All posts by jitu

ডেঙ্গু সংক্রমণে অধিক ঝুঁকিতে শিশুরা

অনলাইন ডেস্ক;

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১১০টিরও বেশি দেশে ডেঙ্গু মহামারির রূপ নিয়েছে। বছরে ৫০ থেকে ১০০ মিলিয়ন মানুষের মধ্যে এটি সংক্রামিত হয়, যার মধ্যে ৫ লক্ষ মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় এবং প্রায় ১২৫০০-২৫০০০ জনের মৃত্যু ঘটে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বজুড়ে গত ৫০ বছরে ডেঙ্গু জ্বর বেড়েছে ৩০ গুন।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গুর ব্যাপক প্রাদুর্ভাব ঘটে ২০০০ সালে। সে বছর ৫,৫০০ জন সংক্রমিত হয়েছিল, মারা যায় ৯৩ জন। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ২০২০ সালে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ কম ছিল। তবে ২০২১ সালে ডেঙ্গুতে মারা গেছে ১০৫ জন। ২০২২ সালে দেশে ৮ হাজার ১৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে দেশের সবগুলো জেলায় আশঙ্কাজনকভাবে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে। এ বছর দেশে যত মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে, তার মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি।

সারা দেশের ডেঙ্গু আক্রান্তের ৬০% ঢাকার। দেশে ইতোমধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১২ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। প্রায় তিন হাজার মানুষ এখনো বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছে ৯ হাজারের বেশি রোগী। আগামী দুই মাস ডেঙ্গু আরও বাড়তে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত যতজন মারা গেছে তার প্রায় ২৫ ভাগ শিশু। শিশুদের মধ্যে এই রোগ সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকার কারণ, তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম। এছাড়া ডেঙ্গু পরিবহনকারী মশারা দিনের বেলায় কামড়ায়; এ সময় শিশুরা স্কুলে থাকে, মাঠে খেলা করে বা এখানে ওখানে বসে টিফিন খায়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলেন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হওয়ায় ডেঙ্গুতে শিশুদের অবস্থা বেশি নাজুক। শিশুদের ডেঙ্গুর লক্ষণ বুঝতে দেরি হওয়ায় দেরিতে হাসপাতালে নেয়ার কারণে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে শরীরের ভেতরে রক্তক্ষরণের ফলে শিশুরা অল্পতেই শকে চলে যায়। কিডনি, লিভার ফেইলিওর শিশুদের খুব দ্রুত হয়। সে কারণে ডেঙ্গুতে শিশুদের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি।

ডেঙ্গু রোগের ভাইরাস বহনকারী এডিস মশা কামড়ালে ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ ঘটে। এ মশার গায়ে সাদা রঙের ডোরাকাটা দাগ থাকে বলে অন্য মশা থেকে এটাকে সহজেই আলাদা করা সম্ভব। সাধারণত দিনের বেলায় এডিস মশা কামড়ায়। ভোরে বা সূর্য উঠার ৩-৪ ঘণ্টা পর এবং বিকেল থেকে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত এ মশা অধিক সক্রিয় থাকে, রাতে এরা বিশ্রাম নেয়; তখন কামড়ায় না। তবে অনেকের মতে শুধু দিনের বেলা নয়, এডিস মশা সক্রিয় হয় উজ্বল আলোতে, তাই ঘর আলোকিত থাকলে রাতেও এরা কামড়াতে পারে।

জমে থাকা পরিস্কার পানিতে এডিস মশা ডিম পারে। ডিম দেয়ার জন্য এডিস মশার পছন্দের জায়গা ১৯টি। সেগুলো হলো পুরোনো টায়ার, লন্ড্রি ট্যাংক, ঢাকনাবিহীন চৌবাচ্চা, ড্রাম বা ব্যারেল, অন্যান্য জলাধার, পোষা প্রাণীর পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনের ব্লক, ফেলে রাখা বোতল ও টিনের ক্যান, গাছের ও বাঁশের ফোকর, দেয়ালে ঝুলে থাকা বোতল, পুরোনো জুতা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত খেলনা, অঙ্কুরোদগমরত উদ্ভিদ, বাগান পরিচর্যার জিনিসপত্র, ইটের গর্ত ও অপরিচ্ছন্ন সুইমিং পুল। তবে পানি জমে থাকা যে কোনো জায়গায় এরা ডিম দিতে পারে।

ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরন থাকে, যথাঃ DEN-1, DEN-2, DEN-3 ও DEN-4 । একটি ভাইরাস যদি একবার আক্রমণ করে, সে ভাইরাস দিয়ে পরে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। তবে দ্বিতীয়বার যে ডেঙ্গু সংক্রমন করে তা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়। অনেক সময় কোন শিশু কতবার আক্রান্ত হয়েছে, তা বোঝার উপায় থাকেনা। কারণ, অনেক সময় দেখা যায়, শিশু জ্বরের লক্ষণ নিয়ে আসলেও ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়না। পরীক্ষা না করলে আসলে উপসর্গ দিয়ে শত ভাগ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণগুলো সকলের ক্ষেত্রে প্রায় একই রকম। সাধারণত, সংক্রমণের ৩-১৪ দিন পরে উপসর্গ দেখা দেয় । ডেঙ্গুর জ্বরকে প্রধানত তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়ে থাকে।

প্রথম জ্বর পর্যায় – শিশুর ডেঙ্গু জ্বর ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হয়ে থাকে। উচ্চ মাত্রার জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশি ও জয়েন্টের ব্যথা এ সময় ডেঙ্গু জ্বরের অন্যতম লক্ষণ, গায়ে র‌্যাশও দেখা দিতে পারে। এ পর্যায়ে বেশিরভাগই এক সপ্তাহ পরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। এ ধরণের ডেঙ্গুকে ক্লাসিক ডেঙ্গু বলা হয়ে থাকে। সাধারণ বা ক্লাসি্ক ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে ১ শতাংশেরও কম রোগীর অবস্থা মারাত্মক হতে পারে।

দ্বিতীয় জ্বরহীন পর্যায় – সাধারণত এ সময় শিশুর জ্বর থাকে না, সময়কাল থাকে ২-৩ দিন । কিন্তু এ সময়ে শিশুর জ্বর বা শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার পর রোগটি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে। রোগীর রক্ত থেকে প্লাজমা বের হয়ে বিভিন্ন অংশে জমা হয়ে থাকে। কিছু ক্ষেত্রে রক্ত ও অঙ্গাণুসমুহে জটিলতার সৃষ্টি হয়, রক্তপাত ঘটে, শরীরের রক্তচাপ বিপজ্জনক মাত্রায় নেমে যেতে পারে; একে ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বর ২.৫ শতাংশের ক্ষেত্রে মারাত্মক হয়। যদি ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বরের চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে রক্তক্ষরণের মতো সমস্যা দেখা দেয় এবং শিশু শকে চলে যেতে পারে, যাতে মৃত্যুহার ২০-৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তাই জ্বর সেরে যাওয়ার দুই থেকে তিন দিন শিশুকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা প্রয়োজন।

তৃতীয় নিরাময় পর্যায়ের সময়কাল ৪-৫ দিন, এ সময় শিশুর শরীরে রিকভারি র্যাশ দেখা দিতে পারে।

তবে, লক্ষণীয় যে, ডেংঙ্গু আক্রান্ত শিশুর মধ্যে স্বাভাবিক চঞ্চলতা থাকে না; শিশু নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং ঝিমাতে থাকে এবং অযথা কান্নাকাটি করে। শিশুর মধ্যে প্রচণ্ড ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়, কিছুই খেতে চায় না। বমি বমি ভাব হয় বা কিছু খেলেই বমি করে দেয়। ৬-৮ ঘণ্টার মধ্যে শিশুর প্রস্রাব না হওয়া ডেঙ্গুর মারাত্মক লক্ষণের অন্যতম। ডেঙ্গুর কারণে শিশুর পেট ফুলে যেতে পারে বা শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে এবং শকে চলে যেতে পারে।

শিশুর মধ্যে ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো দেখা দিলে, চিকিৎসকরা সাধারণত কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (সিবিসি), এনএস ওয়ান অ্যান্টিজেন, এফজিপিটি এবং এফজিওটি প্রভৃতি পরীক্ষা দিয়ে থাকেন। ডেঙ্গু হলেই যে শিশুকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দিতে হবে বিষয়টা এমনটা নয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকলে বাড়িতে রেখেও নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে শিশুকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলা সম্ভব। শিশুর মধ্যে যদি বিপদ চিহ্ন দেখা দেয়, তাহলে চিকিৎসকরাই তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেবেন ।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণের মতে, ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের মধ্যে ধারণা রয়েছে যে, প্লাটিলেট কমে গেলেই কেবল রোগী খারাপ হয়ে যাবে; তাই তারা অনেক সময় প্লাটিলেট ভালো থাকলে রোগীকে নিয়ে হাসপাতালে আসতে চায় না। প্লাটিলেটের সংখ্যা ডেঙ্গু রোগী ভাল/খারাপ হওযার একটি সূচক মাত্র । ডেঙ্গু রোগী সন্দেহ হলে প্লাটিলেটের পাশাপাশি সাধারণত সিবিসি পরীক্ষা করে অথাৎ সম্পূর্ণ শ্বেতকণিকা, রক্তের তরল অংশ ও কনিকাগুলোর অনুপাত বা হেমাটোক্রিট ইত্যাদি দেখে ডেংঙ্গু আক্রান্ত শিশুর সার্বিক অবস্থা বোঝা যায়। অনেক সময় প্লাটিলেট ভালো থাকা রোগী খারাপ হয়ে যেতে পারে, আবার প্লাটিলেট খুব কম থাকা রোগীও ভাল হয়ে যায় ।

ডেংঙ্গু আক্রান্ত শিশুর আবাসিক ব্যবস্থাপনা

• শিশুর গায়ে জ্বর থাকলে, পানি দিয়ে শরীরে বার বার স্পঞ্জ করে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

• শিশুকে পানি ও মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি বেশি পরিমাণে তরল খাবার, বিশেষ করে খাওয়ার স্যালাইন, ডাবের পানি, ফলের শরবত, স্যুপ ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।

• ডেঙ্গু আক্রান্ত কাউকে এডিস মশা কামড়ানোর পর অন্যকে কামড়ালে তার শরীরেও ডেঙ্গুর ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই ডেংঙ্গু আক্রান্ত শিশুকে সব সময় মশারির ভেতরে রাখতে হবে।

• বাইরে বের হলে শিশুদের গায়ে কয়েক ঘণ্টা অন্তর অন্তর মশা নিরোধীকরণ স্প্রে, ক্রিম বা জেল ব্যবহার করা যেতে পারে ।
• শিশুদের ফুল হাতা ও ফুল প্যান্ট পড়িয়ে রাখা মশার কামড় প্রতিরোধে কার্যকরী।

ডেংগু আক্রান্ত শিশুর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা

সন্দেহজনক ডেংঙ্গু আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞ বা জেনারেল ফিজিসিয়ানের কাছে নিয়ে, তাদের পরামর্শ মত প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। হাসপাতালে সাধারণত নিম্নোক্ত চিকিৎসা প্রদান করা হয়ে থাকে।

• ডেঙ্গুর ধরণ বুঝে শিশুদের প্যারাসিটামল অথবা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দেয়া হতে পারে।

• রক্তচাপ অস্বাভাবিক থাকলে স্যালাইন দিয়ে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।

• রোগীর শক সিনড্রোম বা রক্তক্ষরণের উপসর্গ থাকলে স্যালাইনের মাধ্যমে শরীরে অ্যালবোমিন প্রয়োগ করা হতে পারে। রক্ত দেয়ারও প্রয়োজন হতে পারে ।
• শিশুর রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা যদি ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ এর নীচে চলে আসে বা রক্তরক্ষণ হয়, তাহলে শিশুকে প্লাটিলেট দেয়ার প্রয়োজন হয় ।

মশার বংশ বৃদ্ধি, কামড় ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়

• বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার পরিছন্ন রাখতে হবে ।

• এডিস মশা সাধারণত টায়ার, ব্যারেল, প্লাস্টিকের ড্রাম ও জেরিকেনের মধ্যে জমা পরিস্কার পানিতে বংশবৃদ্ধি করা পছন্দ করে। এছাড়া এদের বংশবৃদ্ধির জন্য আদর্শ আউটডোর স্থান গুলো হচ্ছে – ব্যাল্কোনিতে থাকা গাছের পাত্র, এসির ট্রে, মাটির পাত্র ইত্যাদি; ইনডোরে ফ্রিজের ট্রে, রান্নাঘরের র্যাক, রান্নাঘরের / বাথরুমের পানি জমে থাকা ড্রেন, কুলার, বাথরুম বা সিস্টার্নে থাকা লিকেজ, অব্যবহৃত খোলা বালতি/পানির পাত্র, ঘর সাজানোর ফুলের টব / বনসাই প্ল্যান্ট টব / ইনডোর প্ল্যান্ট টব ইত্যাদি। ঘরের ভেতরে বা বাইরে থাকা এসব স্থান দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন এবং জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন। যে পানিতে এডিস মশা ডিম দিয়েছে, তা ফেলে দিলেই ডিম ধ্বংস হয়ে যাবে। এ ছাড়া সে পানিতে তেল ঢেলে, সাবান দিয়ে কিংবা ভিনেগার মিশিয়ে ডিম ধ্বংস করা যায়।

• মশা নিধনের জন্য একদিন অন্তর অন্তর স্প্রে বা ফগিং করুন ।

• বাইরে যাওয়ার সময় মশা প্রতিরোধী ক্রিম ব্যবহার করুন ।

• ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার আবশ্যক। এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায়, তাই দিনের বেলা ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে ।
• মশা প্রতিরোধী অ্যারোসল, কয়েল বা ফাস্ট কার্ড শিশুসহ সবার জন্য ক্ষতিকর; এর পরিবর্তে মসকুইটো কিলার বাল্ব, ল্যাম্প, কয়েল, কিলার ব্যাট, রেপেলার মেশিন, কিলার ট্র্যাপ ইত্যাদির ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপদে মশার প্রতিরোধ করা যেতে পারে ।

সবচেয়ে বেশি হতাশ হয়েছি তামিমকে ‘দুর্বল’ দেখে: মাশরাফি

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল খান সংবাদ সম্মেলন ডেকে চোখের জলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন। যদিও এর একদিন পরেই নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পর অবসর ভাঙার ঘোষণা দেন এই টাইগার ওপেনার।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে তামিমের এমন সাক্ষাতের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। যদিও মাশরাফির বড় হতাশা দুর্বল চিত্তের তামিমকে নিয়ে।

বুধবার অনুষ্ঠান শেষে তামিমের অবসর প্রসঙ্গে মাশরাফি বলেন, ‘তামিমের ওপর কী গিয়েছে, তামিম ঠিক ততটা আমার সঙ্গে শেয়ার করেনি। তবে আমি সবচেয়ে বেশি হতাশ হয়েছি তামিমকে দুর্বল দেখে। ও একটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, ওর পক্ষেও অনেকে কথা বলেছে। সাধারণভাবে তামিম এটুকু লড়াই করতে পারবে না, তা আমার কাছে মনে হয়নি। তবে কখনো কখনো মানুষ ভেঙে পড়ে, তখন মানুষের সহায়তা প্রয়োজন হয়।’

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পরেই ফিরে আসার কথা জানিয়েছেন তামিম। আর এই বিবেচনায় তাকে ভাগ্যবান বলে উল্লেখ করেছেন ম্যাশ, ‘আমি বলব, তামিম খুব ভাগ্যবান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকেছেন, কথা বলেছেন এবং তাকে ক্রিকেটে ফিরিয়ে এনেছেন। এই সৌভাগ্য সবার হয় না।’

অবশ্য এসবের পরেও তামিমের ফিরে আসা নিয়ে কিছুটা সংশয় থেকেই যায়। বিশেষ করে, নিজের পুরাতন ইনজুরি পাশ কাটিয়ে তামিম আসলেই ফিট হতে পারবেন কিনা সেটাই বড় প্রশ্ন। আর মাশরাফি মনে করেন, চোট থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠার পরই মাঠে ফেরা উচিত তামিমের, ‘এখন যে জিনিসটা হচ্ছে, ওর ইনজুরি ওকে ভোগাচ্ছে। তামিম পারফর্ম করছে না, কেন করছে না? তার কারণ হচ্ছে ইনজুরি। তাহলে কী করা উচিত? ওর ইনজুরিটা ঠিক করে আসা উচিত। ওর এখন উচিত, ইনজুরি নিয়ে চিন্তা করা। ফিট হয়ে এলে আমি নিশ্চিত ও অটোমেটিক রান করবে আর আগের পরিস্থিতিতে ফিরে আসবে।’

নাইজারে সেনা অভ্যুত্থান, পদচ্যুত প্রেসিডেন্টের মুক্তি চাইল আমেরিকা

অনলাইন ডেস্ক:

আফ্রিকার দেশ নাইজারে সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানে ‘পদচ্যুত’ প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজোমের মুক্তি চাইল আমেরিকা। নিউজিল্যান্ড সফররত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এই আহ্বান জানান।

ব্লিঙ্কেন সাংবাদিকদের বলেন, “আজ সকালেই আমি প্রেসিডেন্ট বাজোমের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। তাকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, নাইজারে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজোমের অবিলম্বে মুক্তি চাই।” বুধবার মোহাম্মদ বাজোমকে রাজধানী নিয়ামেইর প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে বন্দী করা হয়। নাইজারের প্রেসিডেন্ট গার্ডের সদস্যরা তাকে বন্দী করেন।

এরপর নাইজারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিবৃতিতে দেশটির সেনারা জানান, প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজোমকে পদচ্যুত করা হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ওয়েবসাইট

এসএসসির ফল: শুক্রবার ১১টায় শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক:

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল শুক্রবার (২৮ জুলাই) প্রকাশ করা হবে। সেই দিন সকাল ১১টায় রাজধানীর সেগুন বাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে ফলাফল অনলাইন এবং মোবাইল থেকে এসএমএস করে পাওয়া যাবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার জানিয়েছেন, ২৮ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টায় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হবে।

প্রতিষ্ঠানগুলো রেজাল্ট শিট ডাউনলোডের ক্ষেত্রে www.dhakaeducationboard.gov.bd থেকে রেজাল্ট কর্নালে ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবে। আর www.educationboardresults.gov.bd-তে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবে।

এছাড়াও পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এসএমএস করে ফল সংগ্রহ করা যাবে। এজন্য এসএসসি বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর টাইপ করে রোল ও পাসের বছর দিয়ে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফল পাওয়া যাবে। উদাহরণ: SSC Dha 123456 2023 Send to 16222.

দাখিলের ক্ষেত্রে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষরের জায়গায় Mad এবং কারিগরির ক্ষেত্রে Tec টাইপ করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করার জন্য www.educationboardresults.gov.bd-থেকে রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এর মাধ্যমে ডাউনলোড করার পরামর্শ দিয়েছে বোর্ড।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ২১ হাজার ১৯৭ এবং ছাত্রী ১০ লাখ ৫০ হাজার ৯৬৬ জন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ লাখ ৪৯ হাজার ২৭৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ৭৯ হাজার ৮৭০ জন এবং ছাত্রী ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৪০৫ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ লাখ ৯৫ হাজার ১২১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৯৩ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৫১ হাজার ১২৮ জন।

২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৫০ হাজার ২৯৫ জন। এর মধ্যে ছাত্রী বেড়েছে ৩৮ হাজার ৬০৯ জন। এ ছাড়া মোট প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২০৭টি এবং কেন্দ্র বেড়েছে ২০টি।

হিরো আলমকে নিয়ে বিবৃতি: মার্কিন ব্রিফিংয়ে ১৩ দূতকে তলব প্রসঙ্গ

অনলাইন ডেস্ক:

ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় বিবৃতি দেওয়াকে কেন্দ্র করে ১৩ বিদেশি মিশনের দূতকে ডেকে ‘অসন্তোষ জানিয়েছে’ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিষয়টি উঠে এসেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে। স্থানীয় সময় বুধবার দুপুরে এই প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের উপপ্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেলের কাছে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর (হিরো আলম) ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ১৩ কূটনীতিককে তলব করা হয়েছে। এর আগে ২০ জুলাই একই কারণে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীকে তলব করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আহ্বান জানাচ্ছে। সব পশ্চিমা মিত্র ও উন্নয়ন সহযোগীরাও একই আহ্বান জানাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার করছে উল্টোটা। তারা রাষ্ট্রদূতদের তলব করছে। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?

জবাবে প্যাটেল বলেন, “একটা বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। তা হলো, গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোনও স্থান নেই। বাংলাদেশের কোনও রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করে না যুক্তরাষ্ট্র। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের লক্ষ্যকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে।”তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র সব সময় বাংলাদেশের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্য অর্জনে দেশটির সঙ্গে একত্রে কাজ করার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে। এটা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। আমরা বিশ্বাস করি- অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়টি উভয় দেশের একটি অভিন্ন অগ্রাধিকার। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীসহ দেশটির সরকারের অনেক কর্মকর্তাও বলেছেন, এটা তাদেরও লক্ষ্য।”

উল্লেখ্য, ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণের শেষ পর্যায়ে হামলার শিকার হন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রলালয়ের ওয়েবসাইট

বিয়ের অনুষ্ঠানের যাওয়ার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় বুড়িচংয়ের ইউপি সদস্য ও চালক নিহত

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা থেকে প্রাইভেটকার দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে কক্সবাজার যাওয়ার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য মাঈনুদ্দিন মনির (৪২) ও জেঠাতো ভাই মাহাবুবের (৩৫)মৃত্যু হয়েছে। আশংকাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন মনির মেম্বারের স্ত্রী ও দুই ছেলে।

ঘটনাটি ঘটেছে (২৬ জুলাই ) বুধবার ভোর ৫ ঘটিকায়।

পরিবারের সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা থেকে প্রাইভেটকার দিয়ে মাঈনুদ্দিন মনির মেম্বারের স্বপরিবার নিয়ে চাচাতো ভাইয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে রাতে কক্সবাজার যাওয়ার পথে ভোর ৫টায় সীতাকুণ্ডে পৌঁছলে একটি অজ্ঞাত ট্রাক প্রাইভেটকারকে চাপা দিলে ঘটনারস্থলে সাবেক ইউপি সদস্য মাঈনুদ্দিন মনির ও জেঠাতো ভাই মাহবুব(ড্রাইভার) ঘটনাস্থলে নিহত হয়।গাড়ীতে থাকা মেম্বারের স্ত্রী মৌসুমী আক্তার ও ছেলে মাহাতাব (১০),মেজবাহ্ (৭) আশংকাজনক অবস্থায় চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের পরিবারের পক্ষে ভাগিনা মোহন।

নিহত মাঈনুদ্দিন মনির কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয় পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য।সে রামনগর পূর্বহুড়া গ্রামের মৃত:ফুল মিয়া মেম্বারের ছেলে। অপরজন জেঠাতো ভাই মাহবুব একই এলাকার মৃত: আব্দুল সোবহানের ছেলে। তাদের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের মাতম চলছে।তার মৃত্যুতে দুবাই থেকে শোক প্রকাশ করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বুড়িচং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ষোলনল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ বিল্লাল হোসেন বলেন,সড়ক দূর্ঘটনায় মনির মেম্বারের মৃত্যুর খবর শোনে নিহতের বাড়িতে যাই, মরহুমের স্ত্রী ও একটি ছেলে হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আর একটি ছেলে কিছুটা সুস্থ আছে।

বাইউস্ট বিজনেস ক্লাবের উদ্যোগে উদ্যোগে ৩দিন ব্যাপী বিজনেস সপ্তাহ সমাপ্ত

 

স্টোফ রিপোর্টার:

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার আর বর্ণিল আয়োজনে কুমিল্লাস্থ বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজির (বাইউস্ট) ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিজনেস ক্লাবের উদ্যোগে ৩দিন ব্যাপী বিজনেস সপ্তাহ  সমাপ্ত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মুল লক্ষ্য অর্জনের আওতায় শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ইভেন্ট যেমন বিজনেস ষ্টল, বিজনেস ক্যুইজ, বিজনেস আইডিয়া প্রতিযোগিতা, ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্পের স্থাপনের ধারনা ভিত্তিক প্রতিযোগিতা, মিস্টার-মিস প্রফেশনাল, তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টি ব্যবহারিক ধারনা ভিত্তিক, বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে ছাত্রছাত্রীদের বর্তমান সময়ের প্রতিযোগিতামূলক দক্ষতা এবং ব্যবহারিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও মানোন্নয়ন, চাকরি, পেশা সম্পর্কে আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বের উপস্থিত ছিলেন জনাব হিরোশি কুয়ে (প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা, ক্যাট গার্মেন্টস গ্রুপ, জাপান) ও খন্দকের সাইদুল ইসলাম (প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা, কুমিল্লা স্পিনিং লিমিটেড)।

গত ২৪ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানের ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর কে এম সালজার হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর কর্নেল মোশাররফ হোসেন, আইকিউএসি প্রধান প্রফেসর ডঃ কামিজ আলম, রেজিষ্ট্রার কর্নেল বদরুল আহসানসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষকগন উপস্থিত ছিলেন।

করোনার কারণে দীর্ঘ প্রায় চার বছর পর এমন একটি সময় উপযোগী আয়োজনের প্রশংসা করেন অনেকেই শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ। বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও প্রতিযোগিতার মিস্টার প্রফেশনাল বিজয়ী মো হাবিবুর রহমান জানান, ক্যাম্পাস ভিত্তিক এ ধরনের অনুষ্ঠানগুলো নিঃসন্দেহে আমাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করে।

বিজনেস ক্লাবের সাবেক এডভাইজার ও বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক  শরিফুল ইসলাম জানান, দক্ষ গ্রাজুয়েট তৈরিতে ব্যবহারিক শিক্ষার কোন বিকল্প নেই, তাই বিভাগের শুরু থেকে আয়োজন গুলো বিভিন্ন পরিসরে চালু আছে।

সমাপনী বক্তব্যে বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডঃ তৌহিদুর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমরা এ ধরনের আয়োজন আরো বড় পরিসরে করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ।

অনুষ্ঠানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামাল উদ্দিনসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার প্রকৌশল, তড়িৎ প্রকৌশল, সিভিল ইন্জিনিয়ার, ব্যবসায় প্রশাসন, ইংরেজী ও আইন বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর, এমবিএ ডিগ্রি প্রদান করে আসছে।

কুমিল্লায়  ১১০ বোতল ফেন্সিডিল, ৪৫০০ পিস ইয়াবা ও ৬০ কেজি গাঁজাসহ ৫ জন আটক

স্টাফ রিপোর্টার:
গত ২৪ ঘন্টায় কুমিল্লা জেলাজুড়ে অভিযান পরিচালনা করে  ১১০ বোতল ফেন্সিডিল, ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৬০ কেজি গাঁজাসহ ৫ জন মাদক ব