All posts by jitu

দেশ কাঁপানো হিজাববিরোধী আন্দোলনেও পরিবর্তন আসেনি ইরানে

অনলাইন ডেস্ক:

ইরানে গত বছরের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া দেশ কাঁপানো হিজাববিরোধী আন্দোলনের পরও কোনো পরিবর্তন আসেনি। কঠোর হিজাবনীতি ভঙ্গ করার অভিযোগে ২২ বছরের কুর্দি তরুণী মাশা আমিনিকে গ্রেপ্তার ও তার মৃত্যুর পর উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো ইরান। আন্দোলনের সে ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে অনেক দেশে। আজ ১৬ সেপ্টেম্বর মাশা আমিনির মৃত্যুর এক বছর।

তার মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে যাতে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে জন্য দেশব্যাপী নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শুরু হয়েছে ধরপাকড়। গ্রেপ্তারও করা হয়েছে অনেককে। গত বছর শুরু হওয়া এ আন্দোলন সরকারকে তো টলাতে পারেনি, উপরন্তু ইরানে নারীদের হিজাব পরা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর আইন প্রস্তাব করা হয়েছে।

এদিকে মাশা আমিনির মৃত্যুর পর সরকারবিরোধী প্রতিবাদ কর্মসূচি দমনের ক্ষেত্রে ইরান আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করেছে বলে অভিযোগ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এ দমনপীড়নের বিচারে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

হিজাব ঠিকমতো না পরার কারণে মাশা আমিনি নামে ওই তরুণীকে গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করে দেশটির নৈতিকতা পুলিশ। পরে পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থায় ১৬ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। পুলিশের নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর সারা দেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। রাজপথে নেমে পড়ে দেশটির হাজার হাজার নারী-পুরুষ।

নারীরা নিজেদের মাথার চুল কেটে ও হিজাব পুড়িয়ে কঠোর হিজাবনীতির প্রতিবাদ জানায়। সেইসঙ্গে দেশটির নৈতিকতা পুলিশ বিভাগ বাতিলেরও দাবি জানায়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্দোলনে সংহতি জানালে একপর্যায়ে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে পাঁচ শতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত হয়। গ্রেপ্তার করা হয় কয়েক হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুকে। আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে ইরানের বাইরেও। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ দমনপীড়ন বন্ধ করতে ইরান সরকারকে আহ্বান জানায়।

কিন্তু তারপরও দমনপীড়ন অব্যাহত থাকে। বরং বিদেশি শক্তির মদদে এ আন্দোলন হচ্ছে বলে অভিযোগ করে ইরান সরকার। বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার ও জেলে নিয়ে নির্যাতনের বহু অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, বিক্ষোভে জড়িত থাকার অপরাধে কয়েকজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়ে তা কার্যকরও করা হয়েছে। সর্বশেষ গত আগস্টে ইরানে নারীদের হিজাব পরা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর আইন প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া মাশা আমিনির মৃত্যুর জেরে তুমুল বিক্ষোভের মুখে ইরানের নৈতিকতা পুলিশের কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়লেও সরকার এর কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়নি। এ বিষয়ে গত মাসের শুরুর দিকে ইরানি পুলিশের মুখপাত্র সাঈদ মনতাজেরোল মাহদি বলেন, নারীদের পোশাকের বিধান নিয়ে তদারকি কার্যক্রম আবারও শুরু করবে নৈতিকতা পুলিশ।

দমনপীড়নের বিচারে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ দাবি : এদিকে কুর্দি নারী মাশা আমিনির মৃত্যুর পর সরকারবিরোধী প্রতিবাদ কর্মসূচি দমনের ক্ষেত্রে ইরান আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করেছে বলে অভিযোগ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। গত কয়েক দশকের ‘নিপীড়ন এবং অসমতার বিরুদ্ধে’ দাঁড়ানো প্রতিবাদকারীদের ওপর ইরানি কর্তৃপক্ষ ‘অকথ্য নৃশংসতা’ চালিয়েছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের জুলিয়া ডুকরো।

তিনি বলেন, অ্যামনেস্টি সেই ঘটনার বিচারে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। বাস্তবে এটি জার্মানির মতো দেশগুলোর প্রতি আহ্বান, যেখানে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের সুযোগ রয়েছে, এমনকি যদি ঘটনাটি জার্মানি বা যে দেশে বিচার হচ্ছে সেখানকার না-ও হয়, তারপরও ডুকরো বলেন, গত বছর জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে ইরান ইস্যুতে তদন্ত কমিশন গঠনে ভূমিকা রেখেছিল জার্মান সরকার। মাশা আমিনির মৃত্যুর এক বছর পর আমরা ইরানে মানবাধিকারের প্রতি জার্মান সরকারের সম্মান প্রদর্শনের পরিষ্কার প্রতিশ্রুতি চাই।’

বড় হামলার পরিকল্পনা ছিল নতুন জঙ্গি সংগঠন আল-জিহাদীর

অনলাইন ডেস্ক:

দেশে তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ (আল-জিহাদী) নামে নতুন আরও একটি জঙ্গি সংগঠনের সন্ধান পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ২-৩ মাস ধরে সংগঠনটি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ২০২৪ সালে দেশে বড় হামলার পরিকল্পনা ছিল সংগঠনটির।

গোয়েন্দা সূত্রে এসব তথ্য জানার পর নতুন জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতা মো. জুয়েল মোল্লাসহসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। গ্রেপ্তার বাকি দুজন হলেন- মো.রাহুল হোসেন ও মো.গাজিউল ইসলাম।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বারিধারায় অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট হেডকোয়ার্টার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এটিইউর ডিআইজি (অপারেশন্স) মো. আলীম মাহমুদ।

তিনি বলেন, গত ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান পরিচালনা করে জুয়েলকে বাগেরহাট থেকে, জয়পুরহাট থেকে রাহুলকে ও রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে গাজীউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে জুয়েল এই সংগঠনের প্রধান। বাকি দুজন শীর্ষপর্যায়ের নেতা। সংগঠনটি ২-৩ মাস ধরে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। তাদের পরিকল্পনা ছিল ২০২৪ সালে দেশে বড় ধরনের জঙ্গি হামলা করা।

মানবাধিকার কর্মী, সুশীল ও বিরোধী নেতাদের হয়রানি বন্ধের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক:

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের দুই কর্মকর্তাসহ মানবাধিকার কর্মী, সুশীল সমাজের সদস্য এবং বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ক্রমাগত বিচারিক হয়রানির ঘটনায় বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি একাডেমিক ও পেশাজীবীরা বিবৃতি দিয়েছেন।

তারা বিবৃতিতে গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বর্তমান সরকারকে উল্লিখিত ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধের আহ্বান জানান। ৩৯ জন একাডেমিশিয়ান ও পেশাজীবীর দেওয়া বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির পিএইচডি রিসার্চার এবং ইন্সট্রাক্টর আবু তাইয়িব আহমেদ।

বিবৃতিতে বলা হয়- এক দশক আগে অধিকারের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জের ধরে আদিলুর রহমান খান এবং নাসিরুদ্দিন এলানকে সাজা দেওয়ার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। তাদের দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার আদালতের সিদ্ধান্তটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা হয়রানির চূড়ান্ত পরিণতি। যার সম্মুখীন হচ্ছেন অধিকার এবং এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিবর্গ। নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসও অসংখ্য অভিযোগ ও হয়রানির সম্মুখীন হয়েছেন, যা অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে কর্মরত একজন হুইসেল ব্লোয়ার হিসেবে প্রকাশ করেছেন।

বিবৃতিতে একাডেমিশিয়ান ও পেশাজীবীরা বলেন, আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলোর সমর্থক, সদস্য এবং নেতাদের চলমান আইনি হয়রানির কারণেও উদ্বেগ প্রকাশ করছি, যা জাতীয় নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস বাকি এ সময়ে বেশ গতিশীল হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি যে, বিরোধীদল এবং সুশীল সমাজের সদস্যদের আইনি হয়রানি যেভাবে সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, একইসঙ্গে বাংলাদেশের নিজস্ব সাংবিধানিক সুরক্ষারও লঙ্ঘন। আমরা দাবি করছি যে, সরকার তার সমালোচকদের নীরব করার জন্য বিচার বিভাগকে হাতিয়ার করা থেকে বিরত থাকবে এবং বিচার বিভাগ নিরপেক্ষ থাকবে, যেমনটি দাবি করে সংবিধান।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী একাডেমিশিয়ান ও পেশাজীবীরা হলেন- ড. হাসান মাহমুদ, সহকারী অধ্যাপক, নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, কাতার; সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, ফর্মার কান্ট্রি স্পেশালিস্ট অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ; ড. মো. নাজমুল ইসলাম, জর্জ মেসন ইউনিভার্সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; আব্দুল আজিজ, লেকচারার, মোনাশ ইউনিভার্সিটি, মালয়েশিয়া; ড. জামাল উদ্দিন, লেকচারার, কর্নেল ইউনিভার্সিটি, ইথাকা, নিইউয়র্ক; ড. মোহাম্মদ আল-আমিন, পোস্টডক্টরাল ফেলো, ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো, ডেনভার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; ড. মোহাম্মদ আহসানুল হক, আরহুস ইউনিভার্সিটি, ডেনমার্ক; ড. ফাহাম আবদুস সালাম, লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট; শাফকাত রাব্বি, কলামিস্ট এবং অ্যাডজান্ট ফ্যাকাল্টি, কলেজ অফ বিজনেস, ইউনিভার্সিটি অফ ডালাস, টি এক্স; জিয়া হাসান, গবেষক, জার্মান ফেডারেল শিক্ষা ও গবেষণা মন্ত্রণালয়; এস. আরেফিন, পিএইচডি ফেলো, ইউনিভার্সিটি অফ ম্যাসাচুসেটস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; মোহাম্মদ আবদুর রকিব, পিএইচডি ফেলো, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া আরভিন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; সিব্বির আহমদ, পিএইচডি গবেষক, মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; রাসেল মোহাম্মদ, গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকৌশলী, জাপান; রাহনুমা সিদ্দিকা, পিএইচডি গবেষক, ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয় অ্যাট আরবানা চ্যাম্পেইন, ইউএসএ; আবু তাইয়িব আহমেদ, পিএইচডি গবেষক এবং রেকর্ড ইন্সট্রাক্টর, কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটি; তানজিলুর রহমান, পিএইচডি গবেষক, মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; এম শহীদ, পারডু ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিয়ানা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; মো. কামরুল ইসলাম, পিএইচডি গবেষক, ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয় শিকাগো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; মিজানুর রহমান, পিএইচডি গবেষক, পলিটেকনিকো ডি তোরিনো, ইতালি; মো. সাইফুল ইসলাম, পিএইচডি গবেষক, আঙ্কারা বিশ্ববিদ্যালয়, তুরস্ক; মোঃ সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী, গবেষক, জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; মো. মুস্তাফিজুর রহমান, পোস্ট গ্রাজুয়েট গবেষক, আঙ্কারা হাচি বায়রাম ভেলি বিশ্ববিদ্যালয়, তুরস্ক; মুহাম্মদ মুস্তাফিজ, পোস্ট গ্রাজুয়েট গবেষক, মারমারা বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্তাম্বুল, তুরস্ক; মো. শহিদুল ইসলাম, পিএইচডি গবেষক, ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; শাহজাহান শুভ, পিএইচডি গবেষক, ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; মো. খাদিমুল ইসলাম, পিএইচডি গবেষক, ওয়েন স্টেট ইউনিভার্সিটি, মিশিগান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; কাজী মেহেদী হাসান, পিএইচডি গবেষক ও গবেষণা সহকারী, সাউদার্ন ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়, কার্বনডেল, ইলিনয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; জাবের উবেদ, শেভেনিং স্কলার এবং গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট, ইউসিএল, যুক্তরাজ্য; নওশীন শর্মিলা রিতু, গবেষণা সহকারী এবং এমএসসি গ্র্যাজুয়েট, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য; মুহাম্মদ তালহা, গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট, বার্গেন বিশ্ববিদ্যালয়, নরওয়ে; এমএইচ মাহমুদ, গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কানাডা ডেনমার্ক; শামসুল ইসলাম চৌধুরী, গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট, আলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়; কাজী জহিরুল ইসলাম, গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট, মেরসিন বিশ্ববিদ্যালয়, তুরস্ক; এম ফাহিম, গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট, লিডস বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য; আব্দুল মুহাইমিন, গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট, বিলকেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, তুরস্ক; ইখতিয়ারুল আরেফীন, ইরামুস স্কলার, সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রিয়া; মো. আশরাফ, গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট, ইয়েল ইউনিভার্সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জুনাইদ আলমামুন, ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটি, মিশিগান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

বর্তমান সরকার গণতন্ত্রের কোনো মানদন্ড মানে না: রিজভী

অনলাইন ডেস্ক:

বর্তমান সরকার সকল গুণী ব্যক্তিকে আক্রমণ করছে জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এই সরকার গণতন্ত্রের কোনো মানদন্ড মানে না। মানুষ মরলো নাকি বাঁচলো সেদিকে তাদের নজর নেই। তাদের মূল লক্ষ্য সোনার হরিণ নামক ক্ষমতা দখলে রাখা।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ভাষা সৈনিক মরহুম শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহিরুল হক শাহাজাদা মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আ ক ম মোজাম্মেল হক, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ডা. জাহেদুল কবির জাহিদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন প্রমুখ। সবশেষে মরহুম শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন ওলামা দলের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম তালুকদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন আমাদের কীর্তিমান মানুষদের একজন। কিন্তু আমরা তাদের মনে রাখিনা। অথচ এসব মানুষ আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা। ছাত্র আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাণ পুরুষ। তাকে আমাদের বেশি বেশি মনে করতে হবে। এইভাবে মওদুদ আহমদ, সালাম তালুকদার, কেএম ওবায়দুর রহমান তাদেরও মনে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সব গুনী মানুষকে আক্রমণ করছে। ব্যারিস্টার রফিক উল হক কে আক্রমণ করেছিলেন। এখন ড. ইউনূসকে আক্রমণ করছেন। তিনি দেশের ছেলে নোবেল পুরস্কার পেয়ে দেশের সম্মান বয়ে এনেছেন। কিন্তু শেখ হাসিনার মনে কোথায় যেন ঈর্ষা কাজ করছে। আজকে এই সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘণ নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পার্লামেন্টে প্রস্তাব পাস হয়। এটা তো প্রধানমন্ত্রী ও আবদুর রাজ্জাকদেরকে জবাব দিতে হবে। আমাদের ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম কোথায়?

রিজভী বলেন, আজকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকার খুন করলে সেটা ঠিক। কেউ তার বিরুদ্ধে বললেই হয়ে গেলো মানবাধিকার লঙ্ঘণ। সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা কেউ বললে তার বিরুদ্ধে শুরু হয় নির্যাতন নিপীড়ন। আজকে আদিলুর রহমান খান শুভ্র একজন ভদ্র লোক ও আইনজীবী। তিনি এই সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন বিধায় তাকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়েছে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে একটা জরিপ করতেন। তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে জরিপ করে দেখতেন যে, তিনি বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও আদিলুর রহমান খানকে যে সাজা দিয়েছেন তা জনগণ সমর্থন করে কি না? আসলে শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের কোনো মানদন্ড মানেন না। তার মানে হলো-তোরা যে যাই বলিস ভাই আমার সোনার হরিণ চাই (ক্ষমতা)।

সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের দিয়ে দাস শ্রমিক তৈরি করছেন। বিএনপির নেতাকর্মীরা চিকিৎসা পায় না। অনেকেই কারাগারে মারা গেছেন। এবার তার টার্গেট উপরের দিকে। মূলত তিনি নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে চান। কিন্তু এবার গণতন্ত্রকামী সাধারণ মানুষ জেগে উঠেছে তারা রাস্তায় নেমেছে। সকল পেটোয়াকে রুখে দিবে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আজকে নিত্যপণ্যের দাম নির্ধারণ করেছে। কই তারা তো একজন সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি। আসলে এরা ক্ষুধার সরকার। দুর্ভিক্ষের সরকার। মানুষ মরলো নাকি বাঁচলো সেদিকে তাদের দৃষ্টি নেই। এই সরকার নীল নকশা করে ক্ষমতায় আছেন। যে কারণে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে এখনও কারান্তরীণ রাখা হয়েছে।

শুরু হয়েছে বিএনপির ‘তারুণ্যের রোডমার্চ’

অনলাইন ডেস্ক:

সরকার পতনের একদফা আন্দোলনে তরুণ ভোটারদের সম্পৃক্ত করতে ডাকা বিএনপির ‘তারুণ্যের রোডমার্চ’ শুরু হয়েছে। শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে রংপুর জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয় এই রোডমার্চ। দিনাজপুর গিয়ে শেষ হবে প্রথম দিনের এ কর্মসূচি।

ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপির তিন অঙ্গসহযোগী সংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে হচ্ছে এ রোডমার্চ। রোডমার্চ শুরুর আগে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টনের সঞ্চালনায় রোডমার্চপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান, সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দিনাজপুরে রোডমার্চ সমাপ্তির সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান।রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় বগুড়া চার রাস্তার মোড় থেকে শুরু করে রাজশাহী গিয়ে শেষ হবে দ্বিতীয় দিনের তারুণ্যের রোডমার্চ।

এর আগে দেশের ছয় বিভাগে তারুণ্যের সমাবেশ করেছিল যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। সর্বশেষ গত ২২ জুলাই ঢাকায় অনুষ্ঠিত তারুণ্যের সমাবেশ থেকে একদফা দাবিতে ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছিল বিএনপি

ফেনীতে ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার মূলহোতাসহ গ্রেফতার ২

ফেনীতে ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার মূলহোতাসহ গ্রেফতার ২

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফেনীতে এক ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ মামলার মূলহোতা মেহরাজসহ এজাহারনামীয় ২ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। গ্রেফতাররা হলেন- নোয়াখালীর হাতিয়ার ইউনুছপুর ফকিন্নিপাড়া গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মো. মেহরাজ ও নোয়াখালী সদরের চরজুবলী গ্রামের মৃত আলী আহম্মদের ছেলে সালাউদ্দিন (৩৫)

র‌্যাব জানায়, ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে লেমুয়া বাজার এলাকায় ভিক্ষা করছিলেন এক নারী। তখন মেহেরাজ নামে এক যুবক তাকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা বলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন ছনুয়া ইউনিয়নের এবিএম ব্রিক ফিল্ডে নিয়ে যায়। সেখানে শ্রমিকদের থাকার কক্ষে মেহেরাজ তাকে ধর্ষণ করে। এরপর পালাক্রমে সমির, দেলোয়ার হোসেন, তারেক, রমজান আলী, বাবু, মেহরাজ, রিদনসহ কয়েকজন ওই নারীকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে তাকে বাসে উঠিয়ে দেওয়ার জন্য মহাসড়কে নিয়ে গেলে ওই নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ওই নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।

ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে আটজনকে এজাহারনামীয় ২-৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ফেনী মডেল থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

মামলার পর থেকেই পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে র‌্যাব। পরে র‌্যাবের একটি দল ১৫ সেপ্টেম্বর অভিযান চালিয়ে সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার করে। সালাউদ্দিনের দেওয়া তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব জানতে পারে গণধর্ষণের মূলহোতা পলাতক আসামি মেহরাজ ফেনীর দাগনভূঞার দিলপুর এলাকায় অবস্থান করছে। পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেহরাজকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাবের কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম জানায়, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন নয়: ফখরুল

এই সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন নয়: ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

আমাদের দাবি একটাই, এই সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন নয় । তাই বিনীত অনুরোধ করব, এখন এই সংসদ ভেঙে দিন। দলীয় লোক দিয়ে গঠিত নির্বাচন কমিশন বিলুপ্ত করুন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার রংপুর জেলা বিএনপি কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে তারুণ্যের রোডমার্চ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি একথা বলেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানায়, সরকার বলছে তাদের অধীনে আগে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে এবারও সুষ্ঠু হবে। কিন্তু আমরা দেখেছি এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি।

বিএনপির মহাসচিব জানান, এই আন্দোলনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যদি নির্বাচন করতে পারি তাহলে আমরা একটি জাতীয় সরকার গঠন করব।

৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নরসিংদীতে আবারও সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত

৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নরসিংদীতে আবারও সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত

ডেস্ক রিপোর্ট:

নরসিংদীর শিবপুরে মাইক্রোবাসের সঙ্গে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। এতে তিনজন নিহত হয়েছেন আর আহত হয়েছেন দুজন।

শুক্রবার দিনগত রাত ২টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুর উপজেলার শ্রীফুলিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার আব্দুল মান্নান আনসারী।

আহতরা হলেন- মাদারীপুর জেলার কুতুবপুর থানার শিবচরের হাসিনা বেগম (৩৯) এবং সানজিদা বেগম (১৯)। তাদের নরসিংদী ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে রায়পুরা উপজেলার ভিটিমরজাল এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার পেছনে বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহত হন। এ ঘটনায় সিএনজি চালকসহ আরও তিন আহত হন।

স্টেশন মাস্টার আব্দুল মান্নান আনসারী জানান, রাত ২টার দিকে নরসিংদীর শিবপুর শ্রীফুলিয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মাইক্রোবাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। আমরা জাতীয় জরুরী সেবা থেকে কল পেয়ে উদ্ধার অভিযান চালাই। তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত দুজনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপালে ভর্তি করা হয়েছে। আমরা ইটাখোলা হাইওয়ে পুলিশের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেছি।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ রাতে

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ রাতে

ডেস্ক রিপোর্ট:

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে আজ রাতে। শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে এ ফল প্রকাশের কথা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা পর্যন্ত এ ধাপে আবেদন করার সুযোগ পান শিক্ষার্থীরা।

এদিকে, আজ রাতে একই সঙ্গে প্রথম ধাপে নির্বাচিতদের মধ্যে মাইগ্রেশনের আবেদন করা শিক্ষার্থীরা কে, কোন কলেজ পেলেন, তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

ফল প্রকাশের পর রোববার সকাল ৮টা থেকে দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিতরা প্রাথমিক নিশ্চায়নের সুযোগ পাবেন। এ নিশ্চায়ন প্রক্রিয়া চলবে ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা পর্যন্ত।

নিশ্চায়নের জন্য এ সময়ের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ৩৩৫ টাকা জমা দিতে হবে। তবে মাইগ্রেশনপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হবে না।

এদিকে, দ্বিতীয় ধাপে কলেজ না পাওয়া শিক্ষার্থীরা তৃতীয় ধাপে আবেদনের সুযোগ পাবেন। আগামী ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর তৃতীয় ধাপে আবেদন নেওয়া হবে।

ভর্তি শুরু হবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর, যা চলবে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত। এ বছর বিভিন্ন কলেজের একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এবার ভর্তির সর্বোচ্চ ফি ৮ হাজার ৫০০ টাকা। ভর্তি শেষে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে ৮ অক্টোবর।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে এবার মোট আসন ২৬ লাখ চার হাজার ৮৫৬টি। প্রথম ধাপে ১২ লাখ ৬১ হাজার ৭৯৭ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হন। তাদের মধ্যে নিশ্চায়ন করেছেন ১০ লাখ ২৬ হাজার ৬৫৭ জন। অর্থাৎ প্রথম ধাপে কলেজ পেয়েও নিশ্চয়ন করেননি ২ লাখ ৩৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী।

অন্যদিকে পছন্দক্রম জটিলতায় আবেদন করেও প্রথম ধাপে নির্বাচিত হননি এসএসসি উত্তীর্ণ ৪৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে সাড়ে ৮ হাজারের বেশি জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীও রয়েছেন।

হাজিরা বাড়ি ভাড়ায় বেঁচে যাওয়া ৪৯ কোটি টাকা ফেরত পাচ্ছেন

হাজিরা বাড়ি ভাড়ায় বেঁচে যাওয়া ৪৯ কোটি টাকা ফেরত পাচ্ছেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়া হাজিরা বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য খাতে উদ্বৃত্ত অর্থ ফেরত পাচ্ছেন। ১০ হাজার ৩০ জন হাজির ব্যাংক হিসাবে ৪৮ কোটি ৮৮ লাখ ১ হাজার ১৪৯ টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল স্থানীয় কার্যালয় শাখার মহাব্যবস্থাপককে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ২০২৩ সালের হজের সরকারি মাধ্যমের হজযাত্রীদের সৌদি আরব পর্বে দেওয়া প্যাকেজ মূল্যের বাড়ি ভিত্তিক উদ্বৃত্ত অর্থ নিবন্ধনকালে দাখিল করা বা পরবর্তীতে সংশোধিত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সরকারি হজযাত্রীদের জন্য ১৬টি বাড়ির ভাড়ার ক্ষেত্রে এই অর্থ উদ্ধৃত রয়েছে। এর মধ্যে বাড়ি-১ এর ক্ষেত্রে প্রত্যেক হাজি ৫৬ হাজার ৩২ টাকা, বাড়ি-২ এর ক্ষেত্রে ৫৭ হাজার ৪৮০ টাকা, বাড়ি-৩ এর ক্ষেত্রে ৫১ হাজার ৭৪৫ টাকা, বাড়ি-৪ এর ক্ষেত্রে ৫১ হাজার ৭৪৫ টাকা, বাড়ি-৫ এর ক্ষেত্রে ৬১ হাজার ৭৬৬ টাকা, বাড়ি-৬ এর ক্ষেত্রে ৬০ হাজার ৩৪৭ টাকা, বাড়ি-৭ এর ক্ষেত্রে ৬৩ হাজার ২১৪ টাকা, বাড়ি-৮ এর ক্ষেত্রে ৩১ হাজার ৬৭৩ টাকা করে ফেরত পাবেন।

এছাড়া বাড়ি-৯ এ থাকা হাজিরা প্রত্যেকে ৬৩ হাজার ২১৪ টাকা, বাড়ি-১০ এর প্রত্যেকে ৫১ হাজার ৭৪৫ টাকা, বাড়ি-১১ এর প্রত্যেকে ৬৩ হাজার ২১৪ টাকা, বাড়ি-১২ এর প্রত্যেকে ৪৬ হাজার ১০ টাকা, বাড়ি-১৩ এর প্রত্যেকে ৪৬ হাজার ১০ টাকা, বাড়ি-১৪ এর প্রত্যেকে ৫৪ হাজার ৬১২ টাকা, বাড়ি-১৫ এর প্রত্যেকে ৪৬ হাজার ১০ টাকা এবং বাড়ি-১৬ এর প্রত্যেকে ২৫ হাজার ৯৩৮ করে ফেরত পাচ্ছেন।

চলতি বছরের ২৭ জুন (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। এবার বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২২ হাজার ৮৮৪ জন হজ পালন করেন।

এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. মঞ্জুরুল হক জানান, ‘এবার হজে সৌদি অংশে বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে যে খরচটা হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি, তা থেকে উদ্বৃত্ত রয়েছে। অন্যান্য কিছু খাতেও টাকা উদ্বৃত্ত রয়েছে। সব মিলিয়ে সেই টাকাটা আমরা হাজিদের ফেরত দিচ্ছি। হজ কার্যক্রম পরিচালনা করে সরকার লাভ করে না। প্যাকেজের যেটা খরচ হয়, বাকিটা হাজিদের ফেরত দেওয়া হয়। আগেও দেওয়া হয়েছে, এবারও দেওয়া হচ্ছে।’