All posts by jitu

চান্দিনায় আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মুনতাকিম আশরাফ টিটুর শোডাউন

 

চান্দিনা প্রতিনিধি:
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক শোডাউন করেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মো. মুনতাকিম আশরাফ টিটু সিআইপি এবং তার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। মুনতাকিম আশরাফ কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পদক এবং ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এর বর্তমান পরিচালক ও সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া বাস স্টেশন এলাকা থেকে নয় শতাধিক মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সা নিয়ে উপজেলা এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে শোডাউনটি শুরু হয়। উপজেলার মহিচাইল, দোল্লাই নোয়াবপুর, জোয়াগ, বরকরই, মাইজখার, এতবারপুর এবং চান্দিনা পৌরএলাকার বিভিন্ন সড়ক ও বাজার ঘুরে উপজেলা সদরের চান্দিনা মহিলা কলেজে গিয়ে শোডাউনটি শেষ হয়।

শোডাউনে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত ফেস্টুন, প্লেকার্ড বহন করে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা আওয়ামীলীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এসময় জয় বাংলা ও নৌকার স্লোগানে গোটা উপজেলা মুখরিত করেন।

শোডাউনে অন্যদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন আহমেদ আলম, সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন আল আজাদ মমতাজ, শাহাদাৎ হোসেন মজুমদার, দেলোয়ার হোসেন সিআইপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ খালেদ, মোখলেছুর রহমান দুলু মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল ইসলাম তুহিন, সাইফুল ইসলাম মজুমদার শিপন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এবি সিদ্দীক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলাম মুন্সী, পৌর আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস ছালাম কমিশনার, বাড়েরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মো. সেলিম ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. খোরশেদ আলম, মাধাইয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. অহিদ উল্লাহ্, শুহিলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইমাম হোসেন সরকার, মহিচাইল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু মুছা মজুমদার, নবাবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানা মো. সাহাবুদ্দিন মাস্টার, জোয়াগ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ যুগ্ম-সধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল মুন্সী, এতবারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এ.কে.এম মামুনুর রশিদ আবু, উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি কাজী ইয়াছিন আহমেদ অভি প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৩০ জুলাই সাবেক ডেপুটি স্পিকার অধ্যাপক আলী আশরাফ এমপি’র মৃত্যু হলে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনটি শূন্য হয়। এর পর উপ-নির্বাচনে প্রয়াত সংসদ সদস্য আলী আশরাফ এর একমাত্র ছেলে ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মুনতাকিম আশরাফ টিটু সহ একাধিক দলীয় নেতা আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। পরে এই আসনে দলটির মনোনয়ন পেয়ে অধ্যাপক ডা. প্রান গোপাল দত্ত একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

শিদলাই বিএনপির তরুন্যের রোডমার্চ সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুুতি সভা

স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা শিদলাই ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আগামী ৫ অক্টোবর তরুন্যের রোডমার্চ সফল করার লক্ষ্যে গাজী এন্টারপ্রাইজ মাঠে শনিবার বিকেলে প্রস্তুুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রফেসর সাইফুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন  মোঃ শফিকুল ইসলাম মাস্টার।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন শাহ জাহান ভূইয়া, মোঃ মাজেদুল ইসলাম, কবির আহমেদ, সাইফুজ্জান, মিজানুর রহমান ভূইয়া, আমির হোসেন, সুলতান ভূইয়া, শফিক পুলিশ, শাহ্ আলম, জাকির হোসেন, কনু মিয়া, আবু মোছা মোল্লা, নাছির উদ্দীন, আব্দুল রশিদ, সেলিম মিয়া, ডাঃ হারুন, আবু তাহের, ফুল মিয়া, আব্দুল হান্নান, অলি, খলিল, দুলাল মিয়, হাবিবুর রহমান,ওমর ফারুক সরকার,গাজী সাইদুল ইসলাম এমরান, যুব দলের আহবায়ক বাইজিদ হোসেন রানা, সদস্য সচিব সোহেল রানা সাগর, সিঃ যুগ্ম আহবায়ক সোহেল রানা, যুগ্ম আহবায়ক রিপন আহমেদ, আব্দুস সালাম, জুবায়ের আল মাসুদ তরুন, মোস্তক মিয়া, সাইফুল আলম, সেচ্ছাসেবক দল নেতা, মোঃ মনির হোসেন, মাছুম পারবেছ খলিফা, ফখরুল ইসলাম, কাউছার আকবর, গাজী আল-আমিন, বিল্লাল হোসেন, ছাত্রদল নেতা, আশিক সরকার, সাব্বির আলম, শরিফুল ইসলাম, গাজী জুনায়েদ, নিলয়, শিহাব, মেহেদী, ইয়াসিন প্রমূখ ।

কবিতা: আমি চিরায়ত আমারই মত

 

এ কে সরকার শাওন:

আমি এ কে সরকার শাওন

ঠিক বাবার মতন আদ্যোপান্ত।

আমি চিরায়ত চির দূর্বিণীত

ক্ষয়িষ্ণু সামাজিক রণে ক্লান্ত।

 

নজরুল-সুকান্তের মত আপোষহীন,

অন্যায়ের বিরুদ্ধে চির উদ্যত,

বুকটা নিয়ত রক্তাক্ত ক্ষত;

তৈলাক্ত কথা, অতি কথা বলিনা

মোস্তাক-মীর জাফরের মত।

 

আমার শিকড় এ জি সরকার,

তিনি আমার গর্বিত পিতাশ্রী।

তিনিই আদর্শ, তিনিই শিক্ষক।

শিখরে ওঠার চলন্ত সিঁড়ি।

 

লম্বা চওড়া কথাও বলিনা,

মিথ্যা বলা, ভন্ডামি করা

চিরকাল আমার স্বভাব বিরুদ্ধ;

প্রয়োজনে একাকী থাকি বাড়ি

মনের দুয়ার করি রুদ্ধ।

রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ,

সুকান্ত, লালন প্রিয় কবি।

ডি এল রায়, বঙ্কিম, মুকুন্দ দাস

আমার মনের রবি।

 

বঙ্গবন্ধু, নেতাজী, ইন্দিরা, চিত্ত,

তাজউদ্দীন- নজরুল প্রিয় নেতা।

হাসিনা, মমতা, মনি সিং, মুজাহিদ

কালোত্তীর্ণ, তাদের নেই পঙ্কিলতা।

মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ী শক্তি

আমি দেশকে ভালোবাসি।

 

দেশের কোন উন্নয়ন দেখলে

আমার অন্তরাত্মা হয় খুশী।

ডিজিটাল শব্দটা না বুঝে

টিটকারি করা আহাম্মকি!

ডিজিটালের সুযোগ পেতে

যোগ্যতা লাগে বই কী!

ধর্মে কর্মেও আমি সক্রিয়

কভু লোক দেখানোর নয়।

 

সাহিত্য বিজ্ঞানে খুবই আগ্রহী

শিখতে চাই নতুন বিষয়!

কবিতা লিখি গান শিখি

বাগান করি নিছক শখে।

 

এ নিয়ে যারা কথা বলে

নিজেরাই গিয়েছে বখে!

রাগী আমি, ঘাড় ত্যাড়া আমি

সদা সৎ পথে চলি।

সত্য প্রকাশে চির দ্বিধাহীন

আঙ্গুল উঁচিয়ে উচিৎ বলি!

ফেসবুকের বন্ধু কোন বন্ধুই নয়

কথাটি করি বিশ্বাস।

 

যত কম বন্ধু তত ভালো

নিশ্চিন্তে নিরাপত্তার নিঃশ্বাস।

ফেসবুক একটি ডায়েরি মাত্র

কদাচিৎ লিখি সেথায়।

চার চরণের সাথে লিন্ক দেই বটে

সংরক্ষণের মোক্ষম উপায়।

পাবলিক পোষ্ট দেই কালে ভদ্রে

পোষ্ট শুধু বন্ধুদের প্রতি।

 

আপন সম্পর্কযুক্ত না হলে

ট্যাগ করা গর্হিত অতি।

অযাচিত উপদেশদাতা, ভন্ড,

হিংসুক পরশ্রীকাতর।

ওরা বন্ধুত্বের কলঙ্ক, কীট,

গবেট, মূর্খ, ধুরন্ধর।

 

নিজের চরকায় তৈল মাখি

নাক গলাই না অন্যে!

প্রয়োজনে চলি সুদূরে

বেশ ভালো থাকি অরণ্যে।

পরের বিষয় নাক গলানো

নীজের কাজ ফেলে।

 

অকর্মণ্য, মূর্খ, উগ্র স্বভাবের

লোকদের মাঝে মেলে।

অযাচিত অধিকার নিয়ে

যদি কেউ কিছু বলে!

 

ঘ্যাচাং করে কাটি তাঁকে

ফ্রেন্ডশিপ নেই তুলে!

মূর্খের দেশে গনতন্ত্র বেমানান

রাজতন্ত্র চলে তলে তলে।

রাজারা আয়েসে বসে সিংহাসনে

প্রজারা চিল্লায় পদতলে!

 

আমি ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র সুজন

আছে নিজস্ব লয় তাল।

 

আপনি হাতি পিলখানায় থাকেন

আমার কাছে হরিদাস পাল!

সব ব্যাটাকে চিনি আমি

দেখাস নে ব্যাটাগিরি।

দুষ্ট গরু চেয়ে শূন্য ফেসবুক

ভালো বলেই মানি।

 

বন্ধু তালিকায় আবর্জনা

পরের চেয়ে পর!

যারা আমাকে অপছন্দ কর

মানে মানে কেটে পড়!

 

 

কাব্যগ্রন্থ: বাঁশীওয়ালা

এ কে সরকার শাওন

যে কারণে প্রথম সিনেমা নিয়ে অস্বস্তিতে ক্যাটরিনা কাইফ

যে কারণে প্রথম সিনেমা নিয়ে অস্বস্তিতে ক্যাটরিনা কাইফ

ডেস্ক রিপোর্ট:

বলিউডে অভিষেক হয় ক্যাটরিনা কাইফের ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে। চলতি মাসেই ক্যারিয়ারে দুই দশক পূর্ণ করেছেন এই অভিনেত্রী।

তবে নিজের অভিনীত প্রথম সিনেমা নিয়ে পারতপক্ষে কথা বলতে চান না তিনি; প্রশ্ন করলেই অস্বস্তিতে ভোগেন। কিন্তু কেন? এ নিয়ে নানা প্রশ্ন ভক্তদের।

২০০৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায় ব্ল্যাক-কমেডি ঘরানার সিনেমা ‘বুম’। কাইজাদ গুস্তাদ পরিচালিত এ সিনেমা দিয়েই বলিউডে অভিষেক হয় ক্যাটরিনার। তারকাবহুল এই সিনেমায় ক্যাটরিনা ছাড়াও ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, জ্যাকি শ্রফ, গুলশান গ্রোভার, জিনাত আমান প্রমুখ

সিনেমায় ক্যাটরিনা কাইফকে দেখা যায় খোলামেলা অবতারে, পর্দায় বেশ কয়েকটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যেও দেখা যায় তাকে। একটি চুম্বনের দৃশ্যেও অভিনয় করেছিলেন তিনি।

পরে তাই ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমা নিয়ে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করতেন অভিনেত্রী।

একবার তিনি সিনেমাটি নিয়ে বলেছিলেন, ‘এই দৃশ্যগুলো নিয়ে নতুন কী বলার আছে? সিনেমাটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে। অতীতে আমি দৃশ্যগুলোতে অভিনয় করেছিলাম ঠিকই কিন্তু এখন এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বস্তিবোধ করি।’

তবে যার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন ক্যাটরিনা, সেই গুলশান গ্রোভার মনে করেন, দৃশ্যটি নিয়ে অস্বস্তিতে ভোগার কিছু নেই। ইউটিউবার সিদ্ধার্থ কান্নানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘একবার আপনি অভিনয় করে ফেললে সেটা তো আর অস্বীকার কারার উপায় নেই।’

সামনে ক্যাটরিনাকে দেখা যাবে ‘টাইগার–৩’ সিনেমায়। যশ রাজ ফিল্ম প্রযোজিত মনীশ শর্মা পরিচালিত সিনেমাটিতে সালমান খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তিনি। দীপাবলি উৎসবে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

রাহুল রাজ এর প্রেমের কবিতা: ভেঙ্গেছি প্রথা

রাহুল রাজ:

আমি পথ হেঁটে হেঁটে
পথকে চিনেছি।
বিপথে হেঁটে বিপদে।

আমি বেসুরের কাছে-
সুর খুঁজেছি-।
পাষাণে ভালোবাসা।
সুপ্ত প্রতিভা
দেখিনি ও পথে-
মরীচিকা ছিল চোখে।

গুপ্ত অভিশাপ
বুকে ধরেছি
সুখ গুলো বেচে দুঃখে।
রাতের আকাশে
রবি খুঁজেছি।
মিছে সেজেছি কবি।
ভালোবাসা আমি-
ভেলাতে ভাসায়ে-
বুকেতে ধরেছি ছবি।

আমি পথ হেঁটে হেঁটে-
পথকে চিনে-
হয়েছি আমি পথিক।
তোমারা যাকে ভুল ভুল বল!
আমিতো বলি ঠিক।

‘দীপ্ত চোখে
তৃপ্ত মনে-
লিপ্ত হলে-
সিদ্ধ পুরুষ
শুদ্ধ হওয়া যায়।’
তবু ভয়, সংশয়।
ছেড়ে প্রশ্নবান।
ভোগে না ত্যাগে-
কোন পথে-
কে হবে মহান।

দেখেছি আমি,
সাধু, নিজে সেজে ভগবান-
নিজেরি পূজা চায়।
সত্যি ভগবান, পূজারি খোঁজে-
মানুষের দরজায়।

তবু আমি,
বিপথে হেঁটে বিপদে পড়েছি।
অপবাদে পেতেছি মাথা।
নিজেরে আমি, নিজেই খুঁজেছি-
দু’হাতে ভেঙ্গেছি প্রথা।

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ‘ইউএসবিসিআই বিজনেস এক্সপো-২০২৩’

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ব্যবসা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরীর লক্ষ্যে ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর আয়োজনে গত শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের লাগোর্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ২য় বারের মতো “ইউএসবিসিসিআই বিজনেস এক্সপো-২০২৩” অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনকে সামনে রেখে ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর আয়োজনে নিউইয়র্কের লাগোর্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) ২য় বারের মতো ফিতে কেটে উদ্বোধন করা হয় ইউএসবিসিসিআই বিজনেস এক্সপো-২০২৩ এর।

জাতিসংঘের ৭৮ অধিবেশনকে সামনে রেখে ‘বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ব্যবসা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরী’ প্রতিপাদ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল এক্সপোটি।

ইউএসবিসিসিআই বিজনেস এক্সপো একটি ই২ই ট্রেড শো, কনফারেন্স এবং নেটওয়ার্কিং ইভেন্ট। এর লক্ষ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের রপ্তানি-প্রস্তুত পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রসারিত করতে সহায়তা করা। উভয় দেশের ২ শতাধিক প্রতিনিধি এবং স্টেকহোল্ডার এক্সপোতে অংশগ্রহণ করেছেন। ব্যবসায়ীরা নিজেদের ব্যবসাকে একে অন্যের দেশে প্রসারিত করার পাশাপাশি কীভাবে বিশ্ববাজারেও নিজেদের পণ্য পৌঁছে দিতে পারেন, ব্যবসার সুযোগ তৈরি করতে পারেন এসব বিষয়ে নিয়ে এই এক্সপোতে পর্যালোচনা হয়েছে।

দুই দিনব্যাপী এই এক্সপোতে অংশ নেয়া সফল ব্যবসায়ীরা নিজেদের সফলতার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া এই এক্সপোর মাধ্যমে ব্যবসার ব্র‍্যান্ডকে কীভাবে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া যায়, সেসব বিষয় নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়।

ইউএসবিসিসিআই বিজনেস এক্সপো-২০২৩’র শেষ দিনে (২৩ সেপ্টেম্বর) দুটো সেমিনার ছিল।ডিজিটাল ক্ষমতায়ন উপর বিশেষ সেমিনার। এছাড়া উদ্বাবন, নেতৃত্ব ও টেকনোলজির উপর কর্মশালা করা হয়েছিল। কীভাবে সফটওয়্যার ও ব্যবসার উন্নয়ন শুরু করা যায় এ সম্পর্কিত সেমিনারেরও আয়োজন ছিল। পাশাপাশি আবাসিক এবং বাণিজ্যিক রিয়েল এস্টেটের মাধ্যমে প্রজন্মের সম্পদ তৈরি করা’ শীর্ষক আলোচনা হয়েছে এক্সপোর দ্বিতীয় দিনে।

এর আগে প্রথম দিনের (২২ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠানসূচীতে ছিল- এক্সপোতে রেজিষ্ট্রেশন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন সেশন থাকবে, যেখানে অতিথিরা বক্তব্য রাখেন। পাশাপাশি ইউএস-বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট সেশন হয়েছে৷ এখানেও সম্মানিত বক্তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রথম দিনের অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউএসবিসিসিআই এর সভাপতি জনাব মোঃ লিটন আহমেদ। ইউএসবিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট লিটন আহমেদ বলেন, ‘ইউএসবিসিসিআই বিজনেস এক্সপো-২০২৩ আমাদের সিগনেচার ইভেন্টগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিজনেস এক্সপোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায় নতুন ক্রেতা-বিক্রেতা সংযোগ, সাপ্লাই চেইন যেভেলপমেন্ট ও সরবরাহকারী এবং বিনিয়োগ কারীদের জন্য বাজার দখলের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই এক্সপোর মাধ্যমে ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক সৃষ্টি, ব্যবসার উন্নয়ন এবং মূল্যবান কৌশলগত ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব বিকাশের সুযোগ হয়েছে। আমাদের সংস্থার অন্যতম দায়িত্ব, ছোটো ও মাঝারি আকারের ব্যবসাগুলোকে পরিষেবা দেয়া এবং ব্যবসা প্রসার করা। এছাড়া আমরা বিভিন্ন কর্পোরেশন ও সরকারি সংস্থার সঙ্গে অংশীদার হয়েছি। যার মাধ্যেম ব্যবসার অগ্রগতি ও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এই বছরের এক্সপো আমাদেরকে আগের থেকে আরো নতুন উদ্দীপনা প্রদান করেছে। আমরা ব্যবসার নতুন নতুন উপাদান প্রবর্তনের প্রয়াস রেখেছি, যেই কারণে এই এক্সপো আমাদের কাছে বিশেষ স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে আমি আশা করি। ব্যবসার চ্যালেঞ্জিং সময়গুলোকে কীভাবে মোকাবেলা যায়, এই বিষয়ে বিস্তর তথ্য সহায়তা এবং দিকনির্দেশনা প্রদানে আমরা বদ্ধ পরিকর।

লিটন আহমেদ জানান, এবার আমাদের দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে অনেক অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী, এজেন্সি এবং সংস্থা ছিল, যাদের শেয়ার করা ব্যবসায়িক পরামর্শগুলো ব্যবসার প্রচার ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই এক্সপোতে প্রযুক্তি, পর্যটন, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিসহ নানান বিষয়ের উপর কর্মশালা ছিল, যা ব্যবসা উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ইউএসবিসিসিআই বিজনেস এক্সপো-২০২৩ -এ অংশ নেয়া সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইউএসবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের সদস্য, অংশীদার, স্পন্সর, প্রদর্শক, মিডিয়া পার্টনার, সাংবাদিক, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। সবার একান্ত প্রচেষ্টায় অনেক অনিশ্চয়তাকে জয় করে আমরা এই আয়োজন করতে পেরেছি। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই এক্সপো সফলতা পেয়েছে। এখানে সবার নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে, আমরা আনন্দ করেছি অনেক, পাশাপাশি সফল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। এর মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ ও শক্তিশালী একটি ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

ইউএসবিসিসিআই বিজনেস এক্সপোতে প্রধান বক্তা ছিলেন- মোহাম্মাদ মেহেদি হাসান, ইকনোমিক মিনিষ্টার, বাংলাদেশ দূতাবাস ওয়াশিংটন ডিসি । অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেন জনাব বখ্ত রোম্মান, সহ-সভাপতি, ইউএসবিসিসিআই,

বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শতাধিক প্রতিনিধি এবং স্টেকহোল্ডার ইউএসবিসিআই বিজনেস এক্সপোতে অংশগ্রহণ করেন কুইন্স চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি থমাস জুনিয়র গ্রেক, জনাব সেকিল চৌধুরী, লিসা সরিন, লাভ আহুজা ইক।

অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএস এসম্বলী সদস্য ডেভিড আই. ওয়েপ্রিন, স্টিভেন রাগা, জেনিফার রাজকুমার, জন. সি. লিউ; ইপিবির পরিচালক আবু মোখলেস আলমগীর হোসেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব আব্দুর রহিম খান, এবং রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান জনাব এ.এইচ. এম আহসান।

ইউএসবিসিসিআই বিজনেস এক্সিলেন্স এওয়ার্ড লাভ করেন যথাক্রমে সিরাজুম মনিরা, লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিয়েল এস্টেট বিক্রয় কর্মী, কেলার উইলিয়ামস রিয়্যালিটি; আহাদ আলী, সভাপতি, আহাদ অ্যান্ড কোং সিপিএ; রফিক খান, এমডি, এভিএস প্রোপার্টিজ এলএলসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; স্মার্টটেক আইটি সলিউশনস ইনকর্পোরেটেড-এর সিইও জনাব সারোয়ার আহমেদ; এবং মিঃ এমরান ভাইয়ান, বিক্রয় পরিচালক, এক্সিট রিয়্যালিটি প্রিমিয়াম। রন্ধন শিল্পে অসামান্য অবদানের জন্য খলিল’স ফুডের প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ শেফ মোঃ খলিলুর রহমানকে সম্মানজনক ইউএসবিসিসিআই বিজনেস অব দ্য ইয়ার ২০২৩ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

ইউএসবিসিসিআই কমিউনিটি কোলাবরেশন এক্সিলেন্স এওয়ার্ড ২০২৩ লাভ করেন যথাক্রমে মিস ইমিগ্র্যান্ট অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশী হিউম্যানিটারিয়ান অ্যান্ড লিডারশিপ আউটরিচ (ভালো); মজুমদার ফাউন্ডেশন ইনক; জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটি; এবং অপটিমিস্টস ইনকর্পোরেটেড।

উল্লেখ্য ইউএসবিসিসিআই চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে বিজনেস এক্সপো-২০২৩ এর কো-পার্টনার হয়েছে- বিডা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ও ইপিবি। আরো সহযোগিতায় রয়েছে- ইউএস চেম্বার অব কমার্স, ব্রুকলিন চেম্বার অব কমার্স এবং কুইন্স চেম্বার অব কমার্স।

এবার এক্সপোতে আমন্ত্রিত অতিথি ও বক্তাদের তালিকায় আছেন- ডেভিড আই. ওয়েপ্রিন অ্যাসেম্বলিম্যান, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৪, জেনিফার রাজকুমার, অ্যাসেম্বলিওম্যান, এনওয়াইসি মেয়র’স অফিস ফর ইন্টারন্যাশনাল এফেয়ার্সের কমিশনার এডওয়ার্ড মারমেইলস্টেন, এনওয়াইসি ডিপার্টমেন্ট অব এসবিএস’র কমিশনার কেভিন ডি কিম, নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল’র কাউন্সিল মেম্বার রবার্ট এফ. হোল্ডেন, ব্রুকলিন চেম্বার অব কমার্স’র প্রেসিডেন্ট ও সিইও রেন্ডি পিয়ার্স, কুইন্স চেম্বার অব কমার্স’র প্রেসিডেন্ট ও সিইও থমাস জে. গ্রেচ, ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ, ট্রেড, ইনভেস্টমেন্ট এন্ড ইনোভেশন ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স-এর ডেপুটি কমিশনার দিলীপ চৌহান, সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, নিউইয়র্ক লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির জ্যেষ্ঠ অংশীদার মনোজ মহাজন, টাউনশিপ অব ফ্র‍্যাংকলিন এনজে’র কাউন্সিলওমেন শেপা উদ্দিন, ইন্টারন্যাশনাল ফান্ডিং ক্লাইমেফ লাইভ’র টিমি বারাবাস, ফ্লাসিং ব্যাংক’র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার শাহীন খান, আইএইচআরও-ইউএসএ এবং আইওএলজি-ইউএসএ’র প্রেসিডেন্ট ড. আহলেম আরফাওই, ভারসাইল ভ্যাঞ্চার্স’র এক্সিকিউটিভ ভিনয় ডিক্সন, প্রধান কৌশল কর্মকর্তা আনা গাজ্জারা, স্টেবল কুপনস ইনক’র কো-ফাউন্ডার ক্যান চেস্টার জুনিয়র, , জেট ডিরেক্ট মর্টগেজ’র শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জান ফাহিম, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি’র চ্যান্সেলর ও চেয়ারম্যান আবু বকর হানিফ, প্রফেসর হানা সিদ্দিক, পপুলার ক্যাপিটাল ইনক’র সিইও মোহাম্মদ এ কাদের ভূঁইয়া, এসজে ইনোভেশন এলএলসি’র সিইও শাহেদ ইসলাম, । এছাড়াও ইউএসবিসিসিআই- ভাইস-প্রেসিডেন্ট বখত রুম্মান বিরতীজ, পরিচালক শেখ ফরহাদ, ফিন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কাজী হেলাল আহমেদ, উইমেন এম্পাওরমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন রুমা আহমেদ এবং নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক্সপোর অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।

অযত্নে পড়ে আছে কুবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

অযত্নে পড়ে আছে কুবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় শ্যাওলা ও ময়লা জমে পড়ে আছে। জাতীয় দিবসে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হলেও যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও পরিষ্কারের নজর নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের। এই নিয়ে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে দর্শনার্থীরা শহীদ মিনার পরিদর্শনে এসে ময়লা আবর্জনা ফেলে যায় বলে জানান এস্টেট শাখার ডেপুটি-রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহীদ মিনারের আশেপাশে অনেক ময়লা আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় শ্যাওলা জমে রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডাস্টবিন দেওয়া হলেও তা যথাযথ ব্যবহার করছে না কেউ। এমনকি বিভিন্ন সময় পর্যটকরা এসে যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। ফলে ক্যাম্পাসের পরিবেশ দিন দিন দূষিত হয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কর্তৃপক্ষ নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে না। তারা শুধুমাত্র জাতীয় অনুষ্ঠানের আগে শহীদ মিনারটি পরিষ্কার করা হয়। এছাড়া, বাহিরে পর্যটকরা যাতে ক্যাম্পাসে ময়লা আবর্জনা না করে এই বিষয়ে তাদেরকে সচেতন করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আরও পরিবেশ নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

এই নিয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১২ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া বলেন, প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মিনারে ফুল দেই এবং সম্মান প্রদর্শন করি। তাছাড়া সারা বছর দেখা যায় শিক্ষার্থীসহ পর্যটকরা ঘুরতে এসে শহীদ মিনারে সময় কাটায়। এর ফলে তারা খাবার খেয়ে সেই প্যাকেট নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে না ফেলে শহীদ মিনারের আশেপাশে ফেলে রাখে। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে এটা খুবই দৃষ্টিকটু লাগে আমার কাছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

এ বিষয়ে এস্টেট শাখার ডেপুটি-রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমান জানান, নির্দিষ্ট একটা সময় পর পর আমরা পরিচ্ছন্ন কর্মী দিয়ে শহীদ মিনার পরিষ্কার করি। প্রতিদিন পরিষ্কার করা সম্ভব নয় কেননা আমাদের লোকবল কম। তাছাড়াও ইউজিসি থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ একটা বাজেট দেওয়া হয় যার ফলে প্রত্যেকটা সাইটের জন্য আলাদা আলাদা পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নয়। ক্যাম্পাসে প্রতিদিন শিক্ষার্থী সহ অসংখ্য পর্যটকরা ঘুরতে আসে, শহীদ মিনারের পাশেই ডাস্টবিন দেওয়া হয়েছে কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ডাস্টবিনে ময়লা না ফেলে যত্রতত্র ময়লা ফেলা হয়, যার ফলে পরিবেশ নোংরা হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা সচেতন হলেই শহীদ মিনারসহ ক্যাম্পাস পরিষ্কার থাকবে।

ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাঃ হাবিবুর রহমান জানান, শহীদ মিনারের পাশে ডাস্টবিন দেওয়া হয়েছে তবুও শিক্ষার্থীরা খাবার খেয়ে ডাস্টবিনে না ফেলে যত্রতত্র ফেলে রাখে। শিক্ষার্থীদের উচিত আরও সচেতন হওয়া। তাছাড়া দর্শনার্থীরা এসেও ময়লা আবর্জনা ফেলে যায় কিনা, বিষয়টা আমরা খতিয়ে দেখবো।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রোববার মতামত জানানো হবে: আইনমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রোববার মতামত জানানো হবে: আইনমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে করা আবেদনের বিষয়ে মতামত জানানো হবে আগামীকাল, রোববার (১ অক্টোবর)।

শনিবার সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান আনিসুল হক। এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর এই আবেদন করা হয়।

এদিকে, ভয়েস অব আমেরিকায় এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি নিতে হলে আবার খালেদা জিয়াকে কারাগারে যেতে হবে, জেলে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার আবেদন করতে হলে কারাগারে যেতে হবে, এ বিষয়ে আপনি কী বলবেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে করা আবেদন নিয়ে আজ এখন কিছু বলতে চাই না। এটা নিয়ে রোববার (১ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে। কী সিদ্ধান্ত হবে সেটি সেখানেই বলবো, আজ নয়।

দণ্ডপ্রাপ্তদের বিষয়ে কোনো আবেদন করলে সেটির নিয়ম অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে করতে হয়। তাই আইন মোতাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইনি মতামতের জন্য সেটি পাঠানো হয়েছে।

এর আগে খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ চেয়ে তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার গত ২৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। এ বিষয়ে মতামতের জন্য আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সেদিনই সচিবালয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যাপারে আইনের বিদ্যমান অবস্থান থেকে সরকারের আর কিছু করার নেই। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ (১)-এর ধারার ক্ষমতাবলে শর্ত যুক্তভাবে তার সাজা স্থগিত রেখে শর্তযুক্ত মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সেটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহানুভবতায়। এখন আইনের যদি কোনো পরিবর্তন আনতে হয় তাহলে খালেদা জিয়াকে দেওয়া শর্তযুক্ত মুক্তি আগে বাতিল করতে হবে। বাতিল করে আগের অবস্থায় যাওয়ার পর আবার অন্য বিবেচনা করা যাবে।

এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে গিয়েই বিদেশ যাওয়ার আবেদন করতে হবে। বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিতে হলে তাদের নতুন করে আবেদন করতে হবে। তখন আগের আদেশ বাতিল হয়ে যাবে। আদেশ বাতিল হয়ে গেলে তিনি (খালেদা জিয়া) বাইরে থাকতে পারবেন না।

জিম্বাবুয়েতে সোনার খনি ধসে পড়ে ৬ জন নিহত 

জিম্বাবুয়েতে সোনার খনি ধসে পড়ে ৬ জন নিহত 

ডেস্ক রিপোর্ট:

জিম্বাবুয়েতে একটি খনি ধসে পড়ার ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছে এবং আরও ১৫ জন আটকা পড়েছেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে রাজধানী হারারে থেকে ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) পশ্চিমে চেগুতুতে বে হর্স সোনার খনি ধসে ৩০ জনেরও বেশি লোক আটকা পড়ে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার পর ১৩ জন খনি শ্রমিক পালাতে সক্ষম হয়েছে বা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

যারা আটকা পড়েছেন তাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে টেলিভিশন চ্যানেল জেডবিসির এক খবরে জানানো হয়। কী কারণে ওই খনিতে ধস হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।

জিম্বাবুয়ে মাইনার্স ফেডারেশন জানিয়েছে, সংস্থাটির প্রধান এবং চেগুতু মাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন। সেখানে আসলেই কী ঘটেছে তা জানার জন্য তদন্ত শুরু হবে।

জিম্বাবুয়েতে প্রায়ই বিভিন্ন খনিতে দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটিতে সোনা, প্ল্যাটিনাম এবং হীরার বিশাল মজুত রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন খনিতে নিরাপত্তার মানগুলো সেভাবে মেনে চলা হয় না। সে কারণেই এ ধরনের দুর্ঘটনায় প্রায়ই শ্রমিকদের মৃত্যু হচ্ছে।

এর আগে ২০১৯ সালে মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত কডোমা শহরের কাছে সিলভার মুন অ্যান্ড ক্রিকেট খনিতে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে বেশ কয়েকজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

কুমিল্লা সদরে বিদেশী পিস্তল ও গুলি সহ নারী গ্রেফতার

কুমিল্লা সদরে বিদেশী পিস্তল ও গুলি সহ নারী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১টি বিদেশী পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি ও ১টি ম্যাগজিন সহ এক নারীকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত নারী সেতারা আক্তার (২৪), নগরীর ৪ নং ওয়ার্ডের দৌলতপুর ছায়াবিতান এলাকায় বাসিন্দা।

এ সময় মোঃ দাউদ (৩০) নামে একজন পালিয়ে যায়।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান।

তিনি জানান, শুক্রবার গভীর রাতে গোপন সংবাদে কোতয়ালী মডেল থানার একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ছায়া বিতান এলাকার একটি ভাড়া ঘরের ভেতর তল্লাশী করে পিস্তল গুলি ও ম্যাগজিনটি উদ্ধার করা হয়। অবৈধ অস্ত্র রাখার অপরাধ একজন নারীকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একজন পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।