All posts by jitu

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার থেকে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ যুবক আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ মোঃ বাহার উদ্দিন (৩১) নামে এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা থেকে ১৩ হাজার ২৮০ পিস ইয়াবা ও ৪৮৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ তাকে আটক করা হয়। এসময় মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।

আটককৃত যুবক লাকসাম উপজেলার পৈশাগী গ্রামের মোঃ জালাল উদ্দিনের ছেলে।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত প্রাইভেট কারের ভিতরে করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ঋণের চাপে যুবকের আত্মহ’ত্যা

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা থেকে রুবেল মজুমদার (৩৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ডের করিমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবক উপজেলার মধ্য মুছাপুর গ্রামের দিলিপ চন্দ্র মজুমদারের ছেলে। সে চৌমুহনী বাজারে একটি সেলুনে নরসুন্দরের কাজ করতো।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহিদুল হক রনি মরদেহ উদ্ধারের সত্যত্যা নিশ্চিত করে জানান, নিহত যুবক চেীমুহনীতে ভাড়া বাসায় থাকত। টাকা পয়সার ঋণগ্রস্ত হওয়াতে গাছের ডালে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

মিতু হত্যা: সাবেক এসপি বাবুলসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় তার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পিবিআইয়ের পক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানান, মিতু হত্যা মামলায় বাবুল আক্তারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় অভিযোগপত্র জমা দিয়েছি। সেই সঙ্গে মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।

এ মামলার তদারকি কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা জানান, মিতু হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব দিয়ে এ মামলার তদন্ত করা হয়েছে।

পিবিআই কখনো পেশাদারিত্বের বাইরে যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ড কেন সংঘটিত হয়েছে তা অনেকবার বলেছি। বাকিটা আদালতে বিচারের সময় পাওয়া যাবে। সব রকমের তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। আড়াই বছর তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। আমরা সাক্ষ্য প্রমাণ পেয়েছি কারা কারা জড়িত। বাবুল আক্তার কীভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িত তার তথ্য প্রমাণও পাওয়া গেছে।

এদিকে, পিবিআইয়ের হেফাজতে থাকার সময় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দাবি করে গত ৮ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলার আবেদন করেছেন বাবুল আক্তার। চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে মামলার আবেদন করেন তিনি। মামলাটি আদেশের অপেক্ষায় আছে।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। তবে দিন যত গড়িয়েছে মামলার গতিপথও পাল্টেছে। এক পর্যায়ে সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসে স্বামী বাবুল আক্তারের নাম। তদন্তে তার বিরুদ্ধেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পরে গত বছরের ১২ মে বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলার বাদী বাবুল আক্তারের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন। মামলায় বাবুল আক্তারকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। রিমান্ড শেষে প্রথমে আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার কথা থাকলেও পরে জবানবন্দি দেননি বাবুল। তারপর তাকে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়।

চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি মিতু হত্যার ঘটনায় তার বাবা মোশাররফ হোসেনের দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে পিবিআই। পিবিআই জানায়, একই ঘটনায় বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলার তদন্ত এগিয়ে নিতে মিতুর বাবা মোশাররফের মামলাটি চূড়ান্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। একই ঘটনায় দুটি মামলা চলতে পারে না। সম্প্রতি আদালত এটিকে ত্রুটিপূর্ণ উল্লেখ করেন। তাই আদালতের পর্যবেক্ষণ মেনে ও বিধিবিধান অনুসারে মিতুর বাবার দায়ের করা মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বাবুলের করা মামলাটির অধিকতর তদন্ত চলবে।

মিতু হত্যার ঘটনায় দুটি মামলাই তদন্ত করছেন পিবিআইয়ের পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক। এর মধ্যে বাবুল আক্তারের করা মামলাটির অধিকতর তদন্ত চলাকালে আদালতের আদেশে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি বাবুল আক্তারকে নিজের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আজ (১৩ সেপ্টেম্বর) বাবুলের করা মামলায় তার বিরুদ্ধেই চার্জশিট দেওয়া হলো।

নগরীর মোগলটুলি থেকে অপহরণকারী চক্রের দুই সদস্য আটক, অপহৃত যুবক উদ্ধার

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার নগরীর মোগলটুলি থেকে সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১১ এর সিপিসি-২ এর সদস্যরা। এসময় ওয়াকিল আহম্মেদ আপন (১৮) নামে অপহৃত যুবককে উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লা র‌্যাব-১১ এর সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, জনৈক শান্তা আক্তার ১১ সেপ্টেম্বর র‌্যাব অফিসে এসে মৌখিকভাবে জানান যে তার আপন ছোট ভাই ওয়াকিল আহম্মেদ আপন (১৮) গত ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় আনুমানিক সাড়ে ৬ টায় হাল্কা নাস্তা খাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। পরবর্তীতে, আনুমানিক রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মা-আঞ্জুমান আরা বেগমেরর মোবাইল নম্বরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি কল করে বলে যে, আপনার ছেলে আমাদের কাছে আছে। যদি আপনার ছেলেকে ফেরত পেতে চান তাহলে ৫০ হাজার টাকা আপনার ছেলের বিকাশ নম্বরে এখনি পাঠান ছেলেকে প্রাণে মেরে ফেলব। এর মধ্যে অপহরনকারীরা ভিক্টিমের আত্মীয়-স্বজনকে ফোন করে টাকার জন্য থ্রেড দিতে থাকে। টাকা প্রেরণ করতে লেট হওয়ায় ভিকটিমের হাত কেটে তারা হাতের ছবি পাঠায়।

পরবর্তীতে আমাদের পরামর্শ মোতাবেক তাদেরকে ১০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠানো হয় এবং বাকি টাকা অল্প সময়ের মধ্যে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়। তখন ভিকটিমের বোন ১০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠালে বিকাশের লেনদেনে বিশ্লেষণ করে আমরা অপহরণকারীদের লোকেশন শনাক্ত করতে সক্ষম হই। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই এবং একই সাথে সামবির (১৯) এবং বায়েজীদ হোসেন রিয়াদ (১৯) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।

উক্ত বিষয়ে কুমিল্লার কোতয়ালী থানায় তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাব-১১ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অপহরণ সংক্রান্ত অপরাধ দমনের লক্ষ্যে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইউনিভার্সেল কো-অপারেটিভ সোসাইটির চেয়ারম্যান জহিরুল কাইয়ুম গ্রেফতার

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কো-অপারেটিভ ব্যাংকের মাধ্যমে মানুষের কোাটি কোটি টাকা আত্মসাৎকারী কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামী ইউনিভার্সেল কো-অপারেটিভের চেয়ারম্যান জহিরুল কাইয়ুম জহিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই কামরুজ্জামাদের নেতৃত্বে মোবাইল ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে গত সোমবার দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অন্তত ৬টি মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় আদালত কর্তৃক ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি।

পুলিশ জানায়, গত দশ বছর ধরে পলাতক রয়েছে সে। আটককৃত জহিরুল কাইয়ুম চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের পদুয়া খামার পুস্কুরনী গ্রামের মৃত মাষ্টার মীর আহাম্মদের ছেলে।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভরঞ্জন চাকমা জানান, দীর্ঘ বছর ধরে পলাতক থাকা সাজাপ্রাপ্ত আসামী জহিরুল কাইয়ুমকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ আগষ্ট) আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবলীগের ঘোষিত কমিটি ঘিরে বির্তকের ঝড়

 

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:
দীর্ঘ ২৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ১০ সেপ্টেম্বর রাতে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পদপ্রাপ্তিদের নিয়ে যেমন অভিনন্দনের বার্তা প্রকাশ হচ্ছে, তেমনি ত্যাগি পদবঞ্চিতদের সমর্থকরা নেতিবাচক মন্তব্য করছেন।
মাঠ পর্যায়ের ত্যাগি নেতাদের বাদ দিয়ে হত্যা মামলার আসামি, স্থানীয় নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী ও বেশিরভাগ নিস্ক্রিয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ঘোষিত এ যুবলীগ কমিটি নিয়ে জেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড় এখন তুঙ্গে।

এত বছর পর নতুন কমিটি হল, সমালোচনা কেন হচ্ছে ? স্থানীয় ত্যাগি নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রকৃত মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এ কমিটিতে স্থান পায় নি। ঘোষিত কমিটিতে স্থান পাওয়াদের মধ্যে কয়েকজন ছাড়া বেশিরভাগই মাঠে নিস্ক্রিয় ছিলেন । তাছাড়া এই কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে স্থান পাওয়া আবদুস ছোবহান খন্দকার সেলিম কুমিল্লার নগরীর আলোচিত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামি । এছাড়া সদস্য পদে থাকা মো: সোহেল সামাদ ( বরুড়া উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক) বরুড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী ( দোয়াত কলম) হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এছাড়া দুয়েকজনকে নিয়ে ফেসবুকে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে অনেক লেখালেখি হচ্ছে। কমিটিতে কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস আতিকুর রহমান পিন্টু ও গাজী রিয়াজসহ অন্তত এক ডজন ত্যাগি নেতার স্থান হয়নি । বিশেষ করে আতিকুর রহমান পিন্টু ও গাজী রিয়াজ মাহমুদের না থাকাটা অবাক করেছে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের।

কুমিল্লা সদর , সদর দক্ষিণ, লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, বরুড়া, নাঙ্গলকোট, লালমাই, চৌদ্দগ্রাম, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নিয়ে দক্ষিণ জেলা গঠিত। ১৯৯৭ সালে ৬৭ সদস্য বিশিষ্ট ৩ বছর মেয়াদের দক্ষিণ জেলা যুবলীগের কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে শাহীনুল ইসলাম শাহীনকে সভাপতি ও মঞ্জুর মোর্শেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ২০১২ সালের ১৭ জুন ওই কমিটি ভেঙে দেয় কেন্দ্রীয় যুবলীগ। এরপর আর কমিটি হয়নি। বর্তমানে দক্ষিণ জেলায় বাংলাদেশ সরকারের দুইজন প্রভাবশালী মন্ত্রী রয়েছেন। তাই দুই মন্ত্রীর লোকজনই কমিটিতে বেশ প্রাধান্য পেয়েছে। তাছাড়া সাবেক রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিবের কয়েকজন কর্মী কমিটিতে জায়গা পেয়েছে। কমিটিতে স্থান পায়নি আফজল খান গ্রুপের কোন নেতাকর্মী।

কমিটির আহ্বায়ক পদে রয়েছেন কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মো. কামরুল হাসান শাহিন , যিনি অর্থমন্ত্রী আ ফ ম মোস্তফা কামাল এমপির ভাতিঝা। ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রয়েছেন লাকসাম পৌরসভার মেয়র মো: আবুল খায়ের, যিনি এলজিইডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম সমর্থিত এবং ২ নং যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুস ছোবহান খন্দকার সেলিম সাবেক রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব সমর্থিত।

কমিটিতে এক নম্বর সদস্য হিসেবে রয়েছেন সাবেক রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিবের সাথে বিরোধে জড়িয়ে পড়া চৌদ্দগ্রামের শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদার । অনেকে ভেবেছিলেন এমপির সাথে বিরোধের কারণে হয়তো পদ নাও পেতে পারেন শাহজালাল মজুমদার। কিন্তু তিনি কমিটিতে ভালভাবেই স্থান পেয়েছেন। এই কমিটিতে সাবেক রেলপথ মন্ত্রী সমর্থিত ৩ জন স্থান পেয়েছেন।

জানা যায়, কমিটিতে কুমিল্লার প্রয়াত প্রবীণ রাজনীতিবিদ আফজল খানের মেয়ে সংরক্ষিত এমপি আনজুম সুলতানা সীমা ও ছেলে মাসুদ পারভেজ খান ইমরান সমর্থিত কোন নেতাকর্মী স্থান পায় নি। গাজী রিয়াজ, মুকিত বিন হেলাল, আব্দুর রহমান, বাবু, গোলাম মোস্তফা শরীফসহ অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী কমিটিতে স্থান পেতে আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু আফজল খান গ্রুপের কেউই কমিটিতে জায়গা পায়নি।

কমিটি ঘোষণার পূর্বে শীর্ষ পদে প্রার্থী হিসেবে মো. কামরুল হাসান শাহিন , আতিকুর রহমান পিন্টু, গাজী রিয়াজ মাহমুদ, মো: আবুল খায়ের, শাহজালাল মজুমদার, আবদুস ছোবহান খন্দকার সেলিমের নাম আলোচনায় ছিল। কিন্তু কমিটিতে আতিকুর রহমান পিন্টু ও গাজী রিয়াজ মাহমুদ অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে স্থান পায় নি। এছাড়া কমিটিতে সাইফুল ইসলাম সুমন, কাজী নাহিদ, গোলাম মোস্তফা শরীফ, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু তৈয়ব অপি, সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক মুকিত বিন হেলাল ও হুসাইন মোহাম্মদ মনিরের নাম অন্তত সদস্য হিসেবেও আসতে পারতো বলে তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করেন।

তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, ওয়ান ইলেভেনের সময় আ’লীগ দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হওয়ার প্রতিবাদে কুমিল্লা টাউনহলের সামনে আতিকুর রহমান পিন্টুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়। এছাড়া মাঠে সব সময় সক্রিয় ছিলেন যুবলীগ নেতা পিন্টু। গাজী রিয়াজ মাহমুদও মাঠে সব সময় সক্রিয় ছিলেন। তাদের দুজনের নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতাকর্মী মাঠে সক্রিয় । অথচ তারাই কমিটিতে নেই।

ত্যাগি নেতাদের কমিটিতে না থাকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ওয়ালে ওয়ালে প্রতিবাদে সোচ্চার নেতাকর্মীরা।

ফেসবুকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক ও যুবলীগ নেতা কাজী নাহিদুল হক লিখেছেন- “ যোগ্যতা থাকাটাই সবচেয়ে বড় অযোগ্যতা কুমিল্লার আওয়ামী রাজনীতিতে। ”

এমডি মুরাদ লিখেছেন- “ আতিকুর রহমান পিন্টু ও গাজী রিয়াজ মাহমুদের প্রতি অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। জয় হউক তেলবাজের। ”

চামেলি মনির লিখেছেন- “ ত্যাগীদের মূল্যায়ন হচ্ছে না। ”

যুবলীগ নেতা মো: জসিম খান লিখেছেন- “ গাজী রিয়াজ মাহমুদসহ অনেক সাবেক সফল, মেধাবী, ত্যাগি এবং ভাল সংগঠক ছাত্রলীগ নেতারা জেলা যুবলীগের কমিটিতে নেই, বিষয়টা মেনে নিতে কস্ট হচ্ছে।” মাঠের আরো নেতাকর্মীদের প্রতিবাদে সোচ্ছার এখন ফেসবুক।

কমিটিতে স্থান না পাওয়া নিয়ে কুমিল্লা সরকারি কলেজের সাবেক জি এস আতিকুর রহমান খান পিন্টু জানান, কমিটিতে মাঠের সক্রিয় ও পরিশ্রমি নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। অনেক নিস্ক্রিয় নেতাকর্মীরা কমিটিতে স্থান পেয়েছে। হত্যা মামলার আসামি আবদুস ছোবহান খন্দকার সেলিম কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক। মাঠের ত্যাগি নেতাদের কমিটিতে স্থান না পাওয়া হতাশার বিষয়।

কোতয়ালী থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী রিয়াজ মাহমুদ জানান, কুমিল্লার রাজনীতিতে গ্রুপিং অনেক। এর কারনেই আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। এই কমিটিতে মাঠের সক্রিয় কর্মী নেই। সেন্টারিং মিস্ত্রি,তরকারি বিক্রেতা ও রাজমিস্ত্রিরা স্থান পেয়েছে কমিটিতে ।

আবদুস ছোবহান খন্দকার সেলিম বলেন, আমার বিরুদ্ধে এটা রাজনৈতিক মামলা। এসব ষড়যন্ত্র করে সফল হওয়া যাবে না।

উল্লেখ্য যে, ১০ সেপ্টেম্বর রাতে কমিটির অনুমোদন দেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল। আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা হলেন, শাহজালাল মজুমদার, সুমির বড়ুয়া তপু, আবদুল মোতালেব, আবদুল কাদের, সোহেল সামাদ, আবাদ উদ্দিন বঙ্গবাসী, ইসরাক মাহমুদ মাসুদ, আলা উদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ সাহিদুল ইসলাম টিপু, মাহবুবুর রহমান, জিয়াউর রহমান খান, মোশারফ হোসেন মজুমদার, আবদুল আলিম, মাহবুবুল হক মোল্লা বাবলু, আবুল কালাম আজাদ, বক্তার হোসেন, মাসুদ আলম, নজরুল ইসলাম, লোকমান হোসেন, আশিকুর রহমান ভূঁইয়া জুয়েল, গাজী মো. মনির হোসেন, আলাউদ্দিন আহমেদ রিপন, ওমর ফারুক, আল মাহমুদ ভূঁইয়া, জালাল উদ্দিন, ফোরকান আহাম্মদ সবুজ, মহসিন আলম খান, শাহ আলম, ইমতিয়াজ হাবিব সিনহা, সফিউল আলম সুমন, আশিকুর রহমান হাওলাদার হিরণ, গোলাম কিবরিয়া, জাহিদুল হাসান পলাশ, এয়ার আহাম্মদ সেলিম, আবদুল করিম মিয়াজী, রাসেদুর ইসলাম আশরাফ, নাজমুল হক ও অপু ভট্টাচার্য। ১০ সেপ্টেম্বর থেকে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সব শাখার সম্মেলন শেষ করে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সম্মেলন করতে হবে বলে কেন্দ্রে থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কুবিতে বিতর্ক টুর্নামেন্টে বিজয়ী ইংরেজি বিভাগ

 

কুবি প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির নবীন বিতার্কিকদের নিয়ে ‘৫ম ডিবেটর সার্চ-২০২২’ টুর্নামেন্টে বিজয়ী হয়েছেন ইংরেজি বিভাগ।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে ডিবেট সার্চের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।

এই সংসদ মনে করে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জ্ঞানের আলোয় না বরং ইটের গাঁথুনিতে উদ্ভাসিত এই বিষয়ের উপর বিরোধী দল ফার্মাসী বিভাগকে হারিয়ে সরকারি দল ইংরেজি বিভাগ বিজয়ী হয়েছেন। বিতর্কে সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছেন সরকার দলের প্রধানমন্ত্রী নাদিয়া তাবাসসুম।

বিতর্ক শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এফ এম আবদুল মঈন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড মোঃ আসাদুজ্জামান, ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা কার্যালয়ের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাঃ হাবিবুর রহমান, মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ মঈনুল হাসান এবং গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল্লাহ আল মাহবুব। ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আল নাঈম, সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আল নাঈম বলেন, বিভিন্ন চড়াই উতরাই পার করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি আজকে জাতীয় পর্যায়ে টিভি বিতর্কে সাফল্যের অবদান রেখেছে। আমাদের নানা স্বল্পতা রয়েছে। আমরা উপাচার্যকে অনুরোধ করবো আমাদের এই স্বল্পতার দিকে নজর দেওয়ার জন্য।

অধ্যাপক ড.মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, যুক্তির চর্চা যারা করেন তারা শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী। আমার দুইটা পরিচয় একটা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য আরেকটা ছাত্রজীবনে জড়িত থাকা সংগঠন গুলোর কর্মী। সুতরাং আমি বলবো সংগঠনের অনেক টানাপোড়েন থাকে তবুও বিতর্ক চালিয়ে নিতে হবে। টানাপোড়েনর মধ্যে এগিয়ে যেতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, আমার মতে দুই দলই বিজয়ী। আমি মুগ্ধ হয়ে দেখলাম যুক্তি ও পাল্টা যুক্তি গুলো। সরকারের দলের প্রধানমন্ত্রী বিতর্কে বললেন রিসার্চ দরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের মান উন্নতি করতে আমি তার সাথে একমত পোষণ করি। আমদের অনেক কিছুর সল্পতা আছে তবুও আমরা ডিবেটিং সোসাইটিকে সহায়তা করার চেষ্টা করব।

১৯ হাজার ৬৫৭ টাকায় দারাজে মিলছে রিয়েলমি প্যাড মিনি

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

সবচেয়ে পাতলা প্যাড হিসেবে ইতোমধ্যেই দেশজুড়ে ব্যবহারকারীদের মন জয় করে নিয়েছে রিয়লমি প্যাড মিনি। ২২ হাজার টাকা দামের মধ্যে আকর্ষণীয় এই ডিভাইসটিতে রয়েছে অনন্য সব ফিচার, নজরকাড়া লুক এবং ব্যবহারকারীদের দিবে দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা। ডিভাইসটি এখন দারাজ থেকে কেনা যাবে মাত্র ১৯ হাজার ৬৫৭ টাকায়।

প্যাড মিনি ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছে অ্যালুমিনিয়াম অ্যালোয় বডি ডিজাইনের মাধ্যমে এবং রিয়েলমি প্যাড মিনি এর প্রাইস সেগমেন্টে সবচেয়ে পাতলা প্যাড হিসেবে ব্যবহারকারীর সর্বোচ্চ স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করবে। মাত্র ৩৭২ গ্রাম ওজনের ৭.৬ মিলিমিটার আলট্রা-স্লিম ডিজাইনের এই ডিভাইসটিতে রয়েছে ৮.৭ ইঞ্চির ডব্লিউএক্সজিএ প্লাস (ওয়াইড এক্সটেনডেড গ্রাফিক্স অ্যারে) ফুলস্ক্রিন লার্জ ডিসপ্লে। ৮৪.৫৯ শতাংশ স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও ও ১৩৪০X৮০০ পিক্সেল রেজ্যুলেশনের ডিভিও দেখার অভিজ্ঞতা হবে আরও চমকপ্রদ। ইউটিউব দেখার ক্ষেত্রে ১২ ঘণ্টা, জুম মিটিংয়ের ক্ষেত্রে ১৫ ঘণ্টা এবং গেমসের ক্ষেত্রে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে রিয়েলমি প্যাড মিনি’তে ব্যবহার করা হয়েছে ৬৪০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি, যা এই সেগমেন্টের ডিভাইসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়। ডিভাইসটিতে দ্রুত চার্জ হওয়া নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয়েছে ১৮ ওয়াটের কুইক চার্জার। এছাড়াও, রিয়েলমি প্যাড মিনি ডিভাইসটির রিভার্স চার্জিং ফিচারের কারণে এটিকে ওটিজি ডেটা কেবলের মাধ্যমে স্মার্টফোনের চার্জিং পাওয়ার সোর্স হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। ব্যবহারকারীদের বিনোদনের অনুভূতিকে আরও প্রাণবন্ত করতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে ‘অ্যাডাপ্টিভ সারাউন্ড সাউন্ড’ ফিচারের স্টেরিও স্পিকার, যা ডিরাক সার্টিফিকেশন অর্জন করেছে।

রিয়েলমি প্যাড মিনিতে রয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী অক্টা-কোর ইউনিসক টি৬১৬ প্রসেসর, যা এই সেগমেন্টের ডিভাইসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আনটুটু স্কোর- ২,০৪,৪৫৪ পেয়েছে। যারা ছবি তুলতে ভালোবাসেন তাদের ছবি ও সেলফি তোলার ক্ষেত্রে দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা দিতে ডিভাইসটিতে দেয়া হয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের এইচডি রেয়ার ক্যামেরা ও ৫ মেগাপিক্সেলের এইচডি ফ্রন্ট ক্যামেরা। একদম নতুন ‘রিয়েলমি ইউআই ফর প্যাড’ ব্যবহার করার মাধ্যমে রিয়েলমি প্যাড মিনি ডিভাইসটিতে নিয়ে আসা হয়েছে আকর্ষণীয় সব ফিচারের দুর্দান্ত সমন্বয়। পাশাপাশি, ডিভাইসটির ‘স্মার্ট কানেক্ট’ ফিচারের কারণে এটিকে খুব সহজেই রিয়েলমি ব্যান্ড বা ওয়াচের সাথে কানেক্ট করা যাবে। এছাড়াও, ডিভাইসটির ‘নিয়ারবাই শেয়ার’ ফিচারের কারণে ফাইল ও ছবি কাছাকাছি থাকা স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটে দ্রুত শেয়ার করা যাবে। এয়ারফোন ও প্যাড কাছাকাছি থাকলে ‘ওপেন-আপ অটো কানেকশন’ ফিচারের কারণে এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে কানেক্ট হয়ে যাবে। এর ‘কাস্ট স্ক্রিন’ ফিচারের কারণে প্যাডটিকে যে কোনো টিভির সাথে কানেক্ট করা যাবে।

গ্রে এবং ব্লু দু’টি আকর্ষণীয় রঙে, ৩ জিবি র‌্যাম ও ৩২ জিবি স্টোরেজ নিয়ে রিয়েলমি প্যাড মিনি এখন পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৯ হাজার ৬৫৭ টাকায়। আরও বিস্তারিত জানতে, ক্লিক করুন https://click.daraz.com.bd/e/_6voMP

উল্লেখ্য, দীর্ঘমেয়াদী উন্নতির ওপর গুরুত্বারোপ করে রিয়েলমি এর দ্বিতীয় ধাপের প্রবৃদ্ধিতে প্রবেশ করছে। এ ধাপে ব্র্যান্ডটি এর টেকলাইফ ইকোসিস্টেমের অধীনে পূর্ণাঙ্গ এআইওটি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে স্মার্ট টিভি, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, স্মার্ট ওয়াচ, ওয়্যারেবল ও বিপুল সংখ্যক স্মার্ট গ্যাজেট নিয়ে আসার লক্ষ্যে কাজ করছে।