All posts by jitu

বিয়ে করছেন আয়মান-কনে মুনজেরিন শহীদ

বিয়ে করছেন আয়মান-কনে মুনজেরিন শহীদ

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিয়ে করতে যাচ্ছেন দেশের সবচেয়ে বড় ইন্টারনেটভিত্তিক শিক্ষাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘টেন মিনিট স্কুল’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও আয়মান সাদিক এবং একক স্কুলের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মুনজেরিন শহীদ। শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজে তুমুল জনপ্রিয় দুই সেলিব্রিটির মধ্যে এতদিন প্রেমের যে গুঞ্জন ছিল অবশেষে তা সত্যি হচ্ছে।

আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর সেনাকুঞ্জ মিলনায়তনে আয়মান-মুনজেরিনের বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

নিকটতম বন্ধু-বান্ধবীরা দুজনের বিয়ের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রের ছবি দিয়ে আয়মান সাদিক ও মুনজেরিন শহীদকে তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভ কামনা জানিয়েছেন, যা রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ওই কার্ডে দেখা যায়, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তায়েবুর রহমান ও শারমিন আক্তারের পুত্র আয়মান সাদিক এবং শহীদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ও মনোয়ারা শহীদের কন্যা মুনজেরিন শহীদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনার কথা রয়েছে।

কুমিল্লায় জন্ম নেওয়া আয়মান সাদিক একজন বাংলাদেশি শিক্ষা উদ্যোক্তা এবং ইন্টারনেট ব্যক্তিত্ব। তিনি ২০১৫ সালে ‘১০ মিনিট স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন। এটা এমন এক প্রতিষ্ঠান, যা অনলাইনে শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন তথ্য এবং সহযোগিতা বিনামূল্যে দিয়ে থাকে। এই প্রতিষ্ঠান মূলত ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানের নানা বিষয়, যা একাডেমিক সিলেবাসের আওতাভুক্ত এবং বিভিন্ন বিষয়ের ওপর দক্ষতা কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়ে ভিডিও তৈরি করে। আয়মান সাদিক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর ছাত্র।

মুনজেরিন শহীদের জন্ম চট্টগ্রামে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন। এখন তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শতভাগ বৃত্তি নিয়ে ইংরেজিতে দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর করছেন।

মুনজেরিন শহীদ মূলত আলোচনায় আসেন ‘১০ মিনিট স্কুল’র একজন শিক্ষিকা হিসেবে। তিনি এই প্লাটফর্মে শিক্ষার্থীদের ইংরেজী শিখিয়ে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

গ্রামের সবাইকে বাঁচিয়ে দিলো একটি বিয়ে

গ্রামের সবাইকে বাঁচিয়ে দিলো একটি বিয়ে

ডেস্ক রিপোর্ট:

উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে গত শুক্রবার আঘাত হানা ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। যারা মারা গেছেন তাদের বেশিরভাগেরই মৃত্যু হয়েছে ধসে পড়া বাড়ি-ঘরের নিচে চাপা পড়ে।

তবে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের খুব কাছে থাকা আদাসিল অঞ্চলের ইগহিল এনটাগোমোত গ্রামে— ভূমিকম্পে কোনো মানুষের মৃত্যু হয়নি। যদিও ওই গ্রামের প্রায় সব বাড়ি-ঘর ভূমিকম্পে পুরো ধসে পড়েছে।

ভূমিকম্পের সময় ওই গ্রামবাসীরা একটি বিয়ে পূর্ববর্তী অনুষ্ঠানে কনে বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে উন্মুক্তস্থানে স্থানীয় সংগীত ও অন্যান্য আয়োজন উপভোগ করছিলেন তারা। আর তখনই শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে পুরো গ্রাম।

বিয়ে বাড়িতে সে সময় অনেকেই মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। সেসব মোবাইল ফোনে ভূমিকম্পের বিষয়টি ওঠে আসে। ওই সময় সেখানকার আমন্ত্রিত অতিথিদের ভয়ে-আতঙ্কে চিৎকার ও চেঁচামেচি করতে শোনা যায়।

অনুষ্ঠানে আগত এক অতিথি ভূমিকম্প আঘাত হানার আগ থেকেই ভিডিও করছিলেন। সেই ভিডিওতে দেখা যায় সংগীত শিল্পীরা দেশটির ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে বাঁশি ও ছাগলের চামড়ার তৈরি ড্রাম বাজাচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই সেখানে হৈ-হুল্লোড় ও মানুষের আর্তনাদ শুরু হয়।

ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্প আঘাত হানার পরের দিন অর্থাৎ শনিবার ৩০ বছর বয়সী মোহাম্মদ বাওদাদের সঙ্গে ২২ বছর বয়সী হাবীবা আজদিরের বিয়ের দিন ধার্য্য করা হয়েছিল। আর সেখানকার রীতি অনুযায়ী, বিয়ের আগের দিন কনের বাড়িতে বিবাহ পূর্ববর্তী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেই বিয়ের আয়োজনই সৌভাগ্যক্রমে তাদের ভয়াবহ বিপদ থেকে রক্ষা করেছে।

সূত্র: রয়টার্স

ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৩

ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৩

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যুবলীগ নেতা মো.রাসেল ওরফে শিশু রাসেলসহ ৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বেগমগঞ্জের মাহবুল্লাপুর গ্রামের জাফর আহম্মদ ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ওরফে কালা বাবু (২৬), একই উপজেলার দেবকালা গ্রামের মৃত আবুল খায়েরের ছেলে ফিরোজ আহম্মদ ওরফে রাকিব (২০) ও চাঁদকাশিমপুর গ্রামের মো.দেলোয়ারের ছেলে মো.রাসেল ওরফে শিশু রাসেল (২৭) ।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতের দিকে দুই আসামিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-১১। এর আগে, গতকাল সোমবার সন্ধ্যার দিকে যুবলীগ নেতা শিশু রাসেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিহত আব্দুল লতিফ মিন্টু (৪৫) উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের মাহবুল্লাপুর গ্রামের খান বাড়ির মৃত আবু তাহেরের ছেলে এবং সে গোপালপুর ইউনিয়ন যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল।

জানা যায়, মঙ্গলবার সকালের দিকে নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, গতকাল সোমবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের কোটরামহব্বতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুত্বর আহত যুবদল নেতা মিন্টুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে একই দিন রাত পৌনে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানী কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানায়,প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় গতকাল সোমবার দুপুরের দিকে মিন্টু নামে এক যুবককে সন্ত্রাসীরা হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুত্বর জখম করে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের কোটরামহব্বতপুর গ্রামের রাস্তার উপর ফেলে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে ভিকটিম মারা যায়। তাৎক্ষণিক র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ এর আভিযানিক দল হত্যাকারীদের গ্রেফতারে তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ এর বিশেষ আভিযানিক দল ভোর রাতের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুই আসামিকে গ্রেফতার করে। পরে তাদের বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপালপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০২২ সালের ৭ জুলাই উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য মো.হাসিবুল বাশার হাসিবকে (২২) কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ওই হত্যা মামলার ৫নম্বর আসামি ছিল নিহত যুবদল নেতা মিন্টু। কিছু দিন আগে নতুন করে যুবলীগ নেতা শিশু রাসেলের সাথে বিরোধ বেধে যায় নিহত মিন্টুর। পূর্ব শক্রতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোমবার দুপুরের দিকে যুবলীগ নেতা রাসেলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জন মিন্টুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে উপজেলার কোটরামহব্বতপুর গ্রামে পেলে যায়। পরে স্থানীয় চৌকিদার বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে। পরে পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভিকটিমকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ এলাকাবাসীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে একজনকে আটক করেছে। এলাকায় প্রভাব বিস্তার থাকায় কেউ মুখ খোলেনা। যার নাম পেয়েছি, সে স্বশরীরে ছিল, তাই তাকে আটক করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, নিহত মিন্টু ছাত্রলীগ নেতা হাসিব হত্যা মামলার জামিনপ্রাপ্ত ৫নম্বর আসামি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ইয়াসিন আরাফাত ও আব্দুল্লাহ আল নোমান নামে ছয় বছর বয়সেই শিশু দুটি সোমবার সন্ধ্যা থেকে নিখুঁত ছিল।

পরে আজ সকালে বাড়ির পাশে পুকুর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নাঙ্গলকোট থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, নাঙ্গলকোট পৌরসভার উত্তরপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে আরাফাত ও মাহফুজ হকের ছেলে নোমান গতকাল সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় বাড়ির পাশে পুকুর ঘাটে খেলছিল। এরপর থেকে তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সন্ধ্যায় পুকুরে ও তাদেরকে খুঁজে উদ্ধার করতে পারেনি কেউ। পরে মঙ্গলবার সকালে দুজনের মরদেহ পানিতে ভেসে ওঠে। আরাফাত ও নোমান স্থানীয় একটি স্কুল ও মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেণীতে পড়তো।

পুলিশ উপ-পরিদর্শক রিয়াজ হোসেন জানান, দুপুরে মরদেহ দাফনের পর আমরা সংবাদ পেয়েছি। তারপর শিশুর অবিভাবক এর সাথে কথা বলেছি – তারা যদি কোন অভিযোগ দিতে চান তাহলে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। তবে এ ব্যাপারে তারা কোন সদুত্তর দেয়নি।

কুমিল্লায় সকালে নিখোঁজ, রাতে নদীতে মিলল স্কুল ছাত্রের লাশ

কুমিল্লায় সকালে নিখোঁজ, রাতে নদীতে মিলল স্কুল ছাত্রের লাশ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদরের জগন্নাথপুর ইউনিয়নে বাড়ি থেকে স্কুলে যেতে গিয়ে নিখোজঁ হয় স্কুল ছাত্র রিহান। পরে রাতে তার লাশ মিলে কিশোরগঞ্জ ভৈরব নদীর ব্রিজের নিচ থেকে। এ ঘটনায় নিহতের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে কিশোরগঞ্জ ভৈরব নদীর ব্রিজের নিচে রিহানকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে রোববার সকালে খালাতো ভাই ইমরানকে সাথে নিয়ে স্কুলে যেতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় রিহান।

নিহত রিহান কুমিল্লা নগরের রাজগঞ্জ বাজারের মৎস্য ব্যবসায়ী মো শাহজাহান মিয়ার একমাত্র ছেলে। সে জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুলের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

নরসিংদী মডেল থানার এসআই মোজাম্মেল হক জানান, তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত বের হলে পরে বিস্তারিত জানা যাবে।

কুমিল্লা চকবাজার ফাড়িঁ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আলী জানান, রোববার সকাল ১১টার দিকে বাসা থেকে বের হয়। বিকেলেও না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাতে তার লাশ ব্রিজের নিচ থেকে পাওয়া যায়। শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। তদন্ত তরে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়ার্ধীন রয়েছে বলেও তিনি জানান।

দাউদকান্দিতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

দাউদকান্দিতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

জাকির হোসেন হাজারী , দাউদকান্দি প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ১১৫পিছ ইয়াবাসহ জীবন মিয়া (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর ২টায় উপজেলা সদরের তুজারভাঙ্গা বেপারী বাড়ীর সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। জীবন মিয়া তুজারভাঙ্গা গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায় , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিদর্শক সুদর্শনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তুজারভাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১৫ পিছ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী জীবন মিয়াকে আটক করা হয় ।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, আটককৃত আসামিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে জেলহাজতে পাঠানো হবে। জীবন মিয়ার নামে আরো ৫/৬টি মাদক মামলা রয়েছে বলে এই কর্মকর্তা জানান।

এডিসি হারুনের ওপর রাষ্ট্রপতির এপিএস আগে হামলা চালিয়েছে: ডিবি প্রধান

এডিসি হারুনের ওপর রাষ্ট্রপতির এপিএস আগে হামলা চালিয়েছে: ডিবি প্রধান

ডেস্ক রিপোর্ট:

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে থানায় মারধর করার ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদের ওপর রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক মামুন আগে হামলা চালান বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

ডিবি প্রধান জানান, থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাদের নির্যাতনের যে ঘটনাটি ঘটেছে, তার সূত্রপাত হয় বারডেম হাসপাতালে। সেখানে রাষ্ট্রপতির এপিএস মামুন আগে বরখাস্ত এডিসি হারুনের ওপর হামলা চালান। এই বিষয়টিও তদন্তে আসা উচিত।

গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে শাহবাগ থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের দুই নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে এডিসি হারুনের বিরুদ্ধে। দুই ছাত্রলীগ নেতা হলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নাঈম, বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ।

এ ঘটনার জেরে রাতেই শাহবাগ থানার সামনে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ভিড় করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও পুলিশের কর্মকর্তারা থানায় গিয়ে মধ্যরাতে মীমাংসা করেন।

ছাত্রলীগের একাধিক সূত্রে জানা যায়, এডিসি হারুন ৯ সেপ্টেম্বর রাতে এক নারীর সঙ্গে বারডেম হাসপাতালে আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেসময় ওই নারীর স্বামী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান এবং তাদের দুজনকে একসঙ্গে পান। সেখানে ছাত্রলীগের নেতাদের সঙ্গে এডিসি হারুনের বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে পুলিশ ফোর্স নিয়ে এসে ছাত্রলীগের দুই নেতাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে বেদম মারধর করেন এডিসি হারুন অর রশিদ।

এ ঘটনায় গত রোববার সেপ্টেম্বর বিকেলেই ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের নির্দেশে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি দুইদিনের মধ্যে দ্রুত তদন্ত কাজ সম্পন্ন করে ডিএমপি পুলিশ কমিশনার বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এরপর হারুনকে পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) বদলি করা হয়। আবার ওইদিন বিকেলে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে এপিবিএন-এ বদলি করা হয়।

তবে গতকাল সোমবার বদলি করা এডিসি হারুনকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

লালমাই পাহাড়ে একটি মর্টার শেলের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশ

লালমাই পাহাড়ে একটি মর্টার শেলের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে পড়ে থাকা মর্টার শেলের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার বড় ধর্মপুর এলাকায় মর্টার শেলটি দেখতে পায় স্থানীয়রা।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় লালমাই পাহাড়ে অনেক যুদ্ধ সংগঠিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, মর্টার শেলটি ওই সময়ের। এটি অবিস্ফোরিত দেখা যাচ্ছে। সোমবার লালমাই পাহাড়ে ভারি বৃষ্টিপাত হয়। এতে বড় ধর্মপুর এলাকায় পাহাড়ে মাটি সরে গিয়ে মর্টার শেলটি দৃশ্যমান হয়।

তিনি আরও জানায়, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা মর্টার শেলটি দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দিয়ে চারপাশ ঘিরে রাখে। ঢাকায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে মর্টার শেলটি উদ্ধার করে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে।

১৫৯ আরোহী নিয়ে রাশিয়ান বিমানের জরুরি অবতরণ

১৫৯ আরোহী নিয়ে রাশিয়ান বিমানের জরুরি অবতরণ

ডেস্ক রিপোর্ট:

১৫৯ জন আরোহী নিয়ে রাশিয়ায় একটি শস্যখেতে জরুরি অবতরণ করেছে একটি বিমান। রাশিয়ার ইউরাল এয়ারলাইন্সের বিমানটি দেশটির সোচি শহর থেকে ওমস্কে যাচ্ছিল এবং মাঝ আকাশে যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়ার পর পশ্চিম সাইবেরিয়ার নোভোসিবিরস্ক অঞ্চলে এটি জরুরি অবতরণ করে।

বেশ কয়েকটি বার্তাসংস্থার বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার ইউরাল এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ১৫৯ জন আরোহী নিয়ে সোচি থেকে ওমস্কের দিকে যাওয়ার সময় পশ্চিম সাইবেরিয়ার নোভোসিবিরস্ক অঞ্চলে জরুরি অবতরণ করেছে বলে রাশিয়ান সংস্থাগুলো মঙ্গলবার জানিয়েছে।

অবশ্য এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কারও আহত হওয়ার কোনও খবর বা জরুরি অবতরণের কারণও জানা যায়নি।

রাশিয়ার বার্তাসংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে, বিমানটিতে ১৫৯ জন আরোহী ছিলেন। এর আগে আরেক বার্তাসংস্থা তাস জানায়, জরুরি অবতরণ করা বিমানটিতে আরোহীর সংখ্যা ছিল ১৫৬ জন।

পৃথক প্রতিবেদনে রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি জানিয়েছে, সোচি থেকে ওমস্ক যাওয়ার পথে এয়ারবাস এ৩২০ মডেলের একটি বিমান মঙ্গলবার সকালে মাঝ আকাশে থাকা অবস্থায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে এবং সেটিকে নোভোসিবিরস্কের একটি এয়ারফিল্ডে অবতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু বিমানটি সেখানেও পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় বলে জরুরি পরিষেবাগুলো রাশিয়ান মিডিয়াকে জানিয়েছে।

পরে বিমানটি নোভোসিবিরস্ক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে একটি মাঠে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, হাইড্রলিক্সের ত্রুটির কারণে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

আরটি বলছে, ইউরাল এয়ারলাইন্সের এই ফ্লাইটে ২৩ শিশুসহ ১৭০ জন লোক ছিল। প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জরুর অবতরণের ঘটনায় যাত্রী বা ক্রুদের কেউই গুরুতর আহত হননি। কর্তৃপক্ষ বলেছে, বিমানটি অবতরণ করার পরে প্লেনের বডিতে কোনও ফাঁটল বা ভাঙন দেখা দেয়নি এবং আগুনও ধরে যায়নি।

শস্যখেতে অবতরণের পর জরুরি স্লাইড ব্যবহার করে সবাই নিরাপদে বিমানটি থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

রুশ এই সংবাদমাধ্যমটি বলছে, একাধিক টেলিগ্রাম চ্যানেল ঘটনাস্থল থেকে ওই বিমানের ছবি শেয়ার করেছে। এসব ছবিতে অবতরণের পর ঘটনাস্থলে প্রথম উপস্থিত হওয়া কয়েকজন ব্যক্তিকে বেষ্টিত অবস্থায় শস্যখেতের মধ্যে জরুরি নির্গমণের স্লাইডসহ বিমানটিকে দেখা যাচ্ছে।

অন্যান্য ছবিতে যাত্রীদের একটি দলকেও কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

এদিকে নোভোসিবিরস্ক এবং ওমস্ক অঞ্চলের গভর্নররা ওই ফ্লাইটের যাত্রীদের অস্থায়ী আশ্রয় এবং পরিবহনসহ সমস্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাশিয়ার এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে।

এর আগে ২০১৯ সালে ইউরাল এয়ারলাইন্সের আরেকটি বিমান মস্কোর কাছে একটি ভুট্টা ক্ষেতে (কর্নফিল্ডে) একই রকমভাবে অলৌকিক অবতরণ করেছিল। মূলত বিমানটি টেকঅফের সময় পাখির একটি ঝাঁককে আঘাত করার পর অবতরণ করে। পরে ক্রুরা ২২৬ জন যাত্রীকে নিরাপদে সরিয়ে নিতেও সক্ষম হন।

চান্দিনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৩ জন নিহত

চান্দিনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৩ জন নিহত

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চান্দিনায় মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় একটি যাত্রীবাহী বাস। এ সময় বাসটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় দুই পথযাত্রীসহ তিন জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার হারিখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- চান্দিনা উপজেলার বাড়েরা ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামের মৃত মমতাজ খলিফার ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৮), হারিখোলা বেদেপল্লীর আদম আলীর ছেলে বাহরাম মিয়া (৬০) এবং দেবীদ্বার উপজেলার কুরছাপ গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে মোটরসাইকেল আরোহী আবুল কালাম (৪০)।

আহতরা হলেন- নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার বাসযাত্রী মিল্লাত (২৩), নওগাঁ জেলার আরিফুল ইসলাম (২৮), ঢাকা মগবাজার এলাকার সাবিনা (৩৫), তার মেয়ে তানহা (১০), মোটরসাইকেল আরোহী আবু কামালসহ বাসের আরো পাঁচ যাত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রামমুখী যাত্রীবাহী একটি বাস হারিখোলা মাজার এলাকায় পৌঁছলে মোটরসাইকেলটিকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়।

এ সময় বাসটি উল্টে মহাসড়কে আছড়ে পড়ে। এ সময় মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুই পথযাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত হন মোটরসাইকেল আরোহীসহ বাসের যাত্রীরা। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু ঘটে।

হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ ফাঁড়ির সার্জেন্ট (এসআই) নাজমূল হুদা জানান, আমরা দুজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। এর মধ্যে আলমগীরের মরদেহ ফাঁড়িতে নিয়েছি। আর দুর্ঘটনাটি বেদেপল্লীর পাশে হওয়ায় নিহত ওই ব্যক্তির মরদেহ তারা বাড়িতে নিয়ে যান। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে নিহত মোটরসাইকেল আরোহীর মরদহ উদ্ধার করেছি। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।