All posts by jitu

চৌদ্দগ্রামে কালিকাপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কালিকাপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৯শে মে) রাতে উপজেলার নোয়াবাজার-জামমুড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় হলরুমে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি তোফায়েল হোসেন জুয়েল।

কালিকাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ আসলাম মিয়ার সভাপতিত্বে এবং কালিকাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন তুষার এর যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর হোসেন বাহার।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন ২নং উজিরপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সাধারন সম্পাদক ইমাম হোসেন মজুমদার রুবেল মেম্বার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি কামরুল হাসান মজুমদার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক কামাল মিয়াজী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মির্জা হিরণ, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হানিফ, কালিকাপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র ৪নং ওর্য়াড সভাপতি মো ইসহাক মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নাছির হাজারী, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক আজাদ হোসেন, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব অলি উল্লাহ, ইউনিয়ন যুবদল নেতা আলেক হোসেন, উপজেলা শ্রমিকদল সদস্য সুমন রাজ, ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা সোহাগ মাহমুদ, মহিন ,অপুর্ব, রাকিব, সাইফুল,শাকিব, শাকিল,শান্ত প্রমুখ।

পরে ৩নং কালিকাপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি ছায়া কমিটি গঠন করা হয়। সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পান ইঞ্জিনিয়ার আসলাম মিয়া, সিনিয়র সহ সভাপতি জালাল উদ্দীন মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক নাছির হাজারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক – ইসহাক মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইদ্রিস মিয়া।

ব্রাহ্মণপাড়া নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে

ব্রাহ্মণপাড়া নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে মামা ভাগনে পানিতে ডুবে মৃত্যু

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে জিহাদ ও রায়হান নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ( ২০ মে ) দুপুরে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

জিহাদ ও রায়হানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফাহমিদা ইসলাম।

নিহত জিহাদ (৫) ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের জলিল মিয়ার ছেলে এবং রায়হান (৩) কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারা এলাকার রুবেল মিয়ার ছেলে। রায়হান নানা বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। তারা সম্পর্কের মামা-ভাগনে।

নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জিহাদ ও রায়হান একসঙ্গে বাড়ির উঠোনে খেলা করছিল। কিছুসময় পর তাদেরকে উঠোনে দেখতে না পেয়ে স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের সম্প্রতি মাটি কেটে তৈরি করা ডোবায় বৃষ্টির জমা পানিতে তাদের খোঁজ করলে সেখানে তাদের অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফাহমিদা ইসলাম বলেন, পানিতে পড়া দুই শিশুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনরা। তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথভাবে কুমিল্লায় অগ্নি নির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের উদ্যোগে সচেতনতামূলক অগ্নি নির্বাপণ মহড়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

মঙ্গলবার(২০মে) পুলিশ সদস্যদের অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কুমিল্লা-এর ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর জনাব দেবব্রত কুমার মন্ডল।

আলোচনা সভা শেষে পুলিশ লাইন্স মাঠে একটি বাস্তবধর্মী অগ্নি নির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষিত সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পদ্ধতি-এ প্রদর্শন করেন। পরে পুলিশ সদস্যরাও তা হাতে-কলমে অনুশীলন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব রাশেদুল হক চৌধুরী। এ ছাড়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, সদস্য এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ মহড়ার মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক, সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে পুলিশ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য সফলভাবে অর্জিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা।

চাঁদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ গেল ২ জনের

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ের সম্মুখে সড়কে মোটরসাইকেল ও মোটরচালিত রিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে মোটর সাইকেল আরোহী ও রিক্সার চালক নিহত হন। এ ঘটনায় ৩ জন পথচারী মারাত্মক আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (১৯ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায়।

জানা যায়, বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা মানর মালের ছেলে জেলা ছাত্রদল নেতা সমুদ্র মাল চাঁদপুর শহর থেকে ব্যক্তিগত কাজ সেরে বাবুরহাটে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে চাঁদপুর শহরের চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা কবলিত হন। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী সমুদ্র মাল ও নাটোর জেলার বাসিন্দা মোটরচালিত রিক্সার চালক ইসমাইল ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া আহতরা হচ্ছেন: মোটরসাইকেল চালক রাকিব (সাং রালদিয়া, বাবুরহাট), আফজাল বিন ইলিয়াস (বিটি রোড, চাঁদপুর) এবং কচুয়া আশেক আলী স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র ফাহাদ হোসেন। এদের মধ্যে রাকিব সহ আরেকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ১১ টার দিকে দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল চাঁদপুর শহর থেকে বাবুরহাটের দিকে যাচ্ছিলো। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি রিক্সার সাথে তাদের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ভয়াবহ এই সংঘর্ষে রিকশাটি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা হতাহতদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করলে কর্মরত চিকিৎসক সমুদ্র মাল ও রিক্সাচালক ইসমাইল হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক বেলায়েত হোসাইন জানান, দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে নিয়ে আসা ৫ জনের মধ্যে দু জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। দুজনের শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানান।

দুর্ঘটনার খবর শুনে নিহত ও আহতদের স্বজনরা হাসপাতালে ভিড় করেন। তাৎক্ষণিক চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বাহার মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ছুটে আসেন। এ সময় নিহত ও আহতদের স্বজন এবং স্থানীয় উৎসুক শত শত জনতা ভিড় করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মডেল থানার কয়েকটি পুলিশ ফোর্স হাসপাতালে আসে। পরে নিহত দু জনের লাশ চাঁদপুর সদর মডেল থানার এস আই নূরে আলম সুরতহাল শেষে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে নিয়ে যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ দুটি চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে ছিলো।

দেশ একটা অনিশ্চয়তার দিকে চলে যাচ্ছে: আমীর খসরু

ডেস্ক রিপোর্ট:

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুকে উপেক্ষা করছে। এর মাধ্যমে দেশ একটা অনিশ্চয়তার দিকে চলে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় বাজেট বলুন আর অর্থনৈতিক নীতি, কিছুই কাজ করবে না বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ সোমবার (১৯ মে) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘নীতি সংস্কার ও আগামীর জাতীয় বাজেট’ শীর্ষক নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো নেওয়া এই সরকারের প্রধান দায়িত্ব। এই মুহূর্তে আমরা কোথায় যাচ্ছি, আগামী দিনে বাংলাদেশ কোথায় যাবে, এই সরকার কত দিন থাকবে, নির্বাচন কবে হবে, নির্বাচনের পরে বাংলাদেশ কোথায় যাবে—এই বিষয়গুলো সবার মনে কাজ করছে। এখানে আমরা কোনো নিশ্চয়তা দেখতে পাচ্ছি না।

একটি প্রশ্নবিদ্ধ জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ওপর ভিত্তি করে বাজেট তৈরি হচ্ছে মন্তব্য করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানায়, এর মাধ্যমে মূলত আমরা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের বাজেটের ধারাবাহিকতা দেখতে পাচ্ছি। সেখান থেকে আলাদা করে কোনো কিছু করা হয়নি। বাজেট তৈরির ক্ষেত্রে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও বৈশ্বিক পটভূমি কতটুকু চিন্তা করা হয়েছে, সেই প্রশ্নগুলো আমাদের করা দরকার। মিয়ানমারের সঙ্গে মানবিক করিডরের বিষয়টি স্পর্শকাতর উল্লেখ করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। অথচ অংশীজনদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য ১৪ থেকে ১৫ বছর ধরে মানুষ ত্যাগ স্বীকার করেছে; গত জুলাইয়ে আন্দোলন করেছে। অথচ এখন নির্বাচন বাদে বাকি সব করছে অন্তর্বর্তী সরকার।

বাংলাদেশে ব্যবসা–বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অতিমাত্রায় নিয়ন্ত্রণ রয়েছে মন্তব্য করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ অনেক বেশি। বিগত সময়ে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই লুটপাট হতে দেখেছি। আপনি যত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করবেন, তত লুটপাট হবে। এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আগামী দিনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মডেল কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে ধারণা দেন তিনি। তিনি বলেন, ‘উই আর ওপেন ফর বিজনেস’, এটি হবে আগামী দিনে দেশের অর্থনৈতিক মডেল।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমাদের সহনশীল হতে হবে। অন্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেও তার পথের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে এই রাজনৈতিক পরিবর্তন আনতে না পারলে আমরা সামনে এগোতে পারব না। সুতরাং আমাদের সাংঘর্ষিক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

সূত্র: ইত্তেফাক

ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে স্বাগত ও ধন্যবাদ জানায় হাজীগঞ্জ পৌরসভা

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

দেশের প্রথম শ্রেনীর একটি হাজীগঞ্জ পৌরসভা। ২০.২৪ বর্গ কিলোমিটারের এ পৌরসভায় স্বাগত ও বিদায় জানায় ময়লার ভাগাড়। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ-কচুয়া সড়কের হাজীগঞ্জ পৌর সীমান্তে দেখা মিলবে একটি তোরণ। সেখানে লেখা রয়েছে ‘স্বাগত হাজীগঞ্জ পৌরসভা’। এদিকে হাজীগঞ্জ থেকে কচুয়া যাওয়ার পথে লেখা রয়েছে- ‘ধন্যবাদ হাজীগঞ্জ পৌরসভা’। উপরে স্বাগত ও ধন্যবাদ হাজীগঞ্জ পৌরসভা আর নিচে ময়লা আবর্জনার ভাগাড়। এ যেন সচেতন মহলে এক অজানা কৌতুহল কাজ করে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ- কচুয়া সড়কটি যোগাযোগের একটি ব্যস্ততম মাধ্যম। হাজীগঞ্জ পৌরসভার সীমান্তবর্তী এলাকায় এ সড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে হাজীগঞ্জ পৌরসভা ও বিভিন্ন হাটবাজারের ময়লা আবর্জনা। এসবের দুর্গন্ধে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন আশপাশের মানুষ। একই সাথে হাজীগঞ্জ- কচুয়া সড়কে পথচারী ও হাজার হাজার যাত্রীকে চলাচল করতে হচ্ছে নাক চেপে। মাঝে মাঝে এসব ময়লা আবর্জনায় লাগানো আগুনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এলাকাটি।

শুধুমাত্র এই সড়কটিই নয়, চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের হাজীগঞ্জে পৌরসভাধীন মিঠানিয়া ব্রিজ ও আলীগঞ্জ এবং লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ- হাজীগঞ্জ সড়কের ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত ব্রিজের মূখে সড়কের দুই পাশে বাসা বাড়ি ও হাটবাজারের ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ময়লার কারণে ভরাট হয়ে গেছে সড়কের পাশে থাকা জলাশয়গুলোও। ক শ্রেনীর এই পৌরসভার চতুর্মুখী ময়লা আবর্জনার স্তুপের দুর্গন্ধে দূষিত হচ্ছে চারপাশের পরিবেশ। এ ধরনের কর্মকান্ডে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও পৌর বাসিন্দারা।

ময়লা ফেলার জন্য পৌরসভার নিজস্ব নির্দিষ্ট কোন জায়গা বা ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় যত্রতত্রস্থানে বাসিন্দাদের ময়লা আবর্জনা ফেলতে হচ্ছে। এর কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে হচ্ছে আশপাশের বাসিন্দাদের। হাজীগঞ্জ পৌরসভা সূত্র জানায়, পৌর এলাকা ও বিভিন্ন হাটবাজার থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০০ টনের মতো বর্জ্য সংগ্রহ করে হাজীগঞ্জ পৌরসভা। আর এসব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নির্দিষ্ট কোনো স্থান না থাকায় সেগুলো ফেলা হচ্ছে চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের মিঠানিয়া ব্রিজের উত্তরপূর্ব ও পশ্চিম পাশে।

হাজীগঞ্জ পৌরসভার কয়েকজন স্থায়ী বাসিন্দা বলেন, পৌরসভা থেকে ময়লা এনে আমাদের এখানে ফেলে এখানকার পরিবেশ দূষিত করে রেখেছে। দুর্গন্ধ ও ধোঁয়ার কারণে আমরা প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকতে হচ্ছে। তারা আরো বলেন, পৌরসভা আমাদের কোনো কথাই শুনছে না। তাদের খেয়াল খুশিমতো মহাসড়কের পাশে ও জলাশয়ে আবর্জনা ফেলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের জিম্মি করে রেখেছেন। তারা নাক চেপে দুর্গন্ধের মধ্যেই চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন।

হাজীগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন) মাহবুবুর রশীদ বলেন, আমাদের কোনো ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হয়নি। এটা নির্মাণের জন্য পৌরসভার মালিকানাধীন জমি প্রয়োজন। আমাদের সেটা নেই। তিনি আরো বলেন, পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে এভাবেই সড়কের আশপাশে ও জলাশয়ে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। সাবেক পৌর মেয়ররাই এ ব্যবস্থা করে গেছেন। আমাদের বিকল্প কোনো উপায় এখনো তৈরি হয়নি।

হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, খুব শিগগিরই বর্জ্য পরিশোধরেন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বিকল্প জায়গার বন্দোবস্ত না হওয়া পর্যন্ত পৌরসভার ময়লা এসব স্থানেই ফেলতে হচ্ছে। সাময়িক সময়ের জন্য পৌরবাসীকে একটু কষ্ট হলেও সঠিক স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান জানাচ্ছি।

‘হাসনাত আবদুল্লাহকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে: অন্যথায় কুমিল্লায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো কঠিন হয়ে পড়বে’

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি)-র মুখপাত্র হাসনাত আব্দুল্লাহর সাম্প্রতিক সময়ের এক বক্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কুমিল্লা বিভাগ।

সোমবার (১৯মে) বিকেলে কুমিল্লা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির বিভাগীয় নেতারা তার বক্তব্যকে ‘শিশুসুলভ’, ‘রাজনৈতিক অপরিপক্বতার বহিঃপ্রকাশ’ এবং ‘মানসিক ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ’ হিসেবে আখ্যা দেন।

কুমিল্লা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, “সম্প্রতি হাসনাত আব্দুল্লাহ একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘কুমিল্লার বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের টাকায় রাজনীতি করে।’ এ ধরনের বক্তব্য শুধু মিথ্যাচার নয়, এটি একটি রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত, দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিভ্রান্তিকর কথা। তার এ কথায় আমাদের নেতাকর্মীরা ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছি।

সেলিম ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, রাজনীতিতে অপরিপক্বতার কারণে হাসনাত আব্দুল্লাহ এ ধরনের মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “তার মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন। একজন দলীয় মুখপাত্র হিসেবে তার এ ধরনের বক্তব্য শুধু লজ্জাজনক নয়, রাজনৈতিক পরিবেশ বিনষ্ট করার অপচেষ্টা বলেও আমরা মনে করি।”

বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, “যে ব্যক্তি কিংস পার্টি নামে পরিচিত এনসিপির মুখপাত্র হয়ে এমন দায়িত্বহীন ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন, তার রাজনৈতিক অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ! আমরা মনে করি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিত এ ধরনের ছেলেমানুষী, অপরিপক্ক রাজনীতিবিদদের মাঠ থেকে সরিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা।”

সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও বিএনপির অবদান তুলে ধরে সেলিম ভূঁইয়া বলেন, “কুমিল্লা জেলা বিএনপির দূর্গ হিসেবে পরিচিত। এই জেলার নেতারা অতীতে দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এম. কে আনোয়ার, কর্নেল আকবর হোসেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মতো নেতারা কুমিল্লা থেকে উঠে এসেছেন। দেশের বিভিন্ন সংকটে কুমিল্লার বিএনপি নেতাকর্মীরা জীবন বাজি রেখে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে কুমিল্লায় বিএনপি যে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে, তা ঐতিহাসিক। এই আন্দোলনে আমাদের নেতাকর্মীরা শহীদ হয়েছেন, গ্রেপ্তার হয়েছেন, কিন্তু পিছপা হননি। সেই বিপ্লব ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের লক্ষ্যে জনগণকে জাগিয়ে তোলে।”

হাসনাত আব্দুল্লাহকে এক সপ্তাহের আলটিমেটাম দিয়ে সেলিম ভূঁইয়া বলেন, “তাকে আমাদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। যদি তিনি তার বক্তব্য প্রত্যাহার না করেন ও ক্ষমা না চান, তাহলে কুমিল্লায় তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। আমরা তাকে এই সুযোগ দিচ্ছি, কিন্তু সময়সীমা অতিক্রান্ত হলে কুমিল্লার রাজপথে তার জায়গা থাকবে না।”

সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে বিএনপি নেতা বলেন, “সরকার যতই নির্বাচনকে বিলম্বিত করুক না কেন, দেশের জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পেতে চায়। আমরা সেই দাবিতেই আন্দোলন করে যাচ্ছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান সার্বক্ষণিকভাবে আন্দোলনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং আমাদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপি তাঁর নির্দেশে আন্দোলনের মাঠে সক্রিয় রয়েছে এবং থাকবে।”

এসময় সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোস্তাক মিয়ার সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমীর, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবুসহ কুমিল্লা মহানগর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। তারা সবাই হাসনাত আব্দুল্লাহর মন্তব্যের প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং কুমিল্লা বিএনপির ভাবমূর্তি রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত জুলাই সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যের হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন “কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় বিএনপি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের রাজনীতি আওয়ামী লীগের টাকায় চলে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিত আওয়ামী লীগের অর্থনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া। আওয়ামী লীগের সকল অর্থ বাজেয়াপ্ত করা।”

নির্ধারিত হাটে গরু না নামালে ব্যবস্থা: উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন নির্ধারিত হাটেই গরু নামাতে হবে, কোন হাটে নামাবে ট্রাক বা ট্রলারে সেটির ব্যানার থাকতে হবে, তা না হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোমবার (১৯ মে) পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক শেষে এসব কথা জানায় তিনি।

উপদেষ্টা জানান, গরুর হাটে বিশৃঙ্খলা হয়। রাস্তায় গরু নামাতে পারবে না। হাটের ভেতরে নামাতে হবে। কোন হাটে নামাবে সেটির ব্যানার থাকতে হবে ট্রাক বা ট্রলারে। হাটে আনসার রাখতে হবে। গরুর ডাক্তার রাখতে হবে, ফার্স্ট এইডের ব্যবস্থা করতে হবে। আগামী বছর থেকে ৪ শতাংশ হাসিল নিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে ৫ শতাংশ নেয়া হয়।

তিনি আরও জানায়, ঈদের ৫ দিন আগে থেকে পরের ৩ দিন বাল্ক হেড চলাচল বন্ধ। রাতে বাল্ক হেড চলবে না। বাস-ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়া যাবে না। ট্রাক, ট্রলারে অতিরিক্ত পশু নেয়া যাবে না। আইন না মানলে একশন নেয়া হবে।

তিনি বলেন, পোশাক খাতে মে মাসের মধ্যে বোনাস, এক থেকে তিন তারিখের মধ্যে বেতন পরিশোধ করতে হবে। পোশাক শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবি থাকলে মেনে নিতে হবে। অযৌক্তিক দাবি নিয়ে মাঠে নামলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।

বিভিন্ন দাবি দাওয়া থাকবেই। যৌক্তিক দাবি যেন সবাই মেনে নেয়। আন্দোলনের কারণে রাস্তাঘাটে জনগণ যেন ভোগান্তিতে না পড়ে, সেজন্য যার যার কমপ্লেক্সে আন্দোলন করতে পারে।

নুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তারের ঘটনা বিব্রতকর: উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

ডেস্ক রিপোর্ট:

দেশের আলোচিত অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তারের ঘটনা বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

সোমবার (১৯ মে) ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এসময় মোস্তফা সরয়ার ফারুকী তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আমি সাধারণত চেষ্টা করি আমার মন্ত্রণালয়ের কাজের বাইরে কথা না বলতে। কিন্তু আমার তো একটা পরিচয় আছে, আমি এই ইন্ডাস্ট্রিরই মানুষ ছিলাম এবং দুইদিন পর সেখানেই ফিরে যাবো’।

নুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তারের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি লেখেন, নুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তার বিব্রতকর একটা ঘটনা হয়ে থাকলো আমাদের জন্য। আমাদের সরকারের কাজ জুলাইয়ের প্রকৃত অপরাধীদের বিচার করা। ঢালাও মামলার ক্ষেত্রে আমাদের পরিষ্কার অবস্থান প্রাথমিক তদন্তে সংশ্লিষ্টতা না থাকলে কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না এবং সেই নীতিই অনুসরণ করা হচ্ছিলো।

ফারিয়ার বিরুদ্ধে এই মামলাতো অনেকদিন ধরেই ছিলো। সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে গ্রেপ্তারের কোনো উদ্যোগ নেওয়ার বিষয় আমার নজরে আসেনি। কিন্তু এয়ারপোর্টে যাওয়ার পরেই এই ঘটনাটা ঘটে।

নুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তারে প্রতিক্রিয়া ব্রিটিশ সাংবাদিকেরনুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তারে প্রতিক্রিয়া ব্রিটিশ সাংবাদিকের
সংস্কৃতি উপদেষ্টা আরও লেখেন, আওয়ামী লীগের সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিদেশ গমনকে কেন্দ্র করে ক্ষোভের পর ওভার নারভাসনেস থেকেই হয়তোবা এইসব ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কয়দিন আগে ব্যারিস্টার আন্দালিব পার্থের স্ত্রীর সঙ্গেও এরকম একটা ঘটনা ঘটেছে। এইসব ঘটনা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য না।

এরপর তিনি অভিনেত্রীকে আশ্বাস দিয়ে লেখেন, ‘আমি বিশ্বাস করি ফারিয়া আইনি প্রতিকার পাবে। এবং এই ধরনের ঢালাও মামলাকে আমরা আরো সংবেদনশীলভাবে হ্যান্ডেল করতে পারবো-এই আশা। আমাদের মনে রাখতে হবে আমাদের প্রধান কাজ জুলাইয়ের প্রকৃত অপরাধীদের বিচার করা।’

গতকাল রোববার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নুসরাত ফারিয়াকে আটক করা হয়। পরে ভাটারা থানার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

নুসরাত ফারিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশনুসরাত ফারিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

এদিকে আজ সকালে হত্যাচেষ্টা মামলায় ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

কুমিল্লাসহ ১৮ অঞ্চলে ৬০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আভাস

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৮টি অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝড় হতে পারে। এছাড়া এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সোমবার (১৯ মে) আবহাওয়া অধিদপ্তরের দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রদত্ত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু স্থানে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটে কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর নদীপথে চলাচলকারী সকলকে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে।