All posts by jitu

কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাই- দাবীতে সৌদিতে গণ স্বাক্ষর ও আলোচনা সভা

সৌদি আরব প্রতিনিধি:

রিয়াদে কুমিল্লা নাম-ই বিভাগ চাই এই দাবীতে কুমিল্লা প্রবাসী সোসাইটি – সৌদি আরবের উদ্যোগে গণ স্বাক্ষর ও আলোচনা সভা স্থানীয় এক কমিউনিটি সেন্টারে শেখ জামাল ও আলমগীর হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় কুমিল্লা প্রবাসী সোসাইটির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম নূরু’র সভাপতিত্বে সভার শুরুতে পবিত্র কুরআন হতে তেলোয়াত করেন মোঃ রুস্তম খাঁন। উপস্থিত সকলে প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ ও বৃহত্তর কুমিল্লা বাসির প্রাণের দাবী কুমিল্লা নামেই বিভাগ বাস্তবায়নের দাবীতে জোরালো বক্তব্য রাখেন ও স্লোগান দেন।


গোটা বিশ্ব হতে বৃহত্তর কুমিল্লার প্রবাসীদের পক্ষ থেকে স্মারক লিপি ও গণস্বাক্ষর স্থানীয় বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা মনোহরগুঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেন।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার কৃতিসন্তান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ রফিকুল ইসলাম মাহবুব, চাঁদপুর জেলার কৃতিসন্তান সাংবাদিক ও নাট্যকার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন নূরে আলম,আব্দুর রহিম নূরুল আমিন,মীর হোসেন,ইব্রাহিম, হাবীব উল্লাহ, এনামুল হক ভূইয়া প্রমুখ।

সবশেষে কুমিল্লা প্রবাসী সোসাইটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলামের বাবা দীর্ঘদিন অসুস্থবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে তার সুস্থতা কামনা করা সভাস্থলে বিশেষ দোয়া করেন মাওলানা নুরুল আমিন।

কুমিল্লার পাচঁথুবীর বিভিন্ন সীমান্তে মাদকের রমরমা ব্যবসা

 

ইসতিয়াক আহমেদ / শাহ ইমরান:

কুমিল্লা বাংলাদেশের একটি সীমান্তবর্তী জেলা শহর। সম্প্রতি কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে চলছে মাদকের রমরমা ব্যবসা। কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার পাচথুবি ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকায় দিবালোকেই চলছে মাদক ব্যবসা। উল্লেখ্য যে, সুবর্ণপুর, বাড়াইপুর, পশ্চিম মাঝিগাছা, কোটেশ্বর, বাঘবের, নিশ্চিন্তপুর, জালুয়াপাড়া, খিলপাড়া, শিবের বাজার, শাহপুর, গোলাবাড়ি এবং শালধর ব্রীজ ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা বিধায় মাদকের প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে থেকে জানা যায় এই সব সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ফেন্সিডিল, ইয়াবা, হেরোইন গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য প্রকাশ্য দিবালোকেই বেচাকেনা করে যাচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা।

এসব চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের প্রকাশ্য বিচরণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। কেউ কিছু বললে তাদের ওপর নেমে আসে খড়গ।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, সুবর্ণপুর, বাড়াইপুর, পশ্চিম মাঝিগাছা, কোটেশ্বর, বাঘবের, নিশ্চিন্তপুর, জালুয়াপাড়া, শাহপুর, গোলাবাড়ি এবং শালধর ব্রীজের কিছু অংশ মাদক সেবীদের নিরাপদ স্থান হওয়ায় দিনরাত নির্বিঘ্নে চলে তাদের ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা ও হেরোইনসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক সেবনের কাজ।

তবে মাদক সেবীদের আনাগোনা বেশী লক্ষ্য করা যায় বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত। বিকেলের পর থেকে শুরু হয় এই সব এলাকার উপর দিয়ে শত শত মোটরসাইকেল, সিএনজি চলাচল। রাত যতবাড়ে মাদক সেবীদের জন্য এই সব এলাকা পরিণত হয় অভয়ারণ্য।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার অনেকে জানিয়েছেন, এই সব এলাকার বেশ কিছু দোকানপাটেও চলে মাদকের ব্যবসা। আর ওইসব দোকান থেকে দূর দূরান্তের আসা বিভিন্ন মাদকসেবী ইয়াবা, ফেনসিডিল ও হেরোইন সেবন ও ক্রয় করে থাকে।

আর এসব মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে থকেন এলাকার বেশ কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি। প্রত্যেকটি এলাকায় আছে একজন করে গডফাদার যাদের ছত্রছায়ায় মাদক ব্যবসায়ীরা অবাঁধে মাদক ব্যবসা চালালেও এলাকার সাধারন মানুষ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পায় না।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী একজন সচেতন ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এসব মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে জানানোর পর, প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে কিছু মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করে। কিছু দিন পর জেল থেকে জামিনে বের হয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুনরায় মাদক ব্যবসা শুরু করে। যার কারণে বন্ধও হচ্ছে না তাদের মাদক ব্যবসা।

এসব মাদকের হাট বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভূক্তভোগী পাঁচথুবী ইউনিয়নের এলাকাবাসী।

মাদক ব্যবসা বন্ধে ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি না এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কুমিল্লা মোঃ সোহান সরকার (পিপিএম) জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আমরা প্রতিদিন মাদকদ্রব্যসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক করছি। যদি আমাদেরকে কেউ সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয় তাহলে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

জমকালো আয়োজনে সৌদি আরবে “বাংলার হাসি” পিঠা উৎসব

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়, সৌদি আরব :
প্রবাসের মাটিতে দেশীয় পিঠা উৎসবে মেতে উঠি, আসুন সবাই বাংলাদেশকে ভালোবাসি এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সৌদি আরবে শীত না থাকলেও শীতের আমেজে প্রবাসী বাংলাদেশীদের শীতের পিঠার আনন্দ দিতে সমুদ্রের ধারে একটু সময়ের জন্য হলেও সুদূর প্রবাসে বসে দেশকে খুব মনে পড়ে। মনে পড়ে পিঠা খাওয়ার দিনগুলো। আর তারই ধারাবাহিকতায় এই প্রথম বাংলাদেশি ঐতিহ্য প্রবাসীদের মাঝে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে সৌদি সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের অধীনে জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ইভেন্ট প্লানিং এন্ড মার্কেটিং কোম্পানির তত্ত্বাবধানে ফ্যামিলি নাইট, কালচারাল শো এবং পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ মার্চ বন্দরনগরীর জেদ্দায়় আল করনিসে অনুষ্ঠিত হলো এই জমকালো আয়োজন।

সৌদি আরবের ব্যস্ততম নগরী জেদ্দায়় করনিসে আধা কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকাজুড়ে় “বাংলার হাসি” নিয়ে বাংলা পিঠা ফেস্টিভাল অনুষ্ঠিত হয়়। বাঙালির ঐতিহ্যপূর্ণ সুস্বাদু পিঠা উৎসবে বেশ আগ্রহ নিয়েই প্রবাসী বাঙালিরা অংশগ্রহণ করে। সাময়িক সময়ের জন্য দেশীয় কৃষ্টিকালচারের স্বাদ আর ব্যতিক্রমধর্মী সাংস্কৃতিক আয়োজন নির্মল আনন্দের খোরাক যোগায় প্রাবাসীদের। যান্ত্রিক ও ব্যস্ত জীবনের মাঝে দেশি আমেজে একটু সময়় কাটানো এবং বাংলাদেশি ঐতিহ্য প্রবাসীদের মাঝে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এ আয়োজন করা হয় বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। বিপুলসংখ্যক প্রবাসীরা পরিবার পরিজনসহ উৎসবে অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হরেক রকম পিঠা-পুলি বা পায়েশ খেয়ে একদিকে যেমন তৃপ্তি পান, অন্যদিকে বাঙ্গালীর শীতকালীন পিঠা খাওয়ার ঐতিহ্যবাহী উৎসবের মাঝে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন অপার মহিমায়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয় সন্ধ্যার পরে। দুই সেশন অনুষ্ঠানের পরিচালনায়় দায়িত্বে ছিলেন- মুহাম্মদ এবিএস রাব্বি ও এম এ সালাম। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ইভেন্ট প্লানিং এন্ড মার্কেটিং কোম্পানির চেয়ারম্যান হাইফা মাহমুদ নাজি, সামির আজিজ চেয়ারম্যান সামির আজিজ গ্রুপে ও নোওশীন আহমেদ ইন্টারটেইনমেন্ট জেনারেল অথোরেটির এশিয়ান ডিপার্টমেন্ট প্রধান। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, আয়োজক কমিটির প্রধান আশরাফ আলীম।

এ ছাড়াও আয়োজক কমিটির মেম্বার ফারাহ ওমর, আজিজুল হক মিলন, এম রাশেদ মামুনুল হক মামুন, রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন সৌদিআরব সভাপতি এম ওয়াই আলাউদ্দিন সহ অনেকে। বিশেষ অতিথি ছিলেন আতাউর রহমান মুকুল, চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (জাতীয়় পাঠক্রম) জেদ্দা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ইউসুফ খান, বিলাল হোসেন, মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম মঞ্জু, ওয়াশিং কবির ও সাখাওয়াত হোসেন, আরও উপস্থিত ছিলেন ইসমাইল হোসেন, সাইফুল ইসলাম, ফজলুল হক ভিকু, দেলোয়ার সরকার, কোরবান আলী বিশ্বাস, সোহেল রানাসহ অনেকে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নাচে, গানে হাজার হাজার প্রবাসীদের মাতিয়ে় তুলেন খুদে গানরাজ শিল্পী ইমরান। স্থানীয় শিল্পী আকিলা হাসান, শাকিলসহ আরো অনেক। পিঠা উৎসবে আগত অতিথিরা অসাধারণ এ আয়োজনের জন্য ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং কোম্পানিকে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

মেলায় আগত মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন ভূইয়া বলেন, আয়োজনে কোনো ঘাটতি রাখেনি আয়োজক কমিটি। বিদেশের মাটিতে হরেক রকমের পিঠার স্বাদ নেওয়ার সুযোগ ও ব্যতিক্রম ধর্মী সাংস্কৃতিক আয়োজন করায় সত্যি খুবই খুশি। সৌদি আরবের মাটিতে বারবার এমন আয়োজন করে ভ্রাতৃত্ব বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করুক এমনটাই চাই আমরা।

সিমপ্লিফাইড নানা পণ্য ও সেবা চালুর মাধ্যমে গ্রাহক অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করছে গ্রামীণফোন

 

ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে ডিজিটাল বাংলাদেশের কানেক্টিভিটি পার্টনার গ্রামীণফোন গ্রাহকদের জন্য সবসময় সিমপ্লিফাইড নানা সল্যুশন ও উদ্ভাবনী বিভিন্ন সেবা নিয়ে এসেছে।

প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বাস করে ৮৫টি সিমপ্লিফাইড প্যাকেজ নিয়ে আসার ক্ষেত্রে বিটিআরসি’র সা¤প্রতিক নির্দেশনা তাদের সক্ষমতাকে আরও দৃঢ় করবে। কোনো গ্রাহক যদি মেয়াদ শেষের আগে একই প্যাকেজ নতুন করে কিনেন বা রিনিউ করেন সেক্ষেত্রে আগের প্যাকেজের অব্যবহৃত ডেটা অ্যাকাউন্টে ক্যারি ফরোয়ার্ড হওয়ার সুবিধাও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এ নিয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান মার্কেটিং অফিসার সাজ্জাদ হাসিব বলেন, “গত ২৫ বছর ধরে দেশের মানুষের সবচেয়ে পছন্দের টেলিকম ব্র্যান্ড হিসেবে গ্রামীণফোন সবসময় সহজ ও উদ্ভাবনী পণ্য ও সেবা নিয়ে আসার মাধ্যমে এর মূল্যবান গ্রাহকদের সেবা প্রদানে বিশ্বাস করে আসছে। আমরা গ্রাহকদের জন্য দেশজুড়ে আমাদের ফোরজি অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করে চলেছি। আমরা বিশ্বাস করি, গ্রাহকদের জন্য দেশের যেকোনো জায়গা থেকে ডিজিটাল কানেক্টিভিটি ব্যবহার করে সম্ভাবনা উন্মোচনের এখনই সময়। আমাদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র থেকে নির্দেশনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে গ্রাহকদের জন্য অর্থবহ পোর্টফোলিও তৈরি করতে পেরে আমরা আনন্দিত।”

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যেকোনো অপারেটর গ্রাহকদের নিয়মিত প্যাকেজ ও গ্রাহক-কেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজ ক্যাটাগরির অধীনে মোট ৮৫টি ডেটা ও কম্বো প্যাকেজ নিয়ে আসতে পারবে। এছাড়াও, মোবাইল ফোন অপারেটসমূহ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ক্যাটাগরিতে আরও ১০টি প্যাকেজ চালু করতে পারবে। ফলে, সব মিলিয়ে প্যাকেজ সংখ্যা হবে ৯৫। এই প্যাকেজগুলোর মেয়াদ হতে পারবে চার ধরনের ৩/৭/১৫/৩০ দিন।

গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের পছন্দের প্যাকেজগুলো খুব সহজেই কিনতে পারবেন; পাশাপাশি, গ্রাহকরা অব্যবহৃত ডাটা (মেয়াদকালীন সময়ের মধ্যে যদি গ্রাহকরা একই প্যাকেজ ক্রয় করেন) দীর্ঘ সময়ের জন্য ক্যারি ফরোয়ার্ড এর সুবিধা পাবেন, যা আগামী দিনগুলোতেও চালু থাকবে। গ্রাহকরা মাইজিপি অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সেবা ও অতিরিক্ত সুবিধার প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা গ্রহণ করতে পারবেন। গ্রাহকরা ফোনে ট্যাপ করেই যেকোন ইন্টারনেট কিংবা বান্ডেল/কম্বো অফার সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

গ্রামীণফোন বিশ্বাস করে, নতুন পরিবর্তনগুলো গ্রাহকদের জন্য নতুন সব সুবিধা নিয়ে আসবে। গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা ইতোমধ্যেই দেশজুড়ে থাকা শক্তিশালী কানেক্টিভিটি সুবিধা ও ফোরজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বাচ্ছন্দ্যে নিজেদের কানেক্টেড রেখেছেন। প্রত্যন্ত এলাকাতেও সবাইকে কানেক্টিভিটি সুবিধার আওতায় আনতে গ্রামীণফোন এর সবগুলো টাওয়ারকে ফোরজি সুবিধার আওতায় নিয়ে এসেছে।

বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয় শতবর্ষের আলো ছড়ানো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- অর্থমন্ত্রী

 

স্টাফ রিপোর্টার:

বাঙালি জাতির স্বপ্নসাধ পূরণের মাস, অগ্নিঝরা মার্চ। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম ঘটনা হচ্ছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এই ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক-রাজনৈতিক স্বপ্ন পূরণ হয় এ মাসে। ১৯৭১ সালের মার্চের ইতিহাস বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ও আমাদের অস্তিত্বের অনন্য নজির। এবারের মার্চ এক আলাদা তাৎপর্যে অভিষিক্ত। কেননা ‘মুজিববর্ষ, স্বাধীনতা ও বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী’র এই মার্চ সারা বিশ্বে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে উন্নীত করেছে এক আলোকিত সাম্রাজ্যে। এমনি সময়ে আমাদের কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় অবস্থিত বাগমারা উ”চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদ্যাপন, সত্যিই অত্যন্ত আনন্দের। ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এক আলোকিত জনপদ আমাদের কুমিল্লা। আর এ আলোকদীপ্তির অন্তরালে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি অনন্য অবদান রেখে চলছে সেটি হলো আমাদের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়।

১৯ মার্চ (শনিবার) বিকালে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, এফসিএ, এমপি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয় শতবর্ষের আলো ছড়ানো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ২০২১ সালে শত বৎসর পুর্ণ করেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। এ জনপদকে জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করার লক্ষ্যে এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শুরুটা ছিল বন্ধুর ও ও কন্টকাকীর্ণ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই বিভিন্ন এলাকায় হাতে গোনা কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়ে শিক্ষার আলো বিতরণ শুরু করে। তার মধ্যে অন্যতম প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয় ১৯২১ সালে।

ঐতিহ্যবাহী বাগমারা বাজারের সন্নিকটে ফাকাতিয়া এবং গুইঙ্গাজুরির তীরবতী স্থানে কতিপয় শিক্ষানুরাগী মহৎপ্রাণ, তাদের মেধা, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করে এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে ১ জানুয়ারি ১৯২১ খ্রি. তারিখে প্রতিষ্ঠিত করেন আমাদের কৈশোরের স্মৃতি বিজড়িত এই বিদ্যাপীঠ। শতবর্ষ পূর্বে বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয় নামক এই জ্ঞানবৃক্ষটি বপন করার ক্ষেত্রে এই এলাকার যেসকল জ্ঞানী, ত্যাগী ও শিক্ষানুরাগী মহৎ ব্যক্তিগণ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তাদের মধ্যে অন্যতম মো: অছিমুদ্দিন (এম.এল.এ), পন্ডিত জমির উদ্দিন ভূঞা, আমজাদ আলী ডাকপিয়ন, হাজি চান মিয়া, মো: রাজা মিয়া প্রমুখ। প্রত্যেক মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত থাকে যেগুলো কখনই ভুলবার নয়। আমারও স্কুল জীবনের মধুময় দিনগুলোর ভাললাগা মুহূর্তগুলো স্মৃতিতে দোলা দিয়ে যায়। ইচ্ছে জাগে আবারও ধুলোমাখা শরীরে ফিরে যাই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। এখনো এই বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট যে কোন কাজে প্রাণের টানে ছুটে যাই আপন তাগিদে। আমার বিশ্বাস, ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির আলোকিত সন্তানেরা সমাজের বিভিন্ন স্তরে তাদের সুযোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণমূলক সেবার মান উন্নয়নে সরকারি প্রতিনিধি দল গেলেন আরব আমিরাতে

 

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণমূলক সেবার মান উন্নয়নে সরকারি প্রতিনিধি দল গেলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে ।

১৯ মার্চ (শনিবার) সকাল সাড়ে দশটায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ও আবুধাবিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কল্যাণ উইং পরিদর্শন, প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং শ্রমবাজার অনুসন্ধান ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রতিনিধি দল এমিরেটস এয়ারলাইন্স এর একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

৫ সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুগ্মসচিব এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এর পরিচালক (অর্থ ও কল্যাণ) শোয়াইব আহমাদ খান। প্রতিনিধি দলে আরও আছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব একেএম শরীফুল আলম সিদ্দিকী, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এর উপপরিচালক শরীফুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান এবং কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ।

প্রতিনিধি দলটি ২০ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থান করবেন। এ সময়কালে তারা বাংলাদেশের প্রবাসী কর্মী ও তাদের সংগঠনের সাথে সাক্ষাৎ করবেন এবং উক্ত দেশের নিয়োগকারী ও তাদের সংগঠনের সাথে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানান কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ।

সারের জন্য বিক্ষোভ করা নিরপরাধ ১৭ জন কৃষককে বিএনপি হত্যা করে -স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার লাকসাম চাঁদগাঁও কোয়াঁর ইন্দ্রধাম বৌদ্ধ বিহারে উপসংঘরাজ দর্শনবা‌রি‌ধি অধ্যাপক ধর্মর‌ক্ষিত মহা‌থের জাতীয় অ‌ন্ত্যেষ্টি‌ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়।

শ‌নিবার সকা‌লে সদ্য ২১‌শে পদকপ্রাপ্ত বাংলা‌দেশী বৌদ্ধ‌দের স‌র্বোচ্চ ধর্মীয় গুরুমহামান্য সংঘরাজ শাসন শোভন জ্ঞানশ্রী মহা‌থের সভাপ‌তিত্বে এটি অনু‌ষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এম‌পি বলেন, ধর্মীয় কোন বি‌ভেদ নেই। কিছু অসাধু মানুষ আ‌ছে রাজ‌নৈ‌তিকভা‌বে ধর্ম‌কে বিভাজন ক‌রে।‌ বিএন‌পি যখন রা‌ষ্ট্রিয় ক্ষমতায় তখন সা‌রের জন্য কৃষকরা বি‌ক্ষোভ ক‌রে‌ছে। বিএনপি সরকার নিরপরাধ ১৭ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করে। বর্তমানে দেশ উন্নয়নের পথে এগুচ্ছে। এ অভূত উন্নয়ন‌কে বাধা প্রদা‌নের জন্য বি‌ভিন্ন ষড়যন্ত্র করা হ‌চ্ছে।

অনুষ্ঠা‌নে বি‌শেষ অ‌তি‌থির বক্তব্য রা‌খেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, সি‌নিয়র স‌চিব হেলালুদ্দীন আহ‌মেদ, জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পু‌লিশ সুপার ফারুক আহ‌মেদ, লাকসাম উপ‌জেলা চেয়ারম্যান এড ইউনুস ভূঁইয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা।

প‌রে আলংনৃত্য, অ‌নিত্য ও স্মৃ‌তিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অ‌ন্ত্যো‌ষ্টি‌ক্রিয়ার মধ্য দি‌য়ে ধর্মগুরুকে চির বিদায় দি‌তে দে‌শের বি‌ভিন্ন জেলার বৌদ্ধধর্মাল‌ম্বিরা অংশ নেন।

বাতিঘরে চলছে ‘লেটার্স টু দ্য সিটি’ প্রদর্শনী

ডেস্ক রিপোর্ট:
ঢাকা মেমোরি এবং মঙ্গলদীপ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে চলছে ‘লেটার্স টু দ্য সিটি’ (শহরের কাছে খোলা চিঠি) শীর্ষক একটি প্রদর্শনী। এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে শহর নিয়ে নারীদের বিভিন্ন ধরনের ভাবনা ও জেন্ডার-ইকুয়েল শহর সম্পর্কে সংগঠিত কথোপকথন তুলে ধরা হয়েছে।

শিল্পী, ইলাস্ট্রেটর ও অন্যান্য অতিথিদের অংশ্রগহণে গত ১৮ মার্চ এ প্রদর্শনীটি শুরু হয়। এ প্রদর্শনীটি রাজধানীর বনানীর বাড়ি নম্বর: ৬৩, রোড: ৭/বি, ব্লক: এইচ এ অবস্থিত ‘বাতিঘর-স্মৃতিতে স্মরণে আলী যাকের’ এ আগামী ২৬ মার্চ ২০২২ পর্যন্ত চলবে। ৩০ জন শিল্পী ও ইলাস্ট্রেটর তাদের শিল্পকর্ম নিয়ে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করছে। এ প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

গত বছরের আগস্ট মাসে ঢাকা মেমোরি টিম ‘অ্যান ওপেন লেটার টু মাই সিটি’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শহর নিয়ে নারীদের চিন্তা-ভাবনা শেয়ার করার জন্য আহ্বান জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাম্পেইনটিতে বিভিন্ন বয়সী ও ব্যাকগ্রাউন্ডের ১২৯ জন নারী চিঠি জমা দেয়। এ চিঠিগুলোতে শহর নিয়ে নারীদের আবেগ, সংগ্রামের বিষয়, নস্টালজিয়া, ইচ্ছা, হতাশা, আশা ও ভালোবাসার বিভিন্ন বিষয়গুলো উঠে আসে। চিঠিগুলোতে প্রকাশিত আবেগ ও ভাবনাগুলো শহরের সাথে নারীদের সম্পর্ক এবং সমাজে বিদ্যমান আরও কিছু রীতি পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ তৈরি করে।

‘উইমেন অ্যান্ড দ্য সিটি’ শীর্ষক এক দীর্ঘমেয়াদী ইন্টারডিসিপ্লিনারি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩০ জন শিল্পী এবং ইলাস্ট্রেটর তাদের শিল্পকর্মের মাধ্যমে সেই আবেগ, ভাবনা এবং আকাঙ্ক্ষাগুলো তুলে ধরেন। বাংলাদেশের শহরে বসবাসকারী/কাজ করছেন এমন নারীরা যেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন, সে ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে শিল্প সমঝদার ও সর্বস্তরের জনগণের জন্য এই চিত্রকর্মগুলো প্রদর্শিত হচ্ছে। নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিভিন্ন বিষয় মাথায় রেখে নারীদের কীভাবে চলাফেরার পরিকল্পনা ও নানাবিধ আপোষ করতে হয় সেসব বিষয়গুলো এসব চিত্রকর্মের মধ্যে ফুটে উঠেছে।

চিঠিপত্র এবং শিল্পকর্ম প্রদর্শনের পাশাপাশি, ঢাকা মেমোরি টিম কালেকটিভ ড্রয়িং, আলোচনা, পত্র পঠন এবং লেখালেখি সেশনের মতো বিভিন্ন কার্যক্রমের সাথে ওপেন স্টুডিও আয়োজন করতে যাচ্ছে। এতে শিল্পী ও স্থপতিরা অংশ নেবেন এবং দর্শনার্থীদের সাথে যুক্ত হবেন। শিল্পী ওয়াকিলুর রহমান, রেজওয়ানা হাসান, ইরিনা জাহান মেঘলা কয়েকটি সেশনে অংশ নিবেন। একটি সান্ধ্যকালীন সেশনে কাকতাল মিউজিক গ্রæপ দর্শনার্থীদের সাথে যুক্ত হন। ২৬ মার্চ উদীয়মান ব্যান্ড পোস্ট অফিস সোসাইটির কনসার্টের মধ্য দিয়ে এà¦