,

দাউদকান্দিতে জমজ বাচ্চার একটি বের করে অপরটি পেটে রেখে টিউমার বলে সেলাই করে দেন ডাঃ হোসনেয়ারা!

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
October 23, 2017
news-image

স্টাফ রিপোর্টার
কুমিল্লা দাউদকান্দির মালিগাাঁও সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ হোসনেয়ারার অপচিকিৎসা দিন দিন বেড়েই চলেছে। হয়রানি হচ্ছে রোগি ও তার পরিবার।
গত ৯ সেপ্টেম্বর গৌরীপুর লাইফ ডিজিটাল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে ডাঃ হোসনেয়ারা ঘটিয়েছেন এক বিস্ময়কর ঘটনা। হোমনা উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের আঃ আউয়ালের ২০ বছর বয়সী স্ত্রী খাদিজা আক্তারের পেটে জমজ বাচ্চা। ৯ সেপ্টেম্বর সিজার করে বাচ্চা ডেলিভারী করার জন্য আসেন উক্ত হাসপাতালে।এ সিজারটি করেন ডাঃ হোসনেয়ারা।তিনি একটি বাচ্চা সিজার করে বের করে অপর বাচ্চা পেটে রেখেই খাদিজার পেট সেলাই করে দেন।পেট ফুলা কেন রোগীর স্বজন এ প্রশ্ন করলে জবাব দেন রোগীর পেটে টিউমার আছে।এ অপারেশন আমি করতে পারবনা।কিছুদিন পর ঢাকায় নিয়ে এ অপারেশন করিয়ে নিবেন।রোগী কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর সরল বিশ্বাসে বাড়ি চলে যান। কিছুদিন পর পেটে অসম্বভ ব্যাথা অনুভব করলে স্থানীয় এক হাসপাতালে যান। সেখানকার ডাক্তার তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করান এবং তিনি তাকে জানান আপনার পেটে একটি মৃত বাচ্চা রয়েছে।এ কথা জানার পর রোগী গৌরীপুর লাইফ ডিজিটাল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে ফোন করলে কর্তৃপক্ষ তাকে এ হাসপাতালে আসার পরামর্শ দেন। গতকাল রাতে রোগী এ হাসপাতালে আসলে তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষার করে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর রোগীকে নিজ খরচে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরন করেন।কিন্তু ততক্ষনে বিষয়টি এক কান দু’কান হতে হতে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পরে।এলাকায় চরম চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য গৌরীপুর লাইফ ডিজিটাল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার কতৃপক্ষ ও ডাঃ হোসনেয়ারার সেলফোনে বারবার কল করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
তাছাড়া দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ জালাল হোসেনের সেলফোনে কল করা হলে তিনি এ প্রসঙ্গ টানার সাথে সাথে পরে কথা বলব বলে ফোন রেখে দেন।
সিভিল সার্জন কুমিল্লা ডাঃ মজিবুর রহমানকে সাংবাদিক পরিচয় প্রদানের পর প্রসঙ্গ টানলে তিনিও মিটিংয়ে আছি বলে ফোন রেখে দেন।
উল্লেখ্য, দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স(গৌরীপুর) কে ঘিরে মাত্র ১ কি.মি রাস্তার দু’পাশে ব্যাঙের ছাতার মত ঘরে উঠেছে অর্ধ শতাধিক প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার। যার কোনটিরই নিজস্ব ডাক্তার সহ অন্যান্য জনবল নেই।রোগী আসলে অনকলে ডাক্তার আনা হয়।এ ব্যাপারে রহস্য জনক কারনে সংশ্লিষ্ট কতৃপকক্ষের কোন নজরদারী ,মনিটরিংও অপরাধের শাস্তি মূলক ব্যাবস্থা নেই।