All posts by jitu

দেবিদ্বারজুড়ে তাণ্ডব চলছে, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কার্যালয় ভাঙচুর ও মালামাল লুট

স্টাফ রিপোর্টার :

কুমিল্লার দেবিদ্বারে নৌকা সমর্থকদের বাড়িঘর- অফিস কার্যালয়ে হামলা-ভাংচুর অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার নিউমার্কেট এলাকায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সেক্রেটারি সাদ্দাম হোসেনের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক কার্যালয়ের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। এ সময় ল্যাপটপ, মোবাইল, নগদ টাকাসহ অনেক জিনিসপত্র নিয়ে যায়।

উল্লেখ্য যে সাদ্দাম হোসেন সাবেক সাংসদ নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের পক্ষ হয়ে নির্বাচনে কাজ করেছিলেন। ঈগল প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান সাংসদ আবুল কালাম আজাদ সমর্থিত নেতাকর্মীরা এসব হামলা তান্ডব চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন নৌকা প্রতীকের নেতাকর্মীরা।

ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাইচাপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মোঃ আনিল নৌকার পক্ষে কাজ করায় শনিবার তাকে মারধর করে। সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে।

একই দিন ফতেহাবাদ ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের জৈনুদ্দিন বাড়ির মোহাম্মদ ইউনুস মিয়া, ছাড়া বাড়ির মোঃ রফিক ও দুয়াগাজীর বাড়ির মোহাম্মদ খোরশেদকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় ঈগলের সমর্থকরা।

হুট করে দুর্নীতি ঠিক করা যাবে না: পরিকল্পনামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

পরিকল্পনামন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালাম বলেছেন, দুর্নীতি নেই এ কথা বলব না। এটাও ঠিক হুট করে এটি ঠিক করাও যাবে না। দেখা যায় প্রাইমারির শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি হয়। এমন হলে বাচ্চারা কী শিখবে। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই শিশুদের দুর্নীতি মুক্ত থাকার শিক্ষা দিতে হবে। তাহলে তারা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ঠিক থাকবে।

রোববার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন তার দপ্তরে উন্নয়ন প্রকল্পের অনিয়ম, দুর্নীতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির বিষয়ে কোনো ছাড় নয়, কোনো আপোষ নেই। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুর্নীতি নিরসনে সংগ্রাম চলছে, যুদ্ধ চলছে এবং জিহাদ চলছে। এই যুদ্ধকে এগিয়ে নেব।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রকল্পগুলোর দিকে নজর দিতে চাই। সেই সঙ্গে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে থাকবে বিশেষ নজর। গ্রামের রাস্তাঘাট যদি ঠিক থাকে, মানুষ যতি সহজেই শহরে যাতায়াত করতে পারে তাহলেই উন্নয়ন টেকসই হবে।

এছাড়া স্বাস্থ্যখাত নিয়ে নানা অভাব ও অভিযোগ আছে। সেগুলো কমানোর চেষ্টা থাকবে। গ্রামে যদি স্বাস্থ্যসেবা ভালো থাকে তাহলে মানুষ সেখানেই অন্তত কিছুটা স্বাস্থ্য সেবা পাবেন। আমার এলাকায় একটি ছেলের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এখানেও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না দিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমি জানতে পেরে সিএমএইচে পাঠিয়েছি। যদি গ্রামেই সেই স্বাস্থ্যসেবা ভালো থাকত তাহলে অন্তত সেখানেই কিছু সেবা পেত, বলেন তিনি।

কসবা ব্লাড ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গরীব অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার :

ব্রাক্ষনবাড়িয়া, কসবা ব্লাড ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গরীব অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জানুয়ারী) ফাউন্ডেশনের এডমিন শারমিন ইসলাম, রাকিব হাসান, জুনায়েদ এবং সংগঠনের সদস্যবৃন্দগণ উপস্হিত থেকে কম্বল বিতরণ করেন।

এ সময়ে বক্তব্য রাখেন কসবা ব্লাড ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক রাকিব হাসান এবং শারমিন ইসলাম।

বক্তব্যে কসবা ব্লাড ফাউন্ডেশনের এডমিন শারমিন ইসলাম বলেন, অসহায়দের নিয়ে তাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ।

মানবতার_টানে রক্তের বন্ধনে রক্তের ভালোবাসা একটি অরাজনৈতিক অলাভজনক সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, কসবা ব্লাড ফাউন্ডেশন এর এডমিন – শারমিন ইসলাম , মো. রাকিব হোসাইন, জাবেদ ইসলাম, জুনায়েদ আহমেদ, তানিসা ইসলাম, জাহিদুর ইসলাম সজীব, সানজিদা প্রমুখ।

জনগণ যাদের প্রত্যাখ্যান করেছে তাদের নিয়ে চিন্তা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল বলেছেন, জনগণ যাদের প্রত্যাখান করেছে তাদের নিয়ে চিন্তা নেই, নিরাপত্তা বাহিনীই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবে।

রোববার (১৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনে এক প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি দেশকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এটা নতুন কিছু নয়, তারা ২০১৪ সাল থেকে এমন কর্মকাণ্ড করছে। তারা ২১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীকে বোমা মেরে উড়িয়ে দিতে চেয়েছে। সেই আগুন গোষ্ঠী আবারও এমন কিছু করার পাঁয়তারা করছে। আমাদের জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জনগণ কোনোদিন জঙ্গি বা টেরোরিজম পছন্দ করে না। জনগণ যাদের প্রত্যাখ্যান করেছে, তাদের নিয়ে চিন্তা নেই। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ। তারা এ সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবে।

নতুন করে নির্বাচন দাবি মামা বাড়ির আবদার : সেতুমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর নতুন করে নির্বাচনের দাবিকে মামা বাড়ির আবদার বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের৷

রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রীর কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি৷

নতুন সরকারের সামনে কি চ্যালেঞ্জ রয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, মানুষের জীবনে রাজনীতি বলুন, অর্থনীতি বলুন সবক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জ আছে৷ বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সেই চ্যালেঞ্জ আরও কঠিন৷তবে আমি মনে করি কোনো চ্যালেঞ্জই মোকাবিলা করা অসম্ভব নয়৷

তিনি বলেন, আমরা যখন পদ্মাসেতুর কাজ শুরু করেছিলাম তখন কেউ ভাবেনি এটা শেষ করা সম্ভব হবে৷ বিশ্বব্যাংকও পাশে ছিল না৷ কিন্তু আমরা পদ্মাসেতু করতে পেরেছি৷ মেট্রোরেল দিয়ে যে এ শহর সমৃদ্ধ হবে এ কথাও কেউ ভাবেনি৷ কিন্তু সেটাও শেখ হাসিনার সরকার উপহার দিয়েছে৷ আমাদের অনেক কাজ আছে সামনে৷ অনেক চ্যালেঞ্জ আছে৷ তবে এখনো আমরা সড়কে যানবাহনের শৃঙ্খলা আনতে পারিনি৷ বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে একযোগে আমরা একটা প্রকল্প হাতে নিয়েছি৷ এটা করতে পারলে রোড সেফটি নিশ্চিত হবে৷ আজ অনেক রাস্তা হচ্ছে৷ রাস্তাগুলো স্মার্ট করতে হবে৷ এ বিষয়গুলোও আমরা দেখব৷ অনেক সড়কের নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে৷

মন্ত্রিসভায় দেশি বিদেশি চাপ আছে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, দেশি বিদেশি চাপ প্রসঙ্গে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন চাপ বিদেশ থেকে আছে৷ দেশে তো আছেই৷ আমরা সব চাপ মোকাবিলা করার সক্ষমতা রাখি৷ আমাদের শক্তি এ দেশের জনগণ৷ দেশের জনগণ সঙ্গে থাকলে কোনো চাপই মোকাবিলা করা অসম্ভব নয়৷ অনেকেই ভেবেছে নির্বাচন করতে পারবেনা৷ কিন্তু তাদের স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে৷ অর্থনৈতিক চাপও রয়েছে৷ এগুলোকে ভয় পেলে হবে না৷ আজকাল আমাদের গ্রামীণ বাজার পর্যন্ত ভরপুর খাদ্য সামগ্রী, ফলমূল সব আছে৷ সীমান্তেও একই অবস্থা৷কিছু নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট হচ্ছে৷ মানুষ যাতে সহজে দ্রব্যমূল্য কিনতে পারে সেক্ষেত্রে আমরা জোর দেব৷

বিরোধী দলের প্রতি বার্তা দিতে চান কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে কাদের বলেন, এ দেশটা সকলের৷ দেশ যে শুধু আওয়ামী লীগের সেটা তো বলতে পারি না৷ সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চায় আসতে হবে৷ আমরা চিরজীবন ক্ষমতায় থাকব না৷ একটা দল চিরজীবন ক্ষমতায় থাকেও না৷ এ দেশের সকল সম্পদ জনগণের৷ বিরোধী দলের যারা আছে তারাও এ সম্পদের অংশীদার৷ কাজেই উন্নয়নের যে যাত্রা শুরু হয়েছে সেটা ২০৪১ সাল অবধি আমাদের ভিশনে নিয়ে যেতে হবে৷

প্রয়োজনে নতুন কারিকুলামের মূল্যায়নে অবশ্যই পরিবর্তন আনা হবে

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রয়োজনে নতুন কারিকুলামের মূল্যায়নে অবশ্যই পরিবর্তন আনা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেছেন, শিক্ষাবর্ষ মাত্র শুরু হয়েছে। ধারাবাহিক মূল্যায়নের কাজগুলোও শুরু হয়েছে। কাজ করতে গিয়ে যদি কোনো সমস্যা মনে হয় তাহলে তাহলে পরিবর্তন অবশ্যই আসবে।

রোববার (১৪ জানুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের শুরুর দিনেই সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নতুন কারিকুলাম হঠাৎ করে আসেনি। এটা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এই আলোচনা সমালোচনাগুলোকে মাথায় রেখেই সেখানে দুর্বলতা থাকলে, সমস্যা থাকলে সেটা সমাধান করা হবে। মূল্যায়ন নিয়ে একটা আলোচনা আছে সেই মূল্যায়ন যাতে কোনো প্রতিবন্ধকতায় পরিণত না হয় সেটাকে আমরা বিবেচনায় রেখে এগিয়ে যাব।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষায় একটা ধারাবাহিকতা থাকে। এখানে নতুন করে কিছু করার অবকাশ নেই। সেই ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়ে রূপান্তর ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হবে। স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করার জন্য স্মার্ট এডুকেশন সিস্টেম আমাদের প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করব।

স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করার জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের এবারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার হচ্ছে কর্মসংস্থান। স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করার জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা প্রয়োজন। কর্মসংস্থানের জন্য মাল্টি স্ক্রিল স্মার্ট সিটিজেন আমাদের প্রয়োজন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণায় জোরদার করা প্রয়োজন।

আগামী সাতদিনের মধ্যে একশ দিনের পরিকল্পনা দিতে চাই: পরিবেশমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আগামী সাতদিনের মধ্যে একশ দিনের পরিকল্পনা দিতে চান বলে জানিয়েছেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার পূরণ করবো। নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। কাজের জন্য কোনো কাঠামো বদলের দরকার হলে সেটা করতে হবে। আমাদের কাজের সঙ্গে যা দরকার সেটা করবো।’

রোববার (১৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এসব কথা বলেন।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা চাই এটা যাতে এক নম্বর মন্ত্রণালয় হয়। আমার পক্ষ থেকে আইনের প্রতি শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেবো। মিডিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবো।’

তিনি বলেন, ‘সাতদিনের মধ্যে একশ দিনের পরিকল্পনা দিতে চাই। এছাড়াও অন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবো।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বায়ু দূষণ প্রতিরোধ করতে হবে। বন সংরক্ষণ করতে হবে। টেকসই উন্নয়নের জন্যই পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। এখানে দুর্নীতি বা অনিয়ম প্রশ্রয় দেবো না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সেই অগ্রগতিকে টেকসই করতে হবে।’

৪৩০ দিন পর বিরাট কোহলির ফেরা, রেকর্ডের হাতছানি

ডেস্ক রিপোর্ট:

রোহিত শর্মা ফিরেছেন আগের ম্যাচেই। ৪২৭ দিন পর ফিরে এসে অবশ্য মনে রাখার মতো কিছু করা হয়নি ভারতীয় অধিনায়কের। ডাক খেয়েই ফিরতে হয় তাকে। আগের ম্যাচে থাকার কথা ছিল বিরাট কোহলিরও। তবে সেদিন ফেরা হয়নি তার। ৪৩০ দিন পর আজ রোববার আরও একবার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেখা যাবে কোহলিকে।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজটা ভারতের জন্য অনেকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপের আগে দলের কন্ডিশন বুঝে নিতে এই সিরিজের দিকেই নজর নির্বাচকদের। শুধু তাইই না, ২০২২ বিশ্বকাপের পর থেকে দলের বাইরে থাকা রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলিকে আগামী বিশ্বকাপের আগে কতখানি ফিট অবস্থায় পাওয়া যাবে সেটাও পরখ করার মঞ্চ এই সিরিজ।

প্রথম ম্যাচে রোহিত রান না পেলেও দল ঠিকই জিতেছে। আর দ্বিতীয় ম্যাচে মোহালিতে ফিরছেন বিরাট কোহলি। এই ম্যাচে অবশ্য ভারতের আরেক ওপেনার জশস্বী জয়সাওয়াল আছেন গ্রোয়েন ইনজুরিতে। তাই কোহলিকে এদিন রোহিতের সঙ্গে ইনিংস ওপেন করতে দেখলে খুব একটা অবাক হওয়ার থাকবে না।

এমন প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেও কোহলিকে হাতছানি দিচ্ছে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অনন্য এক রেকর্ড। আর মাত্র ৩৫ রান করলেই সবরকমের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মিলিয়ে ১২ হাজার রানের মালিক হবেন কোহলি। তার আগে এই কীর্তি করেছেন কেবল ৩ জন।

আন্তর্জাতিক এবং ফ্র্যাঞ্চাইজ লিগ মিলিয়ে কোহলির রান ১১ হাজার ৯৬৫। তার ওপরে আছেন কাইরন পোলার্ড (১২ হাজার ৪৩০ রান), শোয়েব মালিক (১২ হাজার ৯৯৩ রান) এবং ক্রিস গেইল (১৪ হাজার ৫৬২)। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের হিসেবে কোহলিই আছেন সবার ওপরে। ভারতের জার্সিতে ৪ হাজার ৮ রান করেছেন তিনি।

নোয়াখালীতে বাড়ির পাশে পড়েছিল পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টের মরদেহ

ডেস্ক রিপোর্ট:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে পলাশ (৩৫) নামে এক যুবকের মাথা থেতলানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার বাড়ির পাশেই পড়েছিল রক্তাক্ত মরদেহটি।

শনিবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে নাটেশ্বর ইউনিয়নের মির্জানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পলাশ ওই গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে।

জানা গেছে, নোয়াখালী-২ আসনের কাঁচি প্রতীকের পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ভুঁইয়া মানিকের পক্ষে কাজ করেন পলাশ। তিনি স্থানীয় মির্জানগর কেন্দ্রে কাঁচির পক্ষে এজেন্টও ছিলেন।

মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে পূর্বশত্রুতার জেরে কেউ তার মাথায় আঘাত করে হত্যা করতে পারে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন স্বপন বলেন, নোয়াখালী-২ আসনের কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ভুঁইয়া মানিকের পক্ষে আমাদের সঙ্গে কাজ করেন পলাশ। তিনি স্থানীয় মির্জানগর কেন্দ্রে কাঁচির পক্ষে এজেন্টও ছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকে প্রতিপক্ষরা এ ঘটনা ঘটাতে পারে।

নাটেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন খোকন বলেন, কাঁচি প্রতীকের এজেন্ট হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটবে বলে মনে করি না। তবে বিষয়টি দুঃখজনক। ওই ছেলের সঙ্গে কারও বিরোধ আছে বলেও আমাদের জানা নেই। ঘটনাটির সঠিক তদন্ত করে দোষীদের খুঁজে বের করার দাবি জানাচ্ছি।

গোমতী নদীর মাটি ডাকাতির সিন্ডিকেট বেপরোয়া

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার গোমতী নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন বন্ধ রোধে উপজেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ অভিযানে মাটি নিয়ে ওঠার রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে।

কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী গোমতী নদী প্রাচীন যুগ থেকে কুমিল্লার ঐতিহ্য ইতিহাস বহমান প্রবাহ দ্বারা কিছু ভূমিদস্যু কারণে গোমতী নদীর গতিপথ নষ্ট হচ্ছে।

মাটি কাটার মহোৎসব যেন থামছে না। মাটিকাটা সিন্ডিকেট প্রভাবশালী হওয়ায়। স্থানীয়দের কিছু বলার সাহসও নেই ।

 

যৌথভাবে গোমতী নদী থেকে বালু ও মাটি উত্তোলন হচ্ছে। চলছে লুটতরাজ। এখন জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলছে বিশেষ পদ্ধতিতে বালু ও মাটি উত্তোলন। মাটি ও বালি উত্তোলনে তৈরি হয়েছে বিশেষ এক যৌথ সিন্ডিকেট।

সরজমিনে দেখা যায়, প্রত্যেকটির ড্রাইভারশনের পিলার উঠিয়ে মাটি কাটা হয় রাতের বেলা এবং সকালে আবার পিলার স্থায়ীভাবে বসিয়ে রাখা হয়।

দিনের বেলায় কম চোখে পরলেও সন্ধ্যা হলেই বেড়ে যায় ট্রাকে করে মাটি ও বালি সরানোর কাজ। মাটি ও বালি সরিয়ে রাখা হয় নির্দিষ্ট একটি স্থানে।ট্রাকের বিকট শব্দে রাতে ঘুমাতে পারেন না আশেপাশের এলাকার মানুষ। কিছু সিন্ডিকেট কে টাকা দিয়ে এমন কর্মকাণ্ড চলছে বলে অভিযোগ।

চরে দ্রুত মাটি কাটা বন্ধ নাহলে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দূর্যোগের সম্মুখীন হতে হবে কুমিল্লাবাসীকে এমনটাই আশংকা।

নদীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে জানা যায়, সম্প্রতি গোমতী নদী ঘিরে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাটি কাটা ও বালি তোলার চোর চক্র। খোশমেজাজেই চালছে মাটি চুরির বাণিজ্য।

জেলার আদর্শ সদর উপজেলার টিক্কারচর,সংরাইশ,পাঁচথুবি,শালধর, জালুয়াপাড়া,গোলাবাড়ি, সুবর্ণপুর, সাহাপুর, অরণ্যপুর, চাঁন্দপুর ব্রিজ এলাকা, বাটপাড়া, কাপ্তানবাজার, পালপাড়া, আলেখারচর, বাবুর বাজার, শিমাইলখাড়া, বালিখাড়া, রামনগর, পূর্বহুড়া, নানুয়ার বাজার, মিথিলাপুর, বাহেরচর, শ্রীপুর, গোবিন্দপুর, শ্যামপুর, মালাপাড়া, মনোহরপুর, হাসনাবাদ, কংশনগর বাজার, রামচন্দ্রপুর, এদবারপুর, বিভিন্ন এলাকাসহ নদীর স্পটে মাটি কাটা চক্র বেশ সক্রিয়।

এছাড়াও শ্রমিক দিয়ে মাটি কেটে ট্রাক্টরযোগে বাসাবাড়ি, পুকুর ভরাট, ইটের ভাটাসহ নানা স্থানে মাটি সরবরাহ করছে। এতে নদীর বাঁধসহ ঐসব এলাকার রাস্তাঘাটগুলো বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক জানান, মাটি কাটা বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলমান রয়েছে। তবে যাদেরকেই মাটিকাটায় পাওয়া যাবে শাস্তির আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে অভিযান চলমান রয়েছে।