All posts by jitu

বিশ্বরাজনীতিতে টক অফ দ্য টাউন: ইমরান খান ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক সংকট

রাকিব আল হাসান:

এ মুহূর্তে শ্রীলঙ্কার পর বিশ্বরাজনীতিতে টক অফ দ্য টাউন হচ্ছে ইমরান খান এবং পাকিস্তানের রাজনৈতিক সংকট। পাকিস্তানের রাজনীতি বলে এর নাটকীয়তাও চরমে, ক্ষণে ক্ষণে রঙ বদলানোয় একদিন পর কি হতে যাচ্ছে সেটি নিয়ে প্রেডিকশন করাও ভীষণ দূরুহ৷ এখন পর্যন্ত খবর, ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন হবে বলে আমরা জেনেছি। কিন্তু নির্বাচনটি আদৌও হবে কিনা, হলে কখন কীভাবে সে নিয়েও নানা জল্পনা কল্পনা থেমে নেই৷ অনেকের আশংকা পাকিস্তান আবার সরাসরি চলে যাবে পুরোদমে সামরিক শাসনের অধীনে।

একটা সময় পর্যন্ত বেশ স্ট্যাবল ছিলেন ইমরান খান। পঁচাত্তর বছরের ইতিহাসে প্রথমবার কোনো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেয়াদ পূর্ণ করে রেকর্ড করতে যাচ্ছিলেন তিনি, এমনকি পাকিস্তানের থিংক ট্যাংকদের ধারণা ছিল আগামীতেও ক্ষমতায় আসবেন ইমরান-ই। কিন্তু এ মুহূর্তে এসব সম্ভাবনা আর নেই। অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও ভুল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগে ইমরান খানের জোট সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনে বিরোধী দলগুলো। ইমরানের জোটের শরিকরা বিরোধীতে যোগ দিলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় তার সরকার। এমতাবস্থায় অনাস্থা ভোট হলে ইমরানের পরাজয় নিশ্চিত ছিল। সেখানে ভোট হতে না দিয়ে দুসরা মারলেন ডেপুটি স্পিকার।

পাকিস্তান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫ দেখিয়ে এই অনাস্থা প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের প্রতিটি নাগরিককে নিজ দেশের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করতেই হবে। ইমরানের দলের দাবি ‘বিদেশি দেশের প্ররোচনায়’ যেহেতু এই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে তাই অনাস্থা প্রস্তাব আনয়নকারীরা দেশের প্রতি অনুগত নন। তাই এই প্রস্তাব সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫-এর পরিপন্থী। ডেপুটি স্পিকার সেটা মেনে প্রস্তাবটি খারিজ করে দেন।

সংসদ ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচন দেওয়ার কাজটি ইমরান অনেক আগেই করতে পারতেন। শরিক দলগুলোকে ম্যানেজ করতে পারবেন বলে বিশ্বাস ছিল ইমরানেরও। ইমরানের অবস্থান নড়বড়ে হবার অন্যতম প্রধান কারণ রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কো সফর এবং রাশিয়াকে সমর্থন করায়৷ যা মারাত্মকভাবে ক্ষুব্ধ করেছে পশ্চিমাদের। কিন্তু এতকিছুর পরেও সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থায় নিজের ফেভারে পরিস্থিতি নেয়ার জন্য ভোট ফেইস করার আগে সংসদ ভেংগে দেয়া গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নয় এবং ইমরানের কর্মকাণ্ড পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি কলঙ্কের উদাহরণ হয়ে থাকলো। অপরদিকে তার দিক থেকে চিন্তা করলে ইমরান ইয়র্কার বলকে ডাউন দ্য উইকেটে এসে ফুলটস বানিয়ে আপাতত এই বলে ছক্কাই হাঁকালেন।

পাকিস্তানের এই সংকট এখন কোর্টে যাবে। সেখানে আবার ঘটনার মোড় পরিবর্তন হবার সম্ভাবনাও প্রবল। এদিকে বিরোধীরা প্রতীকী অধিবেশনে শাহবাজ শরীফকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। তাতে বরং সমস্যার সমাধান না হয়ে উলটো বাড়ার সম্ভাবনাও আছে। কারণ নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ঐক্যমত নিয়ে সংকট চলে যাবে চরম পর্যায়ে। আবার সুপ্রীম কোর্ট অনাস্থা প্রস্তাব আবার কোর্টে আনলে তা ইমরান মানতে চাইবেন না। সেক্ষেত্রে সংঘাতের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না এখনই।

খালি চোখে অনেকে হয়তো বলবেন রাশিয়াকে সমর্থন দেয়ায় ইমরানের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ঘটনার সূত্রপাত তারও আগে থেকেই। ইমরান তার পছন্দের ক্যান্ডিডেটকে সামরিক গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিতে চাওয়ায় এবং তাতে ব্যর্থ হওয়ায় তখন থেকে একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছিল মিলিটারি প্রধানের সাথে৷ পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর সামরিক অভ্যুত্থানের দীর্ঘ ইতিহাস আছে। সে জায়গাতে অনেকে ভাবছেন সংকট দীর্ঘতর হলে সেটি রূপ নিতে পারে সামরিক অভ্যুত্থানের। কিন্তু উদার-গনতান্ত্রিক বাইডেন প্রশাসন এবং পশ্চিমা সমর্থন সেক্ষেত্রে পাবে না বলে সে সম্ভাবনা দেখছি না। তবে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীরাই মুভমেন্টের গতিপথ নির্ধারণ করবে। সেক্ষেত্রে ইমরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কি হতে যাচ্ছে?

পাকিস্তানে দুর্নীতি প্রতিরোধ আর সুশাসন নিশ্চিতকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন ইমরান খান। তার পুরো শাসনামলে অর্থনীতিসহ নানা ক্ষেত্রে পাকিস্তান বেশ খারাপ অবস্থায় ছিল। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তলানিতে নেমে যাবার কারণে কখনও চীন, সৌদি আরব, আর কখনও আইএমএফের কাছে নিয়মিত হাত পাততে হয়েছে। বলা বাহুল্য, সাম্প্রতিক ঘটনা তার শাসনকালীন সব ব্যর্থতাকে আপাতত ধামাচাপা দিয়েছে।

সাময়িক ঘটনাবলিতে ইমরানের জন্য সুখবর হয়তো নেই, তবে বিদেশী ষড়যন্ত্রতত্ত্ব যেভাবে জনগণের সামনে ইমরান হাজির করলেন এবং জাতীয়তাবাদকে মাথাচাড়া দিতে উস্কানি দিলেন তাতে ভবিষ্যতে ইমরান হয়তো পাকিস্তানের জাতীয়তাবাদী নেতাতেই পরিণত হতে যাচ্ছেন৷ এ ক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে একটা বিরাট অংশের চেতনাবাজ গোষ্ঠির সমর্থন পাবেন। কারণ চেতনাবাজরা পেটের ক্ষুধার চেয়ে ইজ্জতকেই বেশি ভালোবাসেন। মারা খাবে তবু মুখে আনবে না, কারণ মুখে আনলে ইজ্জত চলে যাবে।

উষসীর গৌরবময় ৪ দশক পূর্তি উপলক্ষে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার:
গত ২ এপ্রিল উষসী পরিষদের গৌরবময় ৪ দশক পূর্তি উপলক্ষ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কুমিল্লা পুলিশ লাইন হাইস্কুলের শিক্ষক মিলনায়তনে উষসী’র সভাপতি এডভোকেট মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সংগঠনকে কিভাবে গতিশীল ও শৃঙ্খলাবদ্ধ করা যায় সে বিষয়ে বক্তব্য রাখেন উষসীর সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ মু. সফিকুর রহমান, বেগম রোকেয়া পদক প্রাপ্ত কুমিল্লার বিশিষ্ট নারী নেত্রী পাপড়ী বোস, উষসী’র প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক রমিজ খান, সেবার নির্বাহী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার উত্তম কুমার দাস, ঢাকা উষসীর সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উষসী’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ এমদাদুল হক পলাশ, পুলিশ লাইন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক তফাজ্জল হোসেন, ঢাকা উষসী’র সদস্য মাসুম মজুমদার প্রমুখ।

সভায় সকল কমিটির মেয়াদকাল উত্তীর্ণ হওয়ার কারণে সংগঠনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক উষসীর সাবেক সভাপতি মো. ইউনুসকে আহ্বায়ক ও এডভোকেট কামরুজ্জামান চৌধুরী ফারুককে সদস্য সচিব নির্বাচন করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। উপস্থিত সকল সদস্যের স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, উষসীর এই আহ্বায়ক কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা, কুমিল্লা ও নেত্রকোনোসহ অন্যান্য শাখা কমিটি গঠনে সম্পূর্ণ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এই কমিটি পবিত্র রমজানে একটি ইফতার মাহফিল আয়োজন, ঈদ পুনর্মিলনী ও সদস্য নবায়নসহ সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।

উক্ত সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন নাসির আহমেদ বাদল, গুরুদাস ভট্টাচার্য্য, মহিন উল্লাহ চৌধুরী টিটু, মো. মজিবুল হক, কার্তিক কুমার সাহা, মো. মশিউর রহমান, শোয়েব আহমেদ মজুমদার রতন, সফিকুল ইসলাম ঝিনুক, ড. উত্তম কুমার মজুমদার, অধ্যাপিকা রিতা রাণী সরকার, মোঃ আবুল হাসান প্রমুখ।

সবশেষে উষসী’র সদস্য অধ্যাপিকা রিতা রাণী সরকারের মনোমুগ্ধকর কবিতা আবৃত্তি ও সকলের মাঝে কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী পাককৌড়ি পিঠাঘরের সুস্বাদু পিঠা আপ্যায়ন করা হয়।

বাহারি ইফতার আয়োজন নিয়ে ফুডপ্যান্ডায় ‘ইফতারওয়ালা’

ডেস্ক রিপোর্ট:
পবিত্র রমজান মাসে গ্রাহকদের ভিন্ন স্বাদের আর আইটেমের ইফতারি চাহিদা পূরণে আবারও ‘ইফতারওয়ালা’ নিয়ে এসেছে জনপ্রিয় ফুড ও গ্রোসারি ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপ্যান্ডা।

ইফতারে গ্রাহকদের পরিপূর্ণ তৃপ্তি দিতে দ্বিতীয়বারের মতো ‘ইফতারওয়ালা’ আয়োজনে রাজধানীর উত্তরা, বসুন্ধরা, বনানী, গুলশান ও মোহাম্মদপুর এরিয়ায় দেশি-বিদেশি বাহারি সব ইফতার আইটেম পাওয়া যাচ্ছে। ধানমন্ডি, বেইলি রোড ও মিরপুর এরিয়ার গ্রাহকরা খুব শীঘ্রই এ আয়োজনটি উপভোগ করতে পারবেন।

ইফতারে বিভিন্নজনের পছন্দ থাকে বিভিন্ন রকম। সব মানুষের রুচিকে প্রাধান্য দিয়ে ইফতারওয়ালাতে রয়েছে নানান স্বাদের ইফতার আইটেম ও প্ল্যাটার। লাহোরি হালিম, জাফরানি শাহি রেশমি জিলাপি, দই বড়া, রেশমি চিকেন টিক্কা, বিফ শিক কাবাব, আফগানি চিকেন কাবাব, ডিম চপ, পরোটা মিলছে ইফতারওয়ালার এ আয়োজনে।

আইটেমভেদে ৬০ টাকা থেকে শুরু করে ইফতারের দাম পড়বে ৯৯৯ টাকা পর্যন্ত। আলাদা পরিমাণভেদে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ নামে তিনটি প্ল্যাটার পাওয়া যাবে। এগুলোর দাম পড়বে যথাক্রমে ১৮৯৯, ১০৪৯ ও ৪৯৯ টাকা।
এছাড়া গ্রাহকদের জন্য রমজানজুড়েই ফুডপ্যান্ডায় থাকছে আকর্ষণীয় সব অফার। ফুডপ্যান্ডা অ্যাপ-এ ‘ইফতারওয়ালা’ থেকে রাজধানীর নির্দিষ্ট এলাকার ক্রেতারা দারুণ স্বাদের ইফতার আইটেমগুলো অর্ডার করতে পারবেন।

ডিবিএইচের রাজশাহী শাখার উদ্বোধন

 

ডেস্ক রিপোর্ট:
দেশের গৃহঋণ প্রদানকারী সর্ববৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন লিমিটেড (ডিবিএইচ) সম্প্রতি রাজশাহী শহরে তাদের শাখার উদ্বোধন করেছে। ডিবিএইচের নতুন এ শাখাটি শহরের মনি চত্বরের দুলাল টাওয়ার (চতুর্থ তলায়), ২২০ সাহেব বাজারে অবস্থিত। এটি প্রতিষ্ঠানটির ১৩ তম শাখা এবং দেশের উত্তরাঞ্চলে প্রথম শাখা।

ডিবিএইচের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও নাসিমুল বাতেন আনুষ্ঠানিকভাবে শাখার উদ্বোধন করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ডিবিএইচের রাজশাহী শাখা এই অঞ্চলে আবাসন খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে এবং পাশাপাশি কোম্পানির ব্যবসা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিবিএইচ এর ডিএমডি ও হেড অব ক্রেডিট এ.কে.এম. তানভির কামাল; হেড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও রিকভারি সাইয়াফ এজাজ; হেড অব লোন অপারেশনস মো. জাকারিয়া ইউসুফ; হেড অব ডিপোজিটস, বিজনেস প্ল্যানিং ও অল্টারনেট চ্যানেলস সাবেদ বিন আহসান; ব্রাঞ্চ ইন-চার্জ মো. আশিকুর রহমান সহ প্রতিষ্ঠানটির ঊধর্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৯৬ সালে যাত্রা শুরুর পর গত ২৫ বছর ধরে ডিবিএইচ দেশের আবাসন খাতে ঋণ সুবিধা প্রদান করছে। কোম্পানিটি ধারাবাহিকভাবে বিগত ১৬ বছর সর্বোচ্চ ক্রেডিট রেটিং “ট্রিপল এ” অর্জন করেছে।

সেগওয়ার্কের বাংলাদেশ ব্লেন্ডিং সেন্টারের প্রথমবর্ষপূর্তি উদযাপন

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশে নিজেদের অত্যাধুনিক ব্লেন্ডিং সেন্টারের এক বছর পূর্তি উদযাপন করছে সেগওয়ার্ক বাংলাদেশ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্যাকেজিং অ্যাপ্লিকেশন ও লেবেলের জন্য প্রিন্টিংইংক ও কোটিংয়ের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী এই প্রতিষ্ঠানটি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই ব্লেন্ডিং সেন্টারটি চালু করে। এর ফলে কোম্পানিটি তার গ্রাহকদের উন্নত সেগওয়ার্ক মানের টলুইন-মুক্ত প্যাকেজিংইংক সরবরাহ করতে সক্ষম হয়, যা বাংলাদেশে তাদের ব্যবসাকে আরও সম্প্রসারিত করতে সাহায্য করেছে। শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক ও প্রধান দেশীয় ব্র্যান্ডগুলোর সাথে সম্মিলিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে কোম্পানিটির এই সেন্টার তাদের কার্যক্রমের প্রথম বছরেই ব্রেক-ইভেন পয়েন্টে পৌঁছেছে।

সেগওয়ার্ক বাংলাদেশের ব্লেন্ডিং সেন্টারটি নারায়ণগঞ্জের মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে অবস্থিত। বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রক সংস্থাও ব্র্যান্ডের সত্ত্বাধিকারীদের সকল নির্দেশনা মেনে এই সেন্টারের সব ধরনের কালি উৎপাদিত হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৩,৬০০ মেট্রিকটন। কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির লোকবল বাড়ানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যাতে গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়।

টলুইন-মুক্ত কালি উৎপাদনের উদ্যোগের মাধ্যমে সেগওয়ার্ক বাংলাদেশ কালি নিরাপত্তা বিষয়ে দেশব্যাপী সচেতনতা গড়ে তুলতে চায়। বিশেষত খাদ্য প্যাকেজিং উৎপাদনে অনিরাপদ উপাদানযুক্ত বিষাক্ত প্রিন্টিং ইংক ব্যবহারের কারণে স্বাস্থ্যের ওপর কী নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, তা তুলে ধরাই তাদের লক্ষ্য। বাংলাদেশে শেয়ার আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সেগওয়ার্ক। এছাড়া সুইস অর্ডিন্যান্স ও নেসলে গাইডলাইনের মতো বৈশ্বিক নিরাপদ খাদ্য প্যাকেজিংয়ের মান নিশ্চিত করে সম্পূর্ণ এশিয়া অঞ্চলে নিজেদের সম্প্রসারণ ঘটানোও তাদের পরিকল্পনার অংশ।

সেগওয়ার্ক বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড অংশুমান মুখার্জি বলেন, “নিরাপত্তার বিষয়টিকে সেগওয়ার্ক সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে খাদ্য প্যাকেজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত প্যাকেজিং উপাদানের মান বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।আর এই জন্য প্রয়োজন নিয়ম মাফিক টলুইন-মুক্ত কালি সিস্টেম প্রদান এবং বাংলাদেশের খাদ্য প্যাকেজিং খাতকে বৈশ্বিকমানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা। একই সাথে, আমাদের নেতৃত্বের অবস্থানকেও শক্তিশালী করে তুলতে হবে। ইতিবাচক বিষয়টি হলো সমগ্র শিল্পই এখন একসাথে টলুইন-মুক্তকালি নিয়ে কাজ করছে। কালিশিল্পকে স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ প্যাকেজিং ইকোসিস্টেমের দিকে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি প্রথম পদক্ষেপ।”

সেগওয়ার্কের একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক উৎপাদন ও পরিষেবা নেটওয়ার্ক রয়েছে। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে নিয়মিতভাবে বাংলাদেশের গ্রাহকদের উন্নতমানের পণ্য সরবরাহ করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রাহকদের সেবাপ্রদানের ব্যাপারে কোম্পানিটি সবসময় জোর দিয়ে এসেছে। গ্রাহকদের আস্থার কারণে সেগওয়ার্ক গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। টলুইন-মুক্তকালি উৎপাদনের মাধ্যমে সেগওয়ার্ক দেশীয় গ্রাহকদের নিরাপদ প্যাকেজিং তৈরিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, কোম্পানিটি সাসটেইনেবিলিটি ও প্যাকেজিং সার্কুলারিটি নিশ্চিত করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।তাই পণ্য উৎপাদনের জন্য পরিবেশ বান্ধব ও টেকসই কাঁচামাল ব্যবহার করার বিষয়েও কোম্পানিটি সচেতন।

কুবি ফয়জুন্নেসা হল ছাত্রলীগের নতুন কমিটি:সভাপতি জেরিন, সেক্রেটারি অপর্ণা

 

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হল ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইশরাত জাহান জেরিন এবং সাধারণ সম্পাদক অপর্ণা দেবী।

রবিবার (০৩ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ এবং সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এতে সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন- কনক হাসান , মার্জিয়া সুলতানা , জিনাত সুলতানা ইভা, চৈতি রাণী বৈদ্য, সিসিল জামান, সিসিলি জামান, শেফা চৌধুরী। যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন- বিলকিস জান্নাত, কাজী ফাইজা মেহজাবিন, চৈতী চাকমা, আতেফা লিয়া এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন রাফিয়া সাদিয়া ভাবনা, তাওহীদা সোনালী, আনিকা বুশরা।

উল্লেখ্য, আগামী ১ বছরের জন্য এ কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।

টেলিভিশন বিতর্কে ঢাবিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে কুবি

 

কুবি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কর্তৃক আয়োজিত ২৩তম জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২২ এ দ্বিতীয় রাউন্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ‘স্মৃতি চিরন্তন’ দলকে ২-১ ব্যালটে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম দীপশিখা।

রবিবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিটিভির রামপুরা কেন্দ্রে “মৌলবাদ বিরোধী লড়াইয়ে তরুণ সমাজই প্রধান ভূমিকা রাখতে পারে” বিষয়ের উপর বিতর্কটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক হন বিজয়ী দলের দলনেতা সাদিয়া আফরিন দীপা।

দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, আল নাঈম, কাউসার আহমেদ বাঁধন, ফারিদ মোস্তাকিম, দেবব্রত রায় চৌধুরী আতিকুজ্জামান মোল্লা ও ধ্রুব চন্দ্র দেব। দীপশিখা টিমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহবুব।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আল নাঈম বলেন, জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটা খুব সৌভাগ্যের। আর সেই প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে যদি জয় আসে, তাহলে তার আনন্দ অবর্ননীয়। কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি সবসময় বিতার্কিক তৈরি ও বিতর্কের গুনগত মান বৃদ্ধির জন্য কাজ করেছে। সামনেও কাজ করে যাবে।

উল্লেখ্য, প্রথম রাউন্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম শহীদ আসাদকে ২-১ ব্যালটে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছিল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম দ্বীপশিখা।

সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে বেড়ে উঠলে শিশুরাই এ দেশকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে: রাজীব রঞ্জন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই কমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন বলেছেন,সুস্থ-সুন্দর পরিবেশে বিকাশ লাভের সুযোগ করে দিই, তাহলে ভবিষ্যতে তারা হবে এদেশের একেকজন আদর্শ, কর্মক্ষম, সুযোগ্য নাগরিক।

সোমবার (৪ এপ্রিল) সানশাইন গ্রামার স্কুলের বার্ষিক কিরাত প্রতিযোগিতায় তিনি একথা বলেন।

৩৬ জন প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে সানশাইন গ্রামার স্কুলের বার্ষিক কিরাত প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড স্কুলের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, শিশুরা হচ্ছে একটি জাতির ভবিষ্যৎ। ছোটবেলা থেকে শিশুদের যত্ন নিতে হবে। সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে বেড়ে উঠলে একসময় তারা দেশের প্রতিটি সেক্টরে অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে এ দেশকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কারি শেখ আহমেদ বিন ইউসুফ আল আজহারি অনুষ্ঠানে কোরআন তেলওয়াত করেন এবং বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন।

সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে বেড়ে উঠলে শিশুরাই এ দেশকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে।

চাঁদপুরে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৮ প্রতিষ্ঠানকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

চাঁদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ৮ প্রতিষ্ঠানকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

পুরাতন মূল্য তালিকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও নিত্যপণ্যের অসাধু কার্যক্রম নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের অপরাধে এই জরিমানা করা হয়।

সোমবার (৪ এপ্রিল ) চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী চৌরাস্তা বাজার ও ঢালীরঘাট বাজারের ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৬ হাজার টাকা এবং শহরের পুরাণ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৮ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৮ প্রতিষ্ঠানকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করেন চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন। উক্ত অভিযান পরিচালনায় সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন পুলিশ সদস্যরা।

এ বিষয়ে নুর হোসেন জানান, পুরাতন মূল্য তালিকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপণ্যের অসাধু কার্যক্রম নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানকালে ভোক্তা স্বার্থ বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় মোট ৮ প্রতিষ্ঠানকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণে অধিদপ্তরের অভিযান চলছে এবং এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।