All posts by jitu

ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতিকে পেটাল জুনিয়র কর্মীরা

অনলাইন ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসিতে সভায় মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে ঢাবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ইডেন মহিলা কলেজের আলোচিত ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভাসহ কলেজটির বেশ কয়েকজন নেত্রীকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে দলের জুনিয়র কর্মীদের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শহীদদের স্মরণে’ আলোচনা সভা শেষে টিএসসি মিলনায়তনের প্রবেশ পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, শামসুন নাহার হল ও রোকেয়া হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, সভায় প্রথম দিকের চেয়ারে বসেছিলেন রোকেয়া হল ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী মিহা আক্তার ও শামসুন নাহার হলের নীলম বিশ্বাস সেতুসহ বেশ কয়েকজন। এ সময় রিভাসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় পদধারী নেত্রী তাদের উঠে পেছনে গিয়ে বসতে বলেন। তবে তারা রিভাদের চিনেন না জানিয়ে উঠতে অস্বীকৃতি জানান। এ সময় মিহার চোয়াল ধরে ঝাঁকি দেন রিভা। পরে সভা শেষে সৈকতের অনুসারী বঙ্গমাতা হল ছাত্রলীগে পদপ্রত্যাশী তানিয়া আক্তার তাপসীসহ কয়েকজন রিভাকে আটকে ধরেন। একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

ইডেন কলেজের দুই নেত্রী নাম না প্রকাশের শর্তে গণমাধ্যমে অভিযোগ করে বলেন, ‘রিভা আপুকে গলা টিপে ধরে কয়েকটা থাপ্পড় মারছে, লাথিও মারা হয়েছে। এটা তো আমাদের ইউনিট ছাত্রলীগকে থাপ্পড় মারা হলো। এটা মেনে নেওয়া যায় না। ইডেন তো সাধারণ ইউনিট না। আমরা এটার সুষ্ঠু বিচার চাই। সঠিক বিচার না হলে আমরা শেষ পর্যন্ত যাব।’

তামান্না জেসমিন রিভা একটি জাতীয় দৈনিকে সাক্ষাৎকারে বলেন, বসা নিয়ে ছোটবোনদের সঙ্গে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। তারা ইউনিভার্সিটির কয়েকজন পদপ্রত্যাশী। আমরা কেন্দ্রীয় পদধারীরা বসতে চাইছি, কিন্তু তারা উঠবে না। ওরা আমাদের কাউকে চিনেই না এরকম। পরে কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা এসে তাদের সরিয়ে দেন। পরে আমরা যখন সভা শেষে বের হই, আমাদের কয়েকজনকে আটকায়। আমাদের সঙ্গে ঝামেলা করার চেষ্টা করছিল। তেমন কিছু হয়নি।’

অভিযোগের বিষয়ে তানিয়া আক্তার তাপসী ওই গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা আগে গিয়ে সামনে বসেন। ১২টার দিকে ইডেনের নেত্রীরা এসে তাদের উঠায়ে দিয়েছেন। তারা ওই মেয়েগুলোকে মুখে ধরে বাজে ব্যবহার করেছেন। তো আমরা প্রোগ্রাম শেষে রিভার কাছে বিচার দিতে গিয়েছি। তখন উনি আমাদের সঙ্গে অ্যাগ্রেসিভ আচরণ করেন। আমরা বাঁচার জন্য যা করার করছি। ওরা অনেকে ছিলেন। ইডেন কলেজ মারামারিতে সবসময় ফার্স্ট, আমরা না।’

মশার ভয়ে কাবু অর্থমন্ত্রী একটি কথা বলতে ভুলে গেলেন

 

ডেস্ক রিপোর্ট:
ভ্যাট আদায়ের ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (ইএফডিএমএস) উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একটি অনুষ্ঠানে মশার ভয়ে বক্তব্যের একাংশ বলতে ভুলে গিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। মঞ্চের নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে বক্তব্য না দিয়ে নিজ আসনে বসেই বক্তব্য শেষ করেন তিনি। এরপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমও সমাপনী বক্তব্য দিয়ে ফেলেন। এ পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী মাইক্রোফোন নিয়ে বলে উঠেন, মশার দিকে নজর রাখতে গিয়ে তিনি একটি কথা বলতে ভুলে গেছেন।

এরপর রাজস্ব আদায় সম্পর্কে ফরাসি অর্থমন্ত্রীর একটি বক্তব্যের উদাহরণ দিয়ে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘রাজহাঁসের পালক এমনভাবে তুলতে হবে, যেন রাজহাঁস কষ্ট না পায়। একজন কর দেবেন, আরেকজন দেবেন না, তা যেন না হয়।’

আজ মঙ্গলবার ভ্যাট আদায়ের ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (ইএফডিএমএস) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রধান অতিথি ছিলেন। আগারগাঁওয়ের এনবিআর ভবনে এই অনুষ্ঠান হয়।

মশা নিয়ে অর্থমন্ত্রীর অন্য সবার চেয়ে বেশি ভয় থাকার হয়তো কারণ রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর ২০১৯ সালে তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং সেই বছরই জাতীয় বাজেট পেশের দিন বেশ অসুস্থ ছিলেন। তিনি যখন বাজেট পেশ করতে প্রচণ্ড অসুবিধা বোধ করছিলেন, তখন একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পিকারের অনুমতি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর হয়ে বাজেটের বাকি অংশ উপস্থাপন করেন।

এনবিআর ভবনে আজ যখন অনুষ্ঠান হচ্ছিল, তখন একজনকে মশা মারার ব্যাট হাতে মঞ্চে উপবিষ্ট অতিথিদের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

দেবিদ্বারে এখন অনেক নেতা তৈরী হয়েছে, দলের দুর্দিনে এসব নেতারা কোথায় ছিলেন : রোশন আলী মাষ্টার

দেবিদ্বার প্রতিনিধি:
বঙ্গবন্ধু রক্ত দিয়ে মানুষের ভালোবাসার ঋণ শোধ করে গেছেন। কিন্তু তাঁর কাছে আমাদের যে ঋণ, তা শোধ হবে কী করে? বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ এবং শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য তারই কন্যা সারা বিশ্বের জননন্দিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

২নং ইউসুফপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজিত দেবিদ্বারে বঙ্গবন্ধুর শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে উপজেলা আ’লীগের মাসব্যাপী কর্মসুচীর দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টার।

বক্তব্যে তিনি দ্বাদশ নির্বাচন প্রসঙ্গে নেতা-কর্মীদের মাঝে প্রশ্ন রেখে বলেন, দেবিদ্বারে এখন অনেক নেতা তৈরী হয়ে গেছে। দলের দুর্দিনে এসব নেতারা কোথায় ছিল? এখন জাতীয় নির্বাচন এসেছে, নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার জন্য তারা ঘুরাফেরা করছেন। আমি স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সব রেকর্ড জমা আছে। দলের জন্য কে কি করেছন ওনি সব জানেন। দেবিদ্বারের কিছু নেত দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে রেখেছেন। যার যার নেতা-কর্মী নিয়ে আলাদা আলাদা শোক সভা করছেন। আমাদের বিভেদ-কোন্দল ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার জন্য কাজ করতে হবে।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক শাহ-আলম মাঝির সঞ্চালনায় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু তাহেরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মো. সামসুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, প্রচার সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিন মানি ভুইয়য়া সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম সরকার,দেবিদ্বার পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

কুবিতে অভয়ারণ্য’র উদ্যোগে প্লাস্টিকের বদলে গাছ বিতরণ

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি  :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র পরিবেশবাদী সংগঠন ‘অভয়ারণ্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’ এর উদ্যোগে প্রথমবারের মতো প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ সংলগ্ন ব্যাডমিন্টন কোর্টে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। এসময় তিনি বলেন, ”প্লাস্টিক বোতল শুধু আমাদের পরিবেশের জন্য নয় বরং প্লানেটের জন্যও বিপদজনক। আমাদের ভালোভাবে বাঁচতে হলে সাসটেইনেবল প্লানেট গড়ে তোলা অতীব জরুরি। এরই অংশ হিসেবে প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছ একটি ফলপ্রসূ উদ্যোগ। তোমরা যে গাছগুলো নিচ্ছো সেগুলোর নিয়মিত যত্ন নিবে। যারা আজকের এই প্রোগ্রামটাকে সাফল্যমন্ডিত করেছো তোমাদের সবাইকে ধন্যবাদ।”

হালিমা আক্তার নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ”আজকের এই আয়োজনটি ছিল সত্যিই অসাধারণ। তাই ভালো লাগাটাও কম নয়। আসলে বৃক্ষ হলো আল্লাহ তা’য়ালার দেয়া অন্যতম এক নেয়ামত। গত কয়েক শতক ধরে মানুষ সভ্যতা গড়ে তুলতে বৃক্ষ নিধন করে আসছে যা সত্যিই হৃদয়বিদারক। আজ পুরো বিশ্ব তাপদাহের সাক্ষী এবং এর পরিমান আরো যে বাড়বে তা সহজেই অনুমেয়। তাই, এই কঠিন পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে বৃক্ষরোপনের কোনোই বিকল্প নেই। যার একটি নতুন সূচনা বলা চলে আজকের এই আয়োজনটি। এবং এই অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। কারণ এসব কর্মসূচি আমাদের পরিবেশের প্রতি দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়।”

অভয়ারণ্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি আবদুল্লাহ আল সিফাত বলেন, ”পরিবেশের জন্য প্লাস্টিক কতটা ক্ষতিকর সেটা আমরা সবাই জানি। আমরা চাই পরিবেশের শত্রু প্লাস্টিক না থাকুক। যদিও এটা করা সম্ভব নয়। তবে আমরা চাচ্ছি প্লাস্টিকের প্রতি মানুষের ঘৃণা জন্মাক। এবং পাশাপাশি পরিবেশের বন্ধু যে গাছ সেটার প্রতি মানুষের ভালোবাসা তৈরি হোক। একটা গাছ দিলে যে সেটা পরিবেশের প্রতি বড় ইফেক্ট ফেলবে তা না। তবে যদি একটা গাছ দিয়ে গাছের প্রতি মানুষের ভালোবাসা তৈরি করতে পারি তাহলে তার দ্বারা হাজার হাজার গাছ রোপন করা সম্ভব। আমরা অভয়ারন্য চাই, এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্লাস্টিকের প্রতি মানুষের ঘৃণা তৈরি হোক এবং মানুষ এটা ব্যবহার না করুক। এবং পাশাপাশি মানুষ প্রচুর পরিমানে গাছ রোপন করুক এবং পরিবেশের বন্ধু গাছের যত্ন নিক।”

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রায় ১৫ প্রজাতির ফুল ও ফলজাতীয় গাছ প্লাস্টিকের বিনিময়ে বিতরণ করা হয়। এদের মধ্যে ছিলো কৃষ্ণচূড়া, বকুল, কাঠবাদাম, পেয়ারা, কড়ি, লিচু, জাম ,বেলি, রঙ্গন,রাধাচূড়া, সোনালু, টগর ও কাঞ্চন।

এসময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.মো.আসাদুজ্জামান, ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড.মোহা. হাবিবুর রহমান, সংগঠনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল সিফাত ও সংগঠন অন্যান্য সদস্যসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রায় শতাধিক শিক্ষক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ রাজনৈতিক বক্তব্য দেয় না : পুলিশ মহাপরিদর্শক

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ‘পুলিশ রাজনৈতিক বক্তব্য দেয় না। আইন ও বিধি রক্ষার্থে দায়িত্ব পালন করে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা এলাকায় জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন হবিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি অজয় চন্দ্র দেবের চিকিৎসা সংক্রান্ত খোঁজ খবর নেওয়া শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

আইজিপি বলেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন। আর এই বক্তব্যকে ঘিরে বিএনপি নেতারা বিভিন্ন অভিযোগ করছেন। এমন বক্তব্য সমীচীন কিনা জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে সকল সদস্য আছেন আমার দৃষ্টিতে কারো রাজনৈতিক বক্তব্য পরিলক্ষিত হয়নি। আমি আইন ও বিধির অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করি।

আইন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যে দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ আসবে সেটি মোকাবিল করতে হবে সেটা আমার আইনি দায়িত্ব। এই দায়িত্ব অর্পিতা করা হয়েছে। এই দায়িত্ব পালনে আমি বাধ্য। আইন প্রয়োগ করতে আমাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, আইন পড়ানো হয়েছে এবং আইন প্রয়োগে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়া হয়। জনগণের জান-মাল রক্ষায় যা যা করা দরকার সেটাই করা হবে।

সম্প্রতি কিছু অস্ত্র উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আর অস্ত্র উদ্ধারকে বিএনপির নেতারা অভিযোগ করছেন, পুলিশ পুরাতন ও অকেজো অস্ত্র দিতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে। এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ প্রধান বলেন, ‘এমন অভিযোগ সঠিক নয়। আমরা অভিযানে তাদের কাছে যে অস্ত্র পেয়েছি সেগুলো দিয়েই আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এই অভিযোগ ভিত্তিহীন ও অমূলক।’

এদিকে, বিদেশে অবস্থানরত এক প্রবাসীর ফেসবুকে স্ট্যাটাসের অভিযোগে তার মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটি মানবাধিকার লঙ্ঘন কিনা জানতে চাইলে চৌধুরী মামুন বলেন, ‘এই বিষয়টি আমি পরিষ্কার করতে চাই। আমরা গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছি, খুলনার জামায়াতে ইসলামীর একজন নায়েবে আমিরের বাড়িতে নাশতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি করতে একটি ষড়যন্ত্র চলছে।

অনেকে জড়ো হয়েছে এমন তথ্যে আমরা অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের মধ্যে একজন নারী ও দু’জন পুরুষ। পরে আমরা জানতে পেরেছি ওই নারীর ছেলে প্রবাসী। সে ফেসবুকে সাঈদীকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে। আমরা তথ্য পেয়ে আমরা অভিযান চালাই। সেখানে আমরা ডিজিটাল ডিভাইস, বই পেয়েছি, মোবাইল পেয়েছি। এর আলোকে মামলা নেওয়া হয়েছে। এটা কোনোভাবেই কাউকে উদ্দেশ্য করে গ্রেপ্তার করা হয়নি।’

বক্তব্য দিতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক:

জাতীয় পার্টির নেতা কাজী জাফর আহমেদের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীর এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে কাজী জাফর আহমেদের স্মরণে ওই সভার আয়োজন করা হয়।

এ সময় বক্তব্যের এক পর্যায়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘যারা এ দেশকে বাসযোগ্য করে দিয়ে গেছেন, তাদের আমরা স্মরণ করি। আজকে আমরা একটি নষ্ট সমাজে বসবাস করছি।’

তিনি বলেন, ‘অনেকে জানেন না ফ্যাসিবাদ কী? নিরীহ মানুষদের ধরে ধরে জঙ্গি বানানো হয়। জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ দেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ মুসলমান। এটা তো তাদের কোনো অপরাধ নয়।’

ছাত্রদলের নেতাদের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের কাছে পুরনো কয়েকটি অস্ত্র পায়, মনে হয় অনেকদিন মাটির নিচে পুঁতে রাখা তাই বের করে আনা হয়েছে। এ রকম মিথ্যা অপবাদ, অপপ্রচার চালাচ্ছে সরকার।’

শ্রম আইন লঙ্ঘন : সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক:

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ও গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক বেগম শেখ মেরিনা সুলতানার আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম দিন সাক্ষ্য দেন শ্রম পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম।

এর আগে, গত ২০ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ করে দেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। তার আগে গত ৬ জুন এ মামলায় বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছিলেন ঢাকার শ্রম আদালত। পরে এ আদেশে চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেন ড. ইউনূসের আইনজীবী।

মামলার অপর তিন আসামি হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান এবং দুই পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহান।

চলতি বছরের ৬ জুন ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের চারজনের নামে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার শ্রম আদালতের বিচারক বেগম শেখ মেরিনা সুলতানা। পরে ১৯ মে শ্রম আদালতের আদেশটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. ইউনূস।

ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৩ জুলাই শ্রম আদালতে মামলার অভিযোগ গঠনের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। রুলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

২৫ জুলাই চেম্বার আদালত স্থগিতাদেশ না দিয়ে ৩ আগস্ট পর্যন্ত মামলাটিতে স্থিতাবস্থা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন।

এর ধারাবাহিকতায় ৩ আগস্ট মামলাটির রুল শুনানির জন্য হাইকোর্টে নতুন বেঞ্চ গঠন করে দেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তি করতে বলেছেন আপিল বিভাগ। সে অনুযায়ী শুনানি শেষে ৮ আগস্ট রুল খারিজ করে রায় দেওয়া হয়।

২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

জঙ্গি হচ্ছে এই আওয়ামী লীগ সরকার : মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ সরকার ও ক্ষমতাসীন দলটিকে জঙ্গি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াস ইনস্টিটিউশনে এক স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন অ্যাখা দেন।

জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমদের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির উদ্যোগে এই স্মরণ সভা হয়।

সম্প্রতি মৌলভীবাজার থেকে জঙ্গি আটকের প্রসঙ্গ টেনে ফখরুল বলেন, গহীন জঙ্গলের কথা বলে একটি পাড়া থেকে কিছু সাধারণ লোককে জঙ্গি বলে তুলে নিয়ে আসা হয়। এটা তাদের (সরকার) প্রয়োজন আছে। কেননা, তারা দেখাতে চায় বাংলাদেশে জঙ্গি আছে, জঙ্গিবাদ আছে, এটা দমন করার জন্য শুধু তাদেরই দরকার। এটাই হচ্ছে তাদের মূল উদ্দেশ্য।

পশ্চিমা বিশ্ব এবং ভারতকে এটি তারা দেখাতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ জানে জঙ্গি হচ্ছে তারা, জঙ্গি হচ্ছে আওয়ামী লীগ, জঙ্গি হচ্ছে এই সরকার। কারণ, তারা দেশের সাধারণ মানুষের ওপর সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ চাপিয়ে দিয়ে তাদেরকে হত্যা করছে, তাদের অধিকার হরণ করছে। জঙ্গিবাদ সেটাই। এ কথাগুলো অস্বীকার করার উপায় নেই।

ফখরুল আরও বলেন, এটা সত্য, এদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ। এটা তো কোনো পাপ নয়, অপরাধ নয়। সেজন্য যে কোনো মানুষ যারা ধর্ম পালন করেন তাদেরকে জঙ্গি বানিয়ে ফায়দা হাসিল করে এই সরকার।

জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম মহাসচিব এএসএম শামীমের সঞ্চালনায় এতে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, প্রেসিডিয়াম সদস্য নওয়াব আলী আব্বাস খান, মো. সেলিম মাস্টার, অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট মওলানা রুহুল আমীন, ভাইস চেয়ারম্যানজাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি কাজী ফয়েজ কাজী জয়া, কাজী নাহিদ, কামাল উদ্দিন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব কাজী মোহাম্মদ নজরুল, জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি কাজী ফয়েজ প্রমুখ নেতারা বক্তব্য রাখেন।

জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

অনলাইন ডেস্ক:

নাশকতার অভিযোগে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা করেছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত এ পরোয়ানা জারি করেছেন। আজ মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) আদালতের মতিঝিল থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শাহ আলম বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আসামিরা ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণের শর্তে হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন নেন। পরবর্তীতে কোনো পদক্ষেপ না থাকায় আদালত তাদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এ পরোয়ানা আসামিদের নিজ নিজ ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।

অপর দু’জন হলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলওয়ার হোসাইন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। এ মামলায় মোট ৩১ জন আসামি রয়েছেন। এদের মধ্যে সাদেকুর ইসলাম নামে একজন কারাগারে আটক রয়েছেন। এ ছাড়া অপর আসামিরা জামিনে রয়েছেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১০ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় মতিঝিল থানাধীন এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর ৪০০/৫০০ নেতাকর্মী জনতাবদ্ধ হয়ে রাস্তায় চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। সরকারে কাজে বাধাদান, কর্তব্যরত পুলিশদের হত্যার উদ্দেশে আঘাতসহ গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। এ ঘটনায় মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক মো. আবু জাফর বাদী হয়ে মামলা করেন।