা আক্রমণে ভরা এই লড়াইয়ে বিজয়ীর স্থান অর্জন করেন উৎসব আহমেদ।বাউটের প্রতিটি রাউন্ডে, উৎসব তার দুর্দান্ত সব পাঞ্চ দিয়ে আক্রমণ করে কোণঠাসা করে ফেলেন পবনকে। প্রতিপক্ষকে আটকানো, এবং আক্রমণ উভয় ক্ষেত্রেই উৎসব লড়ে গিয়েছিল শান্ত কৌশলে। অন্যদিকে, পবনও খুব দক্ষতার সাথে খেলে গিয়েছে। কিন্তু উৎসবের অসাধারণ খেলার কৌশলের জন্য পুরো ম্যাচ ধরেই ছিল তার জয়ের সম্ভাবনা।

“দ্য টাইগার” খ্যাত ফরাসি ওয়েল্টারওয়েট বিজয়ী ডারভিস ফ্লোরেন্ট প্রতিপক্ষ ছিলেন নেপালি ওয়েল্টারওয়েট চ্যাম্পিয়ন ভারত চান্দের। ৬ রাউন্ডে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল ওয়েল্টারওয়েট ক্যাটাগরিতে। ম্যাচটিতে দারুনভাবে লড়ে জয়ী হন ডারভিস ফ্লোরেন্ট।

এবারের ফাইট নাইটের মূল আকর্ষণ ছিল প্রো-বক্সিং এর বাংলাদেশি চ্যাম্পিয়ন সুরো কৃষ্ণ চাকমা এবং নেপালের বক্সার মহেন্দ্র বাহাদুর চান্দ মধ্যকার লড়াই। মোট ৮টি রাউন্ডে সুপার লাইটওয়েটে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমার্ধেই মহেন্দ্রকে দুইবার নক আউট করে কোনঠাসা করে ফেলেন সুরো। অন্যদিকে মহেন্দ্রও খেলায় লড়ে গেছেন দৃঢ়ভাবে। সুরো কৃষ্ণ চাকমার দারুন বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এবারের বক্সিং ফাইট নাইটের আয়োজন।

বক্সিংয়ের এই আয়োজনের টাইটেল স্পন্সর ছিলো বেক্সিমকো। বেক্সিমকো গ্রুপের সিইও শায়ান এফ রহমান বলেন, ‘আয়োজকরা যখন এই প্রতিযোগিতা শুরু করার পরিকল্পনা করেছে তখন আমাদের কাছে সাপোর্টের জন্য এসেছিলেন। বিশ্বমানের একটি নতুন খেলা বাংলাদেশে শুরু করতে চাইছে তখন আমরা এটাকে দীর্ঘমেয়াদে সাপোর্ট করার পদক্ষেপ নিই। কারণ একটি দেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হলে ১-২ টা খেলার উপর নির্ভর করলে হবে না। এখানে যেহেতু তরুনদের আগ্রহ আছে, মেধা আছে এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একদিন বিশ্ব দুয়ারে নতুন সম্মান বয়ে আনবে।’

৪১ মাসে সবনিম্ন রেমিট্যান্স সেপ্টেম্বরে

৪১ মাসে সবনিম্ন রেমিট্যান্স সেপ্টেম্বরে

ডেস্ক রিপোর্ট:

সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে বড় ধরনের ধস নেমেছে। এ মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা মোট ১৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন।

দেশের প্রবাসী আয়ের এ অঙ্ক গত ৪১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে এর চেয়ে কম রেমিট্যান্স এসেছিল ১০৯ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, সদ্যবিদায়ী সেপ্টেম্বর মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে এসেছে ১৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। এ অঙ্ক আগের বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ১৯ কোটি ৫৯ লাখ বা ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ কম। গত বছরের সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার।

এছাড়া গত আগস্টের তুলনায়ও সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয় কমেছে ২৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার বা প্রায় ১৬ শতাংশ। আগস্টে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ডলার।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১১ কোটি ৮৬ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৫১ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১১৮ কোটি ৪৮ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫০ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার। আগের ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছিল। যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার।

খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাংকিং চ্যানেলের চেয়ে খোলা বাজারে ডলারের দামের ব্যবধান বেশি হলে হুন্ডিতে লেনদেন বেড়ে যায়। আর যখন হুন্ডির চাহিদা বাড়ে তখন রেমিট্যান্স কমে যায়। গত মাসে ব্যাংকের চেয়ে খোলা বাজারে ডলারের দাম ৬ থেকে ৭ টাকা বেশি ছিল। তাই বেশি লাভের আশায় বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো কমিয়ে দিয়েছেন প্রবাসীরা।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর সুযোগ নেই : আইনমন্ত্রী

খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর সুযোগ নেই : আইনমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে ৪০১ ধারার ক্ষমতাবলে যে আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে সেটা খোলার আর কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী জানান, আইনের ৪০১ ধারার কোনো দরখাস্ত যদি একবার নিষ্পত্তি করা হয়, সেই নিষ্পত্তি করা দরখাস্ত পুনর্বিবেচনা করার কোনো অবকাশ আর আইনে থাকে না। ঠিক সেই ফৌজদারি কার্যবিধি ৪০১ ধারার উপধারা ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ব্যাখ্যা করে আমরা আমাদের মতামত পাঠিয়ে দিয়েছি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। সেখানে আমরা মতামত দিয়েছি, ৪০১ ধারার ক্ষমতাবলে যে দরখাস্ত নিষ্পত্তি করা হয়েছে সেটা পাস্ট অ্যান্ড ক্লোজ ট্রানজেকশন, এটা খোলার আর কোনো উপায় নেই।

খালেদা জিয়ার পরিবার যদি এর পরও তাকে বিদেশ পাঠাতে চায় তাহলে কী প্রক্রিয়ায় যেতে হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানায়, তাকে এখন যে আদেশ বলে ৪০১ ধারায় দুটি শর্তে ছয় মাসের জন্য সাজা স্থগিত রেখে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, সেটা বাতিল করে পুনরায় বিবেচনা করার সুযোগ থাকলে সেটা করা হবে।

তাহলে আবার আদালতে যেতে হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আদালতে যাওয়ার বিষয়টি সবসময় আছে। তবে বিষয়টি আরো স্পষ্ট করে বলছি আমাদের এই উপমহাদেশে ৪০১ ধারার ক্ষমতা যখন সরকার প্রয়োগ করে তখন সেটাকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যায় না বলে সিদ্ধান্ত আছে। সেক্ষেত্রে তারা হয়তো যদি প্রধানমন্ত্রী যেটা বলেছেন সেটা হলো এরকম, এখন যে আদেশ আছে সেটা যদি বাতিল করা হয়, বাতিল করে তাকে যদি আবার কারাগারে নেওয়া হয় তাহলে তিনি আদালতে যেতে পারবেন।

এই অবস্থায় তিনি আদালতে যেতে পারবেন এমন কোনো সুযোগ নেই। তাহলে কি আদেশ বাতিল করা হবে? জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, বাতিল করা অমানবিক হবে। বাতিল করব না।

২৪ সেপ্টেম্বর আদেশ জারি করলেন তার কয়েকদিন না যেতে আবার এ বিষয়টি নিয়ে তারা আবেদন করলো, এটা নিয়ে সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে তাদের কোনো আলাপ আলোচনা হয়নি।

আইনমন্ত্রী জানান, আপনারা জানেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইনি মতামতের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার ভাইয়ের যে সর্বশেষ দরখাস্তটা, সেখানে বলা হয়েছে তাকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং তাকে বিদেশ পাঠানোর অনুমতি দেওয়া। সে বিষয়ে আইনি মতামতের জন্য আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল।

আপনাদের প্রশ্ন হলো, প্রথম কথা হলো প্রথম যে দরখাস্তটা ছিলো ২০২০ সালের মার্চ মাসে নিষ্পত্তি হয়। সেখানে বলা হয়েছিল বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা হয়েছিল। সেই দরখাস্তের ওপর আমরা একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। সেটা হলো দুটি শর্তসাপেক্ষে তার দণ্ডাদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত রেখে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিলো। এটা ফৌজদারি কার্যবিধি ৪০১ ধারার উপধারা ১ এর ক্ষমতা বলে। সেখানে যে দুটি শর্ত দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো- প্রথমত তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন। দ্বিতীয়ত তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না। সেই শর্ত মেনে তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হন এবং বাসায় যান। সেভাবেই দরখাস্ত নিষ্পত্তি করা হয়।

তিনি জানান, নিষ্পত্তি করার পর দরখাস্তের মধ্যে এইটুকু জিনিস উন্মুক্ত ছিল সেটা হলো, তাকে দেওয়া হয়েছিল ছয়মাসের জন্য এবং প্রত্যেক ছয় মাসে বাড়ানো যাবে কি না সে ব্যাপার ছিল। প্রত্যেক ছয় মাসে এটা বাড়িয়ে ছিল, আটবার বাড়ানো হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার কোন দরখাস্ত যদি একবার নিষ্পত্তি করা হয়। সেই নিষ্পত্তিকৃত দরখাস্ত পুনর্বিবেচনা করার কোনো অবকাশ আইনে থাকে না।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে দেখা করে বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে চিঠি দেন। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটি মতামতের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।

দুই ম্যানচেস্টারের হতাশা এক রাতে

দুই ম্যানচেস্টারের হতাশা এক রাতে

ডেস্ক রিপোর্ট:

তিন দিন আগেই (২৮ সেপ্টেম্বর) নিউক্যাসল ইউনাইটেডের কাছে হেরে লিগ কাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত করে ম্যানচেস্টার সিটি। এবার প্রিমিয়ার লিগে নেমেও টেবিল টপাররা তিক্ত হারের স্বাদ পেয়েছে। পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা ২-১ গোলের পরাস্ত হয় উলভারহ্যাম্পটনের বিপক্ষে। একই রাতে হার দেখেছে ওই শহরেরই আরেক জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ঘরের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে তারা ক্রিস্টাল প্যালেসের কাছে ১-০ গোলে হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে উলভারের মাঠে নামে সিটি। যেখানে উড়তে থাকা সিটি ম্যাচের মাত্র ১৩ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে। দুর্ভাগ্যের বিষয় গোলটি আসে রুবেন দিয়াজের আত্মঘাতি ছোঁয়ায়। ফলে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা বিরতিতে যায়।

তবে গোল শোধ দিতে তেমন সময় লাগেনি সিটির। দ্বিতীয়ার্ধে নামার ৫৮ মিনিটে স্কোরবোর্ডে নাম তোলেন সিটির আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড জুলিয়ান আলভারেজ। তবে তারা সেই স্কোর ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়। ৬৬তম মিনিটে স্বাগতিকদের ফের লিড পাইয়ে দেন হি চ্যান হাং। বাকিটা সময় তা ধরে রেখে শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে মেতে ওঠে উলভারহ্যাম্পটন।

অন্যদিকে, ইউনাইটেড নিজেদের মাঠে প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটে পিছিয়ে পড়ার পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি, ক্রিস্টাল প্যালেসের কাছে তাদের হার ১-০ গোলে। ম্যাচের একমাত্র গোলটি এজের ফ্রি-কিক থেকে পাওয়া। বল পেয়ে দারুণ এক গোল করেন ক্রিস্টাল প্যালেসের ইওয়াখিম অ্যান্ডারসন। এ মৌসুমে প্রথমার্ধে ক্রিস্টাল প্যালেসের এটাই প্রথম গোল। এরপর অনেক চেষ্টা করেও রেড ডেভিলরা আর সমতায় ফিরতে পারেনি।

এদিন হতাশা নিয়ে ফিরলেও ৭ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিটি। সমান ম্যাচে ৯ পয়েন্ট পাওয়া ইউনাইটেড নেমে গেছে ১০ নম্বরে। তাদেরকে টপকে নবম স্থান দখল করেছে প্যালেস। তাদের অর্জন ১১ পয়েন্ট।

আশুলিয়ায় নিজ ঘরে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

আশুলিয়ায় নিজ ঘরে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট:

সাভারের আশুলিয়ায় ৬ তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাটে ঢুকে গার্মেন্টস শ্রমিক স্বামী-স্ত্রী ও তাদের ১২ বছরের ছেলের গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান পিপিএমসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

শনিবার রাত ১০টার দিকে স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের জামগড়া ফকির বাড়ি মোড়ের মেহেদী হাসানের ৬ তলা বাড়ির ৪ তলার একটি ফ্ল্যাটে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ ছাড়াও, র‍্যাব, ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশসহ অপরাধ তদন্ত বিভাগ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন সূত্র খোঁজার চেষ্টা করেছে।

নিহতরা হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ থানার লোহাগড়া গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে মুক্তার হোসেন বাবুল (৫০), তার স্ত্রী শাহিদা বেগম (৪০) ও ছেলে মেহেদী হাসান জয় (১২)। শাহিদা বেগমের বাড়ি রাজশাহী জেলায় বলে জানা গেছে। নিহত স্বামী-স্ত্রী পৃথক পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ বের হলে পাশের ফ্ল্যাটের এক নারী দরজায় ধাক্কা দেওয়ায় সেটি খুলে যায়। ওই নারী বিছানায় মা-ছেলের মরদেহ দেখতে পান। এ সময় ওই নারী চিৎকার দিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলে পার্শ্ববর্তী ভাড়াটিয়ারা এসে থানায় খবর দেন। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে অপরাধ তদন্ত বিভাগের ক্রাইম সিন টিম উপস্থিত হয়।

একই বাড়ির ৩ তলার একটি ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া মামুন মিয়া জানান, আমি আজই বাড়ি থেকে ফিরলাম। ফিরে এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে জানতে পারলাম। আমি পাঠাও কুরিয়ারে চাকরি করি। নিহত এই পরিবারের সঙ্গে আমাদের ভালো সম্পর্ক ছিল। এভাবে এক সঙ্গে তিনজনকে হত্যার ঘটনায় আমরা খুব আতঙ্কিত। আমরাও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছি।

নিহত মোক্তার হোসেনের দুলাভাই রহিম মোবাইল ফোনে জানায়, মোক্তার হোসেন সম্পর্কে আমার শ্যালক। সে প্রায় ৭/৮ বছর ধরে ঢাকায় থাকে। আর আমি ঠাকুরগাঁও থাকি। আমি আসলে কিছুই জানতাম না।

আশুলিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জোহাব আলী জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে বিছানার উপর মা-ছেলে মরদেহ দেখতে পেয়েছি। পরে পাশের ঘর থেকে হাত-পা বাধা অবস্থায় বাবুলের মরদেহ দেখতে পাই। নিহত তিনজনের গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তদন্তে শেষে ও আসামি গ্রেপ্তার হলে হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যাবে।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান পিপিএম জানান, একই পরিবারের তিনজনকে খুব নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা ধারণা করছি অত্যন্ত ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। আমরা পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই আমরা এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পারব।

অল্পের জন্য শাটডাউন এড়ালো যুক্তরাষ্ট্রের সরকার

অল্পের জন্য শাটডাউন এড়ালো যুক্তরাষ্ট্রের সরকার

ডেস্ক রিপোর্ট:

শেষ মুহূর্তে এসে সরকার অচল (শাটডাউন) হওয়া এড়ালো যুক্তরাষ্ট্র। সরকারে স্বল্পমেয়াদী অর্থায়নের বিষয়ে হাউজ অব কমনস এবং সিনেটের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় বড় সংকট থেকে বেঁচে গেছে বাইডেন প্রশাসন। এই চুত্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্রের লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীকে বিনাবেতনে ছুটিতে পাঠাতে হতো, বন্ধ হয়ে যেতো সরকারের গুরত্বপূর্ণ বিভিন্ন সেবা।

বিবিসি জানিয়েছে, শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সরকারকে আগামী নভেম্বরের মধ্যভাগ পর্যন্ত অর্থায়ন সংক্রান্ত একটি বিল (স্টপগ্যাপ ফান্ডিং বিল) ৮৮-৯ ভোটে পাস হয়েছে সিনেটে। তবে এতে ইউক্রেনের জন্য নতুন কোনো সহায়তার পরিকল্পনা রাখা হয়নি।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমনসেও দ্বিপক্ষীয় সমর্থনে পাস হয়ে আসে বিলটি। সিনেটে পাস হওয়ার পর এবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুমোদন পেলেই আইনে পরিণত হবে সেটি। নিজ দলের প্রস্তাব হওয়ায় জো বাইডেন এতে আপত্তি করবেন না বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে।

৪৫ দিনের এই অস্থায়ী অর্থায়ন পরিকল্পনাটি উত্থাপন করেছিলেন মার্কিন হাউজ স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি। এটি পাস হওয়ায় আপাতত স্বস্তি পেলো ডেমোক্র্যাট সরকার।

এর আগে, নতুন অর্থায়ন বিল নিয়ে একদল কট্টর রিপাবলিকান সদস্য আপত্তি তোলায় আংশিক অচল হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল বাইডেন প্রশাসন।

চুক্তি না হলে রোববার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা থেকে অচল হয়ে পড়তো মার্কিন সরকারের একটি বড় অংশ। কিন্তু শনিবার এক নাটকীয় পরিবর্তনের পর হাউজ রিপাবলিকানরা অস্থায়ী অর্থায়ন বিল পাসে সম্মতি দেন।

যদিও রিপাবলিকানদের চেয়ে এই প্রস্তাবে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন বেশি ছিল। অন্তত ৯০ জন রিপাবলিকান সদস্য এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।

মূলত কট্টর ডানপন্থি রিপাবলিকানরা সরকারের ব্যয় কমানোর দাবিতে অনড় থাকায় বিল পাস নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আইনপ্রণেতাদের একটি বড় অংশ সরকার অচল হওয়া এড়ানোর পক্ষে ভোট দেন।

এতে অবশ্য একটি বড় শর্ত ছিল তাদের- ইউক্রেনের পেছনে আর কোনো অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা যাবে না। পাস হওয়া বিলটিতে সেই দাবি মেনে নেওয়ার চিত্রই ফুটে উঠেছে।

মুরাদনগরে সরকারি খাল দখল করে পাকা বাড়ি ও দোকান নির্মাণ

মুরাদনগরে সরকারি খাল দখল করে পাকা বাড়ি ও দোকান নির্মাণ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার নবীপুরে গ্রামে সরকারি খাল ভরাট করে পাকা বসতবাড়ি ও দোকান নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পয়নিস্কাশনের একমাত্র খালটি দখল হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি বন্দি হয়ে পড়ে দুই শতাধিক পরিবার। বিষয়টি স্থানীয় ভূমি অফিসে অভিযোগ করার পর গত জুলাই মাসে ৫জন দখলদারের বিরুদ্বে ৫কার্য দিবসের মধ্যে খালের মাটি সরিয়ে নিয়ে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করার জন্য নোটিশ প্রেরণ করে ইউনিয়ন ভূমি অফিস। এই নোটিশ দিয়েই যেন দায় মুক্ত ভূমি কর্তারা।

 

মুরাদনগরে সরকারি খাল দখল করে পাকা বাড়ি ও দোকান নির্মাণ

বিষয়টি জানতে পেরে বুধবার বিকেলে দখল হওয়া খালটি পরিদর্শন করে উচ্ছেদ মামলাসহ দ্রুত সময়ের মধ্যে খালটি পুনরুদ্ধার করার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আলাউদ্দিন ভূঞা জনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের নবীপুর পূর্বপাড়া এলাকায় নিমাইজুরী খালের উপ-শাখা নবীপুর মৌজার পূর্বপাড়ায় বিএস ১নং খাস খতিয়ানের ৪০১০ দাগের প্রায় ১একর আয়তনের খালটি দফায় দফায় ভরাট করে পাকা বসতবাড়ী, বাগানবাড়ী ও দোকান নির্মাণ করেছে একটি দখলদার চক্র। পয়নিস্কাশনের একমাত্র খালটি দখল হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে গত জুলাই মাসে তৎকালীন এসিল্যান্ড নাজমুল হুদার নির্দেশে খালটির দখলদার বিল্লাল হোসেন, কবির হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, সহিদ উল্লাহ, আনু মিয়ার বিরুদ্ধে একটি নোটিশ জারী করে ইউনিয়ন ভূমি অফিস। নোটিশে ৫কার্য দিবসের মধ্যে খালের মাটি সরিয়ে না নিলে বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের কথা বলা হলেও ৬০দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও দখলদারদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা নেয়নি কতৃপক্ষ। ভূমি অফিসের এই নিরবতায় জনমনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

মুরাদনগরে সরকারি খাল দখল করে পাকা বাড়ি ও দোকান নির্মাণ

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরিন সুলতানা নিপা বলেন, এই খালটি পুনরুদ্ধার করার জন্য আইনানুগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে খালটি দখল মুক্ত করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আলাউদ্দিন ভূঞা জনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, আমরা মুরাদনগর উপজেলায় দখল হয়ে যাওয়া সকল খাল উদ্ধারের জন্য কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। যথাযথ প্রক্রিয়ায় অচিরেই তা বাস্তবায়ন করা হবে।

কুমিল্লার সুবর্ণপুর থেকে গাঁজাসহ একজন আটক

কুমিল্লার সুবর্ণপুর থেকে গাঁজাসহ একজন আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সুবর্ণপুর এলাকা থেকে গাঁজাসহ মোঃ আলম (৩৬) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৯ সেপ্টেম্বর বিকালে সুবর্নপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা। উক্ত অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়।

কুমিল্লার সুবর্ণপুর থেকে গাঁজাসহ একজন আটক

আটক হওয়া মাদক কারবারি কুমিল্লার কাটাবিল এলাকার মোঃ মোন্তাজ মিয়ার ছেলে।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লীডার এ কে এম মুনিরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, আটক হওয়া মাদক কারবারি দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।