All posts by jitu

বারপাড়া ইউপিতে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে সেলিম আহমেদের নৌকা মার্কার বিকল্প নেই

 

সালাহ উদ্দিন সোহেলঃ

উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে বারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদের কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছেন ইউনিয়নবাসী। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নটির উন্নয়ন চোখে দেখার মত। এতে ইউনিয়নবাসী ও ভাতা ভোগীরা অনেক খুশি।

বারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নৌকার মাঝি ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী ও এ ইউনিয়নে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কার বিজয় ছাড়া বিকল্প কিছু নেই।

উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নটি ধান ও সবজি ফসলের জন্য বিখ্যাত। এ ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ কৃষিজীবি ও দিন মজুর। তারা কৃষি কাজের উপর নির্ভর করে এবং মাঠে পরিশ্রম করে ফসল ফলায়। উক্ত ইউনিয়নের ৩৩টি গ্রামের লোকদের গত ৬ বছর যাবত জনগনের সেবায় নিয়োজিত থেকে সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এ সফল চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ।তিনি রাজনৈতিক জীবনেও বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) এর পরীক্ষিত কর্মী হয়ে বিশ্বস্ততা অর্জন করেছেন।

সেলিম আহমেদ জনগণের সমর্থন নিয়ে ২০১৬ সালে বারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর জনগণকে সাথে নিয়ে অত্র ইউনিয়নের ৩৩ গ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কাজ করছেন। তাই এই ইউনিয়নের জনগণ তাকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে পূনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করতে চায়। গ্রামের ছোট বড় রাস্তায় আরসিসি পাইপ, ইটের সোলিং, ড্রেন, কালভার্ট, গাইড ওয়াল, নলকূপ, মাটির রাস্তা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা, ভিজিডির খাদ্য সহায়তা, সেনেটারী ল্যাট্রিন, মাদ্রাসা স্কুল কলেজ, হাট-বাজারের উন্নয়ন, করোনা কালীন সময়ে জীবন বাজি রেখে জনগনকে সেবা, মাস্ক বিতরণ, হাত ধৌয়ার জন্য হ্যান্ড সেনেটারী এবং সচেতনা মূলক কর্মকান্ড চালিয়ে ছিলেন। ধনী-দরিদ্র সব মানুষই তার কাছে সমান বলে জানিয়েছেন ইউনিয়নে হাজারো মানুষ।

জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে একজন প্রার্থীর যে ধরণের রাজনৈতিক, সামাজিক, পারিবািরক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, ব্যক্তি ইমেজ, উন্নয়ন মানসিকতা ও গ্রহণ যোগ্যতা ইত্যাদি প্রয়োজন সেলিম আহমেদ সেই সব গুনের অধিকারী সম্পন্ন প্রার্থী।এসব বিবেচনায় নির্বাচনের মাঠে গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণায় অন্যদের থেকে তিনি এগিয়ে রয়েছে।

সরেজমিনে ইউনিয়নে ঘুরে ঘুরে দেখা গেছে তার উন্নয়নের চিত্রগুলো। সরকারী বরাদ্ধ এনে গৃহহীন মানুষদের ঘড় নির্মাণ করে দিয়েছেন।মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দেয়া উপহারের ঘড় অনেক ভূমিহীনদের বরাদ্ধ দিয়েছেন।ইউনিয়ন পরিষদে সেবার পর রতনপুর বাজারে সন্ধাকালীন সময়ে তার ব্যক্তিগত অফিসে জনগণের সেবা অব্যাহত রেখেছিলেন।

সামনের ২৮শে নভেম্বর নির্বাচনের বিষয়ে চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, জনগণের সমর্থনে এ ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য আমি আবার নির্বাচন করতেছি।আশা করি আমার ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ আমাকে ভোট দিবে।আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি।জয় পরাজয় সেটার মালিক আল্লাহ। যে কয়েক দিন বেঁচে থাকবো ততদিন যেন জনগণের পাশে থেকে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারি। এটিই আমার আশা, ভোট জনগণের হাতে যাকে খুশি তাকে দিবে, তবে আমি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের পাশে থেকে উপকারের চেষ্টা করছি। জনগণ আমার কথায় যাতে কষ্ট না পায় তার জন্য সর্বক্ষণিক চেষ্টা চালাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, ইনশাআল্লাহ এই নির্বাচনে জনগণের ভোটে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষির উন্নয়ন ঘটিয়ে মাদক মুক্ত করে আমার ইউনিয়নকে মডেল হিসেবে গড়ে তুলব।

কুবি সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

 

কুবি প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (কুবিসাস) কার্যনির্বাহী পরিষদ-২০২৩ এর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।

রবিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দীন, নির্বাচন কমিশনার মুহতাসিম বিল্লাহ ও তারিন বিনতে এনাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তফসিল ঘোষণা করা হয়।

তফসিল সূত্রে জানা যায়, আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে আগামী ২১ নভেম্বর বিকেল ৪ টায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ২২ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিক্রি ও জমা দিতে হবে।

মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যাবে পরের দিন (২৩ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। আর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে একইদিন বিকাল ৪ টায়। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৪ নভেম্বর।

এতে সমিতির সদস্যগণ ভোট প্রদান করতে পারবেন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। ভোট গণনা শেষে একইদিনে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

গত ১৬ নভেম্বর ৫৬তম সাধারণ সভায় অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহতাসিম বিল্লাহ ও ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক তারিন বিনতে এনামকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে মনোনীত করা হয়।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০২৩ এর মধ্য দিয়ে অষ্টম কার্যনির্বাহী পরিষদের কমিটি গঠন হবে।

বাঙ্গরায় প্রাইভেটকারভর্তি ৩০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগর :
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন খৈয়াখালী এলাকা থেকে ৩০কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় মাদক পাঁচারের কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।

শনিবার রাতে সংকুচাইল-দৌলতপুর সড়কের খৈয়াখালী থেকে তাকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার খানারপাড় গ্রামের চৌধুরীপাড়ার মনজেল চৌধুরীর ছেলে মুজাহিদ চৌধুরী (২৯)।

জানা যায়, শবিার রাতে বাঙ্গরাবাজার থানার এসআই মোহাম্মদ হোসেন, হৃদয় পাল, সুমন সরকারের নেতৃত্বে একদল পুলিশের বিশেষ অভিযান চলাকালে সীমান্ত এলাকা কসবা/মাধবপুর থেকে একটি মাদকের চালান বাঙ্গরা থানা এলাকা দিয়ে নবীনগর যাচ্ছে এমন সংবাদেরর ভিত্তিতে পুলিশ সংকুচাইল-দৌলতপুর সড়কের খৈয়াখালী এলাকায় যানবাহনে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান চলাকালে ঢাকা মেট্রো-গ-২৬-১২১১, নাম্বারের সিলভার কালারের একটি প্রাইভেটকার তাদের চেকপোষ্ট অতিক্রম করার সময় পুলিশ তাদের গতিরোধের চেষ্টা করলে গাড়ি থামিয়ে চালক ও সাথে থাকা একজন আরোহী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ একজনকে আটক করতে সক্ষম হয় এবং প্রাইভেটকারটিতে তল্লাশী করে ৩০কেজি গাঁজা উদ্ধার পূর্বক গাড়িটি জব্দ করা হয়।

বাঙ্গরাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে রবিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গোল্ডেন বল ও বুট পাওয়ার রেসে যারা আলোচনায় থাকবেন

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:

আজ শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আয়োজন গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ। বিশ্বকাপে ট্রফি ছাড়াও বেশ কয়েকটি পুরস্কার বেশ মূল্যবান। সর্বোচ্চ গোলদাতা গোল্ডেন বুট ও টুর্ণামেন্ট সেরার পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় গোল্ডেন বল। বিশেষ করে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল পর্যন্ত পৌছতে পারা দলের খেলোয়াড়রাই বিগত বছরগুলোতে এসব পুরস্কার পেয়েছেন। আমরা আজ আলোচনা করবো সে সব খেলোয়াড়দের নিয়ে যারা গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুট পাওয়ার ক্ষেত্রে দাবিদার হয়ে উঠতে পারেন।

লিওনেল মেসি:

আর্জেন্টিনার ৩২ বছরের বিশ্বকাপ শিরোপা খরা ঘুচাতে ৩৫ বছর বয়সী লিওনেল মেসির জন্য সম্ভবত এটাই শেষ সুযোগ। টানা ৩৬ ম্যাচে অপরাজিত থাকা দলটি আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিশ্বকাপে এসেছে। আর্জেন্টিনার দলের মূল প্রাণ ভোমরা এই লিওনেল মেসি। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেও শিরোপা ছুয়ে দেখার সুযোগ হয়নি মেসির। তবে টুর্ণামেন্ট সেরা হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছিলেন। চলতি বছর ফর্মটা বেশ ভালই যাচ্ছে মেসির। যেহেতু তিনি জাতীয় ও ক্লাব পর্যায়ে নিজেই অসংখ্য গোল করে যাচ্ছেন এবং গোল করতেও সহায়তা করে থাকেন নিয়মিত। সেই বিবেচনায় এই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা যদি সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালে পৌছতে পারে অথবা চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায় তাহলে মেসির হাতেই উঠতে পারে গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুটের পুরষ্কার। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা কাপে মেসি গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুট দুটিই পেয়েছিলেন। মেসি জাতীয় দলের হয়ে এ পর্যন্ত ১৬৪ ম্যাচে ৯০ গোল করেছেন। তাই শেষ বিশ্বকাপটা নিজের করে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টাই করবেন গ্রহের অন্যতম এই ফুটবলার।

নেইমার:
সম্প্রতি নেইমার বলেছেন- এটা তার শেষ বিশ^কাপ হিসেবেই খেলবেন। যদিও বয়স ৩০ । আরেকটি বিশ^কাপ খেলতেই পারেন। তবে ঘন ঘন ইনজুরি ও বির্তকিত কর্মকান্ডে নেইমারের স্বাভাবিক খেলায় বেশ ব্যাঘাত ঘটে। সম্প্রতি চমৎকার ফর্মে আছেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ভবিষ্যতে কি হয় তা কেউই বলতে পারে না। তাই এই বিশ^কাপে বিশেষ কিছু করতে চান নেইমার। দলটিও বেশ ভারসাম্য। নেইমার জাতীয় দলের হয়ে ১২১ ম্যাচে ৭৫ গোল করেছেন। এই বিস্ময়কর খেলোয়াড়ের এখনো বিশ্বকাপটা ছুঁয়ে দেখা হয়নি। তাই এবার হয়তো সামর্থ্যরে সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবেন নেইমার। নিজে গোল করা ও সতীর্থদের দিয়ে অহরহ গোল করাতে পারদর্শী নেইমার এই বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট ও গোল্ডেন বল পাওয়ার অন্যতম দাবিদার।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো:
বয়স প্রায় ৩৮ ছুই ছুই। এই বয়সে অন্যরা বুটজোড়া তুলে রেখে কোচিং বা অন্যদিকে নজর দেয়। কিন্তু সেখানে ব্যতিক্রম ৫ বার ব্যালন ডি’অর জয়ী পর্তুগাল তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো । সুঠাম দেহের অধিকারি রোনালদোর গতি কিছুটা কমে গেলেও গোল করার ক্ষুধা এখনো কমেনি। নিয়মিত গোল করেই যাচ্ছেন। জাতীয় দলের হয়ে ১৯১ ম্যাচে তার মোট গোল ১১৭টি। বিপক্ষের গোলপোস্টে এখনো আতংকের নাম এই রোনালদো । দল যদি কোয়ার্টার কিংবা সেমিফাইনালে পৌছতে পারে তাহলে রোনালদো হয়ে উঠতে পারেন গোল্ডেন বুটের অন্যতম দাবিদার।

কিলিয়ান এমবাপ্পে:
২৩ বছর বয়সী ফ্রান্সের এই ফরোয়ার্ড ২০১৮ বিশ^কাপে তার চমক দেখিয়েছেন। তার দুরন্ত গতির কাছে হিমশিম খেয়েছে পৃথিবীর সেরা সেরা রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রাও। প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদও পেয়েছেন তরুণ বয়সে। এটা তার দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়েও রয়েছেন ভালো ফর্মে। তাকে নিয়ে নিশ্চয়ই আলাদা ক্লাস করছেন বিপক্ষ দলের কোচ ও রক্ষণভাগ। দুরন্ত গতি, অসাধারণ স্কিল ও গোল করার চরম ক্ষুধাই এ বিশ্বকাপে তাকে আরো সাফল্য এনে দিতে পারে। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এমবাপ্পে থাকবেন বেশ জোরালোভাবেই। এমবাপ্পে ফ্রান্সের হয়ে ৫৯ ম্যাচে ২৮ গোল করেছেন।

ডি মারিয়া:
৩৪ বছর বয়সী ডি মারিয়া মূলত ফরোয়ার্ড হলেও তিনি দলটির অন্যতম প্লে-মেকার। মিডফিল্ডেও রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কোপা আমেরিকা ও ফিনালিসিমা ট্রফি জয়ে ডি মারিয়া রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। দুটি ম্যাচেই ডি মারিয়া গোল করেছেন। কোপা আমেরিকার ফাইনালের খেলা খেলোয়াড়ও হয়েছেন ডি মারিয়া। এই বিশ্বকাপেও মেসির পর ডি মারিয়াই আর্জেন্টিনার অন্যতম ভরসা। গোল করা ও গোল করাতে সহায়তায় ডি মারিয়া বেশ সফল। ডি মারিয়া জাতীয় দলের হয়ে ১২৪ ম্যাচে ২৭ গোল করেছেন। আর্জেন্টিনা যদি ফাইনালে উঠে ডি মারিয়া যদি ইনজুরিতে না পড়েন তাহলে গোল্ডেন বলের অন্যতম দাবিদার হয়ে উঠবেন এই প্লে-মেকার।

হ্যারি কেন:

২৯ বছর বয়সী ইংল্যান্ডের এই স্ট্রাইকারের এটা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে ৬ গোল করে জিতে নিয়েছিলেন গোল্ডেন বুট। এবারও তারকা ঠাসা ইংলিশদের অন্যতম ভরসা এই হ্যারি কেন। এই বিশ্বকাপেও গোল্ডেন বুটের রেসে ভালভাবেই থাকবেন এই গোলমেশিন। ইংল্যান্ডের হয়ে ৭৫ ম্যাচে ৫১ গোল করেছেন এই স্ট্রাইকার।

লুকা মদরিচ:
বয়সটা ৩৭, তারপরেও ক্রোয়েশিয়া ও রিয়াল মাদ্রিদের মাঝমাঠের অন্যতম সেনাপ্রধান এই মিডফিল্ডার। গত বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়াকে তুলেছিলেন ফাইনালে। কিন্তু বিশ^কাপ জয় অধোরাই থেকে যায় মদরিচদের। তবে আসরের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল ঠিকই পেয়েছিলেন এই মিডফিল্ডার। ক্রোয়েশিয়ার হয়ে ১৫৪ ম্যাচে ২৩ গোল করেছেন এই স্ট্রাইকার। এই আসরেও গোল্ডেন বল পাওয়ার লড়াইয়ে থাকবেন লুকা মদরিদ।

লাওতারো মার্টিনেজ:
২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার ইন্টারমিলান ও জাতীয় দলের হয়ে নিয়মিত গোল করে যাচ্ছেন। মেসি ও ডি মারিয়ার বলের যোগান পেলে গোল করতে কাপর্ণ্য করেন না এই ফরোয়ার্ড। তিনি জাতীয় দলের হয়ে ৪০ ম্যাচে ২১ গোল করেছেন। জীবনের প্রথম বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের রেসে ভালভাবেই থাকবেন লাওতারো।

লুইস সুয়ারেজ:
৩৫ বছর বয়সী উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকারের এটাই শেষ বিশ্বকাপ। বার্সা ও অ্যাথলেটিকোর সাবেক এই ফরোয়ার্ড এখনো বিপক্ষের গোলপোস্টে এক আতংকের নাম। শেষ বিশ^কাপে নিজের মত করে খেলতে চাইবেন এ স্ট্রাইকার, তাতে কোন সন্দেহ নেই। সুয়ারেজ জাতীয় দলের হয়ে ১৩৪ ম্যাচে ৬৮ গোল করেছেন। এবারের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের রেসে অন্যতম দাবিদার সুয়ারেজ।

কেভিন ডি ব্রুইন:
৩১ বছর এই মিডফিল্ডার ম্যানসিটি ও বেলজিয়ামের মাঝমাঠের অন্যতম ভরসা। বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডারও তিনি। জাতীয় দলের হয়ে ৯৩ ম্যাচে ২৫ গোল করেছেন এই প্লে-মেকার। এই বিশ^কাপে বেলজিয়াম টিমের সাফল্যের অনেকটাই নির্ভর করবে ডি ব্রুইনের উপর। দলটির সবাই আছেন দারুণ ফর্মে। তাই সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনাল পর্যন্ত পৌছতে পারলে কেভিন ডি ব্রুইনের হাতে উঠতে পারে গোল্ডেন বলের পুরষ্কার।

রবার্ট লেওয়ানডস্কি:
৩৪ বছর বয়সী পোল্যান্ড ও বার্সার এই স্ট্রাইকার বিগত কয়েক বছর ধরে নিজেকে গোল মেশিন রুপে আর্বিভূত করেছেন। জাতীয় দলের হয়েও ভাল ফর্মে রয়েছেন। ১৩৪ ম্যাচে করেছেন ৭৬ গোল। এই বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের রেসে প্রথম দিকেই থাকবেন লেভা।

এছাড়া নেদারল্যান্ডের স্ট্রাইকার মেম্ফিস ডিপেই, ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার জুডে বেলিংহাম, স্ট্রাইকার ফিল ফোডেন, ওয়লেসের ফরোয়ার্ড গ্যারেথ বেল, ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড উসমান দেম্বেলে, স্পেনের ফরোয়ার্ড আলভারো মোরাত্তা, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ড এডেন হ্যাজার্ড, ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড রিচার্লিসন, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র চমক দেখাতে পারেন।

নোয়াখালীতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার ৪

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা এলাকা থেকে অস্ত্রধারী ৪ যুবককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। এ সময় তাদের হেফাজত হতে ১ টি এলজি, ১ টি পাইপ গান ও ১ টি ১২ বোর গুলি উদ্ধার করা হয়।

রোববার (২০ নভেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় র‍্যাব-১১। এর আগে, শনিবার ১৯ নভেম্বর রাতে উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, বেগমগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের টুক্কা মিয়ার বাড়ির মো.আব্দুর রহিমের ছেলে মো. আব্দুল হান্নান (২৫), একই ইউনিয়নের নাদেরুজ্জামান মহুরী বাড়ীর মৃত আবুল বাশারের ছেলে মো.ইমাম হোসেন ওরফে দুখু (২২), চৌমুহনী পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের কাজী বাড়ির মৃত নুর ইসলামের ছেলে মো.আব্দুর রহমান (২২) ও ইনা বলিগো বাড়ির মো.আবুল খায়েরের ছেলে মো.সাইফুল ইসলাম ওরফে সুজন (২৫)।

র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্রধারী ওই সন্ত্রাসীদের ১ টি এলজি, ১ টি পাইপ গান ও ১ টি ১২ বোর গুলিসহ গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, আসামি এলাকায় মারামারি, দাঙ্গা-হাঙ্গামা সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বেগমগঞ্জের ইউএনও শামছুন নাহারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ,অবশেষে বদলি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামছুন নাহারের বিরুদ্ধে নানাঅনিয়ম, দুর্নীতি করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত ও ব্যাংক এবং ব্যক্তির মাধ্যমে অন্যত্র টাকা পাচার সহ এন্থার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী জানায়, সাধারণ মানুষের সাথে দূর্ব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ইউএনও’র নানা অনৈকিত কর্মকান্ড এখন টক অব দ্যা নোয়াখালীতে পরিণত হয়েছে।

ইউএনওর এমন কর্মকান্ডে বিব্রত খোঁদ প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলও। ইউএনওর এসব দুর্নীতি, অনিয়মের তদন্ত ও আয়ের উৎস খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছে এলাকাবাসী।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে ইউএনও শামসুন নাহারের বদলির খবরে স্থানীয় এলাকাবাসী মিষ্টি বিতরণ করেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মিরা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাত্র দুই মাসেই উএনও শামছুন নাহার বেগমগঞ্জ থেকে অর্ধ কোটি টাকাপাচার করেছেন। তিনি বিগত ১৩-৯-২০২২ইং তারিখে পিআইও অফিসের ওয়ানব্যাংক চৌমুহনীশাখার একাউন্ট থেকে দুটি চেকের মাধ্যমে প্রথমে ১৫ লাখ পরে আরো ৩ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। গত ২৯-৯-২০২২ইং তারিখে ১০ লাখ ও ৩০-১০-২০১০ ইং তারিখে আরো ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন করেন অফিসের স্টাফের মাধ্যমে। এ সব টাকাঅফিসের এক স্টাফের আইডিকার্ড ব্যবহার করে ওয়ান ব্যাংক চৌমুহনীশাখা থেকে উত্তোলন করে যমুনা ব্যাংক চৌমুহনী শাখার মাধ্যমে কুমিল্লার নাঙ্গলকোর্টে প্রেরণ করেন বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে লাঙ্গলকোর্টের আধুনিক ডায়াগনেষ্টিক সেন্টার, একাউন্ড নং-১১৯-০২১০০০৩২০৬, যমুনা ব্যাংক, নাঙ্গলকোর্ট শাখা ও পাটোয়ারী জেনারেল হাসপাতাল , একাউন্ট নং-২০৫০৪৪৮০১০০০০০৩০৬, ইসলামীব্যাংক, নাঙ্গলকোর্ট শাখা ব্যবহার করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামছুন নাহার বিগত ২বছরে বেগমগঞ্জ থেকে কয়েক কোটি টাকা পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পাচারকৃত এসব টাকা দিয়ে ইউএনও শামছুন নাহার নিজের বাবার নামে ঢাকারমিরপুর-১৪ এ বাড়ি করছেন বলেও সূত্র জানিয়েছে।
এছাড়াও উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে আনসার সদস্যদের জন্য ভবননির্মানে রজন্য ২১ লাখ টাকা বরাদ্ধ হলেও ভবনের ছাদ, পিসিরুম ও অস্ত্রগার নির্মাণ না করে নাম মাত্র ভবন করে টাকাআত্মসাতকরেন।

অফিসের বই কিনার নামে টাকাআত্মসাত, এডিবির, টিআর, কাবিটাপ্রকল্প ও ১ পার্সেন্টের টাকা ইউনিয়ন পরিষদের নামে সুষম বন্টন না করে টাকাআত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে ইউএনওর বিরুদ্ধে।

একাধিক বিশ্বস্থ সূত্র আরো জানায়, ইউএনও শামছুন নাহারের বিরুদ্ধে ভূমিহীনদের জন্য মুজিববর্ষের ঘর নির্মাণে অনিয়ম, ইট ভাটার মালিকদের থেকে মোবাইল কোর্টের ভয় দেখিয়ে ইট ও টাকা আদায়, উপজেলাপরিষদ ভবনের পূর্ব পাশে একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের ভবণ নির্মাণে ১১ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেখিয়ে নাম মাত্র কাজ করে টাকা আত্মসাত, বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা টুর্নামেন্টের নামে মাত্র একটি খেলার আয়োজন করে মোটা অংকের টাকা আত্মসাত,বিভিন্ন দিবসের নামে টাকাআদায় ও খরচের নামে টাকাআত্মসাত, ২০২১-২২ অর্থ বছরে জেলা প্রশাসক উপজেলা পরিষদের পার্ক, মাঠ ভরাট ও পুকুরের গাইড ওয়াল নির্মানের নামে একাধিক প্রকল্প দিয়ে মোটা অংকের টাকাআত্মসাত, তছাড়া প্রতিটি ঘর বাবদ ঘরের মালিক অসহায়দের কাছ থেকে ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা আদায় করা। ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে এডিপি থেকে ৪টি প্রকল্প নিয়ে দুঃস্থ মহিলাদের জন্য সেলাই মেশিন ক্রয় দেখিয়ে টাকা আত্মসাত, বেগমগঞ্জ স্টেডিয়ামে চেয়ার সরবরাহের নামে টাকাআত্মসাত, উপজেলা কালচালার একাডেমির বিভিন্ন সংস্কার কাজের নামে টাকাআত্মসাত। ২০২০-২১ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে অধীন ৩০০টি চাদর ক্রয়ের নামে টাকা আত্মসাত, উপজেলা পরিষদ হল রুমের সংস্কার কাজের নামে টাকাআত্মসাত, ইউএনও নিজের বাসায় সংস্কারের নামে একাধিক প্রকল্প দেখিয়ে নামমাত্র কাজ করে মোটা অংকের টাকাআত্মসাত করেন। উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বার্ষিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার জন্য মোটা অংকের টাকা বরাদ্ধা দেয়া হয়। ইউএনও নামমাত্র কর্মশালা দেখিয়ে বাকি টাকাআত্মসাত করেন। ইউএনও শামছুন নাহারের এমনঅনিয়ম ও দূর্নীতি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী, ইউনিয়নপরিষদের চেয়ারম্যান, বিভাগীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষ উপজেলায় সেবা নিতে গেলেও তাদের সাথেও দূর্ব্যবহার করা হয়। এ নিয়ে জনমনেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুন্ন হচ্ছে সরকারের ভাবমূর্তিও । যে কোন সময় দেখাদিতে পারে জনবিষ্পোরণ । ইউএনও শামছুননাহারের এসব অনিয়ম, দূর্নীতি ও টাকা আত্মসাতের বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ চেয়েছে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী।

বেগমগঞ্জ উপজেলা ক্রীড়াসংস্থার কোষাধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন জন্টু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজ ৯-১০ বছর কমিটিতে আছি। আমি কোষাধ্যক্ষ হিসেবে কিছুই জানিনা। কোন মিটিংও হয়না। কত টাকা সংস্থার জন্য বরাদ্ধ হয়, বা খরচ হয় কিছই আমাদের জানানো হয়না।

নোয়াখালী জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আজিজুল বাশার স্বপন জানান, আমরা এমনিতেই উপজেলার যে কোন বিষয়ে সহযোগীতা করে থাকি। কিন্তু চাপ প্রয়োগ করে কেউ কিছু করতে চাইলেতা আমরা সহ্য করার কথা নয়। তিনি নানা অজুহাতে আমাদের ইট ভাটা মালিকদের কাছ থেকে ইট আদায় করেন। না দিলে হুমকি দেন।

বেগমগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সাবেক সভাপতি আমান উল্যাহপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আরিফুর রহমান মাহমুদ আরিফ জানান, আমরা ইউএনও শামছুন নাহারের অনিয়ম ও দূর্নীতির প্রতিবাদ করা য়ওনার রোষালনে পড়েছি। আমার বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদ মিটিংয়ে রেজুলেশন করা হয়েছে। ইউএনও’র দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত করতে তিনি নেপথ্যে কাজ করছেন। যে কেউ ইউএনও’র বিরুদ্ধে কথা বলেছে, সেই রোষানলে পড়েছে।

বেগমগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি আবেদ সাইফুল কালাম ও সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন জানান, বেগমগঞ্জের ইতিহাসে এমনই উএনও আমরা দেখিনি। তিনি নিজে সব কিছু করতে চান। টাকা ছাড়া কিছুই বুঝেননা। আমাদের চেয়ারম্যানদের সাথে দূর্ব্যবহার করেন। প্রকল্পের টাকা আত্মসাত করেন। যা আমরা ডিসি মহোদয়কে জানিয়েছি। আমরা সবাই ডিসি মহোদয়ের সাথে দেখা করেছি। তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন। বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামছুন নাহারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার ডিপার্টমেন্ট আছে ওনারা দেখবেন। মিডিয়া রকাছে আমি কিছু বলতে বাধ্য নহে। বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের মনমানসিকতার লোকেরা সাপ্তহিক অপরাধ বিচিত্রাসহ ফেসবুকে ভাইরাল করছে ও অপ্রপচার চালাচ্ছে আমি এর তীব্রনিন্দা জানাচ্ছি।

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দুর্নীতির বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। ইতিমধ্যে সে বদলি হয়ে গেছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সে এখানে অনেক দিন কাজ করেছে এ জন্য বদলি করা হয়েছে।

ঢাকায় যে কারণে নাচেননি নোরা ফাতেহি

 

বিনোদন ডেস্কঃ

নাচের জন্যই বলিউডে খ্যাতি পেয়েছেন যে নোরা ফাতেহি, বাংলাদেশে এসে মঞ্চে সেই নাচই করেননি তিনি। শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ সফরে আসেন বলিউডের এ নৃত্যশিল্পী। অংশ নেন উইমেন লিডারশিপ করপোরেশন আয়োজিত গ্লোবাল এচিভার্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২-এ।

শনিবার অনুষ্ঠান শেষে বিকালে বাংলাদেশ ছাড়ার কথা থাকলেও কাতার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ভোর ৪টায় বাংলাদেশ ত্যাগ করেন জনপ্রিয় এ বলিউড স্টার।

এর আগে শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছে ঢাকায় লা মেরিডিয়ান হোটেলে বিশ্রাম নেন নোরা। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও তিনি মঞ্চ আলোকিত করেন রাত সাড়ে ৯টায়।

এ সময় উড়ন্ত চুমু দর্শকের উদ্দেশে ছুড়ে দিয়ে সবাইকে ধন্যবাদ জানান ‘গরমি গার্ল’খ্যাত নোরা। এ মঞ্চে এসে নিজেকে অনেক ভাগ্যবান বলে মনে করেন বলিউড গ্লামারস গার্ল নোরা। নারীকেন্দ্রিক এ অনুষ্ঠানে আসার সুযোগ থাকলে আবারো এমন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চান তিনি।

অনুষ্ঠানে অংশ নিলেও মঞ্চে নাচে অংশ নেননি তিনি। এ কারণে অনেক দর্শককেই হতাশ হতে দেখা যায়।

আয়োজক সূত্র জানায়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে তাদের অনুমতি দেওয়ার সময়ই বলে দেওয়া হয়েছিল- শুধু তথ্যচিত্রের শুটিং হবে, কোনো পরিবেশনায় অংশ নিতে পারবেন না নোরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাদের বলা হয়েছিল, নোরা যেন না নাচেন।

এ বিষয়ে ইশরাত জাহান মারিয়া বলেন, ‘সরকারি প্রজ্ঞাপনে নোরার পারফর্ম করার পারমিশন ছিল না। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তা ছাড়া তিনি ৭ ঘণ্টা জার্নি করে এসেছেন। অনেক ক্লান্ত ছিলেন। এ অবস্থায় আমাদেরও তাকে কিছু বলার ছিল না।’