All posts by jitu

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার শাহবাজপুর মুন্সিহাটি-ওবায়দুল্লাহ সড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহীন আলমের বড় ভাই হাজি বিল্লাল মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার আবু আহমেদের ছেলে ইলিয়াস মিয়া ও আওলাদ হোসেনের লোকজনের ১ দশমিক ৮১ শতাংশ জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি মীমাংসার জন্য সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে সেখানে হাজি বিল্লাল মিয়ার পক্ষ আপত্তি জানিয়ে চলে আসেন বলে জানা গেছে।

এদিকে সরাইলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদে প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উভয় পক্ষের লোকজন পালটা-পালটি পোস্ট দেওয়ায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকালে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বর্তমান ইউপি সদস্য মালেক মিয়াসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতরা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ইউপি সদস্য মালেক মিয়া অভিযোগ করে বলেন, সকালে বিল্লাল মিয়ার লোকজন তাদের বাড়ির লোকজনের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।

অন্যদিকে ইলিয়াস মিয়া বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধের বিষয়ে তারা আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের দাবি, বিল্লাল মিয়ার বাড়ির অংশে তাদের প্রায় চার হাত জায়গা রয়েছে।

হাজি বিল্লাল মিয়ার ছেলে আশরাফুল আলম পাভেল জানান, জমি নিয়ে তাদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। তবে গতকাল থেকে ফেসবুকে বিভিন্ন স্ট্যাটাস দেওয়ার পর আজ তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহীন আলম বলেন, সংঘর্ষে আমি হাতে গুরুতর আঘাত পেয়েছি। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চৌদ্দগ্রামে ১১’শ শিক্ষার্থীর হাতে গাছের চারা উপহার দিলেন ইউএনও

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলার ১১’শ শিক্ষার্থীর হাতে গাছের চারা তুলে দিয়েছেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক শাহাদাৎ হোসেন।

মঙ্গলবার ৮ (সেপ্টেম্বর) বিকেলে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা যোবায়ের হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম মীর হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোঃ আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান,
সেক্রেটারী মুহাম্মদ বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাহ আলম রাজু, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ গিয়াস উদ্দিন, বিএনপি নেতা মোঃ খোরশেদ আলম, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমির কাজী মোঃ ইয়াছিন, চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুপম সেন গুপ্ত, চৌদ্দগ্রাম পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামাল হোসেন, পৌরসভার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান, উপ সহকারি প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান পাটোয়ারি সহ পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আওতায় আমরা আজকে এখানে প্রায় ১১শ’ ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেছি। আমরা প্রত্যেককে একটি করে গাছ দিচ্ছি, যেন তারা এই গাছটা নিজে রোপণ করে, নিজে সংরক্ষণ করে এবং নিজে দেখাশোনার মাধ্যমে বড় করে। এটাই হচ্ছে আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। একই সাথে তাদেরকে গাছের যে উপকারিতা, সে বিষয়ে সচেতন করে তুলে ধরার জন্যই আমাদের আজকের এই আয়োজন। আমি আশা করছি, যারা আজকে গাছগুলো নিচ্ছে, তারা যেন নিজেদের মতো করে সেগুলো সঠিক জায়গায় রোপণ করে। সামগ্রিকভাবে এই কর্মসূচিকে উৎসাহিত করার জন্যই সরকারি নির্দেশনায় আমি আজকের এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে মহাসড়কের পাশে তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী বাজারে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জায়গায় গড়ে ওঠা তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে মহাসড়কের পাশে সুয়াগাজী বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে এসব স্থাপনা দখলে ছিল। সুয়াগাজী বাজার এলাকায় সওজের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিযানের প্রথম দিনে প্রায় তিন শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। পর্যায়ক্রমে আগামী কয়েক দিনে চিহ্নিত অন্য স্থাপনাগুলোও উচ্ছেদ করা হবে।

সওজ কুমিল্লার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আদনান ইবনে হাসান সমকালকে বলেন, সওজের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণকারীদের আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নোটিশ দেওয়ার পরও অনেকে স্থাপনা সরিয়ে নেননি। এ কারণে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রথম দিনে প্রায় তিন শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে চিহ্নিত সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। উদ্ধার করা সরকারি জায়গা যাতে আবার দখল না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় জানান, সড়ক বিভাগের দখল করা জায়গা উদ্ধারে জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে। সরকারি জায়গা দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।

কুমিল্লায় মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের বাস খাদে, আহত ২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে  নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের একটি ভ্রমণ বাস খাদে পড়ে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে মহাসড়ের উপজেলার জিংলাতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতরা সবাই শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী। তারা সবাই বার্ষিক ভ্রমণে বরিশাল থেকে কক্সবাজারে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা ভ্রমণ বাতিল করে ফেরত গিয়েছেন।

আহতরা হলেন, যাওয়াত, ফেরদৌস, কৌশি, মিরাজ, মুরসালিন, ইমন মৃধা, আরিফ, শফিকুল ইসলাম, মালিহা মেহনাজ, রায়হান, সাজিয়া, তাসপিয়া, আরিফুল ইসলাম, সামিউল, রাজর্ষি, তাসনীম, হুমায়রা, মিলা, নিসা ও তানজিনা। এদের মধ্যে ৯ জনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বরুড়ায় পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

এমডি. আজিজুর রহমান, বরুড়া:

কুমিল্লার বরুড়ায় পা বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে বরুড়া থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার চিতড্ডা ইউনিয়নের উত্তর উড্ডা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্থানীয়রা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে বরুড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নারীর পা বাঁধা অবস্থায় ছিল। এছাড়া মাথার অংশ কাদা-মাটির নিচে পড়ে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী নাজমুল হক জানান, “লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।”

পুলিশ মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

বরুড়ায় পানিতে ডুবে জমজ দুই শিশুর মৃত্যু

এমডি. আজিজুর রহমান, বরুড়া:

কুমিল্লার বরুড়ায় পানিতে পড়ে জুনাইরা ও তাসলিমা নামে ১৮ মাস বয়সী জমজ দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাড়ির পাশে পানিতে পড়ে তাদের মৃত্যু হয়। নিহত দুই শিশু কাছিয়াপুকুরিয়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের সন্তান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির পাশে খেলার সময় কোনো একপর্যায়ে দুই শিশু পানিতে পড়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজি করে পানিতে দেখতে পান। উদ্ধার করে দ্রুত বরুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

জমজ দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বরুড়া বাজারে একই রাতে দুই দোকানে চুরির অভিযোগ

এমডি. আজিজুর রহমান, বরুড়া:

কুমিল্লার বরুড়া বাজারে একই রাতে দুটি দোকানে চুরির অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে বরুড়া পশ্চিম বাজারের আলো ইলেক্ট্রিক ও গভীর রাতে গনি মিয়া রোডের ভানু এন্টারপ্রাইজে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, আলো ইলেক্ট্রিক দোকান থেকে ক্যাবলসহ বিভিন্ন মালামাল ও নগদ টাকা নিয়ে যায় চোরেরা। অপরদিকে, ভানু এন্টারপ্রাইজ থেকে নগদ টাকা, দামি সিগারেটসহ বিভিন্ন কনফেকশনারি পণ্য চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বরুড়া বাজারে এর আগেও একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আলো ইলেক্ট্রিক দোকানের ভেতরে শব্দ শুনে সন্দেহ হলে দোকানদারকে ফোন করে ডেকে এনে দোকান খোলা ও বিষয়টি যাচাই করা হয়। এছাড়া ভানু এন্টারপ্রাইজের ঘটনাস্থলেও গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হবে।

বাজার কমিটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, চুরি প্রতিরোধে পাহারাদারের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং বাজারের তদারকি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের নিয়মিত টহল বাড়ানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাজার কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ চুরির ঘটনা দোকানের পেছনের অংশ অথবা ওপরের চাল খুলে সংঘটিত হচ্ছে। ফলে দোকানের সামনের অংশে কোনো ধরনের ভাঙচুরের চিহ্ন না থাকায় অনেক সময় বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা যায় না। এরপরও চুরি প্রতিরোধে বাজার কমিটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে বলে জানানো হয়।

চুরির ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।

বাখরাবাদ গ্যাসের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৬টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ২৬টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল)। এ সময় প্রায় ১৫২ মিটার অবৈধ গ্যাস নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয় করা হয়। পাশাপাশি অবৈধ গ্যাস সংযোগ নেয়ার দায়ে তিন ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়।

আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার এলহামপাড়া ও ভাদুঘর এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এ অভিযান চালানো হয়। বিজিডিসিএল কুমিল্লা কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

অভিযানে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্রাহ্মণবাড়িয়া এরিয়া বিতরণ কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

অভিযানে ওই এলাকায় ২৬টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার উচ্ছেদ ও নিষ্ক্রিয় করা হয়। এ সময় নয়টি গ্যাস রেগুলেটর উদ্ধার করা হয়। এছাড়া প্রায় ১৫২ মিটার অবৈধ গ্যাস নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এ সময় অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নেয়ার কারণে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তিনজনকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভোটার হলেন অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভোটার হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত মেয়রপ্রার্থী অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম। এর আগে তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ভোটার ছিলেন। সম্প্রতি ভোটার এলাকা স্থানান্তরের মাধ্যমে তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ইতোমধ্যে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলামকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী হিসেবে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন।

ভোটার এলাকা পরিবর্তনের পর এখন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হিসেবে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম।

ব্রাহ্মণপাড়ায় দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড, এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন কুমার আচার্য ও রূপম কুমার সরকারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল অভিযান চালায়। এ সময় মাদক সেবনের অপরাধে শশীদল ইউনিয়নের দক্ষিণ তেতাভূমি গ্রামের হোসেন মিয়া (২৫) এবং পূর্ব পোমকারা গ্রামের অলিউল্লাহকে (৪৭) আটক করা হয়।

পরবর্তীতে আমলি আদালত-২ (ব্রাহ্মণপাড়া)-এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৈয়ব উদ্দিন সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে আসামিদের সাজা প্রদান করেন। রায়ে হোসেন মিয়াকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা এবং অলিউল্লাহকে তিন দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অপরদিকে, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পৃথক এক অভিযানে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সাইফুল আলম সিদ্দিকী উপজেলার দক্ষিণ চান্দলা এলাকা থেকে দুটি জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি আক্তার খানকে গ্রেপ্তার করেন।

আটক আক্তার খান ওই এলাকার নান্নু খানের ছেলে। তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন ও আসামিদের গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।