All posts by jitu

শাওমির ঈদ ক্যাম্পেইনে জয়ী প্রথম পাঁচজনের হাতে মেগাপুরস্কার তুলে দিলেন ক্রিকেট তারকা তামিম ইকবাল

ডেস্ক রিপোর্ট:

‘ঈদ উইথ শাওমি’ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছে দেশের এক নম্বর স্মার্টফোন ব্র্যান্ড শাওমি। প্রথম দফায় বিজয়ী পাঁচজনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় ক্রিকেট তারকা ও শাওমির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তামিম ইকবাল।

ঈদুল আজহাকে ঘিরে গত ৭ মে থেকে শুরু হয় ১০ কোটি টাকা সমমূল্যের উপহারসহ ‘ঈদ উইথ শাওমি’ ক্যাম্পেইন। ক্যাম্পেইনের আওতায় মেগা পুরষ্কার ৫ লক্ষ টাকা, মাল্টি ডোর রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার জিতে নেয়ার পাশাপাশি শাওমি ফোন কিনে সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা ক্যাশ ব্যাক পাওয়া যাবে। ক্যাম্পেইন ঘিরে অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছে শাওমি। শাওমির যে কোন স্মার্টফোন কিনেই নিশ্চিত উপহার জিতে নিয়েছে ফ্যানরা। এ ছাড়াও প্রথম দফায় বিজয়ী পাঁচজনের হাতে মেগা পুরস্কার তুলে দিয়েছে শাওমি। ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে আরো সুযোগ থাকছে মেগা পুরষ্কার জিতে নেয়ার।

শুক্রবার ১৬ মে শাওমির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ক্রিকেট তারকা তামিম ইকবাল খান। এ সময় পাশে ছিলেন শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী।

‘ঈদ উইথ শাওমি’ ক্যাম্পেইনে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে মোঃ আলামিন খান। তিনি পেয়েছেন পাঁচ লাখ টাকা। মোসাঃ আসমা আক্তার ও মোঃ আকাশ কাজী এই দুজন পেয়েছেন মাল্টি ডোর রেফ্রিজারেটর। আকাশ হাওলাদার ও রানা তান্তি এই দুজন পেয়েছেন এয়ার কন্ডিশন (এসি)।

বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে তামিম ইকবাল বলেন, ‘শাওমি দেশের এক নম্বর ব্র্যান্ড। জনপ্রিয়তায়ও শাওমি সবার চেয়ে এগিয়ে। ঈদকে সামনে রেখে এমন একটি আয়োজন প্রশংসনীয়। ক্যাম্পেইনে বিজয়ী হয়েছে শাওমি ফ্যানরাই। যাদের ভালোবাসায় আরও এগিয়ে যাবে শাওমি।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘ঈদ উৎসবের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে ঈদ উইথ শাওমি ক্যাম্পেইন চালু করি আমরা। শাওমি ফ্যানরা অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছেন। নতুন উদ্ভাবন নিয়ে সব সময় দেশের মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে চায় শাওমি। এ ধরণের ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শাওমি আর তার ফ্যানদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আমার বিশ্বাস।’

ক্যাম্পেইনে শাওমির বিভিন্ন স্মার্টফোন কিনে গ্রাহকরা পেয়েছেন রেডমি ইয়ারবাডস, টিশার্ট ও ডাটা বান্ডেল।

শাওমি সম্পর্কেঃ

শাওমি কর্পোরেশন (“Xiaomi”) ২০১০ সালের এপ্রিল মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০১৮ (১৮১০.এইচকে) এ হংকং স্টক এক্সচেঞ্জর প্রধান বোর্ডে তালিকাভুক্ত হয়। শাওমি হল একটি কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স এবং স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি। শাওমি ১৭ জুলাই ২০১৮ সালে বাংলাদেশে নিজেদের অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু করে এবং বর্তমানে শাওমি বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

কুমিল্লায় আ’লীগ নেতা সাহেব আলী গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বুড়িচংয়ে ছাত্র জনতার উপর হামলা ও গুলির ঘটনায় অভিযুক্ত মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা সাহেব আলীকে গ্রেপ্তার করেছে বুড়িচং থানা পুলিশ। রবিবার (১৮ মে) সকালে উপজেলার কোরপাই এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন বুড়িচং থানা পুলিশের একটি দল।

গ্রেফতারকৃত সাহেব আলী বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান। এছাড়াও তিনি বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং মোকাম ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক।

তিনি জানান রবিবার বেলা ১১ টায় বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের কোরপাই এলাকা থেকে সাহেব আলীকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সাহেব আলীর বিরুদ্ধে গতবছরের গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার উপর হামলার ঘটনায় মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ নেতা সাহেব আলী ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মোকাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

কুমিল্লায় ভ্যানচালক শফিউল্লাহকে হত্যার ঘটনায় মূলহোতা রাসেল র‍্যাবের জালে

রকিবুল ইসলাম (ম্যাক):

গত ৬ মে দুপুরে কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার ত্রিবিদ্যা গ্রামে মোঃ ছফিউল্লাহ (৪৩) নামে এক ভ্যান চালককে চোখ উপড়িয়ে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় মূলহোতা রাসেল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১১ সিপিসি ২। শনিবার (১৭ মে) রাতে র‍্যাব ৮ এবং র‍্যাব ১১ এর যৌথ অভিযানে পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার নগরের হাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।

১৮ই মে রবিবার দুপুরে রাসেলের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা র‍্যাব ১১ সিপিসি ২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লে: কমান্ডার মাহমুদুল হাসান।

গ্রেফতারকৃত রাসেল হোসেন (৩৫) কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার আন্দিরপাড় গ্রামের মো: কিরণ মিয়াত ছেলে।

র‍্যাব জানায়, নিহত ছফিউল্লাহর সাথে আসামী রাছেলের সু-সম্পর্ক ছিল। রাসেল নিহত ছফিউল্লাহর কাছ থেকে ৪৫ হাজার টাকা ধার নেয়। পরে রাছেল পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে ছফিউল্লাহকে বিভিন্নভাবে ঘুরাতে থাকে। এতে করে ছফিউল্লাহ বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে সালিশের মাধ্যমে রাসেল উক্ত টাকা ফেরত দেবে বলে মৌখিকভাবে জানায়।

একপর্যায়ে গত ৫ মে বিকালে রাসেল পাওনা টাকা ফেরত দেবে বলে পরের দিন ছফিউল্লাহকে তার ভাড়াকৃত গ্যারেজে যেতে বলে। রাছেলের কথামতো ছফিউল্লাহ পরের দিন দুপুরে গ্যারেজে গেলে আসামী রাছেল পূর্ব পরিকল্পিতভাবে গ্যারেজে থাকা শাবল দিয়ে ভিকটিমের মাথা ও বুকে গুরুতর আঘাত করলে ছফিউল্লাহ অচেতন হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। পরে রাছেল ড্রিল মেশিন দিয়ে নির্মমভাবে ভিকটিমের চোখ উপড়ে ফেলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আত্নগোপন করে।

পরবর্তীতে নিহতের পরিবার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে খবর দিলে হয়ে পুলিশ এসে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কুমিল্লা দেবিদ্বার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কুমিল্লা র‍্যাব ১১ সিপিসি ২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লে: কমান্ডার মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। গ্রেফতারকৃত রাসেলের বিরুদ্ধে পরবর্তীআইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ভারত সফরে যাচ্ছেন জয়, সাক্ষাৎ হবে শেখ হাসিনার সঙ্গে!

ডেস্ক রিপোর্ট:

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মধ্যে শিগগিরই সাক্ষাৎ হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে ভারতের গণমাধ্যম নিউজ ১৮ জানায়, শিগগির ভারত সফরে যাচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর এটিই হবে মা-ছেলের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। এই সফরে মায়ের সঙ্গে নয়াদিল্লিতে সাক্ষাৎ ছাড়াও কলকাতা যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে তার। কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব তারিক চয়নও এক ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানায়।

নিউজ ১৮ জানায়, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নিয়েছেন জয়। সূত্র জানান, তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট বাতিল করে দেওয়ার পর তিনি আমেরিকার নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন।

আওয়ামী লীগের নির্বাসিত নেতাদের মধ্যে জয়ের এই সম্ভাব্য সফর নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তার ভারত সফরের প্রেক্ষাপট এমন এক সময়, যখন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

গত ১২ মে নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করে, যা দলটিকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব পথ বন্ধ করে দেয়।

এর আগে, ১০ মে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসমূহের সব অনলাইন ও অফলাইন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের বিচার ও এর নেতাদের বিরুদ্ধে বিশেষ সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কোনো ধরনের প্রচার, মিছিল, সভা, সেমিনার, গণমাধ্যমে প্রকাশনা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। প্রজ্ঞাপনটি সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হয়েছে।

একজন সাবেক আওয়ামী লীগ মন্ত্রী নিউজ ১৮-কে জানান, ‘আমরা আশা করছি, জয় শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং নির্বাসিত নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সরকার যেভাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে, তা সম্পূর্ণ অনৈতিক। এটি আগামী নির্বাচনে দলটিকে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখতে নেওয়া কৌশলের অংশ।’

উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে দেশত্যাগ করেন এবং তখন থেকে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তাকে সামনাসামনি দেখেননি। এতদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সম্প্রতি পর্যন্ত ভিডিও কনফারেন্স ও ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছিলেন শেখ হাসিনা। তবে সরকারের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার ফলে আওয়ামী লীগের সব ধরনের কর্মকাণ্ড এখন স্থবির হয়ে পড়েছে।

সূত্র: ইত্তেফাক

পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট ফি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা নির্ধারণ

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিদেশ ভ্রমণের জন্য পাসপোর্টে ডলার সংযুক্তি (এনডোর্সমেন্ট) করতে চাইলে এখন থেকে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত ফি নিতে পারবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রোববার ((১৮ মে) বাংলাদেশ ব্যাংক এই ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে। এর বাইরে পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট ফি বাবদ বাড়তি কোনো অর্থ আদায় করা যাবে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তফসিলি ব্যাংকগুলো বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রির সময় বিভিন্ন হারে পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট ফি ও চার্জ এবং অতিরিক্ত সার্ভিস ফি বা কমিশন নিচ্ছে। অতিরিক্ত ফি আদায় করায় ব্যাংক থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে নিরুৎসাহিত হন গ্রাহকরা।

এ কারণে বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে উৎসাহিত করতে প্রথমবারের মতো পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট ফি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লায় ভুয়া যাত্রী সেজে ছিনতাই

কুমিল্লায় ভুয়া যাত্রী সেজে ছিনতাই, সেনা অভিযানে প্রতারক গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার কোটবাড়ি উত্তর চৌমুহনী এলাকায় ভুয়া যাত্রী সেজে চালকদের কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া এক প্রতারককে সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ১৭ মে রাত ৯টা ২০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩৩ ফিল্ড ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও ২৩ বীর: আলেখারচর আর্মি ক্যাম্পের একটি টহল দল কোটবাড়ি উত্তর চৌমুহনী এলাকার একটি পানির পাম্প ঘরে অভিযান চালায়। অভিযানে মোঃ লিটন মিয়া (পিতা: রোচু মেম্বার) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তি বিভিন্ন মিনি ট্রাক, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার পেছনে থাকা মোবাইল নম্বরে কল করে যাত্রী সেজে চালকদের নির্জন এলাকায় ডেকে নিয়ে যেত। সেখানে গিয়ে চালকদের মারধর করে মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে নিত এবং বিকাশের মাধ্যমে অর্থ দাবি করত। টাকা না দিলে সে চালকদের প্রাণনাশের হুমকি দিত। টাকা পেয়ে তাদের ছেড়ে দিত।

অভিযানকালে তার কাছ থেকে একটি ছুরি, ফয়েল পেপার, খালি ফেনসিডিলের বোতল, লাইটার, মোমবাতি এবং একটি কাঁচি উদ্ধার করা হয়।

আটকের পর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন ও চিকিৎসা পরীক্ষা সম্পন্ন করে তাকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দুর্গাপুরে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ, হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

 

মোঃ রাসেল:

কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর এলাকার চাপরাশি বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে পৈত্রিক সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের রাস্তা নিয়ে চরম বিরোধ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি সৃষ্ট উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনার প্রেক্ষিতে এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম (৬০) কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একইসাথে, তিনি স্থানীয় ২নং দুর্গাপুর (উত্তর) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর একটি অভিযোগপত্র দিয়ে সমস্যার সুষ্ঠু নিষ্পত্তির দাবি জানান।

অভিযোগপত্রে উল্লিখিত অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—মৃত নূরুল ইসলামের ছেলে রকি মিয়া (৪০) এবং মাসুম মিয়া (৫০); মৃত হারুন মিয়ার ছেলে তামিম (২৮); আব্দুল জলিলের ছেলে হাকিম (৪০); হায়দার আলীর ছেলে মইদর আলী (৫৫); মৃত মান্নান কবিরাজের ছেলে ইয়াছিন মিয়া (৪৫); এবং মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে আজাদ মিয়া (৪৫)। সকলেই কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কোতোয়ালী মডেল থানাধীন দুর্গাপুর দক্ষিণ, মধ্যমপাড়া, চাপরাশি বাড়ির স্থায়ী বাসিন্দা। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এদের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সংঘাতে অংশ নেন।

জাহাঙ্গীর আলম তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, তিনি এবং বিবাদীগণ একই বাড়ির ও একই গোত্রের সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে তারা পৈত্রিক সম্পত্তির বণ্টন অনুযায়ী নিজ নিজ অংশে বসবাস করে আসছেন। পূর্বপুরুষদের তৈরি করা রাস্তা ব্যবহার করেই তারা এবং প্রতিবেশী প্রায় ২০টি পরিবার চলাচল করে আসছে। সরকারিভাবেও পরবর্তীতে এই রাস্তাটি ঢালাই করা হয়। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, রকি মিয়া, মাসুম মিয়া, তামিম, হাকিম, মইদর আলী, ইয়াছিন মিয়া ও আজাদ মিয়াসহ আরও কয়েকজন মিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে গত ১০ মে দুপুরে উক্ত রাস্তাটি টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেন।

জাহাঙ্গীর আলমের দাবি, তার বড় ছেলে মঈনুল আলম রনি রাস্তাটি বন্ধ করতে দেখলে বাধা প্রদান করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিবাদীরা রনিকে বেধড়ক মারধর করে, কিল-ঘুষি ও অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এই ঘটনায় শুধু জাহাঙ্গীর আলমের পরিবার নয়, বরং আশেপাশের আরও অনেক পরিবার চলাচলের একমাত্র পথ বন্ধ হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে। অভিযুক্তরা জোরপূর্বক রাস্তার উপর দখল কায়েম করে এবং সালিশী বৈঠকের সিদ্ধান্তও মানেন না বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বিবাদীগণ যেকোনো সময় তার ও তার পরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর দেয়া অভিযোগপত্রে জাহাঙ্গীর আলম আরও জানান, বিবাদীরা তার চাচাতো ভাই এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা একই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি রাস্তা ব্যবহার করে আসছেন। তিনি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে চেষ্টা করেছেন সুরাহার, কিন্তু কোনও ফল আসেনি। তিনি গ্রাম আদালতের মাধ্যমে উক্ত রাস্তাটি খোলার এবং পরিবারের নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সেই সাথে তিনি আরো বলেন ৫ ই আগষ্টের পর আমার জায়গা দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা দখল করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিএনপির দাপট দেখিয়ে পেছনে প্লট করে আমার ক্রয়কৃত জায়গা থেকে রাস্তা চায়,না দেওয়ার কারণে আমার পরিবারের উপর হামলা ও সরকারি রাস্তা আটকিয়ে দেয়া হয়।

আরেক ভুক্তভোগী ফেরদৌসি বেগম বলেন, আমরা আমাদের চলাচলের রাস্তা চাই। আমাদের একমাত্র চলার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অতি দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়ভাবে সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনানুগ পদক্ষেপ ও চলাচলের রাস্তা পুনরুদ্ধারে সহায়তা কামনা করেছেন।

কোতওয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিনুল ইসলাম বলেন, আমরা অভিযোগটি পেয়েছি৷ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

মামলা বাণিজ্য নিয়ে কুবি সমন্বয়ক ও জেলা আহ্বায়কের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ও জেলা পর্যায়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যে মামলা বাণিজ্য নিয়ে চরম দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। কয়েকজন সমন্বয়ক দাবি করেছেন, জেলা আহ্বায়ক মো. সাকিব হোসেনের চাপেই মো. এমরান হোসেনের মাধ্যমে একটি মামলা করানো হয়, যা পরবর্তীতে বাণিজ্যের অংশে পরিণত হয়েছে।

গতকাল ১৬ মে রাতে কয়েকজন সমন্বয়ক সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তবে মামলা বাণিজ্য নিয়ে পাল্টা অভিযোগ করেন জেলা আহ্বায়ক মোহাম্মদ সাকিব হোসাইন।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় হামলার অভিযোগে এমরান হোসেন একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়, যাদের মধ্যে তিনজন ইতোমধ্যে মৃত। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ১৫০–২০০ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলা ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।

সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. এমরান হোসেন বলেন,“কেউ যদি তার ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল বা টাকার বিনিময়ে আমাকে দিয়ে মামলা করিয়ে থাকে, আমি তা তীব্রভাবে ঘৃণা করি। আমাকে দিয়ে যে মামলাটি করানো হয়েছে, সেটি করেছেন কুমিল্লা জেলা আহ্বায়ক সাকিব হোসেন ভাই। মামলা করা হয়েছে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায়। এ মামলা নিয়ে কেউ যদি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তার দায়ভার আমি নেব না।

মামলা করার দীর্ঘদিন পর কেনো এসব বিষয় এখন প্রকাশ করছেন এমন প্রশ্নে এমরান বলেন, আমি প্রতিনিয়ত শুনতে পাচ্ছি কিন্তু সেটা বলার স্কোপ পাচ্ছি না৷ এখন যেহেতু দেখতে পাচ্ছি যে আমাদের নাম ব্যবহার করে যত অপকর্ম করছে তাহলে সেটার দায়ভার আমি কেন হাইড (লুকিয়ে) রাখবো৷ মামলা করানোর ক্ষেত্রে আমাকে এক ধরনের ফোর্স করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কুবির আরেক সমন্বয়ক পাভেল রানা বলেন,“এ মামলায় এমরান ছাড়াও আরও কয়েকজনের নাম আছে, যাদের আমি চিনি না। যদিও মামলার একমাত্র বাদী এমরান। মামলায় তার নাম দেওয়ার পর আমরা শুনতে পাই, এটি নিয়ে বাণিজ্য হচ্ছে। পরে এমরান এসে আমাকে বলে—‘বন্ধু, এখন কী করা যায়?’ তখন আমি বলি, আমাদের এক ভাই আছে—তরিকুল ভাই। তিনি আইনজীবী, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে মামলা বন্ধ করার উপায় খোঁজা যেতে পারে।”

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা জেলা আহ্বায়ক মো. সাকিব হোসেন বলেন, “মামলা বাণিজ্য করে থাকতে পারে বাদী, বিবাদী কিংবা প্রশাসন। আমি কোনো মামলার সঙ্গে জড়িত নই।”

এই ঘটনা কুমিল্লায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের ভেতরে অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও নেতৃত্ব সংকটকে আরও প্রকট করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা।

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ট্রাকের চাপায় যুবক নিহত

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ট্রাকের চাপায় যুবক নিহত

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী পলাশ চন্দ্র সরকার (৩০) নিহত হয়েছেন।

শনিবার (১৭ মে) দুপুর তিনটার দিকে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের ময়নামতি সাহেববাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পলাশ চন্দ্র সরকার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের দেবপুর গ্রামের বাসিন্দা ও নারায়ণ চন্দ্র সরকারের পুত্র।

ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার এএসআই রাজিবুল ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানায়, পলাশ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে মোটরসাইকেলে করে দেবপুর যাচ্ছিলেন। পথে ময়নামতি সাহেববাজার এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গিয়ে ধাক্কা লাগে। এতে পলাশ সড়কে ছিটকে পড়ে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়।

ঘটনাস্থলেই ট্রাকের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে পলাশের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জড়িত যানবাহনগুলো জব্দ করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নানা সমালোচনার জন্ম দিল কুমিল্লার জুলাই সমাবেশ

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:

নানা বিতর্কের জন্ম দিল কুমিল্লায় জুলাই সমাবেশ। বিশৃঙ্খলা, সংঘর্ষ, আওয়ামী দোসরদের সরব উপস্থিতি, কুবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন করে জুলাই সম্মেলন বয়কট ও কুমিল্লার তিন সমন্বয়ককে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান বেশ সমালোচিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ মে) বিকেলে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমীতে জুলাই সমাবেশ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

সরজমিনে ঘুরে ও স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ সমাবেশের প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ, অন্যতম অতিথি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক সারজিস আলম অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন।

দ্বিতীয়তঃ অনুষ্ঠান চলাকালে শিল্পকলার ভিতরে অনুষ্ঠানের বাইরে বেশ কয়েকবার নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা। তখন কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি মত ঘটনা ঘটে।

তৃতীয়ত, অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সদরের সাবেক এমপি হাজী আ ক বাহাউদ্দিন বাহারের কন্যা কুসিকের সাবেক মেয়র তাহসিন বাহার সূচনার নারী কর্মীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। সূচনার অন্যতম কর্মী হিসেবে পরিচিত সালমা ইসলামসহ অন্যান্যরা মঞ্চে উঠে অতিথিদের ফুলের সংবর্ধনা দিতে গেলে প্রতিবাদ করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা কমিটির সংগঠক ফারাহ এমদাদসহ উপস্থিত সংগঠকরা। এক পর্যায়ে নারী নেত্রীরা সভাস্থল ত্যাগ করে ঘন্টা খানেক বাইরে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

চতুর্থত, জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ও নির্যাতিত হওয়া বেশ কয়েকজন ছাত্র সমন্বয়ককে মঞ্চে উঠতে বাধা দেয়া হয়।

পঞ্চমত, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা জুলাই আন্দোলনে মাঠে সক্রিয় ছিলেন এবং আহত হয়েছিলেন তাদের অনেককেই সংবর্ধনা দেয়া হয়নি । ফলে তারা রাত দশটায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই সম্মেলন বয়কট করেন ও কুমিল্লার শীর্ষ তিন সমন্বয়ককে ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে জানতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা মহানগর শাখার আহ্বায়ক আবু রায়হান ও সদস্য সচিব রাশেদের মুঠো ফোনে কল দিলে তারা কল রিসিভ করেননি।