,

কিছুতেই কমছেনা শীতের তীব্রতা, পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.২

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
December 25, 2019
news-image

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পঞ্চগড়ে মাঝারি পর্যায়ের শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।সকাল ১০টার পর ঘন কুয়াশা কেটে গেলেও উত্তরের হিমেল বাতাসের কারণে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।

এতে দুর্ভোগে পড়েছেন রিকশা-ভ্যান চালকসহ খেটে খাওয়া মানুষ। বিশেষ করে নদীতে নেমে পাথর সংগ্রহ করা পাথর শ্রমিকদের অবস্থা নাজুক। ঠান্ডার কারণে তারা পানিতে নামতে পারছেন না। দৈনন্দিন আয় কমে গেছে রিকশা-ভ্যান চালকদের। যারা প্রতিদিন রিকশা চালিয়ে সাধারণত ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা আয় করতেন। তাদের আয় নেমে এসেছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা দুর্ভোগে দিনযাপন করছেন।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ এর মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৮ থেকে ১০ এর মধ্যে অবস্থাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। বুধবার সকালে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এই অবস্থাকে মাঝারি পর্যায়ের শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়ে থাকে। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই দিন দিনের তাপমাত্রা (সর্বোচ্চ তাপমাত্রা) রেকর্ড করা হয় ২২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, সরকারিভাবে বরাদ্দসহ এ পর্যন্ত ৩৩ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আমরা নিজেরাও দুস্থ শীতার্ত ও এতিম শিশুদের কাছে গিয়ে তাদের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেয়ার চেষ্টা করছি। এছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে শীতার্তদের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানানো হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকেও জেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।

তবে জেলার প্রায় দুই লাখ শীতার্ত মানুষের জন্য সরকারিভাবে আরও শীতবস্ত্র বরাদ্দ প্রয়োজন বলে জানান স্থানীয়রা।