All posts by jitu

কুমিল্লা বোর্ডে এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষণে রেকর্ড ৯১ হাজার আবেদন

ডেস্ক রিপোর্ট:

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে রেকর্ড ৯১,৪৯৪টি উত্তরপত্রের পুনর্মূল্যায়ন আবেদন জমা পড়েছে।

মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ফল সংশোধনের আবেদন করায় এই সংখ্যাকে ‘আশ্চর্যজনক’ বলে অভিহিত করেছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহসান পারভেজ জানান, এবার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের সংখ্যা আশ্চর্যজনকভাবে বেশি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের কাজ চালানো হচ্ছে, যাতে নির্ধারিত সময়েই ফল প্রকাশ করা যায়।

জানা যায়, গত ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করার কথা রয়েছে।

এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৬টি জেলার ১,৮২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৯৫,৩৯৯ জন, যেখানে পাসের হার ৬৫.৪২%।

উত্তীর্ণদের মধ্যে ছেলেদের পাসের হার ৬৩.২৪% হলেও এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা, যাদের পাসের হার ৬৬.৮৮%। তবে গত বছরের তুলনায় পাসের হার সামান্য বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা। এবার মোট ৯,৮১৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে ৫,৮৪৮ জনই ছাত্রী।

বিভাগভিত্তিক পাসের হারে শতকরা হিসাবে এবারও শীর্ষে রয়েছে বিজ্ঞান বিভাগ (৮২.৮৮%)। অন্যদিকে, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৫৭.৪০% এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে কম, যা মাত্র ৫০.৬১%। তবে এ বছর শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪টিতে।

বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সভাপতি খোরশেদ, সম্পাদক বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির নির্বাচিত

বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সভাপতি খোরশেদ, সম্পাদক বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির নির্বাচিত

 

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার বুড়িচং প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি কাজী খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক পদে টেলিভিশন কুমিল্লা জেলা মোজো রিপোর্টার জহিরুল হক বাবু এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দৈনিক রূপসী বাংলার প্রতিনিধি মো. জাকির হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বুড়িচং প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১৯টি পদে ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রেস ক্লাবের মোট ২৮ জন ভোটারের সবাই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিনিধি গাজী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির ও সোহরাব সুমন, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি মারুফ আহমদ কল্প এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি মো. আব্দুল্লাহ নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ছাড়া অর্থ সম্পাদক পদে দৈনিক মুক্ত খবরের প্রতিনিধি মো. ফয়জ আহমদ, দপ্তর সম্পাদক পদে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের প্রতিনিধি মো. শাফি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে দূরবীন নিউজের প্রতিনিধি মুহাম্মদ রকিবুল হাসান রনি, পাঠাগার সম্পাদক পদে দৈনিক কুমিল্লার আলোর প্রতিনিধি রেজাউল করিম রাজু নির্বাচিত হয়েছেন।

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পদে দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি আল মামুন টুটু এবং সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে দৈনিক যায়যায়দিনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন দুলাল নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি মো. মোসলিম উদ্দিন, দৈনিক ভোরের কাগজের প্রতিনিধি আব্দুল মোমেন, ময়নামতি অনলাইন টিভির প্রতিনিধি মো. গিয়াস উদ্দিন, দৈনিক সংগ্রামের প্রতিনিধি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, ডেইলি অবজারভারের প্রতিনিধি আলাউদ্দিন আহম্মদ এবং দৈনিক বর্তমান বাংলার প্রতিনিধি মো. মহিউদ্দিন।

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম। নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু ও বুড়িচং আনন্দ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

নির্বাচন চলাকালে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর হোসেন, বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় কুমিল্লা জেলা প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণা শেষে নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে সাংবাদিক সহকর্মীরা অভিনন্দন জানান। নতুন কমিটি বুড়িচংয়ের সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য ও পেশাগত সহযোগিতা আরও জোরদার করে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চায় ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা।

নোয়াখালী বিভাগ নিয়ে এ্যানি'র বক্তব্যকে ঘিরে প্রতিবাদে ফেটে পড়েছে কুমিল্লাবাসী

নোয়াখালী বিভাগ নিয়ে এ্যানি’র বক্তব্যকে ঘিরে প্রতিবাদে ফেটে পড়েছে কুমিল্লাবাসী

 

বাগদাদ চৌধুরী:

নোয়াখালী বিভাগ নিয়ে পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কুমিল্লায় ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়েছে। মন্ত্রীর বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কুমিল্লাবাসীর মধ্যে এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি দেওয়া বক্তব্যে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি কুমিল্লাকে নিয়ে মন্তব্য করার পাশাপাশি কুমিল্লা বিভাগের দাবির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। বক্তব্যের একপর্যায়ে কুমিল্লার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনকে নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের বিষয়ে স্বাক্ষর নেওয়ার উদ্যোগের সময় জাকারিয়া তাহের সুমন প্রতিবাদ হিসেবে ‘নোয়াখালী বিভাগ চাই’ লিখে অবস্থান নিয়েছিলেন।

মন্ত্রীর এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কুমিল্লার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের দাবিকে নতুন করে সামনে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের অনেকে বলছেন, কুমিল্লাকে ঘিরে কোনো ধরনের অবমাননাকর বা খাটো করে দেখানো বক্তব্য মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের দাবি আদায়ে আবারও রাজপথে আন্দোলন গড়ে তোলার প্রস্তুতির কথাও জানাচ্ছেন তারা।

এদিকে মন্ত্রীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কুমিল্লায় ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে, বিভাগ বাস্তবায়নের দাবিতে নতুন করে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে কি না।

কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের বিভাগ বাস্তবায়নের দাবি এর আগেও বিভিন্ন সময় আন্দোলন ও কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জোরালো হয়েছে। এবার নোয়াখালী বিভাগ নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য সেই দাবিকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা অন্যান্য পক্ষের আরও বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

ভারতের পানিতে ডুবল আখাউড়ার নিম্নাঞ্চল, ৩২টি পরিবার পানিবন্দী

ভারতের পানিতে ডুবল আখাউড়ার নিম্নাঞ্চল, ৩২টি পরিবার পানিবন্দী

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী তিন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ২৫০ হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং ৩২টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানি বাড়তে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, আবদুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে জাজিরপুল খাল দিয়ে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করে আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করেছে। দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিকাপুর, কেন্দুয়াই, রহিমপুর, রাজেন্দ্রপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। কয়েকটি বাড়িতেও পানি ঢুকেছে।

আখাউড়া স্থলবন্দরের বিপরীতে থাকা আমদানি-রপ্তানিকারকদের অফিসেও পানি প্রবেশ করেছে। পাশের কয়েকটি হোটেল ও চায়ের দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসা বন্ধ রয়েছে।

রাজেন্দ্রপুর গ্রামের আবু হানিফ বলেন, ‘ভারত থেকে আসা পানির আমাদের খুব ক্ষতি করেছে। পুকুর, জমি তলিয়ে গেছে। আমাদের এদিকে কোনো বৃষ্টি নেই। হঠাৎ উজান থেকে পানি নেমে এসেছে।’

কেন্দুয়াই গ্রামের মনির মিয়া বলেন, ‘চার কানি জমি লাগিয়েছিলাম। ভারত থেকে হঠাৎ পানি এসে বাড়িঘর ও জমি তলিয়ে গেছে।’

রাজেন্দ্রপুর গ্রামের জালাল মিয়া বলেন, গত শনিবার থেকে পানি বাড়তে শুরু করেছে। রোববার পানি আরও বেড়েছে। এতে তার ধানখেত তলিয়ে গেছে। জমিতে ধান লাগানোর পর শ্রমিকদের পুরো পারিশ্রমিকও দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।

আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহের মিয়া বলেন, তার ওয়ার্ডের রহিমপুর, কেন্দুয়াই ও বঙ্গেরচর গ্রামের অনেক বাড়িঘর ও জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। জাজি নদী ও খালগুলো পরিষ্কার করা হলে দ্রুত পানি নিষ্কাশন সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, আখাউড়া পৌরসভা, মোগড়া ও দক্ষিণ ইউনিয়ন এলাকায় প্রায় ২৫০ হেক্টর জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। তবে পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা কম বলে জানান তিনি।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া বলেন, পাহাড়ি ঢলের কারণে নিম্নাঞ্চলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে ৩২টি পরিবার পানিবন্দী রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সীমান্তবর্তী স্কুলগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ সেখানে আশ্রয় নেয়নি। প্রয়োজনের জন্য ত্রাণও প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তা বিতরণ করা হবে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

চৌদ্দগ্রামে শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষার্থীদের সাথে ডিসির মতবিনিময়

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে সোমবার দুপুরে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও চৌদ্দগ্রাম মাধ্যমিক পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে বিদ্যালয়ের হল রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন, উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) সৈয়দ শাফকাত আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম মীর হোসেন। স্বাগত বক্তব্যে রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাজমুল হাসানের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর হোসেন, অভিভাবকদের পক্ষে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ গিয়াস উদ্দিন ও সাবেক পৌর কমিশনার জাহাঙ্গীর হোসেন, এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত তাসনিয়া মোস্তফা, দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নুজরাত জাহান ইশফা, মাইশা ফাইরোজ পাটোয়ারী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে চৌদ্দগ্রাম মাধ্যমিক পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৩ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সনদ ও বই উপহার দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে উপহার তুলে দেন।

চৌদ্দগ্রামে কানাইল খালে পোনামাছ অবমুক্ত করলেন ডিসি রোজী আক্তার

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে সোমবার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বারাইশে কানাই খালে পোনামাছ অবমুক্ত করেছেন জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মৎস্য অধিদপ্তরের আওতায় আভ্যন্তরীন জলাভুমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক আনোয়ার হোসেন, উপ-পরিচালক বিশ্বজিৎ বৈরাগী, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) সৈয়দ শাফকাত আলী, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ লতিফুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম মীর হোসেন, প্রকল্প কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, এলজিইডি কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন সাগর, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলম রাজু, চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে ৮০ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮০ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোরে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)–এর আমানগণ্ডা বিওপির টহল দল আদর্শ গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব গাঁজা উদ্ধার করে।

১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ জানায়, সীমান্তে চোরাচালান ও আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার করা গাঁজা আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য চৌদ্দগ্রাম থানায় জমা দেওয়া হবে।

কুমিল্লা-চাঁদপুর মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের দুইপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। যানজট নিরসন ও সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে তিন দিনব্যাপী এ অভিযান চালানো হচ্ছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রথম দিনেই চাঁদপুর-কুমিল্লা-ফরিদগঞ্জ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল করে নির্মাণ করা দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর-কুমিল্লা-ফরিদগঞ্জ মহাসড়কের খাজুরিয়া থেকে বর্ডার বাজার পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ছয় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা গড়ে ওঠায় সড়কের প্রশস্ততা কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও জনবহুল এলাকাগুলোতে এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে নিয়মিত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা. ইউনুস আলী বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে দখল করে থাকা স্থাপনা সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট দখলদারদের আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নোটিশ দেওয়ার পরও অনেকেই স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আপাতত তিন দিন এ অভিযান চলবে। পর্যায়ক্রমে চিহ্নিত সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

তিনি বলেন, উচ্ছেদ শেষে উদ্ধার হওয়া সরকারি জায়গাগুলো আর যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে দখলমুক্ত জায়গাগুলোতে বৃক্ষরোপণ করা হবে।

নির্বাহী প্রকৌশলী আরও বলেন, বাবুরহাট এলাকায় প্রায় সময়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। উচ্ছেদের পর সেখানে উদ্ধার হওয়া জায়গায় ইন্টারসেকশন করা হবে। এতে সড়কের জায়গা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে এবং যানবাহন চলাচলে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসবে। পাশাপাশি ওই এলাকায় যানজটও অনেকটা কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা বলেন, সড়ক বিভাগের দখলকৃত জায়গা উদ্ধারে জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

গণতন্ত্রের গাড়ি সঠিক পথে, ফ্যাসিস্টের ষড়যন্ত্র রুখে দেশ ঘুরে দাঁড়াবে: রফিকুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার:

গণতন্ত্রের গাড়ি সঠিক পথে এগিয়ে চললেও দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে গুপ্ত ও ফ্যাসিস্ট শক্তির ষড়যন্ত্র এখনো বন্ধ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব ও সম্মিলিত পেশাজীবী নেতা রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিচক্ষণতা ও দক্ষ নেতৃত্বে দেশ যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তাতে দেশবিরোধী শক্তির সব কূটকৌশল রুখে দিয়ে বাংলাদেশ অচিরেই ঘুরে দাঁড়াবে।

শনিবার (২২ আগস্ট ) বিকেল ৪টায় কুমিল্লা নজরুল ইনস্টিটিউটে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট, কুমিল্লা জেলা কমিটি আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রফিকুল ইসলাম বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের উত্তরসূরি জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশ ও জাতির স্বার্থে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করতে হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী জাতীয়তাবাদী চেতনার জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রত্যয়ে কুমিল্লার সংস্কৃতিকর্মীরা জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে দেশের সংস্কৃতি ও জাতীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সাংস্কৃতিক কর্মীদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট, কুমিল্লা জেলা কমিটির সভাপতি জামিল আহমেদ খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রতিনিধি সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ড. শাহ মো. সেলিম।
এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম,বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক শেখ ফরিদ উদ্দিন, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম মিঠু, ড. জে. এন. লিলি এবং জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
সভায় কুমিল্লার বিভিন্ন পর্যায়ের সংস্কৃতিকর্মী ও জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় কুমিল্লা জেলা শাখা জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট গঠিত হয়েছে জনাব জামিল আহমেদ খন্দকারকে আহ্বায়ক করে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মিলন, অধ্যক্ষ ইমদাদুল হক, নারী নেত্রী শাহানা হক ও এস এম মিজান। সদস্য সচিব মো. বোরহান উদ্দিন এবং সমন্বয়ক মো. নাছির উদ্দিন।

একই সঙ্গে কুমিল্লা মহানগর শাখা জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট গঠিত হয়েছে ড. জে. এন. লিলিকে আহ্বায়ক করে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন, প্রকৌশলী মোর্শে