All posts by jitu

রিজভীর নামে মামলা করতে ডিবিতে গিয়েছেন হিরো আলম

অনলাইন ডেস্ক:

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নামে মানহানীর মামলা করতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে গিয়েছেন হিরো আলম। রবিবার (৬ আগষ্ট ) দুপুর ১২ টা ১৫ মিনিটের দিকে তিনি ডিবি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।

এর আগে হিরো আলমের ফেসবুক পেজে তিনি একটা ভিডিও ছাড়েন যেখানে হিরো আলমকে নিয়ে রুহুল কবির রিজভী হিরো আলম ‘অর্ধ পাগল’ বলে মন্তব্য করতে দেখা যায়।

হিরো আলম মেসেজের মাধ্যমে জানান, ‘রুহুল কবির রিজভী আমাকে পাগল বলাতে তার নামে মামলা করতে ডিবি কার্যালয়ে এসেছি।’

উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই রাজশাহী নগরীর ভুবন মোহন শহিদ মিনার পার্কে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচির উদ্বোধনকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী হিরো আলমকে ‘অর্ধ পাগল’ হিসেবে অভিহিত করেন।

রাতে ঢাকায় আসছেন মার্কিন কর্মকর্তা নেফিউ

অনলাইন ডেস্ক:

আজ রোববার রাতে ঢাকায় আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বৈশ্বিক দুর্নীতি দমন বিভাগের সমন্বয়কারী রিচার্ড নেফিউ।

গত বছর বৈশ্বিক দুর্নীতি দমনবিষয়ক সমন্বয়কের দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল সফরে করেন রিচার্ড নেফিউ। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে সফরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে আসছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপদেষ্টা পর্যায়ের এ কর্মকর্তার কাজ হচ্ছে অর্থ পাচার রোধ ও দুর্নীতি দমন বিষয়ক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা। তারই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সফরে আসছেন তিনি।

বাংলাদেশ সফরকালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান, পররাষ্ট্র সচিবসহ দুর্নীতি দমন নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে রিচার্ড নেফিউর।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন, রিচার্ড নেফিউর বাংলাদেশ সফরটি সৌজন্যমূলক। তাদের পক্ষ থেকে কয়েকটি বৈঠকের আগ্রহ দেখানো হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে তার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, আগামী দুই মাসে বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি প্রতিনিধি দলের ঢাকায় নিয়মিত ফোরামে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে প্রতিরক্ষা সংলাপ এবং টিকফা পরিষদের বৈঠক প্রায় চূড়ান্ত। তবে নিরাপত্তা সংলাপ ঢাকায় হওয়ার কথা থাকলেও দিনক্ষণ চূড়ান্তকরণের আলোচনা এখনও চলছে।

ঢাকা-ওয়াশিংটন প্রকাশ্য টানাপোড়েনের মধ্যেই গত মাসে বাংলাদেশ সফর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নাগরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি আজরা জেয়া। তার সঙ্গে ছিলেন দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু।

উন্নয়ন সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার, গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শ্রম অধিকারের মতো ইস্যুগুলোতে সরব থেকেছে সবসময়। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মার্কিন চাপও নতুন নয়। তবে ২০২১ সালে র‌্যাবের ওপর দেওয়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এতদিনেও তুলে না নেওয়া ও ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের তৎপরতাসহ নানা কারণে বাইডেন প্রশাসনের প্রতি প্রকাশ্যেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সরকার।

মে মাসে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিতের তাগিদ দিয়ে নতুন ভিসানীতি ঘোষণায় দু’দেশের সম্পর্কের মধ্যে যেন নতুন দেয়াল ওঠে। সরকার বারবার গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যাপারে আশ্বস্ত করলেও নানাভাবে ঢাকাকে চাপে রাখছে ওয়াশিংটন। এমনও অভিযোগ আছে, মার্কিন মদদে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচনকালীন সরকারের একদফা দাবিতে মাঠে নেমেছে। এদিকে সংবিধান মেনে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে অনড় ক্ষমতাসীনরা।

নির্বাচনের নামে খালেদা জিয়া প্রহসন করেছিলেন : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক:

খালেদা জিয়া নির্বাচনের নামে প্রহসন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনের বিশেষ বর্ধিত সভায় এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া নির্বাচনের নামে প্রহসন করেছিলেন। ৩-৪ শতাংশও ভোট পড়েনি। কিন্তু তিনি ভোট চুরি করে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে বাংলাদেশের মানুষ এই ভোটচুরি মেনে নেয়নি। বাংলাদেশের মানুষ ভোট চুরি করলে মেনে নেয় না। কাজেই ৩০ মার্চ খালেদা জিয়া ভোটচোর হিসেবে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। এরপর ১২ জুন যেই নির্বাচন হয়, সেটিতে আমরা জয়ী হয়ে সরকার গঠন করি। ২০০১ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল আওয়ামী লীগ।

শেখ হাসিনা বলেন, পচাত্তর পরবর্তী সময়ে আমাকে দেশে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। আমি জোর করে দেশে ফিরে এসেছিলাম। আমার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। খালেদা জিয়া দিয়েছিলেন ১২টি আর জরুরি সরকার দিয়েছিল ৬টি মামলা। আমি বলেছিলাম, প্রতিটি মামলার তদন্ত করে আমাকে জানাতে হবে। আমি দুর্নীতি করতে এখানে আসিনি। আমি মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি, নিজের ভাগ্য না। আমি ত্যাগ করতে এসেছি, ভোগ করতে না।

তিনি বলেন, আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এটাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে। মাথাপিছু আয় যেখানে খালেদা জিয়ার আমলে ৩৪৩ ডলারের মতো ছিল, আমরা সেটি দুই হাজার ৭৩৯ ডলারে উন্নীত করেছি। এই যে ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন- এগুলো আওয়ামী লীগ সরকার করেছে। আর কারও দ্বারা এগুলো হয়নি, কোনো সরকার এগুলো করেনি।

এর আগে, সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবনে ‘শত সংগ্রামে অজস্র গৌরবে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়’ নিয়ে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা শুরু হয়। এতে দলটির তৃণমূলের প্রায় তিন হাজার নেতা যোগ দেন।

সভায় আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জেলা/মহানগর ও উপজেলা/থানা/পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সংসদের দলীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যান, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়র এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশগ্রহণ করেছেন। বর্ধিত সভায় প্রায় তিন হাজার নেতা অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিয়ের বিষয়ে নারীদের পরামর্শ দিয়ে কটাক্ষের মুখে মিয়া খলিফা

অনলাইন ডেস্ক:

নোংরা জগত থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন অনেকদিন আগেই। তবে তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার শেষ নেই। এবার লসঅ্যাঞ্জেলেসের বাসিন্দা মিয়া খলিফা বিয়ের বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে কটাক্ষের মুখে পড়লেন। নীল ছবির জগতে রানি ছিলেন মিয়া খলিফা। মাত্র তিন মাসেই পৌঁছে যান চাহিদার শীর্ষে। এরপর আবার বেরিয়েও আসেন, তারপরও সমালোচনা তার পিছু ছাড়েনি। এবার বিয়ের বিষয়ে নারী ভক্তদের পরামর্শ দিয়ে নেটমাধ্যমে কটাক্ষের মুখে পড়লেন সাবেক এই পর্নতারকা।

নিজের সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে প্রায় এক মিনিটের একটি ভিডিও শেয়ার করে বিয়ে নিয়ে নারীদের কিছু পরামর্শ দিয়েছেন মিয়া। তিনি বলেন, ‘মেয়েরা তোমরা জানো না, বিয়েতে আমি টম ব্র্যাডি। প্রথম বিয়ে ১৮ বছর বয়সে করেছি- ছেড়েছি ২১-এ, দ্বিতীয় বিয়ে ২৫-এ করেছি- ২৮-এ ছেড়েছি। তৃতীয়বার বাগদান সেরেছি ২৯ বছর বয়সে এরপর ত্রিশেই সেটা ভেঙে দিয়েছি। কিন্তু আমি আংটিটি নিজের কাছে রেখে দিয়েছি এবং টম ব্র্যাডিকে এখন আমার পায়ের আঙুলে রাখি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এইসব পুরুষদের ছেড়ে যেতে ভয় পাওয়া উচিত নয়। আমরা এই লোকদের সঙ্গে আটকে নেই।’ নীল ছবির সাবেক এই তারকা দাবি করেন, ‘বিয়ে কোনো পবিত্র বিষয় নয়, বরং এটি একটি কাগজের কাজ। এটি এমন একটি প্রতিশ্রুতি যা আপনি কাউকে দেন। কিন্তু যদি মনে করেন সেই প্রতিশ্রুতি থেকে আপনি কিছু পাচ্ছেন না এবং বেরিয়ে আসতে চাচ্ছেন- তাহলে আপনার বেরিয়ে আসা উচিত।’

যদিও তিনি মনে করেন, কাগজের এইসব কাজ সারতে অনেক ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়। তারপরও বিয়ে ভেঙে বেরিয়ে আসা উচিত। শেষে প্রশ্ন রেখে মিয়া খলিফা বলেন, ‘আপনি কি কারো সঙ্গে দীর্ঘকাল আটকে থাকতে চান?’ সাবেক এই নীল ছবির তারকার মুখে বিয়ে নিয়ে কথাবার্তা শুনে সমালোচনায় মেতে উঠেছে নেটিজেনরা। মন্তব্যের ঘরে সতর্কবাণী দিয়ে একজন লেখেন, ‘কোনো পর্নতারকার কাছ থেকে বিয়ের পরামর্শ নিয়ো না।’ আরেকজন তিরস্কারের সুরে লেখেন, ‘মিয়া খলিফার মুখে বিয়ের কথা অনেকটা কসাই কর্তৃক নিরামিষভোজীকে পরামর্শ দেওয়ার মতো।’

সূত্র : মার্কা।

অধিনায়কত্বের চাপে ব্যাটিংয়ে প্রভাব ফেলতে পারে লিটনের : পাপন

অনলাইন ডেস্ক:

তামিম ইকবাল পদত্যাগ করার পর থেকেই অধিনায়ক খুঁজছে বিসিবি। তাদের প্রথম পছন্দ সাকিব আল হাসান। যিনি টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও অধিনায়ক। বিসিবি চায় দীর্ঘ মেয়াদে, অন্তত দুই বছরের জন্য কাউকে অধিনায়ক করতে।

তবে ৩৬ বছর বয়সী সাকিব কত দিন খেলবেন, সেটাও একটা প্রশ্ন। তাই পরবর্তী পছন্দ হিসেবে আসছে লিটন দাস, এমনকি মেহেদী মিরাজের নাম। তবে এত তরুণ কাউকে বিশ্বকাপে অধিনায়ক করে চাপে ফেলতে নারাজ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
শনিবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পাপন বলেন, ‘আপনি যদি লিটনের কথা চিন্তা করেন, তাহলে এটাও খুব সহজ। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ এক জিনিস, বিশ্বকাপ এক জিনিস। ওইটা আবার ওর ব্যাটিংয়ে না প্রভাব ফেলে দেয় বিশ্বকাপের মতো জায়গায়। এত বড় দায়িত্ব। আমরা সব দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্তটা নিতে চাই। তাড়াহুড়া করে নিতে চাই না। সবার সঙ্গে কথা বলেই নেব। যেটা ভালো মনে হয় সেটাই করার চেষ্টা করা হবে।’

বিসিবি সভাপতি আরও বলেন, ‘এখানে দু’টি সমস্যা, একটা লম্বা সময়ের জন্য চিন্তা করতে গেলে এক রকম। আবার আরেকটা সমস্যা হচ্ছে বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের চাপটাও কিন্তু কম না। এটা এত সহজ না। আমি একজন নতুন কাউকে বানিয়ে দেব, সে এই চাপটা নিতে পারবে কি না, এটা এক নম্বর। আবার যদি লম্বা সময়ের জন্য চিন্তা করেন, তাহলে আমি এখন একজনকে বানালাম, দেখা যাবে এক বছর পর সে থাকবে না। তো লম্বা সময়ের জন্য হবে কিভাবে? এই জিনিসগুলো নিয়েই আলাপ করতে হবে।’

চীনে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত , ধসে পড়েছে ১২৬টি বাড়ি

অনলাইন ডেস্ক:

শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে পূর্ব চীনের শানডং প্রদেশের পিংইয়ুয়ান কাউন্টিতে। আজ রবিবার ভোরে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার এ কম্পন অনুভূত হয়। এতে আহত হন ২১ জন। খবর সিএনএন ও সিসিটিভি এর।

চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্ক সেন্টারের তথ্য অনুসারে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ২টা ৩৩ মিনিটে আঘাত হানে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের আঘাতে ১২৬টি বাড়ি ধসে পড়েছে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্র ৩০০ বেইজিং থেকে কিলোমিটার দূরে। স্থানীয় মিউনিসিপ্যাল ভূমিকম্প ব্যুরো জানিয়েছে, রাজধানীতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর বেইজিং রেলওয়ে ৬০টিরও বেশি শিডিউল ট্রেনের চলাচল বাতিল করেছে।

‘জনগণের ভোটের অধিকার সুরক্ষিত করতে সংগ্রাম করেছে আওয়ামী লীগই ’

অনলাইন ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিএনপির দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ফলে এদেশে সামরিক শাসন জারি হয়েছিল। জনগণের ভোটের অধিকার সুরক্ষিত করতে আওয়ামী লীগই সংগ্রাম করেছে।’

‘জনগণই ভোটের মালিক, আওয়ামী লীগকে ভোট দিলেই উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা নিয়ে চলতে পারবে এদেশের মানুষ।’
আজ রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনের আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ২০২৬ সালে যাত্রা শুরু করবে বাংলাদেশ। জনগণ চাইলে দেশ এগিয়ে যাবে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পরে একটা চক্রান্ত শুরু হয়। সেই চক্রান্তে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের হত্যা করা হয়। ২১ বছর আমাদের শুধু আহতদের চিকিৎসা ও লাশ টানতে হয়েছে।’

বিশেষ বর্ধিত সভা সঞ্চালনা করছেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ও উপ-প্রচার সম্পাদক আবদুল আউয়াল শামীম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তারেক-জুবাইদার রায়ের প্রতিবাদে মশাল মিছিল

অনলাইন ডেস্ক:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে আদালতের রায়ের প্রতিবাদে মশাল মিছিল করা হয়েছে।

শনিবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমেদ রানার নেতৃত্বে ঢাকা-মাওয়া সংযোগ সড়কের পশ্চিম হাঁসাড়া থেকে আন্ডারবাইপাস গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমেদ, নাছির আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দল জেলা সদস্য মাহামুদ হাসান ফাহাদ, দিলবার হোসেন, শ্রমিক দল জেলা যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়া, ছাত্রদল জেলা সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ, সহসাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল, মৎস্যজীবী দলের জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা মিয়া, জাসাস জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ আকরাম, আরিফ মোড়ল, কেভি ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জিতু হাওলাদারসহ আরও অনেক।

যারা স্বাধীনতা মানেনি তারা চায় না আ.লীগ থাকুক ক্ষমতায় থাকুক : শেখ সেলিম

অনলাইন ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেছেন, একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা মেনে নিতে না পারা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহল কখনোই চায় না আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকুক।

শনিবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিবের জ্যেষ্ঠ পুত্র ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

‘শেখ কামাল : শুদ্ধ তারুণ্যের ঋদ্ধ স্লোগান’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারে নাই, কিন্তু এ ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশের নেতা নন, তিনি ছিলেন সারা বিশ্বের নিপীড়িত-বঞ্চিত-শোষিত মানুষের নেতা।’

তিনি বলেন, ‘২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তারের পর তাকে ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে রাখা হয়। পরে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। শেখ কামাল বাসায় না থেকে মুক্তিযুদ্ধে চলে যান। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে অনেকে গণতন্ত্রের কথা বলেন। মানবাধিকারের কথা বলেন। ‘৭৫ এর মর্মন্তুদ হত্যাকাণ্ড যখন ঘটানো হয়েছিল, অন্তঃসত্ত্বা নারীকে যখন নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়, নিষ্পাপ শিশুকে যখন হত্যা করা হয়, সেইদিন গণতন্ত্র, মানবতা কোথায় ছিল?’

শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘বাঙালিদের মধ্য থেকে কিছু লোক বিশ্বাসঘাতকতা করে, ষড়যন্ত্র করে বাংলার মাটি থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার জন্যই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ছিলেন এ দেশের মাটি ও মানুষের নেতা। কোনো ঘাতকচক্র বাঙালির হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলতে পারবে না।’

সভাপতির বক্তব্যে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘পড়ালেখা, সংগীতচর্চা, থিয়েটার, অভিনয়, বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা থেকে শুরু করে বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার চেষ্টায় সদা-সর্বদা নিয়োজিত ছিলেন শেখ কামাল। এত সংক্ষিপ্ত জীবনে, এত বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্রে তিনি নিজেকে যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এবং জাতির জন্য যে অবদান রেখে গেছেন তা অতুলনীয় এবং ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর আলম শাহীন, ডা. খালেদ শওকত আলী, মো. হাবিবুর রহমান পবন, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, শেখ ফজলে নাঈম, মো. রফিকুল ইসলাম জোয়ার্দার সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

পুরুষদের ভয় পান অভিনেত্রী সোহানা

অনলাইন ডেস্ক:

পুরুষদের ভয় পান অভিনেত্রী সোহানা সাবা। তবে নিশ্চিন্তে জীবন কাটিয়ে দেওয়া যাবে এমন মানুষ পেলে তাকে বিয়ে করবেন তিনি। এমনকি পুরো পৃথিবীতে আজ তেমন একজন পুরুষ খুঁজে পেলে আগামীকালই তাকে জীবনসঙ্গী করতে প্রস্তুত এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

সাক্ষাৎকারে সোহানা জানিয়েছেন, বেশ কয়েকবারই প্রেমে পড়েছেন তিনি। কিন্তু কদিন পরই সেই মানুষটিকে দেবদাস মনে হয়েছে তার।

ফেসবুকেও বেশ সক্রিয় থাকেন সোহানা সাবা। সেখানে মাঝেমধ্যেই নেতিবাচক মন্তব্য আসে তার পোস্টে। সোহানার পেইজ সামলাতে এডমিন আছেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, বেশির ভাগ সময়ই ওসব মন্তব্যে মাথা ঘামান না। নিজের কাজের মাধ্যমেই বাজে কথার উত্তর দিতে পছন্দ করেন তিনি।

খুব শিগগিরই মুক্তি পাবে সোহানা সাবা অভিনীত সিনেমা ‘অসম্ভব’। এ ছাড়াও আফজাল হোসেনের পরিচালনায় ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’ নামে একটি ছবিতে দেখা যাবে তাকে। সেটিও রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়। অন্যদিকে কলকাতায়ও দুটি সিনেমা রিলিজের প্রত্যাশায় আছে। চলতি মাসে আরও একটি ছবির শুটিং শুরু করবেন সোহানা।