All posts by jitu

বাংলাদেশে নির্বাচনের উদ্যোগ

বাংলাদেশে নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়ে যা বললো যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশে নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়ে যা বললো যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক রিপোর্ট:

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করেছেন। এ ঘোষণাকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাগত জানিয়েছে।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের উপপ্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল এ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের জনগণকে তাদের নেতৃত্ব নির্বাচনের সুযোগ দেবে।

১৬ ডিসেম্বর সকালে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন হতে পারে। তিনি জানান, ভোটার তালিকা সঠিকভাবে প্রস্তুত করার মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হলে ২০২৫ সালের শেষ দিকে নির্বাচন সম্ভব হবে। তবে, যদি নির্বাচন প্রক্রিয়া ও কমিশনের সুপারিশ এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার প্রয়োজন হয়, তাহলে আরও ছয় মাস সময় লাগতে পারে।

মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, “বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণাকে আমরা স্বাগত জানাই। এটি বাংলাদেশের জনগণকে নেতৃত্ব নির্বাচনের সুযোগ দেবে। আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আইনের শাসন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিশ্চিত করার পক্ষে। বিশ্বজুড়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে আমাদের অবস্থান অটুট।”

গুমের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জড়িত থাকার প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “গত দুই দশকে বাংলাদেশে শত শত মানুষ জোরপূর্বক গুমের শিকার হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের মানসিক যন্ত্রণা এবং অনিশ্চয়তার বিষয়টি আমরা গভীরভাবে উপলব্ধি করি।”

গুমের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “এই অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত ও ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য আমরা আহ্বান জানাই।”

বাজার সিন্ডিকেট ভাঙা

বাজার সিন্ডিকেট ভাঙা ‘ডিফিকাল্ট’: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন

বাজার সিন্ডিকেট ভাঙা ‘ডিফিকাল্ট’: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাজার সিন্ডিকেটের বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, “সিন্ডিকেট” নয়, বরং ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভিন্ন স্তরের শক্তিশালী ব্যবসায়ী, বড় ব্যবসায়ী, মাঝারি, আমদানিকারক, সরবরাহকারী, এজেন্টদের উপস্থিতি রয়েছে। এটি একটি জটিল পরিস্থিতি, যা ভাঙা বেশ কঠিন।

বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আজ চাল, ডাল, মসুর ডাল, সয়াবিন তেল, সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দিচ্ছি। পূর্বে অনেক বড় বড় ক্রয় অনুমোদন দেওয়া হতো, কিন্তু বর্তমানে এগুলো যাচাই-বাছাই করে দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “সয়াবিন তেল হয়তো কিছুটা সহনীয় হতে পারে, আর মসুর ডাল দেওয়া হচ্ছে কারণ এর প্রয়োজন আছে। রোজা পর্যন্ত বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন চাল, ডাল, খেজুর, ছোলা, সয়াবিন তেল, চিনি আমরা নিশ্চিত করছি। চেষ্টা করছি বাজারকে আরও সহনীয় করার, তবে কিছুটা সময় লাগবে কারণ অধিকাংশ পণ্য আমদানি করতে হয়। আমাদের পণ্য আনলোড করতে দেরি হয় না, কিন্তু সরবরাহে কিছু সমস্যা রয়েছে। আমাদের বাইরের দেশগুলোর উপর নির্ভর করতে হচ্ছে।”

উপদেষ্টা বলেন, “আমরা আজ সয়াবিন আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং যতটা সম্ভব দেশীয় সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি যাতে ব্যবসায়ীদের কাছে বার্তা পৌঁছায়।”

ভোক্তাদের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাজারে কার্যকর মনিটরিং হচ্ছে না, তা নয়। কিন্তু আমাদের দেশে ব্যবসায়ীরা তাদের স্বার্থে দাম ঠিক করে বিক্রি করেন।” তিনি আরও বলেন, “ভোক্তা অধিদফতর কত জায়গায় যাবে? কিছুদিন আগে আমি পাবনা গিয়েছিলাম, সেখানেও একই অবস্থা। ডিসি বলছেন, আমরা কমিটি করে দিয়েছি, তারা বাজারে যায়, কিন্তু তাদের ফিরে আসার পর আবার পরিস্থিতি আগের মতো। মানুষের সচেতনতা প্রয়োজন, তারা যদি নিজে মনিটরিং করে অভিযোগ করে, তখন আমরা ব্যবস্থা নিতে পারব।”

আরেক প্রশ্নের জবাবে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “সবাইকে একসঙ্গে ধরলে বাজারে কৃত্রিম সংকট আরও বাড়বে। আমরা চাই সবাই ব্যবসা করুক, তবে অতিরিক্ত লাভ যাতে না হয়, এবং উৎপাদনকারীরা যেন তাদের খরচটা পায়, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এতে কিছুটা সময় লাগবে।”

মেসি কাকে ভোট দিলেন

মেসি কাকে ভোট দিলেন, অধিনায়ক হয়েও ভোট দেননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

মেসি কাকে ভোট দিলেন, অধিনায়ক হয়েও ভোট দেননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার ‘দ্য বেস্ট’। সেরা ফুটবলার বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় ভোট দেন ফিফার তালিকাভুক্ত প্রত্যেক দেশের অধিনায়ক, কোচ এবং নির্বাচিত গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হিসেবে ভোট দিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে পর্তুগালের অধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও ভোট দেননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ভিনিসিউস জুনিয়রের হাতে ফিফার বর্ষসেরার পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ইউরোপের শীর্ষ লিগে না খেললেও এবার ফিফার সেরার তালিকায় মনোনয়ন পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। এমনকি কিলিয়ান এমবাপ্পে, টনি ক্রুসদের মতো ফুটবলারদের পেছনে ফেলে ষষ্ঠ সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

অধিনায়ক হিসেবে একজন সর্বোচ্চ তিনটি ভোট দিতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ক্রমতালিকা করা হয়। সবচেয়ে পছন্দের ফুটবলারকে রাখা হয় সবার ওপরে, যেহেতু তিনি বেশি পয়েন্ট পান। অধিনায়ক হিসেবে এবার লিওনেল মেসি প্রথমে রেখেছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালকে। এরপর তিনি ভোট দিয়েছেন পিএসজিতে তার সাবেক সতীর্থ কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং সবশেষ ভোটটা দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিউসকে।

সেরাদের মনোনয়নে মেসির নাম থাকলেও ছিল না রোনালদোর নাম। যদিও সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল-নাসরের হয়ে দুর্দান্ত খেলছেন এই ফরোয়ার্ড। পর্তুগালের হয়েও দুর্দান্ত ফর্মে আছেন তিনি। এমনকি পর্তুগালের অধিনায়ক হলেও ভোট দেননি এই তারকা। রোনালদোর জায়গায় ভোট দিয়েছেন পর্তুগালের ম্যানচেস্টার সিটি তারকা বার্নান্দো সিলভা। এই মিডফিল্ডার বেছে নিয়েছেন যথাক্রমে রদ্রি, ভিনিসিউস ও আর্লিং হল্যান্ডকে।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের পর থেকেই পর্তুগালের শুরুর একাদশে কিছুটা অনিয়মিত রোনালদো। ওই সময় থেকেই ফিফা দ্য বেস্ট পুরস্কারের ভোট দেয় তখনকার সহ-অধিনায়ক পেপে। এখন এই ডিফেন্ডারও অবসরে রয়েছেন। তাই ভোট দেওয়ার দায়িত্ব পড়েছে সিলভার ওপর।

পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোনালদোর ভোট থেকে বিরত থাকার প্রধান কারণ হতে পারে তার বয়স। ক্যারিয়ারের শেষের দিকে অবস্থান করছেন তিনি। তাই পর্তুগাল ভবিষ্যৎ অধিনায়ক তৈরির দিকে নজর দিচ্ছে। আর সিলভা যেহেতু বর্তমান পর্তুগাল দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়, তাই দায়িত্বটা তার ওপরই পড়েছে।

ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষে

ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষে নিহত ৪: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষে নিহত ৪: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষ—মাওলানা জুবায়েরপন্থি ও সাদপন্থিদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এই তথ্য দেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, সংঘর্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা হবে এবং তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, “ইজতেমা মাঠে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের জন্য যারা দায়ী, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

সাদপন্থিরা বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে পারবেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “সরকার ইজতেমার তারিখ বাতিল করেনি। যদি দুই পক্ষ আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে পারেন, তাহলে সাদপন্থিরা ইজতেমায় অংশ নিতে পারবেন। তাদের আলোচনা করতেই হবে।”

এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভূমি উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল হাফিজ (অব.), এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

তাবলিগ ইস্যুতে ঐক্যের আহ্বান আজহারীর

তাবলিগ ইস্যুতে ঐক্যের আহ্বান আজহারীর

তাবলিগ ইস্যুতে ঐক্যের আহ্বান আজহারীর

ডেস্ক রিপোর্ট:

তাবলিগ জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় মর্মাহত হয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

আজ (১৮ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তাবলিগ জামায়াতের নেতৃত্বকে ঐক্যের পথে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, “নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সময় আউস ও খাযরাজ গোত্র শত বছরের শত্রুতা ভুলে নবীজির তাওহিদের শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে পরস্পর ভাইয়ে পরিণত হয়েছিল। তারা শিখেছিল, বড়ত্ব একমাত্র আল্লাহর জন্য, আর মানুষের উচিত আল্লাহর ইচ্ছার সামনে নিজেদের সমর্পণ করা।”

আজহারী বলেন, নবীজির এই শিক্ষাই বর্তমান তাবলিগ জামায়াতের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তাদের উচিত দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা।

তিনি সতর্ক করে বলেন, “তাবলিগ জামায়াতের এই বিভাজন বাংলাদেশের মুসলমানদের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। প্রতিবেশী দেশের গণমাধ্যমগুলো ইতোমধ্যেই এই ঘটনাকে বিতর্কিতভাবে উপস্থাপন করে ইসলামি আন্দোলনগুলোকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।”

তিনি আত্মসমালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, তাবলিগ জামায়াতের সদস্যদের মধ্যে “এক উম্মাহ” ধারণাটি যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারার কারণেই এই সংঘাত সৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্য দেশে তাবলিগ জামায়াত ভিন্ন মতাদর্শের মধ্যেও সংঘাতহীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে। কারণ তারা উম্মাহর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়।

তিনি শামের উদাহরণ টেনে বলেন, “শামে একাধিক গ্রুপ ভিন্ন মতাদর্শ থাকা সত্ত্বেও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। বাংলাদেশের মুসলমানদেরও উচিত দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষা করা।”

তাবলিগ জামায়াতের সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আল্লাহর নামে সংযত হোন। মুসলিম ভাইয়ের রক্তপাত কখনোই নবীজির উম্মতের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে উম্মাহর বৃহত্তর কল্যাণে কাজ করুন। নবীজি (সা.) আসাবিয়্যাত বা গোত্রীয়তার ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। তাই এ ধরনের প্রবণতা থেকে দূরে থাকুন।”

সবশেষে মাওলানা আজহারী তাবলিগ জামায়াতের মুরুব্বিদের প্রতি ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খোঁজার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “দেশের ইসলামি ঐক্য রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের ওপর বর্তায়। তাই দ্রুত এই সংঘাত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিন।”

২১শে ডিসেম্বরের সমাবেশ

২১শে ডিসেম্বরের সমাবেশ সফলে চৌদ্দগ্রামে জামায়াতের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

২১শে ডিসেম্বরের সমাবেশ সফলে চৌদ্দগ্রামে জামায়াতের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

স্টাফ রিপোর্টারঃ

আসন্ন ২১শে ডিসেম্বর চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত যুব সমাবেশকে স্বাগত জানিয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মুন্সীরহাট ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের উদ্যোগে বিশাল মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শোভাযাত্রায় ইউনিয়নের চব্বিটি গ্রামের অন্তত আড়াই শতাধিক মোটর সাইকেল অংশ নেয়।

বুধবার (১৮ই ডিসেম্বর) সকালে ইউনিয়নের খিরনশাল মাদ্রাসা থেকে শুরু হয়ে চব্বিশটি গ্রাম হয়ে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক ও চৌদ্দগ্রাম বাজার প্রদক্ষিণ করে। পরে মুন্সীরহাট বাজারে এসে মোটর সাইকেল শোভাযাত্রাটি শেষ হয়।

এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য নুরে আলম মিয়াজী, মুন্সীরহাট ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা জাফর আহাম্মদ, ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন শামিম, সেক্রেটারী ইসরাফিল হোসেন, কুমিল্লা বারের আইনজীবি সাইফ উদ্দিন, জামায়াত নেতা কপিল উদ্দিন মোল্লা, মোঃ ইউনুছ, এমরান হোসেন মাসুদ, মরতুজা মজুমদার, হারুন ভূঁইয়া প্রমুখ।

শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, আগামী ২১শে ডিসেম্বর শনিবার সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে অতিথি হিসেবে জামায়াতের নায়েবে আমীর, চৌদ্দগ্রামের সাবেক সাংসদ ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহেরসহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন। সমাবেশে অন্তত চল্লিশ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

প্রথম আলো-ডেইলি স্টারের

প্রথম আলো-ডেইলি স্টারের সম্পদের লোভে ভাই খুন!

প্রথম আলো-ডেইলি স্টারের সম্পদের লোভে ভাই খুন!

ডেস্ক রিপোর্ট:

ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ‘টাইকুন’ প্রয়াত লতিফুর রহমানের বিপুল সম্পদ নিয়ে তাঁর পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব ক্রমেই চরমে পৌঁছেছে। প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিকানা নিয়ে গ্রুপের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বড় ছেলে আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের আকস্মিক মৃত্যু। আর বড় মেয়ে সিমিন রহমান ও ছোট মেয়ে শাযরেহ হকের মধ্যে এখন রীতিমতো সাপে-নেউলে সম্পর্ক চলছে। অভিযোগ রয়েছে, বাবা লতিফুর রহমানের মৃত্যুর পর বড় মেয়ে সিমিন রহমান একে একে সব সম্পত্তি নিজের কবজায় নেওয়ার তৎপরতা চালান।

জাল দলিল ও নথিপত্র তৈরি করে সম্পত্তি জবরদখলের অপচেষ্টা করেন। তা জানার পর বড় ছেলে আরশাদ ওয়ালিউর রহমান তাঁর ছোট বোন শাযরেহ হককে আমমোক্তার করেন। এ ঘটনার মাত্র আট দিনের মাথায় নিজ বাসায় ‘অস্বাভাবিক’ভাবে মারা যান আরশাদ ওয়ালিউর রহমান। এরপর শাযরেহ হক এই মৃত্যু ঘিরে সন্দেহভাজন ১০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

ওই মামলার পরই আরশাদ হকের মৃত্যুর রহস্য আরও দানা বাঁধতে থাকে। শাযরেহ হক বড় ভাইয়ের মৃত্যুর পেছনে বড় বোন সিমিন রহমানের হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন। শাযরেহ হকের মামলার নথিপত্র ঘেঁটে এবং আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

এসব বিষয়ে শাযরেহ হকের আইনজীবী আমিনুল হক গতকাল মঙ্গলবার বলেন, ‘পরিবারের সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দের মধ্যেই সিমিন রহমানের বড় ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের মৃত্যু নিয়ে রহস্য রয়েছে।

ভাইয়ের মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়নি দাবি করে রাজধানীর গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন সিমিন রহমানের ছোট বোন শাযরেহ হক। পরে এই মামলা তদন্ত করে পিবিআই আদালতে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) দেয়। তবে আদালত মামলা খারিজ করে দেওয়ায় তিনি এই আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন আবেদন করেন। ওই আবেদনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে আগামী ৩০ জানুয়ারি শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।’

ভাই হত্যার অভিযোগে সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে মামলা:

ভাই হত্যার অভিযোগে গত মার্চ মাসে ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় হত্যা মামলা করেছিলেন ছোট বোন শাযরেহ হক। ওই মামলায় আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়।

সে সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার রিফাত রহমান শামীম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘বড় ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে হত্যার অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক শাযরেহ হক এই মামলা করেন।’

সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১৬ জুন ঢাকার গুলশানের বাসায় নিজের শোয়ার ঘরে মৃত অবস্থায় আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে বলে জানান।

ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লতিফুর রহমানের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারে শুরু হওয়া উত্তরাধিকারের লড়াইয়ের মধ্যে আরশাদের মৃত্যু হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নানা প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে। বড় বোনের বিরুদ্ধে বড় ভাই হত্যার অভিযোগ এনে ছোট বোন শাযরেহ হক যখন মামলা করেন, তখন বিষয়টি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে মামলার বিষয়ে প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হয়।

হত্যা মামলার আসামি করা হয় ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান, সিমিনের ছেলে ও ট্রান্সকম গ্রুপের হেড অব ট্রান্সফরমেশন যারাইফ আয়াত হোসেনকে। অন্য আসামিরা হলেন এসকেএফ ফার্মাসিটিউক্যাল লিমিটেডের ম্যানেজার (মেডিক্যাল অ্যাফেয়ার্স) ডা. মুরাদ, একই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) ডা. মো. মুজাহিদুল ইসলাম, ট্রান্সকম লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স-আইন) মো. ফখরুজ্জামান ভূঁইয়া, ট্রান্সকম গ্রুপ করপোরেট ফাইন্যান্সের পরিচালক মো. কামরুল হাসান, মো. জাহিদ হোসেন, ট্রান্সকম লিমিটেডের ম্যানেজার (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) সেলিনা সুলতানা, ট্রান্সকম লিমিটেডের ম্যানেজার (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) কে এইচ মো. শাহাদত হোসেন, বাবুর্চি রফিক এবং ব্যক্তিগত চালক মিরাজুল। এজাহারে ৭ নম্বর আসামি জাহিদ হোসেনের কোনো পরিচয় দেওয়া হয়নি।

মামলায় শাযরেহ হক অভিযোগ করেন, ‘পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি অন্য ওয়ারিশ থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে কৌশলে বিষ প্রয়োগ/শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে সিমিন রহমানসহ অন্যদের আচরণে প্রকাশ পাচ্ছে।’ মামলা করতে দেরি হওয়ার বিষয়ে এজাহারে বলা হয়, ‘নিকট আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে শলাপরামর্শ করে এজাহার দায়ের করতে বিলম্ব হইল।’

এর আগে কোম্পানির সম্পত্তি ও শেয়ার সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বড় বোনসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেন শাযরেহ। তাতে আরো অনেককে আসামি করা হয়। ওই মামলায় বিশ্বাস ভঙ্গ, জালিয়াতি ও দলিল জালের মাধ্যমে শাযরেহ ও তাঁর প্রয়াত ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে ১০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের পারিবারিক সম্পত্তির ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করারও অভিযোগ করা হয়।

শাযরেহ অর্থ আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও অবৈধভাবে শেয়ার হস্তান্তরের অভিযোগ এনে তিনটি মামলা করেন, যেখানে আসামি করা হয়েছে তাঁর মা, বোন, ভাগ্নেসহ আটজনকে। ওই মামলায় ট্রান্সকমের পাঁচজন কর্মকর্তা গ্রেপ্তার হন।

শাযরেহ হক তাঁর মামলায় বলেন, তাঁর বাবা লতিফুর রহমানের মৃত্যুর পর ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমান, বোন সিমিন রহমান এবং তিনি নিজে তাঁর বাবার সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মুসলিম শরিয়া আইন অনুযায়ী ওয়ারিশ। কিন্তু সিমিন রহমান এবং তাঁর ছেলে যারাইফ আয়াত হোসেন বিভিন্ন জাল কাগজপত্র তৈরি করে স্থাবর সকল সম্পত্তিসহ ট্রান্সকম গ্রুপের শেয়ার ও পজিশন থেকে তাঁকে এবং তাঁর ভাইকে বঞ্চিত করেন।

মামলায় আরও বলা হয়, ‘এ সকল বিষয় জানার পর বড় ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের সাথে কথা বলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালের ৮ জুন আরশাদ ওয়ালিউর রহমান আমাকে আমমোক্তারনামা দেয়।’

আরশাদ ওয়ালিউর ‘ডিভোর্সি এবং নিঃসন্তান’ ছিলেন—মামলায় এই তথ্য দিয়ে শাযরেহ হক বলেন, ‘আম মোক্তারনামা দেওয়ার কারণে সিমিন রহমান তার ভাইয়ের ওপর চরম ক্ষিপ্ত হয় এবং এ কারণে জীবনের নিরাপত্তার কথা নিকটজনের কাছে আরশাদ ওয়ালিউর রহমান বলেছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই আমমোক্তারনামা দেওয়ার আট দিনের মাথায় ১৬ জুন পিতা লতিফুর রহমানের পুরনো গৃহকর্মী মোসলেম হাওলাদারের মাধ্যমে ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমান গুরুতর অসু্স্থ বলে জানতে পেরে ভাইয়ের গুলশানের বাসায় যাই। সেখানে গিয়ে ভাইকে বিছানায় মৃত অবস্থায় দেখতে পাই, যেখানে আগে থেকে সিমিন রহমান, যারাইফ আয়াত হোসেনসহ মামলায় যাঁদের আসামি করা হয়েছে তাঁরা প্রত্যেকেই ছিলেন।’

শাযরেহ হক মামলায় দাবি করেন, তাঁর ভাইয়ের অসুস্থতা এবং মৃত্যুর সংবাদ সেখানে উপস্থিত কেউ তাঁকে জানাননি। তা ছাড়া তাঁর ভাইয়ের কোনো জটিল রোগও ছিল না। এ ঘটনার তিন-চার দিন আগে থেকে তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে তিনি কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি বলেও মামলায় বলা হয়।

এতে আরও বলা হয়, সিমিন রহমান ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের মৃতদেহ হাসপাতালে নিয়ে মৃত্যুর সার্টিফিকেট তাড়াতাড়ি গ্রহণ করা এবং ওই দিনই বিকেলের মধ্যে দাফন করার জন্য সকলকে নির্দেশ দিচ্ছিলেন। এর মধ্যে একটি অ্যাম্বুল্যান্সে করে মরদেহ ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসক ‘কেন দেরি করে আনা হলো’ ‘অনেক আগেই মারা গেছেন’ বলে মন্তব্যও করেন। হাসপাতালে মৃত ঘোষণার পর হাসপাতালের চিকিৎসক আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের শারীরিক অবস্থা কী ছিল, তাঁর কোনো দুরারোগ্য রোগ ছিল কি না জানতে চাইলে সঙ্গে থাকা ডা. মুরাদ নিজেকে তাঁর (আরশাদ ওয়ালিউর রহমান) ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে দাবি করেন এবং তিনি ‘সমস্ত জানেন’ ‘কোনো পুলিশি রিপোর্ট প্রয়োজন নেই’ বলে জানান।

এরপর সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ডা. মুরাদসহ সেখানে উপস্থিত কয়েকজন মরদেহ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বজন ছাড়া লাশ হস্তান্তর করা হবে না বলে জানানোর পর শাযরেহ হকের স্বামী ভগ্নিপতি হিসেবে লাশ গ্রহণ করেন বলে মামলায় বলা হয়।

জানা গেছে, লতিফুর রহমান মারা যাওয়ার পর তাঁর স্ত্রী শাহনাজ রহমান ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান হন। তাঁর বড় মেয়ে সিমিন রহমান গ্রুপের সিইও। আর নাতি যারেফ আয়াত ট্রান্সকমের হেড অব ট্রান্সফরমেশন। ছোট মেয়ে শাযরেহ হকও ট্রান্সকম গ্রুপের একজন পরিচালক।

আরশাদ ওয়ালিউরের মৃত্যুর পরপরই তাঁর বাড়ি, গাড়িসহ অন্যান্য সম্পত্তি সিমিন রহমান, যারাইফ আয়াত হোসেনসহ অন্যরা দখলে নিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করেন শাযরেহ হক।

জানা যায়, ২০২০ সালে লতিফুর রহমান মারা যাওয়ার পর ট্রান্সকমের বাংলাদেশ ল্যাম্পস, ট্রান্সকম ইলেকট্রনিকস, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস ও পেপসিকোসহ গ্রুপটির ১৬টি বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এখন পুরোপুরি সিমিন রহমানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।