All posts by jitu

বিচার বিভাগ হলো এখন পুলিশের এক্সটেনশন : আমীর খসরু

অনলাইন ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিচার বিভাগ হলো এখন পুলিশের এক্সটেনশন। তারা এখন সবার সামনে চলে এসেছে। এটা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। দেশের পরিবর্তন করতে বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

শুক্রবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে এই সভার আয়োজন করে জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় সংসদ।

জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মো. আবদুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে ও আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, বিএনপির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহানউদ্দিন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল আহসান, জিয়া পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক এমতাজ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ইয়ারুল কবির, আব্দুল্লাহিল মাসুদ, প্রকৌশলী রুহুল আলম, ড. তোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘যে রায় দেওয়া হয়েছে তা বিচার বিভাগীয় রায় নয়। এটি একটি ফ্যাসিস্ট রেজিমের রায়। যারা জনগণকে বাইরে রেখে ক্ষমতায় বসে আছে। আইনের নামে যত বেআইনি কাজ আছে, সবই করে যাচ্ছে। অসাংবিধানিকভাবে সংবিধান সংশোধন করেছে। বিচার বিভাগ, আইন বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগ যার যার অবস্থান থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করার কথা। কিন্তু অসাংবিধানিকভাবে সংবিধান সংশোধন করার কারণে দেশকে এমন জায়গায় নিয়ে গেছে সবই একাকার হয়ে গেছে। কারণ সত্যিকার অর্থে সাংবিধানিকভাবে দেশ পরিচালনা হলে ফ্যাসিস্ট রেজিমের অস্তিত্ব থাকবে না। অবৈধ সরকারের অস্তিত্ব থাকবে না। এজন তারা জবাবদিহি চায় না।’

তিনি বলেন, ‘যারা ফ্যাসিস্ট তারা তো স্বচ্ছতা চাইবে না। কারণ জনগণের টাকা বিদেশে পাচার করতে হবে। ভোট চুরি করে ক্ষমতায় থাকতে হবে। সে জন্যই তো রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো ধ্বংস করে ফেলেছে। তারা ব্যাংক লুট করে শেয়ার বাজার লুট করে। অথচ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একটি মুক্ত অর্থনীতি চালুর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করেছিলেন। এখন হচ্ছে আওয়ামী মডেল অর্থনীতি।’

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে যে সাজা দিয়েছে সেখানে বিচারকের করার কিছু নেই। সুতরাং তাদের কাছে কোনো প্রত্যাশা করে লাভ নেই।’

আমীর খসরু বলেন, ‘আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হলে এই ফ্যাসিস্ট রেজিমের বিদায় ঘটাতে হবে। তারেক রহমানের ২৭ দফার ভিত্তিতে রাষ্ট্র নতুনভাবে মেরামত করতে হবে। এ জন্য এই সরকারের বিদায় ছাড়া কোনো উপায় নেই।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহানউদ্দিন খান বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নেই। বিচারকরা নিরপেক্ষভাবে বিচার করতে পারছেন না সরকারের কর্মকাণ্ডের কারণে।’

সম্পর্ক থাকলে তো বাবুর জন্মদিনের অনুষ্ঠান আয়োজনে তাকে পাশে পেতাম:পরীমণি

 

বিনোদন ডেস্কঃ

তারকা দম্পতি শরীফুল রাজ ও পরীমণির সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যের প্রথম জন্মদিন বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট)। এদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে হবে জন্মদিনের অনুষ্ঠান।

সন্তানের জন্মদিনের এই পুরো আয়োজনের প্রস্তুতিতে পরীমণিকে একাই দেখা গেছে। তাই রাজ্যের জন্মদিনে বাবা রাজ উপস্থিত হচ্ছেন কি না, তা নিয়ে তাদের ভক্ত-দর্শকের মধ্যেও বেশ কৌতূহল আছে।

রাজের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন জানিয়েছে, বুধবার রাতে পরীমণির বাসায় গিয়েছিলেন রাজ। সন্তানের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে এসেছেন। আজ সন্ধ্যায় রাজ্যের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে হাজির হওয়ার কথা আছের তার।

এ ব্যাপারে পরীমণি সঙ্গে যোগাযোগ করা বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘গত রাতে এসেছিল। ছেলের সঙ্গে সময় কাটিয়ে চলে গেছে সে। এতটুকুই।’

আপনার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কেন কথা হবে? আমার সঙ্গে তার কিসের কথা? তার সঙ্গে তো আমার সম্পর্কই নাই, সম্পর্ক থাকলে তো বাবুর জন্মদিনের অনুষ্ঠান আয়োজনে তাকে পাশে পেতাম।’

পরীমণি আরও বলেন, ‘বাসায় যখন এসেছিল, তখন আমি আমার রুমের দরজা বন্ধ করে বসেছিলাম। সে চেষ্টা করেছে আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য, আমি বলিনি। কারণ, তার জন্য আমার ভালোবাসার দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। ছেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক, আমার সঙ্গে নয়। অনেক সহ্য করেছি, আর নয়।’

রাজ্যের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তার বাবা রাজ অংশ নেবেন কি না জানতে চাইলে পরীমণি বলেন, ‘সেটি তার বিষয়। যদি সে আসে আমি কোনো কথা বলব না তার সঙ্গে। সে তার মতো আসবে, তার মতো চলে যাবে। তবে আমি চাই না সে আসুক।’

পরী জানান, অনেক দিন পর দেখাতে বাবাকে চিনতে পারছিলেন না রাজ্য। তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে তো দেখা হয়নি। পরে আমি ভিডিওতে দেখলাম, রাজ্যের সামনে দাঁড়িয়েছিল তার বাবা । রাজ্য অনেকক্ষণ চুপচাপ বাবার দিকে তাকিয়ে ছিল। অনেক দিন পর দেখা ছোট মানুষ হয়তো প্রথমে চিনতে পারিনি। কিছুক্ষণ পর রাজ্য তার বাবাকে দেখে হেসে দিয়েছে, কোলে উঠেছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২০ মে পরীমনিকে রেখে নিজের সব জিনিস নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে আসেন রাজ। এরপর ২৯ মে দিবাগত রাতে রাজের ফেসবুক আইডি থেকে রাজ ও তিন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত কিছু ছবি ও ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর থেকে দুজনের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়। এর পর থেকে দুজন আলাদা থাকছেন।

কুবিতে পঞ্চম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সাংবাদিকরা

 

কুবি প্রতিনিধি:

সংবাদ প্রকাশের জেরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার প্রতিনিধি ও ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ইকবাল মনোয়ারকে আইনবহির্ভূত বহিষ্কার প্রত্যাহারের দাবিতে পঞ্চম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) বিকাল ৩ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান করেন তারা।

অবস্থান কর্মসূচিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মুহা. মহিউদ্দিন মাহি এবং সাধারণ সম্পাদক আহমেদ ইউসুফ আকাশের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি জান্নাতুল ফেরদৌস, দৈনিক শেয়ার বীজের প্রতিনিধি শাহীন আলম,মানবকণ্ঠের প্রতিনিধি জুবায়ের রহমান দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি মো. হাবিবুর রহমান, মানবজমিনের প্রতিনিধি সাঈদ হাসান, ভোরের ডাক প্রতিনিধি রকিবুল হাসান, দৈনিক আনন্দবাজারের প্রতিনিধি চাঁদনী আক্তার, দেশ রূপান্তরের প্রতিনিধি নাঈমুর রহমান রিজভী, দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি মানসুর আলম, আমাদের নতুন সময়ের প্রতিনিধি হাসান আল মাহমুদ, আজকের দৈনিকের প্রতিনিধি তুষার ইমরান,বাংলাভিশনের প্রতিনিধি মুরাদুল মুস্তাকিম, স্বদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ রাজীব, রাইজিং বিডি প্রতিনিধি হেদায়েতুল ইসলাম নাবিদ, অধিকারপত্রের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম ও ডেইলি দর্পনের প্রতিনিধি হোসাইন মোহাম্মদ ।

প্রসঙ্গত, গত ৩১শে জুলাই উপাচার্যের বক্তব্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় ২ আগস্ট সাংবাদিক সমিতির অর্থ সম্পাদক ও যায়যায়দিনের প্রতিনিধি ইকবাল মনোয়ারকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

দলের প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কাদের মির্জা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

দলের প্রয়োজন মনে করলে নিজের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই।

বুধবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে কাদের মির্জা এ ঘোষণা দেন।

প্রায় ২২ মিনিটের লাইভ বক্তৃতায় কাদের মির্জা বলেন, আওয়ামী লীগকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। তলোয়ারের নিচে যে সংগঠনের জন্ম, সেই দলের কর্মীদের কেউ ভিসানীতির ভয়, কেউ রক্তচক্ষু দেখিয়ে এবং কেউ আগুনসন্ত্রাস করে কখনো দমাতে পারবে না। আমার আমেরিকার ভিসা আছে, দলের প্রয়োজনে যদি মনে করি ভিসা সাংবাদিকদের ডেকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দেব।

কাদের মির্জা বলেন, আমেরিকা ও তাদের আজ্ঞাবহ জাতিসংঘ সুষ্ঠু নির্বাচন করতে এবং বিরোধীদের আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে বিবৃতি দেয়। অথচ এই বিরোধীরা যে রাস্তায় গাড়ি ভাঙচুর ও আগুনসন্ত্রাস করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে জনগণের জানমালের ক্ষতি করছে, তা নিয়ে তাদের কোনো কথা নেই। মূলত তাদের এসব কথাবার্তায় প্রমাণিত হয়— যারে দেখতে নারী তার চলন বাঁকা।

কাদের মির্জা বলেন, কানাডার আদালতে টানা পাঁচবার সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃত বিএনপির আন্দোলন লোদে (কাদায়) আটকে গেছে। তারেক রহমানের কথা মোতাবেক সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত তারা ঢাকার প্রবেশদ্বারে বসে থেকে লাগাতার আন্দোলন করবে। নেতাকর্মীদের বলেছিল— জামা-কাপড় নিয়ে আসতে। শেষ পর্যন্ত এই জামা-কাপড় কেউ হোটেলে, কেউ বাসায়, কেউ পথে-ঘাটে ফেলে চলে গেছে। এদের এসব আন্দোলন-সংগ্রাম নিয়ে দেশবাসী উদ্বিগ্ন নয়।

কাদের মির্জা বলেন, বিএনপির আন্দোলন লোদে (কাদায়) আটকে গেছে। তারা ২৯ জুলাই আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে আবার অ-আ থেকে শুরু করেছে, ও-ঔ পর্যন্ত যেতে যেতে দেশে নির্বাচন হয়ে যাবে। তাদের (বিএনপি) নিয়ে চিন্তা করার কিছু আছে বলে আমি মনে করি না।

কাদের মির্জা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আটটি বিভাগীয় শহরে শোভাযাত্রা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘নেত্রীর প্রতি একটি আহ্বান জানাব— আপনি আমাদের আটটি বিভাগীয় শহরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব রাজনৈতিক দল, শিক্ষক, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে আপনার নেতৃত্বে একটি করে শোভাযাত্রা করবেন, যার প্রতিপাদ্য থাকবে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ। শোকের মাসে করতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়। তা হলে দেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব শক্তি ঐক্যবদ্ধ ও উজ্জীবিত হবে।’

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা দ্রব্যমূল্য নিয়েও লাইভে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, আজকে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বিশেষ করে নির্মাণসামগ্রীর দাম অত্যন্ত বেশি। বিদ্যুৎ সমস্যা, ডেঙ্গু সমস্যা আজকে খুব জটিল। এসব দিকে নজর দিতে হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তাই বিএনপির এসব আন্দোলনকে পাত্তা না দিয়ে দ্রব্যমূল্য, বিদ্যুৎ ও ডেঙ্গু সমস্যার প্রতি নজরদারি ভালোভাবে রাখতে হবে। আর কোনো কোনো পাড়ার দিকে প্রধানমন্ত্রীর নজর দিতে হবে।

মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের সমালোচনা করে কাদের মির্জা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের কথা বলে শেষ করা যাবে না। আমাদের অনেক এমপি-মন্ত্রী আছেন যে তার এলাকায় কত উন্নয়ন হয়েছে, তিনি নিজেও জানেন না।

তিনি বলেন, নমিনেশনের (দলীয় মনোনয়ন) পেছনে ঘোরা এমপি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দলের নেতাকর্মী ও জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা এলাকা ছেড়ে ঢাকায় নমিনেশনের জন্য ঘোরে। কেউ কেউ মনে করছেন, নমিনেশন পেলেই বিজয়। আপনার সেদিকে একটু নজর রাখতে হবে।

দাবানলে বিধ্বস্ত হাওয়াই’র শহর, নিহত ৬

অনলাইন ডেস্ক:

হ্যারিকেনের তীব্র বাতাসে ছড়িয়ে পড়া দাবানলে যুক্তরাষ্ট্র্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের মাউই দ্বীপের ঐতিহাসিক শহর লাহাইনা ধ্বংস হয়ে গেছে। এই দাবানলে অন্তত ছয় জন মারা গেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় এক মার্কিন সিনেটর জানিয়েছেন, লাহাইনা প্রায় পুরোপুরি পুড়ে মাটিতে ধসে পড়েছে।

মাউইর স্থানীয় হাসপাতালগুলো পোড়া রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। অনেকেই আবার ভুগছেন ধোঁয়াজনিত নানা অসুস্থতায়। স্থানীয় কোস্টগার্ড জানিয়েছে, দ্রুত গতিতে ধেয়ে আসা দাবানলের লেলিহান শিখা থেকে বাঁচতে অনেক বাসিন্দা সাগরে ঝাপিয়ে পড়েন। তাদের অনেককেই উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছে, অনেকটা সিনেমায় দেখানো দৃশ্যের মতোই ধেয়ে আসছে এই আগুন।

সূত্র: বিবিসি

নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে এত ভয় কেন: রিজভী

অনলাইন ডেস্ক:

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে আইসিটি আইন করেছিলেন। ১৮ সালে নির্বাচনের আগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করেছিলেন। এবারে নির্বাচনের আগে সাইবার সিকিউরিটি আইন করলেন। কারণ কি, কারণ একটাই, জনগণের হাত-পা বেঁধে রাখা। বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী উদ্দেশ্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আপনি এত উন্নয়ন করেছেন, তাহলে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে এত ভয় কেন? তত্ত্বাবধায়ক সরকার তো মাত্র তিনমাসের জন্য। সারা জীবনের জন্য নয়।

আ ফ ম রশিদ দুলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মুজিবুর রহমান সারোয়ার, কেন্দ্রীয় নেতা বিলকিস জাহান শিরিন, মীর সরাফত আলী সপু, মুনির হোসেন, কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু, ফিরোজ তালুকদার, আনিসুর রহমান খোকন, আবুল হোসেন, আবু নাছের মো. রহমত উল্লাহ, হায়দার আলী লেলিন, হাসান মামুন প্রমুখ। মানববন্ধনটি পরিচালনা করেন মনির হোসেন ও আলতাফ হোসেন সরকার।

শুক্রবার কখন কোন পথে বিএনপির গণমিছিল

অনলাইন ডেস্ক:

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে রাজধানীতে গণমিছিলের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে বিএনপি। আগামীকাল শুক্রবার দুপুর ২টায় ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণে একযোগে এ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি বাড্ডা সুবাস্তু টাওয়ার থেকে আবুল হোটেল পর্যন্ত গণমিছিল করবে। এছাড়া একই সময়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি কমলাপুর স্টেডিয়াম থেকে মালিবাগ রেলগেট পর্যন্ত গণমিছিল করবে।
ঢাকা উত্তরে আয়োজিত গণমিছিলে নেতৃত্ব দেবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এতে আরও অংশ নেবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, শাহজাহান ওমর শামসুজ্জামান দুদু, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, জয়নুল আবেদীন ফারুক, হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, আতাউর রহমান ঢালী, জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, মজিবর রহমান সারোয়ার, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার, আইন সম্পাদক কায়সার কামাল, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, কামরুজ্জামান রতন, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশারফ হোসেন, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম এবং শিশুবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দীকি।

এ গণমিছিলের সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান। সঙ্গে থাকবেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব আমিনুল হক।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির গণমিছিলে নেতৃত্ব দেবেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আরও অংশ নেবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমদ আযম খান, জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন ভিপি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, মনিরুল হক চৌধুরী, ফজলুর রহমান, মঈনুল ইসলাম খান শান্ত, যুগ্ম মহাসচিব এ এম মাহবুব উদ্দীন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, হারুন অর রশিদ, বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পাদক, আসাদুজ্জামান রিপন, গাজীপুর জেলা বিএনপি,ফজলুল হক মিলন, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দীন আহমেদ অসীম, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক, রাশেদা বেগম হীরা, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সেলিম ভূঁইয়া, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক, শিরিন সুলতানা।

এ গণমিছিল সমন্বয় করবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম। সঙ্গে থাকবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড জিয়া :পরশ

অনলাইন ডেস্ক:

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মাস্টারমাইন্ড (মূল পরিকল্পনাকারী) ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। এমন মন্তব্য করে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ তার মরণোত্তর বিচার দাবি করেছেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন এবং বিচারের দাবি করেন। যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড আসলে ৭১ এর পরাজিত শক্তি ও তাদের আন্তর্জাতিক দোসরদেরই ছিল। এটি ছিল সুদূরপ্রসারী ও সুপরিকল্পিত একটি গণহত্যা। এর মূল লক্ষ্য ছিল এ দেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস এবং বঙ্গবন্ধুকে চিরতরে বিলীন করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র। কারণ, আমরা দেখেছি, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরপরই পাকিস্তানি ভাবধারায় এ দেশ পরিচালিত হতে থাকে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছিল, তারা আসলে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকেই হত্যা করতে চেয়েছিল। হত্যা করতে চেয়েছিল এ দেশের মানুষের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা। আমরা যদি কিছু ট্রেন্ড ও প্যাটার্ন দেখি, তাহলে আমরা বুঝতে পারব, কারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে জড়িত ছিল এবং কীভাবে জিয়াউর রহমান এই হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করেছিল।

তিনি আরও বলেন, যেভাবে ১৯৭১ এ নির্বিচারে নারী-শিশু হত্যা করা হয়েছিল, ঠিক সেই আদলে ৭৫ এ ঘরে ঢুকে নারী-শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে এদেশের মানচিত্র থেকে চিরতরে মুছে ফেলার নীল নকশা বাস্তবায়ন করার জন্য এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল।

সবাইকে সচেতন ও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা এই খুনিদের প্রশ্রয় দেবেন না। আজ এই খুনিরা রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়। যে মুচলেকা দিয়ে চলে গেছে, যার বিরুদ্ধে রায় আছে, সে বক্তব্য দেয়, সেই বক্তব্য প্রচারিত হয়। তাতে দেশের সাধারণ জনগণ বিভ্রান্ত হয়।

যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইনুদ্দিন রানা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ। সমাবেশ শেষে তারা স্মারকলিপি পেশ করতে নির্বাচন কমিশন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে রওনা হন।

চার দফা দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে যুবলীগের স্মারকলিপি

অনলাইন ডেস্ক:

চার দফা দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। দাবিগুলোর বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

যুবলীগের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের রায় কার্যকর করা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের আত্মস্বীকৃত পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের রায় কার্যকর এবং বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা।

যুবলীগের চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা দাবিগুলো নিয়ে আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশনে যাব। আমাদের দাবি অত্যন্ত পরিষ্কার। ১৯৭৫ সালে হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড যে জিয়াউর রহমান সেটি জনসাধারণের কাছে পরিষ্কার। কারণ, তারাই এ হত্যাকাণ্ডের সুবিধাভোগী। তারাই বন্দুকের নল উঁচু করে দল গঠন করেছে। তারা সন্ত্রাস দ্বারা সৃষ্টি। এ সংগঠন বাংলাদেশের জনগণের ওপর ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে যে নির্যাতন করেছে; একাত্তরের আদলে তারা যেভাবে সন্ত্রাস, নির্যাতন খুন, রাহাজানি করেছে- আমরা নৈতিকভাবে মনে করি বিএনপি-জামায়াতের এদেশে রাজনীতি করার অধিকার নেই।’

শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন, ‘দ্বিতীয়ত আমরা জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার চাই। এটি আজকের যুবসমাজ এবং প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক, উন্নত বাংলাদেশ নির্মাণের ক্ষেত্রে যারা সংগ্রাম করে যাচ্ছে, সেসব নাগরিকের প্রত্যাশা। এটা না হলে প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ কলঙ্কমুক্ত হবে না। তাই জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার এখন সময়ের দাবি এবং একটি ন্যায্য দাবি বলে আমরা মনে করি। এ দাবি আজকে আমরা উপস্থাপন করার জন্য এসেছি।’

‘এছাড়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে যে ন্যাক্কার জনক হত্যাকাণ্ড হয়েছে, এর মাধ্যমে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সপক্ষ শক্তিকে সর্বোপরি আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাসহ তার সংগঠনকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে। এ বিষয়ে হাইকোর্টের রায় রয়েছে। সেই রায় কার্যকর করার জন্য আমরা চাই খুনি তারেক রহমà¦