All posts by jitu

কুবি মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসা বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা, সার্বক্ষণিক চালু রাখার দাবি

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। সপ্তাহে ৫দিন সাত থেকে আট ঘন্টা মেডিকেল সেন্টার খোলা থাকলেও নিয়মিত ডাক্তার থাকেন না। পাওয়া যায় না প্রয়োজনীয় ঔষুুধও। এতে সেবা নিয়ে অসন্তোষ শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি ২৪ঘন্টা মেডিকেল সেন্টার খোলা রাখার ব্যবস্থা করা এবং প্রয়োজনীয় ঔষুধ সরবরাহ করা।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসের আশেপাশে বসবাস করেন। বিভিন্ন সময় কেউ নিম্ন রক্তচাপ, কেউ উচ্চ রক্তচাপ, কেউ রক্তশূন্যতা, জ্বর-ঠান্ডা, কাশি, গ্যাস্ট্রিকাহ নানা সমস্যা হলে মেডিকেলে যখন তখন সেবা পাওয়া যায় না। এছাড়া আশেপাশে কোন হাসপাতাল না থাকায় অসুস্থ হয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার। হঠাৎ শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাৎক্ষণিক কোনো চিকিৎসা পায় না। ফলে স্বাস্থ্যসেবা বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত মেডিকেল সেন্টারে ডাক্তার থাকেন। কখনো মেডিকেল সেন্টার খোলা থাকলেও প্রায়ই ডাক্তার থাকেন না। ডাক্তার থাকলেও যেসব ওষুধ দিয়ে থাকেন সেগুলো মেডিকেল সেন্টার থেকে সরবরাহ করা হয় না। ফলে ক্যাম্পাস ও শহর থেকে ঔষুধগুলো ক্রয় করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত সেবা না পাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের দূরত্ব প্রায় ১১ কিলোমিটার। কলেজ হাসপাতালে যাওয়া সময় সাপেক্ষেও বটে। সাথে যানজটতো রয়েছেই। ফলে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

মারুফ আহমেদ নামে এক শিক্ষার্থী জানান, আমাদের মেডিকেল সেন্টার খোলা থাকে মাত্র সাত ঘণ্টা যা শিক্ষার্থীদের জন্য অপর্যাপ্ত। দেখা যায় কেউ ৯ টার আগে কিংবা বিকাল ৪ টার পর অসুস্থ হলে তাকে শহরের হাসপাতালগুলোতে নিয়ে যেতে হয় যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। রাতে কেউ অসুস্থ হলে অ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য অপেক্ষা করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, বন্ধের দিনগুলোতে মেডিকেল সেন্টার বন্ধ থাকায় কেউ অসুস্থ হলে কোন উপায় না পেয়ে শহরমুখী হতে হয় আর তাও প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে। ইমারজেন্সি সেবা পাওয়া হয়ে পড়ে দুঃসাধ্য। আমাদের মেডিকেল সেন্টারে সেবার মান উন্নত করা এবং মেডিকেল সেন্টারের সার্বক্ষণিক একজন দায়িত্বরত চিকিৎসক অবস্থান করা জরুরি বলে মনে করছি।

নুসরাত জাহান নামে এক নারী শিক্ষার্থী বলে, আমরা যে কোন সময় অসুস্থ হতেই পারি। অথচ আমাদের মেডিকেল খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা। মাঝে মাঝে ধরা বাধা সময়ে গিয়েও ডাক্তার পাওয়া যায় না। বিশ্ববিদ্যালয় শহর থেকে দূরে হওয়ায় কখনো বিকালে বা রাতে আমরা অসুস্থ হলে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকুও পাই না। কেননা আমাদের আশেপাশে এমনকি কোটবাড়িতেও কোনো হসপিটাল নেই। ফলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে আমাদের নানা বিড়ম্বনাতে পড়তে হয়। যেহেতু চিকিৎসা আমাদের মৌলিক চাহিদা। তাই আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সার্বক্ষণিক খোলা রাখার। একই সাথে একজন কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ২৪ ঘন্টা যাতে আমাদের সেবা দিতে পারেন সে ব্যবস্থা করা।

জানতে চাইলে ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার মাহমুদুল হাসান খান বলেন, আমরা সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪ টা অবধি সেবা প্রদান করি। এছাড়াও ২৪ ঘন্টাই আমরা অনলাইনে সেবা প্রদান করে থাকি। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাত ৮ টা অবধি মেডিকেল সেন্টারে ডাক্তার রাখার ব্যবস্থা করতেছেন, যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, আমরা খুব শীঘ্রই রাত ৮ টা পর্যন্ত ডাক্তার রাখার ব্যবস্থা করতেছি। সর্বক্ষণ ডাক্তার রাখার প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, এটার অনুমতি আমাদের নেই। শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার জন্য আমরা যেসব যন্ত্র এনেছি সেগুলো ব্যবহার করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও এসব করার জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন, ইউজিসি থেকে আমাদের অর্থ সহায়তা না দিলেও নিজ অর্থায়নে করার চেষ্টা করবো।

কুমিল্লার শপিং মল গুলোতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

শাহ ইমরান:

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে কুমিল্লার মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। ভিড় বেড়েছে জেলা শহরের প্রতিটি শপিংমল ও বিপণি-বিতানে।

পাশাপাশি ফুটপাতেও কেনাকাটায় ব্যস্ত দেখা গেছে স্বল্প আয়ের মানুষদের। নতুন জামা-জুতো এবং প্রসাধনী সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা।

বুধবার (২৭ মার্চ) কুমিল্লা নগরীরতে অবস্থিত ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজা, প্লানেট এস আর শপিং মল, সাত্তার খান কমপ্লেক্স ,খন্দকার হক টাওয়ার, কিউ আর টাওয়ার শপিং মল,টপ টেন, আনন্দ সিটি শপিং মল, নিউ মার্কেট, গুনি ভূইয়া ম্যানশন,মার্কেটে ব্যবসায়ীরাও ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আকর্ষণীয় মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে পেরে খুশি।

কুমিল্লা ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজা শপিং মলের, রঙ বেরঙ বুটিকস এর মালিক জিল্লুর রহমান রাশেদ বলেন, আমাদের দেশীয় ড্রেসের পাশাপাশি ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি ড্রেসের কদর বেশি। আমার দোকানে সব সময় নতুন নতুন পোশাকের সমরহ থাকে বেশি। আমার দোকানে ঈদ কালেকশন এর মধ্যে রয়েছে ইন্ডিয়ান আলেয়া কার্ট,লেহেঙ্গা সারারা, গারারা, রেডিমেড থ্রি পিস, লং গ্রাউন্ড,সুতি, সিল্ক,সিকুয়েন্স কালেকশন, ওয়ান পিস, টপস আরো আছে বাচ্চাদের থ্রি পিস। আমাদের সম্পূর্ণ ইন্ডিয়ান কালেকশন দ্বারা সাজিয়েছি আমাদের দোকান। রঙ বেরঙ বুটিসে ১৫০০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত থ্রি পিস ও লেহেঙ্গা রয়েছে। রঙ বেরঙ মেয়েদের ফ্যাশনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে কুমিল্লায়।

ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আমরা আগেভাগেই ঈদ শপিং করে নিচ্ছি। তার কারন হিসেবে জানতে চাইলে তারা জানান, পরে ভালো মানের কাপড় না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। অন্য ক্রেতারা বলছেন, ছেলে-মেয়ের শশুর বাড়িতে পছন্দসই কাপড় চোপড় পাঠানোর জন্য আগেভাগে কেনাকাটা সেরে নিচ্ছি।

এদিকে কাপড়ের দোকান ছাড়াও জুতার দোকান, কসমেটিকস এর দোকানেও শিশু থেকে বৃদ্ধরা ভিড় করছেন তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে। তবে দেখা যায়, পুরুষের তুলনায় নারী ও শিশু ক্রেতারাই ভিড় করছেন মার্কেটগুলোতে। ভালো পোশাক কিনতে মার্কেটে আগেভাগেই ছুটে এসেছেন তারা।

বিক্রেতাদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, ১০ রোজার আগে থেকেই ক্রেতাদের চাপ বাড়তে থাকে। তাদের চাহিদামত পণ্য নিতেই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দোকানে ভিড় করে থাকেন। দুপুরের পর বেশি একটা ক্রেতা দেখা মেলেনি। তবে রোজার শেষ দিকে এসে আবার বিকেল থেকে ক্রেতাদের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ক্রেতাদের নিরাপত্তায় পুলিশ বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন রয়েছে বলে জানান কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান।

ডি মারিয়াকে মেরে ফেলার সেই হুমকিদাতাকে গ্রেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট:

আর্জেন্টিনার ফুটবল সাফল্যের অন্যতম বড় কাণ্ডারি আনহেল ডি মারিয়া। রোজারিও শহর থেকে উঠে আসা এই তারকা কোপা আমেরিকার ফাইনালে করেছিলেন জয়সূচক গোল। এরপর ফিনালিসিমা এবং বিশ্বকাপের ফাইনালেও গোল ছিল তার। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে চলে এসেছেন প্রতিভাবান এই উইঙ্গার। জানিয়েছেন, এবারের কোপা আমেরিকার পরেই জার্সিটা তুলে রাখতে চান তিনি।

কিন্তু পুরো আর্জেন্টিনায় ব্যাপক জনপ্রিয় এই ফুটবলার নিজের দেশেই কয়েকদিন আগে মৃত্যুর হুমকিন পান। এবার সেই হুমকিদাতাদের গ্রেপ্তার করেছে আর্জেন্টিনার ফেডারেল পুলিশ এবং তদন্ত ও অপরাধীদের তথ্য সংগ্রহে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট পিডিআই।

আর্জেন্টিনার জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী পাত্রিসিয়া বুলরিখ জানিয়েছেন, এই হুমকি দেওয়ার মূল হোতার নাম পাবলো আকোত্তো। মাদক চোরাচালানের ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। হুমকি দেওয়ায় তাকে সহযোগিতা করেছেন সারা বেলেন গুতিরেজ ও গ্যাব্রিয়েল ইসমায়েল পাস্তোরে। পাবলো আকোত্তো হুমকি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, নিজ নিজ বাসা থেকে পালানোর সময় এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সান্তা ফে প্রদেশের দুই সরকারি কৌঁসুলি হাভিয়ের আরজুবি ও পাবলো সোক্কা এই অভিযানে জোরদার ভূমিকা পালন করেন।

সম্প্রতি নিজের শৈশবের ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালে এসে ক্যারিয়ার শেষের কথা বলেছিলেন ডি মারিয়া। এরপরেই পেতে হয় মৃত্যুর হুমকি। রোজারিওতে নিজ বাসায় তার পরিবারের উদ্দেশে হত্যার হুমকি সম্বলিত বার্তা দিয়ে যায় শহরের দুর্ধর্ষ মাদক চোরাকারবারিরা।

রোজারিও শহরের এক বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টিত আবাসিক এলাকায় বসবাস করেন ডি মারিয়ার পরিবার। দেশে ফিরলে ডি মারিয়া নিজেও সেখানেই থাকেন। সেই এলাকাতেই সোমবার ভোরে হুমকি–সংবলিত কাগজ ছুড়ে ফেলে যায় অজ্ঞাত একটি দল। একটি ধূসর গাড়ি থেকে ছুড়ে ফেলা সেই কাগজে দি মারিয়ার পরিবারের উদ্দেশে লেখা ছিল, আর্জেন্টাইন তারকা যদি শহরে ফেরেন, তাহলে প্রাদেশিক গভর্নরও এই ফুটবলারের পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে পারবেন না।

দাউদকান্দিতে পথচারীদের মাঝে ফিউচার আইসিটি স্কুলের ইফতার বিতরণ

দাউদকান্দি প্রতিনিধি:

ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল সাড়ে ৫টা। পশ্চিম আকাশে হেলে পড়েছে সূর্য সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের উদ্দেশ্যে বাড়ির রাস্তা ধরেছে নিম্ন আয়ের মানুষ। সেই রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে তাদের হাতে ইফতার তুলে দিয়েছেন দাউদকান্দির গৌরীপুরের ফিউচার আইসিটি স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২৭ মার্চ) উপজেলার গৌরীপুর-হোমনা সড়কের গৌরীপুর বাজার সংলগ্ন স্কুলের সামনে এভাবেই ইফতার বিতরন করতে দেখা যায়। আর ইফতার পেয়ে ছিন্নমূল শিশু ও পথচারীদের চোখেমুখে ছিল আনন্দের ঝিলিক।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণের পরিকল্পনা নেয় ফিউচার আইসিটি স্কুলের প্রতিষ্টাতা শফিউল বাসার সুমন । তিনি বলেন, বিতরণকৃত গুলো বিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীরা নিজেরাই তৈরি করেছে। এতে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মন বড় হবে। আজকের শিক্ষার্থীরা কোন একদিন বড় হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গর্ব করে বলতে পারবে, আমরাও স্কুলে লেখাপড়া করার সময় ছিন্নমূল অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমি মনে করি পাঠ্য পুস্তকের বাইরে এই নৈতিক শিক্ষা দরকার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পুলিশ সুপার এনায়েত কবির শোয়েব, গৌরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নোমান মিয়া, গৌরীপুর সুবল আফতাব উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সেলিম তালুকদার, গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান, সমাজ সেবক রোটাঃ কামাল আহমেদ, মুক্তি মেডিকেলের পরিচালক ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন, দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাজারী, সাংবাদিক ওমর ফারুক মিয়াজী প্রমূখ।

কুবির পদ্মা ছাত্রকল্যান সংঘের নেতৃত্বে সজীব-নুরুল

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) অধ্যয়নরত গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর জেলার শিক্ষার্থীদের আঞ্চলিক সংগঠন পদ্মা ছাত্রকল্যান সংঘের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

নতুন এ কমিটিতে সভাপতি হয়েছে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী রেজওয়ান হক সজীব এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন একয় শিক্ষাবর্ষের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নুরুল-আমিন।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সাবেক সভাপতি তাহমিদ ইমন ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদ তালুকদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তানজিম আহমেদ ও লামিয়া আক্তার। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মিথিলা মিনহা।

কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক সাইবুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রুকাইয়া আক্তার, অর্থ-সম্পদ বুলবুল আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক ফারজানা হাফসা, সহ- দপ্তর সম্পাদক তাজমীম বশার বিনতি, প্রচার-সম্পাদক হারান-কৃত্তনীয়া, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক রুবাইয়া জান্নাত রুশা, কার্যনির্বাহী সদস্য ফাতেমা হাচান রোজনী ও সিয়াম আহমেদ।

নবগঠিত কমিটির সভাপতি রেজওয়ান হক সজীব কমিটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কারনে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর তার প্রাণচঞ্চলতা হারিয়েছে। নতুন কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে পদ্মা ছাত্রকল্যান সংগঠনটির ঐতিহ্য ধরে রাখতে চাই। আমার ইচ্ছা সংগঠনের মাধ্যমে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের যে কোনো ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতা করে তাদের সর্বোত্তম সেবা দেওয়া।
উল্লেখ্য আগামী এক বছর নবগঠিত কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।

হোমনায় পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার হোমনায় পরকীয়া প্রেমিককে নিয়ে স্বামী আব্দুল জলিলকে (৪৫) হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ চারজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। পরকীয়া প্রেমিককে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নিহত আব্দুল জলিলের স্ত্রী শাহনাজ বেগম (৩৫), হোমনার কারারকান্দি এলাকার মৃত ইউসুফ মিয়ার ছেলে মো. কুদ্দুস (৩২), মঙ্গলকান্দি এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে আব্দুল খালেক (২৮) ও কারারকান্দি এলাকার মৃত সাধন মিয়ার ছেলে মো. রাজিব (২৬)। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামিই কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন না। তারা সবাই পলাতক রয়েছেন।

কুমিল্লার অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হোমনার চেৎপুর এলাকার সৌদি প্রবাসী আব্দুল জলিলের স্ত্রী শাহনাজ বেগমের সঙ্গে পরকীয়া প্রেম ছিল হোমনা উপজেলার গোয়ারী ভাঙ্গা গ্রামের মৃত আক্কাস আলীর ছেলে হোমনা কাঁচাবাজারের টিউবওয়েল ব্যবসায়ী মো. শাহজাহানের। পরকীয়ার জের ধরে গত ২০১৩ সালের ৯ জুন চিকিৎসা করানোর কথা বলে জলিলকে ঢাকায় নেন স্ত্রী। এ সময় ঢাকা থেকে ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্ত্রী শাহনাজের ইন্ধনে ঘাতক কুদ্দুস, খালেক ও রাজিব মিলে আব্দুল জলিলকে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে যায়।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই তাজুল ইসলাম বাদী হয়ে হোমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলা তদন্তের দায়িত্ব পান হোমনা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল বাকী। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেন। পরবর্তীতে জামিনে বের হয়ে পালিয়ে যান স্ত্রী শাহনাজ বেগমসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপর আসামিরা। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন এসআই আব্দুল্লাহ আল বাকী।

মামলাটি বিচারে এলে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ গঠন করে রাষ্ট্রপক্ষে ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও যুক্তিতর্ক শুনানি হয়। ওই মামলায় বুধবার রায়ের দিন নিহত জলিলের স্ত্রী শাহনাজ বেগম, আসামি কুদ্দুস, খালেক ও রাজিবের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ সময় প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। জলিলের স্ত্রী শাহনাজ বেগমের পরকীয়া প্রেমিক শাহজাহানের কোনো সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

চৌদ্দগ্রামে বিজিবির উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার:

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিজিবি কুমিল্লা সেক্টর এবং অধীনস্থ ব্যাটালিয়নের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের জগন্নাথ দিঘী এলাকায় দুস্থ ও অসহায় ২ শত মানুষের মাঝে ইফতার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বুধবার (২৭ মার্চ) বিকেলে  জগন্নাথ দিঘী বিওপিতে কুমিল্লা বিজিবির সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মো: শরিফুল ইসলাম মেরাজ  উপস্থিত থেকে অসহায় ও দু:স্থদের মাঝে ইফতার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

বিজিবি সূত্র জানায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সর্বদাই আর্ত মানবতার সেবায় অসহায় ও দুস্থদের জন্য বিভিন্ন প্রকার কল্যাণমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে৷ এরই ধারাবাহিকতায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও এর সদর দপ্তরসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে শুরু করে সারাদেশে দুস্থ ও বিপন্ন মানুষদের মাঝে ইফতার, রাতের খাবার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই মহতি উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিজিবি, উত্তর-পূর্ব রিজিয়ন, সরাইলসহ অধীনস্থ কুমিল্লা সেক্টর এবং ব্যাটালিয়ন কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ এলাকায়ও দুস্থ- দরিদ্রদের মাঝে ইফতার, রাতের খাবার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

রমজান মাস আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস এবং এই মাস আমাদেরকে সংযমের পাশাপাশি ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয় ৷ সবার সাথে ইফতারি ভাগ করে নেয়াটা অত্যন্ত আনন্দের । আর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সব সময়ই সমাজের দরিদ্র ও বিপন্ন মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে বিজিবি কর্মকর্তারা জানান।

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে বর্ধিত মেয়াদের মধ্যে বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ওই প্রজ্ঞাপনে।

বুধবার (২৭ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশে মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ আবু সাঈদ মোল্লার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারের নির্বাহী আদেশে আগের মতো দুই শর্তে (বর্ধিত মেয়াদের মধ্যে বিদেশে যেতে পারবেন না ও ঢাকায় থেকে চিকিৎসা নেওয়া) খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, গত ২৫ মার্চ থেকে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত কার্যকর হবে। এ সময় তিনি নিজ বাসায় থেকেই চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করবেন এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারবেন না।

এর আগে, গত ২০ মার্চ আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, খালেদা জিয়াকে যে দুটি শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, সেটি সাতবার বাড়ানো হয়েছে। একই শর্তে আবার তার সাজা স্থগিত রেখে মুক্তির আদেশ আরও ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হচ্ছে।

স্বাধীনতার ৫৩ বছরের মধ্যে ২৯ বছরই ছিল জাতির দুর্ভাগ্যের বছর : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আজ আমরা স্বাধীনতার ৫৩ বছর পার করেছি। ৫৩ বছরের মধ্যে ২৯টা বছর এই জাতির দুর্ভাগ্যের বছর। এ দেশের মানুষ ছিল শোষিত বঞ্চিত। সেই জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে, মুক্তিযুদ্ধ করে, স্বাধীনতার বিজয় এনে দেওয়া একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্বদানকারীর জন্য সম্ভব।’

বুধবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেছেন। কোনো মেজরের বাঁশির ফু-তে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করায় বিএনপির বড়াই করার কিছু নেই। কারণ জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে বেতনভুক্ত কর্মচারী ছিলেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে যখন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল তখন পাকিস্তানি সেনাদের পক্ষে চট্টগ্রামে মুক্তিকামী বাঙালির ওপর গুলি চালিয়েছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের বিরোধিতা করে বিএনপি নেতারা চাদর পোড়ায়। তাহলে বিএনপি নেতাদের বাসায় স্ত্রীদের যে শাড়িগুলো রয়েছে সেগুলো কেন পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে না।’

বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে পাল্টা প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতারা যদি পালিয়ে যায় তাহলে যুদ্ধটা করেছিল কে? সরকার গঠন এবং সেক্টর গঠন করে দায়িত্ব দিয়েছিল কে? আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে জিয়াউর রহমান ছিল বেতনভুক্ত কর্মচারী।’

চান্দিনায় তুচ্ছ ঘটনায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

চান্দিনা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চান্দিনায় গরুর গোবর ফেলাকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের হাতে খুন হলো আপন বড় ভাই হানিফ মিয়া (৩৫)।

বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুর পৌঁনে ১২টায় চান্দিনা উপজেলা সদরের আনিছ মোহাম্মদ এর বাড়িতে (আনিছা বাড়ি) এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হানিফ মিয়া ওই এলাকার আনু মিয়ার ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় হানিফ। হত্যাকারী আনিছ মিয়া নিহতের আপন ছোট ভাই।

প্রত্যক্ষদর্শী হিমেল জানান, তারা দুই ভাইয়ের পৃথক গরুর খামার আছে। বাড়ির পাশের একটি অন্যের খালি জায়গায় দুই ভাই দীর্ঘদিন যাবৎ গরুর গোবর ফেলে আসছে। বুধবার দুপুরে ওই স্থানে গরুর গোবর ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। চরম উত্তেজনার মধ্যে মেঝ ভাই আনিছ মিয়া বড় ভাই হানিফ মিয়াকে মারধর করে এক পর্যায়ে তাকে কাঠের চোখা টুকরো দিয়ে আঘাত করায় ওই কাঠের চোখা অংশ বাম চোখের ভিতর দিয়ে মাথায় ঢুকে যায়। তাৎক্ষনিক ভাবে তাকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আরিফুর রহমান জানান, তার শরীরের বিভিন্ন অংশের ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রচন্ড রক্তক্ষরণ ও মস্তিস্কে আঘাত জনিত কারণে মৃত্যু ঘটে তার।

ঘটনাস্থল থেকে চান্দিনা থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মো. গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পরপর হত্যাকারী পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থাসহ হত্যাকারীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।