All posts by jitu

‘বেটউইনার ডটকম’ পরিচালনায় জড়িত অভিযোগে চৌদ্দগ্রাম থেকে ৩ জন গ্রেপ্তার

 

স্টাফ রিপোর্টার:

অনলাইন জুয়ার সাইট ‘বেটউইনার ডটকম’ পরিচালনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

গত বুধবার রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আবু বক্কর সিদ্দিক (৩০), আবদুল্লাহ আল আউয়াল (২৬) ও তোরাফ হোসেন (৩৭)। তাঁদের কাছ থেকে ৬টি মুঠোফোন, ১২টি সিম ও ১টি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। রাজধানীর পল্টন থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছে সিআইডি।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রেজাউল মাসুদ বলেন, নিয়মিত পর্যবেক্ষণে বেটউইনার ডটকম নামের বেটিং সাইটটি নজরে আসে। এখানে অনলাইনে বেটিং বা জুয়া খেলা হয়। পরে সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট শাখা ছায়া তদন্ত শুরু করে।

তদন্ত শেষে বেটউইনার ডটকমের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা দোষ স্বীকার করেছেন।

বিএনপি’র ৪৪-তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দেবিদ্বারে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

 

মোঃ জামাল উদিন দুলাল:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এ.এফ.এম তারেক মুন্সির নির্দেশনায় কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র আয়োজনে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় ফতেহাবাদ ইউপির চানপুর গ্রামে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ গিয়াস উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মাসুদ হাসান সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সদস্য মোঃ তাজুল ইসলাম পাঠান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বি.এন.পির সদস্য মোঃ মহিউদ্দিন আহম্মেদ মাহফুজ (ভিপি), এডভোকেট আবু মূসা, কেন্দ্রিয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জসীম উদ্দিন সরকার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ কাজী খোকন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজান মাস্টার ,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সফিউল্লাহ মানিক, বিএনপি নেতা ইব্রাহীম ঠিকাদার, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ সভাপতি আবদুল আলিম পাঠান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, হাজী মীর হোসেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাহামুদুল হাসান তামিম, সাবেক সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম ইমরান হাছান, দেবিদ্বার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ নুরুজ্জামান, পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপি নেতা আবদুল মান্নান মেম্বার, মোঃ আবুল কালাম আজাদ,শাকিল মুন্সী, মোঃ হান্নান, হাবিব, ডাঃ এরশাদ, মাসুম খন্দকার, যুবদল নেতা মোঃ কাউছার মোল্লা,ওমর ফারুক সরকার, আবদুল হাই কাউছার, মোঃ কাউছার আলম(মেম্বার), মো মাহবুব আলম সরকার বাবু, মোঃ বেলাল হোসেন, দেবিদ্বার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুয়েল মোল্লা, ছাত্রনেতা মোঃ হাসিব উল্লাহ, মোঃ রুবেল মাষ্টার, সাইদুর রহমান সরকার শুভ, সবুজ পাঠান, মোশারফ হোসেন, জামীল হাসান, মোঃ জসীম, মোঃ সুমন নিজামী, মোঃ ফারুক ও আনাস সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র অংঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

উক্ত মতবিনিময় সভায় আলোচকরা বলেন, বাংলাদেশ তাজীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ভারপ্রপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার নির্দেশনায় দলকে সু-সংঘঠিত করার লক্ষে দেবিদ্বার উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকার আহব্বান জানানো হয়। এবং তিন বারের সাবেক প্রাধান মন্ত্রী ও বি এনপি’র চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং মরহুম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার্উ রহমানের জন্য দোয়া মোনাজাত করা হয়। দোয়া শেষে তাবারুক বিতরণ করা হয়।

দেবিদ্বার আ’লীগের সম্মেলনে সংঘর্ষের আশংকা, সভাপতি-সম্পাদক পদে প্রায় ৫০ প্রার্থী

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:

দীর্ঘ ২৭ বছর পর দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শুক্রবার । সম্মেলন মূলত ছিল ২১ জুলাই। এমপি রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় সম্মেলন পিছিয়ে ২ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়। সম্মেলন ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসব উৎসব ভাব দেখা গেলেও রয়েছে কমিটি ঘোষণা নিয়ে চরম উৎকন্ঠা ও সংঘর্ষের আশংকা। বেশ কয়েক মাস ধরে উত্তপ্ত দেবিদ্বারের রাজনীতি। সংঘর্ষ-হাতাহাতি, পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ সমাবেশ-মিছিলে উপজেলা আ’লীগের রাজনীতি এখন উত্তেজনায় ভরপুর। দেবিদ্বার উপজেলা আ’লীগ মূলত এখন দুভাগে বিভক্ত। এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান – এই দুই গ্রুপে বিভক্ত উপজেলা আ’লীগ। সম্মেলনের দিনে কমিটি ঘোষিত হলে সেখানেই দুগ্রুপের সংঘর্ষ শুরু হতে পারে বলে স্থানীয় বেশির ভাগ সূত্র দাবি করে। বিগত ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা নিয়েও সংঘর্ষ, অবরোধ হয়েছে। তাই উপজেলা আ’লীগের সম্মেলনকে ঘিরে উত্তেজনার পারদ এখন চরমে। সংঘর্ষ ও যে কোন ধরনের নাশকতা এড়াতে সম্মেলনস্থলে কমিটি ঘোষণা না করে ঢাকা থেকে কমিটি ঘোষণা হলে সবার জন্য ভাল হবে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন। যদিও সম্মেলনে কাউন্সিলরদের ভোটাভুটি ছাড়াই কমিটি ঘোষণা দিতে পারে কেন্দ্রীয় কমিটি।

গত ২৮ জুন জেলা আ’লীগের সহসভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী এবিএম গোলাম মোস্তাফাকে আহ্বায়ক ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিরুজ্জামান মাস্টারকে সদস্য সচিব এবং স্থানীয় সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদকে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য পদে রেখে ২৬ সদস্যের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের। বিশেষ অতিথি থাকবেন দলের চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

সম্মেলনে যে কারণে সংঘর্ষ হতে পারে:
এখন দেবিদ্বার উপজেলা আ’লীগে দুটি গ্রুপ। এক গ্রুপে এমপি রাজী মো: ফখরুল। উপজেলা আ’লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মীই এমপির সাথে রয়েছে। অপর গ্রুপে রয়েছে উত্তর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাষ্টার, সাবেক এমপি এ বি এম গোলাম মোস্তফা ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। তাই ঘোষিত কমিটি যে কোনভাবেই হোক পক্ষে নেওয়ার চেষ্টা করবে উভয় গ্রুপই। আর পক্ষে না গেলে হতে পারে রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষ । একাধিক সূত্রমতে, জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে লোকজন দেবিদ্বারে গিয়ে অবস্থান করছে। লক্ষ্য একটাই কমিটি পক্ষে না গেলে হট্টগোল-সংঘর্ষ সৃষ্টি করা। বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদর, বুড়িচং ও বি পাড়া থেকে বহিরাগতরা দেবিদ্বারে প্রবেশ করে সংঘর্ষ করেছে। তাই দেবিদ্বারবাসি এই সম্মেলনকে ঘিরে বেশ আতংকিত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতৃবৃন্দ জানান- এ সম্মেলনকে ঘিরে সদর, ময়নামতি, বুড়িচং ও বি-পাড়ার অস্ত্রধারি সন্ত্রাসীরা সক্রিয় । তারা সম্মেলনের দিনে অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি করতে পারে। তাই এখানে কমিটি ঘোষণা না করে কেন্দ্র থেকেই ঘোষণা করলে আ’লীগের জন্য মঙ্গলকর হবে, সংঘর্ষও এড়ানো সম্ভব হবে।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী:

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন প্রায় অর্ধ শতাধিক নেতা। সভাপতি পদে উপজেলা আ’ লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিরুজ্জমান মাস্টার, গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি একেএম সফিউদ্দিন (সফিক) সরকার, দেবীদ্বার পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, উত্তর জেলা আ’ লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক সফিকুল আলম কামাল, বর্তমান কুমিল্লা উত্তর জেলা আ’লীগের উপদেষ্টা এটিএম মেহেদী হাসান বুলবুল, গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো. হুমায়ন কবির, দেবীদ্বার উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আনোয়ার হোসেন খোকন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন মাষ্টার, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য প্রয়াত আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যক্ষ এম হুমায়ন মাহমুদের ছোট ভাই এজাজ মাহমুদ।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক কামাল উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ছিদ্দিকুর রহমান ভূঁইয়া, পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য হাজী মো. মোসলেহ উদ্দিন ভূঁইয়া মানিক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এমএ জলিল চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য লুৎফর রহমান বাবুল, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আবুল কাসেম ওমানী, দেবীদ্বার পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুজিবুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা শেখ ফারুক আহমেদ, লন্ডন প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. মাহববুর রহমান, হাজী মোসলেহ উদ্দিন মানিক ভূঁইয়া, আইয়ুব আলী মাষ্টার, জীবন চন্দ্র দাস, আব্দুল্লাহ আল নোমান প্রমুখ।

কেন সম্মেলন হয়নি দীর্ঘদিন ধরে:

জানা যায়, ১৯৮৭ সালে আলী আশরাফ ভূঁইয়াকে সভাপতি ও এডভোকেট জানে আলমকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরে ১৯৯১ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে অধ্যক্ষ এম হুমায়ুন মাহমুদকে সভাপতি ও আব্দুল মতিন মুন্সীকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষিত হয় । পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে আলহাজ¦ জয়নুল আবেদীনকে সভাপতি ও মনিরুজ্জামান মাষ্টারকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সভাপতি, সহ-সভাপতি, দপ্তর সম্পাদকসহ মারা গেছেন ১৪ জন। দল ত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন দুজন। বাকিদের বেশিরভাগই নিস্ক্রিয়। এরপর আর সম্মেলনও হয়নি, কমিটিও ঘোষিত হয়নি। অনেকটা দায়সারাভাবেই চলতে থাকে উপজেলা আ’লীগের কার্যক্রম। জানা যায়, অর্ন্তকোন্দলের ফলে সম্মেলন কিংবা নতুন কমিটি হয়নি। সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক এমপি এবিএম গোলাম মোস্তফার সাথে সাবেক উপ-মন্ত্রী ও এমপি, আ’লীগ কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য এএফএম ফখরুল ইসলাম মূন্সীর মধ্যে দ্বন্দ্বের ফলে অনেক বছর ধরে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। এই দ্বন্দ্ব এখন অব্যাহত রয়েছে বর্তমান সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের সাথে কুমিল্লা (উঃ) জেলা সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাষ্টার ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের। বিগত বছরগুলোতে একাধিক সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ও ৯ বার সম্মেলনের নির্ধারিত তারিখ পেছানো হয়।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা ও কোন্দল:

চলতি বছরের ৩ জুলাই দেবিদ্বারে বরকামতা ইউনিয়ন আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে কাউন্সিল অধিবেশনে কমিটি ঘোষণা নিয়ে এমপি রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সমর্থিত আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের দ্বন্দ্বে তুলকালাম শুরু হয়। এ সময় স্থানীয় এমপিসহ জেলার নেতারা প্রায় ২ ঘন্টা অবরুদ্ধ থাকে । পরে কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে কমিটি ঘোষণা করা হয়। বিক্ষোভকারীদের নেতৃত্বে ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। ঘটনার সময় বিক্ষোভকারীরা “ নৌকার দালালেরা হুশিয়ার সাবধান- আ’লীগের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান” বলে শ্লোগান দিতে থাকে। তবে এ সময় এমপি রাজীর গ্রুপের নেতৃবৃন্দকে নিরব ভূমিকায় দেখা যায়। এদিকে ১৬ জুলাই বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের এলইডি হলে দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির বৈঠকে সাংসদ ও উপজেলা চেয়ারম্যানের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বৈঠকে থাকা নেতাকর্মীরা জানায়, এলইডি হলে সভার শেষ পর্যায়ে কমিটি ঘোষণা নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের সাথে এমপি রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের বাক বিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদ অশ্লীল ভাষায় এমপি রাজীকে গালমন্দ করেন এবং তেড়ে যান। তখন দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এরপর বৈঠক শেষ না করেই জেলার সেক্রেটারি রৌশন আলী মাষ্টার ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বের হয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পরেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জেলার (উত্তরের) সভাপতি ম. রুহুল আমিন কক্ষের বাইরে গিয়ে আজাদকে বুঝিয়ে মিটিংয়ে আনতে গেলে সভাপতি রুহুল আমিনকে গালমন্দ করে ও বেশ কয়েকবার ধাক্কা দেন উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদ। এই ঘটনার পর দেবিদ্বার বিভিন্ন সড়কে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ প্রর্দশন করে। ২১ জুলাইয়ের উপজেলা সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করা হয়। দেবিদ্বারজুড়ে রাজনীতিতে অস্থিরতা বিরাজ করে।

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রোশন আলী মাস্টার বলেন, কোন সংঘর্ষের আশংকা করছি না। দলের মধ্যে গ্রুপিং-দ্বন্দ্ব থাকবেই। আমরা আশা করি সফলভাবেই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। কমিটি এখানেও ঘোষণা হতে পারে আবার কেন্দ্রে থেকে ঘোষিত হতে পারে।

 

ফেনিতে একসঙ্গে ৪ সন্তানের জন্ম

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ফেনী শহরে একসঙ্গে ৪ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন ফারজানা বৃষ্টি (২৫) নামের এক প্রসূতি। বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শহরের জেড ইউ মডেল হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পরপর চারটি সন্তান জন্ম দেন তিনি। এ ঘটনায় প্রসূতির পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।

ফারজানা খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সোনাইপুল এলাকার মুদি দোকানি মো. আলমগীরের স্ত্রী।

তবে ওই চার শিশু নির্ধারিত সময়ের আগেই জন্ম নেওয়ায় তাদের ওজন কম হয়েছে। দুজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখা দেওয়ায় তাদের হাসপাতালের আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

প্রসূতির স্বামী আলমগীর হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ফারজানার প্রসবব্যথা উঠলে তাকে দ্রুত জেলা শহরের জেড ইউ মডেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিকেলে ডা. রোকসানা বেগম স্বপ্নার তত্ত্বাবধানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ৪ সন্তান প্রসব করেন তিনি। প্রথমে এক কন্যা সন্তান; তারপর একে একে তিন ছেলের জন্ম দেন বৃষ্টি। মা ও সন্তানদের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) রাখা হয়েছে।

কুমিল্লায় সাক্কুর উদ্যোগে বিএনপির ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিশাল র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে সাবেক কুসিক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টায় কুসিকের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর পক্ষে নগরীর নানুয়াদিঘীর পাড়ে সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতাীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, কুমিল্লার সভাপতি কাইমুল হক রিংকু, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য বিএনপি নেতা নজরুল হক ভূইয়া স্বপন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার নূরে আলম, শহর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজি আবদুস সালাম মাসুক, শহর বিএনপির সাবেক সভাপতি হুমায়ুন কবির, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, বিএনপি নেতা মাজেদুর রহমান বাবুল, জেলা বিএনপি নেতা আবদুর রহমান, জাতীয়তাবাদী হিন্দুদলের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র সাহা, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফেরদৌস পাটোয়ারী, যুবদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক, মনির হোসেনসহ আরো অনেকে। আলোচনা সভা শেষে একটি বিশাল র‌্যালি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে।

নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে ৪ দিনের সফরে ভারত যাচ্ছেন শেখ হাসিনা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে চারদিনের সরকারি সফরে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লি যাচ্ছেন। সেখানে তাকে স্বাগত জানাবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি এ সফরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বেশ কিছু চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সফরসঙ্গী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যাবেন মন্ত্রী, উপদেষ্টা, সচিবসহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের একদল প্রতিনিধি। থাকবেন ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিরাও।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এরপর তাকে দেওয়া হবে গার্ড অব অনার। পরে প্রধানমন্ত্রী রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘হায়দরাবাদ হাউস’-এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সংলাপ করবেন। পরে তার সম্মানে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেবেন।

শেখ হাসিনার সফরকালে তার সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করসহ শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তারাও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ (সিআইআই) আয়োজিত এক ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বা গুরুতর আহত ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ২০০ সদস্যের উত্তরসূরিদের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের ‘মুজিব স্কলারশিপ’ও দেবেন।

এর আগে ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গিয়েছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান সহযোগিতামূলক সম্পর্কের নতুন দ্বার উন্মুক্ত করে দিতে প্রধানমন্ত্রীর এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সফর শেষে ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্কঃ

কথার লড়াই অনেক হলো, এবার মাঠের লড়াইয়ের পালা। সেই লড়াইয়ের শুরুটা অবশ্য ভালো হলো না বাংলাদেশের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস হেরেছেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শানাকা ব্যাট করতে পাঠিয়েছেন লাল সবুজের প্রতিনিধিদের।

সেই ২৭ আগস্ট থেকে শুরু কথার লড়াইয়ের। এরপর থেকে কথার আগুনে একে অন্যকে ঝলসে দিয়েছে বাংলাদেশ আর শ্রীলঙ্কা। তাতে উপমহাদেশের অন্যতম এই দ্বৈরথ দিয়েছে মহারণের একটা স্বাদও। সেই কথার লড়াই শেষে এবার পালা মাঠের লড়াইয়ের। সেই লড়াইয়ের শুরুতেই হাসি হেসেছে শ্রীলঙ্কা।টস জিতে বাংলাদেশকে পাঠিয়েছে ব্যাটিংয়ে।

এর আগে বাংলাদেশ অবশ্য টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিল, তবে আজ পরিকল্পনাটা ছিল ভিন্ন, জানালেন সাকিব। বললেন, ‘আমরা প্রথমে ফিল্ডিং করতে চেয়েছিলাম, তবে এটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। যদি আমরা উইকেট হাতে রাখতে পারি, তাহলে শেষ দশ ওভারে তা কাজে লাগাতে পারব। শেষ ম্যাচে আমরা ভালো বভ্যাট করতে পারিনি। যদি আমরা আজ ব্যাট ভালো করতে পারি, উইকেট হাতে রাখতে পারি, তাহলে ম্যাচটা দারুণ হবে।’

তবে দুই দলের কথার লড়াইয়ে মোটেও কান দেননি সাকিব, ‘সত্যি বলতে আমরা এ নিয়ে কথাই বলিনি। আমরা নিজেদের পারফর্ম্যান্সেই মনোযোগ দিতে চাই।’

দাসুন শানাকা নিজের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বললেন, ‘বড় ম্যাচে চেজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা শেষ কয়েক বছরে যেমন খেলেছি, তেমন খেলাটাই ধরে রাখতে চাই।’

শোকের মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬০৩ আহত ২৯৯০

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বাঙালির শোকের মাস আগস্টের ১ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত ৩ হাজার ৭৫৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬০৩ জনের প্রাণ ঝরেছে, আহত হয়েছে ২ হাজার ৯৯০ জন। এ মাসে নিহতদের মধ্যে ৫০% শিশু-কিশোর-তরুণ। যাদের বয়স ৭ থেকে ২৫ বছর এবং অধিকাংশই শিক্ষার্থী। বাকি ২০% বৃদ্ধ; যাদের বয়স ষাটোর্ধ্ব। বিভিন্ন বয়সীদের সড়কপথ দুর্ঘটনার সংখ্যা ৩০%। ৩ হাজার ৭৫৭ টি দুর্ঘটনার ৬০% ঘটেছে বাইকলেন না থাকা এবং সড়কপথের বেহাল দশার কারণে।

২৬ টি জাতীয় দৈনিক, বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা ও ইলেকট্রনিক্স চ্যানেলে প্রকাশিত-প্রচারিত তথ্যর পাশাপাশি সারাদেশে সেভ দ্য রোড-এর স্বেচ্ছাসেবিদের তথ্যানুসারে- মহাসচিব শান্তা ফারজানা প্রেরিত প্রতিবেদনে জানানো হয়- বাইক লেন না থাকায় এবং দ্রুত গতিতে মোটর সাইকেল চালানোর কারণে ১ হাজার ৬২ টি দুর্ঘটনায় আহত ৭৫০ এবং নিহত হয়েছে ৯২ জন; অসাবধানতা ও ঘুমন্ত চোখে-ক্লান্তিসহ দ্রুত চালানোর কারণে ৮৩৯ টি ট্রাক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫৬০ এবং নিহত হয়েছে ৬৮ জন; খানা খন্দক, বিশ্রাম ব্যতিত একটানা পরিবহণ চালানোসহ বিভিন্ন ৮৯৬ টি বাস দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে ৯১৮ জন এবং নিহত হয়েছেন ২৫৫ জন; পাড়া-মহল্লা-মহাসড়কে অসাবধানতার সাথে চলাচলের কারণে লড়ি-পিকআপ-নসিমন-করিমন-ব্যাটারি চালিত রিক্সা-সাইকেল ও সিএনজি দুর্ঘটনা ঘটেছে ৯৬০ টি আহত হয়েছে ৭৬২ জন এবং ১৮৮ জন নিহত হয়েছে। এছাড়াও ১ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত নৌপথ দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৫৫ টি। আহত ৩৭৭ জন, নিহত হয়েছে ১৫ জন এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৩৪ জন রেলপথ দুর্ঘটনা ১৬৬ টি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে ১৭৪ জন এবং নিহত হয়েছে ১৯ জন। আকাশপথে কোন দুর্ঘটনা না ঘটলেও বিমানবন্দরে চরম অব্যবস্থাপনার কারণে শারিরীকভাবে অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৪ জন।

সেভ দ্য রোড-এর চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব জেড এম কামরুল আনাম, প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী, মহাসচিব শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান বিকাশ রায়, জিয়াউর রহমান জিয়া, আইয়ুব রানা, ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিল-এর সহ-সভাপতি আনজুমান আরা শিল্পীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে আগস্ট মাসের এই প্রতিবেদনে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি আলোচ্য তা হলো- বাইক লেন না থাকার পাশপাশি সড়কপথের বেহাল দশায় সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা যেমন বেড়েছে, বেড়েছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও। ২০০৭ সালে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে আত্ম প্রকাশের পর গত ১৫ বছর ধরে সেভ দ্য রোড পথদুর্ঘটনারোধে দেশের সকল সড়ক-মহাসড়ক ও সেতুতে বাইকলেন, পথচারিদের জন্য ফুটপাত এবং বাইসাইকেল লেন-এর দাবি জানিয়ে আসছে। সেভ দ্য রোড নেতৃবৃন্দ বলেন, জুন মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু উদ্বোধনের যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনও পদ্মাসেতুতে বাইক লেন-এর দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছিলাম; তখন বাইকলেন-এর ব্যবস্থা করলে আর স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে বাইক নিষিদ্ধ করতে হতো না। শোকের মাসে এসে সারাদেশে সকল সড়ক-মহাসড়ক- সেতুতে দুর্ঘটনা তুলনামূলক না কমায় অনতিবিলম্à¦