Tag Archives: কুমিল্লা সেনানিবাস

স্বাধীনতা দিবসে কুমিল্লা সেনানিবাসে ‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

স্বাধীনতা দিবসে কুমিল্লা সেনানিবাসে ‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা সেনানিবাসে ‘Go Green Initiative’ (গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ)-এর ব্যানারে আয়োজন করা হয়েছে এক ব্যতিক্রমী বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি। পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকে উৎসাহিত করতেই এই আয়োজন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সেনানিবাসের সকল ব্রিগেড কমান্ডারগণ, স্টেশন কমান্ডার, কমান্ড্যান্টবৃন্দ, প্রায় ৫০০ বিভিন্ন পদবীর সেনাসদস্য এবং ২৫ জন শিশু কিশোর অংশগ্রহণে এ সাইকেল র‍্যালির উদ্বোধন করেন ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এবং কুমিল্লা এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোঃ নাজিম-উদ-দৌলা, এসপিপি, এনডিসি, পিএসসি, পিএইচডি।
স্বাধীনতা দিবসে কুমিল্লা সেনানিবাসে ‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

উদ্বোধন শেষে মেজর জেনারেল মোঃ নাজিম-উদ-দৌলা বলেন, পরিবেশবান্ধব একটি আবাসিক ও কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে কুমিল্লা সেনানিবাস-এ ‘Go Green Initiative’ নামে একটি সমন্বিত প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো অভ্যন্তরীণ চলাচলে জীবাশ্ম জ্বালানিচালিত যানবাহনের ব্যবহার কমিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানো। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২৬ মার্চ ২০২৬ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে আয়োজিত সাইকেল র‍্যালিতে অংশ নেন সেনানিবাসের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা। পরিবেশবান্ধব, সহজপ্রাপ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত বাহন হিসেবে সাইকেলের ব্যবহারকে জনপ্রিয় করে তোলাই ছিল এই র‍্যালির মূল উদ্দেশ্য।

স্বাধীনতা দিবসে কুমিল্লা সেনানিবাসে ‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ১০০টি সাইকেল এবং ‘আনন্দ পরিবহন’ নামে দুইটি ব্যাটারিচালিত গাড়ি সংযোজনের মাধ্যমে ‘Go Green Initiative’-এর যাত্রা শুরু হয়। ইতোমধ্যে এই উদ্যোগ জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের ব্যবহার কমানো এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এছাড়াও নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে সেনানিবাসের বিভিন্ন স্থাপনার ছাদ ও অনাবাদি ভূমি ব্যবহার করে ৩.৮ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সোলার পাওয়ার প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ‘Go Green Initiative’ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হয়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কুমিল্লা সেনানিবাসে তৃতীয় স্টার লাইন বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা সেনানিবাসে তৃতীয় স্টার লাইন বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থিত ময়নামতি গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবে “৩য় স্টার লাইন কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট- ২০২৩” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই টুর্ণামেন্টে শতাধিক গলফার অংশগ্রহণ করেন ।

কুমিল্লা সেনানিবাসে তৃতীয় স্টার লাইন বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত
 

শনিবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৯টায় ময়নামতি গলফ কান্ট্রি ক্লাবের মাঠে রঙ্গিন বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ময়নামতি গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবের সভাপতি এবং ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোঃ মাইনুর রহমান, এসইউপি, এডব্লিউসি, পিএসসি।

কুমিল্লা সেনানিবাসে তৃতীয় স্টার লাইন বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত
 

উদ্বোধনী এবং টুর্ণামেন্ট শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরষ্কার বিতরণ করেন জিওসি মোঃ মাইনুর রহমান ৷

এসময় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টার লাইন গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হাজী আলাউদ্দিন।

ট্রাক চাপায় সেনাসদস্য নিহতের ঘটনায় চালক গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার:
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ট্রাক চাপায় কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত সেনাসদস্য নিহতের ঘটনায় লাইসেন্স বিহীন চালক আবুল কালামকে(৬২) কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১,সিপিসি-২ সদস্যরা। এ সময় ট্রাকটি জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) রাতে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরিপুর এলাকা হতে ঘাতক ট্রাকচালক আবুল কালামকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া আবুল কালাম দাউদকান্দি উপজেলার স্বল্প পেন্নাই গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।

২১ ফেব্রুয়ারী মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বালুয়াকান্দি এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় মোটরসাইকেল চালক তুষার। আহত হন মোটরসাইকেলের পিছনের সীটে বসে থাকা আরোহী রিয়াজ (২৭) নামে এক ব্যক্তি। সম্পর্কে তিনি নিহত তুষার এর দুলাভাই। পরবর্তীতে ঘাতক ট্রাকচালক ট্রাক নিয়ে দ্রুত ঐ স্থান থেকে পালিয়ে যায়।

দূর্ঘটনায় নিহত মোটরসাইকেল চালক মেহেদী হাসান তুষার (২৫) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সদস্য। তিনি চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানার নয়াকান্দি গ্রামের জসিম উদ্দিন এর ছেলে। তার পিতা জসিম উদ্দিনও একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য।

মেহেদী হাসান তুষার ২০১৮ সালের ১৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করে ৫ বছর ১ মাস চাকুরী সম্পন্ন করে এবং ২০২২ সালের ১৭ জুন বিবাহ করে। সর্বশেষ সে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এ কর্মরত ছিল। ঘটনার দিন গত ২১ ফেব্রুয়ারী নিহত তুষার তার দুলাভাইকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে গাজীপুর থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করেছিলেন। পথিমধ্যে সন্ধ্যার দিকে তারা মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি এলাকায় পৌছালে পেছন দিক আসা একটি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় হেলমেট পরিহিত অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও মোটরসাইকেল চালক তুষার ঘটনাস্থলেই মারা যায় ও তার সাথে থাকা আরোহী রিয়াজ গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়। আহত রিয়াজকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় ।

উক্ত দূর্ঘটনায় নিহত মোটরসাইকেল চালক তুষারের বাবা বাদী হয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি গজারিয়া থানায় সড়ক পরিবহন আইনে অজ্ঞাতনামা চালক ও অজ্ঞাতনামা গাড়ির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা টিম মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করে। গোয়েন্দা টিম হতে প্রাপ্ত তথ্য ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘটনাস্থলের আগে ও পরে একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘাতক ট্রাকচালককে শনাক্ত করা হয়। ২৪ ফেব্রুয়ারী রাতে ঘাতক ট্রাকচালক আবুল কালামকে গ্রেফতার করা হয়।

ঘাতক ট্রাকচালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তার ড্রাইভিং লাইসেন্সটি হারিয়ে গিয়েছে মর্মে তথ্য প্রদান করেন। এছাড়াও তিনি আরো উল্লেখ করেন, ১৯৮২ সালে সে নিজের নামে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরী করে। ১৯৯৪ সালে তার লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলেও অদ্যাবধি সে লাইসেন্সের মেয়াদ নবায়ন করেন নাই। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে সে নিজে একটি ট্রাক ক্রয় করে এবং ২০২০ সাল থেকে পেশাদারভাবে হেল্পার ব্যতীত নিজেই ট্রাকটি চালনা করছিল।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে গজারিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

 কুমিল্লায় মুজিব বর্ষ ১ম সাইফ পাওয়ারটেক নববর্ষ কাপ গলফ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

 

নাছরিন আক্তার হীরা:

কুমিল্লা সেনানিবাসের ময়নামতি গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবে মুজিব বর্ষ ১ম সাইফ পাওয়ারটেক নববর্ষ কাপ  গলফ টুর্নামেন্ট -২০২১ উদ্বোধন করা হয়েছে।

টুর্নামেন্টে দেশের বিভিন্ন গলফ ক্লাব থেকে শতাধিক গলফার অংশ নিয়েছেন।

শুক্রবার (২ এপ্রিল)সকালে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ও কুমিল্লা সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর হারুন, এসজিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মো: রুহুল আমিন।

টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বিগ্রেডিয়ার আকবর খান, রানারআপ  হয়েছেন লে. কর্ণেল মাহমুদ, বেস্ট গ্রস বিজয়ী হয়েছেন তাসলিন কারার এবং মহিলাদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মিসেস নাইমুল ইসলাম।

বঙ্গবন্ধুর ১০১ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা সেনানিবাসে র‌্যালি

 

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লা সেনানিবাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস-২০২১ উপলক্ষে বনার্ঢ্য র‌্যালিসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।

এরিয়া সদর দপ্তর কুমিল্লা ও সদর দপ্তর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে বুধবার সকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে বনার্ঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন করেন ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও কুমিল্লা এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর হারুন, এসজিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জিওসি।

এসময় তিনি জাতির পিতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ ব্যক্ত করে বাঙালী জাতির জন্য তাঁর অবদান সম্পর্কে আলোকপাত করেন এবং তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।

র‌্যালীতে কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থিত ইউনিট সমূহের সকল অফিসার, জেসিও, অন্যান্য পদবীর সৈনিক এবং অসামরিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। র‌্যালিটি সেনা নিবাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এছাড়া দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে কুমিল্লা সেনানিবাসের প্রতিটি প্রবেশ পথ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ সু-সজ্জিত ও আলোক সজ্জ্বার ব্যবস্থা করা হয়। সেনানিবাসের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য রচনা, চিত্রাংকন ও আবৃতি প্রতিযোগীতাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

কুমিল্লা সেনানিবাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২১ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সেনানিবাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২১ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বাংলাদেশ  সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২১ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রবিবার সকালে কুমিল্লা সেনানিবাসের এম.আর চৌধুরী প্যারেড গ্রাউন্ডে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ম্যরাথনের শুভ সূচনা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা সেনানিবাসের এরিয়া কমান্ডার ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর হারুন, এসজিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি ।

পরে সেনানিবাসের অভ্যন্তরে ৫ কিলোমিটার এলাকায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা সেনানিবাসের এরিয়া কমান্ডার ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর হারুনের নেতৃত্বে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেন সেনানিবাসের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত কর্মর্কতা ও সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, আমাদের জাতির পিতা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে অন্তরে ধারণ করে দেশপ্রেমে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। এসময় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২১ এ অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানান।

উল্লেখ্য যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২১ এ কুমিল্লা এরিয়ার প্রায় ১০ হাজার সামরিক ও ৭০ হাজার বেসামরিক জনবল অংশগ্রহণ করবেন।

বিশ্বযুদ্ধ থেকে স্বাধীনতাঃ গৌরব ও ত্যাগে কুমিল্লা সেনানিবাস

লেঃ কর্ণেল মোঃ নাজমুল হুদা খান:

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী প্রশাসনিক জেলা কুমিল্লা। অন্যান্য জেলার মত কুমিল্লা অঞ্চলটিও ইতিহাস, ঐতিহ্য, যুদ্ধ, দখল-পূর্ণদখল, জয়-পরাজয়, ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং আধার-আলোয় ঘটনাবহুল। এ জেলায় অবস্থিত তৎকালীন ময়নামতি ও বর্তমান কুমিল্লা সেনানিবাসটি বাংলাদেশের চেয়ে পুরানো সেনা ছাউনী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বাধীনতা; কালের স্বাক্ষী এ সেনানিবাস। এ সেনানিবাসে আজো আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জয়-পরাজয়ের স্মৃতি চিহ্ন, তেমনি রয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর অত্যাচার, হত্যাকান্ডের মর্ম পীড়ার চিহ্ন তেমনি রয়েছে মুক্তিকামী বাঙালী সেনাসদস্য ও মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও সাহসের গৌরবোজ্জল অধ্যায়।

কমলাঙ্ক থেকে কুমিল্লাঃ

কুমিল্লা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিল। ১৭৩৩ সালে বাংলার নবাব সুজাউদ্দিন খান, ত্রিপুরা রাজ্য আত্রুমন করে এবং কুমিল্লা অঞ্চল দখল করে নেয়। ১৭৬৫ সালে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ত্রিপুরা দখল করে এবং ১৭৬৯ সালে ঢাকা প্রদেশের অধিনস্ত করে এখানে একজন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ দেয়। ১৭৯০ সালে এতদঞ্চলসহ ত্রিপুরাকে জেলায় স্থানান্তরিত করা হয়। দেশ বিভাগের পর ১৯৬০ সালে এ অঞ্চলকে বৃহত্তর কুমিল্লা জেলা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয় । সর্বশেষ ১৯৮৪ সালে চাঁদপুর ও ব্রাক্ষণবাড়ীয়াকে পৃথক করে কুমিল্লা জেলার বর্তমান সীমানা নির্ধারণ করা হয়। কুমিল্লার নামকরনের অনেকগুলো প্রচলিত মতামতের মধ্যে চৈনিক পরিব্রাজক ওয়াং চোয়াং এর সমতট রাজ্যের ভ্রমনলিপি থেকে পাওয়া তথ্যটি বেশী গ্রহণযোগ্য ধারনা করা হয়। পঞ্চম শতাব্দিতে গুপ্ত সম্রাটদের রাজ্যভূক্ত  ত্রিপুরায় কিয়া-মল-ঙ্কিয়া নামক যে এলাকার বর্ণনা রয়েছে তা থেকেই কমলাঙ্ক বা কুমিল্লা নামকরণ করা হয়েছে বলে ধারনা করা হয়।

কুমিল্লা সেনানিবাসের গোড়াপত্তন ঃ

দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় ১৯৪২ সালের শেষ দিকে জাপানীরা যখন বঙ্গোপসাগর দিয়ে তৎকালীন বার্মা বা বর্তমান মায়ানমার উপকুলে এসে রেংগুন শহর দখল করে, তখন ব্রিটিশ বাহিনী উত্তর দিকে হটে যায়। তখন তৎকালীন ১৪ আর্মির দায়িত্বে আসেন জেনারেল উইলিয়াম যোসেফ সিণম। বন্যামুক্ত পাহাড়ী অঞ্চল এবং তৎকালীন শাহসুজা সড়ক (বর্তমান ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক) পথে মিয়ানমারে যাতায়ত সুবিধা থাকায় কুমিল্লায় একটি বিমানবন্দর এবং ১৪ আর্মি কমান্ড পোষ্ট স্থাপন করা হয় । কমান্ড পোষ্টটির স্থায়িত্ব ছিল ১৯৪৩ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৪৪ সালের অক্টোবর অবধি। এ কমান্ড পোষ্টকে ঘিরে বিশ্বযুদ্ধকালীন এখানে বড় সেনাক্যাম্প প্রতিষ্ঠা করা হয়। কয়েকটি অর্ডন্যান্স ডেপো ও ব্রিটিশ ভারতীয় মিলিটারী হাসপাতাল ছিল এ ক্যাম্প এলাকাà§