,

বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক হওয়ার দৌড়ে যোগ দিতে চায় ইউক্রেন

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
October 5, 2022
news-image

 

স্পোর্টস ডেস্কঃ

ইউক্রেনে এখন চলছে তুমুল যুদ্ধ। গত ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার আক্রমণের মুখে রুখে দাঁড়ালেও নিজেরদ সার্বভৌম বেশ কিছু এলাকা হারাতে হয়েছে রাশিয়ার কাছে। যে যুদ্ধ এখনও চলমান এবং কেউ জানে না রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হবে কবে নাগাদ।

কিন্তু রাশিয়ার তুমুল আক্রমণের মুখেও ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার আবেদনে যোগ দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ। যৌথভাবে তারা আয়োজক হওয়ার দৌড়ে যোগ দিতে চায় স্পেন এবং পর্তুগালের সঙ্গে। স্পেন-পর্তুগাল আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজক হওয়ার আবেদন করার। ইউক্রেন তৃতীয় দেশ হিসেবে তাদের সঙ্গে যোগ দিতে চায়।

২০৩০ বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশ এখনও নির্ধারণ করেনি ফিফা। যদিও এরই মধ্যে তারা আবেদন আহ্বান করেছে। ২০২৬ সাল থেকে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ৪৮ দলকে নিয়ে। মেগা সাইজের প্রথম টুর্নামেন্টটির আয়োজক যৌথভাবে তিন দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো।

২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য দুটি পক্ষ আপাতত লড়াইয়ে নামতে যাচ্ছে। একপক্ষ হচ্ছে স্পেন-পর্তুগাল, সঙ্গে যদি ইউক্রেন যুক্ত হয়, তাহলে হবে তিনদেশ। অন্য পক্ষটি হচ্ছে লাতিন আমেরিকার চারটি দেশ। উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা, চিলি এবং প্যারাগুয়ে।

দ্য টাইমস পত্রিকার বরাত দিয়ে ডেইলি মেইল জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির আজই (বুধবার) এ বিষয়ে একটি ঘোষণা দেয়ার কথা যে, তারা স্পেন এবং পর্তুগালের সঙ্গে তৃতীয় দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হতে চায়।

এরই মধ্যে ইউক্রেন ফুটবল ফেডারেশনকে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হওয়ার দৌড়ে সামিল হওয়ার জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদোমির জেলেনস্কি অনুমতিও দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি পর্তুগাল ও স্পেন সরকারও ইউক্রেনকে এই লড়াইয়ে নিজেদের সাথে সামিল করে নেয়ার প্রস্তাবকে অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

এর আগে বিশ্বকাপ আয়োজনের অভিজ্ঞতা রয়েছে স্পেনের। ১৯৮২ বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল তারা। তবে, পর্তুগাল কিংবা ইউক্রেনের বিশ্বকাপ আয়োজন করার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। তিন দেশ মিলে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে পারলে হয়তো ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক তারা হয়েও যেতে পারে।

কিন্তু যে দেশটিতে যুদ্ধ চলমান, তারা কিভাবে বিশ্বকাপের আয়োজক হবে? এ প্রশ্ন উঠলে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা আশা করছে ২০৩০ সালের অনেক আগেই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে এবং তারা যথাসময়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে সক্ষম হবে।