Tag Archives: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কাভার্ডভ্যান চালক করোনায় আক্রান্ত: আতংকে আরো ৬০ জন

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কাশিনগর সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসি

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের জয়মঙ্গলপুর গ্রামের প্রায় ১ কিলোমিটার পাকা সড়কের বেহাল দশা। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সড়কটির সংস্কারে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসিকে।

নিলক্ষীবিষ্ণপুর এবং জয়মঙ্গলপুর গ্রামের একমাত্র পাকা সড়ক এটি। সামান্য বৃষ্টি হলেই চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। প্রায় ৫ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র অবলম্বন এ রাস্তাটি। স্কুল-কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পথ দিয়েই যাতায়াত করে। বর্তমানে রাস্তায় হাঁটু সমান পানি আর কাঁদার জন্য পায়ে হেঁটে যাওয়ার অবস্থা নেই বললেই চলে। অন্য সময় রাস্তাটির অবস্থা কিছুটা ভালো থাকলেও চলমান বর্ষা মৌসুমের কারণে রাস্তাটির অবস্থা আরো খারাপ হয়ে গেছে।

সড়কের বেশকিছু স্থানে খানা-খন্দ সৃষ্টির ফলে পানি জমে একাকার হয়ে গেছে। ব্যাটারী চালিত অটো-রিকসা ও সিএনজিসহ ছোট যানবাহনগুলো চলাচলে নানা সমস্যায় পড়ছেন চালকরা। অনেক সময় গর্তে আটকা পড়ে ছোট যানগুলো বিকল হয়ে যাচ্ছে। এতে যাত্রী দূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় অটো-রিকসা ও সিএনজি চালকরা জানান, এলাকাবাসীসহ আমরা বেশ কয়েকবার টাকা দিয়ে শুরকি ফেলেছি। তাতেও কোনো লাভ হয়নি। এমতাবস্থায় রাস্তাটির দ্রুত সংস্কারের দাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন স্থানীয়রা। এবিষয়ে জানতে চাইলে রাস্তাটির দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দেন কাশিনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কাভার্ডভ্যান চালক করোনায় আক্রান্ত: আতংকে আরো ৬০ জন

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ফারুক হোসেন (৩৭) নামে এক কাভার্ডভ্যান চালক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ফারুক চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার সোনাকাটিয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ড্রাইভারের ছেলে।

গত সোমবার (১৮ মে) তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিলো এবং বুধবার (২০ মে) রির্পোট পজেটিভ পাওয়া গেছে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাসিবুর রহমান জানান।

বৃহস্পতিবার তার পরিবারসহ আশপাশের কমপক্ষে ৩০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হবে বলে তিনি জানান। এদিকে খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল আমিন সরকার বুধবার বিকেলে ফারুকের বাড়িসহ আশপাশের আরো ছয়টি বাড়ি লকডাউন করেন। এসময় পৌর মেয়র মিজানুর রহমান উপস্থিত হয়ে ফারুকের পরিবারসহ লকডাউন হওয়া পরিবার গুলোকে খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করেন। এলাকাবাসী জানান, ফারুকসহ ওই গ্রামে কমপক্ষে ৬০জন ট্রাক ও কার্ভাডভ্যান চালক রয়েছেন। তারা যাতায়াতের সময় বাড়িতে এসে ঘুমায় এবং গ্রামের দোকান গুলোতে অনেক সময় বসে আড্ডা দিতেন। এছাড়া তাদের পরিবারের অনেক সদস্য গ্রামের মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন এবং বাজারে ও গ্রামের দোকানে বসে সময় কাটিয়েছেন। তাদের অবাধ চলাচলের কারণে সারা গ্রামেই করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। তাই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসন ও পৌর মেয়রের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।