,

কুমেকে নবজাতককে দ্বিখণ্ডিত করার ঘটনায় তদন্ত কমিটি

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
March 27, 2018
news-image

 

সেলিম সজীবঃ

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে জুলেখা বেগম নামের এক প্রসূতির জরায়ু কেটে ফেলা ও নবজাতকের মাথা কেটে দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।

কুমেকের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. তারেক আবদুল্লাহকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি মঙ্গলবার দুপুরে নিশ্চিত করেছেন কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. স্বপন কুমার অধিকারী। কমিটির অপর ২ সদস্য হলেন সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ইয়াহিয়া এবং গাইনী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শায়েলা নাজনীন। ৭ দিনের মধ্যে ওই কমিটি এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেয়ার কথা রয়েছে। এদিকে তদন্ত কমিটির সদস্যরা মঙ্গলবার থেকে তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। এর আগে হাসপাতালের পরিচালক, জেলা সিভিল সার্জন ও অপারেশনে অংশ নেয়া চিকিৎসকসহ ৭ জনকে হাইকোর্ট তলব করে।

১৭ মার্চ রাতে জেলার মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের সফিক কাজীর স্ত্রী জুলেখা বেগম (৩০) প্রসব বেদনা নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন দুপুরে অপারেশন থিয়েটারে হাসপাতালের গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. করুনা রানী কর্মকারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের চিকিৎসক দল ওই অপারেশন করেন। এ সময় জুলেখার অপারেশন করে তার নবজাতকের মাথা বিচ্ছিন্ন এবং জরায়ু কেটে ফেলার সংবাদ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

তবে কুমেকের গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. করুনা রানী কর্মকার জানান, প্রসূতির গর্ভের সন্তান মৃত ও অস্বাভাবিক পজিশনে ছিল। কিন্তু শিশুটির হাত-পা জরায়ু মুখ দিয়ে বের হয়ে আসায় বাধ্য হয়ে অপারেশনের মাধ্যমে মৃত শিশুর দেহ ও মাথা বিচ্ছিন্ন করে আলাদাভাবে বের করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে রোগীর জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় রোগীর জীবন রক্ষায় তার জরায়ু কেটে ফেলি। এতে ডাক্তারদের অবহেলা ছিল না।