All posts by jitu

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ৭ বাংলাদেশিসহ নিহত ৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় আল-হাসা জেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশিসহ প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৯ জন। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও দুজন।

শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকাল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সবশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহত প্রবাসীদের মধ্যে তিনজনের বাড়ি নাটোর এবং একজনের বাড়ি রাজশাহীতে। তবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি এখনো।

কর্তৃপক্ষ জানায়, আল-মানসুরা শিল্প এলাকায় একটি ফার্নিচার কারখানায় আকস্মিক আগুন লাগে। কাঠের কারণে দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে আগুন। এতে কারখানাটির ভেতর আটকা পড়েন বেশ কয়েকজন শ্রমিক। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান অনেকে।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। হতাহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। নিহতদের মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন।

নির্বাচন কাঠামো পরিবর্তন না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়

ডেস্ক রিপোর্ট:

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির নেতারা বলেছেন, নির্বাচন কাঠামো পরিবর্তন না হলে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আর কাঠামো পরিবর্তনের মাধ্যমে নির্বাচনের পরিবেশ, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত না হলে জাতীয় নির্বাচনের সুফল দেশবাসী পাবে না।

আজ শনিবার বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর গুলশানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্যালয়ে বাংলাদেশ সফররত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এবি পার্টি নেতারা এ কথা বলেন।

এবি পার্টির প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও আন্তর্জাতিক-বিষয়ক উপ-কমিটির সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ও ব্যারিস্টার যুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম এফসিএ এবং সহকারী সদস্য সচিব ব্যারিস্টার নাসরীন সুলতানা মিলি।

এবি পার্টির নেতাদের কাছে আগামী নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর বাস্তবতা, উপকারিতা এবং সুপারিশ সম্পর্কে জানতে চান ইইউ প্রতিনিধিদল। লিখিত ব্রিফিংয়ে এবি পার্টি প্রতিনিধিরা দেশের নির্বাচনি ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে গত ১১টি জাতীয় নির্বাচনের চারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। এই নির্বাচনগুলো ছিল শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য।

দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৭টি নির্বাচন ছিল প্রহসনমূলক। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ বাতিল করে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। এক্ষেত্রে আদালতের সঙ্গেও প্রতারণা করা হয়েছে বলে মত দেন এবি পার্টি নেতারা।

তারা অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামো গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। তাহলেই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার ইতিহাস তুলে ধরে এবি পার্টি নেতারা বলেন, ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক ‘রাজনৈতিক সমঝোতা’ তৈরি হয়েছিল। গণভোটের আয়োজন না করেই ২০১১ সালের ৩০ জুন তাড়াহুড়া করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেয় সরকার। সংসদীয় কমিটির সর্বসম্মত মতামতকেও উপেক্ষা করে তারা দেশকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে, যা বর্তমান রাজনৈতিক অচলায়তন ও সংকটের প্রধান কারণ।

এবি পার্টির নেতারা আরও বলা হয়, স্বাধীনতা অর্জনের ৫২ বছরে বাংলাদেশ আজ সত্যিকারের যুগ সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলের আগামীর বাস্তবতা উপলব্ধি করতে না পারলে বাংলাদেশ আবারও পথ হারাবে।

অসহায় শিশু রাব্বির দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার সকালে গিয়েছিলেন জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে। সাধারণ রোগীর মতো ১০ টাকার টিকিট নিয়ে চোখের চিকিৎসা করিয়েছেন।

চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে চলে আসার সময় সেখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজন, চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারীসহ উপস্থিত সবার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কুশল বিনিময় করেন ও ছবি তোলেন।

ওই সময় ভিড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা শিশু রাব্বির দিকে দৃষ্টি পড়ে সরকারপ্রধানের। তিনি রাব্বির কাছে এগিয়ে যান, পরম মমতায় আদর করেন। প্রধানমন্ত্রী ছোট্ট রাব্বির কাছে জানতে চান, সে কী করে, কার সঙ্গে হাসপাতালে এসেছে, কোন ক্লাসে পড়ে।

১১ বছর বয়সী রাব্বি জানায়, সে চক্ষুবিজ্ঞান হাসপাতালের ক্যানটিনে কাজ করে। সেখানেই থাকে। তার বাবা মারা গেছেন। মা রাবেয়া বেগম সুতার কারখানায় কাজ করতেন। এখন চাঁদপুরে রাম দাসদি আশ্রয়ণের ৮/৩ নম্বর ঘরে থাকেন। রাব্বির সৎবাবা জাহাঙ্গীর আলম দিনমজুর। ক্যানটিনে কাজ নেওয়ার আগে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছে রাব্বি।

প্রধানমন্ত্রীকে রাব্বি আরও জানায়, সে চাঁদপুরে মায়ের কাছে যেতে চায়। আবার পড়াশোনা করতে চায়।

রাব্বির কথা শুনে আবেগাপ্লুত হন প্রধানমন্ত্রী। তিনি রাব্বিকে সান্ত্বনা দেন এবং তার পড়াশোনাসহ আনুষঙ্গিক দায়িত্ব নেন। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।

সদর দক্ষিণে ২৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকা হতে ২৫ কেজি গাঁজা’সহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক করেছে র‌্যাব।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২৫ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ যশোর জেলার সদর থানার তেঘরিয়া গ্রামের মোঃ আব্দুল মান্নান এর
ছেলে মোঃ জুয়ের হোসেন (৩০)।

আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ যশোর, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

আমেরিকায় শামীম ওসমানকে হেনস্তার চেষ্টা, নোয়াখালীতে অভিযুক্তের বাড়িতে বিক্ষোভ-ভাংচুর

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
যুক্তরাষ্ট্র সফররত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানকে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে হেনস্তার চেষ্টা চাালানো সাবেক ছাত্রদল নেতার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে বিক্ষোভ-ভাংচুর করেছে ছাত্রলীগ।

শনিবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের আমকি গ্রামের আমকি মিয়া বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত বাদল মির্জা (৩৬) একই গ্রামের আবু বাহারের ছেলে এবং সে সোনাইমুড়ী উপজেলা ও জয়াগ ইউনিয়ন ছাত্রদলের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন।

জয়াগ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আকবর পলাশ জানান, বাদল ৮-১০ বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় চলে যায়। সেখান থেকে সে আমিরকা প্রবেশ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র সফররত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানকে হেনস্তার চেষ্টা চালানো সাবেক ছাত্রদল নেতা বাদলের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি জানার পরপরই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। সকালের দিকে সোনাইমুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের ১০-১৫জন নেতাকর্মি শামীম ওসমানকে হেনস্তার চেষ্টার প্রতিবাদে অভিযুক্ত বাদলের বাড়িতে বিক্ষোভ করে ভাংচুর চালায় এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। ওই সময় বাদলের পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিলনা।

সোনাইমুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফ হোসেন বলেন, বাদল দেশে থাকতে উপজেলার জয়াগ ইউনিয়ন ছাত্রদলের অন্যতম নেতা ছিল। ওই সময় সে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে জড়িয়ে পড়ে। পরে সরকার পরিবর্তন হলে সে জনগণের রোষানলে পড়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমানকে হেনস্তার চেষ্টার প্রতিবাদে ছাত্রলীগের নেতাকর্মিরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। পরে তার বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে তার শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেয়। ওই সময় ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মিরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। তবে এই ছাত্রলীগ নেতা ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাংচুরের অভিযোগ নাকচ করে দেন।

এ বিষয়ে জানতে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, এ বিষয়ে কেউ পুলিশকে অবহিত করেনি।

উল্লেখ্য, গত বুধবার ১২ জুলাই স্থানীয় সময় সন্ধ্যার পর বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের প্রাণকেন্দ্র জ্যাকসন হাইটসের লিটল বাংলাদেশ (৭৩ স্ট্রিট) এলাকায় যান শামীম ওসমান। তিনি একটি কালো রঙের রেঞ্জ রোভার গাড়িতে ছিলেন। তাকে দেখামাত্র রাস্তার বিপরীতে থাকা নিউইয়র্ক মহানগর বিএনপি নেতা রাব্বী, সোনাইমুড়ী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা বাদল মির্জা সহ কয়েকজন যুবক ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ স্লোগান দেয়। এরপর তারা সেখানে একটা বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। পরে যার ভিডিও চিত্র ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়।

দেবিদ্বার পৌর নির্বাচন:উপজেলা চেয়ারম্যান ও দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌরসভা নির্বাচনে ক্যারামবোর্ড ও নারকেল গাছ প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনা, নির্বাচনী বিধি নিষেধ লঙ্ঘন, নৌকা প্রতিকের প্রার্থীকে প্রচারণায় বাধা, ভোটারদের হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ এনে আইনত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম।এছাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনেছেন নৌকার প্রার্থী সাইফুল ইসলাম।

লিখিত অভিযোগে মো: সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের ভিংলাবাড়ী গ্রামে বৃহস্পতিবার রাত ১ টার সময় ক্যারামবোর্ড প্রতিকের প্রার্থী এম কাইয়ুম ভূইয়া নিজে তার লোকবল নিয়ে নৌকা প্রতিকের অফিস বন্ধ করে দেয়।এম কাইয়ুম ভূইয়া গ্রামের সাধারণ ভোটারদেরকে টাকার বিনিময়ে ভোট দেওয়ার জন্য টাকা বিলি করার সময় সরাসরি নৌকা মার্কার সমর্থকদের নজরে আসলে নৌকার সমর্থক এবং ক্যারামবোর্ড প্রার্থীর সাথে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে ক্যারামবোর্ড প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন নৌকা প্রতীকের সমর্থকদেরকে মারধর করে আহত করে। এছাড়াও যে সমস্ত সাধারণ ভোটাররা ক্যারামবোর্ড প্রার্থীর টাকা নেয়নি এবং ভোট দিবে বলে আশ্বস্ত করেনি তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকায় ভীত সন্তস্ত্র পরিবেশ তৈরী করেছে। ক্যারামবোর্ড প্রতিকের প্রার্থী নিজেই নৌকা প্রতিকের বিভিন্ন কর্মীকে প্রচারণার কাজ বন্ধ করে দেয়।

এদিকে ৯ নং ওয়ার্ডের বারেরা গ্রামে শুক্রবার ভোররাত ৩ টার সময় নারকেল গাছ প্রতিকের প্রার্থী আবুল কাশেম চেয়ারম্যান নিজে তার লোকবল নিয়ে গ্রামের সাধারণ ভোটারদেরকে টাকার বিনিময়ে ভোট দেওয়ার জন্য টাকা বিলি করার সময় নৌকা মার্কার সমর্থকরা প্রতিবাদ করলে নারকেল গাছ প্রার্থীর লোকজন নৌকা মার্কার সমর্থকদেরকে মারধর আহত করে। এছাড়াও যে সমস্ত সাধারণ ভোটাররা নারকেল গাছ প্রার্থীর টাকা নেয়নি এবং ভোট দিবে বলে আশ্বস্থ করেনি তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়া এলাকায় ভীত সন্তস্ত্র পরিবেশ তৈরী করেছে। নারকেল গাছ মার্কার প্রার্থী নিজে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নৌকা মার্কার বিভিন্ন কর্মীকে তার বাসভবনে ডেকে নিয়ে নারকেল গাছ প্রতিকের পক্ষে কাজ করার জন্য বিভিন্ন অসৎ উপায় অবলম্বন করার চেষ্টা করছে।

এছাড়া গতকাল সংবাদ সম্মেলন করে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করেন যে, দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও তার অনুসারীগন নৌকাকে ভরাডুবি করার জন্য অনেক চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। নৌকার বিপক্ষে কাজ করার সময় আমরা তাকে হাতেনাতে ধরেছি । দিনের আলোতে মুখে নৌকার কথা বলে রাতের আধারে নৌকাকে হারিয়ে স্বতন্ত্র প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা থেকে শুরু করে ইলেকশন ম্যাকানিজম করছে বলে তৃনমূল হতে আমাদের সচেতন কর্মী সমর্থক অবগত করছেন,যা আমাদের বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিটা কর্মীর হৃদয়ে রক্তক্ষরন হচ্ছে।

এই বিষয়ে জানতে আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে কল দিলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুঞ্জুরুল আলম জানান, আমাদের কাছে অভিযোগ আসার পর আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। আচরণ বিধি যেই লঙ্ঘণ করবে আমরা তার বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নিবো।

আমড়াতলীতে মাদকের টাকা ভাগাভাগির জেরে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নে জুয়া ও মাদকসহ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে কাউছার (২৮) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এসময় মারুফ নামে আরো এক যুবক আহত হন।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) বিকেলে ইউনিয়নের মধ্য মাঝিগাছা গ্রামের সিঙ্গাপুর গলিতে ঘটনাটি ঘটে।

নিহত সহিদুল ইসলাম নগরীর বিষ্ণুপুর এলাকার শওকত হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, আজ মধ্য মাঝিগাছা সিংগাপুর গলি রাস্তার মাথায় ১০/১২ জন যুবক কাউছারকে তার বাড়ি থেকে ডেকে আনে। পরে মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে কাউছারের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তারা কাউছারকে ছুরিকাঘাত করে আহত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা লোকজন আহত অবস্থায় তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাউছারকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. হাফিজুল ইসলাম বলেন, মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হয় কাউছার। এই এলাকায় মাদকের প্রবণতা বেশি। দু’পক্ষই মাদক সেবন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত।

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজুর মোরশেদ জানান, মাদক ও জুয়া সংক্রান্ত লেনদেনের টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে ঘটনাটি ঘটে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তাদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছি।

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কামরান হোসেন বলেন, আমরা তদন্ত করছি। ঘটনার সময় কাদের কি ভূমিকা ছিলো তা জানার চেষ্টা করছি। সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

সদর দক্ষিণে বাসায় প্রবেশ করে ছোরা দেখিয়ে ৯ ভরি স্বর্ণ ও নগদ অর্থ লুট

 

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার সদর দক্ষিণের শ্রীবল্লভপুরে বাসায় প্রবেশ করে ছোরা দেখিয়ে ৯ ভরি স্বর্ণ, নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং স্যামসাং মোবাইল নিয়ে গেছে অজ্ঞাত দুই চোর।

শুক্রবার ভোররাতে সদর দক্ষিণের শ্রীবল্লভপুরের পূর্ব পাড়ার সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে সদর দক্ষিণ থানায় সৌদি প্রবাসী কাউছার আহমেদের স্ত্রী শিরীন আক্তার (২৯) একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগে শিরীন আক্তার জানান, আমার স্বামী সৌদি আরব প্রবাসী। আমি আমার এক ছেলে ইউছুফ (০৮) কে নিয়ে বর্তমান ঠিকানার বাসায় বসবাস করি। প্রতিদিনের মত বৃহস্পতিবার রাতে আমি আমার সন্তানকে নিয়ে রাত আনুমানিক ১০ টার সময় ঘুমিয়ে পরি। রাত আনুমানিক আড়াইটার সময় আমাদের বাসার দোতলাতে বাসার ভিতরে চোরের আনাগোনার শব্দ শুনে আমার ঘুম ভাঙ্গে। তখন আমি বাসার লাইট জালিয়ে দেখি যে ২ জন চোর আমার বাসায় চুরি করতেছে। আমি চিৎকার করলে তারা আমাকে ও আমার ছেলেকে তাহাদের নিকট থাকা ছোরা দেখিয়ে ভয় দেখায়। ফলে আমরা জীবনের ভয়ে চিৎকার করিনি । তারা আমার কাছ থেকে আমার আলমারীর ও ওয়ারড্রোবের চাবি নিয়ে তা খোলে আমার কানের ৭ জোড়া ছোট বড় স্বর্ণের জিনিস, ৪টি গলার স্বর্ণের চেইন, ৫ টি স্বর্ণের আংটি ও ১ টি স্বর্ণের নেকলেসসহ আনুমানিক ৯ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকাসহ আমার স্যামসাং ডোজ মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে সদর দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক মামুন জানান, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

সুবর্ণচরে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর উপর হামলা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ী ও তার প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ফজলে এলাহী ফজলু নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার চরজব্বার থানা মোড়ে রুপসী মেডিসিন কর্নারের সামনের ফার্মেসীতে এ ঘটনা ঘটে।

ফজলে এলাহী ফজলু চর জুবিলী ইউনিয়নের তিন নাম্বার ওয়ার্ডের নুরুল হকের ছেলে। ইতিমধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতনসহ একাধিক মামলার আসামি। তিনি নিজেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা বলে দাবি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ফজলে এলাহী ফজলু বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে সরাসরি রুপসী মেডিসিন কর্ণারে ডুকে চাঁদাদাবী করে গালমন্দ করতে থাকে। এসময় ফার্মেসীর মালিক মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল তাকে চাঁদা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে ফজলু সোহেলের উপর হামলে পড়ে ও দোকানে ভাংচুর চালায়। তার এধরনের আচরণ দেখে স্থানীয় লোকজন ও ওষুধ ক্রেতারা ক্ষিপ্ত হয়ে ফজলুকে মারধর করে। এসময় ফজলু দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সে নানান ধরনের হুমকি ধুমকি দেয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিন্দা প্রকাশ করে ফজলুকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করে।

সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বাহারউদ্দিন খেলন জানান, ফজলু উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন পদে নেই। তার বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রয়েছে। তার এসব অপকর্মের দায়ভার আওয়ামীলীগ নিবে না।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেব প্রিয় দাশ বলেন, এ ঘটনা শুনেছি। লিখিত অভিযোগ ফেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।