,

দেবিদ্বারে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি পরীক্ষার প্রথম দিনে ৪৭১ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত, ৪ শিক্ষক বহিষ্কার

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
November 19, 2017
news-image

 

শাহ ইমরান/জামাল উদ্দিন দুলালঃ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপণী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা চলাকালে সাথে মোবাইল ফোন রাখা ও প্রশ্নপত্রের ছবি তোলে ইমুতে দেয়ার প্রস্তুতিকালে এবং দায়িত্ব অবহেলায় পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়োজিত ৪ শিক্ষককে পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষার প্রথম দিনে এ উপজেলায় ৪৭১ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

রোববার (১৯ নভেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা সমাপণী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা চলাকালে প্রথম দিন ইংরেজী বিষয় পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নবিয়াবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে ৪ শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়।

দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবীন্দ্র চাকমা জানান, মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শক ও মহেশপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ফারজানা আক্তার নামে এক শিক্ষিকা মোবাইল ফোনে ছবি তোলে ইমুতে পাঠাবার চেষ্টাকালে তাকে হাতে নাতে ধরা হয়। তার মোবাইল ফোনটিও আটক করা হয়। পরে তাকে উপজেলা সদরে এনে ভবিষ্যতে আর কোন পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য হওয়ার শর্তে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয়া হয়। অপর তিন শিক্ষককেও পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

দেবিদ্বার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খগেন্দ্র চন্দ্র সরকার জানান, মহেশপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সাথে মোবাইল ফোন রাখার দায়ে ওই কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক বড়শালঘর বেগম নূরুন্নাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক চন্দনা রানী রায়, প্রজাপতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তাছলিমা আক্তার ও বড়শালঘর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ফারজানা আক্তার এবং নবিয়াবাদ কেন্দ্রে পরিদর্শক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক রকিব উদ্দিনের নির্দেশে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে কুরুইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা সমাপণী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষায় দেবিদ্বার উপজেলার ১৮৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১১৮টি কেজি স্কুল সহ ৩০৭টি স্কুলে ১০ হাজার ৬৫২ জন শিক্ষার্থী এবং ৩৮টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসার ১ হাজার ৪৯ জনসহ ৩৪৫টি বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসা থেকে ১১ হাজার ৭০১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। পরীক্ষার প্রথম দিনে প্রাথমিক ও কেজি স্কুলের ৩১৮ জন এবং ইবতেদায়ি মাদ্রাসার ১৫৩ জন শিক্ষার্থীসহ মোট ৪৭১ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।