All posts by jitu

উন্নত সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক দেশ গড়তে ধানের শীষকে বিজয়ী করুন: ড.মোশাররফ

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, কুমিল্লা-১(দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনের প্রার্থী, মুক্তিযোদ্ধা ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ধানের শীষে ভোট দিয়ে জনগণ কখনও প্রতারিত হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না। বিএনপি জনগণের কাছে পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক দল। মানুষ বিএনপির ওপরই বেশি ভরসা করে। কারণ এই দলটির বিগত দিনের কর্মকাণ্ড মানুষের ভালোবাসায় সমৃদ্ধ। একটি উন্নত সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক দেশ গড়তে হলে ধানের শীষকেই বিজয়ী করুন।

তিনি বলেন, ধানের শীষ জিতে গেলে প্রকৃতঅর্থে জনগণই জিতে যাবে। আগামী উন্নয়নের স্বপ্নসারথি তারেক রহমান এই দেশের মানুষের কল্যাণে তাঁর স্বপ্নময় ভাবনাগুলো বাস্তবে রূপ দিতে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবেন।

বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ড.মোশাররফ আজ সোমবার দাউদকান্দির উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠ ও চৌমুহনী বাজার বালুর মাঠে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ এবং পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গত ১৬ বছরে অনুষ্ঠিত জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে জনগণের অংশগ্রহণ ছিলো না। ফলে মানুষের আশা ভরসার প্রতিফলন ঘটেনি। বর্তমান বাংলাদেশে ধানের শীষের গণজোয়ার।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে জনগণ বিপুল ভোটে বিএনপির প্রার্থীকেই নির্বাচিত করবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন উৎপাদনে নতুন জাগরণ ঘটানোর জন্য বিপুল ভোটে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য ড.খন্দকার মোশাররফ ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

পথসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নে ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিকল্প নেই। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তিনি অসমাপ্ত সকল উন্নয়ন সম্পন্ন করবেন। বিএনপি জনগণের আপদকালীন সময়ে সর্বদাই জনগণের পাশে ছিলো। দেশের মানুষকে বিপদে ফেলে রেখে কখনো বিএনপি নেতারা বিদেশে পালিয়ে যায়নি। জাতীয় স্বার্থরক্ষায় ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচন অতীব গুরুত্বপূর্ণ। দাউদকান্দি- মেঘনা ও তিতাস উপজেলার উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা ধানের শীষের প্রার্থী ড.খন্দকার মোশাররফকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান। ২টি পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব আবুল হাশেম চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা এম এ লতিফ ভূইয়া, জসিমউদ্দিন আহমেদ,এনামুল হক সফর তালুকদার, সাবেক ইউপি মাজহারুল হক মানিক, স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

এদিকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড খন্দকার মারুফ হোসেন আজ সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সুন্দলপুর ও বারপাড়া ইউনিয়নের ১২ টি স্পটে গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। এই সময় দাউদকান্দি উপজেলা ও স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন -পেশার প্রচুরসংখ্যক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত ছিলেন।

বাড়ল এলপিজির দাম

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ১২ কেজি এলপিজির দাম ৫০ টাকা বাড়ায় সংস্থাটি। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে।

একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে অটো গ্যাসের দামও।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা থেকে ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৪ জানুয়ারি সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

কুমিল্লায় র‌্যাব-১১ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় মাদকবিরোধী পৃথক দুটি অভিযানে ১৭৪ বোতল বিদেশি মদ, ১৮ ক্যান বিয়ার ও ১৮ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১১।

র‌্যাব-১১ সূত্র জানায়, গত ১ ফেব্রুয়ারি রাতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন জগন্নাথপুর ইউনিয়নের গাজীপুর ও অরণ্যপুর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সেখান থেকে ১৭৪ বোতল বিদেশি মদ ও ১৮ ক্যান বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

অপরদিকে, একই দিন দুপুরে কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমড়াতলী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর এলাকায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে মো. সাকিব (১৯) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ১৮ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত মো. সাকিব কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার বামইল গ্রামের মো. লিটনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রি করে আসছিলেন।

র‌্যাব-১১ জানায়, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

একটি দল ধর্ম সম্পর্কে অপব্যাখ্যা দিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করছে: ড. মোশাররফ

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, কুমিল্লা-১(দাউদকান্দি – মেঘনা) আসনের প্রার্থী, মুক্তিযোদ্ধা ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, একটি দল ‘৭১-এ স্বাধীনতার চরম বিরোধিতা করেছে। এখন ক্ষমতায় যাবার স্বপ্নে বিভোর। তারা পবিত্র ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে অপব্যাখ্যা দিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করছে। তাদেরকে ভোট দিলে শেষ বিচারে পুরস্কার পাওয়া যাবে বলে প্রচারণা চালাচ্ছে। যা আমাদের পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী, ইসলাম ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক।

তিনি আজ রবিবার সন্ধ্যায় দাউদকান্দি পৌর সদরের তুজারভাঙ্গায় গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে এইসব কথা বলেন।

ড.মোশাররফ বলেন, দেশের  উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বিএনপি এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোনো বিকল্প নেই। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই দেশ দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। সবাই মিলে দেশ গড়তে আগামী ১২ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করতে তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ড.মোশাররফ বলেন, কৃষক,শ্রমিক,মেহনতী মানুষ ও দরিদ্র পরিবারকে নানামুখী রাষ্টীয় সহায়তা দিতে কৃষি কার্ড,ফ্যামিলি কার্ড প্রদান এবং শিক্ষিত বেকারদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে  তারেক রহমান সুদুরপ্রসারি পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন। ইতোমধ্যে তিনি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের জন্য ৩১দফা সংস্কার প্রস্তাবনা জাতির কাছে তুলে ধরেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তাঁর গৃহীত এইসব গণমুখি কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

বিএনপির প্রবীণ নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ  দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে জনগণ বিপুল ভোটে বিএনপিকে নির্বাচিত করবে। বিএনপি জনগণের কাছে একটি পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক দল। মানুষ সেই দলের ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত। বিএনপির  দেশ পরিচালনার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। অতীতে ক্ষমতায় থাকাকালে দেশ ও জনগণের উন্নয়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছে। দলটি যখনই ক্ষমতায় ছিলো, মানুষ সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে, নিরাপদে ছিল। তাই ধানের শীষে ভোট দিতে মুখিয়ে আছে। আমার দৃঢ় আশাবাদ, আগামী নির্বাচনে জনগণ বিপুল ভোটে বিএনপির প্রার্থীদের নির্বাচিত করবে।

গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মারুফ হোসেন। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের সাবেক প্রভাবশালী  মন্ত্রী ডখন্দকার মোশাররফ হোসেন দাউদকান্দি পৌরসভা,দাউদকান্দি, তিতাস ও মেঘনা উপজেলায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছেন। অথচ ১৬ বছরে এইসব এলাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি। ধানের শীষে ভোট দিন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে ইনশাআল্লাহ ড.মোশাররফ সন্মানিত স্থানে থাকবেন এবং ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকার অসমাপ্ত কাজগুলো তিনি সম্পন্ন করবেন।

দাউদকান্দি পৌর বিএনপির ৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাজী মোস্তফা ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, পিটার চৌধুরী, কাউছার আলম সরকার, আব্দুস সাত্তার, মামুন হোসেন ভূঁইয়া, ভিপি সাহাবুদ্দিন ভূঁইয়া, শরীফ চৌধুরী, সচিব রোমান খন্দকার, রাসেল মিয়া, মোল্লা সোহেল, মো.পাভেল প্রধান প্রমুখ।

এদিকে প্রচারণার ১১তম দিনে আজ রোববার দাউদকান্দি পৌরসভার

বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বক্তব্য দেন। প্রচারণায় জনতার স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে মুখর ছিলো পুরো এলাকা। এই সময় পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ভোট যেন হয় আস্থার উৎসব, আতঙ্কের নয়: ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হান

স্টাফ রিপোর্টার:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত আসন ঢাকা-১৭-এ সংসদ সদস্য প্রার্থী তপু রায়হান সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বিস্তারিত মতবিনিময় সভা করেছেন।

রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এ সভায় তিনি তার রাজনৈতিক দর্শন, উন্নয়ন ভাবনা, নির্বাচনী অবস্থান এবং ঢাকা-১৭ আসনের নাগরিক সমস্যাগুলো নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দেন।

মতবিনিময়ের শুরুতেই তপু রায়হান বলেন, “ঢাকা-১৭ কেবল একটি ভোটকেন্দ্র বা নির্বাচনী এলাকা নয়—এটি শহীদ জহির রায়হান, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও আধুনিক নগরজীবনের ইতিহাস বহন করে। এই এলাকার মানুষের প্রত্যাশা তাই স্বাভাবিকভাবেই বেশি। আমি রাজনীতিতে এসেছি ক্ষমতা বা সুবিধার জন্য নয়, বরং দায়িত্ববোধ থেকে।”

তিনি বলেন, তার পিতা শহীদ জহির রায়হানের মুক্তচিন্তা, গণতন্ত্র ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের স্বপ্নই তার রাজনৈতিক পথচলার মূল অনুপ্রেরণা। এই উত্তরাধিকার শুধু স্মৃতির নয়, বরং দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতার—এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকা-১৭: সমস্যা ও সম্ভাবনার সমীকরণ
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তপু রায়হান ঢাকা-১৭ আসনের বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো তথ্যভিত্তিকভাবে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বনানী, গুলশান ও ক্যান্টনমেন্ট-সংলগ্ন এই আসনে প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষের যাতায়াত থাকলেও পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনার ঘাটতি প্রকট।

তার ভাষায়, “যানজট ও জলাবদ্ধতা শুধু দৈনন্দিন ভোগান্তির কারণ নয়—এগুলো বছরে বিপুল কর্মঘণ্টা নষ্ট করছে এবং অর্থনীতিতে বড় ক্ষতির জন্ম দিচ্ছে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অনিয়ন্ত্রিত আবাসন ব্যবস্থা, নাগরিক নিরাপত্তা ঝুঁকি, সরকারি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য এবং তরুণদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের অভাব ঢাকা-১৭ আসনের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

নির্বাচিত হলে তিনি এলাকাভিত্তিক সমন্বিত উন্নয়ন মাস্টারপ্ল্যান, স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশনের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়, প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, এবং দীর্ঘমেয়াদি ড্রেনেজ পরিকল্পনার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি নাগরিক সেবাকে ডিজিটাল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সংসদীয় নজরদারি জোরদারের প্রতিশ্রুতিও দেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অবস্থান
দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তপু রায়হান বলেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া আমার দুর্বলতা নয়—এটাই আমার শক্তি। আমি কোনো দলীয় বলয়ের নির্দেশে নয়, মানুষের বিবেকের নির্দেশে কথা বলতে চাই।”

তার মতে, সংসদে ঢাকা-১৭ আসনের নাগরিক সমস্যা তুলে ধরতে স্বাধীন কণ্ঠই সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের আস্থা ও অংশগ্রহণই তার রাজনীতির মূল ভিত্তি।

শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সংগত নির্বাচনের আহ্বান
মতবিনিময় সভায় তপু রায়হান নির্বাচনী সহিংসতা, কালো টাকা ও পেশিশক্তির ব্যবহার পরিহার করে একটি শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও ন্যায়সংগত নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “ভোট যেন হয় আস্থার উৎসব—আতঙ্কের নয়।”

সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া
সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা ঢাকা-১৭ আসনের রাজনৈতিক বাস্তবতা, ভোটারদের মনস্তত্ত্ব, প্রচারণা কৌশল এবং ভবিষ্যৎ আইন প্রণয়নে তার ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলেন। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরে তপু রায়হান স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার রক্ষার বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের অনেকেই মন্তব্য করেন, ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার, নাগরিক সমস্যা সম্পর্কে বাস্তব উপলব্ধি এবং স্বাধীন রাজনৈতিক অবস্থান—এই তিনের সমন্বয় তপু রায়হানকে ঢাকা-১৭ আসনে একটি ব্যতিক্রমী ও আলোচিত প্রার্থী হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছে। জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এই আসনের ভোটের ফলাফল কেবল একজন প্রতিনিধিই নয়, বরং ভবিষ্যৎ নাগরিক রাজনীতির দিকনির্দেশও নির্ধারণ করতে পারে—এমন অভিমতও উঠে আসে।

গোল্ড’স জিম বাংলাদেশে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মিলনমেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে অবস্থিত অত্যাধুনিক গোল্ড’স জিমে শনিবার দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। যুবসমাজ ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘ডিনার উইথ দ্য স্টারস’ শীর্ষক একটি নেটওয়ার্কিং ইভেন্টের আয়োজন করে গোল্ড’স জিম বাংলাদেশ। বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির গোল্ড’স জিমের পুলসাইডে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে শতাধিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ফিটনেস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অংশ নেন। এ সময় গোল্ড’স জিম ও ক্রিয়েটরদের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চুক্তি হয়।

নিত্যদিন শুটিং কিংবা ভিডিও তৈরির কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের। সারা দিনের ক্লান্তি দূর করতে এবং শারীরিক ফিটনেস ঠিক রাখতে তাঁদেরও ছুটতে হয় জিমে ঘাম ঝরাতে। তাতে শরীরের সতেজতার সঙ্গে কর্মদক্ষতাও বাড়ে। তাই দেশের শতাধিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর বেছে নিয়েছেন গোল্ড’স জিম বাংলাদেশকে।

গত বছরের মে মাসে যাত্রা শুরু হওয়া দেশের সবচেয়ে বড় এবং পরিপূর্ণ জিম সেন্টারের চাহিদা দিনকে দিন শুধু বেড়েই চলেছে। ওয়ার্ক আউট সেন্টার, কার্ডিও সেশন সেন্টার, ক্রাউ থেরাপি, কোল্ড প্লাঞ্জ, জাকুজি পুল, হিমলয়ান সল্ট বাথসহ নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা দুটি সুইমিং পুল—সব মিলিয়ে আধুনিক ও অত্যাধুনিক সরঞ্জামের মিশেলে সুবিশাল স্থাপনা। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য জিম অত্যধিক কার্যকরী। এই ভাবনা থেকেই অত্যাধুনিক এই জিম তৈরি করেছে বসুন্ধরা গ্রুপ।

ইতালির বিখ্যাত কম্পানি টেকনোজিম থেকে আনা হয়েছে গোল্ড’স জিমের যাবতীয় সরঞ্জাম। আভিজাত্য ও চাকচিক্যে ভরা এই সরঞ্জামগুলো অভিজাত রোলস রয়েস গাড়ির সঙ্গে তুলনা করা চলে। লিমিটেড এডিশন হলেও যেটার মান অনেক উঁচুতে। এমন সরঞ্জাম যে কারোর নজর কাড়তে বাধ্য করবে। এখানে একসঙ্গে জিম সেশন করতে পারবে অন্তত ৮০০ জন।

দক্ষিণ এশিয়া তো বটেই, আয়তন ও আভিজাত্যে এশিয়ার মধ্যে এটি অন্যতম সেরা জিম সেন্টার। এই স্থাপনা তিনটি ফ্লোরে ভাগ করা। নিচতলায় অভ্যর্থনা কক্ষের সঙ্গে থাকছে ক্যাফেটেরিয়া। ডান পাশে ১০০ মিটারের সুইমিং পুল। দ্বিতীয় তলার পুরোটাই নারীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। তৃতীয় তলায় কার্ডিও এবং চতুর্থ তলায় ট্রেনিং জোন, যেখানে আছে স্কোয়াট র্যাক উইথ আ পুলআপ বার, অলিম্পিক বারবেল, ওয়েট প্লেটস, ফ্ল্যাট বেঞ্চ, ডাম্বেল, স্যান্ড ব্যাগ, রানিং মেশিন, রেসিস্ট্যান্ট ব্র্যান্ডসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি। এখানকার বাড়তি আকর্ষণ হিমালয়ান সল্ট বাথ। যে রুমে গিয়ে শ্বাস নিলে ফুসফুস পরিষ্কার করবে। যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে তাদের জন্য সল্ট বাথ ভীষণ কার্যকরী। জিমে ওয়ার্ক আউট করে সতেজ হতে পাশের পুলেই নেমে পড়তে পারবেন যেকোনো সদস্য। ২১ জন দক্ষ ট্রেইনার দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এই জিম সেন্টার। আধুনিক যন্ত্রপাতি ও দক্ষ ট্রেনার থাকলেই তো চলবে না, দিতে হবে উন্নত মানের সেবা। যেটা ছিল বসুন্ধরা গ্রুপের প্রথম ও একমাত্র চাহিদা। সেই চাহিদা মেটাতে গোল্ড’স জিম নিরন্তরভাবে কাজ করে চলেছে।

বৃহৎ এই জিম দেখে অবাক কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। কনটেন্ট ক্রিয়েটর সানজিদা রহমান বলেন, ‘আমি তো প্রথম দেখাতেই অবাক হয়েছি। এত বড় জিম! সব কিছু আছে এখানে। জিম করতে এসে সুইমিং, স্পা, বাথ—সব পাচ্ছি এখানে। আমাদের জন্য খুবই ভালো হবে। বসুন্ধরা গ্রুপকে ধন্যবাদ এই জিম তৈরির জন্য।’ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে নতুন পথচলার কারণ হিসেবে গোল্ড’স জিমের জেনারেল ম্যানেজার আনিসুল ইসলাম ববি বলেছেন, ‘ট্রাভেল ব্লগার হোক, ফুড হোক, ফিটনেস, লাইফস্টাইল কিংবা মেকআপ ব্লগার—ফিটনেস কিন্তু সবার জন্য। আমরা একেকজন একেক ব্লগারকে অনুসরণ করি। তাই আমরা সব ধরনের কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে নিয়েছি। সে ক্ষেত্রে সব ধরনের মানুষের কাছে আমরা গোল্ড’স জিমের খবর পৌঁছে দিতে পারব।’

তিতাসে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার তিতাসে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে তিতাস উপজেলায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উক্ত অভিযানে তিতাস উপজেলার শাহপুর এলাকা হতে ১টি একনলা বন্দুক এবং ৮টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নির্বাচন করতে পারবেন না কুমিল্লা-১০-এর বিএনপির প্রার্থী গফুর ভূঁইয়া

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থীতা ফিরে পেতে দায়ের করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে তার নির্বাচনে অংশগ্রহণের আর কোনো সুযোগ রইল না।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

গত ২২ জানুয়ারি প্রার্থিতা ফিরে পেতে মনোনয়নপত্র বাতিলের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে কুমিল্লা–১০ আসনে (নাঙ্গলকোট) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়ার রিট সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

এর আগে গফুর ভূঁইয়া দ্বৈত নাগরিক অভিযোগ করে ইসিতে আপিল করেছিলেন একই আসনে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের প্রার্থী কাজি নুরে আলম সিদ্দিকি। ১৮ জানুয়ারি এ নিয়ে শুনানির পর গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসি। পরে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসির এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন গফুর ভূঁইয়া।

কুমিল্লার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে একটি দেশীয় তৈরি শটগান ও কার্তুজসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শাহজাহান মিয়া (৫২) মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের বড়ূয়াকান্দি গ্রামের হাজী সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মধ্যরাতে মেঘনা আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী শাহজাহান মিয়ার নিজ বাড়িতে অভিযান চালায়।

এ সময় তার বসতবাড়ি থেকে একটি দেশীয় তৈরি শটগান ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে শাহজাহান মিয়াকে আটক করে মেঘনা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে মেঘনা থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাকে কুমিল্লা আদালতে প্রেরণ করা হবে।

আপিলও খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী

ডেস্ক রিপোর্ট:

হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগেও প্রার্থিতা টেকেনি কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর। তার করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।

এ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুন্সী।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আবেদনটি নাকচ করেছেন।

এর আগে, গত ২১ জানুয়ারি ঋণ খেলাপির অভিযোগে মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর করা রিট সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। পরে তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করেন।

ঋণখেলাপির অভিযোগে গত ১৭ জানুয়ারি কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলে ইসিতে আবেদন করেন ওই আসনে ১১ দলীয় জোটের এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।