All posts by jitu

নাঙ্গলকোটে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় শিক্ষকের উপর হামলা

 

মো: বশির আহমেদ:

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে এক শিক্ষকের উপর একদল দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকাল আনুমানিক ১০ টার সময় ঢালুয়া ইউপির মন্নারা আলহাজ্ব ছালামত উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায়।

দুর্বৃত্ত্বের হামলায় আহত হন, মন্নারা আলহাজ্ব ছালামত উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক কামারুজ্জামান কামাল।

এ ঘটনায় স্কুলের শিক্ষার্থীরা বক্সগঞ্জ- ঢালুয়া- বাঙ্গড্ডা সড়ক অবরোধ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফারহানা ইয়াছমিন বলেন, তিনি বাদী হয়ে অভিযুক্ত বটতলী ইউপির কাশিপুর গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে রাকিব হোসেনসহ (১৯) অজ্ঞাত ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

আহত স্কুল শিক্ষক কামারুজ্জামান কামাল বলেন, সকাল ১০ টার সময় কিছু বহিরাগত বখাটেরা স্কুলের ছাত্রীদেরকে ইভটিজিং করে আসছে। তখন তারা আমার কাছে অভিযোগ দেন। এ সময় স্কুলের পাশে অবস্থানরত বখাটেদেরেকে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করতে গেলে তারা আমার উপর হামলা চালায়। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি. একজন কাশিপুর গ্রামের রাকিব। অন্যদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

এস এস সি পরিক্ষার্থী কয়েকজন শিক্ষার্থীরা বলেন- আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে বখাটেদের আটক করা না হলে কঠোর কর্মসুচী দেয়া হবে।

নাঙ্গলকোট থানার ওসি মো: ফারুক হোসেন সাংবাদিককে বলেন, আগে আপনি তদন্ত করে দেখেন। তারপর অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লামইয়া সাইফুল বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি । সাথে সাথে পুলিশ পাঠিযেছি।

৫ এপ্রিল কুমিল্লা সিটি নির্বাচনের তফসিল, ১৬ মে এর মধ্যে ভোট

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনের তফসিল আগামী ৫ এপ্রিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। এদিন একশটির মতো ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), দীর্ঘদিন আটকে থাকা কয়েকটি পৌরসভা ও স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, নতুন কমিশনের প্রথম বৈঠক আগামী ৫ এপ্রিল আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। এই সংক্রান্ত সভার নোটিশ এরই মধ্যে জারি করা হয়েছে। সভার আলোচ্যসূচির মধ্যে রয়েছে- কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন, পৌরসভা নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য নির্বাচন ও উপ-নির্বাচন এবং বিবিধ।

এর আগে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, কোনো আইনি জটিলতা আছে কি না সেই বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। কোনো আইনি জটিলতা না থাকলে, তারা উত্তর দিলেই দুই-চারদিনের মধ্যে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, কুসিকে সর্বশেষ ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় একই বছরের ১৭ মে। আইন অনুযায়ী প্রথম সভা থেকে পরের পাঁচ বছর হয় নির্বাচিত করপোরেশনের মেয়াদ। সেই অনুযায়ী এই সিটির মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ১৬ মে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণ করতে হয়। সেদিক থেকে গত ১৬ নভেম্বর এই সিটি নির্বাচনের সময় গণনা শুরু হয়েছে।

দুটি পৌরসভাকে একীভূত করে ২০১১ সালে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়। ওই বছরই প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০১৭ সালে এসে এ সিটি পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি ইউপিকে অন্তর্ভুক্ত করে আয়তন বাড়ানো হয় প্রায় তিনগুণ। এতে দেখা দেয় সীমানা জটিলতা। বর্তমানে এই সিটিতে ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ড রয়েছে।

কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের হাট-বাজারে প্রচারণা

স্টাফ রিপোর্টার:

চাকরি নিয়ে বিদেশগনেচ্ছু, বিদেশগামী এবং বিদেশ ফেরত কর্মীসহ জনসাধারণের মধ্যে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস বুধবার (৩০ মার্চ) জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রচারণা অভিযান পরিচালনা করে।

কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ-এর নেতৃত্বে একটি টিম সকাল ৮টা থেকে লালমাই উপজেলার বাগমারা বাজার, হদগড়া বাজার, ভুশ্চি বাজার, গৈয়ার ভাঙ্গা বাজার, বাংলা বাজার, লাঙ্গলকোট উপজেলার যুক্তিখোলা বাজার, নুরপুর বাজার, বাঙড্ডা বাজার এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দেড়কোটা বাজারে উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে মাইকিং-এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে এবং নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের লিফলেট, হ্যান্ডবিল, পোষ্টার ও মাস্ক বিতরণ করে।

বৈদেশিক কর্মসংস্থানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আনয়নের লক্ষ্যে এবং প্রান্তিক পর্যায়ে জনগণের মাঝে নিরাপদ অভিবাসনের তথ্য পৌঁছে দিতে কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে হাট-বাজার প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে। কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ বলেন, সঠিক তথ্য না জানার কারনে গ্রাম অঞ্চল থেকে যত মানুষ বিদেশে কর্মসংস্থান লাভ করে তাদের অনেকেরই অন্যের দ্বারা প্রতারিত হবার ঝুঁকি থেকে যায়। তাই সঠিক তথ্য সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে। তিনি অভিবাসী কর্মী এবং তাদের পরিবারের অধিকার সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণে সরকারের নানামূখী উদ্যোগের কথা বলেন। তিনি বিদেশ যাওয়ার পূর্বে সবার প্রশিক্ষণ গ্রহণের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

দেবব্রত ঘোষ বিস্তারিত তথ্যের জন্য www.probashi.gov.bd, www.bmet.gov.bd, www.wewb.gov.bd, www.bmet.comilla.gov.bd সাইটগুলো ভিজিট করার পরামর্শ দেন। এছাড়াও অভিবাসন বিষয়ে যেকোন তথ্য ও পরামর্শের জন্য কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম www.facebook.com/demo.comilla এবং www.facebook.com/District Employment and Manpower Office, Comilla –এর সাথে সংযুক্ত থাকার আহবান জানান। এমআরসি কাউন্সেলর গোলাম মোস্তফা ও মোঃ ইকবাল হোসেন নিরাপদ অভিবাসনে অভিবাসী তথ্য কেন্দ্র কিভাবে মানুষকে সহযোগিতা করছে তার বিবরণ দেন। এছাড়াও ক্যাম্পেইনে তিনি মানবপাচারের ঝুঁকি মোকাবেলায় সবাইকে সচেতন হবার আহবান জানান। জনশক্তি জরিপ অফিসার মোঃ তাজুল ইসলাম কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর মাইগ্রেশন পলিসি (আইসিএমপিডি) পরিচালিত অভিবাসী তথ্য কেন্দ্র (এমআরসি) এ আয়োজনে সহযোগিতা প্রদান করছে। বাজার কমিটির সভাপতিসহ অনেকে এর ধরনের আয়োজনকে স্বাগত জানান।

প্রত্যেকটি বাজারে প্রায় ৩০০-৪০০ লোক ক্যাম্পেইনগুলোতে অংশগ্রহণ করে। অভিবাসন বিষয়ে যেকোন তথ্য ও পরামর্শের জন্য এমআরসি বাংলাদেশের হেল্পলাইন নম্বর: ০১৭১৩০৮৬৩৩০ (কুমিল্লা) এবং ০১৭৩০৬৬৬৯৩৬ (ঢাকা) নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়।

চীনে উন্মোচিত হলো বিশ্বের দ্রুততম চার্জিং রিয়েলমি জিটি নিও ৩

 

ডেস্ক রিপোর্ট:
বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি আজ জিটি নিও সিরিজের; জিটি নিও ৩ স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে, যা বিশ্বব্যাপী তরুণ ব্যবহারকারীদের দ্রæততম চার্জিং অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। এই প্রথম মিডিয়াটেক ডিমেনসিটি ৮১০০ মোবাইল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে স্মার্টফোনটি তৈরি করা হয়েছে, যা স্মার্টফোনটির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে এবং করে তুলেছে দারুণ পাওয়ার অ্যাফিশিয়েন্ট। এছাড়াও অসাধারণ ফিচার যেমন দারুণ ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ, সুপার স্মুথ ডিসপ্লে, ১৫০ ওয়াট ব্যাটারি এবং স্টাইলিশ ডিজাইনে প্রস্তুত করা হয়েছে জিটি নিও ৩ যা ব্যবহারকারীর মোবাইলের অভিজ্ঞতা আরও সুন্দর করে। চীনে উন্মোচিত রিয়েলমি জিটি নিও ৩ (৬জিবি+১২৮জিবি) পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯৯ উয়ান মূল্যে এবং রিয়েলমি জিটি নিও ৩ – ১৫০ ওয়াট (৮জিবি+২৫৬জিবি) পাওয়া যাচ্ছে ২৫৯৯ উয়ান মূল্যে৷

আধুনিক জীবনে গ্রাহকেরা তাদের স্মার্টফোন থেকে মাল্টিটাস্ক, যেকোনো সময় কাজ করা ও দৈনন্দিন সময়সূচীর নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধা পেতে চান। তাদের এই চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই স্মার্টফোনটিতে উচ্চ মানের পাওয়ার এবং ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে মিডিয়াটেক ডিমেনসিটি ৮১০০ মোবাইল প্ল্যাটফর্ম, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিসপ্লে চিপ এবং ১৫০ ওয়াটের আলট্রা ডার্ট চার্জিং প্রযুক্তি।

১৫০ ওয়াটের বিশ্বের দ্রæততম চার্জিং স্মার্টফোন:
বেশিরভাগ প্রযুক্তিপ্রেমীরা চান দীর্ঘমেয়াদী ব্যাটারি, যার অর্থ নির্মাতাদের অবশ্যই ব্যাটারির ক্ষমতা ক্রমাগত উন্নত করতে হবে। তবে স্মার্টফোন পছন্দ করার ক্ষেত্রে গ্রাহকেরা ব্যাটারির স্থায়িত্বের পাশাপাশি ব্যাটারি চার্জ করার সময়ের উপর লক্ষ্য রাখেন। তাই, ব্যবহারকারীদের ব্যবহারের সময়ের মূল্যায়ন করতে রিয়েলমি সবসময় তাদের ডিভাইসগুলোর উপর গবেষণা করে সেগুলোকে সবচেয়ে আধুনিক দ্রæত চার্জিং প্রযুক্তির সাথে আপডেট করেছে।

একই দামের সেগমেন্টের অন্যান্য পণ্যের তুলনায়, জিটি নিও ৩ আরও শক্তিশালী। এর ১৫০ ওয়াটের আলট্রা ডার্ট ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকরা মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে ডিভাইসটি ০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ করতে পারেন এবং কোনো বাধা ছাড়াই একটি উচ্চ-গতির কর্মক্ষমতা উপভোগ করতে দেয়।

দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তির সাথে, নিরাপত্তা ব্যবহারকারীদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। একারণেই জিটি নিও ৩ ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে একটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট চার্জিং চিপ যা ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে তাত্ক্ষণিক চার্জিং সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এছাড়াও আরও ৩৮টি নিরাপত্তা-প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা সহ ডিভাইসটি নিরাপদ ফাস্ট-চার্জিংয়ে টিইউভি রাইনল্যান্ড সার্টিফিকেশন পেয়েছে যা ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করে।

এই প্রথম ডিমেনসিটি ৮১০০ মোবাইল প্ল্যাটফর্ম এবং স্বাধীন ডিসপ্লে চিপের ব্যবহার:
জিটি নিও ৩ ডিমেনসিটি ৮১০০ মোবাইল প্ল্যাটফর্ম দ্বারা চালিত স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে প্রথম। টিএসএমসি-এর ৫ ন্যানোমিটার উত্পাদন প্রক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে, জিটি নিও ৩-এ ২.৮৫ গিগাহার্টজ ক্ষমতাসম্পন্ন চারটি কর্টেক্স এ৭৮ প্রোসেসর এবং ২.০ গিগাহার্টজ ক্ষমতাসম্পন্ন চারটি কর্টেক্স এ৫৫ প্রোসেসর রয়েছে, যা উচ্চতর সিপিইউ দক্ষতা প্রদান করতে সাহায্য করে এবং একটি চিত্তাকর্ষক এবং স্থিতিশীল ৯০ এফপিএস অর্জন করতে পারে।

ডিভাইসটির স্ক্রিনে থাকছে ফুল এইচডি+ রেজোলিউশন সহ একটি ৬.৭ ইঞ্চি অ্যামোলেড প্যানেল। পাশাপাশি থাকছে ১২০ হার্টজ ক্ষমতাসম্পন্ন হাই রিফ্রেশ রেট, এইচডিআর ১০+ সার্টিফিকেশন। জিটি নিও ৩ নতুন প্রজন্মের সিওপি প্যাকেজিং প্রক্রিয়া ব্যবহার করেছে, যা ভবিষ্যতের পণ্যগুলোতে ব্যাজেল আরও ছোট করতে পারবে৷ ফলস্বরূপ, জিটি নিও ৩-এর স্ক্রীন-টু-বডি অনুপাত হল খুবই কম বেজেল সহ ৯৪.২ শতাংশ : ১.৪৮ (পার্শ্ব ) / ১.৮৪ (শীর্ষ) / ২.৩৭ (নীচে)।

তাছাড়াও, ইন্ডিপেন্ডেন্ট চিপের জন্য গ্রাফিক্স এবং ছবিগুলো দারুণ সুন্দর এবং উচ্চ-মানের দেখাবে। বিশেষভাবে, চিপ এবং অ্যালগরিদমের মাধ্যমে বস্তুর গতিপথ ধারণা করা হয় এবং দুটি ফ্রেমের মধ্যে একটি মোশন কম্পেন্সেশন ফ্রেম যুক্ত করা হয়, যা ছবির মান আরও উন্নত করে। উপরের স্পেসিফিকেশনগুলোর সাথে, জিটি নিও ৩ একটি স্মার্টফোনের বাইরে একটি ডেডিকেটেড ডিভাইস হয়ে উঠতে সক্ষম যা গেমার এবং স্ট্রিমারদের জন্যও উপযুক্ত।

এক্সক্লুসিভ স্ট্রিট ফটোগ্রাফি মোড সহ ওয়াইড-এঙ্গেল ট্রিপল ক্যামেরা:
রিয়েলমি জিটি নিও ৩ এখনও একটি ট্রিপল-ক্যামেরা সিস্টেমের সাথে সজ্জিত, যেখানে প্রধান ক্যামেরাটি ৫০ মেগাপিক্সেল রেজোলিউশনের এবং একটি সনি আইএমএক্স ৭৬৬ সেন্সর সম্বলিত। অন্য দুটি ক্যামেরার একটি ৮ মেগাপিক্সেল রেজোলিউশনের আল্ট্রা-ওয়াইড লেন্স সম্বলিত এবং অন্যটি ২ মেগাপিক্সেল রেজোলিউশনের ম্যাক্রো লেন্স সম্বলিত। ফলে পেশাদার-অপেশাদার উভয়ই ধরনের মানুষই খুব সহজেই সুন্দর ও প্রাণবন্ত ছবি তুলে পরিবার এবং বন্ধুদের সাথের মুহূর্তগুলো স্মরণীয় করে রাখতে পারবে।

উপরের এই বৈশিষ্ট্যগুলির সাথে, জিটি নিও ৩ প্রযুক্তিপ্রেমীদের, বিশেষ করে তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য একটি আবশ্যক ডিভাইস হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে। মোবাইলটি শীর্ষস্থানীয় আধুনিক প্রযুক্তি এবং একটি ফ্যাশনেবল ডিজাইন সরবরাহ করে যা এগুলোকে কেবল একটি প্রিমিয়াম ডিভাইসই নয় বরং ভবিষ্যতের দিকে একটি প্রবণতাপূর্ণ জীবনযাত্রায় পরিণত করেছে।

জীবনবিমা সম্পর্কে জানার জন্য মেটলাইফ চালু করল দেশের প্রথম টোল-ফ্রি হটলাইন: হ্যালোবীমা

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ যেন জীবনবীমা সম্পর্কে আরও সহজে জানতে পারে সেজন্য দেশে প্রথমবারের মত ‘হ্যালো বীমা’ শীর্ষক টোল-ফ্রি হটলাইন চালু করেছে মেটলাইফ বাংলাদেশ।

টেলিফোন বা মোবাইল কানেকশন আছে এমন যে কেউ হ্যালো বীমায় যোগাযোগ করে জীবন বীমা ও এর সুবিধা সম্পর্কিত যেকোনো জিজ্ঞাসার উত্তর পাবেন।

দেশের বেশিরভাগ মানুষের মাঝে ভবিষ্যতের সুরক্ষার জন্য জীবন বীমার সুবিধাদি নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। একই সাথে, বীমা সম্পর্কে মানুষের মাঝে বেশ কিছু ভুল ধারণাও রয়েছে। হ্যালোবীমা’র লক্ষ্য মানুষকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কন্টাক্ট সেন্টার কর্মীর সাথে সরাসরি কথা বলতে উৎসাহিত করা, যাতে তারা জীবনবীমা এবং আর্থিক সুরক্ষার বিষয়ে তাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর পেতে পারেন এবং জীবনবীমা তাদের কীভাবে সাহায্য করতে পারে সে ব্যাপারে পরিষ্কার ধারণা পান।

রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টোল-ফ্রি ০৮০০০০১৬৩৪৪ নম্বরে ডায়াল করে হ্যালোবীমা হটলাইন সেবা পাওয়া যাবে।

এই হটলাইন সেবাচালু প্রসঙ্গে মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, আলা আহমদ বলেন, “কোভিড-১৯ মহামারিকালে আমরা লক্ষ্য করেছি যে, এখন অনেকেই জীবনবীমার মাধ্যমে তাদেও ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার ব্যাপারে জানতে আগ্রহী। হ্যালোবীমা টোলফ্রি হটলাইন সেবার মাধ্যমে এখন সবাই মেটলাইফের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের আলোকে জীবনবীমা সম্পর্কিত তথ্য জানতে পারবে যা আগে শুধু মেটলাইফ গ্রাহকরাই পেতেন।”

মেটলাইফের হেড অব বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, নেপাল এবং ভিয়েতনাম, এলেনা বুটারোভা বলেন, “বাংলাদেশ মেটলাইফের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা এদেশের জনগণের জন্য নিশ্চিন্ত ভবিষ্যত গড়ে তুলতে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ।আমরা বিশ্বাস করি যে, সহজেই জীবন বীমা সম্পর্কিত সঠিক তথ্য জানতে পারলে সচেতনভাবে এ ব্যাপাওে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হবে। হ্যালোবীমা আমাদের ক্রমবর্ধমান উদ্যোগসম‚হের মধ্যে একটি নতুন সংযোজন। এই উদ্যোগসম‚হের মধ্যে আরো রয়েছে স্মার্ট কাস্টমার পোর্টাল, সুবিধাজনক প্রিমিয়াম পেমেন্ট চ্যানেল যেমন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) এবং ৩৬০ হেলথ অ্যাপ যা বাংলাদেশে জুড়ে জীবনবীমা সম্পর্কে সচেতনতা ও আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে চলেছে।”

রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় কেনাকাটাকে সহজ করবে দারাজের “রমজান বাজার”

ডেস্ক রিপোর্ট: আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে ক্রেতা সাধারণের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের কেনাকাটা আরেকটু সহজ করতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ (http://daraz.com.bd) চালু করেছে অনলাইন গ্রোসারি শপিং ক্যাম্পেইন “রমজান বাজার”।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য মাহে রমজান একটি বিশেষ মাস। বছরের বিশেষ এ মাসটিতে তারা আত্মশুদ্ধির সাধনায় নিবেদিত থাকেন। গ্রীষ্মের উত্তাপ ও চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতির মাঝে দারাজের “রমজান বাজার” ক্যাম্পেইনটির মাধ্যমে ক্রেতারা অল্প সময় ও শ্রম ব্যয় করে তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় সকল পণ্য ক্রয় করতে পারবেন।

“রমজান বাজার” ক্যাম্পেইনের আওতায় গ্রোসারি শপিং-এ রয়েছে ৭০০ টাকা পর্যন্ত ভাউচার মূল্যছাড়সহ আকর্ষণীয় সব অফার। এছাড়া বিকাশ- পেমেন্টে পাচ্ছেন ১৫% ক্যাশব্যাক এবং আরো অনেক পেমেন্ট পার্টনার অফার। এ প্রসঙ্গে দারাজ বাংলাদেশের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) মো. তাজদিন হাসান বলেন, “প্রত্যেক মুসলমানের জন্য রমজান মাসটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের রমজান বাজার ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ক্রেতারা ডিসকাউন্ট ক্যুপন ও ভাউচার ব্যবহারের মাধ্যমে সুলভ মূল্যে তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবেন। রমজান উপলক্ষে আমাদের এ উদ্যোগটির মাধ্যমে ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যেই সব ধরনের মুদি কেনাকাটা পারবেন বলে আমি আশা করছি।”

দারাজ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ মোস্তাহিদল হক বলেন, “রমজান মাসটি আমাদের মাঝে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার এক উপলক্ষ হিসেবে আসে। জনগণের ব্র্যান্ড হিসেবে দারাজ সাধারণ মানুষের জীবনকে প্রতিদিন আরো একটু স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে “রমজান বাজার” ক্যাম্পেইনের দারুণ সব অফারের মাধ্যমে আমরা ক্রেতা সাধারণের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি।”

দারাজের রমজান বাজার ক্যাম্পেইনটি আগামী ৩১ মার্চ ২০২২ পর্যন্ত চালু থাকবে।

বিটিভি বিতর্কে জয়ী কুবি

 

কুবি প্রতিনিধি :

স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রথম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২২ এ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ হাসিনা হল টিমকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল টিম।

আজ (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ টায় ‘নিজ জমিতে চাষের অধিকার থাকলেও গৃহনির্মাণ অধিকার সীমিত করা উচিত’ এই বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

বিতর্কে পক্ষ দল ছিলো শেখ হাসিনা হল, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিপক্ষ দল ছিলো শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

এ বিজয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আল নাইম বলেন, জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়লাভ আমাদের ধারাবাহিক কার্যক্রমের ফলাফল। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিতর্কের মাধ্যমে সুনাম বয়ে আনতে সবসময় কাজ করবে কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি। বিতর্কের মানোন্নয়নে আমাদের কার্যক্রম সবসময় অব্যাহত থাকবে। এ জয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের। (সভাপতির বক্তব্য)

বিতর্কে শ্রেষ্ঠ বক্তা হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ তারিকুল ইসলাম।

উল্লেখ্য বিতর্কে ১ম বক্তা ছিলেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মুসা ভূঁইয়া, ২য় বক্তা ছিলেন আব্দুর রহমান, ৩য় বক্তা ও দল নেতা ছিলেন মোঃ তারিকুল ইসলাম।

উচ্চশিক্ষা নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে সিম্পোজিয়াম আয়োজন ব্রিটিশ কাউন্সিলের

ডেস্ক রিপোর্ট:
দেশের উচ্চশিক্ষা পরিস্থিতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় এক সিম্পোজিয়াম আয়োজন করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল।

কীভাবে আপনি উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন করবেন এবং শ্রম বাজারের চাহিদার সাথে একে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলবেন? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার প্রয়াসে সিম্পোজিয়ামটির আয়োজন করা হয়। এই আয়োজনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), সারা দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, কর্পোরেট খাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ ও উদ্যোক্তা এবং দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে কমর্রত উন্নয়ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সিম্পোজিয়ামে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত রুশনারা আলী, এমপি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ড. মোকলেসুর রহমান। সিম্পোজিয়ামে সভাপতিত্ব করেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের বাংলাদেশের ডিরেক্টর টম মিশসা।

দিনব্যাপী আলোচনা, প্রেজেন্টেশন এবং প্যানেল আলোচনার মধ্য দিয়ে এই সিম্পোজিয়ামে দেশের উচ্চশিক্ষায় বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি শিক্ষার মান ও প্রাসঙ্গিকতা বৃদ্ধিতে বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য সমাধানের ওপর আলোকপাত করা হয়। সিম্পোজিয়ামে দেশের স্নাতক ডিগ্রিধারীদের চাকরি পাওয়ার যোগ্যতা ও দক্ষতা এবং নিয়োগকর্তাদের প্রত্যাশার মধ্যে বিদ্যমান ঘাটতির বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। শিল্পক্ষেত্র ও শিক্ষা খাতের যৌথভাবে তৈরি পাঠ্যক্রম ও অনুষদের উন্নয়ন কীভাবে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের দক্ষতা ও নিয়োগকর্তার প্রয়োজনীয়তার মধ্যে ব্যবধান কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। শিক্ষার মান ও প্রাসঙ্গিকতা বৃদ্ধির পন্থা হিসেবে বাংলাদেশ এবং বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের বিষয়েও আলোকপাত করা হয়।

ইউজিসির ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, “উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে মান ও প্রাসঙ্গিকতা নিশ্চিতে কর্মসংস্থানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিল্পখাত ও অ্যাকাডেমিকদের মধ্যে সংযোগ, ফোরআইআর প্রযুক্তি, সুশাসন ও ফ্যাকাল্টিদের জন্য বিস্তৃত পরিসরের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। তিà