,

নবীনগরে শিক্ষককে লাঞ্চিত করলেন শিক্ষক নেতা

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
April 4, 2018
news-image

মো. দেলোয়ার হোসেন, নবীনগর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সরকারি কর্মচারীকে লাঞ্চিতের ঘটনায় সরকারি কর্মচারী বিধিমাল লঙ্গনের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। বুধবার(০৪/০৩) লাঞ্চিত শিক্ষক কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কে এই শিক্ষক নেতা যিনি শিক্ষক হয়ে তার সহকর্মী আরেক শিক্ষককে লাঞ্চিত করেন।

তিনি বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি নবীনগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলার ছাত্রদলের সাবেক সি:সহ-সভাপতি সহকারি শিক্ষক মোঃ মনির হোসেন। উক্ত সমিতির সভাপতি,্ ইউআরসি কর্মকর্তাসহ এমন অনেক শিক্ষক তার এহেন আচরণের স্বীকার হয়েছেন। লোকলজ্জার ভয়ে কেউ মুখ খুলেননি তবে মুখ খুলেছেন গত ১৮ ফেব্রুয়ারীতে ইউআরসি অফিসে লঞ্চিত হওয়া রসুল্লাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিবাদী মো: কামরুজ্জামান। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এর প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

সূত্র জানায়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারী ইউ.আর.সি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ শেষে ইউ.আর.সি’র কর্মকর্তা মোঃ জসিম উদ্দিন এর সাথে প্রশিক্ষনের বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন শিক্ষক কামরুজ্জামান। এ সময় ওই শিক্ষক নেতা অতর্কিতে ওই কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশ করে ‘তুই এখানে কি করছিস,বেরিয়ে যা, বলে যা তা ভাবে গালিগালাজ করে মারতে আসে। ইউ.আর.সি’র কর্মকর্তা ও অফিস সহকারি মোঃ আলীর সহায়তায় কামরুজ্জামান প্রাণে রক্ষা পায়। পূর্বেও সমিতির সভাপতিসহ এরকম বহু সাধারণ শিক্ষক তার এহেন লাঞ্চনার শিকার হন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাসুম তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে নির্দেশ দিলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) জেপি দেওয়ান তদন্ত পুর্বক লাঞ্চিতের ঘটনা সত্যতা পেয়েছেন মর্মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, একজন সরকারি কর্মচারি হয়ে আরেকজন সরকারি সহকর্মীকে লাঞ্চিত করতে পারেন না। এটা সরকারি কর্মচারী বিধিমালা লঙ্গন। এটি সরকারী কর্মচারী(শৃংখলা ও আপীল)বিধিমালা ১৯৮৫ এর ২ (এফ) ধারায়“ কোন কর্মকর্তা বা ভদ্রলোকের পক্ষে অনুচিত শিষ্টাচারহীন কোন আচরণ” অপরাধ করেছেন।